মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৬৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) ঈদগাহে মহিলাদের উপস্থিতির বৈধতার পরিচ্ছেদ
(১৬২৬) জাবির ইবনে আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি নিজে ঈদগাহে যেতেন এবং তাঁর পরিবার পরিজনদেরকেও নিয়ে যেতেন।
(হাইসামী বলেন, বর্ণিত সনদে আল হাজ্জাজ বিন আরতা-এর ব্যপারে সমালোচনা রয়েছে। যদিও হাদীস শাস্ত্রবিদ আবু হাতেম তাঁকে সালিহ (যোগ্য) বলেছেন। বাকী বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب مشروعية خروج النساء إلى العيدين
(1630) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم يخرج فى العيدين ويخرج أهله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) ঈদগাহে মহিলাদের উপস্থিতির বৈধতার পরিচ্ছেদ
(১৬২৭) আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) তাঁর কন্যা ও স্ত্রীগণকে ঈদগাহে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতেন।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, সনদে হাজ্জাজ রয়েছেন। হাদীসখানি ইমাম তবারানীও অন্য সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب مشروعية خروج النساء إلى العيدين
(1631) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم يأمر بناته ونساءه أن يخرجن فى العيدين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) ঈদগাহে মহিলাদের উপস্থিতির বৈধতার পরিচ্ছেদ
(১৬২৮) উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর জন্য যুবতী মেয়েরাও গৃহকোণ ছেড়ে ঈদগাহে যেতেন।
(হাইসামী বলেন, হাদীসটি আহমদ সংকলন করেছেন। হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সকলেই সহীহ বর্ণনাকারী।)
كتاب الصلاة
(2) باب مشروعية خروج النساء إلى العيدين
(1632) عن عائشة رضى الله عنها قالت قد كانت تخرج الكعاب (1) من خدرها (2) لرسول الله صلَّى الله تعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فى العيدين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) ঈদগাহে মহিলাদের উপস্থিতির বৈধতার পরিচ্ছেদ
(১৬২৯) 'আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা আল-আনসারী (রা)-এর বোন উমরাহ হতে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোমরে ফিতা বাঁধে এমন (প্রাপ্ত বয়স্কা) সব মহিলার ঈদগাহে যাওয়া আবশ্যক বা ওয়াজিব
(হাইসামী, মু'জাম আত-তবারানী। সনদের তাবিয়ী মহিলার নাম জানা যায় না। ইমাম নববী ও সুয়ূতী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب مشروعية خروج النساء إلى العيدين
(1633) عن أخت عبد الله بن رواحة (1) الأنصاريَّ رضى الله عنهما عن رسول الله (صلى الله عليه وسلم) أنَّه قال وجب (2) الخروج على كلِّ ذات نطاقٍ (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দুই) ঈদগাহে মহিলাদের উপস্থিতির বৈধতার পরিচ্ছেদ
(১৬৩০) উম্মে 'আতীয়া (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে -আমার পিতামাতা তাঁর জন্য উৎসর্গিত হউন- এ মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন আমাদের পর্দানশীন, অন্তঃপূরবাসী যুবতী মেয়ে ও ঋতুবতী মহিলাদেরকেও ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা দিবসে ঈদগাহে নিয়ে যাই। তবে ঋতুস্রাব চলছে এরূপ নারীরা ঈদগাহে গেলে তারা সাধারণ মুসল্লীদের থেকে একটু দূরে অবস্থান করে কল্যাণের কাজে অশংগ্রহণ করবে। অর্থাৎ, অন্যদের সাথে তাকবীর বলবে এবং দু'আয় শরীক হবে। বর্ণনাকারীণী বলেন, কেউ রাসূল (ﷺ)-কে বললেন, এমন সব নারীরা কি করবে যাদের বড় ওড়না বা বাইরে বেড়ানোর জরুরী পোশাক নেই। রাসূল (ﷺ) বললেন, এ অবস্থায় যে সব নারীদের অতিরিক্ত ওড়না বা চাদর রয়েছে, সে সব নারীরা তাদের বোনদেরকে ওড়না (জিলবাব) প্রদান করবে। (ধার হিসাবে হলেও যাতে তা পরিধান করে তারা অন্তত ঈদগাহে উপস্থিত হতে পারে)
(বুখারী, মুসলিম, সুনান আল-বাইহাকী, সুনান আদ-দারেমী, সুনান চতুষ্টয়।)
كتاب الصلاة
(2) باب مشروعية خروج النساء إلى العيدين
(1634) عن هشامٍ عن حفصة بنت سيرين عن أمِّ عطيَّة رضى الله عنها قالت أمرنا رسول الله (صلى الله عليه وسلم) بأبى وأمِّى أن نخرج العواتق (4) وذوات الخدور والحيَّض (1) يوم الفطر ويوم النَّحر، فأمَّا الحيَّض فيعتزلن المصلَّى (2) ويشهدن الخير ودعوة المسلمين، قال قيل أرأيت إحداهن لا يكون لها جلبابٌ (3) قال فلتلبسها أختها من جلبابها (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩১) আতা (র) আবদুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, তিনি বলেছেন, তোমাদের কারো পক্ষে যদি এটা সম্ভব হয় যে, তোমরা ঈদুল ফিতর দিবসে ঈদগাহে রওয়ানার পূর্বে কিছু খাবার গ্রহণ করতে পার, তাহলে কিছু খেয়ে নেবে। বর্ণনাকারী 'আতা (র) বলেন, আমি ইবনে 'আব্বাস (রা) থেকে এ বিষয়টি শোনার পর হতে কখনো ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার পূর্বে কিছু খাবার গ্রহণের বিষয়টি ছেড়ে দেই নি অর্থাৎ আমি এদিনে কিছু না খেয়ে ঈদগাহে যেতাম না। আমি রুটির টুকরা খেতাম অথবা দুধ বা পানি পান করতাম।
বর্ণনাকারী ইবনে জুরাইজ 'আতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'ঈদুল ফিতর দিবসে ঈদের মাঠে যাওয়ার পূর্বে কিছু খেতে হবে এর ভিত্তি কি? বিভিন্ন হাদীসের আলোকে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর-এর সালাত ঈদুল আযহা থেকে কিছু বিলম্বে আদায় করতেন। ঈদুল ফিতরের দিনে সালাতের আগে ফিতরা প্রদানের দায়িত্ব থাকে, এজনা একটু বিলম্ব করা উত্তম। অপরদিকে ঈদুল আযহার দিনে সালাতের পরে কুরবানীর দায়িত্ব থাকে, এজনা একটু আগে সালাত আদায় উত্তম। তিনি বলেন, আমার মনে হয় তিনি (ইবনে আব্বাস) তা রাসূল (ﷺ) থেকে শুনেছেন। তিনি বলেন, তাঁরা অনেক বেলা না হওয়া পর্যন্ত বের হতেন না। তাঁরা বলতেন, ঈদগাহে যাবার পূর্বে আমরা এজন্যই কিছু খাবার গ্রহণ করি যাতে ঈদের সালাতে আমাদের (ক্ষুধার কারণে) তাড়াহুড়া করতে না হয়।
(মু'জামে তবারানী, হাইসামী বলেন, হাদীসের সনদটি সহীহ।)
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1635) عن ابن جريحٍ أنبأنا عطاءٌ أنَّه سمع ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال إن استطعتم أن لا يغدو أحدكم يوم الفطر حتَّى يطعم فليفعل، قال فلم أدع أن آكل (1) قبل أن أغدو منذ سمعت ذلك من ابن عبَّاس فآكل من طرف الصَّريقة (2) الأكلة أو أشرب اللَّبن أو الماء، قلت فعلام يؤوَّل هذا؟ قال سمعه أظنٌّ عن النَّبى صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، قال كانوا لا يخرجون حتَّى يمتدَّ الضُّحى فيقولون نطعم لئلاَّ نعجل عن صلاتنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩২) আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদের সালাত আদায়ে গৃহ হতে বের হওয়ার পূর্বে কিছু খাবার খেতেন এবং ফজরের সালাত আদায়ের পর থেকে ঈদের সালাত আদায়ের পূর্ব পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে কোন নফল সালাত আদায় করতেন না। আর ঈদের সালাতের পরে দুই রাকা'আত (নফল সালাত) আদায় করতেন।
(মুসনাদে আবু ইয়ালা, বাজ্জার। একটু ভিন্নতর ভাষ্য ও বর্ণনায় হাদীসখানি তাবারানীতে বর্ণিত আছে। হাদীসখানির সনদের অন্যতম ব্যক্তি আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আকিলের ব্যাপারে কেহ কেহ সমালোচনা করেছেন। তবে অধিকাংশের মতে তিনি দোষমুক্ত ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।)
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1636) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يفطر يوم الفطر قبل أن يخرج، وكان لا يصلِّى قبل الصَّلاة، فإذا قضى صلاته صلَّى ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩৩) আনাস ইবনে মালিক (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি কয়েকটি খেজুর না খেয়ে ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদগাহে রওয়ানা হতেন না। তিনি খেজুরগুলি একটি একটি করে (অন্য বর্ণনায় বেজোড় সংখ্যায় খেতেন।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ ইবনে হিব্বান, মুস্তাদরাকে হাকেম, সুনান আল-বাইহাকী)
(রাসুল (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদগাহে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে পেটপুরে পূর্ণতৃপ্তি সহকারে না খেয়ে বরং সামান্য কিছু খাবার খেতেন, যাতে যাতায়াত ও সালাত আদায়ে কোন প্রকার কষ্ট না হয়। আর খাবার হিসাবে তিনি খেজুরকে বেছে নিতেন এ কারণে যে, এ খাবারটি অন্যান্য খাবারের তুলনায় পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও সহজলভ্য যা সাধারণত সব গৃহেই থাকত।)
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1637) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إذا كان يوم الفطر لم يخرج حتَّى يأكل تمراتٍ يأكلهن أفرادًا (1) (وفي لفظٍ وترًا)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩৪) আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ্ আল-আসলামী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে কিছু না খেয়ে ঈদগাহে বের হতেন না। আর ঈদুল আযহার দিবসে ঈদগাহ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছু খেতেন না।
(সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ্।)
একই বর্ণনাকারী থেকে অন্য সূত্রে এ সনদের কাছাকাছি অর্থে বর্ণিত আছে, সে বর্ণনার ভাষ্য হচ্ছে-রাসুল (ﷺ) ঈদুল আযহার দিনে ঈদের সালাত শেষে গৃহে ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। আর কুরবানীর গোশত দিয়েই এ দিনের খানা শুরু করতেন।
(সুনানে দারেকৃতনী, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনান আল-বাইহাকী। দ্বিতীয় বর্ণনাটিকে ইবনুল কাত্তান সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1638) عن عبد الله بن بريدة عن أبيه (بريدة الأسلميِّ رضي الله عنه) قال كان النّّبيُّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يوم الفطر لا يخرج حتَّى يطعم ويوم النَّحر لا يطعم حتَّى يرجع (وعنه من طريقٍ ثانٍ (2) بنحوه وفيه) ولا يأكل يوم الأضحى حتَّى يرجع فيأكل من أضحيته (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩৫) 'আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর ইবনে আনাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূল (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিবসে কয়েকটি খেজুর না খেয়ে ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হতেন না। বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (রা) বলেন, আনাস (রা) ঈদের মাঠে যাওয়ার পূর্বে তিনটি খেজুর খেতেন। আরো বেশী সংখ্যক খেতে চাইলে পাঁচটি খেজুর খেতেন। পাঁচটি থেকে বেশী পরিমাণ খেতে চাইলে তিনি বেজোড় সংখ্যক খেজুর খেতেন।
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1639) عن عبد الله بن أبى بكر بن أنس قال سمعت أنس بن مالكٍ رضى الله عنه يقول ما خرج رسول الله (صلى الله عليه وسلم) في يوم فطرٍ قطُّ حتَّى يأكل تمراتٍ، قال وكان أنسٌ يأكل قبل أن يخرج ثلاثًا، فإن أراد أن يزداد أكل خمسًا، فإن أراد أن يزداد أكل وترًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৩৬) আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) খুৎবার পূর্বেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত আদায় করতেন, এরপর খুৎবা (ভাষণ) প্রদান করতেন। তাঁর খুৎবা হত অন্যত্র প্রতিনিধি দল পাঠানো অথবা যুদ্ধে গমনের আদেশ সম্বলিত।
(সহীহ মুসলিম ও সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1640) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يبدأ يوم الفطر ويوم الأضحى بالصَّلاة قبل الخطبة ثمَّ يخطب فتكون خطبته الأمر بالبعث والسَّريَّة (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৩৭) 'আবদুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূল (ﷺ) খুৎবার পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করতেন, অতঃপর খুৎবা প্রদান করতেন, তিনি যখন দেখলেন সমবেত মহিলাগণ (দূরত্বের কারণে) তাঁর বক্তৃতা শ্রবণ করতে পারে নি, তখন তিনি তাদের কাছে গমন করলেন, তাঁদেরকে ওয়াজ-নসীহত করলেন এবং দান-সাদকাহ্ করার ব্যাপারে আদেশ করলেন। রাসূল (ﷺ)-এর বর্ণনা শুনে উপস্থিত মহিলাগণ তাঁদের কানের দুল ও হাতের আংটিসহ অন্যান্য গহনাদি দান-সাদকাহর উদ্দেশ্যে প্রদান করতে থাকলেন।
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1641) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما أشهد (2) على رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم صلَّى (3) قبل الخطبة فى العيد ثمَّ خطب فرأى أنَّه لم يسمع النِّساء (4) فأتاهنَّ فذكَّرهنَّ ووعظهنَّ وأمرهنَّ بالصَّدقة فجعلت المرأة تلقى الخرص (5) والخاتم والشَّيء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৩৮) জাবির ইবনে সামুরা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে একাধিকবার ঈদের সালাত আদায় করেছি, কোন ধরনের আযান-ইকামত ছাড়াই এ সব ঈদের সালাত আদায় হত।
(সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আত তিরমিযী, সুনান আল-বাইহাকী)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1642) عن جابر بن سمرة رضى الله عنهما قال صلَّيت مع رسول الله (صلى الله عليه وسلم) العيدين غير مرَّةٍ ولا مرَّتين بغير أذانٍ ولا إقامةٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৩৯) 'আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ঈদুল ফিতর দিবসে উপস্থিত লোকদেরকে নিয়ে আযান ও ইকামত বিহীন ঈদের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর খুৎবা দিলেন, খুৎবা শেষে তিনি বিলাল (রা)-এর হাত ধরে মহিলাদের নিকট গমন করলেন এবং তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করলেন। রাসুল (ﷺ) মহিলাদের নিকট থেকে চলে যাবার সময় বিলাল (রা)-কে এ মর্মে নির্দেশ দিলেন যে, বিলাল (রা) যেন মহিলাদের কাছে যায় এবং তাদেরকে দান সাদকাহ করার ব্যাপারে নির্দেশ প্রদান করে।
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1643) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال صلَّى نبيُّ الله (صلى الله عليه وسلم) بالنَّاس يوم فطرٍ ركعتين بغير أذانٍ ولا إقامةٍ ثمَّ خطب بعد الصَّلاة ثمَّ أخذ بيد بلالٍ فانطلق إلى النِّساء فخطبهن ثمَّ أمر بلالاً بعد ما قفىَّ (1) من عندهنَّ أن يأتيهنَّ فيأمرهنَّ أن يتصدَّقن (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৪০) ইবনে যুবাইর (রা)-এর খাদেম ওহাব বিন কাইসান বলেন, আমি 'আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা)-কে ঈদের দিবসে প্রথমে ঈদের সালাত আদায় করে খুৎবা দেবার পর বলতে শুনেছি যে, হে উপস্থিত লোকসকল, (আমি যেভাবে সালাত আদায় ও খুৎবা প্রদান করলাম) এটিই আল্লাহ ও তদীয় রাসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহ বা রীতি।
(শুধুমাত্র আহমদ, হাফেজ আল-ইরাকী হাদীসের সনদটিকে উত্তম বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1644) عن وهب بن كيسان مولى ابن الزُّبير قال سمعت عبد الله بن الزُّبير فى يوم العيد يقول حين صلَّى قبل الخطبة يا أيُّها النَّاس كلٌّ سنَّة الله وسنَّة رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৪১) 'আব্দুর রহমান ইবনে আবিস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে, আপনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে ঈদে উপস্থিত হতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁর সাথে আমার বিশেষ সম্পর্ক ও আত্মীয়তা না থাকলে বয়সে ছোট হওয়ার কারণে তাঁর সাথে আমার ঈদে যাওয়া সম্ভব হত না। ইবনে 'আব্বাস (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বের হয়ে কাসির ইবনে আস-সালত-এর বাড়ির নিকটে (ঈদগাহে) ঈদের দু'রাকা'আত সালাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি খুৎবা প্রদান করেন। তিনি আযান ও ইকামতের কথা উল্লেখ করেন নি।
(সহীহল বুখারী ও সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1645) عن عبد الرَّحمن بن عابس قال قلت لابن عباسٍ رضى الله عنهما أشهدت العيد مع رسول الله (صلى الله عليه وسلم)؟ قال نعم ولولا مكانى منه (4) ما شهدته لصغرى، قال خرج رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فصلَّى عند دار كثير بن الصَّلت (1) ركعتين ثمَّ خطب لم يذكر أذانًا ولا إقامةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৪২) 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ), আবূ বকর সিদ্দীক (রা) 'উমর (রা) ও 'উসমান (রা) এঁদের সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত হয়েছি, তাঁরা সবাই খুতবার পূর্বেই আযান ও ইকামত ছাড়া ঈদের সালাত আদায় করতেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনানে ইবনে মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1646) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال شهدت مع رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم العيد وأبى بكرٍ وعمر وعثمان فكلُّهم صلَّى قبل الخطبة بغير أذانٍ ولا إقامةٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৪৩) আবু 'ইয়াকুব আল খাইয়্যাত্ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মুস'আব ইবনে আল-যুবাইর (রা)-এর সাথে মদীনায় ঈদুল ফিতরে (সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে ঈদগাহে) উপস্থিত হলাম। রাসূল (ﷺ)-এর ঈদের সালাত আদায়ের পদ্ধতি জানার জন্য মুস'আব (রা) এক ব্যক্তিকে আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা)-এর নিকট পাঠালেন। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) তাঁকে বললেন, রাসূল (ﷺ) খুৎবা প্রদানের পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করতেন। এ সংবাদ শোনার পর মুসাআব (রা) খুৎবার পূর্বেই ঈদের সালাত আদায় করলেন।
(এ হাদীস ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কেহই বর্ণনা করেন নি। এর সনদে ইয়াকুব আল-খাইয়্যাত অজ্ঞাত ব্যাক্তি। তবে অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1647) عن أبى يعقوب الخيَّاط قال شهدت مع مصعب (2) بن الزُّبير الفطر بالمدينة فأرسل إلى أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه فسأله كيف كان يصنع رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فأخبره أبو سعيدٍ أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يصلَّى قبل أن يخطب فصلَّى يومئذٍ قبل الخطبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (চার) আযান ইকামত ব্যতিরেকে খুৎবার পূর্বে দু'রাকাত ঈদের সালাত আদায় সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৪৪) জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে নিয়ে আযান-ইকামত ছাড়াই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত আদায় করলেন। এরপরে আমাদের উদ্দেশ্যে খুৎবা প্রদান করলেন। খুৎবা শেষে তিনি মহিলাদের নিকট গমন করলেন। তাঁর সাথে তখন বিলাল (রা) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। রাসূল (ﷺ) মহিলাদেরকে দান-সাদকাহ প্রদান করার ব্যাপারে আদেশ করলেন। রাসূল (ﷺ)-এর আদেশে মহিলারা তাঁদের কানের দুল ও হাতের আংটি বিলাল (রা)-এর কাছে সাদকাহ হিসেবে হস্তান্তর করতে লাগলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب صلاة العيد ركعتين قبل الخطبة بغير أذان ولا إقامة - واتخاذ سترة أمام الإمام فى المصلَّى
(1648) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال صلَّى بنا رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فى العيدين بغير أذانٍ ولا إقامةٍ ثمَّ خطبنا ثمَّ نزل فمشى إلى النِّساء ومعه بلالٌ ليس معه غيره، فأمرهنَّ بالصدقة فجعلت المرأة تلقي تومتها (1) وخاتمها إلى بلالٍ (رضى الله عنه)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ঈদের সালাত আদায়কালে ইমামের সামনে বল্লম ইত্যাদি পুঁতে দেওয়ার অনুচ্ছেদ
(১৬৪৫) 'আবদুল্লাহ ইবনে 'উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন ঈদগাহে যেতেন তখন সালাত আদায়ে তাঁর সামনে বল্লম বা লাঠি পুঁতে দিতে আদেশ করতেন। তাঁর সামনে তা স্থাপন করা হলে পরে তিনি ঈদের সালাত আদায় করতেন। আর লোকেরা তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি সফর অবস্থায়ও এরূপ করতেন। রাসূল (ﷺ)-এর দেখাদেখি পরবর্তী আমীরগণও এই রীতি গ্রহণ করেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনানে ইবনে মাজাহ।)
كتاب الصلاة
فصل فى اتخاذ الحرية يوم العيد بين يدى الإمام
(1649) عن ابن عمر رضي الله عنهما أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) كان إذا خرج يوم العيد يأمر بالحربة (1) فتوضع بين يديه فيصلِّى إليها (2) والنَّاس وراءه، وكان يفعل ذلك فى السَّفر (3) ثمَّ اتخذها الأمراء
tahqiq

তাহকীক: