কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১০৩১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪. প্রবল ধারণার ভিত্তিতে নামায শেষ করা।
১০৩১. হাজ্জাজ ইবনে আবু ইয়াকুব (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম (রাহঃ) উপরোক্ত হাদীসের সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি আরও বর্ণনা করেছেন যে, সালামের পূর্বে বসা অবস্থায় (সাহু সিজদা) করবে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُتِمُّ عَلَى أَكْبَرِ ظَنِّهِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِإِسْنَادِهِ زَادَ " وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ " .
হাদীস নং: ১০৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪. প্রবল ধারণার ভিত্তিতে নামায শেষ করা।
১০৩২. হাজ্জাজ (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম যুহরী (রাহঃ) উপরোক্ত সনদ ও অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ সালামের পূর্বে দুটি সিজদা দিয়ে পরে সালাম ফিরাবে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُتِمُّ عَلَى أَكْبَرِ ظَنِّهِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، أَخْبَرَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيُّ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ قَالَ " فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يُسَلِّمَ ثُمَّ لْيُسَلِّمْ " .
হাদীস নং: ১০৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৫. সালামের পর সিজদা সাহু করা সম্পর্কে।
১০৩৩. আহমাদ ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে্ জাফর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি নামাযের মধ্যে সন্দীহান হবে, সে যেন সালাম ফিরাবার পর দুইটি সিজদা (সাহু) করে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ بَعْدَ التَّسْلِيمِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُسَافِعٍ، أَنَّ مُصْعَبَ بْنَ شَيْبَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ شَكَّ فِي صَلاَتِهِ فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ بَعْدَ مَا يُسَلِّمُ " .
হাদীস নং: ১০৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৬. দুই রাকআতের পর তাশাহ্‌হুদ পাঠ না করে দাঁড়ানো সম্পর্কে।
১০৩৪. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে বুহায়না (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জামাআতে নামায আদায় করার সময় দুই রাকআতের পর না বসে (ভুলবশত তৃতীয় রাকআতের) জন্য দণ্ডায়মান হন এবং মুক্তাদীগণও তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে যায়। নামায শেষে আমরা যখন সালামের অপেক্ষায় ছিলাম, তখন তিনি বসা অবস্থায় সালামের পূর্বে আল্লাহু আকবার বলে দুইটি সিজদা দেন এবং অতপর তিনি সালাম ফিরান।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَامَ مِنْ ثِنْتَيْنِ وَلَمْ يَتَشَهَّدْ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ بُحَيْنَةَ، أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَلَمْ يَجْلِسْ فَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ وَانْتَظَرْنَا التَّسْلِيمَ كَبَّرَ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ ثُمَّ سَلَّمَ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ১০৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৬. দুই রাকআতের পর তাশাহ্‌হুদ পাঠ না করে দাঁড়ানো সম্পর্কে।
১০৩৫. আমর ইবনে উছমান (রাহঃ) ..... যুহরী (রাহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের সনদ ও অর্থের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং এখানে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ (ভুলবশতঃ) দাঁড়ানো অবস্থায় তাশাহহুদ পাঠ করেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَامَ مِنْ ثِنْتَيْنِ وَلَمْ يَتَشَهَّدْ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبِي وَبَقِيَّةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِمَعْنَى إِسْنَادِهِ وَحَدِيثِهِ زَادَ وَكَانَ مِنَّا الْمُتَشَهِّدُ فِي قِيَامِهِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ سَجَدَهُمَا ابْنُ الزُّبَيْرِ قَامَ مِنْ ثِنْتَيْنِ قَبْلَ التَّسْلِيمِ وَهُوَ قَوْلُ الزُّهْرِيِّ .
হাদীস নং: ১০৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭. প্রথম তাশাহ্‌হুদ পড়তে ভুলে গেলে।
১০৩৬. হাসান ইবনে আমর (রাহঃ) ...... মুগীরা ইবনে শোবা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যখন ইমাম (তিন বা চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযে) দুই রাকআত আদায়ের পর না বসে দণ্ডায়মান হওয়া কালে সম্পূর্ণ সোজা হওয়ার পূর্বে এটা তার স্মরণ হয়; তখন তিনি সাথে সাথেই বসবেন এবং যদি তিনি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়ে থাকেন তখন তিনি আর না বসে নামায শেষে দুইটি সিজদা সাহূ করবেন
كتاب الصلاة
باب مَنْ نَسِيَ أَنْ يَتَشَهَّدَ وَهُوَ جَالِسٌ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، - يَعْنِي الْجُعْفِيَّ - قَالَ حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ شُبَيْلٍ الأَحْمَسِيُّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا قَامَ الإِمَامُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ فَإِنْ ذَكَرَ قَبْلَ أَنْ يَسْتَوِيَ قَائِمًا فَلْيَجْلِسْ فَإِنِ اسْتَوَى قَائِمًا فَلاَ يَجْلِسْ وَيَسْجُدُ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ " ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: «وَلَيْسَ فِي كِتَابِي عَنْ جَابِرٍ الْجُعْفِيِّ إِلَّا هَذَا الْحَدِيثُ»
হাদীস নং: ১০৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭. প্রথম তাশাহ্‌হুদ পড়তে ভুলে গেলে।
১০৩৭. উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর (রাহঃ) .... যিয়াদ ইবনে ইলাকা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মুগীরা (রাযিঃ) ইমামতি করা কালে দুই রাকআতের পর না বসে দণ্ডায়মান হন। তখন আমরা ‘সুবহানাল্লাহ’ বলি (ভুল সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য নামাযের মধ্যে এরূপ বলতে হয়)। জবাবে তিনিও ‘‘সুবহানাল্লাহ’’ বলেন। নামায সমাপনান্তে তিনি ভুলের জন্য দুইটি সিজদা সাহূ করেন। পরে তিনি সে স্থান ত্যাগ করবার পর বলেনঃ আমি যেরূপ করেছি, এরূপ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে করতে দেখেছি।

অন্য বর্ণনায় আবু উমায়েস .... ছাবিত ইবনে উবাইেদ হতে উল্লেখ করেছেন যে, একদা মুগীরা ইবনে শোবা (রাযিঃ) নামায পড়াচ্ছিলেন ......... অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ نَسِيَ أَنْ يَتَشَهَّدَ وَهُوَ جَالِسٌ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُشَمِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، قَالَ صَلَّى بِنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ فَنَهَضَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قُلْنَا سُبْحَانَ اللَّهِ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ وَمَضَى فَلَمَّا أَتَمَّ صَلاَتَهُ وَسَلَّمَ سَجَدَ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ كَمَا صَنَعْتُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ ابْنُ أَبِي لَيْلَى عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَرَفَعَهُ وَرَوَاهُ أَبُو عُمَيْسٍ عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ صَلَّى بِنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ مِثْلَ حَدِيثِ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو عُمَيْسٍ أَخُو الْمَسْعُودِيِّ وَفَعَلَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ مِثْلَ مَا فَعَلَ الْمُغِيرَةُ وَعِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ وَالضَّحَّاكُ بْنُ قَيْسٍ وَمُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ وَابْنُ عَبَّاسٍ أَفْتَى بِذَلِكَ وَعُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا فِيمَنْ قَامَ مِنْ ثِنْتَيْنِ ثُمَّ سَجَدُوا بَعْدَ مَا سَلَّمُوا .
হাদীস নং: ১০৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭. প্রথম তাশাহ্‌হুদ পড়তে ভুলে গেলে।
১০৩৮. আমর ইবনে উছমান (রাহঃ) ..... ছাওবান (রাযিঃ) নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ নামাযের মধ্যে যে কোন ভুলের জন্য দুটি সিজদায় সাহু করতে হয়।
كتاب الصلاة
باب مَنْ نَسِيَ أَنْ يَتَشَهَّدَ وَهُوَ جَالِسٌ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، وَالرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَشُجَاعُ بْنُ مَخْلَدٍ، - بِمَعْنَى الإِسْنَادِ - أَنَّ ابْنَ عَيَّاشٍ، حَدَّثَهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدٍ الْكَلاَعِيِّ، عَنْ زُهَيْرٍ، - يَعْنِي ابْنَ سَالِمٍ الْعَنْسِيِّ - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ عَمْرٌو وَحْدَهُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ثَوْبَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لِكُلِّ سَهْوٍ سَجْدَتَانِ بَعْدَ مَا يُسَلِّمُ " . لَمْ يَذْكُرْ عَنْ أَبِيهِ . غَيْرُ عَمْرٍو .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৮. দুইটি সাহু সিজদার পর তাশাহ্‌হুদ পড়বে, অতঃপর সালাম ফিরাবে।
১০৩৯. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াইয়া (রাহঃ) ..... ইমরান ইবনে হুসায়েন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নবী করীম (ﷺ) তাঁদের সাথে নামায আদায়কালে ভুল করেন। অতঃপর তিনি ভুলের জন্য দুটি সিজদা করেন। পরে তাশাহহুদ পাঠ করে সালাম ফিরান।
كتاب الصلاة
باب سَجْدَتَىِ السَّهْوِ فِيهِمَا تَشَهُّدٌ وَتَسْلِيمٌ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَشْعَثُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ، - يَعْنِي الْحَذَّاءَ - عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِهِمْ فَسَهَا فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ تَشَهَّدَ ثُمَّ سَلَّمَ .
হাদীস নং: ১০৪০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৯. পুরুষদের পূর্বে স্ত্রীলোকদের নামায শেষে প্রস্থান সম্পর্কে।
১০৪০. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ..... উম্মে সালামা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায শেষে সালামের পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেন। লোকেরা এর অর্থ করত যাতে মহিলারা পুরুষদের পূর্বে মসজিদ হতে বের হয়ে যেতে পারে।
كتاب الصلاة
باب انْصِرَافِ النِّسَاءِ قَبْلَ الرِّجَالِ مِنَ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ هِنْدَ بِنْتِ الْحَارِثِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَلَّمَ مَكَثَ قَلِيلاً وَكَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ ذَلِكَ كَيْمَا يَنْفُذَ النِّسَاءُ قَبْلَ الرِّجَالِ .
হাদীস নং: ১০৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১০. নামায শেষে প্রস্থানের পদ্ধতি সম্পর্কে।
১০৪১. আবুল ওলীদ (রাহঃ) .... কাবীসা ইবনে হুলব (রাহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি নবী করীম (ﷺ) এর সাথে নামায আদায় করেছেন এবং তিনি নামায শেষে মসজিদের কোন এক পাশ (ডান বা বাম) দিয়ে ঘুরে বসতেন।
كتاب الصلاة
باب كَيْفَ الاِنْصِرَافُ مِنَ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ هُلْبٍ، - رَجُلٍ مِنْ طَيِّئٍ - عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَكَانَ يَنْصَرِفُ عَنْ شِقَّيْهِ .
হাদীস নং: ১০৪২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১০. নামায শেষে প্রস্থানের পদ্ধতি সম্পর্কে।
১০৪২. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের কেউ যেন স্বীয় নামাযের মধ্যে শয়তানের জন্য কোন অংশ না রাখে। অর্থাৎ নামায শেষে শুধু দান দিক থেকেই ঘুরে না বলে বা সে নির্গমনের সময় শুধুমাত্র ডানদিক হতেই বের হবে। তিনি আরো বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে অধিকাংশ সময়ে বাম দিক থেকে ঘুরতে দেখেছি।

রাবী উমরা বলেনঃ এই হাদীস শ্রবনের পর আমি যখন মদীনায় গমন করি, তখন নবী করীম (ﷺ) এর হুজরাসমূহ মসজিদের বাম দিকে দেখতে পাই।
كتاب الصلاة
باب كَيْفَ الاِنْصِرَافُ مِنَ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لاَ يَجْعَلْ أَحَدُكُمْ نَصِيبًا لِلشَّيْطَانِ مِنْ صَلاَتِهِ أَنْ لاَ يَنْصَرِفَ إِلاَّ عَنْ يَمِينِهِ وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرَ مَا يَنْصَرِفُ عَنْ شِمَالِهِ . قَالَ عُمَارَةُ أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ بَعْدُ فَرَأَيْتُ مَنَازِلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم عَنْ يَسَارِهِ .
হাদীস নং: ১০৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১. নফল নামায ঘরে আদায় করা উত্তম।
১০৪৩. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা তোমাদের স্ব স্ব গৃহে (নফল) নামায আদায় করবে এবং তোমাদের ঘরকে তোমরা (নামায আদায় না করে) কবর সদৃশ্য করবে না।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الرَّجُلِ التَّطَوُّعَ فِي بَيْتِهِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْعَلُوا فِي بُيُوتِكُمْ مِنْ صَلاَتِكُمْ وَلاَ تَتَّخِذُوهَا قُبُورًا " .
হাদীস নং: ১০৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১. নফল নামায ঘরে আদায় করা উত্তম।
১০৪৪. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) .... যায়দ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ ফরয নামায ব্যতীত যে কোন ধরনের নফল নামায আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী) হতে ঘরে পড়াই শ্রেয়।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الرَّجُلِ التَّطَوُّعَ فِي بَيْتِهِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " صَلاَةُ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ أَفْضَلُ مِنْ صَلاَتِهِ فِي مَسْجِدِي هَذَا إِلاَّ الْمَكْتُوبَةَ " .
হাদীস নং: ১০৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২. কিবলা ব্যতিত অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নামায আদায় করার পর, তা জ্ঞাত হলে।
১০৪৫. মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাথীরা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায আদায় করতেন। অতঃপর যখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ তোমরা যেখানেই থাক, মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরিয়ে নামায আদায় কর। (অর্থাৎ এ সময় বায়তুল্লাহকে কিবলা হিসাবে নির্ধারিত করা হয়) এ সময় বনী সালামার এক ব্যক্তি মসজিদের পাশ দিয়ে গমন কালে দেখতে পান যে, তারা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে ফজরের নামায আদায় করছেন। তখন তিনি দুইবার (চিৎকার করে) বলেনঃ নিশ্চয়ই কিবলাকে এখন বায়তুল্লাহর দিকে ফিরানো হয়েছে। তাঁরা রুকু অবস্থায় কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ صَلَّى لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ ثُمَّ عَلِمَ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، وَحُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابَهُ كَانُوا يُصَلُّونَ نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَلَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ( فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ ) فَمَرَّ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سَلِمَةَ فَنَادَاهُمْ وَهُمْ رُكُوعٌ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ أَلاَ إِنَّ الْقِبْلَةَ قَدْ حُوِّلَتْ إِلَى الْكَعْبَةِ مَرَّتَيْنِ فَمَالُوا كَمَا هُمْ رُكُوعٌ إِلَى الْكَعْبَةِ .
হাদীস নং: ১০৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৩. জুমআর নামাযের বিভিন্ন বিধান।
১০৪৬. আল্-কানবী (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে সব দিনে সূর্যোদয় হয় তার মধ্যে জুমআর দিনই উত্তম। ঐ দিনেই আদম (আলাইহিস সালাম) সৃষ্টি হয়েছিলেন, ঐ দিনই তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়, ঐ দিনই তাঁর তওবা কবুল হয় এবং ঐ দিন তিনি ইন্তিকাল করেন। ঐ দিনই কিয়ামত কায়েম হবে, এই দিন জীন ও ইনসান ব্যতীত সমস্ত প্রাণীকুল সুবহে সাদেক হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত থাকবে। এই দিনের মধ্যে এমন একটি সময় নিহিত আছে, তখন কোন মুসলিম বান্দা নামায আদায়ের পর আল্লাহর নিকট যা প্রার্থনা করবে তাই প্রাপ্ত হবে।

কাব (রাযিঃ) বলেন, এইরূপ দুআ কবুলের সময় সারা বছরের মধ্যে মাত্র এক দিন। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, বছরের একটি দিন নয়, বরং এটা প্রতি জুমআর দিনের মধ্যে নিহিত আছে। রাবী বলেন, অতঃপর কাব (রাযিঃ) তার প্রমাণস্বরূপ তাওরাত পাঠ করে বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) সত্য বলেছেন।

আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর আমি বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাত করি (যিনি ইহুদীদের মধ্যে বিজ্ঞ আলিম ছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন) এবং তাঁকে এ ব্যাপারে অবহিত করি। এই সময় কাব (রাযিঃ)-ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাযিঃ) বলেন, দুআ কবুলের সেই বিশেষ সময় সম্পর্কে আমি জ্ঞাত আছি। তখন আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, আমাকে ঐ সময় সম্পর্কে অবহিত করুন।

আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাযিঃ) বলেন, তা হল জুমআর দিনের সর্বশেষ সময়। আমি বললাম, তা জুমআর দিনের সর্বশেষ সময় কিরূপে হবে? অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ যে কোন বান্দা নামায আদায়ের পর উক্ত সময়ে দুআ করলে তার দুআ কবুল হবে। অথচ আপনার বর্ণিত সময়ে কোন নামায আদায় করা যায় না। আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি বলেন নি যে, কোন ব্যক্তি নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকলে নামায আদায় না করা পর্যন্ত তাকে নামাযে রত হিসাবে গণ্য করা হয়? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ তা ঐ সময়টি।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَلَيْلَةِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ فِيهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُهْبِطَ وَفِيهِ تِيبَ عَلَيْهِ وَفِيهِ مَاتَ وَفِيهِ تَقُومُ السَّاعَةُ وَمَا مِنْ دَابَّةٍ إِلاَّ وَهِيَ مُسِيخَةٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مِنْ حِينَ تُصْبِحُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ شَفَقًا مِنَ السَّاعَةِ إِلاَّ الْجِنَّ وَالإِنْسَ وَفِيهِ سَاعَةٌ لاَ يُصَادِفُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ حَاجَةً إِلاَّ أَعْطَاهُ إِيَّاهَا " . قَالَ كَعْبٌ ذَلِكَ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَوْمٌ . فَقُلْتُ بَلْ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ . قَالَ فَقَرَأَ كَعْبٌ التَّوْرَاةَ فَقَالَ صَدَقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ ثُمَّ لَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلاَمٍ فَحَدَّثْتُهُ بِمَجْلِسِي مَعَ كَعْبٍ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلاَمٍ قَدْ عَلِمْتُ أَيَّةَ سَاعَةٍ هِيَ . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَقُلْتُ لَهُ فَأَخْبِرْنِي بِهَا . فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلاَمٍ هِيَ آخِرُ سَاعَةٍ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ . فَقُلْتُ كَيْفَ هِيَ آخِرُ سَاعَةٍ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يُصَادِفُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّي " . وَتِلْكَ السَّاعَةُ لاَ يُصَلَّى فِيهَا . فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلاَمٍ أَلَمْ يَقُلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ جَلَسَ مَجْلِسًا يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ فَهُوَ فِي صَلاَةٍ حَتَّى يُصَلِّيَ " . قَالَ فَقُلْتُ بَلَى . قَالَ هُوَ ذَاكَ .
হাদীস নং: ১০৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৩. জুমআর নামাযের বিভিন্ন বিধান।
১০৪৭. হারূন ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আওস ইবনে আওস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ দিনসমূহের মধ্যে জুমআর দিনই সর্বোৎকৃষ্ট। এই দিনই আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করা হয় এবং এই দিন তিনি ইন্তিকাল করেন। ঐ দিনে শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে। ঐ দিন সমস্ত সৃষ্টিকুল বেহুশ হবে। অতএব তোমরা ঐ দিন আমার উপর অধিক দরূদ পাঠ করবে, কেননা তোমাদের দরূদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার দেহ তো গলে যাবে। এমতাবস্থায় আমাদের দুরূদ কিরূপে আপনার সম্মুখে পেশ করা হবে? তিনি বলেনঃ আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আম্বিয়ায় কিরামের দেহসমূহ মাটির জন্য (বিনষ্ট করা হতে) হারাম করে দিয়েছেন।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَلَيْلَةِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ قُبِضَ وَفِيهِ النَّفْخَةُ وَفِيهِ الصَّعْقَةُ فَأَكْثِرُوا عَلَىَّ مِنَ الصَّلاَةِ فِيهِ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَىَّ " . قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ تُعْرَضُ صَلاَتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرِمْتَ يَقُولُونَ بَلِيتَ . فَقَالَ " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ عَلَى الأَرْضِ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ " .
হাদীস নং: ১০৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৪. জুমআর দিনে কোন মুহূর্তে দু'আ কবুল হয়।
১০৪৮. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) ..... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ জুমআর দিনের বার ঘন্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত আছে, তখন কোন মুসলমান আল্লাহর নিকট যা-ই দুআ করে আল্লাহ তাই কবুল করেন। তোমরা এই মুহূর্তটিকে আসরের শেষে অনুসন্ধান কর।
كتاب الصلاة
باب الإِجَابَةِ أَيَّةُ سَاعَةٍ هِيَ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - أَنَّ الْجُلاَحَ، مَوْلَى عَبْدِ الْعَزِيزِ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - حَدَّثَهُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " يَوْمُ الْجُمُعَةِ ثِنْتَا عَشْرَةَ " . يُرِيدُ سَاعَةً " لاَ يُوجَدُ مُسْلِمٌ يَسْأَلُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ شَيْئًا إِلاَّ آتَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَالْتَمِسُوهَا آخِرَ سَاعَةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ " .
হাদীস নং: ১০৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৪. জুমআর দিনে কোন মুহূর্তে দু'আ কবুল হয়।
১০৪৯. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) .... আবু বুরদা ইবনে আবু মুসা আল-আশআরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) আমাকে বলেন, আপনি আপনার পিতাকে জুমআর দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, আমি আমার পিতার সূত্রে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ এই বিশেষ মুহূর্তটি হল, ইমামের খুতবা দানের জন্য মিম্বরের উপর বসার সময় হতে নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত।
كتاب الصلاة
باب الإِجَابَةِ أَيَّةُ سَاعَةٍ هِيَ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ، - يَعْنِي ابْنَ بُكَيْرٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَسَمِعْتَ أَبَاكَ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شَأْنِ الْجُمُعَةِ يَعْنِي السَّاعَةَ . قَالَ قُلْتُ نَعَمْ سَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " هِيَ مَا بَيْنَ أَنْ يَجْلِسَ الإِمَامُ إِلَى أَنْ تُقْضَى الصَّلاَةُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي عَلَى الْمِنْبَرِ .
হাদীস নং: ১০৫০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৫. জুমআর নামাযের ফযিলত।
১০৫০. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি উত্তমরূপে উযু করে জুমআর নামায পড়তে আসে এবং চুপ করে (খুতবা) শুনে আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির এক জুমআ হতে অন্য জুমআর মধ্যবর্তী সময়ের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেন এবং আরো তিন দিনের গুনাহও মাফ করে দিয়ে থাকেন। তিনি আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি (খুতবা ও নামাযের সময়) কংকর সরায় সে যেন বেহুদা কর্মে লিপ্ত হল।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ أَتَى الْجُمُعَةَ فَاسْتَمَعَ وَأَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَ الْجُمُعَةِ إِلَى الْجُمُعَةِ وَزِيَادَةُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ وَمَنْ مَسَّ الْحَصَى فَقَدْ لَغَا " .