কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৭৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯১. আহমদ ইবনে হাম্বল .... জাবের (রাযিঃ) বলেন, মুআয (রাযিঃ) মসজিদে নববীতে নবী (ﷺ)-এর সাথে নামায আদায়ের পর স্বীয় সম্প্রদায়ে প্রত্যাবর্তন করে আমাদের নামাযে ইমামতি করতেন। রাবী পুনরায় বলেন, নবী (ﷺ) এর সাথে নামায আদায়ের পর তিনি স্বীয় কওমের নিকট ফিরে এসে তাদের নামাযে ইমামতি করতেন। একদা রাতে-এশার নামায পড়তে নবী (ﷺ) বিলম্ব করেন। সেদিনও মুআয (রাযিঃ) নবী (ﷺ)-এর সাথে এশার নাময পড়ে ফিরে গিয়ে স্বীয় কওমের ইমামতি করেন এবং এই নামাযে তিনি সূরা আল-বাক্কারা তিলাওয়াত শুরু করেন। ঐ সময় এক ব্যক্তি জামাআত হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী নামায পড়ে। তাকে বলা হল, হে অমুক তুমি কি মুনাফিক হয়ে গেছ? জবাবে সে বলল, আমি মুনাফিক নই।
অতঃপর সেই ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মুআয (রাযিঃ) আপনার সাথে নামায পড়ার পর প্রত্যাবর্তন করে আমাদের নামাযের ইমামতি করেন। আমরা মেহনতী কৃষিজীবি লোক এবং নিজেরাই ক্ষেতের কাজকর্ম করে থাকি। অপরপক্ষে মুআয (রাযিঃ) আমাদের নামাযে ইমামতি করার সময় সূরা বাক্কারার ন্যায় দীর্ঘ সূরা পাঠ করে থাকেন। তখন নবী (ﷺ) মুআয (রাযিঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি লোকদেরকে ফিতনার মধ্যে নিক্ষেপ করতে চাও (দুইবার)? তিনি আরো বলেনঃ তুমি নামাযে অমুক অমুক সূরা পাঠ কর। আবুয-যুবারের বলেন, সূরা আল-আ'লার ন্যায় ছোট ছোট সূরা পাঠ করবে।
অতঃপর সেই ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মুআয (রাযিঃ) আপনার সাথে নামায পড়ার পর প্রত্যাবর্তন করে আমাদের নামাযের ইমামতি করেন। আমরা মেহনতী কৃষিজীবি লোক এবং নিজেরাই ক্ষেতের কাজকর্ম করে থাকি। অপরপক্ষে মুআয (রাযিঃ) আমাদের নামাযে ইমামতি করার সময় সূরা বাক্কারার ন্যায় দীর্ঘ সূরা পাঠ করে থাকেন। তখন নবী (ﷺ) মুআয (রাযিঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে মুআয! তুমি কি লোকদেরকে ফিতনার মধ্যে নিক্ষেপ করতে চাও (দুইবার)? তিনি আরো বলেনঃ তুমি নামাযে অমুক অমুক সূরা পাঠ কর। আবুয-যুবারের বলেন, সূরা আল-আ'লার ন্যায় ছোট ছোট সূরা পাঠ করবে।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، سَمِعَهُ مِنْ، جَابِرٍ قَالَ كَانَ مُعَاذٌ يُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَؤُمُّنَا - قَالَ مَرَّةً ثُمَّ يَرْجِعُ فَيُصَلِّي بِقَوْمِهِ - فَأَخَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةً الصَّلاَةَ - وَقَالَ مَرَّةً الْعِشَاءَ - فَصَلَّى مُعَاذٌ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ جَاءَ يَؤُمُّ قَوْمَهُ فَقَرَأَ الْبَقَرَةَ فَاعْتَزَلَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَصَلَّى فَقِيلَ نَافَقْتَ يَا فُلاَنُ . فَقَالَ مَا نَافَقْتُ . فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّ مُعَاذًا يُصَلِّي مَعَكَ ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَؤُمُّنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنَّمَا نَحْنُ أَصْحَابُ نَوَاضِحَ وَنَعْمَلُ بِأَيْدِينَا وَإِنَّهُ جَاءَ يَؤُمُّنَا فَقَرَأَ بِسُورَةِ الْبَقَرَةِ . فَقَالَ " يَا مُعَاذُ أَفَتَّانٌ أَنْتَ أَفَتَّانٌ أَنْتَ اقْرَأْ بِكَذَا اقْرَأْ بِكَذَا " . قَالَ أَبُو الزُّبَيْرِ بِـ ( سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى ) ( وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى ) فَذَكَرْنَا لِعَمْرٍو فَقَالَ أُرَاهُ قَدْ ذَكَرَهُ .
হাদীস নং: ৭৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯২. মুসা ইবনে ইসমাঈল ...... হাযম ইবনে উবাই ইবনে কাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) এর নিকট আসেন। তখন তিনি মাগরিবের নামাযে ইমামতি করছিলেন। রাবী এ হাদীসে বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মুআয (রাযিঃ)-কে ডেকে বলেনঃ হে মুআয! তুমি ফিতনা সৃষ্টিকারী হয়ো না। জেনে রাখ! তোমার পেছনে অক্ষম, বৃদ্ধ, মুসাফির ও কাজে ব্যস্ত লোকেরা নামায পড়ে থাকে।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا طَالِبُ بْنُ حَبِيبٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جَابِرٍ، يُحَدِّثُ عَنْ حَزْمِ بْنِ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّهُ أَتَى مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ وَهُوَ يُصَلِّي بِقَوْمٍ صَلاَةَ الْمَغْرِبِ فِي هَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا مُعَاذُ لاَ تَكُنْ فَتَّانًا فَإِنَّهُ يُصَلِّي وَرَاءَكَ الْكَبِيرُ وَالضَّعِيفُ وَذُو الْحَاجَةِ وَالْمُسَافِرُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯৩. উছ্মান ইবনে আবি শাঈবা .... আবু সালেহ্ (রাহঃ) থেকে নবী (ﷺ)-এর কোন এক সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বলেনঃ তুমি শেষ বৈঠকে কিরূপ দুআ পাঠ করে থাক? লোকটি বলেন, আমি তাশাহ্হুদ (আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি) পড়ে থাকি, অতঃপর বলি- আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান-নার। কিন্তু আমি আপনার ও মুআয (রাযিঃ) এর অস্পষ্ট শব্দ বুঝতে সক্ষম হই না। নবী (ﷺ) বলেনঃ আমিও বেহেশত ও দোযখের আশেপাশে ঘুরে থাকি।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ بَعْضِ، أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِرَجُلٍ " كَيْفَ تَقُولُ فِي الصَّلاَةِ " . قَالَ أَتَشَهَّدُ وَأَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ أَمَا إِنِّي لاَ أُحْسِنُ دَنْدَنَتَكَ وَلاَ دَنْدَنَةَ مُعَاذٍ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " حَوْلَهَا نُدَنْدِنُ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯৪. ইয়াহয়া ইবনে হাবীব .... জাবের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি মুআয (রাযিঃ) এর ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, নবী (ﷺ) এক যুবককে বলেনঃ হে ভ্রাতুষ্পত্র! তুমি নামাযের মধ্যে কি পাঠ কর? সে বলে, আমি সূরা ফাতিহা পাঠ করি এবং আল্লাহর নিকট বেহেশতের কামনা করি এবং দোযখ থেকে আশ্রয় প্রার্খনা করি। আমি আপনার ও মুআযের অস্পষ্ট শব্দ বুঝতে পারি না। তখন নবী (ﷺ) বলেনঃ আমি এবং মুআযও তার আশেপাশে ঘুরে থাকি, অথবা অনুরূপ কিছু বলেছেন।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلاَنَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مِقْسَمٍ، عَنْ جَابِرٍ، ذَكَرَ قِصَّةَ مُعَاذٍ قَالَ وَقَالَ - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لِلْفَتَى - " كَيْفَ تَصْنَعُ يَا ابْنَ أَخِي إِذَا صَلَّيْتَ " . قَالَ أَقْرَأُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَأَسْأَلُ اللَّهَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِهِ مِنَ النَّارِ وَإِنِّي لاَ أَدْرِي مَا دَنْدَنَتُكَ وَلاَ دَنْدَنَةُ مُعَاذٍ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي وَمُعَاذٌ حَوْلَ هَاتَيْنِ " . أَوْ نَحْوَ هَذَا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯৫. আল-কানবী .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন নামাযের ইমামতি করবে, সে যেন সংক্ষেপে নামায আদায় করে। কেননা মুক্তাদীদের মধ্যে দুর্বল, রোগগ্রস্ত ও বৃদ্ধ লোকেরা-ও থাকে। আর যখন কেউ একাকী নামায পড়ে তখন সে স্বীয় ইচ্ছানুযায়ী নামায দীর্ঘায়িত করতে পারে।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ لِلنَّاسِ فَلْيُخَفِّفْ فَإِنَّ فِيهِمُ الضَّعِيفَ وَالسَّقِيمَ وَالْكَبِيرَ وَإِذَا صَلَّى لِنَفْسِهِ فَلْيُطَوِّلْ مَا شَاءَ " .
হাদীস নং: ৭৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
৭৯৬. আল-হাসান ইবনে আলী .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন নামাযে ইমামতি করে, তখন সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা জামাআতে দূর্বল, রোগগ্রস্ত ও কর্মজীবি লোকেরাও শরীক হয়ে থাকে।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ لِلنَّاسِ فَلْيُخَفِّفْ فَإِنَّ فِيهِمُ السَّقِيمَ وَالشَّيْخَ الْكَبِيرَ وَذَا الْحَاجَةِ " .
হাদীস নং: ৭৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৭৯৭. মুসা ইবনে ইসমাঈল .... আতা ইবনে আবু রাবাহ থেকে বর্ণিত। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) প্রত্যেক নামাযেই কিরাআত পাঠ করতে হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেসব নামাযে আমাদের শুনিয়ে সশব্দে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তোমাদেরকে ঐরূপ কিরাআত পাঠ করে শুনাই এবং তিনি যেসব নামাযে নীরবে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে নিঃশব্দে কিরাআত পাঠ করে থাকি।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، وَعُمَارَةَ بْنِ مَيْمُونٍ، وَحَبِيبٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ فِي كُلِّ صَلاَةٍ يُقْرَأُ فَمَا أَسْمَعَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَسْمَعْنَاكُمْ وَمَا أَخْفَى عَلَيْنَا أَخْفَيْنَا عَلَيْكُمْ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৭৯৮. মুসাদ্দাদ ও ইবনুল-মুছান্না .... আবু কাতাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের নামাযের ইমামতি করতেন। অতঃপর তিনি যোহর ও আসরের নামায আদায়কালে তার প্রথম দুই রাকআতে সূরা ফাতিহা এবং অপর দুটি সূরা পাঠ করতেন। তিনি কখনও কখনও আমাদের শুনিয়ে আয়াত পাঠ করতেন। তিনি যোহরের নামাযের প্রথম রাকআত একটু দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকআত সংক্ষেপ করতেন। তিনি ফজরের নামাযও অনুরূপভাবে আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ الْحَجَّاجِ، - وَهَذَا لَفْظُهُ - عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى وَأَبِي سَلَمَةَ ثُمَّ اتَّفَقَا - عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِنَا فَيَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الأُولَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَتَيْنِ وَيُسْمِعُنَا الآيَةَ أَحْيَانًا وَكَانَ يُطَوِّلُ الرَّكْعَةَ الأُولَى مِنَ الظُّهْرِ وَيُقَصِّرُ الثَّانِيَةَ وَكَذَلِكَ فِي الصُّبْحِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَذْكُرْ مُسَدَّدٌ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَسُورَةً .
হাদীস নং: ৭৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৭৯৯. আল-হাসান ইবনে আলী ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদা তাঁর পিতার সূত্রে পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি আরও বর্ণনা করেছেন যে, নবী (ﷺ) নামাযের শেষ দুই রাকআতে কেবলমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। রাবী হাম্মামের বর্ণনায় আরও আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) দ্বিতীয় রাকআতের চাইতে প্রথম রাকআত একটু দীর্ঘ করতেন। তিনি ফজর ও আসরের নামাযেও অনুরূপ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، وَأَبَانُ بْنُ يَزِيدَ الْعَطَّارُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، بِبَعْضِ هَذَا وَزَادَ فِي الأُخْرَيَيْنِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ . وَزَادَ عَنْ هَمَّامٍ قَالَ وَكَانَ يُطَوِّلُ فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مَا لاَ يُطَوِّلُ فِي الثَّانِيَةِ وَهَكَذَا فِي صَلاَةِ الْعَصْرِ وَهَكَذَا فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ .
হাদীস নং: ৮০০
আন্তর্জাতিক নং: ৮০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৮০০. আল-হাসান ইবনে আলী .... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদা থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সম্ভবতঃ নবী (ﷺ) জামাআতে অধিক লোকের শরীক হওয়ার সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রথম রাকআত দীর্ঘ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ فَظَنَنَّا أَنَّهُ يُرِيدُ بِذَلِكَ أَنْ يُدْرِكَ النَّاسُ الرَّكْعَةَ الأُولَى .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০১
আন্তর্জাতিক নং: ৮০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৮০১. মুসাদ্দাদ ..... আবু মামার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যোহর ও আসরের নামাযে কিরাআত পাঠ করতেন কি? তিনি বলেন, হ্যাঁ, পাঠ করতেন। আমরা তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করি, আপনারা কিরূপে তা অবগত হতেন? তিনি বলেন, আমরা তাঁর দাড়ি মোবারক আন্দোলিত হতে দেখতাম।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، قَالَ قُلْنَا لِخَبَّابٍ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ قَالَ نَعَمْ . قُلْنَا بِمَ كُنْتُمْ تَعْرِفُونَ ذَاكَ قَالَ بِاضْطِرَابِ لِحْيَتِهِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০২
আন্তর্জাতিক নং: ৮০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. যোহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
৮০২. উছমান ইবনে আবি শাঈবা ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) যোহরের নামাযের প্রথম রাকআতে এত দীর্ঘ সময় দড়াতেন যে, কারো (আসার) পদধ্বনি শোনা যেত না।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الظُّهْرِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُومُ فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى مِنْ صَلاَةِ الظُّهْرِ حَتَّى لاَ يَسْمَعَ وَقْعَ قَدَمٍ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৬. শেষের দুই রাকআত সংক্ষেপ করা সম্পর্কে।
৮০৩. হাফস ইবনে উমর ..... জাবের ইবনে সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর (রাযিঃ) সা’দ (রাযিঃ)-কে বলেন, জনসাধারণ আপনার বিরুদ্ধে প্রতিটি ব্যাপারে অতিযোগ করেছে, এমনকি আপনার নামায সম্পর্কেও। সা’দ (রাযিঃ) বলেন, আমি নামাযের প্রথম রাকআতে কিরাআত দীর্ঘ এবং শেষ দুই রাকআতে কেবলমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করে থকি। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর পেছনে যেরূপ নামায পড়েছি, তার কোন ব্যতিক্রম করিনি। উমর (রাযিঃ) বলেন, আমিও আপনার সম্পর্কে এরূপ ধারণা পোষণ করে থাকি।
كتاب الصلاة
باب تَخْفِيفِ الأُخْرَيَيْنِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَبِي عَوْنٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ قَالَ عُمَرُ لِسَعْدٍ قَدْ شَكَاكَ النَّاسُ فِي كُلِّ شَىْءٍ حَتَّى فِي الصَّلاَةِ . قَالَ أَمَّا أَنَا فَأَمُدُّ فِي الأُولَيَيْنِ وَأَحْذِفُ فِي الأُخْرَيَيْنِ وَلاَ آلُو مَا اقْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ ذَاكَ الظَّنُّ بِكَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৬. শেষের দুই রাকআত সংক্ষেপ করা সম্পর্কে।
৮০৪. আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুহাম্মাদ ..... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যোহর ও আসরের নামাযে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন, আমরা তা নির্ণয় করেছি। আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহগ করি যে, তিনি যোহরের নামাযের প্রথম দুই রাকআতে ৩০ আয়াত পাঠ করার পরিমাণ সময় দাঁড়াতেন- যেমন সূরা “আলিফ-লাম মীম আস্-সিজদা” ইত্যাদি এবং শেষ দুই রাকআতে তিনি প্রথম দুই রাকআতের চাইতে অর্ধেক পরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন। তিনি যোহরের শেষ দুই রাকআতে যতক্ষণ দাঁড়াতেন- আসরের প্রথম দুই রাকআতেও ততক্ষণ দণ্ডায়মান থাকতেন। তিনি আসরের শেষ দুই রাকআতে তার প্রথম দুই রাকআতের অর্ধেক পরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন।
كتاب الصلاة
باب تَخْفِيفِ الأُخْرَيَيْنِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي النُّفَيْلِيَّ - حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ الْهُجَيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ النَّاجِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ حَزَرْنَا قِيَامَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فَحَزَرْنَا قِيَامَهُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الأُولَيَيْنِ مِنَ الظُّهْرِ قَدْرَ ثَلاَثِينَ آيَةً قَدْرَ ( الم * تَنْزِيلُ ) السَّجْدَةِ وَحَزَرْنَا قِيَامَهُ فِي الأُخْرَيَيْنِ عَلَى النِّصْفِ مِنْ ذَلِكَ وَحَزَرْنَا قِيَامَهُ فِي الأُولَيَيْنِ مِنَ الْعَصْرِ عَلَى قَدْرِ الأُخْرَيَيْنِ مِنَ الظُّهْرِ وَحَزَرْنَا قِيَامَهُ فِي الأُخْرَيَيْنِ مِنَ الْعَصْرِ عَلَى النِّصْفِ مِنْ ذَلِكَ .
হাদীস নং: ৮০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. যোহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
৮০৫. মুসা ইবনে ইসমাঈল .... জাবের ইবনে সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যোহর ও আসরের নামাযে সূরা “ওয়াস-সামায়ে ওয়াত-তারিক” এবং “ওয়াস-সামায়ে যাতিল-বুরূজ”-এর অনুরূপ সূরা পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ وَنَحْوِهِمَا مِنَ السُّوَرِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. যোহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
৮০৬. উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয .... জাবের ইবনে সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন সূর্য পশ্চিম দিগন্তে হেলে পড়ত, তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যোহরের নামায পড়তেন এবং নামাযে সূরা “ওয়াল-লায়লি ইযা ইয়াগশা”-এর অনুরূপ সূরা পাঠ করতেন। তিনি আসর ও অন্যন্য নামাযে একইরূপ (দৈর্ঘ্যের সূরা) পাঠ করতেন। তবে ফজরের নামাযে তিনি লম্বা সূরা পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَحَضَتِ الشَّمْسُ صَلَّى الظُّهْرَ وَقَرَأَ بِنَحْوِ مِنْ ( وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى ) وَالْعَصْرَ كَذَلِكَ وَالصَّلَوَاتِ كَذَلِكَ إِلاَّ الصُّبْحَ فَإِنَّهُ كَانَ يُطِيلُهَا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. যোহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
৮০৭. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যোহরের নামাযে তিলাওয়াতের সিজদা পাঠ করে দণ্ডায়মান হন, অতঃপর তিনি রুকূ করেন। আমরা তাকে সূরা “তানযীল আস-সিজদা” পাঠ করতে দেখেছি। ইবনে ঈসা, বলেন, এই হাদীস কেউই উমাইয়্যা হতে বর্ণনা করেন নি, বরং মু’তামির হতে বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَهُشَيْمٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أُمَيَّةَ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَجَدَ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ ثُمَّ قَامَ فَرَكَعَ فَرَأَيْنَا أَنَّهُ قَرَأَ تَنْزِيلَ السَّجْدَةِ . قَالَ ابْنُ عِيسَى لَمْ يَذْكُرْ أُمَيَّةَ أَحَدٌ إِلاَّ مُعْتَمِرٌ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. যোহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
৮০৮. মুসাদ্দাদ .... আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি হাশিম গোত্রীয় কয়েকজন যুবকের সাথে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট যাই। তখন আমি আমাদের মধ্য হতে জনৈক যুবককে বলি যে, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করুন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যোহরে ও আসরের নামাযে কিরাআত পাঠ করতেন কি? ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, না। তাকে কেউ বললেন যে, যথা সম্ভব নবী (ﷺ) আস্তে আস্তে কিরাআত পাঠ করতেন। তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আস্তে কিরাআত পাঠ করার চেয়ে কিরাআত পাঠ না করাই উত্তম। তিনি আল্লাহর পক্ষ হতে নির্দেশিত ব্যক্তি ছিলেন, তাঁর নিকট অবতীর্ণ বিষয়বস্তু অকপটে তিনি প্রচার করেছেন। তিনটি বিষয়ে আমরা অন্যদের চেয়ে সম্পূর্ণ পৃথক। প্রথমতঃ আমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে উযু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়তঃ সাদ্কার মাল গ্রহণ ও ভক্ষণ আমাদের জন্য হারাম। তৃতীয়তঃ জন্তুর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গাধাকে ঘোড়ার সাথে সঙ্গম করালে আমাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ مُوسَى بْنِ سَالِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فِي شَبَابٍ مِنْ بَنِي هَاشِمٍ فَقُلْنَا لِشَابٍّ مِنَّا سَلِ ابْنَ عَبَّاسٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فَقَالَ لاَ لاَ . فَقِيلَ لَهُ فَلَعَلَّهُ كَانَ يَقْرَأُ فِي نَفْسِهِ . فَقَالَ خَمْشًا هَذِهِ شَرٌّ مِنَ الأُولَى كَانَ عَبْدًا مَأْمُورًا بَلَّغَ مَا أُرْسِلَ بِهِ وَمَا اخْتَصَّنَا دُونَ النَّاسِ بِشَىْءٍ إِلاَّ بِثَلاَثِ خِصَالٍ أَمَرَنَا أَنْ نُسْبِغَ الْوُضُوءَ وَأَنْ لاَ نَأْكُلَ الصَّدَقَةَ وَأَنْ لاَ نُنْزِيَ الْحِمَارَ عَلَى الْفَرَسِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. যোহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
৮০৯. যিয়াদ ইবনে আইয়ুব .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহর ও আসরের নামাযে কিরাআত পাঠ করতেন কিনা তা আমি জানি না।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لاَ أَدْرِي أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ أَمْ لاَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮১০
আন্তর্জাতিক নং: ৮১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৮. মাগরিবের নামাযে কিরা’আত পাঠের পরিমাণ।
৮১০. আল-কানবী .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উম্মুল ফাদল বিনতেল হারিছ (রাযিঃ) তাকে (ইবনে আব্বাসকে) وَالْمُرْسَلاَتِ عُرْفًا শীর্ষক সূরা তিলাওয়াত করতে শুনে বলেন, হে বৎস! এই সূরা তিলাওয়াত করে আমাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছ যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে সর্বশেষ মাগরিবের নামাযে এই সূরা তিলাওয়াত করতে শুনেছি।
كتاب الصلاة
باب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي الْمَغْرِبِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ أُمَّ الْفَضْلِ بِنْتَ الْحَارِثِ، سَمِعَتْهُ وَهُوَ، يَقْرَأُ ( وَالْمُرْسَلاَتِ عُرْفًا ) فَقَالَتْ يَا بُنَىَّ لَقَدْ ذَكَّرْتَنِي بِقِرَاءَتِكَ هَذِهِ السُّورَةَ إِنَّهَا لآخِرُ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ بِهَا فِي الْمَغْرِبِ .