মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৩৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মসজিদে যে সব কাজ বৈধ
(৩৫১) যায়েদ ইবন্ সাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মসজিদে শিঙ্গা লাগান। আমি (ইসহাক ইবন ঈসা) বলেন, ইবন্ লাহিয়াকে, একজন রাবী) জিজ্ঞেসা করলাম, তা কি তাঁর ঘরের মসজিদের? তিনি বললেন, না, রাসূলের মসজিদে।
(হায়ছামী হাদীসটি মাজমাউয যাওয়ায়েদে উল্লেখ করেছেন। এর সনদে ইবন্ লাহিয়া আছেন। তিনি বিতর্কিত রাবী।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما يباح قعد فى المساجد
(351) حدَّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا إسحاق بن عيسى ثنا ابن لهيعة قال كتب إلىَّ موسى بن عقبة يخبرنى عن بسر بن سعدٍ عن زيد بن ثابتٍ أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم اجتجم فى المسجد، قلت لابن لهيعة فى مسجد بيته؟ قال لا، فى مسجد الرَّسول صلى الله عليه وآله وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মসজিদে যে সব কাজ বৈধ
(৩৫২) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মসজিদে প্রবশ করলেন, তখন হাবশার লোকেরা মসজিদে (বর্শা বল্লম নিয়ে) খেলা করছিল। উমর (রা) তাদেরকে তিরস্কার করলেন, তখন নবী (ﷺ) বললেন, উমর। তাদেরকে খেলতে দাও, কারণ তারা হলো বনু আরফেদা।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما يباح قعد فى المساجد
(352) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم المسجد والحبشة يلعيون فزجرهم (1) عمر، فقال النَّبى صلى الله عليه وسلم دعهم يا عمر، فإنَّهم بنو أرفدة (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মসজিদে যে সব কাজ বৈধ
(৩৫৩) সাঈদ ইবন্ মুসাইয়‍্যাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমর (রা) হাসান ইবন্ সাবিত (রা)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাকে মসজিদে আবৃত্তি করতে (অন্য বর্ণনায় কবিতা আবৃত্তি করতে দেখলেন) তখন তাঁর দিকে তির্যক দৃষ্টিতে তাকালেন। অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূলের মসজিদে কবিতা আবৃত্তি করছ? তিনি (হাসান) বললেন, আমি কবিতা আবৃত্তি করতাম যখন তোমার চেয়েও উত্তম ব্যক্তি (রাসূল (ﷺ) উপস্থিত থাকতেন, অতঃপর আবু হুরায়রার দিকে তাকালেন, এবং বললেন, আবু হুরায়রা আপনি রাসূল (ﷺ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন কি? (হে হাসান,) আমার পক্ষ থেকে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাঁকে জিব্রাঈল দ্বারা সাহায্য করো। আবু হুরায়রা বলেন, হ্যাঁ (অন্য বর্ণনায় আছে, রাবী, বলেন, উমর তখন ঐ স্থান ত্যাগ করেন, এবং তিনি বুঝতে পারলেন যে, (তোমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি বলে) রাসূল (ﷺ)-কে বুঝিয়েছেন।
(বুখারী, মুসলিম, হাকিম মুস্তাদরাক গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما يباح قعد فى المساجد
(353) عن سعيد (بن المسيَّب) قال مرَّ عمر رضى الله عنه بحسَّان بن ثابت وهو ينشد (وفى روايةٍ وهو ينشد الشِّعر) فى المسجد فلحظ إليه (3) ((وفى رواية فقال في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم تنشد الشِّعر؟)) قال كنت أنشد وفيه من هو خيرٌ منك (1) ثمَّ التفت إلى أبى هريرة فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أجب عنِّى اللهمَّ أيِّده بروح القدس؟ (2) قال نعم (زاد فى رواية قال فانصرف عمر وهو يعرف أنَّه يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ নবী ও নেককার লোকদের কবরকে সম্মান ও বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদ বানানো নিষিদ্ধ
(৩৫৪) আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) ও আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেছেন, রাসূল (ﷺ) এর মৃত্যুপীড়া শুরু হলে তিনি বার বার নিজের একটি চাদর তাঁর মুখমণ্ডলের ওপর টেনে নিচ্ছিলেন। যখন তিনি সম্পূর্ণ ঢেকে দিলেন তখন আমরা সেটি মুখ হতে সরিয়ে দিলাম। তখন তিনি বললেন, ইয়াহুদ ও খ্রিষ্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত। কেননা, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে। আয়িশা (রা) বলেন, একথা দ্বারা তিনি (তাঁর উম্মতকে) তাদের অনুরূপ করা থেকে সতর্ক করে ছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(9) باب النهى عن اتخاذ قبور الأنبياء والصالحين مساجد للتبرك والتعظيم
(354) عن عبد الله بن عبَّاس وعن عائشة رضى الله عنهما أنَّهما قالا لما نزل (1) برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق (2) يلقى خميصته على وجهه فإذا اغتمَّ (3) رفعناها عنه وهو يقول لعن الله اليهود والنَّصارى، اتَّخذوا قبور أنبيائهم مساجد (4) تقول عائشة يحذِّرهم مثل الَّذى صنعوا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ নবী ও নেককার লোকদের কবরকে সম্মান ও বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদ বানানো নিষিদ্ধ
(৩৫৫) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু হাবীবা ও উম্মু সালামা (রা)-এক গির্জার কথা বর্ণনা করলেন, যা তাঁরা আবিসিনিয়ায় দেখেছেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে, তাঁরা তা মহানবীর অসুস্থ অবস্থায় তার সামনে আলোচনা করলেন, উম্মু সালামা ও উম্মু হাবিবা আবিসিনিয়ার এক গির্জার কথা বললেন, যা তাঁরা সেখানে দেখেছিলেন। সে গির্জায় ছিল কিছু ভাষ্কর্য বা মূর্তি, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তাদের মধ্যে যখন কোন সৎ লোক মারা যেত, তখন তারা তার কবরকে মসজিদে পরিণত করত এবং সেখানে তার ঐ সব প্রতিমূর্তি স্থাপন করতো পরকালে তারা হবে আল্লাহর নিকট সর্বনিকৃষ্ট।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(9) باب النهى عن اتخاذ قبور الأنبياء والصالحين مساجد للتبرك والتعظيم
(355) عن عائشة رضى الله عنها أن أمَّ حبيبة وأمَّ سلمة ذكرتا كنيسةً رأينها بالحبشة (وفى رواية تذاكروا عند النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم فى مرضه فذكرت أمُّ سلمة وأمُّ حبيبة كنيسةً رأينها فى أرض الحبشة) فيها تصاوير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ أولئك إذا كان فيهم الرَّجل الصَّالح فمات بنوا على قبره مسجدًا وصوَّروا فيه تلك الصُّور، أولئك شرار الخلق عند الله عزَّ وجلَّ يوم القيامة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ নবী ও নেককার লোকদের কবরকে সম্মান ও বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদ বানানো নিষিদ্ধ
(৩৫৬) আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যখন প্রচণ্ড মৃত্যুযন্ত্রণা শুরু হয়, তখন একটি (কালো) চাদর তাঁর গায়ে জড়ানো ছিল। তিনি একবার তাঁর দ্বারা মুখ ঢেকে নিতেন আবার খুলে ফেলতেন। এই অবস্থায় তিনি বললেন, আল্লাহ সে সম্প্রদায়কে ধ্বংস করুন। কেননা তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে। এ কাজটি তিনি তাঁর উম্মতের জন্য হারাম ঘোষণা করলেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(9) باب النهى عن اتخاذ قبور الأنبياء والصالحين مساجد للتبرك والتعظيم
(356) وعنها رضى الله عنها قالت كان على رسول الله صلى الله عليه وسلم خميصةٌ سوداء حين اشتدَّ به وجعه قالت فهو يضعها مرَّة على وجهه ومرَّة يكشفها عنه ويقول قاقل الله قومًا (1) اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد يحرِّم ذلك على أمته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের কবর খনন করে সে জমিতে মসজিদ বানানো জায়িয
(৩৫৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) মসজিদের জায়গাটি ছিল বনি নাজ্জারদের। সেখানে পূর্ব থেকে কিছু খেজুর গাছ পোড়াবাড়ি ও জাহেলী যুগের কবর ছিল। রাসূল (ﷺ) তাদেরকে ডেকে বললেন, তোমাদের জায়গাটি আমার নিকট বিক্রি কর। তারা বলল না, আল্লাহর শপথ, আমরা একমাত্র আল্লাহর নিকট এর বিনিময় চাই। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশ মত খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলা হল ও কবরগুলো খোড়া হল, পোড়া বাড়িগুলো ঠিকঠাক করে সমতল করা হল, এর (মসজিদ তৈরী হওয়ার) পূর্বে রাসূল (ﷺ) নামাযের সময় হলে ছাগল ভেড়ার খোঁয়াড়ে নামায পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী। নাসাঈ, তবারানী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب جواز نبسن قبور الكفار واتخاذ أرضها مساجد
(357) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال كان موضع مسجد النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم لبنى النَّجار وكان فيه نخلٌ وخربٌ (1) وقبورٌ من قبور الجاهليِّة فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ثامنونى (2) فقالوا لا نبغى به ثمنًا إلاَّ عند الله عزَّ وجلَّ (3) فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالنَّخل فقطَّع وبالحرث فأفسد (4) وبالقبور فنبشت (5) وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل ذلك يصلِّى فى مرابض (6) الغنم حيث أدركته الصَّلاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদঃ গির্জাকে মসজিদ বানানোর বৈধতা প্রসঙ্গে
(৩৫৮) তালক ইবন্ আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একটি প্রতিনিধি দল রাসূল (ﷺ)-এর সামনে গেলাম। বিদায়কালে তিনি আমাকে একটি পানির পাত্র আনার নির্দেশ দিলেন, আমি পানি ভর্তি একটি পাত্র নিয়ে আসলাম, তিনি ওযু করলেন এবং তিনবার কুল্লি করে পানি পাত্রে ফেললেন, তারপর রশি দিয়ে পাত্রের মুখ বেঁধে বললেন, পাত্রের পানি নিয়ে যাও এবং তোমার গোত্রের মসজিদে (গির্জায়) ছিটিয়ে দিও এবং তাদেরকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে বল, যেভাবে আল্লাহ উঁচু করেছেন। আমি বললাম, আমাদের ও আপনাদের ভূমির মধ্যে দূরত্ব অনেক। কাজেই তা ইতিমধ্যে শুকিয়ে যাবে। রাসূল বললেন, যদি শুকিয়ে যায় তাহলে তাতে আরও পানি ঢেলে দিও।
كتاب الصلاة
(11) باب جواز اتخاذ البيع مساجد
(358) عن طلق بن علىّ رضى الله عنه قال وفدنا (1) على النَّبي صلى الله عليه وسلم فلمَّا ودَّعنا أمرنى فأتيته بإداوةٍ من ماء فحثا (1) منها ثمَّ مجَّ فيها ثلاثًا ثمَّ أوكأها ثمَّ قال اذهب بها وانضج مسجد قومك (2) وأمرهم أن يرفعوا برؤوسهم أن رفعها الله، قلت إنَّ الأرض بيننا وبينك بعيدةٌ وإنَّها تيبس، قال فإذا يبست فمدَّها (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ বাড়িতে মসজিদ তৈরী করার প্রসঙ্গে
(৩৫৯) সামুরাহ ইবন্ জুন্দুব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে আমাদের মহল্লায় (বাড়িতে) মসজিদ তৈরী করতে এবং তা পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, তিনি হাদীসটি সহীহ, বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(12) باب ما جاء فى اتخاذ المساجد فى البيوت
(359) عن سمرة بن جندبٍ رضى الله عنه قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نتَّخذ المساجد فى ديارنا (4) وأمرنا أن ننظِّفها.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ বাড়িতে মসজিদ তৈরী করার প্রসঙ্গে
(৩৬০) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মহল্লায় বা (বাড়িতে) মসজিদ তৈরী করতে এবং তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ও সুগন্ধি লাগাতে নির্দেশ দেন।
(আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(12) باب ما جاء فى اتخاذ المساجد فى البيوت
(360) عن عائشة رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر ببنيان المساجد فى الدور وأمر بها أن تنظَّف (1) وتطيب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ বাড়িতে মসজিদ তৈরী করার প্রসঙ্গে
(৩৬১) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বাবা সিরিয়া থেকে প্রতিনিধি হয়ে আসলেন, তখন আমিও তাঁর সাথে ছিলাম, তখন মাহমুদ ইবন্ রাবীর সাথে আমাদের দেখা হল, তখন তিনি আমার বাবাকে ইতবান ইবন্ মালিক (রা) থেকে একটা হাদীস শোনান। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেন, হে বৎস। এ হাদীসটি মুখস্ত কর এটি হলো হাদীসের খনি। অতঃপর সফর থেকে ফিরে আমরা যখন মদীনা পৌঁছলাম তখন তাঁর (ইতবান) সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি জীবিত ছিলেন, তাঁর সাথে ছিলেন এক অন্ধ বৃদ্ধ। তিনি বলেন, আমরা তাঁকে হাদীসটি সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, হ্যাঁ রাসূল (ﷺ)-এর যুগে আমি অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমি রাসূল (ﷺ)-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমি অন্ধ হয়ে গিয়েছি। আপনার পিছনে নামায পড়ার শক্তি আমার নেই, আপনি যদি আমার বাড়িতে একটি নামাযের জায়গা তৈরী করতেন, আর সেখানে নামায পড়তেন তা হলে আমি সেখানে নামাযের জায়গা ঠিক করে নিতাম। রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, আগামীকাল আমি তোমার নিকট আসবো, তিনি বলেন, পরদিন নামায শেষে তাঁর দিকে ফিরলেন। তারপর উঠে তাঁর কাছে আসলেন। (অন্য বর্ণনায় আছে,) তিনি আবূ বকর ও উমর (রা) আসলেন তিনি এসে বসলেন, হে ইতবান। কোন জায়গাটি তুমি তোমার নামাযের জন্য নির্ধারণ করতে পছন্দ কর? তিনি ঘরের একটি স্থানের দিকে ইঙ্গিত করলেন, রাসূল (ﷺ) সে স্থানটি নির্ধারণ করলেন এবং সেখানে নামায পড়লেন, তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন, অথবা বসলেন, (অন্য বর্ণনায় আছে) খাওয়ার জন্য তাঁকে কিছুক্ষণ আটকে রাখলাম, আমাদের প্রতিবেশী আনসারদের কাছে এ খবর পৌছে গেল। তখন তাঁরা চলে আসলো তাতে আমার ঘর ভরে গেল। তারা মুনাফিকদের পক্ষ থেকে যে কষ্ট ও অসদাচরণ পাচ্ছিলেন তার বর্ণনা দিলেন, শেষ পর্যন্ত মালিক ইবন্ দুখসুম নামক এক ব্যক্তির প্রতি ইশারা করলেন, (অন্য বর্ণনায় তাঁর নামে দুখসুন, অথবা দুখাইসিন বর্ণিত হয়েছে) তারা তার বিভিন্ন অসৎ চরিত্রের বিবরণ দিচ্ছিলেন, তখন রাসূল (ﷺ) নিরব ছিলেন। তাঁরা যখন তার বেশী দোষ ত্রুটির কথা বলাবলি করছিলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, সে কি
لا اله الا الله
(আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই)
এ কথার সাক্ষী দেয় না? এভাবে তিনি তিনবার বলার পর তাঁরা বললো, হ্যাঁ সে এ কথার সাক্ষ্য দেয়। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, যিনি আমাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন তাঁর শপথ করে বলছি, যদি সে একনিষ্ঠ ও সত্য অন্তরে এ কথা বলে তাহলে জাহান্নামের আগুন কখনও তাকে ভক্ষণ করবে না। তারা বলে, একথা শুনে তারা এমনভাবে আনন্দিত হলেন, যা অতীতে কখনও হন নি।
(অন্য বর্ণনায় আছে) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, ইতবান ইবন্ মালিকের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেয়েছিল তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আপনি যদি আমার ঘরে এসে নামায পড়তেন, অথবা বাড়িতে (নামায পড়তেন) তাহলে আপনার সে নামাযের জায়গাটি আমি আমার নামাযের স্থান করে নিতাম। তখন নবী (ﷺ) আসলেন এবং তাঁর ঘরে নামায পড়লেন। অথবা বললেন, তাঁর বাড়িতে (নামায পড়লেন) তখন ইতবানের গোত্রের কিছু লোক ঘরে এসে নবী (ﷺ)-এর কাছে একত্রিত হলেন। ইতবান বলেন, তারা মালিক ইবন্ দুখসুনের নাম উল্লেখ করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। সে আকারে ইঙ্গিতে মুনাফিক হয়ে গেছে। তখন রাসুল (ﷺ) বললেন, তোমরা কি দেখ না সে আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল একথার সাক্ষ্য দেয়? তারা বলল হ্যাঁ। রাসূল (ﷺ) বলেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, যে ব্যক্তি সত্য মনে তা বলবে, আল্লাহ তার জন্য দোযখের আগুন হারাম করে দিবেন।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(12) باب ما جاء فى اتخاذ المساجد فى البيوت
(361) عن على بن زيد بن جدعان قال حدثنى أبو بكر بن أنس ابن مالك قال قدم أبى من الشام وافدا وأنا معه فلقينا محمود بن الربيع فحدث أبي حديثا عن عتبان (1) بن مالك قال أبى أى بنى احفظ هذا الحديث فإنه من كنوز الحديث، فلما قفلنا (2) انصرفنا إلى المدينة فسألنا عنه فإذا هو حى، وإذا شيخ أعمى معه، قال فسألناه عن الحديث فقال نعم، ذهب بصرى على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ذهب بصرى ولا أستطيع الصلاة خلفك فلو بوأت (3) فى دارى مسجدا فصليت فيه فأتخذه مصلى قال نعم، فإنى غاد عليك غدا، قال فلما صلى من الغد التفت إليه فقام حتى أتاه (وفى رواية فجاء هو أبو بكر وعمر) فقال يا عتبان أين تحب أن أبوئ لك فوصف له مكانا فبوأ له وصلى فيه، ثم حبس (4) أو جلس (وفى رواية فاحتبسوا على طعام) وبلغ من حولنا من الأنصار فجاؤا حتى ملئت علينا الدار فذكروا المنافقين وما يلقون من أذاهم وشرهم حتى صيروا وأمرهم (5) إلى رجل منهم يقال له مالك بن الدخشم (6) (وفى رواية الدخشن أو الدخيشن) وقالوا من حاله ومن حاله (1) ورسول الله صلى الله عليه وسلم ساكت، فلما أكثروا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أليس يشهد أن لا إله إلا الله؟ فلما كان فى الثالثة قالوا إنه ليقوله، قال والذى بعثنى بالحق لئن قالها صادقا من قلبه لا تأكله النار أبدا (2) قالوا فما فرحوا بشئ قط كفرحهم بما قال (3) (ومن طريق ثان) (4) عن ثابت عن أنس (بن مالك) رضى الله عنه أن عتبان بن مالك ذهب بصره فقال يا رسول الله لو جئت صليت فى دارى أو قال فى بيتى لاتخذت مصلاك مسجدا، فجاء النبى صلى الله عليه وسلم فصلى في داره أو قال فى بيته، واجتمع قوم عتبان إلى النبى صلى الله عليه وسلم قال فذكروا مالك بن الدخشم، فقالوا يا رسول الله إنه وإنه يعرضون (5) بالنفاق، فقال النبى صلى الله عليه وسلم أليس يشهد أن لا إله إلا الله وأنى رسول الله؟ قالوا بلى، قال والذى نفسي بيده لا يقولها عبد صادق بها إلا حرمت عليه النار
হাদীস নং: ৩৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ বাড়িতে মসজিদ তৈরী করার প্রসঙ্গে
(৩৬২) আনাস ইবন্ সিরীন (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আনসারদের এক মোটা ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে নামায পড়তে অক্ষম ছিল। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর আমি আপনার সাথে নামায পড়তে অক্ষম। অতঃপর সে নবী (ﷺ)-এর জন্য খাবার তৈরী করল এবং তার বাড়ীতে তাঁকে দাওয়াত দিল এবং তাঁর জন্য একটি চাটাই পেতে দিয়ে পানি ছিটিয়ে মুছে দিল। তখন তিনি (রাসূল সা)-এর ওপর দু'রাক'আত নামায পড়লেন জারুদ পরিবারের এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল রাসূল (ﷺ) কি চাশতের নামায পড়তেন, তিনি বললেন, ঐ দিন ছাড়া আর কোন দিন তাঁকে এ নামায পড়তে দেখি নি।
(বুখারী, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, ইবন্ আবি শাইবা।)
كتاب الصلاة
(12) باب ما جاء فى اتخاذ المساجد فى البيوت
(362) عن أنس بن سيرين قال سمعت أنس بن مالكٍ قال كان رجلٌ من الأنصار ضخمًا (6) لا يستطيع لأن يصلِّى مع النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنّي لا أستطيع أن أصلَّى معك، فصنع له طعامًا ودعا النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم إليه وبسطوا له حصيرًا ونضحوه فصلَّى عليه ركعتين، فقال له رجلٌ من آل الجارود، أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلَّى الضُّحى؟ قال ما رأيته صلَّاها إلاَّ يومئذٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছতর ঢাকার পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ, সতরের বর্ণনা ও এর সীমা এবং যারা বলে যে রান সতরের অন্তর্ভুক্ত তাদের দলিল
(৩৬৩) য, আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি তোমার রান প্রকাশ করবে না আর জীবিত বা মৃত কারও রানের প্রতি তাকাবে না।
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ এবং হাকিম মুস্তাদরাক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, হাদীসটি সহীহ। পুরুষের রান তার সতরের অংশ)
كتاب الصلاة
أبواب ستر العورة

(1) باب حد العورة وبيانها وحجة من قال ان الفخذ عورة
(363) ز عن علىٍّ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم لا تبرز (1) فخذك ولا تنظر إلى فخذ حىٍّ ولا ميِّتٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছতর ঢাকার পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ, সতরের বর্ণনা ও এর সীমা এবং যারা বলে যে রান সতরের অন্তর্ভুক্ত তাদের দলিল
(৩৬৪) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (রা) জনৈক ব্যক্তির নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তার রান খোলা দেখলেন। তখন তিনি বলেন, তোমার রান ঢেকে রাখ, কারণ পুরুষের রান তার সতরের অংশ।
(তিরমিযী, বুখারী হাদীসটি তালিকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এর সনদে বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب ستر العورة

(1) باب حد العورة وبيانها وحجة من قال ان الفخذ عورة
(364) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال مرَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم على رجل وفخذه خارجةٌ، فقال غطِّ فخذك فإنَّ فخذ الرَّجل من عورته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছতর ঢাকার পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ, সতরের বর্ণনা ও এর সীমা এবং যারা বলে যে রান সতরের অন্তর্ভুক্ত তাদের দলিল
(৩৬৫) আমর ইবন্ শুয়াইব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সন্তানের বয়স যখন সাত বছর হয় তখন তোমরা তাকে নামাযের আদেশ দিবে। আর যখন দশ বছর হবে তখন নামাযের জন্য শাস্তি দিবে। এবং (এ বয়সের পর) বিছানা পৃথক করে দিবে। আর তোমাদের কেউ যদি তার দাসীকে তার দাস বা অধিনস্তের কাছে বিয়ে দেয়, তখন সে যেন তার সতরের প্রতি দৃষ্টি না দেয়। কারণ নাভির নীচ থেকে হাঁটু পর্যন্ত সতরেরই অংশ।
(আবু দাউদ, হাকিম, সুনানে দারাকুতনী, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب ستر العورة

(1) باب حد العورة وبيانها وحجة من قال ان الفخذ عورة
(365) عن عمرو بن شعيبٍ عن أبيه عن جدِّه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروا أبناءكم بالصَّلاة لسبع سنين واضربوهم عليها العشر سنين، وفرِّقوا بينهم فى المضاجع، وإذا أنكح أحدكم خادمه (2) عبده أو أجيره فلا ينظرنَّ إلى شئٍ من عورته، فإنَّ ما أسفل من سرَّته إلى ركبتيه من عورته
হাদীস নং: ৩৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছতর ঢাকার পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ, সতরের বর্ণনা ও এর সীমা এবং যারা বলে যে রান সতরের অন্তর্ভুক্ত তাদের দলিল
(৩৬৬) যুর'আতা ইবন্ মুসলিম (র) থেকে বর্ণিত, তিনি জরহাদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল (ﷺ) জরহাদকে মসজিদে চাদর গায়ে রান খোলা অবস্থায় দেখতে পান। তখন তিনি তাঁকে বললেন, রান সতরের অংশ,
(দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে) আব্দুল্লাহ ইবন্ জরহাদ আসলামী থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা জরহাদ থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি মুসলমান ব্যক্তির রান তার সতরের অংশ। তার দ্বিতীয় একটি বর্ণনায় আছে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (ﷺ) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন আমার রান খোলা ছিল। তখন নবী করীম (ﷺ) বললেন, তা ঢেকে রাখ কারণ তা সতরেরই অংশ।
(ইমাম মালিক, আবু দাউদ, তিরমিযী, সহীহ ইবনে হিব্বান, তিনি হাদীসটি সহীহ এবং তিরমিযী হাসান বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
أبواب ستر العورة

(1) باب حد العورة وبيانها وحجة من قال ان الفخذ عورة
(366) عن زرعة بن مسلمٍ عن جرهد أنَّ النَّبىَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم رآى جرهدًا في المسجد وعليه بردة قد انكشف فخذه، فقال الفخذ عورةٌ
(ومن طريقٍ ثانٍ) (3) عن عبد الله بن جرهدٍ الأسلمي أنَّه سمع أباه جرّهدًا يقول سمعت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يقول فخذ المرء المسلم عورةٌ
(وعنه من طريقٍ ثالثٍ) (1) عن أبيه قال مرَّ بي رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا كاشفٌ فخذى فقال النَّبىُّ صلى الله عليه وسلم غطِّها فإنَّها من العورة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছতর ঢাকার পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ, সতরের বর্ণনা ও এর সীমা এবং যারা বলে যে রান সতরের অন্তর্ভুক্ত তাদের দলিল
(৩৬৭) রাসূল (ﷺ)-এর শ্যালক মুহাম্মদ ইবনে জাহাশ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) মসজিদের আঙ্গিনায় মা'মারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কাপড় জড়ানো অবস্থায় তার রানের এক অংশ খোলা দেখতে পান। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মা'মার তোমার রান ঢেকে রাখ, কারণ রান সতরের অংশ (তার দ্বিতীয় বর্ণনায় আছে) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মা'মারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন তখন আমিও তাঁর সাথে ছিলাম রাসূল (ﷺ) উভয় রান খোলা দেখতে পান, তখন তিনি বলেন হে মা'মার তুমি তোমার রান ঢেকে রাখ। কারণ রান দু'টি সতরের অংশ।
(হাকিম মুস্তাদারক গ্রন্থে, বুখারী তাঁর তারীখে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب الصلاة
أبواب ستر العورة

(1) باب حد العورة وبيانها وحجة من قال ان الفخذ عورة
(367) عن محمَّد بن جحشٍ ختن (2) النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّ النَّبىَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم مرَّ على معمرٍ بفناء المسجد محتبيًا كاشفًا عن طرف فخذه، فقال له النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم خمِّر فخذك يا معمر، فإنَّ الفخذ عورةٌ (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (3) قال مرَّ النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم وأنا معه على معمرٍ وفخذاه مكشوفتان فقال يا معمر غطِّ فخذيك فإنَّ الفخذين عورةٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যারা রান ও নাভিকে সতর মনে করে না তাদের দলিল
(৩৬৮) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) খায়বারে অভিযান চালান, আমরা ভোরের অন্ধকারে সেখানে ফজরের নামায আদায় করি। অতঃপর রাসূল (ﷺ) ঘোড়ায় চড়লেন, আবু তালহাও চড়লেন। আমি আবূ তালহার পেছনে বসলাম, রাসূল (ﷺ) খায়বারের গলিতে ঘোড়া পরিচালনা করলেন। তখন আমার হাঁটু আল্লাহর নবী (ﷺ)-এর উরুর সাথে লাগছিল এবং আল্লাহর নবীর উরুদ্বয় থেকে পরিধেয় লুঙ্গি খুলে পড়েছিল, সে সময় আমি আল্লাহর নবীর উরুদ্বয়ের শুভ্রতা দেখতে পাই।
(বুখারী মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(2) باب حجة من لم ير أن الفخذ والسرة من العورة
(368) عن أنس (بن مالكٍ رضى الله عنه) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر فصلَّينا عندها صلاة الغداة بغلسٍ فركب رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم وركب أبو طلحة وأنا رديف أبى طلحة فأجرى النَّبىُّ صلى الله عليه وسلم (1) في زقاق خيبر وإنَّ ركبتى لتمسُّ فخذي نبيِّ الله صلى الله عليه وسلم وانحسر (2) الإزار عن فخذى نبيِّ الله صلى الله عليه وسلم فإنِّى لأرى بياض فخذى نبيِّ الله صلى الله عليه وسلم ((الحديث))
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যারা রান ও নাভিকে সতর মনে করে না তাদের দলিল
(৩৬৯) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) উরু খোলা অবস্থায় বসা ছিলেন, সে সময় আবূ বকর (রা) তাঁর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে তিনি তাঁর অবস্থায় অনুমতি প্রদান করেন। তারপর উমর (রা) তারপর উসমান (রা) অনুমতি চান তখন তিনি তাঁর উরুর উপর কাপড় ঢেকে নিলেন, তারা যখন চলে গেলেন তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। আবু বকর ও উমর (রা) অনুমতি চাইলে আপনি ঐ অবস্থায় উভয়কে অনুমতি দিলেন, কিন্তু উসমান (রা) যখন অনুমতি চাইলেন তখন আপনি আপনার কাপড় উরুর উপর ছেড়ে দিলেন, রাসূল (ﷺ) বললেন, (আয়িশা) আমি কি এমন কোন ব্যক্তিকে লজ্জা করবো না, ফেরেস্তাগণ যাকে দেখে লজ্জাবোধ করেন।
(মুসলিম, হাদীসটি বুখারীও তালিকান বুখারীতে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب حجة من لم ير أن الفخذ والسرة من العورة
(369) عن عائشة رضى الله عنها أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان جالسًا كاشفًا عن فخذه فاستأذن أبو بكرٍ فأذن له وهو على حاله، ثمَّ استأذن عمر فأذن له وهو على حاله، ثمَّ استأذن عثمان فأرخى عليه ثيابه، فلمَّا قاموا قلت يا رسول الله استأذن أبو بكرٍ وعمر فأذنت لهما وأنت على حالك، فلمَّا استأذن عثمان أرخيت عليك ثيابك، فقال يا عائشة ألا أستحى من رجلٍ والله إنَّ الملائكة تستحى منه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যারা রান ও নাভিকে সতর মনে করে না তাদের দলিল
(৩৭০) উমাইর ইবন্ ইসহাক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি আলীর ছেলে হাসান (রা)-এর সাথে ছিলাম সে সময় আবু হুরায়রা (রা) আমাদের সাথে মিলিত হলেন, তিনি বললেন, (হাসান) রাসূল (ﷺ)-কে তোমার যেস্থানে চুমু খাইতে দেখেছি, সে স্থানটি চুমু খেতে আমাকে দেখিয়ে দাও, তখন তিনি তাঁর কাপড় তোললেন, রাবী বলেন, তখন তিনি তাঁর নাভিতে চুমু খেলেন।
(হাকিম (মুস্তাদরাক গ্রন্থে) বর্ণনা করেছেন, এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন। তবে হাকিম অন্য সূত্রে হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب حجة من لم ير أن الفخذ والسرة من العورة
(370) عن عمير بن إسحاق قال كنت مع الحسن بن علىٍ رضى الله عنهما فلقينا أبو هريرة فقال أرنى أقبل منك حيث رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبِّل، فقال (1) بقميصه، قال فقبل سرَّته
tahqiq

তাহকীক: