মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৪১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১১) (তাঁর) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, কখনো রাসূল (ﷺ) আমাদের ঘরে থাকা অবস্থায়ই নামাযের সময় হত। তখন রাসূল (ﷺ) যে চাটাইতে বসে থাকতেন তা পরিষ্কার করার নির্দেশ দিতেন আর তা পরিষ্কার করা হত। অতঃপর তার উপর পানি ছিটিয়ে দেয়া হত, অতঃপর রাসূল (ﷺ) দাঁড়াতেন আমরা তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে যেতাম তখন তিনি আমাদের নিয়ে নামায পড়তেন। তিনি বলেন, তখন তাঁদের চাটাই ছিল খেজুর পাতার তৈরী।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(411) وعنه أيضًا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ربَّما تحضره الصَّلاة وهو فى بيتنا فيأمر بالبساط الَّذى تحته فيكنس ثمَّ ينضح بالماء ثمَّ يقوم رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم ونقوم خلفه فيصلِّي بما قال وكان بساطهم من جريد النَّخل (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১২) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) একটি চাটাইতে নামায পড়েছিলেন।
(ইবন্ মাজাহ, বায়হাকী-এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(412) عن ابن عباسٍ رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم صلَّى على بساطٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১৩) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) উম্মু হারামের ঘরে চাটাইয়ের ওপর নামায পড়েছেন।
(সুনানে বায়হাকী। হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(413) عن أنسٍ بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم صلَّى فى بيت أم حرامٍ (2) على بساطٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১৪) মুগিরা ইবন্ শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) চামড়ার তৈরী বিছানায় নামায পড়তেন বা পড়তে পছন্দ করতেন।
(আবূ দাউদ, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(414) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى أو يستحبُّ أن يصلِّى على فروةٍ (1) مدبوغةٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১৫) রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী মায়মূনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জায়নামাযে নামায পড়তেন। তখন সিজদা করলে তাঁর কাপড় আমার দেহ স্পর্শ করত, তখন হায়েয অবস্থায় আমি তাঁর পাশে থাকতাম।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(415) عن ميمونة زوج النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى على الخمرة (2) فيسجد فيصيبنى ثوبه وأنا إلى جنبه وأنا حائضٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ মাদুর, বিছানা, চামড়া ও জায়নামাযে নামায পড়া প্রসঙ্গে
(৪১৬) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) জায়নামাযে নামায পড়তেন।
(সুনানে বায়হাকী, তিরমিযী বলেন হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(7) باب في الصلاة على الحصير والبسط والفراء وألخمرة
(416) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى على الخمرة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের পোশাক নারীদের ম্যাক্সি (তহবন্দ) ও ছোট কাপড় পড়ে নামায পড়ার হুকুম
(৪১৭) মু'আবিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রাসূল (ﷺ) তোমার সাথে একত্রে নিদ্রা যাওয়ার সময় যে কাপড় পরিধান করতেন সে কাপড় পরিধান করে কি নামায পড়তেন, তিনি বলেন, হ্যাঁ, যদি সে কাপড়ে কোন নাপাকী না থাকত।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সকলে নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب في الصلاة فى ثوب النوم وشعر النساء وحكم ثوب الصغير
(417) عن معاوية رضي الله عنه قال قلت لأمَّ حبيبة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ورضى عنها أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى الثَّوب الَّذى ينام معك فيه؟ قالت نعم ما لم ير فيه أذًى (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের পোশাক নারীদের ম্যাক্সি (তহবন্দ) ও ছোট কাপড় পড়ে নামায পড়ার হুকুম
(৪১৮) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক ব্যক্তিকে রাসূল (ﷺ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, আমি যে কাপড় পরে স্ত্রী সহবাস করি সে কাপড় পরে কি নামায পড়তে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তবে যদি তাতে কোন নাপাকি দেখ তাহলে তা ধুয়ে ফেলবে।
(ইবন মাজাহ, ইবন মাজাহর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب في الصلاة فى ثوب النوم وشعر النساء وحكم ثوب الصغير
(418) عن جابر بن سمرة رضي الله عنهما قا لسمعت رجلًا سأل النَّبىَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم أصلِّى فى ثوبى الَّذى آتى فيه أهلى؟ قال نعم إلَّا أن ترى فيه شيئًا تغسله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের পোশাক নারীদের ম্যাক্সি (তহবন্দ) ও ছোট কাপড় পড়ে নামায পড়ার হুকুম
(৪১৯) মুহাম্মদ ইবন্ সিরীন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সংবাদ পেয়েছি যে, আয়িশা (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের খামিছ (তহবন্দ) পরে নামায পড়তেন না।
বিশর (ইবন্ মুফাদ্দিল) বলেন, খামিছ (তহবন্দ) হল এমন ধরনের পোশাক যা গাউনের বা লম্বা জামার নীচে পরিধান করা হয়।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্, নাসাঈ, তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ্ মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب في الصلاة فى ثوب النوم وشعر النساء وحكم ثوب الصغير
(419) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا عفَّان قال ثنا بشرٌ يعنى ابن مفضِّلٍ قال ثنا سلمة بن علقمة عن محمَّد بن سيرين قال نبِّئت أن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصلِّى فى شعرنا (1) قال بشرٌ هو الثَّوب الَّذى يلبس تحت الدِّثار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের পোশাক নারীদের ম্যাক্সি (তহবন্দ) ও ছোট কাপড় পড়ে নামায পড়ার হুকুম
(৪২০) আবু কাতাদাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে আবুল আস ও যয়নাবের মেয়ে উমামা বা উমায়মাকে নামাযে বহন করতে দেখেছি। তিনি যখন দাঁড়াতেন তখন তাঁকে কাঁধে নিতেন। আর যখন রুকু করতেন তখন তাঁকে রেখে দিতেন। নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত এরূপ করতেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب في الصلاة فى ثوب النوم وشعر النساء وحكم ثوب الصغير
(420) عن أبى قتادة رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يحمل أمامة أو أميمة (2) بنت أبي العاص وهى بنت زينب يحملها إذا قام ويضعها إذا ركع حتَّى فرغ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কিবলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার সময়কাল এবং বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে প্রত্যাবর্তন
(৪২১) বারা ইবন্ আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) মদীনা এসে প্রথমে তাঁর নানা বাড়ির লোকদের বা আনসারী আত্মীয়দের বাড়িতে অবস্থান করলেন। তিনি বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস নামায পড়েছিলেন। বায়তুল্লাহ্ তাঁর কিবলা হোক তিনি তা পছন্দ করতেন, তিনি প্রথমে আসরের নামায কা'বা গৃহের দিকে মুখ করে পড়েন তখন তাঁর সাথে একদল লোকও নামায পড়েন, যারা তাঁর সাথে নামায পড়েন তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি মসজিদে (কুবায়) গিয়ে দেখেন সেখানে লোকেরা রুকু অবস্থায় আছে। তখন তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে মক্কাস্থ কাবাগৃহের দিকে মুখ করে নামায পড়েছি। তখন তারা কা'বার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিল। রাসূল (ﷺ) কা'বা ঘরের দিকে মুখ করে নামায পড়তে পছন্দ করতেন। আর ইয়াহুদ ও আহলে কিতাবগণ বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়তে পছন্দ করত। রাসূল (ﷺ) যখন কা'বাগৃহের দিকে মুখ করে নামায পড়লেন তারা তাঁর নিন্দা করল।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ্, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
أبواب القبلة

(1) باب مدة استقبال بيت المقدس وتحويل القبلة منه الى الكعبة
(421) عن البراء بن عازبٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أوَّل ما قدم المدينة نزل على أجداده أو أخواله من الأنصار، وأنَّه صلَّى قبل بيت المقدس ستَّة عشر أو سبعة عشر شهرًا، وكان يعجبه أن تكون قبلته قبل البيت (1) وأنَّه صلَّى أوَّل صلاةٍ صلَّاها صلاة العصر (2) وصلَّى معه قومٌ فخرج رجلٌ ممَّن صلَّى معه (3) فمرَّ على أهل مسجدٍ (4) وهم راكعون فقال أشهد بالله لقد صلَّيت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل مكَّة، قال فداروا كما هم قبل البيت (5) وكان يعجبه أن يحوَّل قبل البيت، وكان اليهود قد أعجبهم إذا كان يصلِّي قبل بيت المقدس وأهل الكتاب (1) فلمَّا ولَّى وجهه قبل البيت أنكروا ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কিবলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার সময়কাল এবং বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে প্রত্যাবর্তন
(৪২২) ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন লোকেরা কুবা মসজিদে ফজরের নামায পড়ছিল। এমন সময় একজন লোক এসে বলল, আজ রাতে রাসূল (ﷺ)-এর উপর কুরআন নাযিল হয়েছে এবং তাঁকে কা'বার দিকে মুখ করে নামায পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অতএব সবাই কা'বাগৃহের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, তখন তাঁদের মুখ সিরিয়ার (বায়তুল মাকদিসের) দিকে ছিল, সেদিক থেকে তাঁরা কা'বার দিকে ফিরিয়ে নিলেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب القبلة

(1) باب مدة استقبال بيت المقدس وتحويل القبلة منه الى الكعبة
(422) عن عبد الله بن دينارٍ عن ابن عمر رضى الله عنهما قال بينما النَّاس بقباء (2) فى صلاة الصُّبح إذ أتاهم آتٍ فقال إنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أنزل عليه قرآنٌ اللَّيلة، وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها (3) وكانت وجوههم إلى الشَّام فاستداروا إلى الكعبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কিবলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার সময়কাল এবং বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে প্রত্যাবর্তন
(৪২৩) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ ষোল মাস বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়েছেন। অতঃপর কিবলা পরিবর্তন করা হল।
(সুনানে বায়হাকী, তবারানী (মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে) ও বাযযার, ইরাকী বলেন, এর সনদ সহীহ্।)
كتاب الصلاة
أبواب القبلة

(1) باب مدة استقبال بيت المقدس وتحويل القبلة منه الى الكعبة
(423) عن ابن عباسٍ رضي الله عنهما قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه إلى بيت المقدس ستَّة عشر شهرًا ثمَّ صرفت القبلة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কিবলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার সময়কাল এবং বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে প্রত্যাবর্তন
(৪২৪) উবাইদ ইবন্ আদম ও আবূ মরিয়ম ও আর আবু শু'আইব থেকে বর্ণিত, উমর ইবন্ খাত্তাব (রা) জাবীয়া অবস্থানকালে বায়তুল মাকদিস বিজয়ের কথা আলোচনা করা হয়, তিনি বলেন, তখন আবূ সালামা বলেন, আমাকে আবু সিনান উবায়দ ইবন্ আদম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি উমর (রা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি কা'আবকে বললেন, তুমি আমাকে কোথায় নামায পড়তে বল? কা'আব বললেন, তুমি যদি আমার নিকট জানতে চাও তাহলে আমি বলব, তুমি পাথরের পেছনে নামায পড়। তাহলে সমস্ত বায়তুল মাকদিস তোমার সম্মুখে থাকবে। উমর (রা) বললেন, ইয়াহুদীগণ যে কাজ করেছে আমি কি সে কাজ করব? না, রাসূল (ﷺ) যেখানে নামায পড়েছেন আমি সেখানে নামায পড়ব। অতঃপর তিনি কা'বার দিকে মুখ ফিরিয়ে নামায পড়লেন, তারপর তিনি তাঁর চাদর বিছালেন এবং চাদর দ্বারা ময়লা পরিষ্কার করলেন লোকরাও তাই করল।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب القبلة

(1) باب مدة استقبال بيت المقدس وتحويل القبلة منه الى الكعبة
(424) عن عبيد بن آدم وأبى مريم وأبى شعيبٍ أنَّ عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه كان بالجابية فذكر فتح بيت المقدس، قال فقال أبو سلمة فحدثني أبو سنانٍ عن عبيد بن آدم قال سمعت عمر بن الخطاب يقول لكعبٍ أين ترى أن أصلِّى فقال إن أخذت عنِّي صلَّيت خلف الصَّخرة فكانت القدس كلُّها بين يديك، فقال عمر ضاهيت (1) اليهوديَّة، لا، ولكن أصلَّى حيث صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم فتقدَّم، إلى القبلة (2) فصلَّى ثمَّ جاء فبسط رداءه فكنس الكناسة فى ردائه وكنس النَّاس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কিবলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়ার সময়কাল এবং বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে প্রত্যাবর্তন
(৪২৫) ইব্রাহীম ইবন্ আবি আবলা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন্ আমর ইবন্ উম্মে হারাম আল আনসারীকে ধূলি রং-এর কাপড় এবং রাসূল (ﷺ)-এর সাথে উভয় কিবলার দিকে নামায পড়তে দেখেছি। ইব্রাহীম হাত দিয়ে তাঁর কাঁধের দিকে ইংগিত করলেন তাতে অনেকে ধারণা করেছিল এটা তাঁর চাদর।
(তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন,) আমি আবু উবাই আল আনসারী (তিনি হলেন, ইবন্ আবু হারাম আনসারী)-কে দেখলাম, তখন তিনি আমাকে খবর দিলেন যে, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে উভয় কিবলার দিকে ফিরে নামায পড়েছেন, তখন তাঁর শরীরে ধূলি রংয়ের পোশাক ছিল।
(বাগাবী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসের প্রথম সনদ দুর্বল, দ্বিতীয় সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب القبلة

(1) باب مدة استقبال بيت المقدس وتحويل القبلة منه الى الكعبة
(425) عن إبراهيم بن أبى عبلة قال رأيت عبد الله بن عمرو بن أمِّ حرامٍ (3) الأنصارىَّ وقد صلَّى مع النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم القبلتين وعليه ثوب خزٍّ (4) أغبر وأشار إبراهيم بيده إلى منكبيه فظنَّ كثيرٌ أنَّه ردأه (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (5) قر قال رأيت أبا أبىِّ الأنصارىَّ وهو ابن أبي حرامٍ الأنصارىِّ فأخبرنى أنَّه صلَّى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم القبلتين جميعًا وعليه كساء خزٍّ أغبر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ফরয নামাযে কিবলামুখী হওয়া ওয়াজিব
(৪২৬) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমাকে লোকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার হুকুম দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল এবং আমাদের কিবলার দিকে মুখ করবে, আমাদের যবেহ করা প্রাণী খাবে এবং আমাদের মত নামায পড়বে, তখন তাদের রক্ত ও সম্পদ আমাদের জন্য হারাম সাব্যস্ত হবে, তবে ইসলাম তাদের জন্য যে হক (প্রাণের বদলে প্রাণ) নির্ধারণ করে দিয়েছে তা ছাড়া, তখন তারা মুসলমানদের মত বিচার প্রার্থী এবং মুসলমানদের কর্তব্য তাদের পালন করতে হবে।
(বুখারী।)
كتاب الصلاة
(2) باب وجوب استقبال القبلة فى الفريضة
(426) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرَّت أن أقاتل النَّاس حتَّى يشهدوا أن لا إله إلَّا الله وأنَّ محمَّدًا رسول الله فإذا شهدوا واستقبلوا قبلتنا وأكلوا ذبيحتنا وصلَّوا صلاتنا فقد حرمت علينا دماؤهم وأموالهم إلَّا بحقَّها، لهم ما للمسلمين وعليهم ما عليهم
হাদীস নং: ৪২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ফরয নামাযে কিবলামুখী হওয়া ওয়াজিব
(৪২৭) রিফা'আ ইবন্ রাফে' আয-যুরাক্কী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) (নামাযে ত্রুটিকারীকে), বলেছেন যখন তুমি নামায পড়ার ইচ্ছে করবে প্রথমে ভাল করে ওযু করে নিবে। তারপর কিল্লার দিকে মুখ করে তাকবীর বলে নামায শুরু করবে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(2) باب وجوب استقبال القبلة فى الفريضة
(427) عن رفاعة بن رافعٍ الزرقىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال (للمسيء فى صلاته) إذا اردت أن تصلِّى فتوضَّأ فأحسن وضوءك ثمَّ استقبل القبلة ثمَّ كبِّر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ফরয নামাযে কিবলামুখী হওয়া ওয়াজিব
(৪২৮) আমির ইবন্ রাবীয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বাহনে চড়ে নফল নামায পড়তে দেখেছি, যে দিকে তাঁর বাহন মুখ ফিরাচ্ছিল তিনি সে দিকে তাঁর মাথা দিয়ে ইশারা করছিলেন, রাসূল (ﷺ) ফরয নামাযে এরূপ করতেন না।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(2) باب وجوب استقبال القبلة فى الفريضة
(428) عن عامر بن ربيعة رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبَّح (1) وهو على الرَّاحلة ويومئ (2) برأسه قبل أىِّ وجهٍ توجَّه، ولم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ذلك فى الصَّلاة المكتوبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কা'বার ভিতরে নফল নামায পড়া
(৪২৯) উসামা ইবন্ যায়েদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে কাবাগৃহে প্রবেশ করি। রাসূল (ﷺ) গৃহে বসে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন, তাকবীর (তাসবীহ) পড়লেন, তারপর বায়তুল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে বায়তুল্লাহর সাথে বুক, গাল ও হাত মেলালেন এবং তাকবীর, তাসবীহ ও দু'আ করলেন, এভাবে কা'বার সমস্ত কোণে দু'আ করার পর বের হয়ে কা'বার দরজায় এসে দুই অথবা তিনবার বললেন, এটাই কিবলা, এটাই কিবলা।
(মুসলিম, নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(3) باب صلاة التطوع فى الكعبة
(429) عن أسامة بن زيدٍ رضى الله عنهما قال دخلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت (1) فجلس فحمد الله وأثني عليه وكبَّر وهلَّل، ثمَّ قام إلى ما بين يديه من البيت فوضع صدره عليه وخدَّه ويديه، قال ثمَّ كبَّر وهلَّل ودعا، ثمَّ فعل ذلك بالأركان كلِّها، ثمَّ خرج فأقبل على القبلة وهو على الباب، فقال هذه القبلة هذه القبلة، مرَّتين أو ثلاثًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কা'বার ভিতরে নফল নামায পড়া
(৪৩০) ইবন্ জুরাইজ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আতাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তুমি কি ইবন্ আব্বাসকে এ কথা বলতে শুনেছ যে, কাবাগৃহে প্রবেশের নির্দেশ দেয়া হয় নাই? তিনি বললেন, প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয় নাই। তবে আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, আমাকে উসামা ইবন্ যায়েদ সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী করীম (ﷺ) যখন কাবাগৃহে প্রবেশ করেন তখন তার প্রত্যেক কোণে দু'আ করলেন এবং বাইরে না এসে অভ্যন্তরে নামায পড়লেন না। বাইরে আসার পর কা'বার দিকে মুখ করে দু'রাকা'আত নামায পড়লেন,
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, এটাই কিবলা।
(মুসলিম ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(3) باب صلاة التطوع فى الكعبة
(430) عن ابن جريجٍ قال قلت لعطاء أسمعت ابن عبَّاسٍ يقول إنَّما أمرتم بالطَّواف ولم تؤمروا بالدُّخول؟ قال لم يكن ينهى عن دخوله، ولكنِّى سمعته يقول أخبرنى أسامة بن زيدٍ أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم لمَّا دخل البيت دعا فى نواحيه كلِّها ولم يصلِّ فيه حتَّى خرج، فلمَّا خرج ركع ركعتين في قبل (1) القبله قال عبد الرزَّاق وقال هذه القبلة (2)
tahqiq

তাহকীক: