মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৩৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ: মসজিদ থেকে ময়লা পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(৩৩১) আবু যর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমার সম্মুখে আমার উম্মতের ভাল কাজ ও মন্দ কাজ উপস্থাপন করা হয়েছিল, আমি তাদের ভাল কাজগুলোর মধ্যে দেখতে পেলাম রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস তুলে ফেলা, আর মন্দ কাজগুলোর মধ্যে দেখতে পেলাম মসজিদে থুথু ফেলা, যা ঢেকে দেয়া হয় নি।
(মুসলিম, ইবনে মাজাহ্।)
(মুসলিম, ইবনে মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(5) باب تنزيد المساجد عن الأقذار
(331) عن أبي ذرٍ رضى الله عنه عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قال عرضت علىَّ أمَّتى بأعمالها حسنةٍ وسيِّئةٍ، فرأيت فى محاسن أعمالها إماطة الأذى عن الطريق، ورأيت فى سيِّئ أعمالها النُّخاعة فى المسجد لا تدفن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ: মসজিদ থেকে ময়লা পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(৩৩২) তারিক ইবন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, নামায পড়ার সময় কেউ যেন সামনের দিকে বা ডান দিকে থুথু না ফেলে বরং সময় হলে সে যেন বাঁ দিকে অথবা (পায়ের নীচে) ফেলে মর্দন করে দেয়।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, তিরমিযী বলেন, হাদীসটি সহীহ।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, তিরমিযী বলেন, হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الصلاة
(5) باب تنزيد المساجد عن الأقذار
(332) عن طارق بن عبد الله رضى الله عنه عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قال إذا صلَّيت فلا تبصق بين يديك ولا عن يمينك، ولكن ابصق تلقاء شمالك إن كان فارغًا، وإلاَّ فتحت قدميك وادلكه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৩) উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর এক জুমু'আর খুতবায় বলেন, হে লোক সকল, তোমরা দু'টি জিনিস (সব্জি) খেয়ে থাক। আমার দৃষ্টিতে ওদু'টো খারাপ জিনিস। তা হলো পিঁয়াজ ও রসুন। আল্লাহর কসম আমি দেখেছি, রাসূল (ﷺ) কোন লোকের (মুখ) থেকে এর গন্ধ পেলে তাকে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিতেন, ফলে তার হাত ধরে তাকে মসজিদ থেকে বের করে বাকী নামক কবরস্থান পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হত, তাই যে ব্যক্তি এ দু'টো জিনিস খেতে চায়, সে যেন রান্না করে গন্ধ দূর করে নেয়।
(মুসলিম, নাসায়ী।)
(মুসলিম, নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(333) عن عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه أنَّه قال فى خطبةٍ (1) له ثمَّ إنَّكم أيُّها النَّاس تأكلون من شجرتين لا أراهما إلا خبيثتين هذا الثَّوم والبصل وايم الله لقد كنت أرى النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم يجد ريحها من الرَّجل فيأمر به فيؤخذ بيده فيخرج به من المسجد حتَّى يؤتى به البقيع، فمن أكلها لابدَّ فليمتها طبخًا (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৪) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, যে এই সব্জি অর্থাৎ রসুন জাতীয় কিছু খায় সে যেন মসজিদের কাছেও না আসে।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(334) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قال (3) من أكل من هذه الشَّجرة فلا يأتينَّ المساجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৫) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই সব্জি অর্থাৎ রসুন জাতীয় জিনিস খাবে সে যেন আমাদের মসজিদে এসে আমাদের কাউকে কষ্ট না দেয়। অন্য হাদীসে তিনি বলেন, সে যেন মসজিদের কাছেও না আসে এবং রসুনের গন্ধ দিয়ে আমাদেরকে কষ্ট না দেয়।
(মুসলিম।)
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(335) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أكل من هذه الشَّجرة يعنى الثَّوم فلا يؤذينَّا فى مسجدنا، وقال فى موضعٍ آخر فلا يقربنَّ مسجدنا ولا يؤذينا بريح الثُّوم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৬) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বর বিজয়ের অভিযান চলছিল, তখন আমরা সেখানে একটি সজীব জায়গায় অবস্থান করছিলাম। ক্ষুধার তাড়নায় আমরা প্রচুর পরিমাণ সব্জি (পিঁয়াজ, রসুন) খেলাম, তারপর মসজিদে নামায পড়তে গেলাম। তখন রাসূল (ﷺ) তার গন্ধ পান, তখন তিনি বলে যে ব্যক্তি এ খারাপ জিনিস (অর্থাৎ পিঁয়াজ-রসুন) কিছু খায় সে যেন আমার মসজিদের কাছেও না আসে, তখন লোকেরা বলল, হারাম করা হয়েছে, হারাম করা হয়েছে। রাসূল (ﷺ) লোকদের এ কথা জানতে পেরে বললেন, আল্লাহ যা হালাল করেছেন সেটা হারাম করা আমার জন্য বাঞ্ছনীয় নয়। কিন্তু এটা এমন একটি সব্জি যার গন্ধ আমি অপছন্দ করি।
(মুসলিম।)
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(336) عن أبي سعيد الخدري رضى الله عنه لم نعد (1) أن فتحت خيبر وقعنا فى تلك البقلة فأكلنا منها أكلًا شديدًا وناسٌ جياعٌ، ثم رحنا إلى المسجد فوجد رسول الله صلى الله عليه وسلم الرِّيح، فقال من أكل من هذه الشجرة الخبيثة (2) شيئًا قلا يقربنَّا فى المسجد، فقال النّاس حرِّمت حرَّمت! فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أيها النَّاس، إنَّه ليس لى تحريم ما أحلَّ الله ولكنَّهما شجرةٌ أكره ريحها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৭) জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি রসুন অথবা পিঁয়াজ খাবে সে যেন আমাদের থেকে অথবা আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে। বরং সে তার ঘরে বসে থাকে।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(337) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أكل ثومًا أو بصلًا فليعتزلنا، أو قال فليعتزل مسجدنا وليقعد فى بيته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ দুর্গন্ধময় জিনিস থেকে মসজিদকে সংরক্ষণ করা প্রসঙ্গে
(৩৩৮) মুগীরা ইবন্ শো''বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুন খেয়ে নবী (ﷺ)-এর মসজিদে নামায পড়তে এসে দেখি এক রাকা'আত শেষ হয়ে গেছে, রাসূলের নামায শেষে বাকী এক রাকা'আত পূরণ করার জন্য আমি দাঁড়ালাম এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) রসুনের গন্ধ পেলেন, তখন বললেন, যে ব্যক্তি এ ধরনের সব্জি (পিঁয়াজ-রসুন) খায় সে যেন গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত আমার মসজিদের নিকটেও না আসে।
মুগীরা বলেন, নামায শেষে আমি রাসূলের নিকট বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আমার একটা সমস্যা আছে, আপনি আপনার হস্ত প্রসারিত করে দেখুন। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, আমি তাঁকে অত্যন্ত নম্র পেলাম। তিনি তাঁর হাত আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন। আস্তিনের ভিতর দিয়ে আমার বুকের দিকে হাত প্রসারিত করলেন। আমাকে অসুস্থ দেখতে পেলেন, অতঃপর বললেন, তোমার ওযর আছে অর্থাৎ অনুমোদন রয়েছে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী।)
মুগীরা বলেন, নামায শেষে আমি রাসূলের নিকট বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আমার একটা সমস্যা আছে, আপনি আপনার হস্ত প্রসারিত করে দেখুন। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, আমি তাঁকে অত্যন্ত নম্র পেলাম। তিনি তাঁর হাত আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন। আস্তিনের ভিতর দিয়ে আমার বুকের দিকে হাত প্রসারিত করলেন। আমাকে অসুস্থ দেখতে পেলেন, অতঃপর বললেন, তোমার ওযর আছে অর্থাৎ অনুমোদন রয়েছে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(6) باب صيانة المساجد من الروائح الكريهة
(338) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه قال أكلت ثومًا ثمَّ أتيت مصلَّى النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم فوجدته قد سبقنى بركعةٍ فلمَّا صلَّى قمت أقضى فوجد ريح الثُّوم، فقال من أكل هذه البقلة فلا بقر بنَّ مسجدنا حتَّى يذهب ريحها، قال فلمَّا قضيت الصَّلاة أتيته فقلت يا رسول الله إنَّ لى عذرًا، ناولنى يدك، قال فوجدته والله سهلًا (2) فناولنى يده فأدخلها فى كمِّى إلى صدرى فوجده معصوبًا (3) فقال إنَّ لك عذرًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৩৯) আমর ইবন্ শু'আইব (র) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে, কবিতা আবৃত্তি করতে, হারানো জিনিস খোঁজ করতে, এবং জুমু'আর দিন নামাযের পূর্বে (গ্রুপ গ্রুপ হয়ে) বসতে নিষেধ করেছেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবন মাজাহ তিরমিযী বলেছেন, এটি হাসান হাদীস।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবন মাজাহ তিরমিযী বলেছেন, এটি হাসান হাদীস।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(339) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشِّراء والبيع فى المسجد، وأن تنشد فيه الأشعار، (1) وأن تنشد فيه الضَّالَّة (2) وعن الحلق يوم الجمعة قبل الصَّلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪০) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
(ইবন্ মাজাহ, তাঁর হাদীসের সনদ উত্তম।)
(ইবন্ মাজাহ, তাঁর হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(340) عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن البيع والاشتراء في المسجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কেউ যদি কোন ব্যক্তিকে মসজিদে হারানো জিনিস খুঁজতে শুনতে পায়, তাহলে সে যেন বলে, আল্লাহ যেন তোমার জিনিস ফেরত না দেন। কেননা, মসজিদ একাজের জন্য বানানো হয় নি।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(341) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من سمع رجلًا ينشد فى المسجد ضالَّةً فليقل له لأدَّاها الله إليك (1) فإنَّ المساجد لم تبن لهذا (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪২) সুলাইমান ইবন্ বুরাইদা (র) তিনি তাঁর বাবা বুরাইদা আসলামী থেকে বর্ণনা করেন, এক মরুবাসী মসজিদে বলছিল, কে ফজরের পরে লাল উটের দেখা পেয়েছে? তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমার উট যেন না পাও তোমার উট যেন না পাও। এ ঘর গুলো তৈরী করা হয় মুয়াম্মাল বলেন, এ মসজিদসমূহ তৈরী করা হয়েছে, যে উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছে তার (অর্থাৎ ইবাদত বন্দেগীর) জন্য।
(মুসলিম।)
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(342) عن سليمان بن بريدة عن أبيه بريدة الأسلمىِّ أنَّ أعرابيًا قال فى المسجد من دعا للجمل الأحمر بعد الفجر؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا وجدته لا وجدته، إنَّما بنيت هذه البيوت قال مؤملٌ هذه المساجد لما بنيت له
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৩) হাকীম ইবন্ হিযাম (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, মসজিদে শাস্তির বিধান কায়েম করা (মৃত্যুদণ্ড দেয়া) যাবে না। (এক মারফু 'বর্ণনায় আছে) এবং তাতে কবিতা আবৃত্তি করা যাবে না।
(আবু দাউদ, সুনানে দারাকুতনী, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকী। বুলুগুল মারাম গ্রন্থকার বলেন, হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
(আবু দাউদ, সুনানে দারাকুতনী, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকী। বুলুগুল মারাম গ্রন্থকার বলেন, হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(343) عن حكيم بن حزامٍ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقام الحدود فى المساجد (3) ولا يستفاد فيها (زاد فى وراية غير مرفوعة) ولا ينشد فيها الأشعار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৪) উম্মু উসমান বিনতে সুফিয়ান (রা) (তিনি বনি সাইবা গোত্রের পূর্ব পুরুষদের মা) থেকে বর্ণিত। মুহাম্মদ ইবন্ আবদির রহমান বলেন, উম্মু উসমান রাসূলে (ﷺ) হাতে বায়'আত করেছিলেন। রাসূল (ﷺ) শায়বাকে (উসমান ইবন্ তালহাকে) কা'বার দরজা খুলে দিতে বললেন, শায়বা দরজা খুলে দিলেন, রাসূল (ﷺ) ঘরের ভিতর প্রবেশ করে কাজ শেষে ফিরে আসলেন শাইবাও ফিরে গেলেন। তারপর রাসূল (ﷺ) উসমান ইবন্ তালহাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি আসলেন তাঁকে বললেন, আমি কা'বা ঘরে শিং দেখতে পেলাম তুমি উহা অন্যত্র সরিয়ে নাও।
মানসুর বলেন, আমাকে আব্দুল্লাহ ইবন মুসাফে আমার মায়ের সূত্রে বলেন, তিনি উম্মে উসমান বিনতে সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (ﷺ) উসমান ইবন্ তালহাকে বললেন, নামাযীদের অমনযোগী করে এমন জিনিস বায়তুল্লায় (মসজিদে) থাকা সমীচীন নয়।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত।) সফিয়্যা বিনতে সাইবা (র) অর্থাৎ মনসুরের মা বলেন, বনি সুলাইম গোত্রের এক মহিলা (তিনি উম্মে উসমান বিনতে সুফিয়ান) সংবাদ দিলেন (তিনি আমাদের পরিবারে প্রায় সকলের জন্মদাতা আদিমাতা।) আল্লাহর রাসূল (ﷺ) উসমান ইবন্ তালহার নিকট লোক পাঠালেন, একবার বলেন, তিনি নিজে উসমান ইবন্ তালহাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে রাসূল (ﷺ) কেন ডাকলেন, তিনি আমাকে বললেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমি কা'বার ঘরে প্রবেশ করে কা'বা ঘরে (বকরী) দু'টি শিং দেখতে পাই। কিন্তু তোমাকে সে দু'টি আড়াল করে রাখার নির্দেশ দিতে ভুলে গিয়েছি, তুমি অবশ্যই এ দু'টি আড়াল করে রাখবে, কারণ, নামাযীদের অমনোযোগী করে এমন জিনিস মসজিদে থাকা সমীচীন নয়, সুফিয়ান বলেন, শিং দু'টি (ইয়াযিদ ইবন্ মু'আবীয়ার যুগে) বায়তুল্লাহয় আগুন লাগার পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল, তারপর সে দিন পুড়ে যায়। (আবূ দাউদ, ও অন্যান্য।)
মানসুর বলেন, আমাকে আব্দুল্লাহ ইবন মুসাফে আমার মায়ের সূত্রে বলেন, তিনি উম্মে উসমান বিনতে সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (ﷺ) উসমান ইবন্ তালহাকে বললেন, নামাযীদের অমনযোগী করে এমন জিনিস বায়তুল্লায় (মসজিদে) থাকা সমীচীন নয়।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত।) সফিয়্যা বিনতে সাইবা (র) অর্থাৎ মনসুরের মা বলেন, বনি সুলাইম গোত্রের এক মহিলা (তিনি উম্মে উসমান বিনতে সুফিয়ান) সংবাদ দিলেন (তিনি আমাদের পরিবারে প্রায় সকলের জন্মদাতা আদিমাতা।) আল্লাহর রাসূল (ﷺ) উসমান ইবন্ তালহার নিকট লোক পাঠালেন, একবার বলেন, তিনি নিজে উসমান ইবন্ তালহাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে রাসূল (ﷺ) কেন ডাকলেন, তিনি আমাকে বললেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমি কা'বার ঘরে প্রবেশ করে কা'বা ঘরে (বকরী) দু'টি শিং দেখতে পাই। কিন্তু তোমাকে সে দু'টি আড়াল করে রাখার নির্দেশ দিতে ভুলে গিয়েছি, তুমি অবশ্যই এ দু'টি আড়াল করে রাখবে, কারণ, নামাযীদের অমনোযোগী করে এমন জিনিস মসজিদে থাকা সমীচীন নয়, সুফিয়ান বলেন, শিং দু'টি (ইয়াযিদ ইবন্ মু'আবীয়ার যুগে) বায়তুল্লাহয় আগুন লাগার পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল, তারপর সে দিন পুড়ে যায়। (আবূ দাউদ, ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(344) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا على بن إسحاق قال أنا عبد الله قال أنا محمد بن عبد الرحمن عن منصور بن عبد الرحمن عن أمه (1) عن أم عثمان ابنة سفيان وهى أم بنى شيبة الأكابر قال محمد بن عبد الرحمن وقد بايعت النبى صلى الله عليه وسلم دعا شيبة (2) ففتح فلما دخل البيت ورجع وفرغ، ورجع شيبة، إذا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أجب، فأتاه فقال إنى رأيت فى البيت قرنا فغيبه، قال منصور فحدثنى عبد الله بن مسافع عن أمى عن أم عثمان بنت سفيان أن النبى صلى الله عليه وسلم قال له فى الحديث فإنه لا ينبغى أن يكون فى البيت شئ لا يلهى المصلين
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا سفيان قال حدثنى منصور عن خالة مسافع (3) عن صفية بنت شيبة أم منصور قالت أخبرتني امرأة من بنى سليم (4) ولدت عامة أهل دارنا، أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عثمان بن طلحة، وقال مرة إنها سألت عثمان بن طلحة لم دعاك النبى صلى الله عليه وسلم؟ قال قال لى إنى كنت رأيت قرنى الكبش (5) حين دخلت البيت فنسيت أن آمرك أن تخمرهما (6) فخمرهما، فإنه لا ينبغى أن يكون فى البيت شئ يشغل المصلى، قال سفيان لم تزل قرنا الكبش فى البيت، حتى احترق البيت (1) فاحترقا
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا سفيان قال حدثنى منصور عن خالة مسافع (3) عن صفية بنت شيبة أم منصور قالت أخبرتني امرأة من بنى سليم (4) ولدت عامة أهل دارنا، أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عثمان بن طلحة، وقال مرة إنها سألت عثمان بن طلحة لم دعاك النبى صلى الله عليه وسلم؟ قال قال لى إنى كنت رأيت قرنى الكبش (5) حين دخلت البيت فنسيت أن آمرك أن تخمرهما (6) فخمرهما، فإنه لا ينبغى أن يكون فى البيت شئ يشغل المصلى، قال سفيان لم تزل قرنا الكبش فى البيت، حتى احترق البيت (1) فاحترقا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৫) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কিয়ামত কখনো কায়েম হবে না যতক্ষণ না মানুষ মসজিদ নিয়ে একে অপরের সাথে অহংকার ও গর্বে লিপ্ত হবে।
(সহীহ ইবন্ খুযাইমা, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী ইবন মাজাহ, ইবন্ খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ্ বলেছেন।)
(সহীহ ইবন্ খুযাইমা, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী ইবন মাজাহ, ইবন্ খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ্ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(345) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقوم السَّاعة حتى يتباهى (2) النَّاس في المساجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৬) হাদরামী ইবন্ লাহিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আনসারের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন তার কাপড়ে উকুন দেখবে সে যেন তা বাইরে নিক্ষেপ করে। মসজিদে নিক্ষেপ না করে।
(হাদীসটি হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ বর্ণনা করে বলেন, এটা ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ বর্ণনা করে বলেন, এটা ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(346) عن الحضرمىِّ بن لاحق عن رجلٍ من الأنصار أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا وجد أحدكم القملة في ثوبه فليصرَّها (3) ولا يلقها في المسجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৭) তালহা ইবন্ উবায়দুল্লাহ অর্থাৎ ইবন্ কুরয (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি মক্কার কুরাইশদের জনৈক সম্মানিত ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার কাপড়ে উকুন দেখে তা মসজিদে ফেলার জন্য নিলেন। তখন রাসূল (ﷺ) তাঁকে বললেন, এমন করো না, উহা এখন তোমার কাপড়ে উঠিয়ে নাও মসজিদের বাইরে গেলে তখন ফেলে দিও।
(হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে তার মধ্যে মুহাম্মদ ইবন্ ইসহাক عَنْ عَنْ করে বর্ণনা করেছেন। তিনি এরূপ বর্ণনার ("তাদলীস") কারণে গ্রহণযোগ্য নন।)
(হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, ইমাম আহমদ কর্তৃক বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে তার মধ্যে মুহাম্মদ ইবন্ ইসহাক عَنْ عَنْ করে বর্ণনা করেছেন। তিনি এরূপ বর্ণনার ("তাদলীস") কারণে গ্রহণযোগ্য নন।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(347) عن طلحة بن عبيد الله يعنى بن كرزٍ عن شيخٍ من أهل مكَّة من قريش قال وجد رجلٌ في ثوبه قملةً فأخذها ليطرحها في المسجد، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تفعل، اردها في ثوبك حتَّى تخرج من المسجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭ম) পরিচ্ছেদঃ যে সব কাজ থেকে মসজিদ হিফাজত করা আবশ্যক
(৩৪৮) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর সাথীদের নিয়ে মসজিদে বসা ছিলেন, এ সময় একজন মরুবাসী এসে মসজিদে পেশাব করে দিল। তখন রাসূলের সাথীরা বললেন, আরে কি ব্যাপার থাম থাম। একথা শুনে রাসূল (ﷺ) বললেন, তাকে পেশাব শেষ করতে দাও। পেশাব শেষ হলে রাসূল (ﷺ) তাকে ডেকে বললেন, এটা মসজিদ এখানে পায়খানা, পেশাব ও ময়লা ফেলা উচিত নয়, অথবা রাসূল (ﷺ) বললেন, মসজিদ কুরআন পাঠ, আল্লাহর যিকির, ও নামাযের স্থান তারপর রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বললেন, যাও এক বালতি পানি নিয়ে এর ওপর ঢেলে দাও। তখন সে ব্যক্তি এক বালতি পানি নিয়ে তার ওপর ঢেলে দিল।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب جامع فيما تصان عند المساجد
(348) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسًا في المسجد وأصحابه معه إذ جاء أعرابىٌّ فبال في المسجد، فقال أصحابه مه مه (1) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزرموه (2) دعوه، ثمَّ دعاه فقال له إنَّ هذه المساجد لا تصلح لشئ من القذر والبول والخلاء أو كما فال رسول الله صلى الله عليه وسلم، إنَّما هي لقراءة القرآن وذكر الله والصَّلاة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل من القوم قم فأتنا بدلو من ماء فشنه عليه (1) فأتاه بدلو من ماء فشنه عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মসজিদে যে সব কাজ বৈধ
(৩৪৯) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) এব যুগে আমরা মসজিদে ঘুমাতাম, ও কাইলুলা (বিশ্রাম করতাম।) অথচ আমরা যুবক ছিলাম। (তাঁর থেকে দ্বিতায় একটি বর্ণনায় আছে) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে আমার নিদ্রা ও থাকার স্থান মসজিদেই ছিল।
(বুখারী, নাসাঈ, আবূ দাউদ।)
(বুখারী, নাসাঈ, আবূ দাউদ।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما يباح قعد فى المساجد
(349) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كنَّا فى زمن رسول الله صلى الله عليه وسلم تنام فى المسجد فقيل فيه ونحن شبابٌ (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (1) قال ما كان لى مبيتٌ ولا مأوى على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم إلاَّ فى المسجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মসজিদে যে সব কাজ বৈধ
(৩৫০) আব্বাদ ইব্ন তামীম (র) তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূল (ﷺ)-কে এক পায়ের উপর অন্য পা রেখে পিঠের উপর চিত হয়ে মসজিদে শোয়া অবস্থায় দেখেছেন।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما يباح قعد فى المساجد
(350) عن عبَّاد بن تميم عن عمِّه أنَّه أبصر رسول الله صلى الله عليه وسلم مستلقيًا فى المسجد على ظهره واضعًا إحدى رجليه على الأخرى
তাহকীক: