মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৪৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কা'বার ভিতরে নফল নামায পড়া
(৪৩১) আমর ইবন্ দীনার (রা) থেকে বর্ণিত, ইবন্ উমর (রা) বিলাল থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ) বায়তুল্লাহর ভেতর নফল নামায পড়েছেন, তিনি বলেন, ইবন্ আব্বাস বলতেন, তিনি তাতে নামায পড়েন নি তবে তিনি প্রত্যেক কোণে আল্লাহু আকবার বলেছেন।
(মুসলিম ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(3) باب صلاة التطوع فى الكعبة
(431) عن عمرو بن دينارٍ أنَّ ابن عمر حدَّث عن بلالٍ أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى فى البيت، قال وكان ابن عبَّاس يقول لم يصلِّ فيه ولكنَّه كبَّر فى نواحيه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কা'বার ভিতরে নফল নামায পড়া
(৪৩২) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বেলাল (রা)-কে প্রশ্ন করেছিলেন, রাসূল (ﷺ) কি কা'বাগৃহের মধ্যে নামায পড়েছিলেন, তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি দু'টি খামের মাঝখানে দু'রাকা'আত নামায পড়েছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(3) باب صلاة التطوع فى الكعبة
(432) عن ابن عمر رضى الله عنهما أنَّه سأل بلالًا هل صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم فى الكعبة؟ قال نعم ركع ركعتين بين السَّاريتين (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কা'বার ভিতরে নফল নামায পড়া
(৪৩৩) উসমান ইবন তালহা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ) কা'বাগৃহে প্রবেশ করেন। অতঃপর দু'টি খামের মাঝখানে প্রবেশের সময়-যে-দিকে মুখ হয় সে দিকে মুখ করে দু'রাকা'আত নামায পড়েন।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, বর্ণনাকারীগণ সঠিক।)
كتاب الصلاة
(3) باب صلاة التطوع فى الكعبة
(433) عن عثمان بن طلحة رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم دخل البيت فصلَّى ركعتين وجاهك حين تدخل بين السَّاريتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৪) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সফরে তাঁর উস্ট্রির উপরে কিবলামুখী না হয়ে নফল নামায পড়েছেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(434) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى على ناقته تطوُّعًا فى السَّفر لغير القبلة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৫) (তাঁর) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) যখন তাঁর বাহনে চড়ে নফল নামায পড়ার ইচ্ছে করতেন তখন কিবলার দিকে মুখ করে নামাযের তাকবীর দিতেন। এরপর বাহন চলতে থাকত যেদিকেই তার মুখ থাকত না কেন তিনি নামায পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম, বাইহাকী, দারাকুতনী।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(435) وعنه أيضًا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يصلِّى على راحلته (1) تطوُّعًا استقبل القبلة فكبَّر للصَّلاة ثمَّ خلَّى عن راحلته فصلَّى حيثما توجَّهت به (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৬) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর বাহনে চড়ে নামায নফল পড়তেন, যে দিকেই তাঁর মুখ থাকত না কেন। তিনি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা ইশারায় নামায পড়তেন এবং রুকুর চেয়ে সিজদায় বেশী ঝুঁকতেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(436) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ وعن نافع عن ابن عمر رضى الله عنهم أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى على راحلته فى التَّطوُّع حيثما توجَّهت به، يوميء إيماءً، ويجعل السُّجود أخفض من الرُّكوع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৭) জাবির ইবন্ আবদুল্লাহ (রা), ও রাসূল করীম (ﷺ) থেকে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(437) وعن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৮) ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মক্কা থেকে মদীনা যাওয়ার পথে বাহনের যে দিকেই তাঁর মুখ থাকত না কেন, নামায পড়তেন। এ প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়।
{فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ} [البقرة: 115]
যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন, সে দিকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি। (সূরা বাকারা-১১৫, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(438) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى على راحلته مقبلًا من مكَّة إلى المدينة حيث توجَّهت به، وفيه نزلت {فأينما تولُّوا فثمَّ وجه الله}
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৩৯) তাঁর (ইবনে উমর (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে গাধার পিঠে চড়ে খায়বরের দিকে মুখ করে নামায পড়তে দেখেছি।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(439) وعنه أيضًا قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى على حمارٍ (1) وهو موجِّهٌ (وفى رواية وهو متوجّهٌ) إلى خيبر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৪০) নাফে' (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন্ উমর (রা)-কে তাঁর বাহনের উপর নফল নামায পড়তে দেখেছি, যে দিকেই তার মুখ থাকত না কেন। আমি তাঁর সামনে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমি আবুল কাসিম (ﷺ)-কে এমন করতে দেখেছি।
(মুসনাদে আহমদ, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(440) عن نافعٍ قال رأيت ابن عمر يصلِّى على دابَّته التطَّوع حيث توجَّهت به، فذكرت له ذلك فقال رأيت أبا القاسم صلى الله عليه وسلم يفعله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৪১) আনাস ইবন্ সিরীন (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবন মালিক (রা) সিরিয়া থেকে ফেরার পথে "আইনুত তামার" নামক স্থানে তাঁর সাথে আমাদের সাক্ষাৎ হল, তিনি কিবলা মুখী না হয়ে বাহনের ওপর নামায পড়ছিলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কিবলামুখী না হয়ে নামায পড়ছেন? তিনি বললেন, আমি যদি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ করতে না দেখতাম তাহলে আমিও করতাম না।
(বুখারী, মুসলিম, মালিক।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(441) عن أنس بن سيرين قال تلقَّينا أنس بن مالكٍ حين قدم من الشام (1) فلقيناهُ بعين وهُو يُصلَّي على دابته لغير القبلة، فقُلنا لهُ إنَّك تُصلى إلى غير القبلة، فقال لولا أنَّة رأيتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم يفعلُ ذلك ما فعلتُ.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: মুসাফিরের জন্য বাহনের উপরে যে দিকে তার মুখ থাকে সেদিকে মুখ করে নফল নামায পড়া জায়িয
(৪৪২) আমির ইবন্ রাবী'আ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে তাঁর বাহনের পিঠে চতুর্দিক ফিরে নফল নামায পড়তে দেখেছি।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز تطوع المسافر على راحلة حيث توجهت به
(442) عن عامر بن ربيعة رضى الله عنهُ رأيتٌ رسُول الله صلى الله عليه وسلم يُصلَّى على ظهر راحلته النَّوافل فى كلَّ جهة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫ম) পরিচ্ছেদঃ ওযরবশত বাহনের উপর ফরয নামায আদায়ের অনুমতি প্রসঙ্গে
(৪৪৩) ইয়ালা ইবন্ মুররা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ও তাঁর সাথীগণ একা সংকটাপন্ন স্থানে পৌঁছলেন। তখন তিনি বাহনের উপর ছিলেন, উপর থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল আর নীচে যমীন ছিল কর্দমাক্ত। এমন সময় নামাযের সময় হলো, তখন তিনি মুয়াযযিনকে আযানের নির্দেশ দেন। সে আযান ও ইকামত দেয়। রাসূল (ﷺ) বাহনের উপরে চড়ে আগে চলে যান এবং তাঁদের নিয়ে ইশারা ইংগিতে নামায আদায় করেন। তিনি রুকু থেকে সিজদায় একটু বেশী ঝুঁকেন অথবা সিজদা থেকে রুকু একটু খাটো করেন।
(নাসাঈ, সুনানে দারাকুতনী, তিরমিযী। তিনি বলেন, হাদীসটি (এ সূত্রে) গরীব।)
كتاب الصلاة
(5) باب الرخصة فى صلة الفرض على الراحلة لعذر
(443) عن يعلى بن مرَّة رضى الله عنهُ أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أنتهي إلى مضيق هُو وأصحابُهُ وهُو على راحلته والسّماء (1) من فوقهم والبلةُ (2) من أسفل منهم، حضرت الصَّلاةُ، فأمر المُؤذَّن فأذَّن وأقام، ثُمّ تقدَّم رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته فصلَّى بهم يُومى، إيماء تجعلُ السجُود أخفض من الركُوع أو يجعلُ سُجُودهُ أخفض من رُكُوعه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৪) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়বে সে যেন তার সামনে কিছু রেখে দেয়, যদি কোন জিনিস পাওয়া না যায় তাহলে লাঠি পুঁতে রাখবে, যদি তার সাথে লাঠিও না থাকে তাহলে যেন লম্বা রেখা টেনে দেয়, এতে তার কোন ক্ষতি হবে না। তার সামনে দিয়ে যাই যাক না কেন।
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, সুনানে বায়হাকী ও ইবন্ হিব্বান, তিনি ইমাম আহমদ ও ইবনুল মাদীনী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন, অপরপক্ষে শাফেয়ী, ইবন্ উ'আইনা ও বাগাভী দুর্বল বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(444) عن أبى هٌريرة رضى الله عنهُ قال قال أبُو القاسم صلى الله عليه وسلم إذا صلَّى أحدُكُم فليجعل تلقاء وجهه شيئًا (1) فإن لم يجد شيئًا فلينصب (2) عصًا، فإن لم يكُن معهُ عصًا فليخُطَّ خطَّا (3) ولا يضرُهُ ما مرَّ بين يديه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৫) সাবরা ইবন মা'বাদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়বে সে যেন নামাযের জন্য সুতরাহ পুঁতে দেয়। যদিও সেটা একটি তীর হয়।
(তবারানী মু'জামুল কাবীর, মুসনাদে আবু ইয়ালা, হায়ছামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন তা সহীহ মুসলিমের শর্তে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(445) عن سبرة بن معبد رضى الله عنهُ قال قال رسُول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلَّى أحدكُم فليستتر لصلاته ولو بسم (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৬) উবাইদুল্লাহ্ ইবন উমর থেকে তিনি নাফে' থেকে তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর উটকে তাঁর ও তাঁর কিবলার মধ্যে আড়াআড়ি করে বসিয়ে রেখে নামায পড়তেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, আমি নাফে'কে প্রশ্ন করলাম এবং বললাম, উট চলে গেলে তখন ইবন্ উমর কি করতেন? নাফে' বলেন, তিনি হাওদা পশ্চাতের কাঠটি কিবলার মধ্যে আড়াআড়ি করে রেখে নামায পড়তেন। (অন্য বর্ণনায় আছে, রাসূল (ﷺ) উটকে সামনে আড়াআড়ি করে, বসিয়ে তার দিকে মুখ করে নামায পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(446) عن عبيد الله بن عُمر (5) عن نافع عن أبن عُمر رضي الله عنهُما قال رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم يُصلَّى فيعرضُ (1) البعير بينهُ وبين القبلة وقال عُبيد الله سألت نافعًا فقُلتُ ذهبت الإبل كيف كان يصنعُ ابنُ عُمر؟ قال كان يعرضُ مُؤخرة (2) الرَّجل بينهُ وبين القبلة (وفى لفظ) قال كان رسًولُ الله صلى الله عليه وسلم يعرضُ على راحلته ويُصلِّى إليها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৭) ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দুই ঈদের নামাযে নবী (ﷺ)-এর সামনে বল্লম পুঁতে রাখা হতো। তিনি তার দিকে মুখ করে নামায পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(447) عن ابن عُمر رضى الله عنهُما أنَّ النبي صلى الله عليه وسلم كان تُركز لهُ الحر بةُ فى العيد قيُصلِّى إليها (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৮) তালহা (ইবন উবায়দিল্লাহ) (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নামায পড়তাম, এমন সময় আমাদের সম্মুখ দিয়ে জন্তু জানোয়ার অতিক্রম করত- তা আমরা নবী করীম (ﷺ)-এর নিকট বললাম। তিনি বললেন, হাওদার শেষে তাঠির মত কিছু যদি তোমাদের কারো সামনে থাকে তাহলে তার সামনে দিয়ে যাই যাক না কেন তার কোন ক্ষতি হবে না। উমর (এক রাবী) বললেন, তার সম্মুখে যাই অতিক্রম করুক না কেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন্ সাদ ও তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(448) عن طلحة (بن عُبيد الله) رضى الله عنهُ قال كنَّا نصلِّى والدّواب تمرُ بين أيدينا فذكرنا ذلك للنَّبى صلى الله عليه وسلم فقال مثلُ مُؤخرة الرحل تكُونُ بين يدى أحدكُم ثُم لا يضُرهُ ما مرَّ عليه وقال عُمرُ (4) مرة بين يديه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৪৯) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের দিন আরাফাতে নবী করীম (ﷺ)-এর সামনে বর্শা পুঁতে রাখা হয়েছিল, তিনি তার দিকে মুখ করে নামায পড়েছিলেন, তখন বর্শার পেছন দিক দিয়ে গর্দভ চলাচল করতে ছিল।
(মুসনাদে আহমদ, বুখারী ও মুসলিমে ভিন্ন শব্দে এরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(449) عن ابن عبَّاس رضضى الله عنهُما قال رُكزت المنزةُ (1) بين يدى النبىّ صلى الله عليه وسلم بعرفات (2) فصلَّى إليها واُلحمار يمُر من وراء العنزة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৫০) 'আউন ইবন্ জুহাইফা (রা) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আল 'আবতাহ নামক স্থানে আমাদের (অন্য বর্ণনায় বাতহাতে) নিয়ে জোহর ও আসরের দু'রাকা'আত (কসরের নামায) আদায় করে ছিলেন, তখন তাঁর সামনে বর্শা পুঁতে রাখা হয়েছিল। এ সময় তাঁর পেছন দিক দিয়ে মানুষ, গর্দভ ও নারীরা চলাচল করছিল।
(অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে) তিনি বলেন, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, সেদিন আপনি কার মত? (অর্থাৎ আপনার বয়স কত?) তিনি বলেন, তখন আমি তীর মাটিতে পুঁতে রাখা ও বল্লম ধার দেয়া ইত্যাদি কাজ করার মত বয়সে উপনীত।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها

(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(450) عن عون بن أبى جُحيفة عن أبيه رضى الله عنه قال صلَّى بنا رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم بالأبطح (3) (وفى رواية بالبطحاء) الظُهر والعصر ركعتين ركعتين وبين يديه عمزة قد أقامها بين يديه يمرُ من ورائها الناسُ والحمارُ والمرأةُ (4) (زاد فى رواية) قال قيل لهُ مثلُ من أنت يومئذ؟ قال أبرى النَّبل وأريشُها (5)