কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৫৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৭. মহিলাদের ইমামতি করা সম্পর্কে।
৫৯১. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... উম্মে ওয়ারাকা বিনতে নাওফাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের সময় আমি নবী (ﷺ) (ﷺ)কে বলি- ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমাকে এই যুদ্ধে অংশ গ্রহণের অনুমতি দান করুন, যাতে আমি যুদ্ধাহত সেনাদের সেবা শুশ্রূষা করার সময় শাহাদাত বরণ করতে পারি। জবাবে তিনি বলেনঃ তুমি স্বগৃহে অবস্থান কর। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন তোমাকে শাহাদাত নসীব করবেন।
রাবী বলেন, এজন্য তাকে শহীদ আখ্যায়িত করা হত। রাবী আরও বলেন, তিনি কুরআন সম্পর্কে বিশেষ অভিজ্ঞ ছিলেন। একদা তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট আরয করেন যে, তার ঘরে আযানের জন্য যেন একজন মুয়াযযিন নিযুক্ত করা হয় (মহিলাদের জামাআত কায়েমের উদ্দেশ্যে)।
(তার শাহাদাত বরণের ঘটনা এই যে) তিনি তার এক দাস ও এক দাসীকে এই চুক্তিতে আযাদ করেন যে, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আযাদ হবে। একদা রাতে তারা (দাস-দাসী) তাদেরকে চাঁদর দিয়ে আবৃত করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে এবং পালিয়ে চলে যায়। পরদিন সকালে উমর (রাযিঃ) তাকে মৃত অবস্থায় দেখে সকলের নিকট বলেন, তার নিকট যে দাস-দাসী থাকত তাদের সম্পর্কে তোমাদের যে ব্যক্তি অবগত আছে সে যেন তাদেরকে আমার নিকট হাযির করে। (অতঃপর উপস্থিত করা হলে তারা তাকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে) তখন তাদেরকে শূলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয় এবং মদীনাতে এটাই শূলিবিদ্ধ করে মৃত্যুদন্ডের সর্বপ্রথম ঘটনা।
রাবী বলেন, এজন্য তাকে শহীদ আখ্যায়িত করা হত। রাবী আরও বলেন, তিনি কুরআন সম্পর্কে বিশেষ অভিজ্ঞ ছিলেন। একদা তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট আরয করেন যে, তার ঘরে আযানের জন্য যেন একজন মুয়াযযিন নিযুক্ত করা হয় (মহিলাদের জামাআত কায়েমের উদ্দেশ্যে)।
(তার শাহাদাত বরণের ঘটনা এই যে) তিনি তার এক দাস ও এক দাসীকে এই চুক্তিতে আযাদ করেন যে, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আযাদ হবে। একদা রাতে তারা (দাস-দাসী) তাদেরকে চাঁদর দিয়ে আবৃত করে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে এবং পালিয়ে চলে যায়। পরদিন সকালে উমর (রাযিঃ) তাকে মৃত অবস্থায় দেখে সকলের নিকট বলেন, তার নিকট যে দাস-দাসী থাকত তাদের সম্পর্কে তোমাদের যে ব্যক্তি অবগত আছে সে যেন তাদেরকে আমার নিকট হাযির করে। (অতঃপর উপস্থিত করা হলে তারা তাকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে) তখন তাদেরকে শূলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয় এবং মদীনাতে এটাই শূলিবিদ্ধ করে মৃত্যুদন্ডের সর্বপ্রথম ঘটনা।
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ النِّسَاءِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُمَيْعٍ، قَالَ حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَلاَّدٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ أُمِّ وَرَقَةَ بِنْتِ نَوْفَلٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا غَزَا بَدْرًا قَالَتْ قُلْتُ لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ ائْذَنْ لِي فِي الْغَزْوِ مَعَكَ أُمَرِّضُ مَرْضَاكُمْ لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَرْزُقَنِي شَهَادَةً . قَالَ " قِرِّي فِي بَيْتِكِ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَرْزُقُكِ الشَّهَادَةَ " . قَالَ فَكَانَتْ تُسَمَّى الشَّهِيدَةَ . قَالَ وَكَانَتْ قَدْ قَرَأَتِ الْقُرْآنَ فَاسْتَأْذَنَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَتَّخِذَ فِي دَارِهَا مُؤَذِّنًا فَأَذِنَ لَهَا قَالَ وَكَانَتْ دَبَّرَتْ غُلاَمًا لَهَا وَجَارِيَةً فَقَامَا إِلَيْهَا بِاللَّيْلِ فَغَمَّاهَا بِقَطِيفَةٍ لَهَا حَتَّى مَاتَتْ وَذَهَبَا فَأَصْبَحَ عُمَرُ فَقَامَ فِي النَّاسِ فَقَالَ مَنْ كَانَ عِنْدَهُ مِنْ هَذَيْنِ عِلْمٌ أَوْ مَنْ رَآهُمَا فَلْيَجِئْ بِهِمَا فَأَمَرَ بِهِمَا فَصُلِبَا فَكَانَا أَوَّلَ مَصْلُوبٍ بِالْمَدِينَةِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৫৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৭. মহিলাদের ইমামতি করা সম্পর্কে।
৫৯২. আল-হাসান ইবনে হাম্মাদ আল-হাদরামী .... উম্মে ওয়ারাকা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কখনও কখনও তাকে দেখার জন্য তার বাড়ীতে যেতেন। তিনি তার জন্য একজন মুয়াযযিনও নিযুক্ত করেন। সে তাঁর বাড়িতে আযান দিত এবং নবী (ﷺ) তাকে স্বগৃহে মহিলাদের নামাযে ইমামতি করার নির্দেশ দেন। রাবী আব্দুর রহমান বলেন, আমি তার জন্য বয়ঃবৃদ্ধ মুয়াযযিনকে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ النِّسَاءِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَمَّادٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ جُمَيْعٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أُمِّ وَرَقَةَ بِنْتِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، بِهَذَا الْحَدِيثِ وَالأَوَّلُ أَتَمُّ قَالَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَزُورُهَا فِي بَيْتِهَا وَجَعَلَ لَهَا مُؤَذِّنًا يُؤَذِّنُ لَهَا وَأَمَرَهَا أَنْ تَؤُمَّ أَهْلَ دَارِهَا . قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَأَنَا رَأَيْتُ مُؤَذِّنَهَا شَيْخًا كَبِيرًا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৫৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৮. মুক্তাদীদের নারাযিতে ইমামতি করা নিষেধ।
৫৯৩. আল-কানবী ..... আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ্ তাআলা তিন ব্যক্তির নামায কবুল করেন না। যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে, অথচ মুক্তাদীরা তার উপর অসন্তুষ্ট। যে ব্যক্তি নামাযের সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নামায আদায় করে। যে ব্যক্তি স্বাধীন মহিলা অথবা পুরুষ লোককে ক্রীতদাসী বা দাস বানায়।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلِ يَؤُمُّ الْقَوْمَ وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ غَانِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ عَبْدٍ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ " ثَلاَثَةٌ لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُمْ صَلاَةً مَنْ تَقَدَّمَ قَوْمًا وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ وَرَجُلٌ أَتَى الصَّلاَةَ دِبَارًا " . وَالدِّبَارُ أَنْ يَأْتِيَهَا بَعْدَ أَنْ تَفُوتَهُ " وَرَجُلٌ اعْتَبَدَ مُحَرَّرَهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬৯. সৎ এবং অসৎ লোকের ইমামতি সম্পর্কে।
৫৯৪. আহমদ ইবনে সালেহ্ ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যে কোন মুসলমান ইমামের পেছনে (জামাআতে) ফরয নামাযসমূহ আদায় করা বাধ্যতামূলক, চাই সে (ইমাম) সৎ হোক অথবা অসৎ; এমনকি সে কবীরা গুনাহের কাজে লিপ্ত হয়ে থাকলেও।
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ الْبَرِّ وَالْفَاجِرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الصَّلاَةُ الْمَكْتُوبَةُ وَاجِبَةٌ خَلْفَ كُلِّ مُسْلِمٍ بَرًّا كَانَ أَوْ فَاجِرًا وَإِنْ عَمِلَ الْكَبَائِرَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭০. অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি করা সম্পর্কে।
৫৯৫. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান .... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) জিহাদে গমনকালে ইবনে উম্মে মাকতুম (রাযিঃ)-কে নিজের স্থালাভিষিক্ত নিয়োগ করেন। তিনি লোকদের ইমামতি করতেন। অথচ তিনি ছিলেন জন্মান্ধ।
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ الأَعْمَى
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَنْبَرِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ يَؤُمُّ النَّاسَ وَهُوَ أَعْمَى .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৭৩. আশ্রয় প্রার্থনা করা।
৫৯৬. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম .... বুদায়েল থেকে আবু আতিয়্যার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মালিক ইবনে হুয়ায়রিছ (রাযিঃ) আমাদের মসজিদে আগমন করেন। তখন নামাযের ইকামত দেওয়া হলে আমরা তাকে ইমামতি করার জন্য অনুরোধ করি। তিনি আমাদের বলেন, তোমাদের মধ্য হতে এক জনকে ইমামতি করতে বল। আমি ইমামতি না করার কারণ তোমাদের নিকট বর্ণনা করব। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের নিকট তাদের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে গমন করবে সে যেন তাদের ইমামতি না করে, বরং তাদের মধ্য হতে কেউ যেন তাদের ইমামতি করে।
كتاب الصلاة
باب فِي الاِسْتِعَاذَةِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، عَنْ بُدَيْلٍ، حَدَّثَنِي أَبُو عَطِيَّةَ، مَوْلًى مِنَّا قَالَ كَانَ مَالِكُ بْنُ حُوَيْرِثٍ يَأْتِينَا إِلَى مُصَلاَّنَا هَذَا فَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَقُلْنَا لَهُ تَقَدَّمْ فَصَلِّهْ . فَقَالَ لَنَا قَدِّمُوا رَجُلاً مِنْكُمْ يُصَلِّي بِكُمْ وَسَأُحَدِّثُكُمْ لِمَ لاَ أُصَلِّي بِكُمْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ زَارَ قَوْمًا فَلاَ يَؤُمَّهُمْ وَلْيَؤُمَّهُمْ رَجُلٌ مِنْهُمْ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭২. ইমামের মুক্তাদীর তুলনায় উঁচু স্থানে দণ্ডায়মান হয়ে নামায আদায় করা সম্পর্কে।
৫৯৭. আহমদ ইবনে সিনান ..... হাম্মাম হতে বর্ণিত। হুযাইফা (রাযিঃ) মাদায়েন নামক স্থানে একটি দোকানের উপর দাড়িয়ে লোকদের ইমামতি করেন। তখন আবু মাসউদ (রাযিঃ) তিনি নামায শেষে বলেন, তুমি কি একথা জান না যে, লোকদেরকে উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে ইমামতি করতে নিষেধ করা হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ আপনি যখন আমার জামা ধরে টান দেন তখন তা আমার স্মরণ হয়।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يَقُومُ مَكَانًا أَرْفَعَ مِنْ مَكَانِ الْقَوْمِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ أَبُو مَسْعُودٍ الرَّازِيُّ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، أَنَّ حُذَيْفَةَ أَمَّ النَّاسَ، بِالْمَدَائِنِ عَلَى دُكَّانٍ فَأَخَذَ أَبُو مَسْعُودٍ بِقَمِيصِهِ فَجَبَذَهُ فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ صَلاَتِهِ قَالَ أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّهُمْ كَانُوا يُنْهَوْنَ عَنْ ذَلِكَ قَالَ بَلَى قَدْ ذَكَرْتُ حِينَ مَدَدْتَنِي .
হাদীস নং: ৫৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭২. ইমামের মুক্তাদীর তুলনায় উঁচু স্থানে দণ্ডায়মান হয়ে নামায আদায় করা সম্পর্কে।
৫৯৮. আহমদ ইবনে ইবরাহীম ...... আদী ইবনে ছাবেত (রাহঃ) জনৈক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, একদা আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাযিঃ) এর সাথে মাদায়েনে ছিলেন। নামাযের জন্য ইকামত দেয়া হলে আম্মার (রাযিঃ) একটি দোকানের উপর (উচু স্থান) দাঁড়িয়ে নামাযে ইমামতি করতে যান, মুক্তাদীরা নিচু স্থানে দণ্ডায়মান ছিলেন। হুযাইফা (রাযিঃ) অগ্রসর হয়ে আম্মার (রাযিঃ) এর হাত ধরে তাকে নীচে নামিয়ে আনেন। আম্মার (রাযিঃ) নামায শেষ করলে হুযাইফা (রাযিঃ) তাকে বলেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলতে শুনেননিঃ যখন কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করবে, সে যেন সমাগত মুসল্লী হতে কোন উচু স্থানে দণ্ডায়মান না হয়? তখন আম্মার (রাযিঃ) বলেন, ঐ সময় হাদীসটি আমার স্মরণে আসায় আমি আপনার হস্ত ধারণের অনুসরণ করে নীচে নেমে আসি।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يَقُومُ مَكَانًا أَرْفَعَ مِنْ مَكَانِ الْقَوْمِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو خَالِدٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ، أَنَّهُ كَانَ مَعَ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ بِالْمَدَائِنِ فَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَتَقَدَّمَ عَمَّارٌ وَقَامَ عَلَى دُكَّانٍ يُصَلِّي وَالنَّاسُ أَسْفَلَ مِنْهُ فَتَقَدَّمَ حُذَيْفَةُ فَأَخَذَ عَلَى يَدَيْهِ فَاتَّبَعَهُ عَمَّارٌ حَتَّى أَنْزَلَهُ حُذَيْفَةُ فَلَمَّا فَرَغَ عَمَّارٌ مِنْ صَلاَتِهِ قَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ أَلَمْ تَسْمَعْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا أَمَّ الرَّجُلُ الْقَوْمَ فَلاَ يَقُمْ فِي مَكَانٍ أَرْفَعَ مِنْ مَقَامِهِمْ " . أَوْ نَحْوَ ذَلِكَ قَالَ عَمَّارٌ لِذَلِكَ اتَّبَعْتُكَ حِينَ أَخَذْتَ عَلَى يَدَىَّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৩. কোন ব্যক্তির একবার নামায আদায়ের পর ঐ নামাযে পুনরায় তার ইমামতি সম্পর্কে।
৫৯৯. উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর ..... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে এশার নামায আদায়ের পর স্বীয় সম্প্রদায়ে ফিরে গিয়ে পুনরায় তাদের ঐ এশার নামাযে ইমামতি করতেন।
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ مَنْ يُصَلِّي بِقَوْمٍ وَقَدْ صَلَّى تِلْكَ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مِقْسَمٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، كَانَ يُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعِشَاءَ ثُمَّ يَأْتِي قَوْمَهُ فَيُصَلِّي بِهِمْ تِلْكَ الصَّلاَةَ .
হাদীস নং: ৬০০
আন্তর্জাতিক নং: ৬০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৩. কোন ব্যক্তির একবার নামায আদায়ের পর ঐ নামাযে পুনরায় তার ইমামতি সম্পর্কে।
৬০০. মুসাদ্দাদ .... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয (রাযিঃ) নবী (ﷺ)-এর সাথে (এশার নামায) আদায় করে স্বীয় গোত্রে ফিরে গিয়ে পুনরায় ঐ নামাযে নিজ গোত্রের লোকদের ইমামতি করতেন।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও ইমাম মালিক (রাহঃ)-এর মতে, একবার নামায আদায়ের পর পুনরায় ঐ নামাযের ইমামতি করা জায়েয নয়। - (অনুবাদক)
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও ইমাম মালিক (রাহঃ)-এর মতে, একবার নামায আদায়ের পর পুনরায় ঐ নামাযের ইমামতি করা জায়েয নয়। - (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب إِمَامَةِ مَنْ يُصَلِّي بِقَوْمٍ وَقَدْ صَلَّى تِلْكَ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ إِنَّ مُعَاذًا كَانَ يُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَؤُمُّ قَوْمَهُ .
হাদীস নং: ৬০১
আন্তর্জাতিক নং: ৬০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০১. আল-কানবী ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘোড়ায় অরোহণ করেন। তিনি তার পিঠ থেকে পড়ে যাওয়ায় তার দেহের ডান পার্শ্বে ব্যথা পান। এমতাবস্থায় বসে নামাযে ইমামতি করেন এবং আমরাও তার পিছনে বসে নামায আদায় করি। নামায শেষে নবী (ﷺ) বলেন ইমামকে এজন্যই করা হয়েছে যে, তার অনুসরণ করা হয়। অতএব ইমাম যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও দণ্ডায়মান হবে। অতঃপর ইমাম যখন রুকু করবে তখন তোমরাও রুকু করবে এবং ইমাম যখন মস্তক উত্তোলন করবে তোমরাও মস্তক উঠাবে। অতঃপর ইমাম যখন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলবে, তখন তোমরা বলবে, রবানা ওয়া লাকাল হামদ।” ইমাম যখন বসে নামায আদায় করবে, তখন তোমরাও বসে নামায আদায় করবে।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكِبَ فَرَسًا فَصُرِعَ عَنْهُ فَجُحِشَ شِقُّهُ الأَيْمَنُ فَصَلَّى صَلاَةً مِنَ الصَّلَوَاتِ وَهُوَ قَاعِدٌ وَصَلَّيْنَا وَرَاءَهُ قُعُودًا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ " إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ وَإِذَا صَلَّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا أَجْمَعُونَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০২
আন্তর্জাতিক নং: ৬০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০২. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... জাবের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মদীনাতে অশ্ব আরোহণের পর তার পিঠ হতে খেজুর কাঠের উপর পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে আঘাত পান। অতঃপর আমরা তাদেরকে দেখতে এসে আয়িশা (রাযিঃ) এর ঘরে তাসবীহ পাঠরত অবস্থায় পাই। রাবী বলেন, আমরা তার পেছনে দাঁড়াই, কিন্তু তাতে তিনি বাধা দেননি। অতঃপর আমরা পুনরায় তাদেরকে দেখতে এসে তাদেরকে ফরয নামায বসা অবস্থায় আদায় করতে দেখি। আমরা তার পেছনে দাঁড়ালে তিনি আমাদেরকে বসার জন্য ইশারা করায় আমরা বসে যাই। অতঃপর তিনি নামায শেষে বলেন, যখন ইমাম বসে নামায আদায় করবে-তখন তোমরাও বসবে এবং ইমাম যখন দাঁড়িযে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও দাঁড়াবে এবং পারস্যের আধিবাসীরা তাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সম্মুখে যেমন দাঁড়িয়ে থাকে তোমরা তদ্রূপ করবে না।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، وَوَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ رَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَسًا بِالْمَدِينَةِ فَصَرَعَهُ عَلَى جِذْمِ نَخْلَةٍ فَانْفَكَّتْ قَدَمُهُ فَأَتَيْنَاهُ نَعُودُهُ فَوَجَدْنَاهُ فِي مَشْرَبَةٍ لِعَائِشَةَ يُسَبِّحُ جَالِسًا قَالَ فَقُمْنَا خَلْفَهُ فَسَكَتَ عَنَّا ثُمَّ أَتَيْنَاهُ مَرَّةً أُخْرَى نَعُودُهُ فَصَلَّى الْمَكْتُوبَةَ جَالِسًا فَقُمْنَا خَلْفَهُ فَأَشَارَ إِلَيْنَا فَقَعَدْنَا . قَالَ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ " إِذَا صَلَّى الإِمَامُ جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا وَإِذَا صَلَّى الإِمَامُ قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا وَلاَ تَفْعَلُوا كَمَا يَفْعَلُ أَهْلُ فَارِسَ بِعُظَمَائِهَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০৩. সুলাইমান ইবনে হারব .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ ইমাম এজন্যই নিয়োজিত করা হয় যে, অন্যরা তার অনুসরণ করবে। যখন ইমাম তাকবীর বলে, তখন তেমরাও তাকবীর বলবে। যতক্ষণ সে তাকবীর না বলবে ততক্ষণ তোমরাও বলবে না। অতঃপর ইমাম যখন রুকু করে, তখন তোমরাও রুকূ করবে এবং সে রুকূতে যাওয়ার পূর্বে তোমরা রুকূতে যাবে না। অতঃপর ইমাম যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলবে তখন তোমরা “আল্লাহুম্মা রবানা লাকাল হামদ” বলবে।
মুসলিম ইবনে ইবরাহীম বলেন, “ওয়ালাকাল হামদ” বলবে। যখন ইমাম সিজদা করবে তখন তোমরা সিজদা করবে এবং তিনি সিজদায় যাওয়ার পূর্বে তোমরা সিজদায় যেও না। আর ইমাম যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও ঐরূপ করবে এবং যখন ইমাম বসে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও সকলে বসে নামায পড়বে।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও ইমাম শাফিঈ (রাহঃ)-এর মতে ইমাম কোন কারণ বশতঃ বসে নামায আদায় করলেও মুকতাদীরা দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। অন্যান্য হাদীসের বর্ণনা থেকে তা প্রমাণিত। - (অনুবাদক)
মুসলিম ইবনে ইবরাহীম বলেন, “ওয়ালাকাল হামদ” বলবে। যখন ইমাম সিজদা করবে তখন তোমরা সিজদা করবে এবং তিনি সিজদায় যাওয়ার পূর্বে তোমরা সিজদায় যেও না। আর ইমাম যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও ঐরূপ করবে এবং যখন ইমাম বসে নামায আদায় করবে তখন তোমরাও সকলে বসে নামায পড়বে।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও ইমাম শাফিঈ (রাহঃ)-এর মতে ইমাম কোন কারণ বশতঃ বসে নামায আদায় করলেও মুকতাদীরা দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। অন্যান্য হাদীসের বর্ণনা থেকে তা প্রমাণিত। - (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، - الْمَعْنَى - عَنْ وُهَيْبٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَلاَ تُكَبِّرُوا حَتَّى يُكَبِّرَ وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَلاَ تَرْكَعُوا حَتَّى يَرْكَعَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ " . قَالَ مُسْلِمٌ " وَلَكَ الْحَمْدُ " . " وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا وَلاَ تَسْجُدُوا حَتَّى يَسْجُدَ وَإِذَا صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعُونَ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ " اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ " . أَفْهَمَنِي بَعْضُ أَصْحَابِنَا عَنْ سُلَيْمَانَ .
হাদীস নং: ৬০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০৪. মুহাম্মাদ ইবনে আদম ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেনঃ ইমাম এ জন্য নিযুক্ত করা হয় যে, অন্যেরা তার অনুসরণ করবে। অতঃপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছন। তবে এটুকু অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, যখন ইমাম কিরাআত পাঠ করবে তখন তোমরা চুপ থাকবে”।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ آدَمَ الْمَصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ " . بِهَذَا الْخَبَرِ زَادَ " وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذِهِ الزِّيَادَةُ " وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا " . لَيْسَتْ بِمَحْفُوظَةٍ الْوَهَمُ عِنْدَنَا مِنْ أَبِي خَالِدٍ .
হাদীস নং: ৬০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০৫. আল-কানবী ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তার ঘরে বসে নামায আদায় করার সময় অন্যেরা তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছিল। অতঃপর তিনি তাদেরকে ইশারায় বসার নির্দেশ দেন। নামায শেষে তিনি বলেনঃ ইমাম এজন্যই নিযুক্ত করা হয় যে, অন্যেরা তার অনুসরণ করবে। যখন ইমাম রুকূ করবে তখন তোমরাও রুকূ করবে এবং ইমাম যখন মাথা উত্তোলন করবে তখন তোমরাও মাথা উঠাবে। ইমাম যখন বসে নামায আদায় করবে, তখন তোমরাও বসে নামায পড়বে।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِهِ وَهُوَ جَالِسٌ فَصَلَّى وَرَاءَهُ قَوْمٌ قِيَامًا فَأَشَارَ إِلَيْهِمْ أَنِ اجْلِسُوا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ " إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا وَإِذَا صَلَّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০৬. কুতায়বা ইবনে সাঈদ ..... জাবের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) অসুস্থ অবস্থায় বসে নামায পড়ার সময় আমরা তাঁর পিছনে নামায আদায় করি আর আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) মুক্তাদীদের শুনিয়ে উচ্চস্বরে তাকবীর বলেন ...অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَيَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مَوْهَبٍ، - الْمَعْنَى - أَنَّ اللَّيْثَ، حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ اشْتَكَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّيْنَا وَرَاءَهُ وَهُوَ قَاعِدٌ وَأَبُو بَكْرٍ يُكَبِّرُ لِيُسْمِعَ النَّاسَ تَكْبِيرَهُ ثُمَّ سَاقَ الْحَدِيثَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
৬০৭. আব্দা ইবনে আব্দুল্লাহ্ ...... উসায়েদ ইবনে হুদায়ের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি লোকদের নামাযে ইমামতি করতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে (অসুস্থ হলে দেখতে আসেন) তখন লোকেরা তাকে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমাদের ইমাম অসুস্থ। তখন তিনি বলেনঃ যখন ইমাম বসে নামায পড়বে তখন তোমরাও বসে নামায পড়বে।
كتاب الصلاة
باب الإِمَامِ يُصَلِّي مِنْ قُعُودٍ
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا زَيْدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحُبَابِ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي حُصَيْنٌ، مِنْ وَلَدِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ، أَنَّهُ كَانَ يَؤُمُّهُمْ - قَالَ - فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعُودُهُ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ إِمَامَنَا مَرِيضٌ . فَقَالَ " إِذَا صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هذا الْحَدِيثُ لَيْسَ بِمُتَّصِلٍ .
হাদীস নং: ৬০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. দুই ব্যক্তি একত্রে নামায আদায়ের সময়- কিরূপে দাঁড়াবে?
৬০৮. মুসা ইবনে ইসমাঈল ...... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) উম্মে হারাম (রাযিঃ) এর নিকট আগমন করেন। তখন তারা তাঁর সম্মুখে খাওয়ার জন্য ঘি ও খেজুর হাযির করেন। নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমরা ঘি ও খেজুর স্ব-স্ব পাত্রে রাখ, কেননা আমি রোযাদার। অতঃপর তিনি আমাদেরকে নিয়ে দুই রাকআত নফল, নামায আদায় করেন। তখন উম্মে সুলায়ম (রাযিঃ) ও উম্মে হারাম (রাযিঃ) আমাদের পেছনে দাঁড়ান। রাবী ছাবেত বলেন, যথা সম্ভব আমার মনে পড়ে তিনি (আনাস) বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর ডান পাশে একই বিছানায় আমাকে দাঁড় করান।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلَيْنِ يَؤُمُّ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ كَيْفَ يَقُومَانِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَى أُمِّ حَرَامٍ فَأَتَوْهُ بِسَمْنٍ وَتَمْرٍ فَقَالَ " رُدُّوا هَذَا فِي وِعَائِهِ وَهَذَا فِي سِقَائِهِ فَإِنِّي صَائِمٌ " . ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ تَطَوُّعًا فَقَامَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ وَأُمُّ حَرَامٍ خَلْفَنَا . قَالَ ثَابِتٌ وَلاَ أَعْلَمُهُ إِلاَّ قَالَ أَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ عَلَى بِسَاطٍ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. দুই ব্যক্তি একত্রে নামায আদায়ের সময়- কিরূপে দাঁড়াবে?
৬০৯. হাফস ইবনে উমর .... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ও একজন মহিলার ইমামতি করেন। তিনি তাকে তাঁর পাশে এবং ঐ মহিলাকে আনাসের পেছনে দাঁড় করান।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلَيْنِ يَؤُمُّ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ كَيْفَ يَقُومَانِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُخْتَارِ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَّهُ وَامْرَأَةً مِنْهُمْ فَجَعَلَهُ عَنْ يَمِينِهِ وَالْمَرْأَةَ خَلْفَ ذَلِكَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬১০
আন্তর্জাতিক নং: ৬১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭৪. দুই ব্যক্তি একত্রে নামায আদায়ের সময়- কিরূপে দাঁড়াবে?
৬১০. মুসাদ্দাদ .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার খালা ময়মুনা (রাযিঃ) এর ঘরে রাত যাপন করি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘুম থেকে জাগরিত হয়ে পানির মশক খুলে উযু করেন। অতঃপর তিনি মুশকের মুখ বন্ধ করে নামাযে রত হন। তখন আমি উঠে তাঁর ন্যায় উযু করে তাঁর বাম পাশে নামাযের জন্য দাঁড়াই। তিনি আমার ডান হাত ধরে তাঁর পিছন দিক দিয়ে নিয়ে আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করান। এ অবস্থায় আমি তাঁর সাথে নামায আদায় করি।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلَيْنِ يَؤُمُّ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ كَيْفَ يَقُومَانِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ فَأَطْلَقَ الْقِرْبَةَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ أَوْكَأَ الْقِرْبَةَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ كَمَا تَوَضَّأَ ثُمَّ جِئْتُ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَأَخَذَنِي بِيَمِينِهِ فَأَدَارَنِي مِنْ وَرَائِهِ فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَصَلَّيْتُ مَعَهُ .