মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১৬১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০৬. বুরায়দা আসলামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিচ্ছিলেন, এমন সময় (শিশু) হাসান ও হোসাইন (রা) আগমন করলেন, তাদের পরিধানে দু'টি লাল কুর্তা ছিল। তাঁরা হাঁটছিলেন এবং হোঁচট খেয়ে পড়ছিলেন, তখন নবী করীম (ﷺ) মিম্বর থেকে নেমে আসলেন এবং তাদের উভয়কে উঠিয়ে নিয়ে তাঁর সামনে বসালেন এবং বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন, {إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ } [التغابن: 15] তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো তোমাদের জন্য পরীক্ষা (৬৪:১৫) আমি এই শিশুদ্বয়কে দেখলাম যে, তাঁরা হাঁটছে এবং পড়ে যাচ্ছে, তখন আমি ধৈর্যধারণ করতে পারলাম না, আমি আমার খুতবা বন্ধ করে দিলাম এবং তাঁদেরকে উঠিয়ে নিয়ে আসলাম।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, বায়হাকী সুনানে কুবরা, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ, বায়হাকী সুনানে কুবরা, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1610) عن بريدة الأسلميِّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلَّم يخطبنا، فجاء الحسن والحسين عليهما قميصان أحمران يمشيان ويعثران (1) فنزل رسول الله (صلى الله عليه وسلم) من المنبر فحملهما فوضعهما بين يديه (2) ثمَّ قال صدق الله ورسوله، إنَّما أموالكم وأولادكم فتنةٌ (3) نظرت إلى هذين الصَّبيين يمشيان ويعثران فلم أصبر (4) حتَّى قطعت حديثي ورفعتهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৩ পরিচ্ছেদ: যারা জুমুআর দিন রাসূলের খুতবা অবস্থায় ছুটে বেরিয়ে গেলো তাদের কাহিনী
১৬০৭, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন একদা জুমু'আর দিন রাসূল (ﷺ) খুতবা দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় একটি বণিক দল মদীনায় এসে পৌছেলো। লোকেরা সে দিকে ছুটে গেল, এমনকি বারো জন ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিল না। তখন এ আয়াত নাযিল হয়।
{وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا } [الجمعة: 11]
যখন তারা দেখলো, ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয় তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সে দিকে ছুটে গেল (৬২-১১)।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী।)
{وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا } [الجمعة: 11]
যখন তারা দেখলো, ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয় তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সে দিকে ছুটে গেল (৬২-১১)।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(13) باب قصة الذين انقضوا عن النبي (صلى الله عليه وسلم) في خطبة الجمعة
(1611) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قدمت عيرٌ (1) مرَّةً المدينة ورسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يخطب (2) فخرج النَّاس وبقي اثنا عشر (1) فنزلت "وإذا رأوا تجارةً أو لهوًا انفضُّوا إليها" (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৪ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামায দুই রাকা'আত এবং যে ব্যক্তির এক রাকা'আত নামায ছুটে গেল অথবা ভীড়ের মধ্যে নামায পড়ার হুকুম, এবং যে ব্যক্তি বলে জুমু'আ সহীহ হওয়ার জন্য মসজিদ শর্ত
১৬০৮, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সফরের অবস্থায় সালাত দু'রাকা'আত, ঈদুল আযহার সালাত দু'রাক'আত, ঈদুল ফিতরের সালাত দু'রাকা'আত, জুমু'আর সালাত দু'রাকা'আত মুহাম্মদ (ﷺ)-এর ভাষ্য মতে সে দু'রাকা'আতই পূর্ণ সালাত। সংক্ষেপ নয়।
(নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(14) باب صلاة الجمعة ركعتين وحكم من سبق بركعة أو زوحم - ومن قال باشتراط المسجد لصحة الجمعة
(1612) عن عمر بن الخطَّاب رضي الله عنه قال صلاة السَّفر ركعتان (1) وصلاة الأضحى ركعتان، وصلاة الفطر ركعتان، وصلاة الجمعة ركعتان تمامٌ غير قصرٍ (2) على لسان محمدَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৪ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামায দুই রাকা'আত এবং যে ব্যক্তির এক রাকা'আত নামায ছুটে গেল অথবা ভীড়ের মধ্যে নামায পড়ার হুকুম, এবং যে ব্যক্তি বলে জুমু'আ সহীহ হওয়ার জন্য মসজিদ শর্ত
১৬০৯. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাযের এক রাকা'আত পেল সে সম্পূর্ণ নামায পেল।
(বুখারী মুসলিম।)
(বুখারী মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(14) باب صلاة الجمعة ركعتين وحكم من سبق بركعة أو زوحم - ومن قال باشتراط المسجد لصحة الجمعة
(1613) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) من أدرك من الصَّلاة ركعةً (1) فقد أدركها كلَّها (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৪ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামায দুই রাকা'আত এবং যে ব্যক্তির এক রাকা'আত নামায ছুটে গেল অথবা ভীড়ের মধ্যে নামায পড়ার হুকুম, এবং যে ব্যক্তি বলে জুমু'আ সহীহ হওয়ার জন্য মসজিদ শর্ত
১৬১০. সাইয়ার ইবনে মারুর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উমর (রা)-কে খুতবায় বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূল এ মসজিদ (মদীনার মসজিদ) তৈরী করেন তাঁর সাথে আমরা মুহাজির ও আনসারগণ ছিলাম, যখন মানুষের ভিড় হয় তখন তোমরা তোমাদের ভাইদের পিঠের উপর সিজদা দিবে, তিনি দেখলেন, কিছু মানুষ রাস্তার উপর জুমু'আর নামায আদায় করছে, তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা মসজিদে নামায আদায় কর।
(সায়ীদ ইবনে মনসুরের সুনান গ্রন্থে, বায়হাকী সুনানে কুবরা। ইমাম নববী বলেন, হাদীসের সনদ সহীহ।)
(সায়ীদ ইবনে মনসুরের সুনান গ্রন্থে, বায়হাকী সুনানে কুবরা। ইমাম নববী বলেন, হাদীসের সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(14) باب صلاة الجمعة ركعتين وحكم من سبق بركعة أو زوحم - ومن قال باشتراط المسجد لصحة الجمعة
(1614) عن سيَّار بن المعرور قال سمعت عمر (رضى الله عنه) وهو يخطب يقول إنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) بنى هذا المسجد ونحن معه المهاجرون والأنصار (3) فإذا اشتدَّ الزِّحام فليسجد الرَّجل منكم على ظهر أخيه، ورأى قومًا يصلُّون في الطَّريق فقال صلَّوا في المسجد (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১১. ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (ﷺ) জুমু'আর দিন ফজরের নামাযে প্রথম রাকআতে আলিফ লাম-মিম তানজিল এবং দ্বিতীয় রাকাতে হালআতা এবং জুমু'আর সালাতে সূরা জুমু'আ এবং ইযা জা-আকাল মুনাফিকুন পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1615) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يقرأ فى صلاة الصُّبح يوم الجمعة الم تنزيل وهل أتى، وفى الجمعة سورة الجمعة وإذا جاءك المنافقون
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১২. উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। দহহাক ইবনে কায়েস (রা) নু'মান ইবনে বশীর (ক)-কে জিজেস করেছিলেন রাসূল (ﷺ) জুমু'আর দিন সূরা জুমুআর সাথে কোন সূরা পাঠ করতেন, তিনি বলেন, হাল-আতাকা হাদীসুল গাশিয়া।
(মুসলিম, নাসাঈ,)
(মুসলিম, নাসাঈ,)
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1616) عن عبيد الله بن عبد الله أنَّ الضَّحَّاك بن قيسٍ سأل النُّعمان ابن بشيرٍ رضى الله عنه بم كان النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يقرأ فى الجمعة مع سورة الجمعة (1) قال هل أتاك حديث الغاشية
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১৩. উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু রাফে' থেকে বর্ণিত, তিনি আলী (রা)-এর লেখক (কেরানী) ছিলেন, তিমি বলেন, মারওয়ান (মদীনার গভর্ণর থাকাকালে) আবু হুরায়রা (রা)-কে মাঝে মাঝে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করে বাইরে যেতেন। একবার তিনি তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করে যান। তখন তিনি (আবু হুরায়রা) জুমুআর নামায পড়ান। তিনি সূরা জুমু'আর পর দ্বিতীয় রাক'আতে ইযা জাআকাল মুনাফিকুন, (সূরা মুনাফিকুন) পড়েন, নামায শেষে আমি তাঁর নিকট গেলাম। আমি বললাম, হে আবু হুরায়য়া, আপনি যে দু'টি সূরা পড়েছেন আলী (রা)-ও সে দু'টি সূরা পড়তেন। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) জুমু'আর দিন এ দু'টি সূরা পাঠ করতেন। ।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী সুনান গ্রন্থে।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী সুনান গ্রন্থে।)
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1617) عن عبيد الله بن أبى رافعٍ وكان كاتبًا لعلىٍّ رضي الله عنه قال كان مروان يستخلف أبا هريرة على المدينة فاستخلفه مرَّةً فصلَّى الجمعة فقرأ سورة الجمعة وإذا جاءك المنافقون، فلمَّا انصرف مشيت إلى جنبه فقلت أبا هرّ قرأت بسورتين قرأ بهما علىٌّ عليه السَّلام (1) قال قرأ بهما حبِّي أبو القاسم صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১৪. নু'মান ইবনে বশীর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) দুই ঈদের নামাযে সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ'লা ও 'হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়া' সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। আর যদি একই দিনে ঈদের নামায ও জুমুআর নামায অনুষ্ঠিত হতো তিনি উভয় নামাযে এই দুই সূরা পড়তেন। (তার দ্বিতীয় বর্ণনায়) তিনি বলেন, নরী করীম (ﷺ) জুমু'আর দিন 'সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ'লা' 'হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়া' সূরাদ্বয় পাঠ করতেন এবং জুমু'আ ও ঈদের নামায একই দিনে হলে উভয় নামাযে এ দুই সূরা পাঠ করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, সুনানে বায়হাকী)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, সুনানে বায়হাকী)
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1618) عن النُّعمان بن بشيرٍ رضى الله عنه أن نبيَّ الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قرأ فى العيدين بسبِّح اسم ربِّك الأعلى وهل أتاك حديث الغاشية، وإن وافق يوم الجمعة قرأهما جميعًا (2) (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) عن النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) أنَّه كان يقرأ فى صلاة الجمعة بسبِّح اسم ربِّك وهل أتاك حديث الغاشية، فربما اجتمع العيد والجمعة فقأ بهاتين السُّورتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১৫, সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) জুমুআর নামাযে সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা ও হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়া সূরাদ্বয় পাঠ করতেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, সুনানে বায়হাকী)
(আবু দাউদ, নাসাঈ, সুনানে বায়হাকী)
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1619) عن سمرة بن جندبٍ رضي الله عنه أنَّ النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) كان يقرأ فى الجمعة بسبِّح اسم ربك الأعلى وهل أتاك حديث الغاشية
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৬) পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামাযের পরে নফল পড়া ফরযের সাথে তাকে মিলিয়ে না দেওয়া, বরং ফরয শেষে কথা বলা বা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর নফল-সুন্নাত পড়া
১৬১৬. ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জুমু'আর পরে তাঁর ঘরে দু'রাকা'আত নামায আদায় করতেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(16) باب النفل بعد صلاة الجمعة وعدم وصلها بصلاة حتى يتكلم أو يخرج
(1620) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يصلِّى بعد الجمعة ركعتين فى بيته
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৬) পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামাযের পরে নফল পড়া ফরযের সাথে তাকে মিলিয়ে না দেওয়া, বরং ফরয শেষে কথা বলা বা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর নফল-সুন্নাত পড়া
১৬১৭. ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি জুমু'আর নামাযের পর তাঁর ঘরে ফিরে এসে দুই রাকা'আত নামায পড়তেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তা-ই করতেন।
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(16) باب النفل بعد صلاة الجمعة وعدم وصلها بصلاة حتى يتكلم أو يخرج
(1621) عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر رضي الله عنهما أنَّه كان إذا انصرف من الجمعة انصرف إلى منزله فسجد سجدتين، وذكر أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يفعل ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৬) পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামাযের পরে নফল পড়া ফরযের সাথে তাকে মিলিয়ে না দেওয়া, বরং ফরয শেষে কথা বলা বা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর নফল-সুন্নাত পড়া
১৬১৮. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ জুমু'আর সালাত আদায় করে, তখন সে যেন তার পরে চার রাকা'আত সালাত আদায় করে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(16) باب النفل بعد صلاة الجمعة وعدم وصلها بصلاة حتى يتكلم أو يخرج
(1622) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إذا صلَّى أحدكم الجمعة فليصلِّ بعدها أربع ركعاتٍ (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৬) পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামাযের পরে নফল পড়া ফরযের সাথে তাকে মিলিয়ে না দেওয়া, বরং ফরয শেষে কথা বলা বা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর নফল-সুন্নাত পড়া
১৬১৯, আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা জুমু'আর নামায পড়ার পর চার রাকা'আত (সুন্নাত) পড়ো। তোমার কোন তাড়াহুড়া থাকলে দুই রাকা'আত পড়বে, আর বাড়ি ফিরে গিয়ে দুই রাকা'আত পড়বে।
(ইমাম আহমদের উস্তাদ ইবনে ইদরীস বলেন, আমি জানি না, এই শেষ বাক্য রাসূল (ﷺ)-এর কথা কিনা, না কোনো রাবীর কথা।)
(ইমাম আহমদের উস্তাদ ইবনে ইদরীস বলেন, আমি জানি না, এই শেষ বাক্য রাসূল (ﷺ)-এর কথা কিনা, না কোনো রাবীর কথা।)
كتاب الصلاة
(16) باب النفل بعد صلاة الجمعة وعدم وصلها بصلاة حتى يتكلم أو يخرج
(1623) وعنه أيضًا قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إذا صلَّيتم الجمعة فصلَّوا أربعًا، فإن عجل (2) بك شيءٌ فصلِّ ركعتين، وركعتين إذا رجعت، قال ابن إدريس (3) ولا أدرى هذا من حديث رسول الله (صلى الله عليه وسلم) أم لا (4)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৬) পরিচ্ছেদ: জুমু'আর নামাযের পরে নফল পড়া ফরযের সাথে তাকে মিলিয়ে না দেওয়া, বরং ফরয শেষে কথা বলা বা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর নফল-সুন্নাত পড়া
১৬২০, সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুয়াবিয়া (রা)-এর সাথে মসজিদের অভ্যন্তরে আমীরের নামাযের ঘরের মধ্যে জুমু'আর নামায় পড়লাম। ইমাম সালাম ফিরানোর পর আমি আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে (সুন্নাত) নামায় পড়লাম। মুয়াবিয়া ঘরে প্রবেশ করে আমাকে ডেকে পাঠালেন। তারপর বললেন, তুমি যা করেছো তার পুনরাবৃত্তি করো না। তুমি জুমু'আর নামায পড়ার পর, কথা না বলা পর্যন্ত অথবা বের হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত কোনরূপ নামায পড়ো না। কারণ রাসুল (ﷺ) এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন। যে এক (ফরয) নামাযের সাথে অন্য নামায (সুন্নাত-নফল) মেলানো যাবে না, উঠে অন্যত্র যাবে অথবা (উভয়ের মধ্যে) কথাবার্তা বলবে।
كتاب الصلاة
(16) باب النفل بعد صلاة الجمعة وعدم وصلها بصلاة حتى يتكلم أو يخرج
(1624) عن السَّائب بن يزيد قال صلَّيت مع معاوية رضى الله عنه الجمعة فى المقصورة (1) فلمَّا سلَّم (2) قمت فى مقامى فصلَّيت، فلمَّا دخل (3) أرسل إلىَّ فقال لا تعد لما فعلت، إذا صلَّيت الجمعة (4) فلا تصلها بصلاةٍ حتَّى تتكلَّم أو تخرج، فإنَّ نبيَّ الله صلَّى الله تعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أمر بذلك، لا توصل صلاةٌ بصلاةٍ حتَّى تخرج أو تتكلَّم (5)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই ঈদের সালাত ও এতদসংশ্লিষ্ট সালাত ও অন্যান্য বিষয়ের পরিচ্ছেদসমূহ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(১৬২১) আনাস ইবনে মালিক (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) হিজরতপূর্বক মদীনায় আগমন করে দেখলেন, তথাকার লোকেরা জাহেলি যুগের রীতি অনুযায়ী বছরে দুই দিন খেলাধুলা (আনন্দ-উৎসব) করে থাকে। এতদ্দর্শনে রাসুল (ﷺ) বললেন, মহান আল্লাহ তোমাদের এ দুই দিনের পরিবর্তে উত্তম দু'টি দিন নির্ধারিত করেছেন। দিন দু'টি হচ্ছে- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন।
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আত-তিরমিযী, সুনান আল-বায়হাকী, মুস্তাদরাকে হাকেম)
(সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আত-তিরমিযী, সুনান আল-বায়হাকী, মুস্তাদরাকে হাকেম)
كتاب الصلاة
أبواب العيدين وما يتعلق بهما من صلاة وغيرها
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1625) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال قدم رسول الله (صلى الله عليه وسلم) المدينة (1) ولهم يومان يلعبون فيهما (2) فى الجاهليَّة فقال إنَّ الله تبارك وتعالى قد أبدلكم بهما خيرًا منهما يوم الفطر ويوم النَّحر (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই ঈদের সালাত ও এতদসংশ্লিষ্ট সালাত ও অন্যান্য বিষয়ের পরিচ্ছেদসমূহ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(১৬২২) যা. রাসূল (ﷺ)-এর সাহাবী ফাকিহ ইবনে সা'দ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জুম'আ, আরাফা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা দিবসসমূহে গোসল করতেন।
হাদীসখানির বর্ণনাকারী সাহাবী ফাকিহ (রা) তাঁর পরিবারস্থ লোকজনকে উক্ত দিবসসমূহে গোসল করার নির্দেশ প্রদান করতেন।
(বাযযার, বাগভী। এ সনদে বর্ণিত হাদীসখানি যয়ীফ (দুর্বল)। কেননা, এ সনদের বর্ণনাকারীদের মধ্যে ইউসুফ বিন খালিদ গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি নন, তবে এ হাদীসের সমর্থনে ইমাম মালিক ও ইমাম শাফেয়ী (র) তাঁদের গ্রন্থে এ মর্মে সহীহ সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। উল্লেখ্য, হাদীসখানি ইমাম আহমদ পুত্র আব্দুল্লাহ কর্তৃক অতিরিক্ত সংযোজন করা হয়েছে।)
হাদীসখানির বর্ণনাকারী সাহাবী ফাকিহ (রা) তাঁর পরিবারস্থ লোকজনকে উক্ত দিবসসমূহে গোসল করার নির্দেশ প্রদান করতেন।
(বাযযার, বাগভী। এ সনদে বর্ণিত হাদীসখানি যয়ীফ (দুর্বল)। কেননা, এ সনদের বর্ণনাকারীদের মধ্যে ইউসুফ বিন খালিদ গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি নন, তবে এ হাদীসের সমর্থনে ইমাম মালিক ও ইমাম শাফেয়ী (র) তাঁদের গ্রন্থে এ মর্মে সহীহ সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। উল্লেখ্য, হাদীসখানি ইমাম আহমদ পুত্র আব্দুল্লাহ কর্তৃক অতিরিক্ত সংযোজন করা হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب العيدين وما يتعلق بهما من صلاة وغيرها
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1626) ز عن عبد الرَّحمن بن عقبة بن الفاكه عن جدِّه الفاكه بن سعدٍ رضي الله عنه وكان له صحبةٌ أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يغتسل يوم الجمعة ويوم عرفة ويوم الفطر ويوم النَّحر، قال وكان الفاكه ابن سعدٍ يأمر أهله بالغسل فى هذه الأيَّام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই ঈদের সালাত ও এতদসংশ্লিষ্ট সালাত ও অন্যান্য বিষয়ের পরিচ্ছেদসমূহ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(১৬২৩) আবদুল্লাহ ইবনে 'উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'উমর (রা) একটি নকশি করা রেশমী শাল ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে দেখে রাসূল (ﷺ)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি এ চাদরটি ক্রয় করতেন, তাহলে এটিকে জুমু'আর দিবসে অথবা কোন প্রতিনিধি দল আসলে তাদের সাথে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতে পারতেন। এতদশ্রবণে রাসূল (ﷺ) বললেন, এ জাতীয় পোশাক যে দুনিয়াতে পরিধান করবে, পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যানা।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যানা।)
كتاب الصلاة
أبواب العيدين وما يتعلق بهما من صلاة وغيرها
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1627) عن ابن عمر رضى الله عنهما أنَّ عمر رأى حلَّة سيراء (1) أو حريرٍ تباع، فقال للنَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) لو اشتريت هذه تلبسها يوم الجمعة أو للوفود (2) قال إنَّما يلبس هذه من لا خلاق له (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই ঈদের সালাত ও এতদসংশ্লিষ্ট সালাত ও অন্যান্য বিষয়ের পরিচ্ছেদসমূহ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(১৬২৪) 'আবদুল্লাহ ইবনে 'উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হতেন, তখন যে পথে ঈদগাহে যেতেন সে পথে না ফিরে অন্য পথে ফিরতেন।
(সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ, মুস্তাদরাকে হাকেম, সুনানে বাইহাকী, হাদীসখানির সনদ উত্তম।)
(ঈদগাহে যেতে মহানবী (ﷺ) যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করতেন। তাঁর পথ পরিবর্তনের বিভিন্ন কারণ ও উদ্দেশ্যে থাকতে পারে। যেমন: উভয় পথের মানুষের সাথে দেখা, সাক্ষাত, তাদের সকলের খোঁজ-খবর নেয়া, মুসলিম উম্মাহর শান-শওকত (শৌর্য-বীর্য) প্রকাশ ও কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি।)
(সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ, মুস্তাদরাকে হাকেম, সুনানে বাইহাকী, হাদীসখানির সনদ উত্তম।)
(ঈদগাহে যেতে মহানবী (ﷺ) যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করতেন। তাঁর পথ পরিবর্তনের বিভিন্ন কারণ ও উদ্দেশ্যে থাকতে পারে। যেমন: উভয় পথের মানুষের সাথে দেখা, সাক্ষাত, তাদের সকলের খোঁজ-খবর নেয়া, মুসলিম উম্মাহর শান-শওকত (শৌর্য-বীর্য) প্রকাশ ও কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকদের ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
أبواب العيدين وما يتعلق بهما من صلاة وغيرها
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1628) وعنه أيضًا أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يخرج إلى العيدين من طريق ويرجع من طريقٍ أخرى (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই ঈদের সালাত ও এতদসংশ্লিষ্ট সালাত ও অন্যান্য বিষয়ের পরিচ্ছেদসমূহ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(এক) দুই ঈদ শরীয়াহ্ সম্মত (বিধিবদ্ধ) হওয়ার কারণ, ঈদের সালাত আদায়ের পূর্বে গোসল ও সাজসজ্জা করা এবং ঈদগাহে যাতায়াতের পথ পরিবর্তন করা মুস্তাহাব হওয়ার পরিচ্ছেদ
(১৬২৫) আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ঈদগাহে যে পথে যেতেন সে পথে না ফিরে অন্য পথ ধরে বাড়ি ফিরতেন।
(সুনান আল-বাইহাকী, সুনান আদদারেমী, সুনান আত-তিরমিযী । ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান, গরীব বলেছেন।)
(সুনান আল-বাইহাকী, সুনান আদদারেমী, সুনান আত-তিরমিযী । ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান, গরীব বলেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب العيدين وما يتعلق بهما من صلاة وغيرها
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1) باب سبب مشروعيتها واستحباب الغسل والتجمل لهما ومخالفة الطريق
(1629) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال كان النَّبيُّ (صلى الله عليه وسلم) إذا خرج إلى العيدين رجع فى غير الطَّريق الَّذي خرج فيه
তাহকীক: