মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৩৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৬৬) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, যখন তাদের (কোন জনগোষ্ঠীর বিশেষত সফরে) পরিমাণ হবে তিনজন, তখন যেন তারা তাদের একজনকে ইমাম বানিয়ে নেয়। আর ইমামতির অধিক হকদার হচ্ছে তাদের মধ্যে কিরাতে যে বেশী ভাল।
(হাদীসটি মুসলিম ও নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1370) عن أبى سعيدٍ (الخدريِّ رضى الله عنه) عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم إذا كانوا ثلاثةً فليؤمَّهم أحدهم، وأحقَّهم بالإمامة أقرؤهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৬৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী (ﷺ) বলেন, গোত্রের ইমামতি করবেন তিনি, যিনি কুরআন তিলাওয়াতে বেশী ভাল।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, আমি এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি, এর রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1371) عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال يؤمُّ القوم أقرؤهم للقرآن
হাদীস নং: ১৩৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৬৮) আমর ইবন সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে কিছু আরোহী আসল আমরা তাদের কাছ থেকে কুরআন শিখছিলাম। তারা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মাঝে যে বেশী বেশী কুরআন জানে সে-ই ইমামতি করবে।
(হাদীসটি তবারানী তাঁর মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন, এ হাদীসের সনদের রাবীগণ সহীহ হাদীসের সনদের রাবীদের ন্যায়।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1372) عن عمرو بن سلمة رضى الله عنه قال كانت تأتينا الرَّكبان من قبل رسول الله صلى الله عليه وسلم فنستقرئهم فيحِّثونا أن رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال ليؤمَّكم أكثركم قرآنًا
হাদীস নং: ১৩৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৬৯) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা। তিনি বলেন, আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুরাইজ ও ইউনুস তাঁরা দু'জনেই বলেছেন, আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন যায়িদ। তিনি আবু কিলাবা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন আর তিনি বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন হুয়াইরিছ আল-লাইসী (রা) থেকে। তিনি বলেন, আমরা যুবক অবস্থায় একবার নবী (ﷺ)-এর দরবারে হাযির হলাম এবং তাঁর কাছে প্রায় ২০ দিন থাকলাম। এরপর রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা যদি তোমাদের দেশে ফিরে যাও তবে জাতির লোকজনকে (তোমরা যা শিখেছ তা) তোমরা শিক্ষা দিবে। মূলত রাসুল (ﷺ) ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু (তাই দেশে যাবার কথা বলেছিলেন)। সুরাইজ বলেন, তিনি বলেছেন, তোমরা তাদেরকে নির্দেশ দিবে যে, তোমরা সালাত এইভাবে এইভাবে আদায় কর। ইউনুস বলেন, তিনি বলেছেন, তোমরা তাদেরকে নির্দেশ দিবে তারা যেন এই সময়ে এই সালাত এবং ঐ সময়ে ঐ সালাত আদায় করে। অতএব যখনই সালাতের সময় উপস্থিত হবে তখনই তোমাদের মধ্য থেকে একজন আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।
(অন্য সনদে এসেছে) খালিদ আল-হাযযা-আবূ কিলাবা থেকে এবং তিনি মালিক ইবন আল-হুরাইরিছ (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নবী (ﷺ) তাঁকে এবং তাঁর সাথীকে বলেছেন, যখনই সালাতের সময় হবে তোমরা আযান দিবে এবং ইকামাত দিবে। তিনি আরেক সময় বলেছেন- তোমরা ইকামাত দিবে অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে। খালিদ বলেন, আমি আবূ কিলাবাকে বললাম, তবে কিরাআতের অবস্থান কোথায়? তিনি বললেন, ঐ দু'টোই কাছাকাছি পর্যায়ের (অর্থাৎ কখনো কিরাত প্রাধান্য পায় কখনো বয়স প্রাধান্য পায়)। (আরেক বর্ণনায় আরো এসেছে) তিনি বলেছেন, তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছ সেভাবেই তোমরা সালাত আদায় করবে।
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1373) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا سريجٌ ويونس قالا ثنا حمَّادٌ يعني ابن زيدٍ عن أبى قلابة عن مالك بن الحويرث اللَّيثىِّ رضي الله عنه قال قدمنا على النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ونحن شببة قال فأقمنا عنده نحوًا من عشرين ليلةٍ فقال لنا لو رجعتم إلى بلادكم، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم رحيمًا فعلَّمتموهم، قال سريجٌ وأمرتموهم أن يصلُّون كذا حين كذا قال يونس ومروهم فليصلُّوا صلاةً كذا فى حين كذا وصلاة كذا فى حين كذا، فإذا حضرت الصلَّاة فليؤذَّن لكم أحدكم وليؤمَّكم أكبركم
(ومن طرقٍ ثانٍ) عن خالدٍ الحذَّاء عن أبى قلابة عن مالك بن الحويرث أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال له ولصاحب له إذا حضرت الصلَّاة فأذَّنا وأقيما وقال مرَّة فأقيما ثمَّ ليؤمَّكما
أكبر كما قال خالدٌ فقلت لأبى قلابة فأين القراءة قال إنهما كانا متقاربين (زاد رواية) صلُّوا كما ترونى أصلِّى
হাদীস নং: ১৩৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৭০) আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার তিনি আবূ মূসা আশ'আরী (রা)-এর বাড়িতে আসলেন, অতঃপর সালাতের ওয়াক্ত সমুপস্থিত হল। তখন আবু মূসা আশ'আরী বললেন, হে আবু আবদুর রহমান* (অর্থাৎ, হে আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ।) তুমি সামনে যাও (ইমামতি কর)। কেননা তুমি আমার হতে বয়সে ও জ্ঞানে বড়। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ জবাব দিলেন, না। বরং তুমিই সামনে যাও। কেননা আমরা তোমার বাড়িতে তোমারই মসজিদে এসেছি। অতএব তুমিই এর বেশী হকদার। রাবী বলেন- অতঃপর আবু মুসা আশ'আরী (রা) সামনে গেলেন এবং পাদুকাদ্বয় খুলে রাখলেন তিনি যখন সালাম ফিরালেন- আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ তাঁকে জিজেস করলেন, পাদুকাদ্বয় খোলাতে তোমার উদ্দেশ্য কি? তুমি কি পবিত্র পর্বতে আরোহণ করেছ? (অর্থাৎ মূসা যখন পবিত্র পর্বতে আরোহণ করেন তখন তিনি পাদুকা খুলেছিলেন।) নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে পাদুকা ও মোজাসহ সালাত আদায় করতে দেখেছি।
*(এটি হযরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদের উপনাম।)
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসের সনদে একজন রাবীর নাম জানা যায় নি। তবারানী অবশ্য হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1374) عن ابن مسعودٍ رضي الله عنه أنَّه أتى أبا موسى الأشعرىَّ فى منزله فحضرت الصَّلاة، فقال أبو موسى تقدَّم يا أبا عبد الرَّحمن فإنَّك أقدم سنًّا وأعلم، قال لا، بل تقدَّم أنت فإنَّما أتيناك في منزلك ومسجدك فأنت أحقُّ قال فتقدَّم أبو موسى فخلع نعليه، فلمَّا سلَّم قال ما أردت إلى خلعهما؟ أبا الواد المقدَّس؟ لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلَّى في الخفَّين والنَّعلين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৭১) বুদাইল ইবন মায়সারা আল-উকাইলী থেকে তিনি আবূ আতিয়্যাহ নামীয় এক বাক্তি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মালিক বিন হুয়াইরিছ (রা) আমাদের সালাতের স্থলে আসতেন, কথাবার্তা বলতেন। তিনি বলেন, একদিন সালাতের সময় হয়ে গেল, আমরা তাঁকে বললাম, আপনি সামনে যান। তিনি জবাব দিলেন, না। বরং তোমাদেরই কেউ সামনে যাক। আর আমি কেন সামনে যাচ্ছি না সে ব্যাপারে তোমাদের হাদীস বর্ণনা করছি, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে অন্য গোত্রে সফরে যায় সে তথায় ইমামতি করবে না বরং সে গোত্রের কোন একজন ইমামতি করবে।
(হাদীসটি আবু দাউদ, তিরমিযী ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1375) عن بديل بن ميسرة العقيلىِّ عن رجلٍ منهم يكنى أبا عطيَّة
قال كان مالك بن الحويرث رضى الله عنه يأتينا فى مصلاَّنا يتحدَّث، قال فحضرت الصَّلاة يومًا فقلنا تقدَّم، فقال لا، ليتقدَّم بعضكم حتَّى أحدَّثكم لم لا أتقدَّم سمعت رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يقول إنَّ من زار قومًا فلا يؤمَّهم، وليؤمَّهم رجلٌ منهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ অন্ধ ও শিশুর ইমামতি এবং নারীদের জন্য নারীদের ইমামতি প্রসঙ্গ
(১৩৭২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) উম্মে মাকতুম (রা)-কে দুইবার মদীনার (গভর্নরের) দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি সালাতের ইমামতি করতেন অথচ তিনি ছিলেন অন্ধ।
(হাদীসটি আবু দাউদ ও ইবন হিব্বান বর্ণনা করেছেন। আবু ইয়ালা ও তবারানী হাদীসটি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তবারানী হাসান সনদে ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب إمامة الأعمى والصبى والمرأة بمثلها
(1376) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم استخفاف ابن أمِّ مكتومٍ على المدينة
مرَّتين يصلَّي بهم وهو أعمى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ অন্ধ ও শিশুর ইমামতি এবং নারীদের জন্য নারীদের ইমামতি প্রসঙ্গ
(১৩৭৩) উক্ত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইতবান ইবন মালিক (রা) অন্ধ হয়ে গেলেন। অতঃপর তিনি রাসূল (ﷺ)-কে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)। আপনি যদি আমার বাড়িতে বা গৃহে এসে সালাত আদায় করতেন তবে ঐ স্থানটিকে আমি মসজিদ হিসেবে বা সালাতের জায়গা হিসেবে স্থির করে নিতাম। অতঃপর নবী (ﷺ) তাঁর বাড়ি আসলেন এবং তাঁর বাড়ি অথবা গৃহে সালাত আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
(3) باب إمامة الأعمى والصبى والمرأة بمثلها
(1377) وعنه أيضًا أنَّ عتبان بن مالمكٍ رضى الله عنه ذهب بصره فقال يا رسول الله لو جئت صلَّيت في دارى أو قال في بيتى لأتخذت مصلَّاك مسجدًا، فجاء النَّبىُّ صلى الله عليه وسلم فصلَّى فى داره أو قال فى بيته "الحديث"
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ অন্ধ ও শিশুর ইমামতি এবং নারীদের জন্য নারীদের ইমামতি প্রসঙ্গ
(১৩৭৪) আমর ইবন সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, গ্রামেই আমরা স্থায়ী বসবাস করতাম। কিছু আরোহী, কোন কোন বর্ণনায় আছে, কিছু মানুষ রাসুল (ﷺ)-এর দরবার থেকে ফিরে আমাদের পাশ দিয়ে যেত, আমি তাদের কাছে যেতাম, তাদের কাছ থেকে শুনে শুনে আলকুরআনের কিছু অংশ মুখস্থ করে নিয়েছিলাম। আর তখন মানুষেরা তাদের ইসলাম গ্রহণের জন্য মক্কা বিজয়ের অপেক্ষা করছিল। অতঃপর যখন মক্কা বিজয় হয়ে গেল তখন কোন লোক আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর দরবারে আসতো, এসে বলতো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমি অমুক গোত্রের প্রতিনিধি। উক্ত গোত্রের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। (রাবী বলেন) আমার পিতা তাঁর গোত্রের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ নিয়ে গেলেন এবং তাদের নিকটে ফিরে এসে বললেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন যে, তোমাদের যার কাছে বেশী কুরআন আছে তাকে সামনে পাঠাও (ইমাম বানাও)। তারা দৃষ্টিপাত করলো। তখন আমি ঘন বসতি বস্তির মাঝেই ছিলাম। তারা দেখল যে, আমাদের বিরাট জনগোষ্ঠীর মাঝে আমার চেয়ে বেশী কুরআন জানে এমন কাউকে পেল না, ফলে তারা আমাকেই ইমাম বানিয়ে সামনে পাঠালো। অথচ আমি তখন ছোট। বালক। আমি তাদের সালাত পড়িয়ে দিলাম এ অবস্থায় আমার গায়ে ছিল একটি মাত্র চাদর। সেজন্য আমি যখন রুকু করছিলাম সিজদা করছিলাম তখন তা উপরে উঠে যাচ্ছিলো। ফলে আমার লজ্জাঅঙ্গ প্রকাশ হয়ে যাচ্ছিলো। যখন আমাদের সালাত আদায় সম্পন্ন হল এক অতি বৃদ্ধা মহিলা বললো, তোমরা তোমাদের ক্বারী সাহেবের (ইমামের) পিছন দিক ঢেকে দাও, যেন তা আমাদের নজরে না আসে। রাবী বলেন, তখন তারা আমার জন্য একটি জামা বানিয়ে দিল। তিনি উল্লেখ করেন, এতে তিনি প্রচণ্ড খুশী হয়েছিলেন।
(অন্য সনদে এসেছে) তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই তারা প্রতিনিধিরূপে রাসূলের দরবারে আগমন করলো, অতঃপর যখন তারা ফিরে যাবার মনস্থ করল তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল। কে আমাদের ইমামতি করবে। তিনি জবাব দিলেন, তোমাদের মাঝে যার কাছে বেশী কুরআন জমা আছে (মুখস্থ আছে) অথবা যে কুরআন অনুযায়ী বেশী আমল করে। রাবী বলেন, তারা আমার গোত্রে এমন কাউকে পাই নি যার আমার পরিমাণ কুরআন মুখস্থ আছে। রাবী বলেন, অতঃপর তারা আমাকেই (ইমাম স্থির করে) সামনে পাঠাল তখনও আমি ছোট বালক। তখন আমি আমার একমাত্র ছোট চাদরেই তাদের ইমামতি করতাম। রাবী বলেন, জীবনে আমি এ জামাআত দেখি নাই যার ইমামতি আমি করি নি। অর্থাৎ উক্ত স্থানের সকল প্রকার জামা'আতের ইমামতি আমি করতাম এবং আজ পর্যন্ত আমি তাদের জানাযার সালাতও পড়িয়ে দেই।)
(হাদীসটি বুখারী, আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(3) باب إمامة الأعمى والصبى والمرأة بمثلها
(1378) عن عمرو بن سلمة رضى الله عنه قال كنَّا على حاضرٍ فكان الركبان (وفى روايةٍ فكان النَّاس) يمرُّون بنا راجعين من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذنو منهم فأسمع حتَّى حفظت قرآنًا، وكان النَّاس ينتظرون بإسلامهم فتح مكَّة، فامَّا فتحت جعل الرَّجل يأتيه فيقول يا رسول الله أنا وافد بني فلانٍ جئتك
بإسلامهم، فانطلق أبى بإسلام قومه، فرجع إليهم فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قدَّموا أكثركم قرآنًا قال فنظروا، وإنَّا لعلى حواءٍ عظيمٍ فما وجدوا فيهم أحدًا أكثر قرآنًا منَّى، فقدَّمونى وأنا غلام فصلَّيت بهم وعلىَّ بردةٌ وكنت إذا ركعت أو سجدت قلصت فتبدوا عورتى، فلما صلَّينا تقول عجوزٌ لنا دهريَّة غطُّوا عنَّا أست قارئكم، قال فقطعوا لى قميصًا فذكر أنَّه فرح به فرحًا شديدًا
(ومن طريقٍ ثانٍ) عن أبيه أنَّهم وفدوا إلى النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم، فلمَّا أرادوا أن ينصرفوا قالوا يا رسول الله من يؤمنا؟ قال أكثركم جمعًا للقرآن أو أخذًا للقرآن قال فلم يكن أحدٌ من القوم جمع من القرآن ما جمعت، قال فقدَّمونى وأنا غلامٌ، فكنت أؤمُّهم وعلىَّ شملةٌ لى قال فما شهدت مجمعًا
من جرمٍ إلاَّ كنت إمامهم وأصلِّى على جنائزهم إلى يومى هذا
হাদীস নং: ১৩৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ অন্ধ ও শিশুর ইমামতি এবং নারীদের জন্য নারীদের ইমামতি প্রসঙ্গ
(১৩৭৫) আবু নুয়াইম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ওলীদ, তিনি বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার দাদী। তিনি উন্মু ওরাকা বিনতে আব্দুল্লাহ ইবন আল হারিছ আল-আনসারী হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি কুরআন মুখস্থ করতেন আর নবী (ﷺ) তাঁকে তাঁর বাড়ির অধিবাসীদের (নারীদের) ইমামতি করতে আদেশ দিয়েছেন। তাঁর ছিল একটা মুয়াযযিন (যে আযান দিত) আর তিনি অধিবাসীদের (নারীদের) ইমামতি করতেন।
(হাদীসটি আবূ দাউদ, বায়হাকী, দারে কুতনী এবং মুয়াত্তা মালিকে বর্ণিত হয়েছে। ইবন খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب إمامة الأعمى والصبى والمرأة بمثلها
(1379) عن أبى نعيمٍ قال حدَّثنا الوليد قال حدَّثنى جدَّثني عن أمِّ ورقة بنت عبد الله بن الحارث الأنصارىِّ وكانت قد جمعت القرآن وكان النَّبيُّ صلَّي الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قد أمرها أن تؤمَّ أهل دارها وكان لها مؤذَّنٌ وكانت تؤمُّ أهل دارها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: ইমামের কিরাত ছোট করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
(১৩৭৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মানুষের সালাত আদায় করিয়ে দিবে অর্থাৎ ইমামতি করবে তার উচিত সালাতকে হালকা করা অর্থাৎ কিরাত ছোট করা। কেননা, মানুষদের মধ্যে অনেকেই দুর্বল অসুস্থ এবং বৃদ্ধ রয়েছে। কোন কোন বর্ণনায় দুর্বলদের পরিবর্তে ছোট ছোট বালকের কথা রয়েছে আর যখন কেউ নিজে নিজে সালাত আদায় করবে তখন সে তাকে যত ইচ্ছা প্রলম্বিত করতে পারে। উক্ত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অপর সনদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখিত হয়েছে যে, মানুষের মধ্যে অনেকেই দুর্বল, বয়োবৃদ্ধ ও অভাবী লোকজন রয়েছে।
كتاب الصلاة
(4) باب ما يؤمر به الأمام من التخفيف
(1380) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا صلَّى أحدكم للنَّاس فليخفِّف فإنَّ فيهم الضَّعيف والسَّقيم والكبير (وفي روايةٍ
والصَّغير بدل السقَّيم) وإذا صلَّى أحدكم لنفسه فليطوَّل ما شاء (1) (وعنه من طريقٍ ثانٍ (2) بنحوه وفيه) فإنَّ فيهم الضَّعيف والشَّيخ الكبير وذا الحاجة
হাদীস নং: ১৩৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: ইমামের কিরাত ছোট করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
(১৩৭৭) উসমান ইবন আবুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাকে বলেছেন, হে উসমান। তুমি তোমার গোত্রের ইমামতি করবে। আর যে গোত্রের ইমামতি করে তার উচিৎ সালাতকে হালকা করা। অর্থাৎ ছোট ছোট কিরাত ব্যবহার করা। কেননা যারা জামা'আতে উপস্থিত হয় তাদের মধ্যে দুর্বল, বৃদ্ধ ও অভাবী মানুষ থাকে। আর যখন তুমি নিজে নিজে সালাত আদায় করবে তখন যেমন খুশী করতে পার।
উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর আমার প্রতি সর্বশেষ কথা হচ্ছে যে, তুমি সালাতে কিরাআতকে ছোট কর এবং দুর্বলদের সহন ক্ষমতার মধ্যে রাখ। কেননা জামা'আতে উপস্থিতিদের মধ্যে ছোট মানুষ অতিবৃদ্ধ, দুর্বল ও অভাবী মানুষ থাকে।
উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (ﷺ) যখন আমাকে তায়েফের গভর্নর নিযুক্ত করেন তখন আমাকে বলা তাঁর সর্বশেষ কথা হলো যে, তুমি সালাতকে হালকা করবে অর্থাৎ ছোট ছোট কিরাতে আদায় করবে। এমনকি তিনি সূরা নির্ধারণ করে দিয়ে বললেন {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ} [العلق:١] 'আলাক বা তদনুরূপ সূরা তিলওয়াত করবে।
(হাদীসটি আবু দাউদ ও নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে। হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, হাদীসটির সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما يؤمر به الأمام من التخفيف
(1381) عن عثمان بن أبى العاص رضى الله عنه قال قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عثمان أمَّ قومك، ومن أمَّ القوم فليخفِّف، فإنَّ فيهم الضَّعيف والكبير وذا الحاجة، فإذا صلَّيت لنفسك فصلِّ كيف شئت (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) قال كان آخر شيءٍ عهده النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم إلى أن قال تجوَّز (4) فى صلاتك وأقدر النَّاس (5) بأضعفهم، فإنَّ منهم الصَّغير والكبير والضَّعيف وذا الحاجة (وعنه من طريقٍ ثالثٍ) (6) أن آخر كلامٍ كلَّمنى به رسول الله صلَّى الله عليه
وعلى آله وصحبه وسلَّم إذ استعملنى على الطّائف فقال خفِّف الصَّلاة على النَّاس حتَّى وقَّت لى اقرأ باسم ربَّك الذَّى خلق وأشباهها من القرآن (1)
হাদীস নং: ১৩৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: ইমামের কিরাত ছোট করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
(১৩৭৮) আবূ মাসউদ আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলের কাছে আসলো, সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল। আমি ইমামের ভয়ে ফজরের জামা'আতে একটু দেরী করে যাই১। রাবী বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে উপদেশ দানের ক্ষেত্রে এদিনের মত এত ক্রোধান্বিত আর কখনও দেখি নাই। রাসূল (ﷺ) বললেন, হে মানুষেরা, তোমাদের মাঝেই আছে মানুষ (মুক্তাদী) তাড়ানো ব্যক্তি। তবে তোমাদের মধ্যে যে ইমামতি করবে, তার উচিত কিরাত ছোট করা। কেননা, জামা'আতে দুর্বল, বৃদ্ধ ও অভাবী মানুষ থাকে।২
*অর্থাৎ ইমাম অতি দীর্য কিরাআত শুরু করতেন সে জন্য আমি পরে গিয়ে জামা'আতে শামিল হতাম।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما يؤمر به الأمام من التخفيف
(1382) عن أبى مسعودٍ الأنصارىِّ رضي الله عنه قال جاء رجلٌ إلى رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم فقال يا رسول الله إلَّ لا تأخَّر فى صلاة الغداة مخافة فلانٍ يعنى إمامهم (2) قال فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أشدَّ غضبًا فى موعظة منه يومئذٍ، فقال أيها النَّاس إن منكم منفِّرين فأيكم ما صلَّى (3) بالنَّاس
فليخفِّف فإنَّ فيهم الضّعيف والكبير وذا الحاجة
হাদীস নং: ১৩৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: ইমামের কিরাত ছোট করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
(১৩৭৯) আদী ইবন হাতিম তাঈ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে আমাদের ইমামতি করবে সে যেন রুকু সিজদা পরিপূর্ণভাবে আদায় করে। কেননা আমাদের মধ্যে দুর্বল, বৃদ্ধ, অসুস্থ, মুসাফির ও অভাবী লোকজন থাকেন। আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে এভাবেই সালাত আদায় করতাম।
(হাদীসটি তবারানী বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما يؤمر به الأمام من التخفيف
(1383) عن عدىِّ بن حاتمٍ (الطَّائىِّ) رضى الله عنه قال من أمَّنا فليتمَّ الرُّكوع والسُّجود (1) فإنَّ منَّا الضَّعيف والكبير والمريض والعابر سبيلٍ وذا الحاجة، هكذا كنَّا نصلِّى مع رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদঃ মু'আয ইবন্ জাবাল (রা)-এর ঘটনা (মুক্তাদীদের সালাত দীর্ঘকরণ প্রসঙ্গে এবং প্রয়োজনে মুক্তাদীর একাকী সালাত আদায় জায়েয)
(১৩৮০) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মু'আয ইবন জাবাল (রা) তাঁর গোত্রের ইমামতি করতেন। একদা হারাম ইবন মিলহান তাঁর জামা'আতে সালাত আদায়ের জন্য শরীক হলেন, এমতাবস্থায় তিনি খেজুর বাগানে পানি সিঞ্চনের ইচ্ছা করছিলেন। অতঃপর দেখলেন মুয়ায তাঁর সালাতকে দীর্ঘ করছেন- এমতাবস্থায় তিনি সালাতকে সংক্ষিপ্ত করে (আলাদা করে) সালাত আদায় করলেন এবং খেজুর বাগানে পানি সিঞ্চনোদ্দেশ্যে গমন করলেন। অতঃপর মু'আয যখন সালাত সমান্ত করলেন, তাঁকে বলা হলো যে, হারাম ইবন মিলহান সালাতে যোগ দিয়েছিল কিন্তু আপনার দীর্ঘতার কারণে সে সংক্ষিপ্ত করে সালাত আদায় করে তার খেজুর বাগানে পানি সিঞ্চন করতে চলে গেছে। একথা শুনে মু'আয বললেন, সে তো মুনাফিক। কারণ সে খেজুর বাগানে পানি সিঞ্চনের জন্য সালাতে তাড়াহুড়া করেছে। রাবী বলেন, অতঃপর হারাম ইবন মিলহান নবী (ﷺ)-এর দরবারে এলেন তখন মু'আযও তাঁর কাছে ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী (ﷺ), আমি চেয়েছি যে খেজুর বাগানে পানি সিঞ্চন করব অতঃপর গোত্রের সাথে জামা'আতে সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে গিয়েছি, যখন দেখলাম যে সে সালাতকে খুব দীর্ঘ করছে তখন আমি তা সংক্ষিপ্ত করে আদায় করেছি এবং সত্ত্বর আমার বাগানে গিয়ে পানি সিঞ্চন করেছি। এখন সে বলছে আমি মুনাফিক। নবী (ﷺ) মু'আযের দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেন, তুমি কি ফিৎনা সৃষ্টিকারী? তুমি কি ফিৎনা সৃষ্টিকারী? তুমি তাদের সালাতকে দীর্ঘ করো না। বরং سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا এবং এজাতীয় সূরা দিয়ে ইমামতি করবে।
(ইমাম হায়ছামী বলেন, ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এ হাদীসের সনদের রাবী সহীহ।)
كتاب الصلاة
(5) باب قصة معاذ بن جبل رضى الله عنه
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(1384) عن أنس بن مالك مالكٍ رضى الله عنه كان معاذ بن جبلٍ رضى الله عنه يومُّ قومه فدخل حرامٌ وهو يريد أن يشقى نخله فدخل المسجد ليصلِّى مع القوم، فلمَّا رأى معاذًا طوَّل تجوَّز فى صلاته ولحق بنخله يسقيه، فلمَّا قضى معاذٌ الصَّلاة قيل له إنَّ حرامًا دخل المسجد فلمَّا رآك طوَّلت تجوَّز في صلاته ولحق بنخله يسقيه، قال إنَّه لمنافقٌ أيعجل عن الصَّلاة من أجل سقي نخله؟ قال فجاء حرامٌ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم ومعاذٌ عنده فقال يا نبي الله، إنِّى أردت أن أسقى نخلًا لى فدخلت المسجد لأصلِّى مع القوم فلمَّا
طوَّل تجوَّزت فى صلاتى ولحقت بنخلى أسقيه فزعم أنِّى منافقٌ فأقبل النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم على معاذٍ فقال أفتَّانٌ أنت أفتَّانٌ أنت لا تطوَّل بهم اقرأ بسبِّح اسم ربِّك الأعلى والشَّمس وضحاها ونحوهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদঃ মু'আয ইবন্ জাবাল (রা)-এর ঘটনা (মুক্তাদীদের সালাত দীর্ঘকরণ প্রসঙ্গে এবং প্রয়োজনে মুক্তাদীর একাকী সালাত আদায় জায়েয)
(১৫৮১) আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমর (ইবনে দিনার) থেকে বর্ণনা করে বলেন, তিনি জাবির যেতে শুনেছেন যে, মু'আয ইবন জাবাল (রা) রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করতেন, অতঃপর গোত্রে ফিরে এসে আমাদের ইমামতি করতেন। একবার নবী (ﷺ) ইশার সালাতকে বিলম্বিত করলেন। মু'আয ইবন জাবাল (রা) রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করলেন এরপর তাঁর গোত্রে এসে সালাতের ইমামতি করলেন এবং সালাতে সূরা বাকারা পড়তে শুরু করলেন এমতাবস্থায় গোত্রের এক ব্যক্তি সালাতকে ছেড়ে দিল। সালাত সমাপনান্তে তাঁকে বলা হলো যে, হে অমুক, তুমি তো মুনাফিক। সে জবাব দিলো, না, আমি মুনাফিক নই। সে নবী (ﷺ)-এর দরবারে আসলো এবং আরজি পেশ করলো যে, মু'আয আপনার সাথে সালাত আদায় করে। এরপর ফিরে গিয়ে আমাদের ইমামতি করে, হে রাসূলাল্লাহ (ﷺ), আর আমরা ভো উট চরিয়ে বেড়াই এবং নিজের কাজ নিজে সম্পাদন করি। এমতাবস্থায় সে আমাদের মাঝে যখন ইমামতি করে তাতে সে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে। একথা শুনে রাসূল (ﷺ) বললেন- হে মু'আয, তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? বরং তুমি এই ধরনের এই ধরনের সূরা পড়বে।
(রাবী আবু যোবাইর বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন, তুমি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى এই জাতীয় সূরাসমূহ ডিলাওয়াত করবে। রাবী বলেন, আমরকে এ সম্পর্কে বললাম, এস তিনি বললেন, সম্ভবতঃ তিনি (জাবির) এমন, উল্লেখ করেছেন।)
(দ্বিতীয় একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে)
(আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবন জা'ফর এবং হাজ্জাজ উভয়ে বলেন, শু'বা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহারিব ইবন্ দিনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আনসারীদের এক ব্যক্তি আসল তার সাথে ছিল তার দুই উট। এমতাবস্থায় সূর্য প্রায় ডুবুডুবু। মু'আয মাগরিবের সালাতের ইমামতি করছিলেন। উক্ত ব্যাক্তি তাঁর সাথে জামা'আতে যোগদিল সে দেখল যে মুয়ায সূরা বাকারা পড়ছে। রাবী মুহারিব সংশয় প্রকাশ করেছেন যে, তিনি সূরা 'বাকারা' অথবা 'নিসা' পড়ছিলেন। আগন্তুক যখন দেখল যে তিনি এভাবে সালাত আদায় করছেন তিনি তখন বেরিয়ে আসলেন। রাবী বলেন, উক্ত ব্যক্তি জানতে পারলো যে, মুআয তার বিষয়ে মন্দ বলেছে। রাবী বলেন, অতঃপর এই ঘটনা নবী (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করা হলে তিনি বললেন, হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী?
আর বর্ণনাকারী হাজ্জাজ বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি যদি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا পড়তে তবে তোমার পিছনে বৃদ্ধ, অভাবী ও দুর্বলরা সালাত আদায় করতো।
রাবী বলেন, আমার মনে হয় মুহারিব الضعيف শব্দের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও সুনানের অন্য চারটি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب قصة معاذ بن جبل رضى الله عنه
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(1385) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثناسفيان عن عمرٍو سمعه من جابرٍ كان معاذٌ يصلِّي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمَّ يرجع فيؤمُّنا وقال مرةً ثمَّ يرجع فيصلِّى بقومه فأخَّر النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ليلةً الصَّلاة وقال مرَّةً العشاء فصلَّى معاذٌ مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ثم جاء قومه فقرأ البقرة فاعتزل رجلٌ
من القوم فصلَّى فقيل نافقت يا فلان، قال ما نافقت، فأتى النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقال إن معاذًا يصلِّى معك ثمَّ ترجع فيؤمُّنا يا رسول الله، إنَّما نحن أصحاب نواضح ونعمل بأيدينا، وإنَّه جاء يؤمنا فقرأ سورة البقرة، فقال يا معاذ أفتَّانٌ أنت؟ أفتَّانٌ أنت؟ اقرأ بكذا وكذا قال أبو الزُّبير بسبِّح اسم ربِّك الأعلى، واللَّيل إذا يغشى، فذكرنا لعمرو فقال أراه قد ذكره

(ومن طريقٍ ثانٍ) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ وحجَّاجٌ قالا ثنا شعبة عن محارب بن دثارٍ سمعت جابر بن عبد الله الأنصارىَّ قال أقبل رجلٌ من الأنصار ومعه ناضحان له وقجد جنحت الشَّمس ومعاذٌ يصلي المغرب فدخل معه الصلَّاة فاستفتح معاذٌ البقرة أو النِّساء، محاربٌ الَّذى يشكُّ، فلمَّا رأى الرَّجل ذلك صلَّي ثمَّ خرج، قال فبلغه أنَّ معاذًا نال منه، قال حجَّاجٌ ينال منه، قال فذكر ذلك للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أو فاتنٌ فاتنٌ فاتنٌ، وقال حجَّاجٌ أفاتنٌ أفاتنٌ، فلولا قرأت سبِّح اسم ربِّك الأعلى والشَّمس وضحاها فصلَّى وراءك الكبير وذو الحاجة والضَّعيف، أحسب محاربًا الَّذى يشكُّ فى الضَّعيف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদঃ মু'আয ইবন্ জাবাল (রা)-এর ঘটনা (মুক্তাদীদের সালাত দীর্ঘকরণ প্রসঙ্গে এবং প্রয়োজনে মুক্তাদীর একাকী সালাত আদায় জায়েয)
(১৩৮২) মু'আয ইবন্ রিফা'আ আল-আনসারী থেকে বর্ণিত, তিনি বনী সালিমার সুলাইম নামীয় এক বাক্তি হতে বর্ণনা করেন, সে রাসূল (ﷺ)-এর দরবারে এসে আরয করল, হে আল্লাহর রাসুল। মু'আয আমরা ঘুমিয়ে পড়ার পর আমাদের মাঝে আসে আর সারা দিন আমরা কর্মব্যস্ত থাকি অতঃপর সালাতের আহবান জানানো হয় আমরা তাঁর আহবানে বেরিয়ে পড়ি। (সালাতের উদ্দেশ্যে) এরপর সে (সালাতকে) আমাদের উপর দীর্ঘ করে। রাসূল (ﷺ) বললেন, হে মু'আয ইবন জাবাল, তুমি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী হয়ো না। হয় তুমি আমার সাথে সালাত আদায় করো। (তাতেই সন্তুষ্ট থাক) নতুবা তোমার গোত্রের সালাতকে সংক্ষিপ্ত করো। অতঃপর তিনি বললেন, হে সুলাইম। তোমার কাছে কুরানের কি পরিমাণ (অংশ মুখস্থ) আছে? সে বলল, (আমার তেমন মুখস্থ নেই) বরং আমি সালাতের মধ্যে আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা করি এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। আল্লাহর শপথ! আমি আপনার মত এবং মু'আষের মত সুর উচ্চারণ করতে পারি না। রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি কি আমার উচ্চারণ এবং মু'আয়ের উচ্চারণকে জান্নাত কামনা এবং জাহান্নাম থেকে পানাহর বাইরে কিছু মনে কর? অতঃপর সুলাইম বললেন, খুব শীঘ্রই তোমরা দেখবে যখন জাতি যুদ্ধ করবে। রাবী বলেন, মানুষেরা উহুদের প্রস্তুতি নিতে থাকল তিনি বের হলেন এবং শহীদ হলেন।
(হাদীসটি তবারানী তাঁর মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। এর রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(5) باب قصة معاذ بن جبل رضى الله عنه
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(1386) عن معاذ بن رفاعة الأنصارىِّ عن رجلٍ من بني سلمة يقال له سليمٌ أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنَّ معاذ بن جبل يأتينا بعد ما ننام ونكون فى أعمالنا بالنَّهار فينادى بالصلَّاة فنخرج إليه فيطوِّل علينا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا معاذ بن جبلٍ لانكن فتَّانًا، إمَّا أن تصلِّى معى وإمَّا أن تخفِّف على قومك، ثم قال يا سليمٌ ماذا معك من القرآن؟ قال
إني أسأل الله الجنَّة وأعوذ به من النَّار، والله ما أحسن دندنتك ولا دندنة معاذٍ، فقال رسول الله صلَّى اله عليه وسلم وعلى آله وصحبه وسلَّم وهل تصير دندنتي ودندنة معاذٍ إلاَّ أن نسأل الله الجنَّة ونعوذ به من النَّار، ثمَّ قال سليمٌ سترون غدًا إذا التقى القوم إن شاء الله، قال والنّاس يتجهزَّون إلى أحد فخرج وكان فى الشهداء رحمة الله ورضوانه عليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদঃ মু'আয ইবন্ জাবাল (রা)-এর ঘটনা (মুক্তাদীদের সালাত দীর্ঘকরণ প্রসঙ্গে এবং প্রয়োজনে মুক্তাদীর একাকী সালাত আদায় জায়েয)
(১৩৮৩) আব্দুল্লাহ ইবন বুরাইদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু বুরাইদাহ আসলামী (রা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, মু'আয ইবন জাবাল বলেছেন যে, তিনি তাঁর সাথীদের ইশার সালাতের ইমামতি করলেন, সেখানে তিনি اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ তেলাওয়াত করলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তার সালাত শেষ হবার আগেই দাঁড়িয়ে গেল এবং সে সালাত আদায় করে চলে গেল। অতঃগর মু'আয তাকে খুব শক্ত কথা শুনিয়ে দিলেন। এরপর উক্ত ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর দরবারে আসলেন এবং অজুহাত কৈফিয়ত পেশ করে বললেন, যে আমি তো পানির কাজ করতাম। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, বরং তুমি সালাত আদায় কর والشَّمْسِ وَضُحَاهَا জাতীয় সূরা দ্বারা।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, আমি বুরাইদার বর্ণনা মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি।)
كتاب الصلاة
(5) باب قصة معاذ بن جبل رضى الله عنه
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(1387) عن عبد الله بن بريدة قال سمعت أبى بريدة (الأسلمىَّ رضى الله عنه) يقول إنَّ معاذ بن جبلٍ يقول صلَّى بأصحابه صلاة العشاء فقرأ فيها اقتربت السَّاعة فقام رجلٌ من قبل أن يفرغ فصلَّى وذهب، فقال له معاذٌ قولًا شديدًا، فأتى الرَّجل النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فاعتذر إليه فقال إنِّي كنت أعمل
على الماء، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلِّ بالشَّمس وضحاها ونحوها من السُّور
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ রাসূল (ﷺ)-এর পরিপূর্ণতার সাথে সালাতের ইমামতির সংক্ষিপ্ততা
(১৩৮৪) হুমাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) ছিলেন মানুষের সর্বাপেক্ষা পরিপূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়কারী।
(দ্বিতীয় সনদে আছে) য: কাতাদা থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) ছিলেন, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা পরিপূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়কারী।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও তিরমিযীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب تخفيف صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس مع اتمامها
(1388) عن حميدٍ عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم من أتمَّ النَّاس صلاةً وأوجزه
(ومن طريقٍ ثانٍ) ز عن فتادة عن أنسٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم من أخففِّ النَّاس صلاة فى تمامٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ রাসূল (ﷺ)-এর পরিপূর্ণতার সাথে সালাতের ইমামতির সংক্ষিপ্ততা
(১৩৮৫) ছাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পরে তাঁর চেয়ে সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়কারী ও রুকু সিজদা পরিপূর্ণকারী কারো পিছনে সালাত আদায় করি নাই।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب تخفيف صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس مع اتمامها
(1389) عن ثابتٍ عن أنسٍ رضى الله عنه قال ما صليت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاةً أخفَّ من صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمام ركوعٍ وسجودٍ
tahqiq

তাহকীক: