মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৩৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ সতর ঢাকা ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৭১) বাহায ইবন্ হাকিম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের সতরের কতটুকু ঢাকবো আর কতটুকু ছেড়ে দিব? রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি তোমার সতরকে হিফাজত করবে, তবে তোমার স্ত্রী ও তোমার দাসী থেকে নয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। যদি লোকেরা একে অপরের মধ্যে থাকে (তাহলে কি করতে হবে?) তিনি বললেন, যদি তা কাউকে না দেখিয়ে থাকতে পার তাহলে কেউ যেন তা না দেখে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি আমাদের কেউ একাকী থাকে? তিনি বলেন, এমতাবস্থায় আল্লাহকে লজ্জা পাওয়া আমাদের অধিক কর্তব্য। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে,) অতঃপর রাসূল (ﷺ) হাত উঠালেন এবং তা নিজের লজ্জাস্থানের উপরে রাখলেন।
(আবু দাউদ তিরমিযী ইবন্ মাজাহ, নাসাঈ, তিরমিযী হাদীসটি হাসান বলে, আর হাকিম সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(আবু দাউদ তিরমিযী ইবন্ মাজাহ, নাসাঈ, তিরমিযী হাদীসটি হাসান বলে, আর হাকিম সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى وجوب ستر العورة
(371) عن بهز بن حكيمٍ قال حدَّثني أبى عن جدِّى (معاوية بن حيدة رضى الله عنه) قال قلت يا رسول الله عوراتنا ما نأتى منها وما نذر؟ (1) قال احفظ عورتك إلَّا من زوجتك أو ما ملكت يمينك (2) قال قلت ي رسول الله فإذا كان القوم بعضهم فى بعضٍ (3) قال إن استطعت أن لا يراها أحدٌ فلا يرينَّها (4) قلت فإذا كان أحدنا خاليًا (5) قال فالله أحقُّ أن يستحيا (6) منه (زاد فى رواية وقال النَّبىُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم بيده (7) فوضعها على فرجه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ সতর ঢাকা ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৭২) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, কোন পুরুষ যেন অপর কোন পুরুষের সতরের দিকে দৃষ্টি না দেয় আর কোন নারী যেন অন্য কোন নারীর সতরের দিকে না তাকায়। আর না এক পুরুষ অপর পুরুষের সাথে একত্রে একই কাপড়ে ঘুমাবে আর না এক মহিলা অপর মহিলার সাথে একই কাপড়ে জড়াজড়ি করে ঘুমাবে।
(মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী।
(মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিযী।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى وجوب ستر العورة
(372) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه عنه أنَّ النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قال لا ينظر الرَّجل إلى عورة الرَّجل ولا تنظر المرأة إلى عورة المرأة ولا يفضى (1) الرَّجل إلى الرَّجل فى الثَّوب، ولا تفضى المرأة إلى المرأة فى الثَّوب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ সতর ঢাকা ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৭৩) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মূসা ইবন্ ইমরান যখন পানিতে প্রবেশ করতে চাইতেন, তখন পানির অভ্যন্তরে তাঁর সতর অন্তরীণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কাপড় খুলে ফেলতেন না।
(আহমদ বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে একজন রাবী বিতর্কিত।)
(আহমদ বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে একজন রাবী বিতর্কিত।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى وجوب ستر العورة
(373) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم إنَّ موسى بن عمران كان إذا أراد أن يدخل الماء لم يلق ثوبه حتَّى يوارى عورته فى الماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ সতর ঢাকা ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৭৪) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কখনও রাসূল (ﷺ)-এর লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টি দেই নি। অথবা বললেন, কখনও রাসূল (ﷺ)-এর লজ্জাস্থান দেখি নি।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সন্দেহযুক্ত।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সন্দেহযুক্ত।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى وجوب ستر العورة
(374) عن عائشة رضى الله عنها قالت ما نظرت إلى فرج النَّبىِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قطُّ، أو ما رأيت فرج النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قطُّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বাধীন নারীর চেহারা ও হাতের কব্জি ব্যতীত সমস্ত অঙ্গই সতর
(৩৭৫) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন উড়না ছাড়া সাবালিকা মেয়েদের নামায কবুল হয় না।
(আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ্, তিরমিযী, তিনি হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ্, তিরমিযী, তিনি হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى أن المرأة الحرة كلها عورة الا وجهها وكفيها
(375) عن عائشة رضى الله عنه أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم قال لا تقبل صلاة حائضٍ (1) إلَّا بخمارٍ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ স্বাধীন নারীর চেহারা ও হাতের কব্জি ব্যতীত সমস্ত অঙ্গই সতর
(৩৭৬) মুহাম্মাদ (ইবন্ সিরীন) থেকে বর্ণিত, আয়িশা (রা) উম্মু তালহা আত্ তালহাতী সফিয়া এর নিকট গমন করেন, তখন দেখেন যে, সফিয়ার বালেগা মেয়েরা উড়না ব্যতীত নামায পড়ছে। তখন আয়িশা (রা) বলেন, তোমাদের কোন যুবতী মেয়েরা যেন উড়না ব্যতীত নামায না পড়ে। (একবার) রাসূল (ﷺ) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন আমার কক্ষে একজন (যুবতী) দাসী ছিল, রাসূল (ﷺ) তাঁর চাদরখানা আমার দিকে নিক্ষেপ করে বললেন, চাদরখানা দু'ভাগ করে তোমার দাসীটিকে একখণ্ড, বাকিখণ্ড উম্মু সালামার কক্ষের যুবতীকে দিবে। আমার ধারণা, সে এখন বালেগা হয়েছে অথবা তারা দু'জনই বালেগা হয়েছে।
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ্ তাঁর বর্ণনাকারী বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনাকারী।)
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ্ তাঁর বর্ণনাকারী বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনাকারী।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى أن المرأة الحرة كلها عورة الا وجهها وكفيها
(376) عن محمدٍ (2) أنَّ عائشة نزلت على صفية أمِّ طلحة الطَّلحات فرأت بناتٍ لها يصلِّين بغير خمرةٍ قد حضن، قال فقالت عائشة لا تصلِّينَّ جاريةٌ منهنَّ إلَّا فى خمارٍ، إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم دخل علىَّ وكانت فى حجري (3) جاريةٌ (4) فألقي علىَّ حقوه (5) فقال شقِّيه بين هذه وبين الفتات الَّتى في حجر أمِّ سلمة فإنِّى لآ أراها إلا قد حاضت أو لا أراهما إلَّا قد حاضتا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৭৭) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেন কাঁধের দু'দিকে কিছু না রেখে এক কাপড়ে নামায না পড়ে। একবার তিনি বলেন, তার ঘাড়ের উপরে।
(বুখারী, মুসলিম)
(বুখারী, মুসলিম)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(377) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال لا يصلَّ الرَّجل فى الثَّوب الواحد ليس على منكبيه (1) منه شئٌ وقال مرَّةً عاتقه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৭৮) তাঁর (আবূ হুরায়রা (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন এক কাপড় পরে নামায পড়ে তখন সে যেন সে কাপড়টির দু'কোণ দু'বগলের নীচ দিয়ে এনে কিছু অংশ কাঁধের উপরে রাখে।
(বুখারী, আবু দাউদ।)
(বুখারী, আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(378) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلَّى أحدكم فى ثوبٍ فليخالف (2) بين طرفيه على عاتقه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৭৯) খালিদ ইবন্ উসাইদের আযাদকৃত গোলাম আবদুর রহমান ইবন্ কায়সানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বাবা আমাকে বলেছেন, তিনি রাসূল (ﷺ)-কে মাতাবিখ থেকে বের হয়ে একটি কূপের নিকট আসতে দেখলেন। তখন তিনি লুঙ্গী পরিহিত অবস্থায় ছিলেন, তাঁর শরীরে কোন চাদর ছিল না। তিনি দেখলেন, কূপের পাশে কতিপয় গোলাম নামায পড়ছে, তখন তিনি লুঙ্গীর বাঁধন খুলে বগলের নীচ থেকে কাঁধের ওপর দিয়ে পরলেন তারপর দু'রাকা'আত নামায পড়লেন। আমি জানি না সেটা কি জোহরের না আসরের নামায।
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, আবু কায়সানীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি নবী করীম (ﷺ) থেকে কি কি পেয়েছ? তিনি বললেন, আমি তাঁকে বনি মুতিয়ের উঁচু কূপের নিকট বুকের সাথে কাপড় জড়িয়ে দু'রাকাআত জোহর অথবা আসরের নামায পড়তে দেখেছি।
(আল ইসাবা, মুসনাদ আহমদ, হাফিজ ইবন্ হাজার বলেন, হাদীসটি হাসান)
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, আবু কায়সানীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি নবী করীম (ﷺ) থেকে কি কি পেয়েছ? তিনি বললেন, আমি তাঁকে বনি মুতিয়ের উঁচু কূপের নিকট বুকের সাথে কাপড় জড়িয়ে দু'রাকাআত জোহর অথবা আসরের নামায পড়তে দেখেছি।
(আল ইসাবা, মুসনাদ আহমদ, হাফিজ ইবন্ হাজার বলেন, হাদীসটি হাসান)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(379) عن عبد الرَّحمن بن كيسان مولى خالد بن أسيدٍ قال حدَّثني أبى أنَّه رآى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم خرج من المطابخ حتَّى أتى البئر (1) وهو متَّزرٌ بإزار ليس عليه رداءٌ، فرآى عند البئر عبيدًا يصلُّون، فحلَّ الإزار وتوشَّح به (2) وصلَّى ركعتين لا أدرى الظُّهر أو العصر
(وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) قال سألت أبى كيسان ما أدركت من النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم؟ قال رأيته يصلِّى عند البئر العليا بئر بنى مطيعٍ متلبِّبًا (4) فى ثوبٍ الظُّهر أو العصر فصلَّاها ركعتين
(وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) قال سألت أبى كيسان ما أدركت من النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم؟ قال رأيته يصلِّى عند البئر العليا بئر بنى مطيعٍ متلبِّبًا (4) فى ثوبٍ الظُّهر أو العصر فصلَّاها ركعتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(১৮০) ইবন্ হারিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা জাবির ইবন্ আব্দুল্লার নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি একটি মাত্র কাপড় পরিহিত অবস্থায় নামায পড়তে ছিলেন। তাঁর চাদরখানা নিকটেই ছিল, ইচ্ছে করলে তিনি তা ব্যবহার করতে পারতেন, তিনি যখন নামাযের সালাম ফেরালেন তখন তাঁকে আমরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি এরূপ করি তোমাদের মত মুর্খরা আমাকে দেখার জন্য। যাতে তারা আমার থেকে এমন রুখসাতের কথা অন্যদের কাছে প্রচার করতে পারে, যা কিনা রাসূল (ﷺ) দিয়েছেন, তারপর জাবির বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে এক সফরে গিয়েছিলাম, এক রাতে আমি কোন কাজে তাঁর নিকট গেলাম, তখন তিনি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছিলেন। তখন আমার পরনে একটি কাপড় ছিল। আমি তা দিয়ে আমার শরীর আবৃত করলাম, অতঃপর তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে নামায পড়লাম। তিনি বললেন, জাবির এটা কোন ধরনের শরীর আবৃত করা? তুমি যদি একটি কাপড়ে নামায পড়, কাপড়টি যদি প্রশস্ত হয় তাহলে তা বাড়িয়ে নিবে আর কাপড়টি যদি ছোট হয় তাহলে তাকে তহবন্দ বানাবে।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ।)
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(380) عن سعيد بن الحارث قال دخلنا على جابر بن عبد الله وهو يصلِّى فى ثوبٍ واحدٍ ملتحفًا به ورداؤه قريبٌ لو تناوله بلغه، فلمَّا سلَّم سألناه عن ذلك، فقال إنَّما أفعل هذا ليرانى الحمقى (1) أمثالكم فيفشوا على جابرٍ رخصةً رخَّصها رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، ثم َّ قال جابرٌ خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فى بعض أسّفاره فجئته ليلةً وهو يصلِّى في ثوبٍ واحدٍ، وعلىَّ ثوبٌ واحدٌ فاشتملت به، (2) ثمَّ قمت إلى جنبه، قال يا جابر ما هذا الإشتمال؟ إذا صلَّيت وعليك ثوبٌ واحدٌ فإن كان واسعًا فالتحف به، (3) وإن كان ضيِّقًا فاتَّزر به
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৮১) আব্দুল্লাহ ইবন্ মুহাম্মদ ইবন্ আকিল (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহকে বললাম, তুমি যেভাবে রাসূল (ﷺ)-কে নামায পড়তে দেখেছ সেভাবে আমাদের নিয়ে নামায পড়। তখন তিনি বুকের নীচ দিয়ে বাঁধা একটি কাপড় পরে আমাদের নিয়ে নামায পড়লেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে পূর্বোক্ত হাদীস এর সমর্থন করে।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে পূর্বোক্ত হাদীস এর সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(381) عن عبد الله بن محمِّد بن عقيل قال قلت لجابر بن عبد الله صلَّ بنا كما رأيت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يصلَّى، فصلَّى بنا فى ثوبٍ واحدٍ وشدَّه تحت التَّندوتين (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৮২) সাহল ইবন্ সাঈদ আস্ সায়েদী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি লোকদেরকে লুঙ্গী ছোট হবার কারণে শিশুদের মত করে লুঙ্গী কাঁধে বেঁধে নবী করীম (ﷺ)-এর পেছনে নামায পড়তে দেখেছি। এমতাবস্থায় কোন এক ব্যক্তি মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বলল, হে নারীরা সোজা হয়ে না উঠা পর্যন্ত তোমরা তোমাদের মাথা সিজদা হতে তুলবে না।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ নাসাঈ ও বাইহাকী।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ নাসাঈ ও বাইহাকী।
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(382) عن سهل بن سعدٍ السَّاعدي رضى الله عنه قال رأيت الرِّجال عاقدى أزرهم فى أعناقهم أمثال الصِّبيان من ضيق الإزار خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصلَّاة، فقال قائل يا معشر النِّساء لا ترفعنَّ رؤوسكنَّ حتَّى يرفع الرِّجال
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ নামাযে কাঁধের দু'দিক খালি রাখা নিষিদ্ধ এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয
(৩৮৩) উম্মু হানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-কে মক্কায় একটি মাত্র কাপড়ে তার দু'কোণ দু'বগলের নীচ দিয়ে এনে অন্য দিক কাঁধের ওপর রেখে আট রাকা'আত নামায পড়তে দেখেছেন, (অন্য বর্ণনায় আছে, সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি আট রাকাত চাশতের নামায পড়েছেন।)
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهى عن تجريد المنكبين فى الصلاة وجوزا الصلاة فى ثوب واحد
(383) عن أم هانئ (بنت أبى طالبٍ) رضى الله عنها أنها رأت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى ثوبٍ واحدٍ مخالفًا بين طرفيه ثمان ركعاتٍ بمكَّة يوم الفتح (وفي روايةٍ) فصلَّي الضُّحي ثمان ركعاتٍ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৪) আবু নাদরাতা ইবন্ বাকীয়্যা (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উবাই ইবনে কা'আব (রা) বলেছেন, একটি কাপড় পরে নামায পড়া সুন্নত, আমরা রাসূল (সা.)-এর সাথে এক কাপড় পরে নামায পড়তাম। এতে কেউ আমাদেরকে ভর্ৎসনা করত না, তখন ইবন মাসউদ বলেন, 'এরূপ তখন করা যায় যখন কাপড়ের সংখ্যা কম হয়, আর যখন আল্লাহ তা'আলা সামর্থবান করেন তখন দু'কাপড় পরে নামায পড়া উত্তম।
(তবারানী মু'জামুল কবির গ্রন্থে,' হায়ছামী মাযমাউয যাওয়ায়েদে বলেছেন কাপড়ের হাদীসটি মাওকুফ।)
(তবারানী মু'জামুল কবির গ্রন্থে,' হায়ছামী মাযমাউয যাওয়ায়েদে বলেছেন কাপড়ের হাদীসটি মাওকুফ।)
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(384) ز عن أبى نضرة بن بقيَّة قال قال أبيُّ بن كعبٍ الصَّلاة فى الثَّوب الواحد سنَّةٌ كنَّا نفعله مع رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم ولا يعاب علينا، فقال ابن مسعودٍ إنَّما كان ذاك إذا كان فى الثِّياب قلَّةٌ، فأمَّا إذ وسَّع الله فالصَّلاة فى الثَّوبين أزكى (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৫) আবদুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে রাতে তাঁর হাদরামায় প্রস্তুতকৃত এক চাদর ডান বগলের নীচে দিয়ে কাঁধের উপর দিয়ে পরে নামায পড়তে দেখেছি।
(হাদীসটি মাওকুফ। এ শব্দে এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে এর সনদ উত্তম।)
(হাদীসটি মাওকুফ। এ শব্দে এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(385) عن عبد الله بن عبَّاس رضي الله عنهما قال لقد رأيت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يصلِّى من اللَّيل فى بردٍ (2) له حضرمىٍّ متوشِّحه ما عليه غيره
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৬) ) আবূ হুবায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করল, আমাদের ফেউ কি এক কাপড়ে নামায পড়বে? তিনি বললেন, তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দু করে কাপড় আছে,
(দ্বিতীয় বর্ণনা অতিরিক্ত আছে) আবূ হুরায়রা বলেন, তোমরা কি জান যে, আবু হুরায়রা একটি কাপড় পরে নামায পড়ে, তখন তাঁর বাকিগুলো আলনায় থাকে।
(বুখারী, মুসলিম।)
(দ্বিতীয় বর্ণনা অতিরিক্ত আছে) আবূ হুরায়রা বলেন, তোমরা কি জান যে, আবু হুরায়রা একটি কাপড় পরে নামায পড়ে, তখন তাঁর বাকিগুলো আলনায় থাকে।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(386) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال نادى رجلٌ رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أيصلِّى أحدنا فى ثوبٍ واحدٍ؟ قال أو كلُّكم يجد ثوبين (زاد فى روايةٍ من طريقٍ ثانٍ) (1) قال أبو هريرة أتعرف أبا هريرة يصلِّى فى ثوبٍ واحدٍ وثيابه على المشجب (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৭) নাফে' (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) বলতেন, যদি কারো নিকট একটি মাত্র কাপড় থাকে, তাহলে সে উহা দ্বারা তহবন্দ বানাবে। তারপর নামায পড়বে, কারণ আমি উমরকে একথা বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, একটি মাত্র কাপড় হলে ইলতেহাফ (দু'বগলের নীচ দিয়ে দু'কাঁধের ওপর চাদরের দু'প্রান্ত রাখা) করো না, যেভাবে ইয়াহুদীগণ করে থাকে। নাফে' বলেন, আমি যদি তোমাদের বলি, এ হাদীস তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন তাহলে আশা করি আমি মিথ্যাবাদী হব না।
(আবূ দাউদ, সুনানে বায়হাকী, হাদীসটির সনদ সহীহ্।
(আবূ দাউদ, সুনানে বায়হাকী, হাদীসটির সনদ সহীহ্।
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(387) عن نافعٍ قال كان عبد الله بن عمر يقول إذا لم يكن للرَّجل إلَّا ثوبٌ واحدٌ فليأتزر به ثمَّ ليصلِّ، فإنِّى سمعت عمر يقول ذلك، ويقول لا تلتحفوا بالثَّوب إذا كان وحده كما تفعل اليهود، قال نافعٌ ولو قلت لك إنَّه أسند ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم (3) لرجوت أن لا أكون كذبت
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৮) যুহাইর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদেরকে আবূ যুবাইর জাবির ইবন্ আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূল (ﷺ) একটি কাপড়ে ডান বগলের নিম্ন দেশ থেকে কাঁধের ওপর রেখে নামায পড়তেন। তখন কোন এক লোক আবু যুবায়রকে জিজ্ঞেস করল, সেটা কি ফরয নামায ছিল? তিনি বললেন, ফরয ও নফল উভয় নামাযেই তিনি তা করতেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(388) عن زهيرٍ قال ثنا أبو الزُّبير عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى فى ثوبٍ واحدٍ متوشِّحًا به، فقال بعض القوم لأبي الزُّبير آلمكتوبة (1) قال المكتوبة وغير المكتوبة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দু'কাপড়ে নামায পড়া মুস্তাহাব এবং এক কাপড়ে নামায পড়া জায়েয, যে ব্যক্তি একটি কাপড় পরে নামায পড়ছে তার সতর দেখা গেলে সে কি করবে?
(৩৮৯) সালামা ইব্ন আকওয়া' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি শিকার করতে যাই। এমতাবস্থায় আমি নামায পড়তে চাইলে আমার নিকট যদি একটি কামিস ছাড়া আর কিছুই না থাকে তাহলে কি করব? তিনি বললেন, কামিসটি শক্ত করে বেঁধে নিবে। এমন কি যদি সেটা গাছের কাঁটা দিয়ে হলেও।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইমাম শাফেয়ী, সহীহ্ ইবন খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান, তাহাভী।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইমাম শাফেয়ী, সহীহ্ ইবন খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান, তাহাভী।)
كتاب الصلاة
(6) باب استحباب الصلاة فى ثوبين وجوازها فى الثوب الواحد
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(وما يفعل من صلى فى قميص واحد تبدو منه عورة)
(389) عن سلمة بن الأكوع رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله إنِّى أكون فى الصيد فأصلِّي وليس علىَّ إلَّا قميصٌ واحدٌ، قال فزرَّه (32) وإن لم تجد إلَّا شوكةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ একই কাপড়ে ইহতিবা ও সাম্মা করে কাপড় জড়ানো নিষেধ
(৩৯০) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) সাম্মা করে কাপড় জড়াতে এবং একই কাপড় এমনভাবে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন যাতে লজ্জাস্থানের উপর কোন কাপড় থাকে না।*
*এক কাপড়ে সমস্ত শরীর ও হাত এমনভাবে জড়ান, যাতে হাত তুললে লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার ভয় থাকে, তাকে সাম্মা বলে, আর পাছার উপর ভর দিয়ে এবং দু'হাঁটু খাড়া রেখে উভয় হাত কিংবা কোন কাপড় দিয়ে উভয় পায়ের নলা জড়িয়ে ধরে বসাকে ইহতিবা বলে।
(বুখারী, মুসলিম)
*এক কাপড়ে সমস্ত শরীর ও হাত এমনভাবে জড়ান, যাতে হাত তুললে লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার ভয় থাকে, তাকে সাম্মা বলে, আর পাছার উপর ভর দিয়ে এবং দু'হাঁটু খাড়া রেখে উভয় হাত কিংবা কোন কাপড় দিয়ে উভয় পায়ের নলা জড়িয়ে ধরে বসাকে ইহতিবা বলে।
(বুখারী, মুসলিম)
كتاب الصلاة
(7) باب كراهية اشتمال الصماء والاحتباء فى ثوب واحد
(390) عن أبى هريرة رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبستين، (3) الصَّمَّاء (4) وأن يحتبي الرَّجل بثوبه ليس على فرجه منه شيء
তাহকীক: