মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৩৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: নারীদের মসজিদে যাওয়া ও তথায় সালাত আদায়ের শিষ্টাচার প্রসঙ্গে
(১৩৪৬) সাহল ইবনে সাদ আস'সা'ঈদী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর সাথে কিছু লোক শিশুদের ন্যায় তাদের ঘাড়ের উপর লুঙ্গিতে গিট দিয়ে সালাত আদায় করতেন। (কাপড়ের স্বল্পতার কারণে তারা তা করতেন।) সেজন্য নারীদেরকে বলে দেয়া হল, যতক্ষণ না পুরুষরা সিজদা থেকে উঠে সোজা হয়ে বসবে ততক্ষণ তোমরা সিজদা থেকে মাথা উঠাবে না।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(3) باب في آداب تتعلق بخروجهن وصلاتهن فى المسجد
(1350) عن سهل بن سعدٍ السِّاعديِّ رضي اللهى عنه قال كان رجالٌ يصلُّون مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم عاقدى أزرهم على رقابهم كهيئة الصِّبيان فيقال للنِّساء لا ترفعن رؤسكنَّ حتىَّ يستوى الرِّجال جلوسًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: নারীদের মসজিদে যাওয়া ও তথায় সালাত আদায়ের শিষ্টাচার প্রসঙ্গে
(১৩৪৭) উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- নারীরা রাসূলের যুগে তিনি যখন ফরয সালাতের সালাম ফিরাতেন তখন তারা সবাই উঠে পড়তো (এবং চলে যেত)। আর রাসূল (ﷺ) বসে থাকতেন, এবং তাঁর সাথে সেসব পুরুষ সালাত আদায় করতেন তারাও বসে থাকতেন যতক্ষণ আল্লাহর ইচ্ছা। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন দাঁড়িয়ে যেতেন তারাও দাঁড়িয়ে যেতেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসায়ী, ও ইবনে আবি শায়বা।
كتاب الصلاة
(3) باب في آداب تتعلق بخروجهن وصلاتهن فى المسجد
(1351) عن أمِّ سلمة رضى الله عنها أنَّ النِّساء فى عهد رسول الله صلى اللخهى عليه وسلم إذا سلَّم من الصَّلاة المكتوبة قمن وثبت رسول الله صلى الله عليه وسلم وثبت من صلَّى من الرِّجال ما شاء الله فإذا قام رسول الله صلى الله عليه وسلم قام الرِّجال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দূরের মসজিদ এবং মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১৩৪৮) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, দূর থেকে দূরবর্তী মসজিদে গমন অধিক সওয়াব প্রাপ্তির কারণ।
(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ ও হাকেম, তিনি বলেন, হাদীসটি সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(4) باب فضل المسجد الابعد وكثرة الخطا الى المساجد
(1352) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم قال الأبعد فالأبعد من المسجد أفضل أجرًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দূরের মসজিদ এবং মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১৩৪৯) আবূ যুবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবিরকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি রাসূল (ﷺ)-কে কোন ব্যক্তির মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপের ব্যাপারে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমরা আমাদের বাড়ি থেকে মদীনায় মসজিদের নিকটে বাড়ি করার জন্য স্থান পরিবর্তন করতে চাইতাম। তখন রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে ধমকের স্বরে নিষেধ করলেন এবং বললেন, তোমরা মদীনাকে বিরাণ করে দিও না। কেননা যাদের বাড়ি মসজিদের নিকটে তাদের চেয়ে তোমাদের জন্য প্রতি পদক্ষেপের বিনিময়ে রয়েছে একটা করে ফযীলত (সাওয়াব)।
দ্বিতীয় এক সূত্রে আবূ নাদরা জাবির (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মসজিদের পার্শ্বের স্থান শুন্য হল তখন বনু সালামা মসজিদের নিকটে তাদের বাড়ী ঘর নিয়ে আসার ইচ্ছা করল। ব্যাপারটা রাসূল (ﷺ) অবগত হলেন। তিনি তাঁদেরকে বললেন, আমার কাছে সংবাদ এসেছে যে, তোমরা তোমরা বাড়ীঘর মসজিদের নিকটবর্তী নিয়ে আসতে চাও? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল, আমরা এমনটি ইচ্ছা পোষণ করেছি। রাসূল (ﷺ) বললেন, হে বনু সালামা, তোমাদের বাড়ীঘর থেকেই তোমাদের পদক্ষেপ লেখা হবে। তোমাদের বাড়ী হতেই তোমাদের পদক্ষেপ লিপিবদ্ধ করা হবে।
(হাদীসটির প্রথম সনদে ইবন লাহিয়া আছে। ইমাম মুসলিমও অত্র হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর দ্বিতীয় সূত্রের হাদীসটি মুসলিম ইত্যাদি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب فضل المسجد الابعد وكثرة الخطا الى المساجد
(1353) عن أبى الزُّبير قال سألت جابرًا سميع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم يقول في كثرة خطا الرَّجل إلى المسجد شيئًا؟ فقال هممنا أن ننتقل من دورنا إلى المدينة لقرب المسجد فزجرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، وقال لا تعروا المدينة، فإنَّ لكم فضيلةً على من عند المسجد بكلِّ خطوةٍ درجة (ومن طريقٍ ثانٍ) عن أبى نضرة عن جابر قال خلت البقاع حول المسجد فأراد بنو سلمة أن ينتقلوا قرب المسجد فبلغ ذلك رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقال لهم إنَّه بلغنى أنَّكم تريدون أن تنتقلوا قرب المسجد؟ قالوا نعم يا رسول الله أردنا ذلك، فقال يا بنى سلمة دياركم تكتب آثاركم دياركم تكتب آثاركم
হাদীস নং: ১৩৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দূরের মসজিদ এবং মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১৩৫০) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তাতে আরও আছে, "এ সংবাদ রাসূল (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছে। তখন তিনি মদীনাকে বিরাণ করা অপছন্দ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে বনু সালামা, তোমরা কি মসজিদের দিকে তোমাদের পদক্ষেপের হিসাব কর না? তাঁরা বললো, জ্বি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), এরপর তারা সেখানে রয়ে গেলেন।
(বুখারী)
كتاب الصلاة
(4) باب فضل المسجد الابعد وكثرة الخطا الى المساجد
(1354) وعن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه بنحوه وفيه فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وكره أن تعرى المدينة، فقال يا بنى سلمة ألا تحتسبون آثاركم إلى المسجد؟ قالوا بلى يا رسول الله، فأقاموا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দূরের মসজিদ এবং মসজিদের দিকে বেশী পদক্ষেপের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১৩৫১) আবু উসমান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবন কা'ব (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মদীনার এক লোকের বাসা আমার জানা মতে অন্য কারো বাসা তার বাসার চেয়ে বেশী দূরে ছিল না। অথবা বললেন, মসজিদ থেকে তার বাড়ীর চেয়ে (বেশী দূরে আর কারো বাড়ী ছিল না) অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন। লোকটি প্রত্যেক সালাতে নবী (ﷺ)-এর সাথে হাযির থাকতেন। তাঁকে বলা হলো, তুমি যদি একটি গাধা কিনতে তবে প্রচণ্ড তাপের সময় বা অন্ধকারের সময় তাতে আরোহণ করে (মসজিদে) আসতে পারতে। তিনি জবাবে বললেন, আমার বাড়ী বা ঘর মসজিদের পাশে হোক তা আমার পছন্দ নয়। এ খবর রাসূল (ﷺ)-এর নিকটে পৌছল। তিনি (ﷺ) বললেন, "তোমার বাড়ী মসজিদের পাশে হোক এটা তোমার পছন্দ নয়" এর দ্বারা তোমার কি উদ্দেশ্য? তিনি জবাবে বললেন, আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে, আমি যখন মসজিদে যাব তখন আমার যাওয়া এবং যখন মসজিদ থেকে বাড়ীতে ফিরব তখন আমার ফেরার প্রতিটি পদক্ষেপ লেখা হোক। রাসূল (ﷺ) বললেন, আল্লাহ তোমাকে এর প্রত্যেকটির সওয়াব প্রদান করুন। অথবা বললেন, তুমি যা হিসাব করেছ, তিনি তার সব কয়টি তোমাকে দান করুন।
(মুসলিম ও ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(4) باب فضل المسجد الابعد وكثرة الخطا الى المساجد
(1355) عن أبي عثمان عن أبىَّ بن كعبٍ رضي الله عنه قال كل رجلٌ بالمدينة لا أعلم رجال كان أبعد منه منزلًا أوقات دارًا من المسجد منه (زاد فى رواية قال فكان يحضر الصلوات كلَّهن مع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم) فقيل له لو اشتريت حمارًا فركبته فى الرَّمضاء والظَّلمات. فقال ما يسرُّنى أنَّ داري أو قال منزلى إلى جنب المسجد، فمنمى الحديث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما أردت بقولك ما يسرُّنى أنَّ منزلى أو قال دارى إلى جنب المسجد؟ قال أردت أن يكتب إقبالى إذا أقبلت إلى المسجد ورجوعى إذا رجعت إلى أهلى، قال أعطاك الله ذلك كلَّه، أو أنطاك الله ما احتسبت أجمع
হাদীস নং: ১৩৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫২) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন সালাতের জামা'আত দাঁড়িয়ে যায় তখন তোমরা দৌড়াদৌড়ি করে (মসজিদে) যাবে না বরং অবশ্যই মসজিদে আসবে ধীরপদে, সুতরাং তোমরা জামা আতের/সালাতের যতটুকু পাবে তা পড়ে নিবে আর যা ছুটে যাবে তা (সালামের পর) পূর্ণ করে নিবে। অন্য এক বর্ণনায় 'পূর্ণ করার' স্থলে আদায় করা শব্দ এসেছে।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ইবন মাজাহ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক সনদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, আর তাতে এও উল্লেখ করা হয়েছে, তুমি সালাত আদায় করে নিবে যতটুকু পাবে, আর যতটুকু গত হয়েছে ও ছুটে চলে গিয়েছে তা কাযার মত পড়ে নিবে।
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1356) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وسلم وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا أقيمت الصَّلاة فلا تأتوها تسعون ولكن ائتوها وعليكم السَّكينة فما أدركتم فصلَّوا وما فاتكم فأتمَّوا (وفى روايةٍ أخرى) "فقضوا" بدل قوله "فأتمُّوا" (وعنه من طريقٍ ثانٍ بنحوه وفيه) فصلُّوا ما أدركتم واقضوا ما سبقكم
হাদীস নং: ১৩৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫৩) আব্দুল্লাহ ইবন আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম। (সালাতের মধ্যেই) তিনি কিছু মানুষের (তাড়াহুড়ামূলক) চিৎকার শুনতে পেলেন। অতঃপর তাঁর সালাত সমাপনান্তে তাদের ডাকলেন এবং বললেন, তোমাদের ব্যাপার কি (যে এরূপ চিৎকার করছিলে)? তারা বললো- হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমরা জামা'আতে যোগ দেবার ব্যাপারে তাড়াহুড়াজনিত হৈচৈ করছিলাম, রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা এমনটি করবে না, বরং তোমরা যখন সালাতে আসবে তখন শান্তভাবে ধীরপদে আসবে। এতে যতটুকু পাবে তা আদায় করে নিবে আর যেটুকু ছুটে যাবে তা পূর্ণ করে নিবে (ইমামের সালাম ফিরাবার পরে।)
(হাদীসটি বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1357) عن عبد الله بن أبى قتادة عن أبيه قال بينما نحن نصلَّى مع النَّبى صلَّى الله عليه وآله وسلَّم إذا سمع جلبة رجالٍ، فلمَّا صلَّى دعاهم فقال ما شأنكم قالوا يا رسول الله استعجلنا إلى الصَّلاة، قال فلا تفعلوا، إذا أتيتم الصَّلاة فعليكم السّكينة، فما أذركتم فصلّوا. وما سبقكم فأتُّموا
হাদীস নং: ১৩৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫৪) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতের জামা'আত শুরু হয়ে গেল অতঃপর এক ব্যক্তি দৌড়াদৌড়ি করে জামা'আতে যোগ দিল এ অবস্থায় সে হাঁপিয়ে উঠল। অতঃপর যখন সে সালাতের কাতারে পৌছল, সে বলে উঠল সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমি তাঁর প্রশংসা করছি অতি মাত্রায় এবং তাতে পবিত্রতা ও বরকত কামনা করছি। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন সালাত সমাপ্ত করলেন, তখন বললেন, তোমাদের কে ঐ উক্তিটি করেছ? সবাই নিরুত্তর রইল। তিনি পুনর্বার বললেন, তোমাদের কে ঐ উক্তিটি করেছে? সবাই নিরুত্তর রইল। তিনি পুনর্বার বললেন, তোমাদের কে ঐ উক্তি করেছ? সে নিশ্চয়ই ভাল বলেছে অথবা (তিনি বললেন) যে ক্ষতিকর কিছু বলে নি। তখন এক বাক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল। আমি তাড়াহুড়া করে এসে সালাতের কাতারে শামিল হয়েছি, সুতরাং তখন আমি উক্ত কথা বলেছি। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি দেখলাম যে, বার জন ফেরেশতা উক্ত উত্তির সাওয়াব নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে যে, কে সেটিকে আসমানে নিয়ে যাবে। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমাদের কেউ যখন জামাআতে আসে সে যেন আস্তে সুস্থে আসে। আর সে সালাতের যতটুকু পাবে আদায় করবে আর যতটুকু ছুটে যাবে তা (সালামের) পরে আদায় করবে।
(হাদীসটি মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1358) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال أقيمت الصلَّاة فجاء رجلٌ لايسعى فانتهى وقد حفزه النَّفس أو انبهر فلمَّا انتهى إلى الصَّفَّ قال الحمد لله حمدًا كثيرًا طيَّبًا كاًفيه، فلمَّا قضى رسول صلى الله عليه وسلم الله صلاته قال أيُّكم المتكلِّم؟ فسكت القوم، فقال أيُّكم المتكلِّم؟ فإنَّه قال خيرًا أو لم يقل بأسًا، قال
يا رسول الله أنا أسرعت المشى فانتهيت إلى الصَّفِّ فقلت الَّذى قلت، قال لقد رأيت اثنى عشر ملكا يبتدرونها أيهم يرفعها، ثمَّ قال، إذا جاء أحدكم إلى الصَّلاة على هيئته فليصلِّ ما أدرك وليقض ما سبقه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫৫) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা মসজিদে যাও (জামাআতে সালাত আদায়ের জন্য) কেননা সেটাই হিদায়াত ও মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সুন্নাত।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন- এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি)
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1359) عن عبد الله (يعني ابن مسعودٍ) رضى الله عنه قال امشوا إلى المسجد فإنَّه من الهدى وسنَّة محمَّدٍ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫৬) আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মসজিদে জামাআতের উদেশ্যে গমন করে তার যাতায়াতের সময় তার একটি পদক্ষেপে একটি পাপ মুছে ফেলা হয় এবং একটি পদক্ষেপে একটি পুণ্য লিপিবদ্ধ হয়।
(এ হাদীসটি তবারানী ও ইবন হিব্বান বর্ণনা করেছেন। এ ছাড়াও মুনযেরী হাদীসটি الترغيب والترهيب -এ বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1360) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلَّم من راح إلى مسجد الجماعة فخطوة تمحو سيِّئةً وخطوةٌ تكتب حسنةً ذاهبًا وراجعًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) ধীরপদে জামা'আতে উপস্থিত হওয়ার ফযীলতের অধ্যায়
(১৩৫৭) নাফে' থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রসুল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা সালাতের (জামা'আতের) জন্য খাবারে তাড়াহুড়া করবে না। অর্থাৎ জামা'আত ছুটে যাবার ভয়ে তাড়াহুড়া করে খাবে না। নাফে' বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) ইকামাত শুনতে পেতেন এমতাবস্থায় তিনি রাতের খাবার খাচ্ছিলেন কিন্তু তিনি তাড়াহুড়া করতেন না।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب فضل المشي الى الجماعة بالسكينة
(1361) عن نافعٍ عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم لا يجعل أحدكم عن طعامه للصلاة، قال وكان ابن عمر يسمع الإقامة وهو يتعشَّى فلا يعجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি জামাতের উদ্দেশ্যে নির্দেশ মাফিক মসজিদে গেল অথচ তার থেকে জামা'আত ছুটে গেল তথাপিও সে জামা'আতে অংশগ্রহণকারীর ন্যায় সাওয়াব পাবে
(১৩৫৮) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করল এবং মসজিদে গমন করল কিন্তু মসজিদে গিয়ে দেখল মানুষেরা সালাত সম্পন্ন করে ফেলেছে তথাপিও আল্লাহ তাকে এমন সাওয়াব দিবেন যা জামা'আতে সালাত আদায়কারীগণ এবং জামা'আতে অংশগ্রহণকারীগণকে দিবেন। কিন্তু এতে তাদের কারোর সাওয়াবে কোন কমতি হবে না।
(হাদীসটি নাসায়ী, বায়হাকী ও মুয়াত্তা মালিকে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب من مشى إلى الجماعة كما أمر فسبق بها كان له مثل أجر من أدركها
(1362) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال من توضَّأ فأحسن وضوءه ثمَّ راح فوجد النَّاس قد صلَّوا أعطاه
الله مثل أجر من صلاَّها أو حضرها لا ينقص ذلك من أجورهم شيئًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি জামাতের উদ্দেশ্যে নির্দেশ মাফিক মসজিদে গেল অথচ তার থেকে জামা'আত ছুটে গেল তথাপিও সে জামা'আতে অংশগ্রহণকারীর ন্যায় সাওয়াব পাবে
(১৩৫৯) উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন সালাতের ইকামাত হয়ে যাবে তখন তোমরা দৌড়াদৌড়ি করে জামা'আতে আসবে না বরং তোমাদের উচিত হচ্ছে- ধীরস্থিরভাবে আসা। সুতরাং জামা'আতের যেটুকু পাবে তা পড়ে নিবে আর যা ছুটে যাবে তা (সালামান্তে) পূর্ণ করে নিবে। কেননা তোমাদের কেউ যখন সালাতের জামা'আতের ইচ্ছা করে তখন থেকেই সে জামা'আতের মধ্যে গণ্য
(হাদীসটি মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب من مشى إلى الجماعة كما أمر فسبق بها كان له مثل أجر من أدركها
(1363) ز وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ثوّب بالصلَّاة فلا تأتوها وأنتم تسعون وأتوها وعليكم السَّكينة، فما أدركتم فصلُّوا، وما فاتكم فأتمُّوا فإنَّ أحدكم فى صلاةٍ إذا ما كان يعمد إلى الصلَّاة
হাদীস নং: ১৩৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমামতি, ইমামের গুণাবলী ও তৎসংশ্লিষ্ট আহকামসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়: ইমাম জামিনদার হওয়া এবং ফাসিকের ইমামতির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে
(১৩৬০) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইমাম জামিনদার এবং মুয়াযযিন আমানতদার। (কোন বর্ণনায় مؤتمن -এর পরিবর্তিত أَمِيْنٌ এসেছে।) হে আল্লাহ, ইমামদের সৎপথে রাখ এবং মুয়াযযিনদের ক্ষমা করে দাও।
(হাইসামী বলেন, হাদীসটি বাযযার বর্ণনা করেছেন। এর সনদের সকল রাবীই বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
أبواب الإمامة وصفة الائمة واحكام تتعلق بهمى

(1) باب الأمام ضامن وما جاء فى امامة الفاسق
(1364) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الإمام ضامنٌ والمؤذَّن مؤتمنٌ (وفى لفظ أمينٌ) اللهمَّ أرشد الأئمَّة واغفر للمؤذِّنين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমামতি, ইমামের গুণাবলী ও তৎসংশ্লিষ্ট আহকামসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়: ইমাম জামিনদার হওয়া এবং ফাসিকের ইমামতির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে
(১৩৬১) আবূ আলী আল হামাদানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা এক সফরে রওয়ানা করলাম। আমাদের সাথে উকবা ইবন আমির (রা)। আমরা তাঁকে বললাম, রাসুল (ﷺ)-এর সাহাবীদের মধ্যে আল্লাহ আপনাকে রহম করেছেন। সুতরাং আপনিই আমাদের ইমামতি করুন। তিনি বললেন, না। নিশ্চয়ই আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে ইমামতি করে সে সালাতের ওয়াক্ত হওয়া মাত্র যথাযথভাবে সালাত সম্পন্ন করে দেয় তবে তা তার এবং মুক্তাদীদের পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে (কারো কোন জবাবদিহিতা থাকবে না)। আর যদি এ থেকে সামান্যতমও ত্রুটি হয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব বর্তাবে ইমামের উপর, মুক্তাদীদের উপর নয়।
(ইবন মাজাহ ও মুয়াত্তা মালিকে বর্ণিত হয়েছে। হাকেম বলেন, হাদীসটি বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।)
كتاب الصلاة
أبواب الإمامة وصفة الائمة واحكام تتعلق بهمى

(1) باب الأمام ضامن وما جاء فى امامة الفاسق
(1365) عن أبى علىّ الهمدانهىِّ قال خرجت فى سفرٍ ومعنا عقبة بن عامرٍ رضى الله عنه قال فقلنا إنَّك يرحمك الله من أصحاب رسول الله صلى الله عله وسلم فأمَّنا فقال لا، إنَّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من أم النَّاس فأصاب الوقت
وأتمَّ الصَّلاة فله ولهم ومن انتقص من ذلك شيئًا فعليه ولا عليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমামতি, ইমামের গুণাবলী ও তৎসংশ্লিষ্ট আহকামসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়: ইমাম জামিনদার হওয়া এবং ফাসিকের ইমামতির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে
(১৩৬২) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন ইমামরা তোমাদের পড়িয়ে দেয় যদি তারা ঠিকভাবে তা করে তবে তা তোমাদের ও তাদের পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে। আর যদি ভুল করে তা তোমাদের হয়ে যাবে, দায়-দায়িত্ব রয়ে যাবে তাদের।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন আমি এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সনদ جيد।)
كتاب الصلاة
أبواب الإمامة وصفة الائمة واحكام تتعلق بهمى

(1) باب الأمام ضامن وما جاء فى امامة الفاسق
(1366) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلُّون بكم، فإن أصابوا فلكم ولهم وإن أخطئوا فلكم وعليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমামতি, ইমামের গুণাবলী ও তৎসংশ্লিষ্ট আহকামসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়: ইমাম জামিনদার হওয়া এবং ফাসিকের ইমামতির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে
(১৩৬৩) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন, সম্ভবত তোমাদের সাক্ষাৎ হবে ঐ সব মানুষের সাথে যারা সালাতকে তার সময় ব্যতিরেকে অন্য সময়ে (অর্থাৎ বিলম্বে) আদায় করবে। অতএর তোমরা যদি তাদেরকে পেয়ে যাও তবে তোমরা তোমাদের গৃহেই সালাত যথাসময়ে আদায় করে নিবে। অতঃপর তাদের সাথে সালাতের জামাতে যোগ দিবে এবং সেটাকে নফল স্থির করে নিবে। (অর্থাৎ এতে সালাত যথাসময়ে আমায় করা হবে জামা'আতের সাওয়াবও অর্জন করা যাবে*।)
* এ হাদীস ফরয সালাত দুইবার আদায় জায়েয হওয়ার দলিল। তবে প্রথমবারেই তার ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। দ্বিতীয়বারেরটি হবে সুন্নাত বা নফল।
(হাদীসটি অনুরূপ অর্থে মুসলিমে ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب الإمامة وصفة الائمة واحكام تتعلق بهمى

(1) باب الأمام ضامن وما جاء فى امامة الفاسق
(1367) عن عبد الله (بن مسعودٍ رضى الله عنه) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلَّكم ستدركون أقوامًا يصلُّون صلاةً لغير وقتها فإذا أدركتموهم فصلُّوا فى بيوتكم فى الوقت الَّذى تعرفون ثمَّ صلُّوا معهم واجعلوها سبحةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমামতি, ইমামের গুণাবলী ও তৎসংশ্লিষ্ট আহকামসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়: ইমাম জামিনদার হওয়া এবং ফাসিকের ইমামতির ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে
(১৩৬৪) উক্ত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, খুব শীঘ্রই আমার পরে তোমাদের নেতৃত্বে আসীন হবে এমন কিছু মানুষ, যারা সুন্নাতকে নিভিয়ে দিবে (মিটিয়ে দিবে), বিদ'আতকে প্রচলিত করবে এবং তারাই সালাতকে যথাসময়ের পরে বিলম্বে আদায় করবে। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যদি তাদের সাক্ষাৎ পেয়ে যাই তবে কি করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, হে ইবন মাসউদ, আল্লাহর নাফরমানদের আনুগত্য জরুরী নয়। এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন।
রাবী বলেন, আমি অনুরূপ বক্তব্য মুহাম্মদ ইবনুস সাবাহ'-এর কাছ থেকেও শুনেছি।
(এ হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب الإمامة وصفة الائمة واحكام تتعلق بهمى

(1) باب الأمام ضامن وما جاء فى امامة الفاسق
(1368) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
إنَّه سيلي أمركم من بعدى رجالٌ يطفئون السُّنَّة ويحدثون بدعةً ويؤخرون الصَّلاة عن مواقيتها، قال ابن مسعود يا رسول الله كيف بى إذا أدركتم؟ قال ليس يا ابن أم عبدٍ طاعةٌ لمن عصى الله قالها ثلاث مرَّاتٍ، وسمعت أنا من محمدَّ بن الصبَّاح مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: ইমামতের অধিক যোগ্য কে?
(১৩৬৫) বদরী সাহাবী আবু মাসউদ আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, গোত্রের ইমামতি করবে সে, যার কিতাবুল্লাহর পঠন পাঠন অতিশুদ্ধ। ইমামতির ক্ষেত্রে কিরাতই অগ্রাধিকার যোগ্য। গোত্রের সবাই যদি কিরাতের ক্ষেত্রে সমপর্যায়ের হয় তবে তাদের ইমামতি করবে তাদের মধ্যে যে আগে হিজরত করেছে। হিজরতের দিক থেকেও যদি কেউ সমপর্যায়ের হয় তবে তাদের ইমামতি করবে তাদের মধ্য থেকে যে বয়সে বড়। আর কোন ব্যাক্তি অন্যের পরিবারে বা অন্যের এলাকায় ইমামতি করবে না (কেননা পরিবারে সেই পরিবারের লোকজনই এবং এলাকায় সে এলাকার প্রশাসক ইমামতির অধিক হকদার)। আর কারো বাড়িতে গৃহকর্তার অনুমতি ব্যতীত তাদের কোন আসনে বসবে না।
উক্ত আবু মাসউদ থেকে অন্য সনদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যাতে একথা রয়েছে যদি কিরাতের ক্ষেত্রে তারা সবাই সমপর্যায়ের হয় তবে তাদের মধ্যে যে সুন্নাত সম্পর্কে বেশী জ্ঞান রাখে সেই ইমামতি করবে। সেখানে আরো রয়েছে, আর তুমি কারো গৃহের আসনে বসবে না যতক্ষণ না তোমাকে বসার অনুমতি দেয়া হয়।
(হাদীসটি মুসলিম আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও ইবন হিব্বানে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من أحق بالإمامة
(1369) عن أبى مسعودٍ الأنصاريِّ البدرىِّ رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال يومُّ القوم أقرؤهم لكتب الله تعالى وأقدمهم قراءةً فإن كانت قراءتهم سواءً فليؤمَّهم أقدمهم هجرةً فإت كانت هجرتهم سواءً فليؤمَّهم أكبرهم سنًّا ولا يؤمُّ الرَّجل فى أهله ولا فى سلطانه ولا يجلس على تكرمته فى بيته إلاَّ بإذنه (وعنه من طريقٍ ثانٍ بنحوه وفيه)
فإن كانوا في القراءة سواءً فأعلمهم بالسُّنَّة (وفيه أيضًا) ولا تجلس على تكرمته في بيته حتَّى يأذن لك