মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ১৬১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬১) ওয়াসিলাহ্ ইবনুল আসকা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমাকে দাঁত-মুখ পরিষ্কার করার বিষয়ে (এত বেশি) নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে যে, এমনকি আমি ভয় করতেছিলাম যে, এই কাজটি আমার ওপর ফরয করে দেওয়া হবে।
(তাবারানী। সনদ দুর্বল।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(161) عن واثلة بن الأسقع رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرت بالسواك حتى خشيت أن يكتب علي 1
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি দাঁত পরিষ্কারের বিষয়ে তোমাদেরকে খুব বেশি বেশি নির্দেশ প্রদান করেছি।
[বুখারী ও অন্যান্য।]
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(162) عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثرت عليكم في السواك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬৩) আবু উমামাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জিবরাঈল (আ) যতবারই আগমন করেছেন ততবারই তিনি আমাকে দাঁত পরিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে আমার ভয় হতে থাকে যে, আমার মুখের সম্মুখভাগ (দাঁতের মাড়ি ইত্যাদি) ক্ষয় হয়ে যাবে। (তাবারানী। সনদ সহীহ।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(163) عن أبي أمامة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما جاءني جبريل عليه السلام قط إلا أمرني بالسواك لقد خشيت أن أحفى 2 مُقَدَّمَ فِيَّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬৪) আবদুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দেখলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিসওয়াক করছেন। তখন তিনি (তাঁর ব্যবহৃত মিসওয়াকটি উপস্থিত) মানুষদের মধ্যে যিনি বয়সে সবচেয়ে বড় তাকে প্রদান করলেন এবং বললেনঃ জিবরীল (আ) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন বড়কে দেওয়ার জন্য।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(164) عن ابن عمر رضي الله عنهما قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يستن 3 فأعطى أكبر القوم وقال إن جبريل صلى الله عليه وسلم أمرني أن أكبر 4
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬৫) জা'ফর ইবন্ তামাম ইবন্ আব্বাস তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কিছু মানুষ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আগমন করেন, বা তাদেরকে আনয়ন করা হয়। তখন তিনি বলেনঃ তোমাদের কি হয়েছে যে, তোমরা ময়লা বা হলদে দাঁত নিয়ে আমার কাছে আগমন কর? তোমরা দাঁত পরিষ্কার করবে। যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে আমার মনে না হত, তাহলে আমি যেভাবে তাদের জন্য ওযু ফরয করেছি সেভাবে দাঁত পরিষ্কার করাও তাদের জন্য ফরয করে দিতাম। [বাযযার, তাবারানী, আবু ইয়ালা, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(165) عن جعفر بن تمام بن عباس عن أبيه قال أتوا النبي صلى الله عليه وسلم أو أتي فقال مالي أراكم تأتوني قلحا 1 استاكوا، لولا أن أشق على أمتي لفرضت عليهم السواك كما فرضت عليهم الوضوء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৬৬) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যদি আমি আমার উম্মতের কষ্ট হবে বলে ভয় না পেতাম তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করতে নির্দেশ প্রদান করতাম এবং ইশার সালাত রাত্রের প্রথম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করতাম। কারণ যখন রাত্রের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়ে যায় তখন মহিমাময় আল্লাহ প্রথম আকাশে অবতরণ করেন। প্রভাতের (ফজরের) আবির্ভাব পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকেন। তখন একজন ঘোষক বলেনঃ যাঞ্চাকারী কে? তাকে প্রদান করা হবে। প্রার্থনাকারী কে? তার প্রার্থনায় সাড়া দেওয়া হবে। রোগমুক্তিকামী রোগী কে? তাকে সুস্থতা প্রদান করা হবে। ক্ষমা প্রার্থনাকারী পাপী কে? তাকে ক্ষমা করা হবে। (বাযযার। সনদ শক্তিশালী।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في السواك عند الصلاة
(166) عن علي رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك عند كل صلاة ولأخرت عشاء الآخرة إلى ثلث الليل الأول فإنه 2 إذا مضى ثلث الليل الأول هبط الله تعالى إلى السماء الدنيا فلم يزل هناك حتى يطلع الفجر فيقول قائل ألا سائل يعطى، ألا داع
يجاب، ألا سقيم يستشفى، فيشفى ألا مذنب يستغفر فيغفر له،
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৬৭) আবু সালামাহ ইবন্ আবদুর রাহমান ইবন্ 'আউফ থেকে বর্ণিত, তিনি যাইদ ইবন্ খালিদ আল-জুহানী (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যদি আমি আমার উম্মতের কষ্ট হবে বলে ভয় না পেতাম তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করতে নির্দেশ প্রদান করতাম। হাদীসের বর্ণনাকারী সাহাবী যাইদ ইবন খালিদ যখন মসজিদে গমন করতেন তখন তাঁর কানে মিসওয়াক থাকত, যেমন লেখকের কলম তার কানের উপর থাকে। যখনই সালাতের ইকামত দেওয়া হত তখনই তিনি সালাত শুরুর পূর্বে মিসওয়াক করতেন।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী রহ. বলেন: হাদীসটি হাসান সহীহ্।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في السواك عند الصلاة
(167) عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن زيد بن خالد الجهني رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك عند كل صلاة، قال فكان زيد يروح إلى المسجد وسواكه على أذنه 1 بموضع قلم الكاتب، ما تقام صلاة إلا استاك قبل أن يصلي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৬৮) আলী (রা)-ও নবী (সা) থেকে একই অর্থে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في السواك عند الصلاة
(168) ز عن علي رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৬৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৬৯) নবী পত্নী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: দাঁত পরিষ্কারপূর্বক আদায় করা সালাত-এর মর্যাদা, দাঁত পরিষ্কার না করে আদায় করা সালাতের সত্তর গুণ বেশি।
(বাযযার, আবূ ইয়ালা, ইবন খুযাইমাহ। হাদীসটির সনদ দুর্বল। তবে এই অর্থে একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এজন্য কোনো কোনো মুহাদ্দিস হাদীসটিকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করেছেন।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في السواك عند الصلاة
(169) عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال فضل الصلاة
بالسواك على الصلاة بغير سواك سبعين ضعفا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭০) নবী পত্নী উম্মু হাবীবা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যদি আমি আমার উম্মতের কষ্ট হবে বলে ভয় না পেতাম তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় দাঁত পরিষ্কার করতে নির্দেশ প্রদান করতাম, যেমন তারা (প্রতি সালাতের জন্য) ওযু করে।
(আবু ইয়ালা। সনদ সহীহ।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء في السواك عند الصلاة
(170) عن أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك عند كل صلاة كما يتوضؤن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ওযুর সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টদায়ক হবে বলে ভয় না পেতাম তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক ওযুর সময় দাঁত পরিষ্কার করার নির্দেশ প্রদান করতাম। (অন্য বর্ণনায় আছে আমি তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতে এবং প্রত্যেক ওযুর সাথে দাঁত পরিষ্কার করতে নির্দেশ দিতাম।) আর আমি ইশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বা মধ্যরাত পর্যন্ত দেরী করতাম।
[আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান, ইবন্ খুযাইমাহ, হাকিম। ইবন খুযাইমা ও হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী হাদীসটিকে তালীক হিসাবে সংকলন করেছেন। তার ভাষার আলোকে হাদীসটি তাঁর মতে সহীহ। ইবন মানদাহ বলেনঃ সকল মুহাদ্দিস এই হাদীসটিকে সহীহ্ বলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।]
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في السواك عند الوضوء
(171) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك مع الوضوء (وفي رواية لأمرتهم
عند كل صلاة بوضوء ومع كل وضوء سواك) ولأخرت العشاء إلى ثلث الليل أو شطر الليل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ওযুর সময় দাঁত পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭২) তাঁর (আবূ হুরায়রা) থেকে অন্য সনদে একই অর্থে আরেকটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এই হাদীসের শেষে তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুখে এই কথা শোনার পরে আমি ঘুমানোর আগে, ঘুম থেকে উঠে, খাওয়ার আগে ও খাওয়ার পরে দাঁত পরিষ্কার করতাম।
(শুধুমাত্র আহমদ। সনদ সহীহ্।)
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في السواك عند الوضوء
(172) وعنه أيضا بنحوه 1 وفيه قال أبو هريرة لقد كنت أستن قبل أن أنام وبعد ما أستيقظ وقبل ما آكل وبعد ما آكل حين سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما قال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারের পদ্ধতি এবং ওযুকারীর কুলি করার সময় আঙ্গুল দিয়ে মিসওয়াক করা প্রসঙ্গে
(১৭৩) আবদুল্লাহ আমাদের বলেন যে, আমাকে আমার বাবা (ইমাম আহমদ) বলেন, আমাকে ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ বলেছেন, তাঁকে হাম্মাদ ইবন্ যাইদ বলেছেন, তাঁকে গাইলান ইবন্ জারীর বলেছেন, তাঁকে আবু বুরদাহ বলেছেন, আবূ মূসা আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রবেশ করে দেখি তিনি দাঁত পরিষ্কার করছেন। তিনি তাঁর মিসওয়াকের প্রান্ত তাঁর জিহবার ওপর রেখে উপরের দিকে মিসওয়াক করছিলেন। হাদীসের বর্ণনাকারী হাম্মাদ বলেন, যেন তিনি মিসওয়াক ওপরে উঠাচ্ছিলেন। হাম্মাদ আরও বলেন, গাইলান বিষয়টি আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করে বলেনঃ তিনি লম্বাভাবে (উপর-নীচে) মিসওয়াক করছিলেন।
[মুসলিম ও বুখারী।]
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء في كيفية التسوك بالعود وتسوك المتوضئ بإصبعه عند المضمضة
(173) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا يونس بن محمد قال ثنا حماد بن زيد ثنا غيلان بن جرير عن أبي بردة عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه قال دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يستاك وهو واضع طرف السواك على لسانه
يستن إلى فوق فوصف حماد كأنه يرفع سواكه، قال حماد ووصفه لنا غيلان قال كان يستن طولا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারের পদ্ধতি এবং ওযুকারীর কুলি করার সময় আঙ্গুল দিয়ে মিসওয়াক করা প্রসঙ্গে
(১৭৪) আবূ মাতার তাবিয়ী বলেনঃ আমরা আমীরুল মু'মিনীন আলী (রা)-এর সাথে মসজিদের মধ্যে বাবুর রাহবাহ-এর পাশে বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় একব্যক্তি সেখানে আগমন করে। সে বলেঃ আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওযু দেখান। সময়টি ছিল দ্বিপ্রহর। তখন তিনি তাঁর খাদিম কানবারকে ডেকে বলেনঃ আমাকে একপাত্র পানি এনে দাও। এরপর তিনি তাঁর দুই হাতের তালু ও মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করেন। তিনবার কুরি করেন এবং তাঁর কয়েকটি আঙ্গুল মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেন (দাঁত ও মুখের অভ্যন্তর পরিস্কার করার জন্য)। তিনি তিনবার নাকে পানি নিয়ে নাক পরিষ্কার করেন।* (হাদীসটির বাকি অংশ ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে ওযুর বিবরণের অধ্যায়ে উল্লেখ করা হবে।) (এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ, ইবন হাজার এ ধরনের হাদীসের মধ্যে এ হাদীসটিই বেশী সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
*টীকা: এই হাদীস থেকে জানা যায় যে, হাতের আঙুল বা অন্য যে কোনো বস্তু দিয়ে দাঁত-মুখ পরিষ্কার করলেই মিসওয়াকের বিধান পালন করা হবে। এ বিষয়ে কিছু হাদীসও বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। সে সকল হাদীসে বলা হয়েছেঃ "আঙুলই মিসওয়াক হিসাবে যথেষ্ট।" ইবন হাজার আসকালানী বলেনঃ হাদীসটির সনদ আপত্তিজনক নয়। অন্যত্র তিনি বলেছেনঃ হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে।
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء في كيفية التسوك بالعود وتسوك المتوضئ بإصبعه عند المضمضة
(174) عن أبي مطر قال بينا نحن جلوس مع أمير المؤمنين علي في المسجد على باب الرحبة جاء رجل فقال أرني وضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عند الزوال فدعا قنبرا 1 فقال ائتني بكوز من ماء فغسل كفيه ووجهه ثلاثا وتمضمض ثلاثا فأدخل بعض أصابعه في فيه واستنشق ثلاثا (الحديث سيأتي بطوله في باب صفة الوضوء إن شاء الله تعالى)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঘুম থেকে উঠার সময়, তাহাজ্জুদের সময় ও বাড়িতে প্রবেশের সময় দাঁত-মুখ পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭৫) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই ঘুমাতে যেতেন তখনই মিসওয়াক পাশে রেখে ঘুমাতেন। ঘুম থেকে উঠে সর্বপ্রথম মিসওয়াক ব্যবহার করতেন।
[আবু ইয়ালা। সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(5) باب السواك عند الاستيقاظ من النوم وعند التهجد ودخول المنزل
(175) عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا ينام إلا والسواك عنده فإذا استيقظ بدأ بالسواك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঘুম থেকে উঠার সময়, তাহাজ্জুদের সময় ও বাড়িতে প্রবেশের সময় দাঁত-মুখ পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনে বা রাতে যখনই ঘুমাতেন, ঘুম থেকে উঠে তিনি দাঁত-মুখ পরিষ্কার করতেন (মিসওয়াক করতেন।)
[আবু দাউদ, ইবন আবী শাইবা। হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(5) باب السواك عند الاستيقاظ من النوم وعند التهجد ودخول المنزل
(176) عن عائشة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يرقد ليلا ولا نهارا فيستيقظ إلا تسوك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঘুম থেকে উঠার সময়, তাহাজ্জুদের সময় ও বাড়িতে প্রবেশের সময় দাঁত-মুখ পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭৭) হুযাইফা ইবন ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে ঘুম থেকে উঠতেন (অন্য বর্ণনায়: যখন তিনি তাহাজ্জুদের জন্য উঠতেন) তখন তিনি মিসওয়াক দ্বারা নিজের মুখ পরিষ্কার করতেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الطهارة
(5) باب السواك عند الاستيقاظ من النوم وعند التهجد ودخول المنزل
(177) عن حذيفة بن اليمان رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قام من الليل (وفي رواية إذا قام للتهجد) يشوص 1 فاه بالسواك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঘুম থেকে উঠার সময়, তাহাজ্জুদের সময় ও বাড়িতে প্রবেশের সময় দাঁত-মুখ পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(১৭৮) মিকদাম ইবন শুরাইহ্ তাঁর পিতা তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টি দেখলে বলতেন: হে আল্লাহ! একে কল্যাণকারী প্রবল বারিধারায় পরিণত করুন। আমি আয়িশা (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাড়িতে আগমন করলে সর্বপ্রথম কি করতেন? তিনি বলেনঃ তিনি সর্বপ্রথম মিসওয়াক ব্যবহার করতেন।
(মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الطهارة
(5) باب السواك عند الاستيقاظ من النوم وعند التهجد ودخول المنزل
(178) عن المقدام بن شريح عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها أن
النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رأي المطر قال اللهم صيبا 1 نافعا، قال وسألت عائشة بأي شيء كان يبدأ النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل بيته قالت بالسواك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৭৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদ: সিয়াম পালনকারী এবং ক্ষুধার্তের জন্য দাঁত পরিষ্কার করা সম্পর্কে
(১৭৯) আমির ইবন রাবীয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি অগণিত ও অসংখ্যবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সিয়াম পালন অবস্থায় দাঁত পরিষ্কার করতে (মিসওয়াক ব্যবহার করতে) দেখেছি।
[তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ইবন খুযাইমাহ। ইবন খুযাইমাহ হাদীসটিকে যয়ীফ বা দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন। পক্ষান্তরে ইমাম তিরমিযী, ইবন হাজার আসকালানী (র) প্রমুখ মুহাদ্দিস হাদীসটিকে হাসান বা গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।]
كتاب الطهارة
(6) باب فيما جاء في السواك للصائم والجائع
(179) عن عامر بن ربيعة رضي الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لا أعد وما لا أحصي يستاك وهو صائم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৮০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদ: সিয়াম পালনকারী এবং ক্ষুধার্তের জন্য দাঁত পরিষ্কার করা সম্পর্কে
(১৮০) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আগমন করে। তাদের উভয়ের প্রয়োজন একই। তাদের একজন তাঁর সাথে কথা বলেন। তখন তিনি তার মুখে দুর্গন্ধ পান। তিনি বলেনঃ তুমি দাঁত-মুখ পরিষ্কার (মিসওয়াক ব্যবহার) কর না? তিনি বলেনঃ আমি তা করি, তবে আমি তিনদিন যাবৎ কোনো কিছুই খাই নি। তখন তিনি এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন। যিনি ঐ ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করেন এবং তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেন।
[বাইহাকী]
كتاب الطهارة
(6) باب فيما جاء في السواك للصائم والجائع
(180) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا حسن ثنا زهير عن قابوس أن أباه حدثه عن ابن عباس رضي الله عنهما قال جاء نبي الله صلى الله عليه وسلم رجلان حاجتهما واحدة فتكلم أحدهما فوجد نبي الله صلى الله عليه وسلم من فيه أخلافا 2 فقال له ألا تستاك؟
فقال إني لأفعل ولكني لم أطعم طعاما منذ ثلاث فأمر به رجلا فآواه وقضى له حاجته
tahqiq

তাহকীক: