মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৩৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ একই কাপড়ে ইহতিবা ও সাম্মা করে কাপড় জড়ানো নিষেধ
(৩৯১) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, একটি কাপড় দিয়ে সাম্মা করে কাপড় জড়িয়ে পরবে না। বাম হাত দিয়ে খাবে না একটি জুতা পরবে না। এক কাপড় দিয়ে ইহতিবা, করবেনা।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب كراهية اشتمال الصماء والاحتباء فى ثوب واحد
(391) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أنَّ نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم قال لا ترتدوا الصَّماء فى ثوبٍ واحدٍ، ولا يأكل أحدكم بشماله، ولا يمش فى نعلٍ واحدةٍ، ولا يحتب فى ثوبٍ واحدٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯২) আবূ সাইদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত সমস্ত যমীন মসজিদ ও পবিত্র।
(ইমাম শাফেয়ী, সহীহ্ ইবন্ খুযাইমা, ইবনে হিব্বান, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ, হাকিম, ইবন্ হাযম ও ইবন্ দাকীকিল ঈদ হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(392) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلُّ الأرض مسجدٌ وطهورٌ إلَّا المقبرة (1) والحمَّام
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৩) আবু মারছাদ আল গানাভী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি তোমরা কবরস্থানে নামায পড়বে না এবং তার উপর বসবে না, (অন্য বর্ণনায় আছে) তোমরা কবরের উপর বসবে না এবং সেখানে নামায পড়বে না।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(393) عن أبي مرثدٍ الغنويِّ رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تصلُّوا إلى القبور ولا تجلسوا عليها (وفي لفظ) لا تجلسوا على القبور ولا تصلُّوا عليها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৪) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ছাগল-ভেড়ার খোঁয়াড়ে নামায পড়তেন, কিন্তু উট ও গরুর খোঁয়াড়ে নামায পড়তেন না।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন, অন্যান্য হাদীস এর বক্তব্য সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(394) عن عبد الله بن عمروٍ (بن العاص رضى الله عنهما) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى فى مرابدٍ (1) الغنم ولا يصلِّى فى مرابد الإبل والبقر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৫) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যদি ছাগলের খোঁয়াড় ও উটের আস্তাবল ছাড়া অন্য কোন স্থান না পাও তাহলে ছাগল, ভেড়ার খোঁয়াড়ে নামায পড়বে কিন্তু উটের আস্তাবলে নামায পড়বে না।
(ইবন মাজাহ, তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(395) عن أبى هريرة عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قال إذا لم تجدوا إلا مرابض (1) الغنم ومعاطن الإبل فصلُّوا فى مرابض الغنم ولا تصلُّوا فى معاطن الإبل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৬) সাবরাহ ইবন্ মা'বাদ রাযি. রাসূল (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(396) حدّثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا يعقوب ثنا عبد الملك بن الرَّبيع بن سبرة عن أبيه عن جدِّه (سبرة بن معبدٍ صلى الله عليه وسلم) عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم نحوه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৭) ইবন্ মুগাফফাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ছাগল ও ভেড়ার খোঁয়াড়ে থাকা অবস্থায় যদি নামাযের সময় হয় তোমরা সেখানে নামায পড়ে নাও। আর উটের আস্তাবলে (বিশ্রামগারে) থাকা অবস্থায় যদি নামাযের সময় হয় তাহলে সেখানে নামায পড়বে না, কারণ এ স্থানটি শয়তান থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।
(ইবন্ মাজাহ। এ হাদীসের একজন রাবী ছাড়া বাকিরা নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(397) عن ابن مغفلٍ (2) رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا حضرت الصلَّاة وأنتم فى مرابض الغنم فصلُّوا، وإذا حضرت وأنتم فى أعطان (3) الإبل فلا تصلُّوا، فإنَّها خلقت من الشَّياطين (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের স্থান কাপড় ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করা এবং যেটা অজ্ঞাত তা মার্জনীয় হওয়া প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদঃ যে সব স্থানে নামায পড়া নিষিদ্ধ এবং যে সব স্থানে নামায পড়ার অনুমতি রয়েছে
(৩৯৮) ইবন্ মুগাফফাল (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি তোমরা উটের আস্তাবলে নামায পড়বে না, কারণ তা জ্বিন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা কি তাদের পালাবার সময় তাদের ক্ষিপ্রতা দেখতে পাও না? তোমরা ছাগল-ভেড়ার খোঁয়াড়ে নামায পড়, উহা রহমতের নিকটবর্তী স্থান।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ, আহমদ, তবারানী।)
كتاب الصلاة
أبواب اجتناب النجاسة فى مكان المصلى وثوبه وبدنه والعفو عما لا يعلم منها

(1) باب الأماكن المنهى عنها والمأذون فيها للصلاة
(398) وعنه أيضًا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تصلُّوا في عطن الإبل فإنَّها من الجنِّ خلقت، ألا ترون عيونها وهبابها (1) إذا نفرت وصلُّوا في مراح (2) الغنم فإنَّها هى أقرب من الرَّحمة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৩৯৯) আমর ইবন্ শু'আইব (রা) তাঁর পিতা থেকে তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে নামাযরত অবস্থায় ডানে বামে তাকাতে দেখেছি, আমি তাঁকে জুতা পরে ও খালি পায়ে নামায পড়তে দেখেছি এবং দাঁড়িয়ে ও বসে পানি পান করতে দেখেছি।
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, বায়হাকী ও তাহাবী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(399) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّي ينتفل (1) عن يمينه وعن شماله، ورأيته يصلِّى حافيًا ومنتعلًا، (2) ورأيته يشرب قائمًا وقاعدًا
হাদীস নং: ৪০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০০) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) নামায পড়ছিলেন তখন জুতা খুলে ফেলেন, তা দেখে লোকেরাও জুতা খুললো। নামায শেষে রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা কেন জুতা খুললে? তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমরা আপনাকে খুলতে দেখেছি তাই আমরাও খুলেছি। রাসূল (ﷺ) বললেন, জিব্রাঈল এসে আমাকে সংবাদ দিলেন, জুতায় ময়লা রয়েছে, সুতরাং-তোমাদের কেউ যখন মসজিদে আসরে সে যেন তার জুতা উঠিয়ে দেখে নেয়। যদি ভাতে ময়লা দেখতে পায় তবে যেন মাটিতে মুছে নেয়। অতঃপর তা পরে নামায পড়ে।
(আবু দাউদ, ইবন্ হিব্বান, সুনানে বায়হাকী, হাকিম, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(400) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى فخلع نعليه فخلع النَّاس نعالهم، فلمَّا انصرف قال لم خلعتم نعالكم؟ فقالوا يا رسول الله رأيناك خلعت فخلعنا، قال إنَّ جبريل أتانى فأخبرنى أنَّ بهما خبثًا، فإذا جاء أحدكم المسجد فليقلب نعله فلينظر فيهما، فإن رآى بهما خبثًا فليمسحه بالأرض ثمَّ ليصلِّ فيهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০১) সাঈদ ইবন ইয়াযীদ আবু মাসলামা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূল (ﷺ) কি তাঁর জুতা পরে নামায পড়তেন, তিনি বললেন, হ্যাঁ।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(401) عن سعيد بن يزيد أبى مسلمة قال قلت لأنس بن مالكٍ رضى الله عنه أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى نعليه؟ قال نعم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০২) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বসে ও দাঁড়িয়ে, জুতা পায়ে ও খালি পায়ে নামায পড়েছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(402) عن أبى هريرة رضى الله عنه كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّي قائمًا وقاعدًا وحافيًا ومنتعلًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৩) আবূ 'আলা ইবন্ সিখ্য়ীর থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে জুতা দু'টি পরে নামায পড়তে দেখেছি। তিনি বলেন, তখন তিনি থুথু ফেলেন তাঁর বাম পায়ের জুতার নিচে। তিনি বলেন, আমি তাঁকে থুথুগুলো তাঁর জুতা দ্বারা ঘষে নিতে দেখেছি।
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(403) عن أبي العلاء بن الشِّخِّير عن أبيه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى نعليه قال فتنخَّع (1) فتفله تحت نعله اليسرى قال ثمَّ رأيته حكَّها بنعليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৪) আবু আওবার (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রা)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আপনি কি জুতা পরে লোকদেরকে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, না, কিন্তু আমি রবের নামে কা'বার শপথ করে বলছি, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এ স্থানে জুতা পরে নামায পড়তে এবং জুতা পরে স্থান ত্যাগ করতে দেখেছি। রাসূল (ﷺ) জুমু'আর দিনে তাঁর নির্ধারিত রোযা ছাড়া অন্য রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। (অন্য বর্ণনায় আছে), আমি রাসূল (ﷺ)-কে তাঁর জুতা পরে নামায পড়তে দেখেছি।
(সুনানে বায়হাকী, তাহাবী, আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(404) عن أبى الأوبر قال أتى رجلٌ أبا هريرة فقال أنت الَّذى تنهى النَّاس أن يصلُّوا وعليهم نعالهم؟ قال لا، ولكن وربِّ هذه الحرمة (2) لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى إلى هذا المقام وعليه نعلاه وانصرف وهما عليه، ونهى النَّبىُّ صلى الله عليه وسلم عن صيام يوم الجمعة إلَّا أن يكون في أيَّامٍ (3) (وفى روايةٍ) رأيت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم صلَّى في نعليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৫) মুজাম্মা 'ইবন্ ইয়াকুব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি কুবার এক গোলাম থেকে বর্ণনা করেন। সে একজন বৃদ্ধ লোকের সাক্ষাৎ পেল, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের কাছে কুবায় আসলেন, তখন তিনি এক বাড়ির আঙ্গিনায় বসলেন। তাঁর চারপাশে কিছু লোকেরা একত্রিত হলো। তখন রাসূল (ﷺ) পানি পান করতে চাইলেন, পান করার সময় আমি তাঁর ডান পাশে ছিলাম। লোকদের মধ্যে আমি ছিলাম সবচেয়ে ছোট, তখন তিনি আমাকে পান করতে দিলেন আমি পান করলাম, আমার স্মরণ আছে, তিনি আমাদের নিয়ে সে দিন জুতা পরে নামায পড়ছিলেন, তা খুলেন নি।
দ্বিতীয় এক বর্ণনায় তাঁর থেকে বর্ণিত আছে। তিনি মুহাম্মদ ইব্‌ন ইসমাঈল ইবন্ মুজাম্মা' (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন্ আবি হাবীবাকে বলা হলো, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে কি শিখেছেন। রাসূল (ﷺ) যখন (কুবায়) আসেন তখন তিনি ছিলেন ছোট বালক। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) একদিন আমাদের মসজিদে অর্থাৎ (কুবার মসজিদে) আসেন, তখন আমরা সেখানে গমন করি এবং তাঁর পাশে বসি। লোকেরাও তাঁর পাশে বসেন, আল্লাহর ইচ্ছা সকলে তাদের ইচ্ছে মত বসেন। অতঃপর তিনি নামায পড়তে দাঁড়ান। তখন আমি তাঁকে জুতা পরিহিত অবস্থায় নামায পড়তে দেখি।
(হায়ছামী মাজমা'উয-যাওয়ায়েদ গ্রন্থে হাদীস বর্ণনা করে বলেন, আহমদ ও তবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আহমদের হাদীস বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(405) عن مجمِّع بن يعقوب عن غلامٍ من أهل قباء أنَّه أدركه شيخًا أنَّه قال جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بقباء فجلس فى فئ الأحمر (1) (وفى روايةٍ فى فناء الأجم) واجتمع إليه ناسٌ فاستسقى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسقى فشرب وأنا عن يمينه وأنا أحدث القوم، فناولني فشربت وحفظت أنَّه صلَّى بنا يومئذٍ الصَّلاة وعليه نعلاه لم ينزعهما (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (2) عن محمَّد بن إسماعيل بن مجمِّع قال قيل لعبد الله بن أبى حبيبة (3) ما أدركت من رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم وهو غلامٌ حديثٌ، قال جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يومًا إلى مسجدنا يعنى مسجد قباءٍ، قال فجئنا فجلسنا إليه وجلس إليه النَّاس (4) قال فجلس ما شاء الله أن يجلس ثمَّ قام يصلِّي فرأيته يصلِّى في نعليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৬) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে মোজা ও জুতা পরে নামায পড়তে দেখেছি।
(এ-হাদীসের আলোচনা পরে ইমামতির হকদার পরিচ্ছেদে আসবে।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(406) عن ابن مسعودٍ رضى الله عنه قال لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى الخفَّين والنَّعلين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৭) নু'মান ইবন্ সালিম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আউস ইবন্ আবু আউসের এক নাতি থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ) জুতা পরে নামায পড়তেন এবং নামাযেই তাঁর দিকে ইঙ্গিত করতেন, প্রয়োজনে তিনি উহা খুলে ফেলতেন। পুনরায় পরিধান করে নামায পরতেন। তিনি বলতেন, রাসূল (ﷺ) জুতা পরে নামায পড়তেন।
(ইবন্ মাজাহ্, তবারানী মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন এতে একজন অপরিচিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(407) عن النُّعمان بن سالمٍ عن رجلٍ (1) جدُّه أوس بن أبى أوسٍ كان يصلِّى ويومئ إلى نعليه وهو فى الصَّلاة (2) فيأخذهما فينتعلهما ويصلِّى فيهما ويقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى نعليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ জুতা পরিধান করে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৮) আবদুল্লাহ ইবন্ আস সায়িব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন বাম পাশে জুতা রেখে নামায পড়লেন, আব্দুল্লাহ (ইবন্ আহমদ ইবন্ হাম্বল) বলেন, আমি এই হাদীসটি আমার পিতার নিকট থেকে তিনবার শুনেছি।
(আবূ দাউদ, নাসায়ী, ইবন্ মাজাহ্, ইবন্ আবি শাইবা, তার সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(6) باب ما جاء فى الصلاة فى النعل
(408) عن عبد الله بن السَّائب رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى يوم الفتح (3) فوضع نعليه عن يساره (4)، قال عبد الله سمعت هذا الحديث من أبى ثلاث مرارٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪০৯) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মাদুরের চাটাইয়ের ওপর নামায পড়তেন।
(মুসলিম, ইবন্ মাজাহ, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(409) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضى الله عنه قال صلَّى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم على حصيرٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১০) আনাস ইবন্ মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার এক ফুফি রাসূল (ﷺ)-এর জন্য খাবার তৈরী করেছিলেন, তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আপনি আমার বাড়িতে খাবেন। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি (রাসূল) আসলেন। ঘরে পুরানো একটা মাদুর ছিল। মাদুরের এক প্রান্ত পরিষ্কার করতে নির্দেশ দিলেন, তা পরিষ্কার করা হয় এবং পানি ছিটিয়ে দেয়া হয়। তখন তিনি নামায পড়লেন তাঁর সাথে আমরাও নামায পড়লাম।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(410) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال صنع بعض عمومتى للنَّبيَّ صلى الله عليه وسلم طعامًا فقال يا رسول الله إنِّي أحبُّ أن تأكل فى بيتى، قال فأتاه وفى البيت فحلٌ (1) من تلك الفحول، فأمر بجانبٍ منع فكنس ورشَّ فصلَّى وصلَّينا معه
tahqiq

তাহকীক: