কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ৮৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫২. ইমামের সাথে নামায আদায়কালে মহিলারা পুরুষদের পড়ে সিজদা থেকে মাথা তুলবে।
৮৫১. মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াক্কিল .... আসমা বিনতে আবু বকর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের (মহিলাদের) মধ্যে যারা আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী, তারা যেন পুরষদের মাথা উত্তোলনের পূর্বে নিজেদের মাথা না উঠায়। তা এইজন্য যে, যাতে মহিলারা পুরষদের সতর দেখতে না পায়।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ النِّسَاءِ إِذَا كُنَّ مَعَ الرِّجَالِ رُءُوسَهُنَّ مِنَ السَّجْدَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ الْعَسْقَلاَنِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ، أَخِي الزُّهْرِيِّ عَنْ مَوْلًى، لأَسْمَاءَ ابْنَةِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ كَانَ مِنْكُنَّ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ تَرْفَعْ رَأْسَهَا حَتَّى يَرْفَعَ الرِّجَالُ رُءُوسَهُمْ " . كَرَاهَةَ أَنْ يَرَيْنَ مِنْ عَوْرَاتِ الرِّجَالِ .
হাদীস নং: ৮৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩. রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝখানে বিরতির পরিমাণ।
৮৫২. হাফস ইবনে উমর .... বারা’ ইবনে আযিব (রাঃ)হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সিজদা, রুকূ ও দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকে প্রায় একই পরিমাণ সময় ব্যয় করতেন।
كتاب الصلاة
باب طُولِ الْقِيَامِ مِنَ الرُّكُوعِ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ سُجُودُهُ وَرُكُوعُهُ وَقُعُودُهُ وَمَا بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ قَرِيبًا مِنَ السَّوَاءِ .
হাদীস নং: ৮৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩. রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝখানে বিরতির পরিমাণ।
৮৫৩. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায যেরূপ সংক্ষেপে কিন্তু পরিপূর্ণভাবে আদায় করতেন, আমি এরূপ নামায আর কারো পেছনে পড়ি নাই। যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলার পর এত দীর্ঘক্ষণ দণ্ডায়মান থাতেন যে, আমাদের মনে হত হয়ত তিনি ভুলে গেছেন। অতঃপর তিনি তাকবীর বলে সিজদাহ করতেন এবং দুই সিজদার মধ্যবর্তী সময়ে এত বিলম্ব করতেন যে, আমরা মনে করতাম তিনি হয়ত দ্বিতীয় সিজদার কথা ভুলে গেছেন।
كتاب الصلاة
باب طُولِ الْقِيَامِ مِنَ الرُّكُوعِ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، وَحُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ مَا صَلَّيْتُ خَلْفَ رَجُلٍ أَوْجَزَ صَلاَةً مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي تَمَامٍ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَالَ " سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ " . قَامَ حَتَّى نَقُولَ قَدْ أَوْهَمَ ثُمَّ يُكَبِّرُ وَيَسْجُدُ وَكَانَ يَقْعُدُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ حَتَّى نَقُولَ قَدْ أَوْهَمَ .
হাদীস নং: ৮৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩. রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝখানে বিরতির পরিমাণ।
৮৫৪. মুসাদ্দাদ ও আবু কামেল .... আল-বারাআ ইবনে আযেব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে মুহাম্মাদ (ﷺ)কে নামাযের অবস্থায় দেখি। আমি তার কিয়াম (দণ্ডায়মান অবস্থা) তাঁর রুকূ ও সিজদাহ সমতুল্য পেলাম। তাঁর রুকূতে অবস্থান, তার সিজদার সমান এবং দুই সিজদার মাঝখানের বৈঠক অতঃপর সিজদা করা, অতঃপর সালাম ফিরানো পর্যন্ত বৈঠক সবই প্রায় সমান পেয়েছি।
كتاب الصلاة
باب طُولِ الْقِيَامِ مِنَ الرُّكُوعِ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو كَامِلٍ - دَخَلَ حَدِيثُ أَحَدِهِمَا فِي الآخَرِ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ هِلاَلِ بْنِ أَبِي حُمَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ رَمَقْتُ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم - وَقَالَ أَبُو كَامِلٍ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - فِي الصَّلاَةِ فَوَجَدْتُ قِيَامَهُ كَرَكْعَتِهِ وَسَجْدَتِهِ وَاعْتِدَالَهُ فِي الرَّكْعَةِ كَسَجْدَتِهِ وَجَلْسَتَهُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ وَسَجْدَتَهُ مَا بَيْنَ التَّسْلِيمِ وَالاِنْصِرَافِ قَرِيبًا مِنَ السَّوَاءِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ مُسَدَّدٌ فَرَكْعَتَهُ وَاعْتِدَالَهُ بَيْنَ الرَّكْعَتَيْنِ فَسَجْدَتَهُ فَجَلْسَتَهُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ فَسَجْدَتَهُ فَجَلْسَتَهُ بَيْنَ التَّسْلِيمِ وَالاِنْصِرَافِ قَرِيبًا مِنَ السَّوَاءِ .
হাদীস নং: ৮৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৫৫. হাফস ইবনে উমর ..... আবু মাসউদ আল-বদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি রুকূ হতে উঠার পর সোজা হয়ে দাঁড়াবে না এবং দুই জিজদার মধ্যবর্তী বিরতীর সময় সোজা হয়ে বসবে নয়া তার নামায যথেষ্ট হবে না।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ النَّمَرِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الْبَدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تُجْزِئُ صَلاَةُ الرَّجُلِ حَتَّى يُقِيمَ ظَهْرَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ " .
হাদীস নং: ৮৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৫৬. আল-কানবী ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে প্রবেশ করলেন। এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করতঃ নামায আদায়ের পর তাকে গিয়ে সালাম করল। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তার সালামের জবাব দিয়ে বলেন, তুমি পুনরায় গিয়ে নামায আদায় কর, কারণ তোমার নামায হয় নাই। অতঃপর ঐ ব্যক্তি পূর্ববত নামায পড়ে এসে নবী (ﷺ)-কে পুনরায় সালাম প্রদান করল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তার সালামের জবাব দিয়ে বলেনঃ তুমি পুনরায় গিয়ে নামায আদায় কর, তোমার নামায হয় নাই। এভাবে সে তিনবার নামায পড়ল। তখন ঐ নামাযী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহর শপথ! যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন, এর চাইতে উত্তমরূপে আমি নামায পড়তে জানি না। অতএব নামাযের পদ্ধতি আমাকে শিখিয়ে দিন।

তখন নবী (ﷺ) বলেনঃ যখন তুমি নামাযে দণ্ডায়মান হবে তখন সর্বপ্রথম তাকবীরে তাহরীমা বল। অতঃপর তোমার সুবিধা অনুযায়ী কুরআনের আয়াত পাঠ কর, অতঃপর শান্তি ও স্থিরতার সাথে রুকূ করবে, অতঃপর রুকূ হতে একদম সোজা হয়ে দাঁড়াবে। অতঃপর ধীরস্থিরভাবে সিজদা আদায় করবে এবং (দুই সিজদার মধ্যবর্তী স্থানে) সোজা হয়ে বসবে। তুমি তোমার সমস্ত নামায এরূপে আদায় করবে।

অন্য বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, নবী (ﷺ) সর্বশেষে উক্ত সাহাবীকে বলেন, যখন তুমি এরূপে নামায আদায় করবে, তখনই তোমার নামায পরিপূর্ণভাবে আদায় হবে। যদি তুমি এর কোন অংশ আদায়ে ক্রটি কর, তবে তোমার নামাযও ক্রটিপূর্ণ হবে। উক্ত বর্ণনায় এরূপও উল্লেখ আছে যে, নবী (ﷺ) তাকে বলেনঃ যখন তুমি নামায আদায়ের ইরাদা করবে, তখন প্রথমে উত্তমরূপে উযু করবে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنِي الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ يَعْنِي ابْنَ عِيَاضٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، - وَهَذَا لَفْظُ ابْنِ الْمُثَنَّى - حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَدَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَيْهِ السَّلاَمَ وَقَالَ " ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ " . فَرَجَعَ الرَّجُلُ فَصَلَّى كَمَا كَانَ صَلَّى ثُمَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَعَلَيْكَ السَّلاَمُ " . ثُمَّ قَالَ " ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ " . حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثَ مِرَارٍ فَقَالَ الرَّجُلُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أُحْسِنُ غَيْرَ هَذَا فَعَلِّمْنِي . قَالَ " إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلاَةِ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ثُمَّ اجْلِسْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِي صَلاَتِكَ كُلِّهَا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ الْقَعْنَبِيُّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَالَ فِي آخِرِهِ " فَإِذَا فَعَلْتَ هَذَا فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُكَ وَمَا انْتَقَصْتَ مِنْ هَذَا شَيْئًا فَإِنَّمَا انْتَقَصْتَهُ مِنْ صَلاَتِكَ " . وَقَالَ فِيهِ " إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلاَةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوءَ " .
হাদীস নং: ৮৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৫৭. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... আলী ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে। অতঃপর তিনি পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেনঃ নবী (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ উযুর অঙ্গসমূহ উত্তমরূপে ধৌত না করলে নামায পূর্ণ হবে না। উযুর পর তাকবীরে তাহরীমা বলে হামদ ও ছানা পাঠ করতঃ কুরআন মজীদ হতে যা সম্ভব পাঠ করবে। অতঃপর “আল্লাহু আকবার” বলে রুকূতে যাবে এমতাবস্থায় যে, তার শরীরের জোড়াসমূহ স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি অবস্থান করবে। অতঃপর “সামিআাল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে স্থিরভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। অতঃপর “আল্লাহু আকবার” বলে এমনভাবে সিজদা করবে যাতে শরীরের জোড়াসমূহ স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি অবস্থান করে। পরে “আল্লাহু আকবার” বলে মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে বসবে। এরপর পুনরায় “আল্লাহু আকবার” বলে পূর্ববৎ সিজদা করবে। অতঃপর “আল্লাহু আকবার” বলে সিজদা হতে মস্তক উত্তোলন করবে। যখন কোন ব্যক্তি এভাবে নামায আদায় করবে, তখনই তার নামায পরিপূর্ণ হবে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّ رَجُلاً، دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَذَكَرَ نَحْوَهُ قَالَ فِيهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّهُ لاَ تَتِمُّ صَلاَةٌ لأَحَدٍ مِنَ النَّاسِ حَتَّى يَتَوَضَّأَ فَيَضَعَ الْوُضُوءَ " . يَعْنِي مَوَاضِعَهُ " ثُمَّ يُكَبِّرُ وَيَحْمَدُ اللَّهَ جَلَّ وَعَزَّ وَيُثْنِي عَلَيْهِ وَيَقْرَأُ بِمَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ ثُمَّ يَرْكَعُ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ ثُمَّ يَقُولُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ حَتَّى يَسْتَوِيَ قَائِمًا ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ ثُمَّ يَسْجُدُ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَيَرْفَعُ رَأْسَهُ حَتَّى يَسْتَوِيَ قَاعِدًا ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ ثُمَّ يَسْجُدُ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ فَيُكَبِّرُ فَإِذَا فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ تَمَّتْ صَلاَتُهُ " .
হাদীস নং: ৮৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৫৮. আল-হাসান ইবনে আলী ..... রিফাআ ইবনে রাফে হতে পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেনঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরাশাদ করেনঃ আল্লাহর নির্দেশমত পরিপূর্ণভাবে উযু না করলে কারও নামায শুদ্ধ হবে না। সে তার মুখমণ্ডল এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে এবং মাথা মাসাহ্ করবে এবং উভয় পা গোছাসহ ধৌত করবে। অতঃপর “তাকবীরে তাহরীমা” বলে হামদ পাঠ করতঃ কুরআনের সেই অংশ পাঠ করবে, যা তার জন্য সহজ। অতঃপর রাবী হাম্মাদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং তিনি (নবী (ﷺ)) বলেনঃ “আল্লাহু আকবার” বলে সিজদা করবে এবং কপাল এমনভাবে মাটিতে স্থাপন করবে যে, শরীরের জোড়াসমূহ স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি অবস্থান করে এবং শরীর নরমভাব ধারণ করে। অতঃপর তাকবীর বলে সোজাভাবে পায়ের উপর ভর করে পাছার উপর বসবে এবং পৃষ্ঠদেশ সোজা রাখবে। অতঃপর তিনি এইভাবে চার রাকআত নামায আদায়ের পদ্ধতি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। উপরোক্ত নিয়মে নামায আদায় না করলে তোমাদের কারো নামায সঠিক হবে না।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَالْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمِّهِ، رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ بِمَعْنَاهُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّهَا لاَ تَتِمُّ صَلاَةُ أَحَدِكُمْ حَتَّى يُسْبِغَ الْوُضُوءَ كَمَا أَمَرَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَيَغْسِلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَيَمْسَحَ بِرَأْسِهِ وَرِجْلَيْهِ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُكَبِّرُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَيَحْمَدُهُ ثُمَّ يَقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا أُذِنَ لَهُ فِيهِ وَتَيَسَّرَ " . فَذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ حَمَّادٍ قَالَ " ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَسْجُدُ فَيُمَكِّنُ وَجْهَهُ " . قَالَ هَمَّامٌ وَرُبَّمَا قَالَ " جَبْهَتَهُ مِنَ الأَرْضِ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ وَتَسْتَرْخِيَ ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَسْتَوِي قَاعِدًا عَلَى مَقْعَدِهِ وَيُقِيمُ صُلْبَهُ " . فَوَصَفَ الصَّلاَةَ هَكَذَا أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ حَتَّى فَرَغَ " لاَ تَتِمُّ صَلاَةُ أَحَدِكُمْ حَتَّى يَفْعَلَ ذَلِكَ " .
হাদীস নং: ৮৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৮৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৫৯. ওয়াহব ইবনে বাকিয়্যা .... রিফাআ ইবনে রাফে হতে উপরোক্ত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তিনি (নবী (ﷺ)) বলেনঃ তুমি যখন নামায আদায়ের ইরাদা করে কিব্লামুখী হয়ে দাঁড়াবে, তখন “তাকবীরে তাহরীমা” বলার পর সূরা ফাতিহা পাঠ করতঃ কুরআনের কিছু অংশ পাঠ করবে। অতঃপর যখন তুমি রুকূ করবে, তখন তোমার উভয় হাত উভয় হাটুর উপর রাখবে এবং পৃষ্ঠদেশ লম্বা করে দিবে। তিনি আরো বলেনঃ অতঃপর যখন তুমি সিজদা করবে, তা শান্তভাবে করবে এবং সিজদা হতে মাথা উঠাবার পর তুমি তোমার বাম উরুর উপর বসবে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ " إِذَا قُمْتَ فَتَوَجَّهْتَ إِلَى الْقِبْلَةِ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ تَقْرَأَ وَإِذَا رَكَعْتَ فَضَعْ رَاحَتَيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ وَامْدُدْ ظَهْرَكَ " . وَقَالَ " إِذَا سَجَدْتَ فَمَكِّنْ لِسُجُودِكَ فَإِذَا رَفَعْتَ فَاقْعُدْ عَلَى فَخِذِكَ الْيُسْرَى " .
হাদীস নং: ৮৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৬০. মুআাম্মাল ইবনে হিশাম .... রিফাআ ইবনে রাফে (রাযিঃ) নবী (ﷺ) হতে উপরোক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ “তাকবীর তাহরীমা” বলার পর তুমি কুরআনের সহজতম অংশ পাঠ করবে। তিনি বলেনঃ তুমি যখন নামাযের মধ্যে প্রথম বৈঠকে উপবেশন কর, তখন শান্তির সাথে বসবে এবং এ সময় তোমার বাম পা বিছিয়ে দিয়ে অতঃপর তাশাহহুদ পাঠ করবে। পরে যখন তুমি দাঁড়াবে, তখন উপরোক্ত নিয়মে নামায শেষ করবে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمِّهِ، رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ " إِذَا أَنْتَ قُمْتَ فِي صَلاَتِكَ فَكَبِّرِ اللَّهَ تَعَالَى ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ عَلَيْكَ مِنَ الْقُرْآنِ " . وَقَالَ فِيهِ " فَإِذَا جَلَسْتَ فِي وَسَطِ الصَّلاَةِ فَاطْمَئِنَّ وَافْتَرِشْ فَخِذَكَ الْيُسْرَى ثُمَّ تَشَهَّدْ ثُمَّ إِذَا قُمْتَ فَمِثْلَ ذَلِكَ حَتَّى تَفْرُغَ مِنْ صَلاَتِكَ " .
হাদীস নং: ৮৬১
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৬১. আব্বাদ ইবনে মুসা ..... রিফাআ ইবনে রাফে (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী উযু কর, অতঃপর কলেমায়ে শাহাদাত পাঠ কর। স্থিরভাবে দণ্ডায়মান হয়ে “তাকবীরে তাহরীমা” বলার পর কুরআনের জানা অংশ পাঠ করবে, অন্যথায় আলহামদু লিল্লাহ আল্লাহু আকবার ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পাঠ করবে। উক্ত বর্ণনায় আরো আছে, তিনি বলেনঃ যদি এ থেকে তুমি কিছু বাদ দাও, তবে তোমার নামায ক্রটিপূর্ণ করলে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مُوسَى الْخُتَّلِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلاَّدِ بْنِ رَافِعٍ الزُّرَقِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَصَّ هَذَا الْحَدِيثَ قَالَ فِيهِ " فَتَوَضَّأْ كَمَا أَمَرَكَ اللَّهُ جَلَّ وَعَزَّ ثُمَّ تَشَهَّدْ فَأَقِمْ ثُمَّ كَبِّرْ فَإِنْ كَانَ مَعَكَ قُرْآنٌ فَاقْرَأْ بِهِ وَإِلاَّ فَاحْمَدِ اللَّهَ وَكَبِّرْهُ وَهَلِّلْهُ " . وَقَالَ فِيهِ " وَإِنِ انْتَقَصْتَ مِنْهُ شَيْئًا انْتَقَصْتَ مِنْ صَلاَتِكَ " .
হাদীস নং: ৮৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৬২. আবুল-ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী ..... আব্দুর রহমান ইবনে শিবল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাকের ঠোকরের ন্যায় (অর্থাৎ তাড়াতাড়ি) সিজদা করতে এবং চতুষ্পদ জন্তুর মত বাহু বিছাতে এবং মসজিদের মধ্যে উটের মত নির্দিষ্ট স্থান বেছে নিতে নিষেধ করেছেন। হাদীসের মতন (মূল পাঠ্য) রাবী কুতায়বার বর্ণিত।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَكَمِ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ تَمِيمِ بْنِ مَحْمُودٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شِبْلٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نَقْرَةِ الْغُرَابِ وَافْتِرَاشِ السَّبُعِ وَأَنْ يُوَطِّنَ الرَّجُلُ الْمَكَانَ فِي الْمَسْجِدِ كَمَا يُوَطِّنُ الْبَعِيرُ . هَذَا لَفْظُ قُتَيْبَةَ .
হাদীস নং: ৮৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. যে ব্যক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
৮৬৩. যুহায়ের ইবনে হারব্ .... সালেম আল্-বাররাদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উকবা ইবনে আমের আল-আনসারী (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে বলি যে, আমাদের রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে অবহিত করুন। তখন তিনি আমাদের সম্মুখে মসজিদে দণ্ডায়মান হয়ে “তাকবীরে তাহরীমা” বলেন এবং তিনি যখন রুকুতে যান, তখন তিনি তাঁর দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখেন এবং তার আঙ্গুলগুলি হাঁটুর নিম্নাংশে স্থাপন করেন এবং তিনি তাঁর হাতের দুই কনুই পৃথক রাখেন, এমতাবস্থায় শরীর স্থির ভাব ধারণ করে। অতঃপর তিনি “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে স্থিরভাবে দণ্ডায়মান হল। পরে তিনি আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় গমন করেন এবং উভয় হাতের কনুইদ্বয় পৃথক রেখে এমনভাবে সিজদা করেন যে, তাঁর সমস্ত শরীর শান্তভাব ধারণ করে। অতঃপর তিনি সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে স্থিরভাবে উপবেশন করেন এবং তিনি চার রাকআত নামায আদায় করেন, অতঃপর বলেনঃ আমি এরূপেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে নামায আদায় করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ مَنْ لاَ يُقِيمُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَالِمٍ الْبَرَّادِ، قَالَ أَتَيْنَا عُقْبَةَ بْنَ عَمْرٍو الأَنْصَارِيَّ أَبَا مَسْعُودٍ فَقُلْنَا لَهُ حَدِّثْنَا عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ بَيْنَ أَيْدِينَا فِي الْمَسْجِدِ فَكَبَّرَ فَلَمَّا رَكَعَ وَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ وَجَعَلَ أَصَابِعَهُ أَسْفَلَ مِنْ ذَلِكَ وَجَافَى بَيْنَ مِرْفَقَيْهِ حَتَّى اسْتَقَرَّ كُلُّ شَىْءٍ مِنْهُ ثُمَّ قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقَامَ حَتَّى اسْتَقَرَّ كُلُّ شَىْءٍ مِنْهُ ثُمَّ كَبَّرَ وَسَجَدَ وَوَضَعَ كَفَّيْهِ عَلَى الأَرْضِ ثُمَّ جَافَى بَيْنَ مِرْفَقَيْهِ حَتَّى اسْتَقَرَّ كُلُّ شَىْءٍ مِنْهُ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَجَلَسَ حَتَّى اسْتَقَرَّ كُلُّ شَىْءٍ مِنْهُ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ أَيْضًا ثُمَّ صَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ مِثْلَ هَذِهِ الرَّكْعَةِ فَصَلَّى صَلاَتَهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي .
হাদীস নং: ৮৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৫. মহানবী (ﷺ) এর বাণী- যার ফরয নামাযে ত্রুটি থাকবে তা তার নফল নামায দিয়ে পূর্ণ করা হবে।
৮৬৪. ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম ..... আনাস ইবনে হাকীম আদ-দাব্বী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি যিয়াদ অথবা ইবনে যিয়াদের ভয়ে মদীনায় চলে আসেন এবং আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাত করেন। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) আমাকে তাঁর বংশ-পরিচয় প্রদান করেন এবং আমি আমার পরিচয় প্রদান করি। তিনি আমাকে বলেনঃ হে যুবক! আমি কি তোমার নিকট হাদীস বর্ণনা করব না? জবাবে আমি বলিঃ হ্যাঁ, আল্লাহ্ আপনার উপর রহম করুন। রাবী ইউনুস বলেনঃ আমি মনে করি তিনি এই হাদীসটি সরাসরি নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন লোকদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম তাদের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের মহান রব ফিরিশতাদের বান্দার নামায সম্পর্কে স্বয়ং জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও জিজ্ঞাসা করবেন, দেখতো সে তা পূর্ণ রূপে আদায় করেছে না তাতে কোন ক্রটি আছে? অতঃপর বান্দার নামায পরিপূর্ণ হলে তা তদ্রূপই লিখিত হবে। অপর পক্ষে যদি তাতে কোন ক্রটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয় তবে তিনি (রব) ফিরিশতাদের বলবেনঃ দেখতো আমার বান্দার কোন নফল নামায আছে কি? যদি থাকে তবে তিনি বলবেন, তোমরা তার নফল নামায দ্বারা তার ফরয নামাযের ক্রটি দূর কর। অতঃপর এইরূপে সমস্ত ফরয আমলের ক্রটি নফল দ্বারা দূরীভূত করা হবে।
كتاب الصلاة
باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " كُلُّ صَلاَةٍ لاَ يُتِمُّهَا صَاحِبُهَا تَتِمُّ مِنْ تَطَوُّعِهِ "
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ حَكِيمٍ الضَّبِّيِّ، قَالَ خَافَ مِنْ زِيَادٍ أَوِ ابْنِ زِيَادٍ فَأَتَى الْمَدِينَةَ فَلَقِيَ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ فَنَسَبَنِي فَانْتَسَبْتُ لَهُ فَقَالَ يَا فَتَى أَلاَ أُحَدِّثُكَ حَدِيثًا قَالَ قُلْتُ بَلَى رَحِمَكَ اللَّهُ . قَالَ يُونُسُ أَحْسِبُهُ ذَكَرَهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ النَّاسُ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ أَعْمَالِهِمُ الصَّلاَةُ قَالَ يَقُولُ رَبُّنَا جَلَّ وَعَزَّ لِمَلاَئِكَتِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ انْظُرُوا فِي صَلاَةِ عَبْدِي أَتَمَّهَا أَمْ نَقَصَهَا فَإِنْ كَانَتْ تَامَّةً كُتِبَتْ لَهُ تَامَّةً وَإِنْ كَانَ انْتَقَصَ مِنْهَا شَيْئًا قَالَ انْظُرُوا هَلْ لِعَبْدِي مِنْ تَطَوُّعٍ فَإِنْ كَانَ لَهُ تَطَوُّعٌ قَالَ أَتِمُّوا لِعَبْدِي فَرِيضَتَهُ مِنْ تَطَوُّعِهِ ثُمَّ تُؤْخَذُ الأَعْمَالُ عَلَى ذَاكُمْ " .
হাদীস নং: ৮৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৫. মহানবী (ﷺ) এর বাণী- যার ফরয নামাযে ত্রুটি থাকবে তা তার নফল নামায দিয়ে পূর্ণ করা হবে।
৮৬৫. মুসা ইবনে ইসমাঈল .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) মুহাম্মাদ (ﷺ) হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " كُلُّ صَلاَةٍ لاَ يُتِمُّهَا صَاحِبُهَا تَتِمُّ مِنْ تَطَوُّعِهِ "
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ بَنِي سَلِيطٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ .
হাদীস নং: ৮৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৫. মহানবী (ﷺ) এর বাণী- যার ফরয নামাযে ত্রুটি থাকবে তা তার নফল নামায দিয়ে পূর্ণ করা হবে।
৮৬৬. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... তামীমুদ-দারী (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যাকাতের ব্যাপারটিও তদ্রূপ হবে। অতঃপর অন্যান্য আমলের হিসাবও অনুরূপভাবে গ্রহণ করা হবে।
كتاب الصلاة
باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " كُلُّ صَلاَةٍ لاَ يُتِمُّهَا صَاحِبُهَا تَتِمُّ مِنْ تَطَوُّعِهِ "
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْمَعْنَى قَالَ " ثُمَّ الزَّكَاةُ مِثْلُ ذَلِكَ ثُمَّ تُؤْخَذُ الأَعْمَالُ عَلَى حَسَبِ ذَلِكَ " .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৬. রুকু ও সিজদায় হাঁটুর উপর হাত রাখা।
৮৬৭. হাফছ ইবনে উমর (রাহঃ) .... মুসআব ইবনে সা’দ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতার পাশে দণ্ডায়মান হয়ে আদায় করা কালে আমার হাতদুটি দুই হাঁটুর মাঝখানে রাখি। তা দেখে তিনি আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন। কিন্তু আমি পুনরায় এরূপ করায় তিনি আমাকে বলেন, তুমি আর এরূপ করো না, কেননা একসময় আমারাও এরূপ করতাম; কিন্তু আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং আমাদের হাঁটুর উপর হাত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
كتاب الصلاة
بَابُ وَضْعِ الْيَدَيْنِ عَلَى الرُّكْبَتَيْنِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، - قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَاسْمُهُ وَقْدَانُ - عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَجَعَلْتُ يَدَىَّ بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَنَهَانِي عَنْ ذَلِكَ، فَعُدْتُ فَقَالَ لاَ تَصْنَعْ هَذَا فَإِنَّا كُنَّا نَفْعَلُهُ فَنُهِينَا عَنْ ذَلِكَ وَأُمِرْنَا أَنْ نَضَعَ أَيْدِيَنَا عَلَى الرُّكَبِ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৬. রুকু ও সিজদায় হাঁটুর উপর হাত রাখা।
৮৬৮. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আলকামা ও আসওয়াদ (রাহঃ) আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তোমাদের কেউ যখন রুকু করবে, তখন সে যেন তার হস্তদ্বয় রানের উপর সম্প্রসারিত করে রাখে এবং হাতের আঙ্গুলগুলো যেন দৃঢ়ভাবে স্থাপন করে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে তাঁর আঙ্গুলগুলো বিচ্ছিন্নভাবে রাখতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
بَابُ وَضْعِ الْيَدَيْنِ عَلَى الرُّكْبَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِذَا رَكَعَ أَحَدُكُمْ فَلْيَفْرِشْ ذِرَاعَيْهِ عَلَى فَخِذِهِ وَلْيُطَبِّقْ بَيْنَ كَفَّيْهِ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى اخْتِلاَفِ أَصَابِعِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ৮৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ৮৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৭. নামাযী রুকু ও সিজদায় যা বলবে।
৮৬৯. আর-রবি ইবনে নাফি আবু তাওবা (রাহঃ) ..... উকবা ইবনে আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনের আয়াত “ফাসাব্বি বিসমি রাব্বিকাল আযিম” অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা এটা রুকুতে পড়বে। অতঃপর কুরআনের অন্য আয়াত “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ'লা” অবতীর্ণ হলে তিনি বলেন, এটা তোমারা সিজদায় পড়বে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ الرَّجُلُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ
حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ أَبُو تَوْبَةَ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مُوسَى، - قَالَ أَبُو سَلَمَةَ مُوسَى بْنِ أَيُّوبَ - عَنْ عَمِّهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ( فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ) قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْعَلُوهَا فِي رُكُوعِكُمْ " . فَلَمَّا نَزَلَتْ ( سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى ) قَالَ " اجْعَلُوهَا فِي سُجُودِكُمْ " .
হাদীস নং: ৮৭০
আন্তর্জাতিক নং: ৮৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৭. নামাযী রুকু ও সিজদায় যা বলবে।
৮৭০. আহমদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) .... উকবা ইবনে আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত ......... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রুকু করতেন, তখন “সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম ওয়া বিহামদিহি” তিনবার বলতেন। তিনি যখন সিজদা করতেন তখন “সুবহানা রাব্বিয়াল আলা ওয়া বিহামদিহি” তিনবার পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ الرَّجُلُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، - يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ - عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، - أَوْ مُوسَى بْنِ أَيُّوبَ - عَنْ رَجُلٍ، مِنْ قَوْمِهِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، بِمَعْنَاهُ زَادَ قَالَ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا رَكَعَ قَالَ " سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ " . ثَلاَثًا وَإِذَا سَجَدَ قَالَ " سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ " . ثَلاَثًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذِهِ الزِّيَادَةُ نَخَافُ أَنْ لاَ تَكُونَ مَحْفُوظَةً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ انْفَرَدَ أَهْلُ مِصْرَ بِإِسْنَادِ هَذَيْنِ الْحَدِيثَيْنِ حَدِيثِ الرَّبِيعِ وَحَدِيثِ أَحْمَدَ بْنِ يُونُسَ .