মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১৫৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৮৬. 'আদী ইবনে হাতিম তায়ী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর সামনে খুতবা দিয়ে বলছিল, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসুল (ﷺ)-এর আনুগত্য করে সে সঠিক পথ পায়, আর যে ব্যক্তি তাঁদের উভয়ের নাফরমানী করে সে পথভ্রষ্ট হয়। তখন রাসুল (ﷺ) বললেন, তুমি অত্যন্ত নিকৃষ্ট খতীব। বরং তুমি বল, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (ﷺ)-এর নাফরমানী করে।
(তিরমিযী, নাসাঈ, হাকেম মুসতাদরেক গ্রন্থে। সুনানে বায়হাকী।)
(তিরমিযী, নাসাঈ, হাকেম মুসতাদরেক গ্রন্থে। সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1590) عن عدي بن حاتم الطَّائيِّ رضى الله عنه أنَّ رجلاً خطب عند النبيِّ (صلى الله عليه وسلم) فقال من يطع الله ورسوله فقد رشد (1) ومن يعصمها فقد غوى، فقال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) بئس الخطيب أنت (2) قل ومن يعص الله ورسوله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৮৭. আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর পদদ্বয়ের উপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন।
(ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ হাদীসটি বর্ণনা করেন নি।)
(ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ হাদীসটি বর্ণনা করেন নি।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1591) عن أبى سعيد الخدريِّ رضي الله عنه أنَّ النبيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم خطب قائمًا على رجليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৮৮, ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী করীম (ﷺ) জুমু'আর দিন দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, তারপর বসতেন, এবং পুনরায় দাঁড়াতেন এবং খুতবা দিতেন।
(হাইসামী বলেন, হাদীসটি আহমদ সংকলন করেছেন। তবারানীর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাইসামী বলেন, হাদীসটি আহমদ সংকলন করেছেন। তবারানীর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1592) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما عن النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) أنَّه كان يخطب يوم الجمعة قائمًا ثمَّ يقعد ثمَّ يقوم فيخطب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৮৯. ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জুমু'আর দিন দুইবার খুতবা দিতেন, এবং উভয়ের মাঝখানে বসতেন, (তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায়) রাসূল (ﷺ) দুই খুতবার মাঝখানে বসতেন।
(বুখারী, সুনানে আরবাআ।)
(বুখারী, সুনানে আরবাআ।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1593) عن ابن عمر رضي الله عنهما قال كان النَّبيُّ صلَّى الله عليه وسلَّم يخطب يوم الجمعة مرَّتين بينهما جلسة (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (1) أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يجلس بين الخطبتين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯০, সাম্মাক ইবনে হারব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনে সামুরা (রা) আমাকে সংবাদ দিলেন, তিনি রাসুল (ﷺ)-কে মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে দেখেছেন, তারপর তিনি বসলেন, অন্য বর্ণনায়, তিনি কিছুক্ষণ বসতেন কোন কথা বলতেন না। তারপর দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন।
সাম্মাক (রা) বললেন, জাবির (রা) আমাকে বললেন, যে ব্যক্তি তোমাকে সংবাদ দিয়েছে রাসূল (ﷺ) বসে খুতবা দিয়েছেন, সে মিথ্যা বলেছে, আল্লাহর শপথ করে বলছি। আমি রাসুল (ﷺ)-এর সাথে দুই হাজার জুমু'আ ওয়াক্তের চেয়েও বেশী নামায পড়েছি। (অর্থাৎ জুমু'আসহ পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায) (তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় "সে মিথ্যা বলেছে" কথাটির পরে তিনি বলেন, তবে তখনো কখনো তিনি খুতবার জন্য বের হয়ে লোকদের সংখ্যা কম দেখলে বসতেন। তখন সবাই দ্রুত মসজিদে আসতেন। তখন তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা প্রদান করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ।)
সাম্মাক (রা) বললেন, জাবির (রা) আমাকে বললেন, যে ব্যক্তি তোমাকে সংবাদ দিয়েছে রাসূল (ﷺ) বসে খুতবা দিয়েছেন, সে মিথ্যা বলেছে, আল্লাহর শপথ করে বলছি। আমি রাসুল (ﷺ)-এর সাথে দুই হাজার জুমু'আ ওয়াক্তের চেয়েও বেশী নামায পড়েছি। (অর্থাৎ জুমু'আসহ পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায) (তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় "সে মিথ্যা বলেছে" কথাটির পরে তিনি বলেন, তবে তখনো কখনো তিনি খুতবার জন্য বের হয়ে লোকদের সংখ্যা কম দেখলে বসতেন। তখন সবাই দ্রুত মসজিদে আসতেন। তখন তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা প্রদান করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1594) عن سماك بن حرب قال نبَّأني جابر بن سمرة رضى الله عنه أنَّه رأى رسول الله (صلى الله عليه وسلم) خطب قائمًا على المنبر ثمَّ يجلس "وفى روايةٍ ثمَّ يقعد قعدةً لا يتكلم" ثمَّ يقوم فيخطب قائمًا، قال فقال لي جابرٌ فمن نبَّأك (2) أنَّه كان يخطب قاعدًا فقد كذب، فقد والله صلَّيت معه أكثر من ألفي صلاةٍ (3) (وعنه من طريقٍ ثانٍ بنحوه (1) وفيه بعد قوله فقد كذب) قال ولكنَّه ربمَّا خرج ورأى النَّاس في قلةٍ فجلس ثمَّ يثوبون (2) ثمَّ يقوم فيخطب قائمًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯১. সাম্মাক ইবনে হারব থেকে জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে কখনও জুমু'আর দিনে দাঁড়িয়ে ছাড়া খুতবা দিতে দেখি নি। যে ব্যক্তি তোমাকে বলেছে, তিনি বসে খুতবা দিয়েছেন। তুমি তাকে মিথ্যাবাদী বলবে। তিনি কখনও তা করেন নি। রাসূল (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিতেন তারপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে আবার (দ্বিতীয়) খুতবা দিতেন, তিনি জুমু'আর দিনে দুই খুতবা দিতেন এবং তার মাঝখানে বসতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1595) وعنه أيضًا عن جابر بن سمرة قال ما رأيت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) قطُّ يخطب فى الجمعة إلاَّ قائمًا، فمن حدَّثك أنَّه جلس فكذِّبه فإنَّه لم يفعل، كان النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يخطب ثمَّ يقعد ثمَّ يقوم فيخطب: كان يخطب خطبتين يقعد بينهما في الجمعة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯২. (য) জাবির ইবনে সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে নামায পড়েছি। তাঁর নামায ও খুতবা ছিল নাতিদীর্ঘ। তিনি আরো বলেন, রাসূল (ﷺ) দু'টি খুতবা দিতেন, উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন। তিনি (খুতবায়) কুরআন পড়তেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন।
(মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ।)
(মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1596) ز عن جابر بن سمرة رضي الله عنه قال صلَّيت مع النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) فكانت صلاته قصدًا وخطبته قصدًا (3) وبهذا الإسناد قال كانت لرسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم خطبتان يجلس بينهما يقرأ القرآن ويذكِّر النَّاس (4)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৩. ওয়াসিল ইবনে হাইয়্যান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু ওয়াইল (রা) বলেছেন, আম্মার (রা) আমাদের উদ্দেশ্যে সংক্ষেপে সারগর্ভ ভাষণ (খুতবা) দিলেন। তিনি মিম্বর থেকে নামলে আমরা বললাম, হে আবুল ইয়াকযান, আপনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ত ভাষণ দিয়েছেন, যদি তা কিছুটা দীর্ঘ করতেন। তিনি বললেন, আমি রাসুল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কোন ব্যক্তির দীর্ঘ নামায ও সংক্ষিপ্ত ভাষণ তার প্রজ্ঞার পরিচায়ক। অতএব, তোমরা নামায় দীর্ঘ কর এবং ভাষণ সংক্ষিপ্ত কর। অবশ্যই কোন কোন ভাষণে যাদুর প্রভাব থাকে।
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1597) عن واصل بن حيَّان (1) قال قال أبو وائل خطبنا عمَّار بن ياسرٍ فأبلغ وأوجز، فلمَّا نزل قلنا يا أبا اليقظان لقد أبلغت وأوجزت فلو كنت تنفَّست (2) قال إنِّي سمعت رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يقول إنَّ طول صلاة الرَّجل وقصر خطبته مئنَّةٌ (3) من فقهه، فأطيلوا الصَّلاة واقصروا (4) الخطبة فإنَّ من البيان لسحرًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৪: আবূ রাশিদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা) আমাদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলেন, তখন কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তি বলল, আপনি হৃদয়গ্রাহী খুতবা দিয়েছেন। আপনি যদি খুতবাটি আরো দীর্ঘ করতেন। তিনি বললেন, রাসূল (ﷺ) খুতবা দীর্ঘায়িত করতে নিষেধ করেছেন।
(ইমাম আহমদ ছাড়া এ শব্দ কেউ উল্লেখ করেন নি। হাদীসের সনদ উত্তম।)
(ইমাম আহমদ ছাড়া এ শব্দ কেউ উল্লেখ করেন নি। হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1598) عن أبي راشدٍ قال خطبنا عمَّار بن ياسرٍ فتجوز في خطبته، فقال رجلٌ من قريشٍ لقد قلت قولاً شفاءً (1) فلو أنَّك أطلت، فقال إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم نهى أن نُطيل الخطبة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৫. হাকাম ইবনে হাযান আল-কুলাফী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা সাত জন বা নয় জন মানুষ রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে অনুমতি দিলে, আমরা প্রবেশ করলাম, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। আমরা আপনার নিকট এ জন্য এসেছি যে, আপনি আমাদের কল্যাণের জন্য দু'আ করুন। তিনি আমাদের কল্যাণের জন্য দু'আ করলেন। এরপর তিনি নির্দেশ দিলে তদানুসারে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করা হলো। তারপর তিনি আমাদেরকে কিছু খেজুর দেওয়ার নির্দেশ দিলেন, আর তখন অনটনের সময় ছিল।
তিনি বলেন, তারপর আমরা কিছুদিন রাসূল (ﷺ)-এর নিকট অবস্থান করেছিলাম এবং জুমু'আর নামাযে অংশ গ্রহণ করেছিলাম, আমরা দেখলাম রাসূল (ﷺ) খুতবা দেওয়ার জন্য ধনুক অথবা লাঠির উপর ভর করে দাঁড়ালেন, তারপর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, পবিত্র ও বরকতময় শব্দ দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন, তারপর বললেন, হে মানুষেরা। তোমাদেরকে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে পালন করতে ও বহন করতে পারবে না। বরং তোমরা বাড়াবাড়ি না করে মধ্যম পন্থা অবলম্বন কর এবং সুসংবাদ দাও। (অর্থাৎ নেকের কাজ কম হলেও নিয়মিত কর)।
(আবু দাউদ, মুসনাদে আবু ইয়ালা, সুনানে বায়হাকী। হাদীসটির সনদ হাসান। ইবনে খুযাইমা ও ইবনুস সাকান একে সহীহ বলেছেন। ইবনে হাজার একে হাসান বলেছেন।)
তিনি বলেন, তারপর আমরা কিছুদিন রাসূল (ﷺ)-এর নিকট অবস্থান করেছিলাম এবং জুমু'আর নামাযে অংশ গ্রহণ করেছিলাম, আমরা দেখলাম রাসূল (ﷺ) খুতবা দেওয়ার জন্য ধনুক অথবা লাঠির উপর ভর করে দাঁড়ালেন, তারপর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, পবিত্র ও বরকতময় শব্দ দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন, তারপর বললেন, হে মানুষেরা। তোমাদেরকে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে পালন করতে ও বহন করতে পারবে না। বরং তোমরা বাড়াবাড়ি না করে মধ্যম পন্থা অবলম্বন কর এবং সুসংবাদ দাও। (অর্থাৎ নেকের কাজ কম হলেও নিয়মিত কর)।
(আবু দাউদ, মুসনাদে আবু ইয়ালা, সুনানে বায়হাকী। হাদীসটির সনদ হাসান। ইবনে খুযাইমা ও ইবনুস সাকান একে সহীহ বলেছেন। ইবনে হাজার একে হাসান বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1599) عن الحكم بن حزنٍ الكلفىَّ رضى الله عنه قال قدمت على رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم سابع سبعةٍ أو تاسع تسعةٍ (2) قال فأذن لنا فدخلنا فقلنا يا رسول الله أتيناك لتدعو لنا بخيرٍ، قال فدعا لنا بخيرٍ وأمر بنا فأنزلنا، وأمر لنا بشيءٍ من تمرٍ والشَّأن إذ ذاك دون (3) قال فلبثنا عند رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أيَّامًا شهدنا فيها الجمعة، فقام رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم متوكِّئًا على قوسٍ أو قال على عصًا (4) فحمد الله وأثنى عليه كلماتٍ (5) خفيفاتٍ طيباتٍ مباركاتٍ، ثمَّ قال يا أيُّها النَّاس إنَّكم لن تفعلوا ولن تطيقوا كلَّ ما أمرتم به ولكن سدِّدوا وأبشروا (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৬, বারা ইবনে আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ধনুক অথবা লাঠির উপর ভর দিয়ে খুতবা দিতেন।
(আবু দাউদ, তবারানী মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে। ইবনুস সাকান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(আবু দাউদ, তবারানী মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে। ইবনুস সাকান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1600) عن يزيد بن البراء (بن عازبٍ) عن أبيه رضي الله عنه أن النبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم خطب على قوسٍ أو عصًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৭. হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান আস-সুলামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমারা ইবনে রুআইবা আস সুলামী (রা)-এর পাশে ছিলাম। উমাইয়া গভর্নর বিশর বিন মারওয়ান আমাদের উদ্দেশ্য খুতবা দিচ্ছিলেন, খুতবায় দু'আ করার সময় তিনি দু'হাত উপরে উঠালেন, তখন উমারা (রা) বললেন, অর্থাৎ আল্লাহ এ দু'টি হাতকে ধ্বংস করুন। আমি রাসূল (ﷺ)-কে খুতবায় দু'আ করার সময় এভাবে ইশারা করতে দেখেছি, তিনি শুধু তজনিী উঠাতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1601) عن حُصين بن عبد الرَّحمن السَّلميِّ قال كنت إلى جنب عمارة بن رؤيبة (2) السَّلميِّ رضى الله عنه وبشرٌ (3) يخطبنا فلمَّا دعا رفع يديه (4) فقال عمارة يعني قبَّح الله هاتين اليدين أو اليديتين (5) رأيت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) وهو يخطب إذا دعا يقول هكذا، ورفع السَّبَّابة وحدها (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১. অনুচ্ছেদ: জুমু'আর দিন দুই খুতবা প্রদান, খুতবা প্রদানের পদ্ধতি, খুতবার আদব ও উভয়ের মাঝে বসা
১৫৯৮, হারিসা ইবনে নু'মান কন্যা উম্মু হিশাম বলেন, দেড়-দুই বছর যাবত আমাদের ও রাসূল (ﷺ)-এর রান্নাঘর একই ছিল, আমি রাসূল (ﷺ)-এর মুখ থেকে শুনেই কাফ-ওয়াল কুরআনিল মাজীদ সূরাটি মুখস্ত করেছি। তিনি প্রতি জুমু'আর দিন মিম্বারে দাঁড়িয়ে জনগণের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত খুতবায় এই সুরাটি পড়তেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, হাকেম মুসতাদরাক গ্রন্থে, বায়হাকী সুনানে কুবরা গ্রন্থে।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, হাকেম মুসতাদরাক গ্রন্থে, বায়হাকী সুনানে কুবরা গ্রন্থে।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء في الخطبتين يوم الجمعة وهيئاتهما وآدابهما والجلوس بينهما
(1602) عن أمِّ هشامٍ بنت حارثة (2) رضى الله عنها قالت لقد كان تنُّورنا (3) وتنُّور النَّبيِّ (صلى الله عليه وسلم) واحدًا سنتين أو سنةً وبعض سنةٍ (4) وما أخذت ق والقرآن المجيد إلاَّ على لسان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم، كان يقرأ بها كلَّ يوم جمعةٍ على المنبر إذا خطب النَّاس
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৫৯৯, ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, জুমু'আর দিন তাঁর খুতবা দেওয়ার সময় যে ব্যক্তি কথা বলে, তার উদাহরণ ঐ গাধা যে কিতাবসমূহ বহন করে। আর যে ব্যক্তি কথা বলে তাকে যদি কেউ বলে, চুপ কর, তাহলে তার জুমু'আর নামায (পরিপূর্ণ) হবে না।
(সনদের একজন রাবী বিতর্কিত। বাযযার ও তবারানী।)
(সনদের একজন রাবী বিতর্কিত। বাযযার ও তবারানী।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1603) عن ابن عباسٍ رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم من تكلَّم يوم الجمعة وهو يخطب فهو كمثل الحمار يحمل أسفارًا (1) والَّذي يقول له أنصت ليس له جمعةٌ (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০০, আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) বলেন, তুমি যদি জুমু'আর দিন ইমামের খুতবা দেওয়া অবস্থায় তোমার সাথীকে বল, চুপ কর, তাহলে তুমি কথা বললে বা অনর্থক কাজ করলে।
আবূ হুরায়রা (রা)-এর দ্বিতীয় বর্ণনায়, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তুমি যদি জুমু'আর দিন ইমামের খুতবা দেওয়া অবস্থায় তোমার সাথীকে বল চুপ কর, তাহলে তুমি একটি অনর্থক কাজ করলে।
তাঁর তৃতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি যদি মানুষদেরকে বল চুপ কর, তাহলে তুমি তোমার নফসকে দিয়ে একটি অনর্থক কাজ করালে।
(বুখারী মুসলিম।)
আবূ হুরায়রা (রা)-এর দ্বিতীয় বর্ণনায়, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তুমি যদি জুমু'আর দিন ইমামের খুতবা দেওয়া অবস্থায় তোমার সাথীকে বল চুপ কর, তাহলে তুমি একটি অনর্থক কাজ করলে।
তাঁর তৃতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি যদি মানুষদেরকে বল চুপ কর, তাহলে তুমি তোমার নফসকে দিয়ে একটি অনর্থক কাজ করালে।
(বুখারী মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1604) عن أبي هريرة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا قلت لصاحبك يوم الجمعة والإمام يخطب أنصت فقد لغيت (3) قال سفيان قال أبو الزِّناد هي لغة أبى هريرة (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (4) قال سمعت رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يقول إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب يوم الجمعة فقد لغوت (وعنه من طريقٍ ثالثٍ) (1) قال قال رسول الله (صلى الله عليه وسلم) إذا قلت للنَّاس أنصتوا فقد ألغيت على نفسك.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০১. উবাই ইবনে কা'ব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) জুমু'আর নামাযে খুতবার সময় দাঁড়িয়ে সূরা বারায়া (তাওবা) পাঠ করেন এবং আমাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর দিনসমূহের ইতিহাস ও নেয়ামতসমূহ বর্ণনা করেন। তখন উবাই ইবনে কা'ব রাসুলের (ﷺ) সামনা সামনি বসা ছিলেন এবং আবূদ্দারদা ও আবূ যর (রা) তাঁদের উভয়ের কেউ উবাইকে খোঁচা মেরে বললেন, হে উবাই সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে? আমি তো তা এখনি শুনলাম। তিনি তার দিকে ইশারা করে বললেন চুপ করুন। নামায শেষ হলে তিনি বললেন, আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করলাম সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে, অথচ আপনি আমাকে তা বললেন না। উবাই বলেন, আজকে আপনার নামায হয় নি, অনর্থক কাজই হয়েছে। তিনি রাসূল (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে, বিষয়টি তাঁকে বর্ণনা করেন এবং উবাই (রা) যা বলেছেন, তাঁকে তাও অবহিত করেন। তখন রাসূল (ﷺ) বলেন, উবাই ঠিকই বলেছে।
(ইবনে মাজাহ, হাদীসটির সনদ সহীহ এবং বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(ইবনে মাজাহ, হাদীসটির সনদ সহীহ এবং বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1605) ز عن عطاء بن يسارٍ عن أبىِّ بن كعبٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله (صلى الله عليه وسلم) قرأ يوم الجمعة براءةً وهو قائمٌ يذكِّر بأيَّام الله (2) وأبيُّ ابن كعب وجاه النبيِّ (صلى الله عليه وسلم) وأبو الدَّرداء وأبو ذرٍ، فغمز أبىَّ بن كعبٍ أحدهما فقال متى أنزلت هذه السورة يا أبىُّ فإنِّى لم أسمعها إلاّ الآن؟ فأشار إليه أن اسكت (3) فلمَّا انصرفوا قال سألتك متى أنزلت هذه السُّورة فلم تخبر، قال أبىُّ ليس لك من صلاتك اليوم إلاَّ ما لغوت (4) فذهبت إلى رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فذكرت ذلك له وأخبرته بالَّذي قال أبىُّ فقال صدق أبىُّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০২. আবুদ্দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূল (ﷺ) মিম্বরে বসলেন এবং জনগণের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন এবং কুরআনের আয়াত তেলাওয়াত করলেন আমার পাশেই বসা ছিলেন উবাই ইবনে কাব (রা) আমি তাঁকে বললাম, হে উবাই এই আয়াতটি কখন অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি আমার সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালেন, পুনরায় আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, এবারও তিনি কথা বলতে অস্বীকার করলেন, রাসুল (ﷺ) খুতবা শেষ করলে উবাই (রা) আমাকে বললেন, আপনার জুমু'আর নামাযের কিছুই হয় নি। শুধু অনর্থক কাজই হয়েছে। রাসুল (ﷺ) যখন সালাত শেষ করলেন, তখন আমি তার কাছে আসলাম এবং তাকে খবর দিলাম যে হে রাসূলাল্লাহ আপনি একটি আয়াত তেলাওয়াত করলেন তখন আমার পাশে উবাই (রা) বসা ছিলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করেছিলাম এ আয়াতটি কখন অবতীর্ণ হয়েছে, তিনি আমার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করলেন, আপনি খুতবা শেষ করলে উবাই বললেন, আমার জুমু'আর নামায হয়নি বরং অনর্থক কাজ হয়েছে। রাসূল বললেন উবাই সঠিক কথা বলেছে। তুমি যখন শুনবে ইমাম মিম্বরে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন, তখন ইমামের ভাষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকবে।
(তবারানী, হাইছামী বলেন, আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগা।)
(তবারানী, হাইছামী বলেন, আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগা।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1606) عن أبى الدَّرداء رضى الله عنه قال جلس رسول الله (صلى الله عليه وسلم) يومًا على المنبر فخطب النَّاس وتلا آيةً وإلى جنبي أبىَّ بن كعبٍ فقلت له يا أبىُّ متى أنزلت هذه الآية؟ قال فأبى أن يكلَّمنى، ثمَّ سألته فأبى أن يكلِّمنى، حتَّى نزل رسول الله (صلى الله عليه وسلم) فقال لى أبىُّ مالك من جمعتك إلاَّ ما لغيت، فلمَّا انصرف رسول الله (صلى الله عليه وسلم) جئته فأخبرته فقلت أي رسول الله إنَّك تلوت آيةً وإلى جنبي أبىُّ كعبٍ فسألته متى أنزلت هذه الآية؟ فأبى أن يكلِّمنى حتَّى إذا نزلت زعم أبىٌّ أنَّه ما ليس لي من جمعتى إلاَّ ما لغيت، فقال صدق أبىُّ، فإذا سمعت إمامك يتكلَّم فأنصت حتَّى يفرغ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০৩. আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জুমু'আর দিন খুতবা শেষে মিম্বার থেকে নামার পরে কেউ কেউ তাঁর প্রয়োজনে তাঁর সাথে কথা বলতো তিনি তার সাথে কথা বলতেন। তারপর তাঁর সালাতে স্থানে এগিয়ে যেয়ে (জুমু'আর) সালাত আদায় করতেন।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1607) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله تعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم ينزل من المنبر يوم الجمعة فيكلِّمه الرَّجل فى الحاجة فيكلِّمه ثمَّ يتقدَّم إلى مصلاَّه فيصلِّي (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০৪. মূসা ইবনে তালহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শুনলাম উসমান (রা) রয়েছেন। এমতাবস্থায় নামাযের ইকামত দেওয়া হলো। তিনি তখনও মানুষের অবস্থা ও বাজারের মূল্য খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।
(হায়ছামী বলেন, আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ইরাকী হাদীসের সনদ সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
(হায়ছামী বলেন, আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ইরাকী হাদীসের সনদ সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1608) عن موسى بن طلحة قال سمعت عثمان بن عفَّان رضي الله عنه وهو على المنبر يقيم الصَّلاة وهو يستخبر النَّاس يسألهم عن أخبارهم وأسعارهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২ পরিচ্ছেদ: ইমামের খুতবার সময় কথা বলা নিষিদ্ধ (ইমামের জন্য খুতবাদানকালে কথা বলার ও বলানোর অনুমতি এবং প্রয়োজনে কথা বলা, কোন বিশেষ কারণে খুতবা বন্ধ করে দেওয়া)
১৬০৫, আবূ রিফাআ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যখন রাসুল (ﷺ)-এর নিকট পৌছলাম, তখন তিনি খুতবা দিচ্ছিলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল। এক আগন্তুক তার দীন সম্পর্কে ভিজ্ঞেস করতে এসেছে। সে জানে না তার দীন কি? রাসূল (ﷺ) খুতবা বন্ধ করে আমার দিকে লক্ষ্য করে আমার নিকট এসে পৌছলেন। তাঁর জন্য একটি চেয়ার আনা হলো। রাসূল (ﷺ) তাতে বসে আল্লাহ তাঁকে যা শিখিয়েছেন তা আমাকে শিক্ষা দিতে লাগলেন, অতঃপর ফিরে এসে অবশিষ্ট খুতবা শেষ করলেন।
(মুসলিম, বায়হাকী, সুনানে কুবরা। হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
(মুসলিম, বায়হাকী, সুনানে কুবরা। হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(12) باب المنع من الكلام والإمام يخطب (والرخصة في تكلمه وتكليمه لمصلحة - وجواز قطع الخطبة لأمر يحدث)
(1609) عن أبى رفاعة رضي الله عنه قال انتهيت إلى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم وهو يخطب فقلت يا رسول الله رجلٌ غريبٌ جاء يسأل عن دينه لا يدرى ما دينه، قال فأقبل إلىَّ فأتى بكرسيٍ (1) فقعد عليه فجعل يعلِّمني ممَّا علَّمه الله تعالى، قال ثمَّ أتى خطبته فأتمَّ آخرها
তাহকীক: