কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৭৭১
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৭. যে দু'আ পড়ে নামায আরম্ভ করবে।
৭৭১. আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসলামা ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মধ্য রাতে যখন তাহাজ্জুদের নামাযে দণ্ডায়মান হতেন, তখন বলতেনঃ
“আল্লাহুম্মা লাকাল-হামদু আনতা নুরুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া লাকাল-হামদু, আনতা কাইয়্যামুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া লাকাল-হামদু আনতা রবুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া মান ফীহিন্না, আনতাল হাক্কু, ওয়া কাওলুকাল-হাক্কু, ওয়া ওয়াদুকাল-হাক্কু, ওয়া লিকাউকা হাক্কুন, ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন, ওয়ান-নারু হাক্কুন, ওয়াস-সা’আতু হাক্কুন। আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু ওয়া বিকা আমানতু ওয়া আলাইকা তাওয়াককালতু ওয়া ইলাইকা আনাবতু ওয়া বিকা খাসামতু, ওয়া ইলাইকা হাকামতু ফাগফির লী মা কাদ্দামতু ওয়া আখখারতু ওয়া আসরারতু ওয়া আ’লানতু, আনতা ইলাহী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা।
“আল্লাহুম্মা লাকাল-হামদু আনতা নুরুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া লাকাল-হামদু, আনতা কাইয়্যামুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া লাকাল-হামদু আনতা রবুস-সামাওয়াতি ওয়াল-আরদি, ওয়া মান ফীহিন্না, আনতাল হাক্কু, ওয়া কাওলুকাল-হাক্কু, ওয়া ওয়াদুকাল-হাক্কু, ওয়া লিকাউকা হাক্কুন, ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন, ওয়ান-নারু হাক্কুন, ওয়াস-সা’আতু হাক্কুন। আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু ওয়া বিকা আমানতু ওয়া আলাইকা তাওয়াককালতু ওয়া ইলাইকা আনাবতু ওয়া বিকা খাসামতু, ওয়া ইলাইকা হাকামতু ফাগফির লী মা কাদ্দামতু ওয়া আখখারতু ওয়া আসরারতু ওয়া আ’লানতু, আনতা ইলাহী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা।
كتاب الصلاة
باب مَا يُسْتَفْتَحُ بِهِ الصَّلاَةُ مِنَ الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ يَقُولُ " اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيَّامُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ أَنْتَ الْحَقُّ وَقَوْلُكَ الْحَقُّ وَوَعْدُكَ الْحَقُّ وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ وَالْجَنَّةُ حَقٌّ وَالنَّارُ حَقٌّ وَالسَّاعَةُ حَقٌّ اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَأَخَّرْتُ وَأَسْرَرْتُ وَأَعْلَنْتُ أَنْتَ إِلَهِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭২
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৭. যে দু'আ পড়ে নামায আরম্ভ করবে।
৭৭২. আবু কামিল .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) রাতে তাহাজ্জুদের নামায আদায়ের সময় আল্লাহু আকবার বলার পর বলতেন, ......... পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب مَا يُسْتَفْتَحُ بِهِ الصَّلاَةُ مِنَ الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَنَّ قَيْسَ بْنَ سَعْدٍ، حَدَّثَهُ قَالَ حَدَّثَنَا طَاوُسٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي التَّهَجُّدِ يَقُولُ بَعْدَ مَا يَقُولُ " اللَّهُ أَكْبَرُ " . ثُمَّ ذَكَرَ مَعْنَاهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৭. যে দু'আ পড়ে নামায আরম্ভ করবে।
৭৭৩. কুতায়বা ইবনে সাঈদ .... মুআয ইবনে রিফাআ ইবনে রাফে থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পশ্চাতে নামায আদায় করি। এমন সময় রিফাআ হাঁচি দিয়ে বলেন, আলহামুদুলিল্লাহি হামদান কাছীরান তাইয়েবান মুবারাকান ফীহি মুবারাকান আলাইহি কামা ইয়ুহিব্বু রবুনা ওয়া ইয়ারদা। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযান্তে বলেনঃ নামাযের মধ্যে এইরূপ উক্তি কে করেছে? হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা রাবী মালিক বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب مَا يُسْتَفْتَحُ بِهِ الصَّلاَةُ مِنَ الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَسَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نَحْوَهُ قَالَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا رِفَاعَةُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَمِّ، أَبِيهِ مُعَاذِ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَطَسَ رِفَاعَةُ لَمْ يَقُلْ قُتَيْبَةُ رِفَاعَةُ فَقُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ فَقَالَ " مَنِ الْمُتَكَلِّمُ فِي الصَّلاَةِ " . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ مَالِكٍ وَأَتَمَّ مِنْهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৭. যে দু'আ পড়ে নামায আরম্ভ করবে।
৭৭৪. আল-আব্বাস ইবনে আব্দুল আযীম .... আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমের থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা অনসার গোত্রের কোন এক যুবক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পিছনে নামায আদায় করার সময় হাঁচি দেয় এবং বলে, আলহামদুলিল্লাহি হামদান কাছীরান তাইয়েবান মুবারাকান ফীহি হাত্তা ইয়ারদা রবুনা ওয়া বা’দুমা ইয়ারদা মিন আমরিদ-দুনয়া ওয়াল-আখিরাহ।”
নামায শেষে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এই উক্তি কে করেছে? তখন যুবকটি নীরব থাকে। নবী (ﷺ) পুনরায় বলেনঃ এই কথাগুলি কে বলেছে? সে তো কোন খারাপ উক্তি করেনি। তখন যুবকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি এইরূপ বলেছি এবং আমি কল্যাণ লাভের উদ্দেশ্যেই এরূপ বলেছি। তিনি বলেনঃ এ কথা কোথাও অপেক্ষা করেনি, বরং মহিমান্বিত দয়াময় আল্লাহর আরশে পৌঁছে গেছে।
নামায শেষে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এই উক্তি কে করেছে? তখন যুবকটি নীরব থাকে। নবী (ﷺ) পুনরায় বলেনঃ এই কথাগুলি কে বলেছে? সে তো কোন খারাপ উক্তি করেনি। তখন যুবকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি এইরূপ বলেছি এবং আমি কল্যাণ লাভের উদ্দেশ্যেই এরূপ বলেছি। তিনি বলেনঃ এ কথা কোথাও অপেক্ষা করেনি, বরং মহিমান্বিত দয়াময় আল্লাহর আরশে পৌঁছে গেছে।
كتاب الصلاة
باب مَا يُسْتَفْتَحُ بِهِ الصَّلاَةُ مِنَ الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ عَطَسَ شَابٌّ مِنَ الأَنْصَارِ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ حَتَّى يَرْضَى رَبُّنَا وَبَعْدَ مَا يَرْضَى مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنِ الْقَائِلُ الْكَلِمَةَ " . قَالَ فَسَكَتَ الشَّابُّ ثُمَّ قَالَ " مَنِ الْقَائِلُ الْكَلِمَةَ فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْ بَأْسًا " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَا قُلْتُهَا لَمْ أُرِدْ بِهَا إِلاَّ خَيْرًا . قَالَ " مَا تَنَاهَتْ دُونَ عَرْشِ الرَّحْمَنِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى " .
হাদীস নং: ৭৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৮. যারা বলেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা বলে নামায শুরু করবে।
৭৭৫. আব্দুস সালাম ইবনে মুতাহহার .... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন রাত্রিকালে নামায আদায় করার জন্য দণ্ডায়মান হতেন, তখন তাকবীর তাহরীমা বলার পর এই দুআ পাঠ করতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।” অতঃপর তিনি তিনবার “লা ইল্লাহা ইল্লাল্লাহ” বলতেন এবং “আল্লাহু আকবার কাবীরান” তিনবার বলার পর “আউযুবিল্লাহিস সামীইল-আযীম মিনাস শাইতানের রাজীম মিন হামযিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহি” বলতেন, অতঃপর কিরাআত পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ رَأَى الاِسْتِفْتَاحَ بِسُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ مُطَهَّرٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ الرِّفَاعِيِّ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ كَبَّرَ ثُمَّ يَقُولُ " سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ " . ثُمَّ يَقُولُ " لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ " . ثَلاَثًا ثُمَّ يَقُولُ " اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا " . ثَلاَثًا " أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ " . ثُمَّ يَقْرَأُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا الْحَدِيثُ يَقُولُونَ هُوَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ عَنِ الْحَسَنِ مُرْسَلاً الْوَهَمُ مِنْ جَعْفَرٍ .
হাদীস নং: ৭৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৮. যারা বলেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা বলে নামায শুরু করবে।
৭৭৬. হুসায়েন ইবনে ঈসা ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন নামায আরম্ভ করতেন তখন এই দুআ পাঠ করতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।”
كتاب الصلاة
باب مَنْ رَأَى الاِسْتِفْتَاحَ بِسُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ الْمُلاَئِيُّ، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَفْتَحَ الصَّلاَةَ قَالَ " سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا الْحَدِيثُ لَيْسَ بِالْمَشْهُورِ عَنْ عَبْدِ السَّلاَمِ بْنِ حَرْبٍ لَمْ يَرْوِهِ إِلاَّ طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ وَقَدْ رَوَى قِصَّةَ الصَّلاَةِ عَنْ بُدَيْلٍ جَمَاعَةٌ لَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ شَيْئًا مِنْ هَذَا .
হাদীস নং: ৭৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
৭৭৭. ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম .... আল-হাসান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সামূরা (রাযিঃ) বলেন, নামাযের মধ্যে যে দুই স্থানে চুপ থাকতে হয় তা আমি স্মরণ রেখেছি। প্রথমত হল যখন তাকবীরে তাহরীমা বলে তখন হতে কিরাআত শুরু করা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয়ত ইমাম সূরা ফাতিহা ও কিরাআত পাঠের পর রুকূতে যাওয়ার পূর্বে। ইমরান ইবনে হুসায়েন (রাযিঃ) এ কথা মেনে নিতে অস্বীকার করলে তারা মদীনায় উবাই ইবনে কাব (রাযিঃ) এর নিকট এ সম্পর্কে জানার জন্য পত্র লেখেন। তিনি সামুরা (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি সমর্থন করেন।
كتاب الصلاة
باب السَّكْتَةِ عِنْدَ الاِفْتِتَاحِ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ قَالَ سَمُرَةُ حَفِظْتُ سَكْتَتَيْنِ فِي الصَّلاَةِ سَكْتَةً إِذَا كَبَّرَ الإِمَامُ حَتَّى يَقْرَأَ وَسَكْتَةً إِذَا فَرَغَ مِنْ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٍ عِنْدَ الرُّكُوعِ قَالَ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهِ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ قَالَ فَكَتَبُوا فِي ذَلِكَ إِلَى الْمَدِينَةِ إِلَى أُبَىٍّ فَصَدَّقَ سَمُرَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَذَا قَالَ حُمَيْدٌ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَسَكْتَةً إِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ .
হাদীস নং: ৭৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
৭৭৮. আবু বকর ইবনে খাল্লাদ ..... সামুরা ইবনে জুনদুব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামায পাঠকালে দুটি স্থানে ক্ষণিক চুপ থাকতেন। যখন তাকবীরে তাহরীমা বলতেন এবং যখন তিনি কিরাআত সমাপ্ত করতেন ......... অতঃপর রাবী ইউনুস হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
كتاب الصلاة
باب السَّكْتَةِ عِنْدَ الاِفْتِتَاحِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَسْكُتُ سَكْتَتَيْنِ إِذَا اسْتَفْتَحَ وَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ كُلِّهَا . فَذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ يُونُسَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
৭৭৯. মুসাদ্দাদ ..... আল-হাসান (রাহঃ) হতে বর্ণিত। সামুরা ইবনে জুনদুব ও ইমরান ইবনে হুসায়েন (রাযিঃ) পরস্পর আলোচনা প্রসঙ্গে সামুরা (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাহল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে নামাযের মধ্যে যে দুই স্থানে নিশ্চুপ থাকতে হয় তা শিখেছেন। তার প্রথমটি হল তাকবীরে তাহরীমা বলার পর এবং দ্বিতীয় স্থানটি হল “গায়রিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন” পাঠের পর। যসিও সামুরা ইবনে জুনদুব (রাযিঃ) একথা স্মরণ রাখেন কিন্তু ইমরান ইবনে হুসায়েন (রাযিঃ) তা অস্বীকার করায় তারা উভয়ে যৌথ ভাবে এসম্পর্কে উবাই ইবনে কাব (রাযিঃ) এর নিকট পত্র লেখেন। তিনি তাদের পত্রের জবাবে জানান যে, সামুরা (রাযিঃ) এ হাদীস সঠিকভাবে স্মরণ রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
كتاب الصلاة
باب السَّكْتَةِ عِنْدَ الاِفْتِتَاحِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ، وَعِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ، تَذَاكَرَا فَحَدَّثَ سَمُرَةُ بْنُ جُنْدُبٍ، أَنَّهُ حَفِظَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَكْتَتَيْنِ سَكْتَةً إِذَا كَبَّرَ وَسَكْتَةً إِذَا فَرَغَ مِنْ قِرَاءَةِ ( غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ) فَحَفِظَ ذَلِكَ سَمُرَةُ وَأَنْكَرَ عَلَيْهِ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فَكَتَبَا فِي ذَلِكَ إِلَى أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ وَكَانَ فِي كِتَابِهِ إِلَيْهِمَا أَوْ فِي رَدِّهِ عَلَيْهِمَا أَنَّ سَمُرَةَ قَدْ حَفِظَ .
হাদীস নং: ৭৮০
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
৭৮০. ইবনুল মুছান্না ..... সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নামাযের মধ্যে যে দুই স্থানে চুপ থাকতে হয়, এতদসম্পর্কীয় জ্ঞান আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট হতে আহরণ করেছি। অতঃপর রাবী সাঈদ বলেন, আমরা এ বিষয়ে কাতাদা (রাহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যখন কেউ নামায আরম্ভ করবে এবং কিরাআত শেষ করবে তখন নিশ্চুপ থাকবে। পুনরায় তিনি বলেন, (কিরাআত শেষের অর্থ হল) যখন কেউ গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লিন বলবে।
كتاب الصلاة
باب السَّكْتَةِ عِنْدَ الاِفْتِتَاحِ
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، بِهَذَا قَالَ عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، قَالَ سَكْتَتَانِ حَفِظْتُهُمَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ فِيهِ قَالَ سَعِيدٌ قُلْنَا لِقَتَادَةَ مَا هَاتَانِ السَّكْتَتَانِ قَالَ إِذَا دَخَلَ فِي صَلاَتِهِ وَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ ثُمَّ قَالَ بَعْدُ وَإِذَا قَالَ ( غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ) .
হাদীস নং: ৭৮১
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
৭৮১. আহমদ ইবনে আবু গুআয়ব ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআত পাঠের মধ্যবর্তী সময়ে কিছুক্ষণ চুপ থাকতেন। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মাতাপিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, আপনি তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআত পাঠের পূর্বে কেন চুপ থাকেন- তা আমাকে অবহিত করুন।
তিনি বলেন, (তখন আমি) চুপে চুপে এই দুআ পাঠ করিঃ আল্লাহুম্মা বায়েদ বায়নী ওয়া বায়না খাতায়ায়া কামা বায়েদতা বায়নাল-মাশরিকে ওয়াল মাগরিবে আল্লাহুম্মা আনকেনী মিন খাতায়ায়া কাছ-ছাওবিল আবয়াদি মিনাদ-দানাসে আল্লাহুম্মা আগসিলনী বিছ-ছালজে ওয়াল-মায়ে ওয়াল-বারদি”।
তিনি বলেন, (তখন আমি) চুপে চুপে এই দুআ পাঠ করিঃ আল্লাহুম্মা বায়েদ বায়নী ওয়া বায়না খাতায়ায়া কামা বায়েদতা বায়নাল-মাশরিকে ওয়াল মাগরিবে আল্লাহুম্মা আনকেনী মিন খাতায়ায়া কাছ-ছাওবিল আবয়াদি মিনাদ-দানাসে আল্লাহুম্মা আগসিলনী বিছ-ছালজে ওয়াল-মায়ে ওয়াল-বারদি”।
كتاب الصلاة
باب السَّكْتَةِ عِنْدَ الاِفْتِتَاحِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، عَنْ عُمَارَةَ، - الْمَعْنَى - عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَبَّرَ فِي الصَّلاَةِ سَكَتَ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ فَقُلْتُ لَهُ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي أَرَأَيْتَ سُكُوتَكَ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ أَخْبِرْنِي مَا تَقُولُ . قَالَ " اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ أَنْقِنِي مِنْ خَطَايَاىَ كَالثَّوْبِ الأَبْيَضِ مِنَ الدَّنَسِ اللَّهُمَّ اغْسِلْنِي بِالثَّلْجِ وَالْمَاءِ وَالْبَرَدِ " .
হাদীস নং: ৭৮২
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩০. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ না বলার বিবরণ।
৭৮২. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ), আবু বকর (রাযিঃ), উমর (রাযিঃ) ও উছমান (রাযিঃ) “আলহামদু লিল্লাহি রবিল আলামীন” হতে কিরাআত পাঠ শুরু করতেন।*
* যাঁরা বিসমিল্লাহ চুপে চুপে পাঠ করার পক্ষপাতী তাঁরা এ হাদীস নিজেদের মতের সমর্থনে পেশ করেন। আনাস (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত অপর হাদীসে আছে- তিনি বলেনঃ আমি মহানবী (ﷺ)-এর পেছনে এবং আবু বাক্র, উমর ও উছমান (রাযিঃ)-এর পেছনে নামায পড়েছি। আমি তাদের কাউকে “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম” উচ্চস্বরে পড়তে শুনিনি।
* যাঁরা বিসমিল্লাহ চুপে চুপে পাঠ করার পক্ষপাতী তাঁরা এ হাদীস নিজেদের মতের সমর্থনে পেশ করেন। আনাস (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত অপর হাদীসে আছে- তিনি বলেনঃ আমি মহানবী (ﷺ)-এর পেছনে এবং আবু বাক্র, উমর ও উছমান (রাযিঃ)-এর পেছনে নামায পড়েছি। আমি তাদের কাউকে “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম” উচ্চস্বরে পড়তে শুনিনি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ الْجَهْرَ بِـ { بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ }
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ كَانُوا يَفْتَتِحُونَ الْقِرَاءَةَ بِـ ( الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ) .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩০. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ না বলার বিবরণ।
৭৮৩. মুসাদ্দাদ ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমা বলে নামায আরম্ভ করতেন এবং আলহামদু লিল্লাহি রবীল আলামীন বলে কিরাআত শুরু করতেন। তিনি রুকুর সময় স্বীয় মাথা উচুঁ করেও রাখতেন না এবং নীচু করেও রাখতেন না, বরং পিঠের সমান্তরাল করে রাখতেন। অতঃপর তিনি রুকূ হতে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর আগে সিজদায় যেতেন না এবং এক সিজদা করার পর সোজা হয়ে বসার পূর্বে দ্বিতীয় সিজদা করতেন না। তিনি প্রত্যেক দুই রাকআত নামায আদায়ের পর তাশাহ্হুদ, পাঠ করতেন। অতঃপর তিনি যখন বসতেন, তখন বাম পা বিছিয়ে দিতেন এবং ডান পা খাড়া করে রাখতেন। তিনি শয়তানের মত উপবেশন করা তথা উভয় গোড়ালীর উপর পাছা রেখে বসতে নিষেধ করতেন এবং চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায় (অর্থাৎ দুই হাত মাটির সাথে বিছিয়ে দিয়ে) সিজদা করতে নিষেধ করতেন। অতঃপর তিনি আস-সালামু আলাইকুম বলে নামায শেষ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ الْجَهْرَ بِـ { بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ }
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْتَتِحُ الصَّلاَةَ بِالتَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةَ بِـ ( الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ) وَكَانَ إِذَا رَكَعَ لَمْ يُشْخِصْ رَأْسَهُ وَلَمْ يُصَوِّبْهُ وَلَكِنْ بَيْنَ ذَلِكَ وَكَانَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ لَمْ يَسْجُدْ حَتَّى يَسْتَوِيَ قَائِمًا وَكَانَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ لَمْ يَسْجُدْ حَتَّى يَسْتَوِيَ قَاعِدًا وَكَانَ يَقُولُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ " التَّحِيَّاتُ " . وَكَانَ إِذَا جَلَسَ يَفْرِشُ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَيَنْصِبُ رِجْلَهُ الْيُمْنَى وَكَانَ يَنْهَى عَنْ عَقِبِ الشَّيْطَانِ وَعَنْ فِرْشَةِ السَّبُعِ وَكَانَ يَخْتِمُ الصَّلاَةَ بِالتَّسْلِيمِ .
হাদীস নং: ৭৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩০. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ না বলার বিবরণ।
৭৮৪. হান্নাদ ইবনুস সারী ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ এখনই আমার উপর একটি সূরা নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পাঠ করেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, ইন্না আ’তায়না কাল কাউসার ......... তিনি সূরাটির শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা কি জান কাউসার কি? তারা বলেন, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল এ ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। তিনি বলেনঃ এটি একটি নহর, যা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন জান্নাতের মধ্যে আমাকে দান করবেন বলে অঙ্গীকার করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ الْجَهْرَ بِـ { بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ }
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُنْزِلَتْ عَلَىَّ آنِفًا سُورَةٌ " . فَقَرَأَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ( إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ ) حَتَّى خَتَمَهَا . قَالَ " هَلْ تَدْرُونَ مَا الْكَوْثَرُ " . قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ . قَالَ " فَإِنَّهُ نَهْرٌ وَعَدَنِيهِ رَبِّي فِي الْجَنَّةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩০. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ না বলার বিবরণ।
৭৮৫. কুতন ইবনে নুসায়র ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ইফক (মিথ্যা অপবাদ)-এর ঘটনা উল্লেখ পূর্বক বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বসা ছিলেন। তিনি মুখ খোলেন এবং বলেনঃ আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম, ″ইন্নাল্লাযীনা জাউ বিল-ইফকে উসবাতুম মিনকুম” আয়াতের শেষ পর্যন্ত পাঠ করেন। অর্থাৎ “যারা মিথ্যা অপবাদ প্রচার করে বেড়াচ্ছে তারা তোমাদের মধ্যেরই লোক।”
كتاب الصلاة
باب مَنْ لَمْ يَرَ الْجَهْرَ بِـ { بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ }
حَدَّثَنَا قَطَنُ بْنُ نُسَيْرٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الأَعْرَجُ الْمَكِّيُّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، وَذَكَرَ الإِفْكَ، قَالَتْ جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَشَفَ عَنْ وَجْهِهِ وَقَالَ " أَعُوذُ بِالسَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ ( إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ عُصْبَةٌ مِنْكُمْ ) " . الآيَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا حَدِيثٌ مُنْكَرٌ قَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ جَمَاعَةٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ لَمْ يَذْكُرُوا هَذَا الْكَلاَمَ عَلَى هَذَا الشَّرْحِ وَأَخَافُ أَنْ يَكُونَ أَمْرُ الاِسْتِعَاذَةِ مِنْ كَلاَمِ حُمَيْدٍ .
হাদীস নং: ৭৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩১. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ পাঠ করার বর্ণনা।
৭৮৬. আমর ইবনে আওন ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উছমান (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি যে, আপনারা সূরা বারাআত-কে সূরা আনফালের অন্তর্ভূক্ত করে আল-কুরআনের সাবউল মাছানী (সাতটি সূরা)-এর মধ্যে কিরূপে পরিগণিত করেন এবং উভয় সূরার মধ্যস্থলে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম কেন লিখেন নাই? অথচ বারাআত সূরাটি মিইন-এর অন্তর্ভুক্ত (অর্থাৎ যাতে ১০০-র অধিক আয়াত আছে এবং বারাআতে ১২৯ আয়াত আছে)। অপরপক্ষে সূরা আনফাল মাছানীর অন্তর্ভুক্ত (কেননা এতে ১০০-এর কম অর্থাৎ ৭৫ টি আয়াত আছে)।
উছমান (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর উপর যখনই কোন আয়াত নাযিল হত, তখন তিনি ওহী লেখক সাহাবীদের ডেকে বলতেনঃ এই আয়াত অমুক সূরার অমুক স্থানে সন্নিবেশীত কর যার মধ্যে এই এই বিষয় আলোচিত হয়েছে। অতঃপর তাঁর উপর যখন একটি বা দুটি আয়াত নাযিল হত, তখনও তিনি ঐরূপ বলতেন।
সূরা আল্-আনফাল নবী (ﷺ)-এর উপর মদীনায় আসার পরপরই নাযিলকৃত সূরা সমূহের অন্যতম এবং সূরা বারাআত অবতীর্ণ হয় কুরআন নাযিলের সমাপ্তিকালে। কিন্তু সূরা আনফালে বর্ণিত ঘটনাবলীর সঙ্গে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সঙ্গে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সাদৃশ্য রয়েছে। কাজেই আমি মনে মনে স্থির করি যে, এটি সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য আমি দুটি সূরাকে একত্রে সাবউত-তিওয়াল-এর অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং এ কারণেই এই দুইটি সূরার মাঝখানে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম লিপিবদ্ধ করি নি।
উছমান (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর উপর যখনই কোন আয়াত নাযিল হত, তখন তিনি ওহী লেখক সাহাবীদের ডেকে বলতেনঃ এই আয়াত অমুক সূরার অমুক স্থানে সন্নিবেশীত কর যার মধ্যে এই এই বিষয় আলোচিত হয়েছে। অতঃপর তাঁর উপর যখন একটি বা দুটি আয়াত নাযিল হত, তখনও তিনি ঐরূপ বলতেন।
সূরা আল্-আনফাল নবী (ﷺ)-এর উপর মদীনায় আসার পরপরই নাযিলকৃত সূরা সমূহের অন্যতম এবং সূরা বারাআত অবতীর্ণ হয় কুরআন নাযিলের সমাপ্তিকালে। কিন্তু সূরা আনফালে বর্ণিত ঘটনাবলীর সঙ্গে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সঙ্গে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সাদৃশ্য রয়েছে। কাজেই আমি মনে মনে স্থির করি যে, এটি সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য আমি দুটি সূরাকে একত্রে সাবউত-তিওয়াল-এর অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং এ কারণেই এই দুইটি সূরার মাঝখানে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম লিপিবদ্ধ করি নি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ جَهَرَ بِهَا
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ يَزِيدَ الْفَارِسِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ قُلْتُ لِعُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ مَا حَمَلَكُمْ أَنْ عَمَدْتُمْ، إِلَى بَرَاءَةَ وَهِيَ مِنَ الْمِئِينَ وَإِلَى الأَنْفَالِ وَهِيَ مِنَ الْمَثَانِي فَجَعَلْتُمُوهُمَا فِي السَّبْعِ الطُّوَلِ وَلَمْ تَكْتُبُوا بَيْنَهُمَا سَطْرَ ( بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ) قَالَ عُثْمَانُ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِمَّا يَنْزِلُ عَلَيْهِ الآيَاتُ فَيَدْعُو بَعْضَ مَنْ كَانَ يَكْتُبُ لَهُ وَيَقُولُ لَهُ " ضَعْ هَذِهِ الآيَةَ فِي السُّورَةِ الَّتِي يُذْكَرُ فِيهَا كَذَا وَكَذَا " . وَتَنْزِلُ عَلَيْهِ الآيَةُ وَالآيَتَانِ فَيَقُولُ مِثْلَ ذَلِكَ وَكَانَتِ الأَنْفَالُ مِنْ أَوَّلِ مَا أُنْزِلَ عَلَيْهِ بِالْمَدِينَةِ وَكَانَتْ بَرَاءَةُ مِنْ آخِرِ مَا نَزَلَ مِنَ الْقُرْآنِ وَكَانَتْ قِصَّتُهَا شَبِيهَةً بِقِصَّتِهَا فَظَنَنْتُ أَنَّهَا مِنْهَا فَمِنْ هُنَاكَ وَضَعْتُهُمَا فِي السَّبْعِ الطُّوَلِ وَلَمْ أَكْتُبْ بَيْنَهُمَا سَطْرَ ( بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ) .
হাদীস নং: ৭৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩১. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ পাঠ করার বর্ণনা।
৭৮৭. যিয়াদ ইবনে আইয়ুব ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে এই সূত্রেও পৃর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের মধ্য হতে বিদায় নিয়েছ। কিন্তু তিনি সূরা বারাআত সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত কিনা- এ সম্পর্কে পরিস্কারভাবে কিছুই বলেননি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ جَهَرَ بِهَا
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، - يَعْنِي ابْنَ مُعَاوِيَةَ - أَخْبَرَنَا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ يَزِيدَ الْفَارِسِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، بِمَعْنَاهُ قَالَ فِيهِ فَقُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يُبَيِّنْ لَنَا أَنَّهَا مِنْهَا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ الشَّعْبِيُّ وَأَبُو مَالِكٍ وَقَتَادَةُ وَثَابِتُ بْنُ عُمَارَةَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكْتُبْ ( بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ) حَتَّى نَزَلَتْ سُورَةُ النَّمْلِ هَذَا مَعْنَاهُ .
হাদীস নং: ৭৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩১. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ পাঠ করার বর্ণনা।
৭৮৮. কুতায়বা ইবনে সাঈদ .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর উপর বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম নাযিল না হওয়া পর্যন্ত কোন সূরার শুরু চিহ্নিত করতে পারতেন না। হাদীসের এই পাঠ ইবনুস সারহ-এর।
كتاب الصلاة
باب مَنْ جَهَرَ بِهَا
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، وَابْنُ السَّرْحِ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، - قَالَ قُتَيْبَةُ فِيهِ - عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَعْرِفُ فَصْلَ السُّورَةِ حَتَّى تُنَزَّلَ عَلَيْهِ ( بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ) . وَهَذَا لَفْظُ ابْنِ السَّرْحِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩২. কোন অনিবার্য কারণ বশতঃ নামায সংক্ষিপ্ত করা।
৭৮৯. আব্দুর রহমান ইবনে ইবরাহীম ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদা (রাহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কখনও কখনও নামায দীর্ঘায়িত করার ইরাদা করি কিন্তু কোন ছোট বাচ্চার ক্রন্দন ধ্বনি শুনে তার মাতার কষ্টের কথা চিন্তা করে নামায সংক্ষিপ্ত করি।
كتاب الصلاة
باب تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ لِلأَمْرِ يَحْدُثُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، وَبِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي لأَقُومُ إِلَى الصَّلاَةِ وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أُطَوِّلَ فِيهَا فَأَسْمَعُ بُكَاءَ الصَّبِيِّ فَأَتَجَوَّزُ كَرَاهِيَةَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمِّهِ " .
হাদীস নং: ৭৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৭৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩৩. নামাযের জন্য ক্ষতিকারক বিষয় সম্পর্কে।
৭৯০. কুতায়বা ইবনে সাঈদ .... আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি এমন অনেক লোক আছে যারা নামায পড়ে কিন্তু তাদের নামায পুরোপুরি কবুল না হওয়ায় পরিপূর্ণ সাওয়াব প্রাপ্ত হয় না। বরং তাদের কেউ ১০ ভাগের ১ ভাগ, ৯ ভাগের ১ ভাগ, ৮ ভাগের ১ ভাগ, ৭ ভাগের ১ ভাগ, ৬ ভাগের ১ ভাগ, ৫ ভাগের ১ ভাগ, ৪ ভাগের ১ ভাগ, তিনের-একাংশ বা অর্ধাংশ সাওয়াব প্রাপ্ত হয়ে থাকে।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي نُقْصَانِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ بَكْرٍ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَنَمَةَ الْمُزَنِيِّ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ الرَّجُلَ لَيَنْصَرِفُ وَمَا كُتِبَ لَهُ إِلاَّ عُشْرُ صَلاَتِهِ تُسْعُهَا ثُمُنُهَا سُبُعُهَا سُدُسُهَا خُمُسُهَا رُبُعُهَا ثُلُثُهَا نِصْفُهَا " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী: