মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৪৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৫১) সাহল ইবন্ আবূ হাসমা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যখন সুতরার দিকে মুখ করে নামায পড়বে সে যেন তার নিকটবর্তী হয়। যাতে শয়তান তার নামাযে বিঘ্ন সৃষ্টি করার সুযোগ না পায়।
(আবু দাউদ, তবারানী, মু'জামুল কাবীর, ইবন্ হিব্বান, সুনানে বায়হাকী, হাকিম মুস্তাদরাক। তিনি বলেন, হাদীসটি বুখারী, মুসলিমের শর্তে উপনীত।)
(আবু দাউদ, তবারানী, মু'জামুল কাবীর, ইবন্ হিব্বান, সুনানে বায়হাকী, হাকিম মুস্তাদরাক। তিনি বলেন, হাদীসটি বুখারী, মুসলিমের শর্তে উপনীত।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(451) عن سهل بن أبى حثمة رضى الله عنهُ أنَّ رسُول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا صلَّى أحدُكُم إلى سُترة فليدنُ منها (6) لا يقطع (7) الشيَّطانُ عليه صلاتهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৫২) দুবা'আতা বিনতে মিকদাদ ইবন্ আসওয়াদ থেকে তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে দেখেছি যে, তিনি যখন কোন গাছ, কাঠ ও স্তম্ভের দিকে নামায পড়তেন তখন তাঁকে তাঁর কপালের ডান দিকে বা বাম দিকে নিতেন, কিন্তু সেটা তাঁর লক্ষ্য হতো না।
(আবু দাউদ। এ হাদীসের সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
(আবু দাউদ। এ হাদীসের সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(452) عن ضُباعة بنت المقداد بن الأسود عن أبيها أنَّه قال ما رأيتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم صلى إلى عُمود ولا عُود ولا شجرة إلاَّ جعلهُ على حاجبه الأيمن أو الأيسر (1) ولا يصعدُ (2) لهُ صمدًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযীর সামনে সুতরাহ রাখা এবং সুতরার সামনে দিয়ে অতিক্রমের হুকুম সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযীর জন্য সুতরাহ ব্যবহার করা ও তার নিকটবর্তী হওয়া মুস্তাহাব এবং তা কি জিনিস দ্বারা হবে কোথায় হবে সে প্রসঙ্গে
(৪৫৩) বেলাল (রা) থেকে বর্ণিত, ইবন্ উমর (রা) তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, রাসূল (ﷺ) কা'বাগৃহে প্রবেশ করে কি করেছিলেন? তিনি (বেলাল) বলেন, তিনি দু'টি স্তম্ভ ডান দিকে একটি স্তম্ভ বাঁ দিকে এবং তিনটি স্তম্ভ পশ্চাতে রেখে নামায পড়লেন, তখন কিবলা ও তাঁর মাঝে তিন হাত দূরত্ব ছিল।
(এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশবিশেষ। বুখারী ও অন্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কাজেই তা সহীহ্।)
(এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশবিশেষ। বুখারী ও অন্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কাজেই তা সহীহ্।)
كتاب الصلاة
أبواب السترة أمام المصلى وحكم المرور دونها
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(1) باب استحباب السترة للمصلى والدنو منها ومن أى شئ تكون وأين تكون من المصلى
(453) عن بلال رضى الله عنه وقد سألهُ ابن عُمر عن ما صنع رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم منذ دخُوله الكعبة، قال ترك عمُودين عن يمينه وعنودًا عن يساره وثلاثة أعمدة خلفهُ، ثُم صلَّى وبينهُ وبين القبلة ثلاثة أذرُع
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৪) আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়বে নামাযের সামনে দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে দিবে না। কেউ (বাধা মানতে) অস্বীকার করলে তার সাথে লড়াই করবে, কারণ তার সাথে শয়তান রয়েছে।
(মুসলিম, ইবন্ মাজাহ।)
(মুসলিম, ইবন্ মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(454) عن عبد الله بن عُمر رضى الله عنهُما أنَّ رسُول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان أحدُكُم يصلَّى (1) فلا يدع أحدًا يمُر بين يديه، فإن أبى فليثُا تلهُ (2) فإنَّ معهُ القرين (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৫) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, সামনে দিয়ে কাউকে যেতে দিবে না, সাধ্য অনুযায়ী তাকে বাধা দিবে, যদি সে (বাধা মানতে) অস্বীকার করে তাহলে তার সাথে লড়াই করবে। কেননা সে নিশ্চয়ই শয়তান।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ ইত্যাদি।)
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(455) عن أبى سعيد الخُدرى رضى الله عنهٌ قال قال رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم إذا كان أحدُكُم يصلَّى فلا يدع أحدًا يمُر بين يديه، وليدرأه (4) ما استطاع، فإن أل فليقُا تلهُ، فإنما هو شيطان
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৬) সুলাইমানের ছাত্র আবু উবায়দ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আতা ইবন্ ইয়াযীদ লাইসীকে একটি কালো পাগড়ী জড়িয়ে দাড়িয়ে নামায পড়তে দেখেছি। যার এক প্রান্ত দিয়ে ঝুলও ছিল, আর তাঁর দাড়ি ছিল হলুদ বর্ণের। আমি তাঁর সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে গেলে তিনি আমাকে বাধা দান করেন, তারপর বলেন, আবু সাঈদ খুদরী (রা) আমাকে বলেছেন, রাসূল (ﷺ) ফজরের নামায পড়তে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তিনি আবূ সাঈদ খুদরী তাঁর পেছনে ছিলেন এমতাবস্থায় তাঁর কিরা'আতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। নামায শেষে তিনি বলেন, যদি তোমরা আমাকে ও ইবলিসকে দেখতে, সে আমার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চাচ্ছিল, আমি হাত দিয়ে তার গলা চেপে ধরি এবং তার গলা টিপতে থাকি। এমনকি আমার এ দু'আঙ্গুলের মধ্যে অর্থাৎ বৃদ্ধাঙ্গুলী ও তার পাশের আঙ্গুলে তার লালার শীতলতা অনুভব করি। যদি আমার ভাই নবী সুলাইমান (আ)-এর দু'আর কথা আমার স্বরণ না হত তাহলে সে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বাঁধা থাকত। আর মদীনার শিশুরা তাকে নিয়ে খেলা করত। তোমাদের মধ্যে যারা পারে কিবলা ও তাদের মাঝে কোন কিছু অন্তরায় সৃষ্টি না হোক তাহলে তারা যেন তা করে।
(বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদ।)
(বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(456) عن أبى عُبيد صاح سُليمان قال رأيتُ عطاء بن يزيد الليثى قائمًا يُصلَّى مٌعيًّا معمامة سوداء مرحٍ طرفها من خلف مُصفر اللّحية، فذهبتُ أمر بين يديه فردنى ثُم قال حدثنى، أبُو سعيد الخُدرى (رضى الله عنهُ) أنَّ رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم قام فصلَّى صلاة الصُبح وهُو خلفهُ فقرأ فالتيست عليه القراءةُ (1) فلمَّا فرغ من صلاته قال لو رأيتمُونى وإبليس فأهويتُ بيدى فما زلت أخنقهُ (2) حتى وجدتُ برد لعُابه بين إصبعى هاتين، الإبهام والتى تليها (3) ولولا دعوة أخى سُليمان (4) لأصبح مربُوطًا بسارية من سوارى المسجد يتلاعب به صبيانُ المدينة (5) فمن استطاع منكُم أن لا يحُول بينهُ وبين القبلة أحد فليفعل (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৭) আবদুল্লাহ ইবন্ যায়েদ ও আবু বিশর আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) একদিন তাদের নিয়ে নামায পড়তে ছিলেন 'বাতহার' এক মহিলা নামাযের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, রাসূল (ﷺ) তাকে অপেক্ষা করার জন্য ইশারা করলেন ফলে সে ফিরে গেল, অতঃপর নামায শেষান্তে অতিক্রম করল।
(তবারানী মু'জামুল কাবীর। এ হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া তিনি বিতর্কিত।)
(তবারানী মু'জামুল কাবীর। এ হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া তিনি বিতর্কিত।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(457) عن عبد الله بن زيد وأبى بشير الأنصارى رضى اله عنهُما أنَّ رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم صلَّى بهم ذات يوم فمرَّت أمرأة بالبطحاء فأشار إليها رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم أن تأخرى، فرجعت حتَّى صلَّى ثمَّ مرت
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৮) উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) উম্মে সালামার কামরায় নামায পড়তে ছিলেন, এমন সময় তাঁর সামনে দিয়ে আবদুল্লাহ অথবা উমর অতিক্রম করছিলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁকে ফিরে যাওয়ার জন্য হাতে ইশারা করলেন, সে ফিরে গেল। তিনি বলেন, তারপর উম্মে সালামার মেয়ে অতিক্রম করছিল তাঁকেও ফিরে যাওয়ার জন্য হাতে ইশারা করলেন, কিন্তু সে অতিক্রম করল। নামায শেষে রাসূল (ﷺ) বললেন, এরা (বিরোধিতা ও নাফরমানীতে) অগ্রগামী।
(ইবন্ মাজাহ, হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
(ইবন্ মাজাহ, হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(458) عن محمد بن قيس عن أُمه عن أُم سلمة رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يُصلَّى فى حُجرة أُم سلمة فمر بين يديه عبد الله أو عُمرُ (2) فقال بيده هكذا قال فرجع، قال فمرت ابنةُ أُم سلمة فقال بيده هكذا، قال فمضت فلما صلَّى رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم قال هُنَّ أغلبُ (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৫৯) ইব্রাহীম ইবন্ সাঈদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নামায পড়তেছিলাম। এক ব্যক্তি নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করছিল। আমি তাকে নিষেধ করলাম। কিন্তু সে (আমার কথা শুনতে) অস্বীকার করল। ঘটনাটি উসমান (রা)-কে বললাম, তিনি বললেন ভাতিজা এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ বলেন-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ বলেন-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(459) ز عن إبراهيم بن سعد حدثنى أبى عن أبيه قال كُنت أصلِّي فمرَّ رجُل بين يدى فمنعتُهُ فأتى فسألتُ عُثمان بن عفَّان رضى لله عنهُ فقال لا يضُرُك يابن أخى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৬০) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) নামায পড়তে ছিলেন, এমন সময় দুইটি মেয়ে এসে রাসূলের মাথার সামনে দাঁড়ালো তিনি ডানে ও বামে হাতে ইশারা করে উভয়কে থামিয়ে দিলেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ সহীহ ইবন্ খুযাইমা বাযযার।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ সহীহ ইবন্ খুযাইমা বাযযার।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(460) عن ابن عباس رضى الله عنهُما قال كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم يُصلّى فجاءت جاريتان حتَّى قامتا بين يديه عند رأسه فنحَّاهُما وأمأ بيديه عن يمينه وعن يساره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৬১) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে কোন এক উঁচু উপত্যকায় ছিলাম, সে সময় আমরা নামায পড়ার ইচ্ছে করলাম, তিনি (রাসূল) দাঁড়ালেন, তাঁর সাথে আমরাও দাঁড়ালাম। তখন শি'বে আবু দুব মূসা থেকে একটি গাধা বের হলো, রাসূল (ﷺ) অপেক্ষা করলেন। ফলে নামাযের তাকবীর বলা হলো না। পরক্ষণেই ইয়াকুব ইবন্ যাময়াকে সেদিকে পাঠালেন তিনি গিয়ে গাধাটিকে ফিরিয়ে দিলেন।
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(461) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهُما قال بينما نحنُ مع رسُول الله صلى الله عليه وسلم ببعض أعلى الوادى نُريد أن نصلَّى قد قام وقُمنا إذ خرج علينا حمار من شعب أبى دُب مُوسى فأمسك النَّبى صلى الله عليه وسلم فلم يكبِّر وأجرى إليه يعقُوب بن زمعة حتِّى ردهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৬২) আমর ইবন্ শুয়াইব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) তাঁদেরকে নিয়ে একটা দেয়ালকে কেবলা বানিয়ে (সামনে রেখে) নামায পড়তেছিলেন, এমন সময় একটি মেষশাবক রাসূল (ﷺ)-এর সামনে দিয়ে অতিক্রম করছিল, তখন তিনি তাকে বাধা দিচ্ছিলেন; আর দেওয়ালের সাথে তাঁর পেট লেগে গেছে। ফলে মেষশাবকটি তীর পেছন দিয়ে চলে গেল।
(আবু দাউদ, হাদীসটির সনদ উত্তম।
(আবু দাউদ, হাদীসটির সনদ উত্তম।
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(462) صلَّى بهم إلى جدر اتخذهُ قبلة فأقبلت بهمة (1) تمر بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم قما زال يُدارئُها (1) ويدنُو من الجدر حتى نظرتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم قد لصق بالجدار ومرت من خلفه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৬৩) রাসুল (ﷺ)-এর স্ত্রী মাইমুনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুল (ﷺ) সিজদা অবস্থায় ছিলেন। হঠাৎ একটা ছাগলের বাচ্চা তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করছিল। তখন তিনি সামনে হাত দিয়ে তাকে বাধা দিলেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(463) عن ميمُونة (زوج النبَّى صلى الله عليه وسلم ورضى عنها) قالت كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد وثمَّ بهمةُ (2) أرادت أن تمرَّ بين يديه تجافى (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: মানুষ ও অন্যান্য যে কোন জিনিসকে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে বাধা দেয়া
(৪৬৪) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) নামায পড়ছিলেন, এমন সময় একটি ভেড়ার বাচ্চা রাসূল (ﷺ)-এর সামনে দিয়ে অতিক্রম করছিল, তখন তিনি একবার সামনে গেলেন আবার পেছনে আসলেন, হাজ্জাজ বলেন, তিনি তাকে বাধা দিলেন এবং পেছনে আসলেন, যাতে ভেড়ার বাচ্চাটি পেছন দিকে চলে যেতে পারে।
(আবূ দাউদ। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
(আবূ দাউদ। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(2) باب دفع المار بين يدى المصلى من آدمى وغيره
(464) حدثنا عبدُ الله حدثنى أبى ثنا مُحمد بنُ جعفرٍ ثنا شُعبةُ وحجَّاج عن عمر بن مُة عن يحيى بن الجزَّار عن ابن عبَّاس رضى الله عنهُما أنَّ النبى صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى فجعل جدى (4) يُؤسدُ أن يمُرَّ بين يدى النبىِّ صلى الله عليه وسلم فجعل يتقدّمُ ويتأخَّرُ قال، حجَّاج يتَّقيه (5) ويتأخَّرُ حتى يُرى وراء الجدي (6)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ নামাযী ও তার সুতরার মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ
(৪৬৫) বুসর ইবন্ সাঈদ (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উবাই ইবন্ কা'বের ভাগ্নে আবূ জুহাইম আমাকে যায়েদ ইবন্ খালিদ (আল জুহানী)-এর নিকট পাঠালেন নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীর ব্যাপারে তাঁকে প্রশ্ন করার জন্য। তিনি (যায়েদ) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে চল্লিশ -দিন, মাস না বছর জানি না-পর্যন্ত , দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম।
(ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান। তাঁর বর্ণনা থেকে হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীমান হয় কারণ তিনি সহীহ ছাড়া দুর্বল হাদীস বর্ণনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।)
(ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান। তাঁর বর্ণনা থেকে হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীমান হয় কারণ তিনি সহীহ ছাড়া দুর্বল হাদীস বর্ণনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب التغليظ فى المرور بين يدى المصلى وبين سترته
(465) عن بُسر بن سعيدٍ قال أرسلنى أبو جًهيم (1) بن أخت أًبىِّ أبن كعب إلى زيد بن خالد (الجًهنيِّ) رضى الله عنه أسألهً ما سمع فى المارِّ بين يدى المصلِّى؟ قال سمعتً رسول الله صلى الله عليه وسلم يقًول لأن يقًوم أربعين (1) لا أدري (2) من يومٍ أو شهر أو سنةٍ خير له من أن يُمرَّ بين يديه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ নামাযী ও তার সুতরার মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ
(৪৬৬) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তোমাদের কেউ যদি জানত আল্লাহর নিকট প্রার্থনাকারী (অর্থাৎ নামাযের) তার ভাইয়ের সামনে আড়াআড়িভাবে চলে যাওয়ার মধ্যে কত বড় গুনাহ তাহলে সে চলে যাওয়ার চেয়ে একশত বছর দাঁড়িয়ে থাকাকে অধিক পছন্দ করত।
(আবু দাউদ, সুনানে বায়হাকী, এর সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, সুনানে বায়হাকী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب التغليظ فى المرور بين يدى المصلى وبين سترته
(466) عن أَبى هُريرة رضى الله عنهُ عن رسُول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلمُ أحدُكُم مالهُ فى أن يمشى بين يدى أخيه مُعترضًا وهو يُناجى ربَّهُ كان أن يقف فى ذلك المكان مائة عامٍ أحبَّ إليه من أن يخطُو
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ নামাযী ও তার সুতরার মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ
(৪৬৩) ইয়াযীদ ইবন্ নিমরান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবুকে চলতে অক্ষম এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত হলে তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, তোমার এ অবস্থা কেন? সে বলল নামায পড়ার সময় আমি রাসূল (ﷺ)-এর সামনে দিয়ে গর্দভ অথবা গাধায় চড়ে অতিক্রম করেছিলাম, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, যে আমাদের নামায কর্তন করেছে, আল্লাহ তার পদচিহ্ন ধ্বংস করুন। তখন থেকে তিনি চলাচলে অক্ষম।
(আবূ দাউদ, সুনানে বায়হাকী। এর সনদ উত্তম।)
(আবূ দাউদ, সুনানে বায়হাকী। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب التغليظ فى المرور بين يدى المصلى وبين سترته
(467) عن يزيد بن نمر أن قال لقيت رجلا مقعدا (1) بتبوك فسألته فقال مررت بين يدى رسُول الله صى الله عليه وسلم على أتانٍ (2) أو حمارٍ فقال قطع علينا صلاتنا قطع الله عليه أثرهُ (3) فأقعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার সম্মুখে মানুষ অথবা জন্তু রেখে নামায পড়ে
(৪৬৮) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রাত্রে নফল নামায পড়তেন, তখন আয়িশা (রা) তাঁর ও কিবলার মাঝখানে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) من صلى وبين يديه إنسان أو بهيمة
(468) عن على رضى الله عنه قال كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم يُسبَّحُ من الليل (1) وعائشةُ مُمَّرضه يينهُ وبين القلة (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার সম্মুখে মানুষ অথবা জন্তু রেখে নামায পড়ে
(৪৬৯) মুহাম্মদ ইবন্ জা'ফর ইবন্ যুবাইর (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উরওয়া ইবন্ যুবাইর উমর ইবন্ আবদুল আজীজকে -তখন তিনি মদীনার গভর্নর- রাসূলের স্ত্রী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (ﷺ) তাঁর দিকে ফিরে নামায পড়তেন। তখন তিনি তাঁর সামনে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন। রাবী বলেন, তখন আবু উমামা ইবনে সাহল বলেন, -তিনি উমর ইবন্ আবদুল আজীজের পাশে ছিলেন- সম্ভবত হে আবূ আবদুল্লাহ আয়িশা (রা) বলেছিলেন আমি তাঁর পাশে ছিলাম। উরওয়া বলেন, আমি আপনাকে ইয়াকীনের সাথে সংবাদ দিচ্ছি আর আপনি সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে আমার বক্তব্য খণ্ডন করছেন? বরং তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি জানাযার মত তাঁর সামনে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) من صلى وبين يديه إنسان أو بهيمة
(469) عن محُمدٍ بن الزُّبير قال حدث عُروةُ بِّنُ الزُّبير عٍمر بن عبد العزيز وهُو أمير على المدينة عن عائشة زوج النِّبىِّ صلى الله عليه وسلم ورضى عنها أن رسُول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى إليها وهى معترضة بين يديه، قال فقال أبو أثمامة بنُ سهلٍ وكان عند عُمر فلعلَّها يا أبا عبد الله قالت وأنا إلى جنبه، قال فقال عرُروةُ أُخبرُك باليقين وترُد علىَّ بالظَّنِّ، بل معترضة بين يديه اعتراض الجنازة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি তার সম্মুখে মানুষ অথবা জন্তু রেখে নামায পড়ে
(৪৭০) ফযল ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক মরুভূমিতে রাসূল (ﷺ) আব্বাস (রা)-এর সাথে দেখা করতে গেলেন, সেখানে আমাদের একটা কুকুরের বাচ্চা ও গাধা ঘাস খেতেছিল। রাসূল (ﷺ) তাদের সামনে রেখেই আসরের নামায পড়লেন। তিনি এতদুভয়কে না পেছনে নিলেন। আর না এতদুভয়কে ধমক দিয়ে সরিয়ে দিলেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, বায়হাকী, সুনানে দারাকুতনী। এর সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ, বায়হাকী, সুনানে দারাকুতনী। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(4) من صلى وبين يديه إنسان أو بهيمة
(470) عن الفضل بن عباٍس رضي الله عنهما قال زار الُنَّبى صلى الله عليه وسلم عباسًا فى باديةٍ (3) لنا ولنا كليبة وحمارة ترعي فصلَّى النبَّبى صلى الله عليه وسلم العصر وهما بين يديه فلم تُؤخَّرا ولم تُزجرا
তাহকীক: