মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১৬৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (পাঁচ) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবীর ও এগুলোর স্থান বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(১৬৪৬) 'আমর ইবনে শুয়াইব (রা) তাঁর পিতা থেকে তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ) ঈদের সালাতে ১২ (বার)টি তাকবীর বলতেন, প্রথম রাকাআতে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে পাঁচ তাকবীর এবং ঈদের সালাতের পূর্বে বা পরে অন্য কোন সালাত আদায় করতেন না।
(সুনানে আবু দাউদ, সুনানে দারাকুতনী, সুনান আল-বাইহাকী।)
(সুনানে আবু দাউদ, সুনানে দারাকুতনী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(5) باب عدد التكبيرات فى صلاة العيد ومحلها
(1650) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه أنَّ النَّبيَّ (صلى الله عليه وسلم) كبَّر في عيد ثنتى عشرة تكبيرةً، سبعًا فى الأولى، وخمسًا فى الآخرة (1) ولم يصلِّ قبلها ولا بعدها، قال أبى (2) وأنا أذهب إلى هذا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (পাঁচ) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবীর ও এগুলোর স্থান বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(১৬৪৭) আবূ হুরায়রা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, দু'ঈদের সালাতের প্রথম রাকাআতে কিরআত (কুরআন পাঠ)-এর পূর্বে ৭ (সাত) টি তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে কিরআত-এর পরে ৫ (পাঁচ)টি তাকবীর রয়েছে।
(হাদীসখানি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কেউই বর্ণনা করেন নি। হাদীসের সনদে অন্যতম বর্ণনাকারী ইবনে লাহীয়াকে হাদীসবেত্তাগণ দুর্বল বলেছেন।)
(হাদীসখানি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কেউই বর্ণনা করেন নি। হাদীসের সনদে অন্যতম বর্ণনাকারী ইবনে লাহীয়াকে হাদীসবেত্তাগণ দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(5) باب عدد التكبيرات فى صلاة العيد ومحلها
(1651) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) التَّكبير فى العيدين سبعًا قبل القراءة (3) وخمسًا بعد القراءة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (পাঁচ) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবীর ও এগুলোর স্থান বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(১৬৪৮) 'আয়েশা সিদ্দীকা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) দু'ঈদের সালাতে রুকুর দুইটি তাকবীর ছাড়া প্রথম রাকা'আতে ৭ (সাত) টি এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে ৫ (পাঁচ)টি অতিরিক্ত তাকবীর বলতেন।
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আল-বাইহাকী। ইমাম তিরমিযী তাঁর কিতাবুল ইলালে উল্লেখ করেছেন যে ইমাম বুখারী এ হাদীসখানিকে দুর্বল বলেছেন।)
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আল-বাইহাকী। ইমাম তিরমিযী তাঁর কিতাবুল ইলালে উল্লেখ করেছেন যে ইমাম বুখারী এ হাদীসখানিকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(5) باب عدد التكبيرات فى صلاة العيد ومحلها
(1652) عن عائشة رضى الله عنها أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) كان يكبِّر فى العيدين سبعًا فى الرَّكعة الأولى، وخمسًا فى الآخرة سوى تكبيرتي الرُّكوع
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (পাঁচ) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবীর ও এগুলোর স্থান বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(১৬৪৯) তাবেয়ী মাকহুল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রা)-এর বন্ধু শাগরেদ আবূ আয়েশা (রা) আমাকে বলেন, সাঈদ ইবনুল 'আস (রা) আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) ও হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা)-কে আহবান করে তাদের কাছে জানতে চাইলেন যে, রাসুল (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাতে কীভাবে অতিরিক্ত তাকরীর বলতেন। তাঁর উত্তরে আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) বললেন, রাসুল (ﷺ) জানাযার তাকবীরের মত দু'ঈদের সালাতে চার বার তাকবীর বলতেন, আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা)-এর এ বক্তব্যকে হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) সমর্থন করলেন অতঃপর আবু আয়েশা (রা) বলেন, আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা)-এর কথা "জানাযার তাকবীরের মত" আমি কখনো ভুলে যাই নি, হাদীস বর্ণনাকারী মাকহুল বলেন, আবু আয়েশা (রা) সাঈদ ইবনুল আস (রা)-এর বক্তব্য প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন।
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আল-বাইহাকী। হাদীসটির বর্ণনাকারী আব্দুর রহমান সাবিত ইবনে সাওবানকে কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন, কেউ গ্রহণযোগ্য বলেছেন।)
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আল-বাইহাকী। হাদীসটির বর্ণনাকারী আব্দুর রহমান সাবিত ইবনে সাওবানকে কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন, কেউ গ্রহণযোগ্য বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(5) باب عدد التكبيرات فى صلاة العيد ومحلها
(1653) عن مكحولٍ قال حدَّثني أبو عائشة (4) وكان جليسًا لأبي هريرة رضي الله عنه أنَّ سعيد بن العاص (1) دعا أبا موسى الأشعريَّ وحذيفة ابن اليمان رضي الله عنهم فقال كيف كان رسول الله صلَّى الله تعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يكبِّر فى الفطر والأضحى؟ فقال أبو موسى كان يكبِّر أربع تكبيراتٍ، تكبيره على الجنائز (2) وصدَّقه حذيفة، فقال أبو عائشة فما نسيت بعد قوله تكبيره على الجنائز (3) وأبو عائشة حاضرٌ سعيد بن العاص
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (পাঁচ) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবীর ও এগুলোর স্থান বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(১৬৫০) ইব্রাহীম ইবনে 'আবদুল্লাহ্ ইবনে ফারুক (রা) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি উসমান (রা)-এর পিছনে ঈদের সালাত আদায় করেছি। তিনি ঈদের সালাতের প্রথম রাকা'আতে ৭ (সাত)টি তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ (পাঁচ)টি তাকবীর বলেছেন।
(হাদীসথানি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের পুত্র আব্দুল্লাহ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। মুসনাদ ছাড়া অন্য কোথাও হাদীসখানি সংকলিত হয় নি। তবে হাদীসের সনদ উত্তম।)
(হাদীসথানি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের পুত্র আব্দুল্লাহ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। মুসনাদ ছাড়া অন্য কোথাও হাদীসখানি সংকলিত হয় নি। তবে হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب عدد التكبيرات فى صلاة العيد ومحلها
(1654) ز عن إبراهيم بن عبد الله بن فروخ عن أبيه قال صلَّيت خلف عثمان رضى الله عنه العيد فكبَّر سبعًا وخمسًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) ঈদের সালাতে কিরআত পাঠ করার পরিচ্ছেদ
(১৬৫১) সামুরাহ ইবনে জুনদুব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) দু'ঈদের সালাতের প্রথম রাকআতে সূরা আল'আলা এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে সূরা আল-গাশিয়াহ পাঠ করতেন।
(আহমদ ও তবারানী। হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য।)
(আহমদ ও তবারানী। হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما يقرأ به فى العيدين
(1655) عن سمرة بن جندبٍ رضي الله عنه أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) كان يقرأ فى العيدين بسبِّح اسم ربك الأعلى وهل أتاك حديث الغاشية عنه سأل أبا واقدٍ اللَّيثيَّ رضي الله عنه بم كان رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يقرأ فى العيد؟ (1) (وفى روايةٍ فى العيدين) قال كان يقرأ بق واقتربت
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) ঈদের সালাতে কিরআত পাঠ করার পরিচ্ছেদ
(১৬৫২) 'উবাইদুল্লাহ্ ইবনে 'আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রা) আবু ওয়াকিদ আল-লাইসী (রা)-কে রাসূল (ﷺ) ঈদের সালাতে (অন্য বর্ণনায় দুই ঈদের সালাতে) কোন কোন কিরাআত পাঠ করতেন তা জিজ্ঞাসা করলেন। আবু ওয়াকিদ বললেন, রাসুল (ﷺ) ঈদের সালাতের প্রথম রাকা'আতে সূরা ক্বফ এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে সূরা আল-ক্বামার (ইকতারাবাত) পাঠ করতেন।
(সুনানে আরবায়া, সহীহ মুসলিম, সুনান আল-বাইহাকী, সুনানে দারে কুতনী।)
(সুনানে আরবায়া, সহীহ মুসলিম, সুনান আল-বাইহাকী, সুনানে দারে কুতনী।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما يقرأ به فى العيدين
(1656) عن عبيد الله بن عبد الله (1) أنَّ عمر بن الخطَّاب رضي الله عنه سأل أبا واقدٍ اللَّيثيَّ رضي الله عنه بم كان رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يقرأ فى العيد؟ (1) (وفى روايةٍ فى العيدين) قال كان يقرأ بق واقتربت
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) ঈদের সালাতে কিরআত পাঠ করার পরিচ্ছেদ
(১৬৫৩) নু'মান ইবনে বশীর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) দু'ঈদের সালাতে সূরাহ আল-আ'লা ও সূরাহ আল-গাশিয়াহ পাঠ করতেন। যদি কখনো জুমু'আ দিবসে ঈদ হতো তাহলে তিনি জুমু'আতেও উক্ত সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে) কখনো যদি জুমু'আ এবং ঈদ একই দিবসে হয়ে যেত, তাহলে তিনি জুমু'আ এবং ঈদের সালাত উভয় ক্ষেত্রেই উক্ত সূরাদ্বয় পাঠ করতেন।
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ, সুনান আল-বাইহাকী।)
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما يقرأ به فى العيدين
(1657) عن النُّعمان بن بشيرٍ رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قرأ فى العيدين بسبِّح اسم ربِّك الأعلى وهل أتاك حديث الغاشية، وإن وافق يوم الجمعة قرأ بهما جميعًا (وفى روايةٍ) فربَّما اجتمع العيد والجمعة فقرأ بهاتين السُّورتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) ঈদের সালাতে কিরআত পাঠ করার পরিচ্ছেদ
(১৬৫৪) 'আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (ﷺ) দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় করলেন। এ দু'রাকাতে সূরা আল-ফাতিহা (আলহামদু সূরা) ব্যতিরেকে অতিরিক্ত কিছুই পাঠ করেন নি।
(হাদীসটি আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় নি। সনদের একজন রাবি বিতর্কিত।)
(হাদীসটি আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় নি। সনদের একজন রাবি বিতর্কিত।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما يقرأ به فى العيدين
(1658) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال صلَّى رسول الله (صلى الله عليه وسلم) العيد ركعتين لا يقرأ فيهما إلاَّ بأمِّ الكتاب (1) لم يزد عليها شيئًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৫) জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ্ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি আযান ও ইকামত ছাড়া খুৎবার পূর্বেই ঈদের সালাত আদায় করলেন। সালাত সমাপ্ত করে তিনি বিলাল (রা)-এর গায়ে ভর করে দাঁড়ালেন। অতঃপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন। পরে তিনি ওয়াজ-নসীহত করলেন এবং তাঁদেরকে আল্লাহর আনুগত্যের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর বিলাল রা)-কে সাথে নিয়ে রাসূল (ﷺ) মহিলাদের নিকট গেলেন। তাঁদেরকে তিনি তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি)-এর ব্যাপারে আদেশ ও নসীহত করলেন, আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁদেরকেও আল্লাহর আনুগত্যের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর মহিলাদেরকে বললেন, তোমরা দান-সাদকাহ কর। কেননা তোমাদের অধিকাংশই হবে সম্যানের ইন্ধন। এতদশ্রবণে সাধারণ মহিলাদের মধ্য থেকে বিবর্ণ চেহারার এক মহিলা রাসূল (ﷺ)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)। কেন মেয়েরা জাহান্নামের ইন্ধন হবে? রাসুল (ﷺ) বললেন, কেননা তোমরা অভিযোগ আপত্তিতে আধিকা ও বাড়াবাড়ি কর এবং সাথীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ হও। তখন উপস্থিত মহিলারা তাদের গহনাপত্র, গলার হার, কানের বাল্য ও হাতের আংটিসমূহ খুলতে লাগলেন এবং এগুলো সাদকাহ হিসাবে বিলাল (রা)-এর কাছে একটি কাপড়ের উপর নিক্ষেপ করতে লাগলেন।
(সহীহল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
(সহীহল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1659) عن جابر (بن عبد الله رضي الله عنهما) قال شهدت الصَّلاة مع النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فى يوم عيدٍ فبدأ بالصلاة قبل الخطبة بغير أذانٍ ولا إقامةٍ، فلمَّا قضى الصَّلاة قام متوكِّئًا على بلالٍ فحمد الله وأثنى عليه ووعظ النَّاس وذكَّرهم وحثَّهم على طاعته، ثمَّ مضى إلى النِّساء ومعه بلالٌ فأمرهنَّ بتقوى الله ووعظهنَّ وحمد الله وأثنى عليه وحثَّهنَّ على طاعته، ثمَّ قال تصدَّقن فإنَّ أكثر كنَّ حطب جهنَّم (2) فقالت امرأةٌ من سفلة النِّساء (3) سفعاء الخدين لم يا رسول الله؟ قال لأنَّكن تكثرن الشَّكاة (4) وتكفرن العشير، فجعلن ينزعن حليَّهن وقلائدهنَّ (5) وقرطتهنَّ وخواتيمهنَّ يقذفن به فى ثوب بلالٍ (1) يتصدَّقن به
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৬) 'আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (বা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, হে মহিলা সমাজ। তোমরা তোমাদের গহনাপত্র থেকে হলেও (দরিদ্রদের জন্য) দান-সাদকাহ কর, কেননা তোমাদের অধিকাংশই জাহান্নামী, এতদশ্রবণে একজন (যিনি সমাজের উচ্চস্তরের নন) সাধারণ মহিলা দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এর কারণ কি? রাসূল (ﷺ) বললেন, এর কারণ হচ্ছে, তোমরা বেশী বেশী অভিসম্পাত করে থাক এবং সাথীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ হও।
(হাদীসথানি ইমাম আহমদ ছাড়া আর কেউ সংকলন করেন নি। এর সনদ উত্তম।)
(হাদীসথানি ইমাম আহমদ ছাড়া আর কেউ সংকলন করেন নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1660) عن عبد الله (بن مسعودٍ رضى الله عنه) أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) قال تصدَّقن يا معشر النِّساء ولو من حليِّكنَّ فإنَّكنَّ أكثر أهل النَّار، فقامت امرأةٌ ليست من علية النِّساء (2) فقالت لم يا رسول الله؟ قال لأنَّكن تكثرن اللَّعن (3) وتكفرن العشير
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৭) আব্দুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ), আবু বকর (রা), উমর (রা), উসমান (রা)-এর সাথে ঈদুল ফিতরের সালাতে উপস্থিত হয়েছি, এদের সবাই খুৎবার পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করতেন এবং সালাত শেষে খুৎবা প্রদান করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল (ﷺ) ঈদের খুৎবাদানের স্থান থেকে অবতরণ করলেন। আমি যেন দেখছি তিনি তাঁর হাত দ্বারা পুরুষদেরকে বসাচ্ছেন এবং তাঁদের কাতার ফাঁক করে এক পর্যায়ে মহিলাদের কাছে উপস্থিত হলেন। এমতাবস্থায় তাঁর সাথে বিলাল (রা) ছিলেন। অতঃপর তিনি কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন-
{يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَى أَنْ لَا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا } [الممتحنة: 12]
অর্থাৎ, "হে নবী! মহিলাগণ যখন আপনার কাছে এ মর্মে বাইয়াত করতে আগমন করবে যে, তাঁরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না।"
এ আয়াত পাঠান্তে মহিলাদের উদ্দেশ্যে রাসুল (ﷺ) বললেন, তোমরা কি এর উপর আছ? মহিলাদের মধ্যে থেকে একজন মাত্র মহিলা রাসূল (ﷺ)-এর এই প্রশ্নের জওয়াব দিয়ে বলেন, হ্যাঁ। রাবী আল-হাসান ইবনে মুসলিম সাড়াদানকারিণী মহিলার পরিচয় জানতেন না। রাসুল (ﷺ) বললেন, তোমরা দান-সাদকাহ কর, বর্ণনাকারী বলেন, (বিলাল (রা) তাঁর কাপড় বিছিয়ে দিয়ে বললেন,) আমার মা-বাবা তোমাদের জন্য উৎসর্গীকৃত হোক, তোমরা দান-সাদকাহ কর। এতদশ্রবণে মহিলাগণ তাদের আংটি, তোড়া ইত্যাদি অলংকার বিলাল (রা)-এর বিছানো কাপড়ের উপর নিক্ষেপ করতে লাগলেন। রাসুল (ﷺ) বিলাল (রা)-কে দানকৃত দ্রব্যগুলি একত্রিত করার আদেশ দিলে তিনি সেগুলো একত্রিত করে চলে গেলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম।)
{يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَى أَنْ لَا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا } [الممتحنة: 12]
অর্থাৎ, "হে নবী! মহিলাগণ যখন আপনার কাছে এ মর্মে বাইয়াত করতে আগমন করবে যে, তাঁরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না।"
এ আয়াত পাঠান্তে মহিলাদের উদ্দেশ্যে রাসুল (ﷺ) বললেন, তোমরা কি এর উপর আছ? মহিলাদের মধ্যে থেকে একজন মাত্র মহিলা রাসূল (ﷺ)-এর এই প্রশ্নের জওয়াব দিয়ে বলেন, হ্যাঁ। রাবী আল-হাসান ইবনে মুসলিম সাড়াদানকারিণী মহিলার পরিচয় জানতেন না। রাসুল (ﷺ) বললেন, তোমরা দান-সাদকাহ কর, বর্ণনাকারী বলেন, (বিলাল (রা) তাঁর কাপড় বিছিয়ে দিয়ে বললেন,) আমার মা-বাবা তোমাদের জন্য উৎসর্গীকৃত হোক, তোমরা দান-সাদকাহ কর। এতদশ্রবণে মহিলাগণ তাদের আংটি, তোড়া ইত্যাদি অলংকার বিলাল (রা)-এর বিছানো কাপড়ের উপর নিক্ষেপ করতে লাগলেন। রাসুল (ﷺ) বিলাল (রা)-কে দানকৃত দ্রব্যগুলি একত্রিত করার আদেশ দিলে তিনি সেগুলো একত্রিত করে চলে গেলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1661) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال شهدت الصَّلاة يوم الفطر مع النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) وأبى بكرٍ وعمر وعثمان فكلُّهم كان يصلِّيها قبل الخطبة ثمَّ يخطب بعد، قال فنزل (4) بنيُّ الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم كأنّي أنظر إليه حين يجلِّس (1) الرِّجال بيده ثم أقبل يشقُّهم حتَّى جاء النِّساء ومعه بلالٌ فقال (يا أيُّها النَّبيُّ إذا جاءك المؤمنات يبايعنك على أن لا يشركن بالله شيئًا فتلا هذه الآية حتَّى فرغ منها، ثمَّ قال حين فرغ منها أنتنَّ على ذلك؟ فقالت امرأةٌ واحدةٌ لم يجبه غيرها منهنَّ نعم يا نبيَّ الله، لا يدرى حسنٌ (2) من هي: قال فتصدَّقن، قال فبسط بلالٌ ثوبه ثمَّ قال هلمَّ (3) لكنَّ فداكنَّ أبى وأمِّى (4) فجعلن يلقين الفتخ والخواتم (5) فى ثوب بلالٍ، قال ابن بكر (1) الخواتيم (زاد في روايةٍ) ثمَّ أمر بلالاً فجمعه فى ثوبٍ حتَّى أمضاه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৮) 'আতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, রাসূল (ﷺ) ঈদগাহে পৌছে খুৎবার পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খুৎবা প্রদান করলেন। খুৎবা শেষ করে তিনি মহিলাদের কাছে গেলেন এবং বিলাল (রা)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে তাঁদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসীহত করলেন। এমতাবস্থায় বিলাল (রা) তাঁর কাপড়ের একটি অংশকে দান-সাদকাহ জমা করার জন্য বিছিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, মহিলারা তাঁদের হাতের আংটি ইত্যাদি বিলাল (রা)-এর কাপড়ে নিক্ষেপ করতে লাগলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1662) عن عطاء عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال سمعته يقول إنَّ النَّبىَّ (صلى الله عليه وسلم) قام يوم الفطر فبدأ بالصَّلاة قبل الخطبة ثمَّ خطب النَّاس، فلمَّا فرغ نبيُّ الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم نزل فأتى النِّساء فذكرهنَّ وهو يتوكَّأ على يد بلالٍ وبلالٌ باسطٌ ثوبه يلقين فيه النِّساء صدقةً، قال تلقى المرأة فتخها ويلقين (2) قال ابن بكرٍ (3) فتختها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৯) আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ঈদুল ফিতরে, (অন্য বর্ণনায় ঈদুল আযহাতে) বের হয়ে লোকদেরকে নিয়ে তাঁর ইমামতিতে দু'রাকা'আত ঈদের সালাত আদায় করতেন। অতঃপর মুসল্লিদের দিকে ফিরে দাঁড়াতেন। আর মুসল্লিরা তখন তাঁদের স্ব-স্ব স্থানে উপবিষ্ট থাকত। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তাঁর খুতবাতে বলতেন, তোমরা দান-সাদকাহ কর, দান-সাদকাহ কর, দান-সাদকাহ কর- এ বাক্যটি তিনবার বলতেন। বর্ণনাকারী বললেন, উপস্থিত জনমণ্ডলী থেকে মহিলারাই বেশী দান-সাদকাহ করতেন। তাঁদের এ সব দান-এর মধ্যে ছিল তাঁদের কানের দুল ও হাতের আংটিসহ অন্যান্য গহনাদি। যদি কোন দিকে কোন বিশেষ বাহিনী (ছারিয়া) প্রেরণের প্রয়োজন হত, তাহলে তা রাসূল (ﷺ) তাঁর খুৎবাতে উল্লেখ করতেন। আর যদি এ জাতীয় কোন প্রয়োজন না হত তাহলে তিনি ঈদগাহ থেকে ফিরে আসতেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি যদি কোথাও কোন বাহিনী প্রেরণের ইচ্ছা করতেন তাহলে খুৎবাতে সে ব্যাপারে আলোচনা করতেন, অন্যথায় তিনি আলোচনা শেষ করে দিতেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1663) عن أبى سعيدٍ الخدريّ رضى الله عنه قال كان النَّبيُّ (صلى الله عليه وسلم) يخرج يوم العيد فى الفطر "وفى روايةٍ والأضحى" فيصلِّى بالنَّاس تبنك الرَّكعتين (4) ثمَّ يتقدَّم فيستقبل النَّاس (5) وهم جلوسٌ فيقول تصدّقوا تصدَّقوا ثلاث مراتٍ (6) قال فكان أكثر ما يتصدَّق من النَّاس النِّساء بالقرط والخاتم والشَّيء، فإن كانت له حاجةٌ فى البعث ذكره (7) وإن لم يكن له انصرف (وفى روايةٍ) وإن كان يريد أن يضرب على النَّاس بعثًا ذكره وإلاَّ انصرف
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬০) তারিক ইবনে শিহাব হতে বর্ণিত, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) হতে বর্ণনা করে বলেন, মারওয়ান ইবনে হাকাম (মুয়াবিয়া (রা)-এর শাসনামলে মদীনার প্রশাসক থাকাকালে) ঈদ দিবসে খুৎবা দানের উদ্দেশ্যে মিম্বর বের করলেন। যদিও তাঁর পূর্বে ঈদগাহে মিম্বর স্থাপনের কোন নিয়ম ছিল না। অতঃপর তিনি ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বেই খুৎবা দেয়া শুরু করলেন। যদিও এভাবে পূর্বে সালাত আদায়ের আগে ঈদের খুৎবা দেয়া হত না।
বর্ণনাকারী বলেন, তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, হে মারওয়ান। আপনি সুন্নাহ-এর খেলাফ (উল্টো কাজ) করেছেন। আপনি ঈদ দিবসে (খুৎবার জন্য) মিম্বর বের করেছেন, অথচ ইতিপূর্বে এভাবে কেউই মিম্বর বের করতেন না এবং আপনি ঈদের সালাতের পূর্বেই ঈদের খুৎবা প্রদান করতেছেন, অথচ সালাতের পূর্বে এভাবে খুৎবা প্রদান করা হত না। বর্ণনাকারী বলেন- আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) বললেন, ইনি কে? তাঁরা বলল, অমুকের পুত্র অমুক। তখন আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা) বললেন, প্রতিবাদকারী ব্যক্তিটি তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। কেননা, আমি আল্লাহর রাসুল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যখন কোন অন্যায় কাজ দেখবে, তখন সে যদি তা তার হাত (ক্ষমতা) দিয়ে পরিবর্তন করতে পারে তাহলে তাই করবে। একবার বলেন, হাত দিয়ে যেন পরিবর্তন করে আর যদি সে হস্তক্ষেপে অক্ষম হয় তাহলে মুখ দিয়ে (করে) আর যদি এভাবেও সক্ষম না হয়, তাহলে অন্তর দিয়ে। আর এ হলো দুর্বলতম ঈমান।
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ, সুনান আল-বাইহাকী।)
বর্ণনাকারী বলেন, তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, হে মারওয়ান। আপনি সুন্নাহ-এর খেলাফ (উল্টো কাজ) করেছেন। আপনি ঈদ দিবসে (খুৎবার জন্য) মিম্বর বের করেছেন, অথচ ইতিপূর্বে এভাবে কেউই মিম্বর বের করতেন না এবং আপনি ঈদের সালাতের পূর্বেই ঈদের খুৎবা প্রদান করতেছেন, অথচ সালাতের পূর্বে এভাবে খুৎবা প্রদান করা হত না। বর্ণনাকারী বলেন- আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) বললেন, ইনি কে? তাঁরা বলল, অমুকের পুত্র অমুক। তখন আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা) বললেন, প্রতিবাদকারী ব্যক্তিটি তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। কেননা, আমি আল্লাহর রাসুল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যখন কোন অন্যায় কাজ দেখবে, তখন সে যদি তা তার হাত (ক্ষমতা) দিয়ে পরিবর্তন করতে পারে তাহলে তাই করবে। একবার বলেন, হাত দিয়ে যেন পরিবর্তন করে আর যদি সে হস্তক্ষেপে অক্ষম হয় তাহলে মুখ দিয়ে (করে) আর যদি এভাবেও সক্ষম না হয়, তাহলে অন্তর দিয়ে। আর এ হলো দুর্বলতম ঈমান।
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1664) عن طارق بن شهابٍ عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه قال أخرج مروان المنبر فى يوم عيدٍ (1) ولم يكن يخرج به، وبدأ بالخطبة قبل الصلاَّة ولم يكن يبدأ بها؛ قال فقام رجلٌ (2) فقال يا مروان خالفت السُّنَّة (3) أخرجت المنبر يوم عيدٍ ولم يك يخرج به فى يوم عيدٍ، وبدأت بالخطبة قبل الصَّلاة ولم يك يبدأ بها، قال فقال أبو سعيدٍ الخدريُّ من هذا؟ قالوا فلان بن فلانٍ (4) قال فقال أبو سعيدٍ أمّا هذا فقد قضى ما عليه (1) سمعت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يقول من رأى منكم منكرًا فإن استطاع أن يغيِّره بيده فليفعل، وقال مرَّةً فليغيِّره بيده، فإن لم يستطع بيده فبلسانه، فإن لم يستطع بلسانه فبقلبه (2) وذلك أضعف الإيمان (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬১) আল-বারা ইবনে 'আযিব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা ঈদুল আযহা দিবসে ঈদগাহে বসা ছিলাম, এমন সময় রাসূল (ﷺ) আমাদের মাঝে আগমন করে উপস্থিত সকলকে সালাম দিলেন এবং বললেন, অদ্যকার দিবসের সর্বপ্রথম ইবাদত হচ্ছে ঈদের সালাত আদায় করা। এ কথা বলে তিনি আগালেন এবং দু'রাকা'আত (ঈদের) সালাত আদায় করলেন, অতঃপর সালাম ফেরালেন। তারপর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন। তাঁকে একটি ধনুক অথবা লাঠি দেওয়া হলে তাতে তিনি ভর করে দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সমবেত মুসল্লীদেরকে (বিভিন্ন বিষয়ে) আদেশ-নিষেধ করলেন এবং বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে পশু জবাই করল, সে এ জবাই-এর দ্বারা কিছু পরিমাণ গোশত সংগ্রহ করল এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে খাওয়ালো (এ দ্বারা কুরবানী হলো না।) কুরবানীর পশু জবাই (একমাত্র) ঈদের সালাতের পরেই হবে।
বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমার মামা আবু বুরদাহ্ দাঁড়িয়ে বললেন, আমি আমার কুরবানীর ছাগীটিকে ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বেই তাড়াহুড়া করে জবাই করে ফেলেছি, যেন আমাদের জন্য খাদ্য তৈরি করা হয় এবং আমরা ঈদগাহ থেকে ফিরে একত্রে ভক্ষণ করতে পারি। তবে আমার কাছে অন্য একটি প্রায় এক বৎসর বয়সী ছাগল রয়েছে যা আমার জবেহকৃত ছাগীটির থেকে উত্তম। হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), এ ছাগলটি যদি আমি কুরবানী হিসাবে পুনরায় জবেহ করে দেই, তাহলে কি আমার কুরবানী হয়ে যাবে? রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। এটা কেবল তোমার জন্যই হবে। তোমার পরে আর কারো জন্য এ সুযোগ হবে না। বর্ণনাকারী বলেন- অতঃপর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বিলাল (রা)-কে ডেকে বললেন, হে বিলাল, আমার সাথে চল। তখন বিলাল (রা) চললেন, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে অনুসরণ করে গেলেন। এভাবে মহিলাদের কাছে পৌছে তিনি বললেন, হে মহিলাগণ। তোমরা দান-সাদকাহ্ কর। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে। বর্ণনাকারী বলেন, সে দিনের চেয়ে বেশী তোড়া, গলার হার ও কানের বালাসহ বিভিন্ন ধরনের গহনাপত্র একত্রে কখনো আর দেখি নি।
(সুনানে আবু দাউদে হাদীসখানি সংক্ষিপ্ত করে বর্ণিত আছে এবং মুজামে তবারানীতেও এ মর্মে সুদীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। ইবনুস সাকান হাদীসটি সহীহ (বিশুদ্ধ) বলে উল্লেখ করেছেন।)
বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমার মামা আবু বুরদাহ্ দাঁড়িয়ে বললেন, আমি আমার কুরবানীর ছাগীটিকে ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বেই তাড়াহুড়া করে জবাই করে ফেলেছি, যেন আমাদের জন্য খাদ্য তৈরি করা হয় এবং আমরা ঈদগাহ থেকে ফিরে একত্রে ভক্ষণ করতে পারি। তবে আমার কাছে অন্য একটি প্রায় এক বৎসর বয়সী ছাগল রয়েছে যা আমার জবেহকৃত ছাগীটির থেকে উত্তম। হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), এ ছাগলটি যদি আমি কুরবানী হিসাবে পুনরায় জবেহ করে দেই, তাহলে কি আমার কুরবানী হয়ে যাবে? রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। এটা কেবল তোমার জন্যই হবে। তোমার পরে আর কারো জন্য এ সুযোগ হবে না। বর্ণনাকারী বলেন- অতঃপর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বিলাল (রা)-কে ডেকে বললেন, হে বিলাল, আমার সাথে চল। তখন বিলাল (রা) চললেন, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে অনুসরণ করে গেলেন। এভাবে মহিলাদের কাছে পৌছে তিনি বললেন, হে মহিলাগণ। তোমরা দান-সাদকাহ্ কর। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে। বর্ণনাকারী বলেন, সে দিনের চেয়ে বেশী তোড়া, গলার হার ও কানের বালাসহ বিভিন্ন ধরনের গহনাপত্র একত্রে কখনো আর দেখি নি।
(সুনানে আবু দাউদে হাদীসখানি সংক্ষিপ্ত করে বর্ণিত আছে এবং মুজামে তবারানীতেও এ মর্মে সুদীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। ইবনুস সাকান হাদীসটি সহীহ (বিশুদ্ধ) বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1665) عن البراء بن عازبٍ رضى الله عنه قال كنَّا جلوسًا في المصلَّى يوم أضحى فأتانا رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فسلَّم على النَّاس ثمَّ قال إنَّ أوَّل نسك (1) يومكم هذا الصَّلاة؛ قال فتقدَّم فصلَّى ركعتين ثمَّ سلَّم، ثمَّ استقبل النَّاس بوجهه وأعطي قوسًا أو عصًا فاتََّكا عليه فحمد الله وأثنى عليه وأمرهم ونهاهم (2) وقال من كان منكم عجَّل ذبحًا (3) فإنَّما هى جزرةٌ (4) أطعمه أهله، إنَّما الذَّبح بعد الصَّلاة، فقام إليه خالى أبو بردة بن نيار فقال أنا عجَّلت ذبح شاتى يا رسول الله ليصنع لنا طعامٌ نجتمع عليه إذا رجعنا، وعندى جذعةٌ من معزٍ (5) هى أوفى من الَّذى ذبحت أفتغنى عنِّى يا رسول الله؟ قال نعم، ولن تعنى عن أحدٍ بعدك (6) قال ثمَّ قال يا بلال، قال فمشى واتَّبعه رسول الله (صلى الله عليه وسلم) حتَّى أتى النِّساء فقال يا معشر النِّسوان (7) تصدَّقن، الصَّدقة خيرٌ لكنَّ، قال فما رأيت يومًا قطٌ أكثر خدمة (8) مقطوعةً وقلادةً وقرطًا من ذلك اليوم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬২) আব্দুর রহমান ইবনে আযহার-এর আযাদকৃত দাস আবু 'উবাইদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দেখেছি, আলী (রা) ও উসমান (রা) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে সালাত আদায় করত; মানুষদেরকে উপদেশ দিতেন, তিনি বলেন, আমি আলী (রা) ও উসমান (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, তাঁরা বলেছেন, রাসূল (ﷺ) দু'ঈদের দিবসে (নফল) সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আলী (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূল (ﷺ) কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশী সময় রাখতে নিষেধ করেছেন। একই বর্ণনাকারী থেকে অন্য সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আলী (রা)-এর সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত হয়েছি। তিনি আযান ইকামত ছাড়াই খুৎবার পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুৎবা প্রদান করতে গিয়ে বলেন, হে মানবমণ্ডলী। নিশ্চয়ই রাসুল (ﷺ) কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশী সময় খেতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং, তোমরা তিন দিনের পরে তা খাবে না।
(ইমাম আহমদ ব্যতিরেকে হাদীসখানি অন্য কেহ সংকলন করেন নি। হাদীসটির সনদ হাসান।)
(ইমাম আহমদ ব্যতিরেকে হাদীসখানি অন্য কেহ সংকলন করেন নি। হাদীসটির সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1666) عن أبي عبيدٍ مولى عبد الرَّحمن بن أزهر قال رأيت عليًا وعثمان رضى الله عنهما يصلِّيان يوم الفطر والأضحى ثم ينصرفان يذكِّران النَّاس، قال وسمعتهما يقولان إنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) نهى عن صيام هذين اليومين (1) قال وسمعت عليًّا رضى الله عنه يقول نهى رسول الله (صلى الله عليه وسلم) أن يبقى من نسككم عندكم شيءٌ بعد ثلاثٍ (2) (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) قال ثمَّ شهدته مع علىٍ فصلَّى قبل أن يخطب بلا أذانٍ ولا إقامةٍ، ثمَّ خطب فقال يا أيُّها النَّاس إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قد نهى أن تأكلوا نسككم بعد ثلاث ليالٍ فلا تأكلوها بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (আট) ঈদের সালাত সম্পন্ন করে ইমামের মুসল্লীদের দিকে ফিরে দাঁড়ানো এবং এদের শুভেচ্ছা বিনিময় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৩) 'আব্দুর রহমান ইবনে 'উসমান আত্-তাঈমী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈদের সালাত আদায়ান্তে লোকজনের চলে যাবার পরেও রাসূল (ﷺ)-কে বাজারে দাঁড়িয়ে লোকজনকে পর্যবেক্ষণ করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
(8) باب وقوف الإمام للناس بعد انصرافهم من صلاة العيد والنظر اليهم وما جاء فى التهنئة بالعيد
(1667) عن عبد الرَّحمن بن عثمان التَّيميِّ رضى الله عنه قال رأيت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) قائمًا فى السُّوق يوم العيد ينظر والنَّاس يمرُّون
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (নয়) ঈদের সালাতের পূর্বে ও পরে (নফল) সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৪) আবূ বকর ইবনে হাফস 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'উমর (রা) হতে বর্ণনা করে বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ঈদের দিবসে ঈদগাহে বের হলেন, অথচ তিনি ঈদের সালাতের পূর্বে বা পরে কোন সালাত আদায় করেন নি এবং তিনি বললেন, রাসূল (ﷺ)-ও এরূপ করতেন। (অর্থাৎ, ঈদের দিবসে ঈদের সালাতের পূর্বে বা পরে অন্য কোন প্রকার (নফল) সালাত আদায় করতেন না।)
(সুনান আত-তিরমিযী, মুস্তাদরাকে হাকেম। ইমাম তিরমিযী হাদীসখানিকে হাসান সহীহ বলেছেন।)
(সুনান আত-তিরমিযী, মুস্তাদরাকে হাকেম। ইমাম তিরমিযী হাদীসখানিকে হাসান সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(9) باب الصلاة قبل العيد وبعدها
(1668) عن أبى بكر بن حفصٍ عن ابن عمر رضى الله عنهما أنَّه خرج يوم عيدٍ فلم يصلِّ قبلها ولا بعدها فذكر أنَّ النَّبيَّ (صلى الله عليه وسلم) فعله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (নয়) ঈদের সালাতের পূর্বে ও পরে (নফল) সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৬৫) আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহের জন্য বের হলেন, তিনি ঈদের সালাতের পূর্বে বা পরে কোন সালাত আদায় করলেন না। অতঃপর তিনি বিলাল (রা) সহ মহিলাদের কাছে গমন করলেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে বললেন, তোমরা দান-সাদকাহ কর। তখন মহিলারা তাদের আংটি চুরি, বালা ইত্যাদি দান-সাদকাহ -এর উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দিলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনান চতুষ্টয় এবং অন্যান্য গ্রন্থাদি।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনান চতুষ্টয় এবং অন্যান্য গ্রন্থাদি।)
كتاب الصلاة
(9) باب الصلاة قبل العيد وبعدها
(1669) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال خرج رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فى فطر لم يصلِّ قبلها ولا بعدها، ثمَّ أتى النِّساء ومعه بلالٌ فجعل يقول تصدَّقن، فجعلت المرأة تلقى خرصها وسخابها (1)
তাহকীক: