মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৬৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (নয়) ঈদের সালাতের পূর্বে ও পরে (নফল) সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৬) আবু সাঈদ আল্-খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ঈদুল ফিতর দিবসে ঈদগাহে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে সামান্য কিছু খাবার খেতেন এবং ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে কোন সালাত আদায় করতেন না। কিন্তু ঈদের সালাত আদায় করে (বাড়ী ফিরে) তিনি দু'রাকা'আত সালাত আদায় করতেন।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, মুস্তাদরাকে হাকেম। ইমাম হাতেম হাদীসখানিকে সহীহ বলেছেন। ইবনে হাজার হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(9) باب الصلاة قبل العيد وبعدها
(1670) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضي الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يفطر يوم الفطر قبل أن يخرج، وكان لا يصلِّى قبل الصَّلاة (2) فإذا قضى صلاته صلَّى ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দশ) ঈদের দিবসে দফ বাজানো এবং খেলাধুলা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৭) আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাবশীগণ ঈদের দিবসে রাসূল (ﷺ)-এর নিকটে খেলা-ধুলা করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর কাঁধের উপর দিয়ে তাকালাম। তিনি আমার জন্য তাঁর কাঁধ নিচু করলেন। তখন আমি তাঁর কাঁধের উপর দিয়ে দেখতে লাগলাম। আমি আমার সাধ মিটিয়ে খেলা দেখার পর ফিরে এলাম।
(সহীহ মুসলিম, সুনান আন-নাসায়ী ও অন্যান্য গ্রন্থাদি।)
كتاب الصلاة
(10) باب الضرب بالدف واللعب يوم العيد
(1671) عن عائشة رضى الله عنها أن الحبشة كانوا يلعبون (1) عند رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فى يوم عيدٍ قالت فاطَّلعت من فوق عاتقه (2) فطأطأ لى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم منكبيه فجعلت أنظر إليهم من فوق عاتقه حتَّى شبعت (3) ثمَّ انصرفت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দশ) ঈদের দিবসে দফ বাজানো এবং খেলাধুলা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৮) আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিনা দিবসসমূহের (ঈদুল আযহার পরবর্তী তাশরীকের তিন দিবসের) কোন এক দিবসে আবু বকর সিদ্দিক (রা) তাঁর কাছে আগমন করলেন, তখন তাঁর কাছে দু'টি বালিকা দু'টি দফ (আরবী ছোট ঢোলক) বাজাচ্ছিল। রাসূল (ﷺ) একখানি কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়েছিলেন। আবু বকর (রা) বালিকা দু'টিকে ধমক দেন। তখন রাসূল (ﷺ) মুখের কাপড়টি সরিয়ে আবূ বকর (রা)-কে বললেন, হে আবূ বকর, এদেরকে এদের গান-বাদ্য করতে দাও! কেননা এদিনগুলো হচ্ছে ঈদের দিন। আয়েশা (রা) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে দেখেছি তিনি আমাকে তাঁর চাদর দ্বারা আড়াল করলেন, আর আমি মসজিদের মধ্যে হাবশীদের (অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে) খেলাধুলা করতে দেখতে লাগলাম। যতক্ষণ না আমি নিজে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়লাম ততক্ষণ তিনি আমাকে এভাবে আড়াল করে রাখলেন। কাজেই তোমরা ক্রীড়াপ্রিয় অল্প বয়সী যুবতী স্ত্রীদের মনমানসিকতার দিকে লক্ষ্য রাখবে।
(সহীহ মুসলিম ও সুনান আন-নাসায়ী।
كتاب الصلاة
(10) باب الضرب بالدف واللعب يوم العيد
(1672) عن عروة بن الزبير عن عائشة رضي الله عنها أنَّ أبا بكرٍ دخل عليها وعندها جاريتان (1) فى أيَّام منى (2) تضربان بدفَّين (3) ورسول الله (صلى الله عليه وسلم) مسجًّى (4) عليه بثوبه فانتهزهما (5) فكشف رسول الله (صلى الله عليه وسلم) وجهه فقال دعهما (6) يا أبا بكر فإنَّها أيَّام عيدٍ، وقالت عائشة رأيت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يسترني بردائه (7) وأنا أنظر إلى الحبشة يلعبون فى المسجد حتَّى أكون أنا أسأم فأقعد (8) فاقدروا قدر الجارية الحديثة السِّنِّ الحريصة على اللَّهو
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দশ) ঈদের দিবসে দফ বাজানো এবং খেলাধুলা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৯) আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিবসে আবু বকর সিদ্দিক (রা) তাঁর গৃহে প্রবেশ করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তথায় উপস্থিত ছিলেন এবং দু'টি বালিকা দফ (ঢোলক) বাজাচ্ছিল। এতদ্দর্শনে আবূ বকর (রা) বালিকাদ্বয়কে ধমক দিলে রাসূল (ﷺ) বললেন, হে আবু বকর। তুমি আমাদেরকে আমাদের অবস্থায় ছেড়ে দাও। কেননা, প্রত্যেক জাতির রয়েছে ঈদ বা উৎসব দিন, আর আজকের দিন আমাদের ঈদের দিন।
দ্বিতীয় সনদে আয়েশা (রা) হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদের কাছে ঈদ দিবসে আবু বকর (রা) প্রবেশ করলেন। তখন আমাদের নিকটে দু'টি বালিকা 'বুয়াছ যুদ্ধ' নিয়ে গান গাচ্ছিল, সে যুদ্ধে আউস ও খাজরাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ নিহত হয়েছিল। আবূ বকর (রা) তখন বললেন, হে আল্লাহর বান্দাগণ, শয়তানের বাদ্য-বাজনায় রত রয়েছেন। হে আল্লাহর বান্দাগণ, শয়তানের বাদ্য-বাজনায় রত রয়েছেন!! হে আল্লাহর বান্দাগণ, শয়তানের বাদ্য-বাজনায় রত রয়েছেন!!! এ বাক্যগুলো তিনি তিনবার বললেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, হে আবূ বকর। প্রত্যেক জাতির জন্য ঈদ বা উৎসব পালনের দিন রয়েছে। আর আজ হচ্ছে আমাদের ঈদের দিন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(10) باب الضرب بالدف واللعب يوم العيد
(1673) عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضى الله عنها أنَّ أبا بكرٍ دخل عليها ورسول الله (صلى الله عليه وسلم) عندها يوم فطرٍ أو أضحى وعندها جاريتان تضربان بدفَّين فانتهرهما أبو بكرٍ رضى الله عنه فقال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) دعنا يا أبا بكرٍ، إنَّ لكلِّ قومٍ عيدًا، وإنَّ عيدنا هذا اليوم (وعنها من طريقٍ ثانٍ) (1) قال دخل علينا أبو بكرٍ فى يوم عيدٍ وعندنا جاريتان تذكران يوم بعاث (2) يومٌ قتل فيه صناديد الأوس والخزرج، فقال أبو بكرٍ عباد اله أمزمور الشَّيطان؟ عباد الله أمزمور (3) الشيَّطان؟ عباد الله أمزمور الشَّيطان؟ قالها ثلاثًا: فقال رسول الله (صلى الله عليه وسلم يا أبا بكرٍ إنَّ لكلِّ قومٍ عيدًا، وإنَّ اليوم عيدنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দশ) ঈদের দিবসে দফ বাজানো এবং খেলাধুলা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১৬৭০) হাম্মাদ ইবনে সালামাহ (রা) আবু হোসাইন থেকে বর্ণনা করে বলেন, মদীনাবাসীদের বছরে একটি দিবস ছিল, যে দিবসে তাঁরা খেলা ধুলা (আনন্দ-উৎসব) করত। আমি রুবাইয়ী' বিনতে মুয়ায ইবনে আফরা' (রা)-এর কক্ষে প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমার কাছে আগমন করে আমার এ বিছানায় উপবিষ্ট হলেন। তখন আমার নিকটে দু'টি বালিকা আমাদের মৃত পিতৃ পুরুষদের মধ্যে যারা বদর দিবসে শাহাদাতবরণ করেছিল তাঁদের গুণগান করে শোকের গান গাচ্ছিল এবং দফ বাজাচ্ছিল। বালিকা দুটি তাদের গানের মধ্যে বলল, "আমাদের মাঝে এমন এক নবী আছেন, যিনি আগামী দিনে (ভবিষ্যতে) কি হবে তা জানেন।" রাসূল (ﷺ) তাদেরকে বললেন, এই কথা তোমরা বলো না।
(সহীহুল বুখারী, সুনানে ইবনে মাজাহ, মু'জামে তবারানী।)
كتاب الصلاة
(10) باب الضرب بالدف واللعب يوم العيد
(1674) عن حمَّاد بن سلمة عن أبى حسين قال كان يومٌ لأهل المدينة يلعبون فدخلت على الربيِّع (1) بنت معوِّذ بن عفراء رضى الله عنها، فقالت دخل علىَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) (2) فقعد على موضع فراشى هذا وعندى جاريتان تندبان آبائى (3) الَّذين قتلوا يوم بدرٍ تضربان بالدُّفوف، وقال عفَّان مرَّةً بالدُّف (4) فقالتا فيما تقولان* وفينا نبيٌّ يعلم ما يكون فى غدٍ * فقال أمَّا هذا فلا تقولاه (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দশ) ঈদের দিবসে দফ বাজানো এবং খেলাধুলা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১৬৭১) 'আমির (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কায়েস ইবনে সা'দ ইবনে উবাদা (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে যা কিছু ছিল, তা সবই আমি পরের যুগেও দেখেছি, শুধুমাত্র একটি বিষয় ছাড়া তা হলো, ঈদুল ফিতর-এর দিনে রাসূল (ﷺ)-এর কাছে দফ-তবলা বাজিয়ে গান-বাদ্য বা খেলাধুলা করা হত।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, বূসীরী বলেন, হাদীসটির সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(10) باب الضرب بالدف واللعب يوم العيد
(1675) عن جابرٍ عن عامرٍ أنَّ قيس بن سعد بن عبادة رضي الله عنهما قال ما من شيءٍ كان على عهد رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إلاَّ وقد رأيته إلاَّ شيئًا واحدًا أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) كان يقلَّس له (1) يوم الفطر، قال جابر هو اللَّعب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (এগার) তাশরীকের দিবসসমূহ যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ এবং দু'ঈদের দিবসে আল্লাহর যিকির করা, তাঁর আনুগত্য-ইবাদত এবং তাকবীর বলার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদ
(১৬৭২) 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, এমন কোন দিবস নেই যে দিবসের নেক আমল যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের নেক আমল থেকে উত্তম। বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহর পথে জিহাদ করাও কি এ দশ দিনের নেক আমল থেকে উত্তম নয়। রাসুল(ﷺ) বললেন, না। আল্লাহর পথে জিহাদ করাও এ থেকে উত্তম নয়। তবে যদি এমন হয় যে, কোন ব্যক্তি যদি তার জীবন ও সম্পদ নিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতে বের হল, পরে সে বাক্তি জিহাদ থেকে উভয়ের (জান ও মালের) কিছুই ফেরত আনলো না (বরং শাহাদাৎ বরণ করল) তাহলে এ কাজটি আল্লাহর চোখে উত্তম হতে পারে।
(সহীহুল বুখারী, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(11) باب الحث على الذكر والطاعة والتكبير للعيدين وفى أيام العشر وأيام التشريق
(1676) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) ما من أيامٍ العمل الصَّالح فيها أحبُّ إلى الله عزَّ وجلَّ من هذه الأيَّام يعنى أيَّام العشر (1) قال قالوا يا رسول الله ولا الجهاد فى سبيل الله؟ (2) قال ولا الجهاد فى سبيل الله إلاَّ رجلٌ (3) خرج بنفسه وماله، ثمَّ لم يرجع من ذلك بشيءٍ (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (এগার) তাশরীকের দিবসসমূহ যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ এবং দু'ঈদের দিবসে আল্লাহর যিকির করা, তাঁর আনুগত্য-ইবাদত এবং তাকবীর বলার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদ
(১৬৭৩) আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল 'আস (রা) নবী করীম (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(এ সনদে ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কেহ বর্ণনা বা সংকলন করেন নি। তবে হাদীসটির সনদটি উত্তম।)
كتاب الصلاة
(11) باب الحث على الذكر والطاعة والتكبير للعيدين وفى أيام العشر وأيام التشريق
(1677) وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (এগার) তাশরীকের দিবসসমূহ যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ এবং দু'ঈদের দিবসে আল্লাহর যিকির করা, তাঁর আনুগত্য-ইবাদত এবং তাকবীর বলার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদ
(১৬৭৪) 'আব্দুল্লাহ্ ইবনে 'উমর (রা) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করে বলেন, তিনি (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহর কাছে যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকের দিবসসমূহের আমল হতে মহত্তর ও প্রিয়তর আমল ইবাদত আর নেই। এজন্য তোমরা এসব দিবসে বেশী বেশী তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ* করবে।
(বায়হাকীর শু'আবুল ঈমান, তবারানীর মু'জামুল কবীর। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
*(তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ হচ্ছে যথাক্রমে-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও আল-হামদুল্লিাহ বলা।)
كتاب الصلاة
(11) باب الحث على الذكر والطاعة والتكبير للعيدين وفى أيام العشر وأيام التشريق
(1678) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) قال ما من أيَّامٍ أعظم عند الله ولا أحبُّ إليه من العمل فيهنَّ من هذه الأيَّام العشر، فأكثروا فيهنَّ من التَّهليل والتَّكبير والتَّحميد (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (এগার) তাশরীকের দিবসসমূহ যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ এবং দু'ঈদের দিবসে আল্লাহর যিকির করা, তাঁর আনুগত্য-ইবাদত এবং তাকবীর বলার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদ
(১৬৭৫) আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ঈদুল আযহার পরবর্তী তিনদিন (তাশরীক দিবসসমূহ) হচ্ছে খাদ্য-খাবার গ্রহণ ও মহান আল্লাহকে স্মরণ করার দিন। অন্যত্র তিনি বলেন, এসব দিবস হচ্ছে পানাহারের দিবস।
(সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(11) باب الحث على الذكر والطاعة والتكبير للعيدين وفى أيام العشر وأيام التشريق
(1679) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) أيَّام التَّشريق (2) أيَّام طعمٍ (3) وذكر الله تعالى، وقال مرَّة أيَّام أكلٍ وشربٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (এগার) তাশরীকের দিবসসমূহ যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ এবং দু'ঈদের দিবসে আল্লাহর যিকির করা, তাঁর আনুগত্য-ইবাদত এবং তাকবীর বলার ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের প্রাসঙ্গিক পরিচ্ছেদ
(১৬৭৬) নুবাইশা আল-হুযালী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তাশরীক দিবসসমূহ (ঈদুল আযহার পরবর্তী তিনদিন) হচ্ছে পানাহার ও আল্লাহর যিকর-এর জন্য নির্ধারিত দিবস।
(সহীহ মুসলিম, সুনান আন-নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(11) باب الحث على الذكر والطاعة والتكبير للعيدين وفى أيام العشر وأيام التشريق
(1680) عن نبيشة الهذلىَّ رضي الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) أيَّأم التَّشريق أيَّام أكل وشربٍ وذكر الله عزَّ وجلَّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৭৭) যিয়াদ ইবনে ইলাকাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল-মুগীরাহ ইবনে শু'বা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ)-এর যুগে তাঁর পুত্র ইব্রাহীম যেদিন মারা যান সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। মানুষেরা বলাবলি করতে লাগল সূর্যগ্রহণ লেগেছে (মুহাম্মদ (ﷺ)-এর পুত্র) ইব্রাহীমের মৃত্যুর কারণে। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, নিশ্চয়ই চন্দ্র-সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহ হতে দু'টি নিদর্শন মাত্র। কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ হয় না। যখন তোমরা চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ লাগতে দেখবে, তখন চন্দ্র বা সূর্য এ থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর কাছে দু'আ এবং সালাত আদায় করবে।
(সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1681) عن زياد بن علاقة قال سمعت المغيرة بن شعبة رضي الله عنه يقول انكسفت الشَّمس على عهد رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يوم مات إبراهيم (1) فقال النَّاس انكسفت لموت إبراهيم، فقال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إنَّ الشَّمس والقمر آيتان من آيات الله (1) لا ينكسفان لموت أحدٍ (2) ولا لحياته (3) فإذا رأيتموه (1) فادعوا الله وصلُّوا (2) حتَّى تنكشف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৭৮) জাবির ইবনে 'আব্দুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা যখন চন্দ্র কিংবা সূর্য গ্রহণ অথবা এদু'টির যে কোন একটি দেখতে পাবে, তখন সালাত আদায় করতে থাকবে যতক্ষণ না চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ শেষ না হবে।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে সংকলন করা হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1682) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال سمعت النَّبيَّ صلَّى الله عليه وسلَّم يقول إنَّ الشَّمس والقمر إذا خسفا أو أحدهما، فإذا رأيتم ذلك فصلُّوا حتَّى ينجلي خسوف أيِّهما خسف (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৭৯) 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'উমার (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কারো জন্ম লাভ বা মৃত্যু ঘটার কারণে চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ লাগে না, বরং চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ হচ্ছে আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন মাত্র। অতএব, তোমরা যখন চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ লাগতে দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1683) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن رسول الله (صلى الله عليه وسلم) قال إنَّ الشَّمس والقمر لا يخسفان (4) لموت أحدٍ ولا لحياته ولكنَّهما آيةٌ من آيات الله تبارك وتعالى، فإذا رأيتموهما فصلُّوا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৮০) 'আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর যুগে (চন্দ্র-সূর্য গ্রহণ বা এ জাতীয়) আল্লাহর কোন নিদর্শনকে বরকতময় বলে মনে করতাম, অথচ তোমরা এখন আল্লাহর এসব নিদর্শনকে ভয়-ভীতির কারণ মনে করে থাক।
(ইমাম আহমদ ব্যাতিরেকে এ হাদীসখানি অন্য কেউ সংকলন করেন নি। এর সনদটি উত্তম বা গ্রহণযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1684) عن عبد الله (بن مسعودٍ رضى الله عنه) قال كنَّا نرى الآيات في زمان النَّبيِّ صلَّى الله عليه وسلَّم بركاتٍ (1) وأنتم ترونها تخويفًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৮১) আবু মাস'উদ আল-বদরী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয়ই চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ কারো মৃত্যুর কারণে ঘটে না। (বর্ণনাকারীদের কেউ "কারো জন্ম লাভের কারণে" বাক্যটি বৃদ্ধি করে বর্ণনা করেছেন।) বরং চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ আল্লাহর নিদর্শনসমূহ থেকে দু'টি নিদর্শন মাত্র। অতএব, যখন তোমরা চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ লাগতে দেখবে তখন সালাত আদায় করবে।
(সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1685) عن أبى مسعود البدريِّ رضى الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إنَّ الشَّمس والقمر لا ينكسفان لموت أحدٍ، قال يزيد (أحد الرواة) ولا لحياته ولكنَّهما آيتان من آيات الله تعالى، فإذا رأيتموهما فصلُّوا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৮২) আব্দুল্লাহ্ ইবনে 'আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে একদা সূর্যগ্রহণ লেগেছিল তখন الصلاة جامعة "সালাতের জামাত কায়েম হতে যাচ্ছে" বলে সালাত আদায়ের নিমিত্তে ডাকা হয়েছিল। রাসুল (ﷺ) দু'রুকুতে এক রাক'আত সালাত আদায় করলেন। পরে দ্বিতীয় রাক'আতেও দু'টি রুকু আদায় করলেন। এভাবে যখন সালাত আদায় শেষ করলেন, তখন সূর্যগ্রহণ শেষ হয়ে গিয়েছিল। আয়েশা (রা) বলেন, আমি কখনোই এত দীর্ঘ রুকু বা এত দীর্ঘ সিজদাহ করি নি।
(সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1686) عن عبد الله بن عمرو بن العاص أنَّه قال كسفت الشَّمس على عهد رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فنودي بالصَّلاة جامعةً (2) فركع رسول الله (صلى الله عليه وسلم) ركعتين فى سجدةٍ ثم قام فركع ركعتين فى سجدةٍ (3) ثمَّ جلِّي عن الشَّمس (4) قال قلت عائشة ما سجدت سجودًا قطُّ ولا ركعت ركوعًا قطُّ (1) أطول منه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সালাত শরীয়াহ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়া এবং এসব সালাতে আহ্বান করার পদ্ধতি
(১৬৮৩) আয়েশা (রা)-এর মুক্তদাস আবু হাফসা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আয়েশা (রা) তাঁকে বলেছেন যে, রাসুল (ﷺ)-এর আমলে যখন সূর্যগ্রহণ লেগেছিল তখন তিনি ওযু করে পবিত্র হলেন এবং তাঁর নির্দেশ অনুসারে الصلاة جامعة "সালাতের জামাত কায়েম হতে যাচ্ছে” একথা বলে সালাতের জন্য ডাকা হলো। সালাতে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন। আয়েশা (রা) বলেন, আমার মনে হচ্ছে, তিনি যেন প্রথম রাকাআতে সূরা আল-বাকারা সম্পূর্ণ তিলাওয়াত করলেন, অতঃপর রুকু করলেন এবং রুকু দীর্ঘায়িত করলেন। এরপর সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ বললেন। অতঃপর আগের বারের মত দীর্ঘ সময় দাঁড়ালেন এবং সিজদা করলেন না। তারপর তিনি রুকু করলেন ও সিজদা করলেন, অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং পূর্বের রাক'আতে যেরূপ করেছিলেন সেরূপ করলেন। অতঃপর তিনি এক রাক'আতে দুইটি রুকু করে সিজদা করলেন। অতঃপর তিনি বসলেন এবং সূর্যগ্রহণ কেটে গেল।
(সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান-আল বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الكسوف

(1) باب مشروعية الصلاة لها وكيف ينادى بها
(1687) عن أبى حفصة مولى عائشة أنَّ عائشة رضى الله عنها أخبرته أنَّه لمَّا كسفت الشَّمس على عهد رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم توضَّأ وأمر فنودي أن الصَّلاة جامعةً (2) فقام فأطال القيام فى صلاته، قالت فأحسبه قرأ سورة البقرة (3) ثمَّ ركع فأطال الرُّكوع ثمَّ قال سمع الله لمن حمده ثمَّ قام مثل ما قام ولم يسجد ثمَّ ركع فسجد (4) ثمَّ قام فصنع مثل ما صنع ثمَّ ركع ركعتين فى سجدةٍ ثمَّ جلس وجلِّى عن الشَّمس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) সালাতুল কুসুফে কিরাআত এবং এ কিরাআত গোপনে না সশব্দে পঠিত হবে এ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৮৪) 'আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সূর্যগ্রহণের সালাত (সালাতুল কুসুফে) অন্য বর্ণনায় চন্দ্র গ্রহণের সালাত (সালাতুল খুসুফ) আদায় করেছিলাম, কিন্তু এ সালাতে রাসূল (ﷺ) থেকে কুরআনের একটি হরফও শ্রবণ করি নি।
(মুসনাদে ইমাম আশ শাফেয়ী, মুসনাদে আবু ইয়ালা, সুনান আল-বাইহাকী। হাদীসের সনদে ইবনে লাহিয়া রয়েছেন যার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। হাদীসখানি ইমাম তবারানীও তাঁর গ্রন্থে অন্য সনদে ও ভিন্ন ভাষ্যে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب القراءة فى صلاة الكسوف وهل تكون سرًا أو جهرًا
(1688) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال صلَّيت مع رسول الله (صلى الله عليه وسلم) الكسوف (وفى لفظٍ صلاة الخسوف) فلم أسمع منها فيها حرفًا من القرآن (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) সালাতুল কুসুফে কিরাআত এবং এ কিরাআত গোপনে না সশব্দে পঠিত হবে এ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৮৫) সামুরাহ ইবনে জুনদুব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সূর্যগ্রহণের সালাত (সালাতুল কুসুফ)-এর বর্ণনা করে বলেন- রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে নিয়ে সূর্যগ্রহণের সালাতে সুদীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন (কিরাআত পাঠ করলেন) এত দীর্ঘ সময় তিনি আমাদেরকে নিয়ে কখনো কোন সালাতে দাঁড়ান নি। আমরা তাঁর কিরাআতের কোন শব্দ শুনি নি। অতঃপর আমাদের নিয়ে এত দীর্ঘ রুকু করলেন যে, আমাদেরকে নিয়ে এত দীর্ঘ রুকু তিনি কখনো করেন নি। তবে এ দীর্ঘ রুকুতে আমরা তাঁর কোন শব্দ শুনতে পাই নি। এরপর দ্বিতীয় রাকা'আতে অনুরূপ করলেন।
(সুনান চতুষ্ঠয় ও অন্যান্য। হাদীসটিকে ইবনে হিব্বান ও ইমাম হাকেম সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب القراءة فى صلاة الكسوف وهل تكون سرًا أو جهرًا
(1689) عن سمرة بن جندبٍ رضى الله عنه يصف صلاة رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فى الكسوف، قال فقام بنا كأطول ما قام بنا فى صلاةٍ قط لا نسمع له صوتًا، ثمَّ ركع كأطول ما ركع بنا فى صلاةٍ قطُّ لا نسمع له صوتًا، ثمَّ فعل فى الرَّكعة الثَّانية مثل ذلك
tahqiq

তাহকীক: