মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ১৪১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪১) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাম হাত ছিল ইসতিনজা ও ময়লা বা নোংরা বস্তু পরিষ্কারে ব্যবহারের জন্য। আর তাঁর ডান হাত ছিল ওযু এবং খাদ্য গ্রহণের জন্য।
[আবু দাউদ, তাবারানী। হাদীসটির সনদ শক্তিশালী।]
টীকা: এসকল হাদীসের আলোকে হাড়, গোবর, নোংরা ও অপবিত্র দ্রব্য, ক্ষতিকারক বা ময়লা পরিষ্কার করে না এরূপ দ্রব্য, যেমন কাঁচ ইত্যাদি ইসতিনজার জন্য ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
[আবু দাউদ, তাবারানী। হাদীসটির সনদ শক্তিশালী।]
টীকা: এসকল হাদীসের আলোকে হাড়, গোবর, নোংরা ও অপবিত্র দ্রব্য, ক্ষতিকারক বা ময়লা পরিষ্কার করে না এরূপ দ্রব্য, যেমন কাঁচ ইত্যাদি ইসতিনজার জন্য ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(141) عن عائشة رضي الله عنها قالت كانت يد رسول الله صلى الله عليه وسلم اليسرى لخلائه وما كان من أذى وكانت اليمنى لوضوئه ولمطعمه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪২) ইমরান ইবন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি ডান হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে বাইয়াত গ্রহণের পর থেকে কোনো দিন আমি তা দিয়ে আমার গুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করি নি। (হাদীসটির সনদ শক্তিশালী।)
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(142) عن عمران بن حصين رضي الله عنه قال ما مسست فرجي بيميني منذ بايعت بها رسول الله صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৩) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়ে) নির্জনস্থানে গমন করলে আমি এবং আমার মত আরেকজন বালক দু'জনে একপাত্র পানি ও একটি বল্লম বা বর্শা নিয়ে গমন করতাম। তিনি পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(143) عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخل
الخلاء فأحمل أنا وغلام نحوي إداوة 1 من ماء وعنزة فيستنجي بالماء
الخلاء فأحمل أنا وغلام نحوي إداوة 1 من ماء وعنزة فيستنجي بالماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৪) আনাস ইব্ন মালিক (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলে আমি তাঁকে পানি এনে দিতাম। তখন তিনি সেই পানি দিয়ে ধৌত করতেন।-বুখারী
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(144) وعنه أيضا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا تبرز 2 لحاجته أتيته بماء فيغسل به
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৫) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্জনস্থানে (শৌচাগারে) গমন করলে আমি তাঁকে এক বদনা পানি এনে দিই। তখন তিনি ইসতিনজা করেন। এরপর তাঁর দুই হাত মাটিতে ডলেন এবং পানি দিয়ে ধৌত করেন। এরপর আমি তাঁকে আরেক বদনা পানি এনে দেই। তিনি সেই পানি দিয়ে ওযু করেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, বাইহাকী, দারিমী।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, বাইহাকী, দারিমী।
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(145) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم الخلاء فأتيته بتور 3 فيه ماء فاستنجى ثم مسح بيديه في الأرض ثم غسلهما ثم أتيته بتور آخر فتوضأ به
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে নির্জনস্থানে গমন করলে পানি চেয়ে নিতেন। অতঃপর তিনি সেই পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন। এরপর তিনি মাটিতে হাত ডলে পরিষ্কার করতেন। তারপর ওযু করতেন।
[আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ। ইমাম নববী হাদীসটির সনদ হাসান বা গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।]
[আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ। ইমাম নববী হাদীসটির সনদ হাসান বা গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।]
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(146) وعنه أيضا قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء دعا بماء فاستنجي
ثم مسح بيده على الأرض ثم توضأ
ثم مسح بيده على الأرض ثم توضأ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৭) মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন্ সালাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট কুবায় আগমন করলেন তখন বললেনঃ মহামহিম আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনের বিষয়ে তোমাদের প্রশংসা করেছেন। তোমরা বলতো কি বিষয়? একথা দ্বারা তিনি আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীর কথা বুঝানঃ (তথায় এমন লোক আছে যারা পবিত্রতা অর্জন ভালবাসে এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে আল্লাহ পছন্দ করেন। সূরা তাওবাঃ ১০৮ আয়াত) তখন তারা বলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা দেখেছি যে, এই বিষয়ে আমাদেরকে তাওরাতেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা হলোঃ পানি দিয়ে ইসতিনজা করা। (তাঁরা যেহেতু ইসলাম প্রহণের পূর্বে ইহুদী ছিলেন, সেহেতু পানি দিয়ে ইসতিন্জার অভ্যাস তাঁদের ছিল এবং ইসলাম গ্রহণের পরেও তাঁরা এভাবে পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন। এজন্যই আল্লাহ তাঁদের প্রশংসা করেছেন।
(তাবারানী। হাদীসটির সনদ কিছুটা দুর্বল।)
(তাবারানী। হাদীসটির সনদ কিছুটা দুর্বল।)
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(147) عن محمد بن عبد الله بن سلام رضي الله عنهما قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم علينا يعني قباء قال إن الله عز وجل قد أثنى عليكم في الطهور خيرا، أفلا تخبروني؟ قال يعني قوله (فيه رجال يحبون أن يتطهروا والله يحب المطَّهِّرين) قال فقالوا يا رسول الله إنا نجده مكتوبا علينا في التوراة الاستنجاء بالماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৮) উআইম ইবন্ সাইদাহ আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে কুবায় তাঁদের নিকট গমন করেন। তিনি বলেনঃ মহিমাময় আল্লাহ তোমাদের মসজিদের আলোচনা প্রসঙ্গে পবিত্রতার বিষয়ে তোমাদের সুন্দর প্রসংসা করেছেন। তোমাদের পবিত্রতা অর্জন পদ্ধতি কি? তাঁরা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানি না, তবে আমাদের কিছু ইহুদী প্রতিবেশী ছিলেন। তারা মলত্যাগের পর তাদের পায়ু পথ পানি দিয়ে ধৌত করতেন। আর তাদের মত আমরাও ধৌত করি।
(তাবারানী। হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
(তাবারানী। হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(148) عن عويم بن ساعدة الأنصاري رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أتاهم في مسجد قباء فقال إن الله تبارك وتعالى قد أحسن عليكم الثناء في الطهور في قصة مسجدكم فما هذا الطهور الذي تطهرون به قالوا والله يا رسول الله ما نعلم شيئا إلا أنه كان لنا جيران من اليهود فكانوا يغسلون أدبارهم من الغائط فغسلنا كما غسلوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৪৯) আওযায়ী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে আবূ আম্মার শাদ্দাদ আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বসরার কিছু মহিলা তাঁর নিকট আগমন করেন। তখন তিনি তাদেরকে পানি দিয়ে ইসতিন্জা করতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের স্বামীদেরকেও এ নির্দেশ প্রদান করবে। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এভাবে পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন। আওযায়ী বলেনঃ আবু আম্মার শাদ্দাদ অথবা আয়িশা বলেন, পানি দিয়ে ইসতিনজা করা অর্শ রোগের প্রতিষেধক।
তাঁর থেকে (অন্য বর্ণনায়) বর্ণিত আছে তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের স্বামীদেরকে মলমূত্রের প্রভাব পানি দিয়ে ধৌত করতে নির্দেশ দেবে। কারণ আমরা তাদেরকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিতে লজ্জা বোধ করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে এভাবে পানি দিয়ে ধৌত করতেন।
(নাসাঈ, তিরমিযী, বাইহাকী। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
তাঁর থেকে (অন্য বর্ণনায়) বর্ণিত আছে তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের স্বামীদেরকে মলমূত্রের প্রভাব পানি দিয়ে ধৌত করতে নির্দেশ দেবে। কারণ আমরা তাদেরকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিতে লজ্জা বোধ করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে এভাবে পানি দিয়ে ধৌত করতেন।
(নাসাঈ, তিরমিযী, বাইহাকী। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(149) عن الأوزاعي قال حدثني شداد أبو عمار عن عائشة رضي الله عنها أن نسوة من أهل البصرة دخلن عليها فأمرتهن أن يستنجين بالماء وقالت مرن أزواجكن بذلك، فإن النبي صلى الله عليه وسلم كان يفعله 1 وهو شفاء من الباسور تقوله عائشة أو أبو عمار (وعنها من طريق آخر) 2 قالت مرن أزواجكن يغسلوا عنهم أثر الخلاء والبول فإنا نستحي أن ننهاهم وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৫০) আয়িশা (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পশ্চাতদেশ তিনবার ধৌত করেন।* [হাদীসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় না।
*টাকাঃ আরববাসীগণ সাধারণত মলমুত্র ত্যাগের পরে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন। ইসলামে এভাবে পরিষ্কার হওয়া বৈধ। তবে পানি ব্যবহার উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সর্বদা পানি ব্যবহার করতেন বলেই হাদীসের আলোকে বুঝা যায়। উপরন্তু তিনি পানি দিয়ে ইসতিনজা করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। আলেমগণ উল্লেখ করেছেন যে, পানি ব্যবহারের পূর্বে পাথর বা এই জাতীয় কোনো কিছু দিয়ে ময়লা মুছে ফেলা এবং এরপর পানি দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করাই সর্বোত্তম। এতে পাথর ও পানি উভয়ের সমন্বয় হয়।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী বলেন, মুসলিম উম্মাহর অধিকাংশ ফকীহ্ একমত যে, প্রথমে পাথর ব্যবহার করা এবং এরপর পানি ব্যবহার করা ইসতিনজার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পদ্ধতি। যদি কেউ শুধুমাত্র একটি দিয়ে ইসতিনজা করতে চান তাহলে তার জন্য উত্তম শুধুমাত্র পানি দিয়ে ইসতিনজা করা। তবে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হওয়া বৈধ এবং এভাবে ইসতিনজা করলেও সালাত ইত্যাদি বৈধ হবে।
*টাকাঃ আরববাসীগণ সাধারণত মলমুত্র ত্যাগের পরে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন। ইসলামে এভাবে পরিষ্কার হওয়া বৈধ। তবে পানি ব্যবহার উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সর্বদা পানি ব্যবহার করতেন বলেই হাদীসের আলোকে বুঝা যায়। উপরন্তু তিনি পানি দিয়ে ইসতিনজা করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। আলেমগণ উল্লেখ করেছেন যে, পানি ব্যবহারের পূর্বে পাথর বা এই জাতীয় কোনো কিছু দিয়ে ময়লা মুছে ফেলা এবং এরপর পানি দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করাই সর্বোত্তম। এতে পাথর ও পানি উভয়ের সমন্বয় হয়।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী বলেন, মুসলিম উম্মাহর অধিকাংশ ফকীহ্ একমত যে, প্রথমে পাথর ব্যবহার করা এবং এরপর পানি ব্যবহার করা ইসতিনজার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পদ্ধতি। যদি কেউ শুধুমাত্র একটি দিয়ে ইসতিনজা করতে চান তাহলে তার জন্য উত্তম শুধুমাত্র পানি দিয়ে ইসতিনজা করা। তবে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হওয়া বৈধ এবং এভাবে ইসতিনজা করলেও সালাত ইত্যাদি বৈধ হবে।
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(150) وعنها أيضا أن النبي صلى الله عليه وسلم غسل مقعدته ثلاثا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ পেশাব থেকে সতর্ক হওয়া বিষয়ে
(১৫১) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুইটি কবরের পার্শ্ব দিয়ে গমন করেন। তখন তিনি বলেন, এই দুই কবরবাসীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। কোনো কঠিন বা বৃহৎ বিষয়ের জন্য তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। তাদের একজন পেশাব থেকে বা নিজের পেশাব থেকে সাবধান থাকতো না। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি কূটনামী করত (একজনের কথা আরেকজনকে বলে পারস্পরিক সম্প্রীতি নষ্ট করত।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الطهارة
(9) باب ما جاء في الاستبراء من البول
(151) عن ابن عباس رضي الله عنهما قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بقبرين فقال إنهما ليعذبان 1 وما يعذبان في كبير، أما أحدهما فكان لا يستنزه 2 من البول وقال وكيع 3 من بوله، وأما الآخر فكان يمشي بالنميمة 4
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ পেশাব থেকে সতর্ক হওয়া বিষয়ে
(১৫২) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, অধিকাংশ কবরের আযাব পেশাবের কারণে হয়।
(ইবন মাজাহ, হাকিম। ইবন হাজার হাদীসটিকে সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
(ইবন মাজাহ, হাকিম। ইবন হাজার হাদীসটিকে সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الطهارة
(9) باب ما جاء في الاستبراء من البول
(152) عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أكثر عذاب القبر من البول 1
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ পেশাব থেকে সতর্ক হওয়া বিষয়ে
(১৫৩) ঈসা ইবন্ ইয়াযদাদ ইবন্ ফাসাআহ তাঁর পিতা ইয়াযদাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ পেশাব করলে সে যেন তার পুরুষাঙ্গ তিনবার টান দেয়।*
(দ্বিতীয় বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে, তাতে আরও আছে, এভাবে তিনবার টান দেওয়াই তার জন্য যথেষ্ট বলে গণ্য হবে।
(বাইহাকী, ইবন মাজাহ, আবু দাউদ তাঁর মারাসীল গ্রন্থে। হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
* টীকাঃ উপরের হাদীসের আলোকে পেশাব থেকে সাবধানতার উদ্দেশ্যে পেশাব শেষে উঠে চলে যাওয়ার আগে পুরুষাঙ্গ তিনবার টান দেওয়া মুস্তাহাব বলে গণ্য করেছেন ফকীহগণ। ইমাম নববী প্রমুখ মুহাদ্দিস উল্লেখ করেছেন, পেশাব শেষ হলে বসা অবস্থায় গলা খাকরী দেওয়া বা পুরুষাঙ্গ তিনবার টান দেওয়া উত্তম। এরপর পানি ঢেলে পরিষ্কার হবে। তবে যদি কেউ এগুলি কিছুই না করে, পেশাব শেষ হলেই পানি দিয়ে ধুয়ে নেয় এবং এরপর ওযু করে তাহলে তার ইসতিনজা বিশুদ্ধ ও ওযু পরিপূর্ণ বলে গণ্য হবে। কারণ পেশাব শেষে আর কিছু বের হবে না বলেই মনে করতে হবে।
(দ্বিতীয় বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে, তাতে আরও আছে, এভাবে তিনবার টান দেওয়াই তার জন্য যথেষ্ট বলে গণ্য হবে।
(বাইহাকী, ইবন মাজাহ, আবু দাউদ তাঁর মারাসীল গ্রন্থে। হাদীসটির সনদ দুর্বল।)
* টীকাঃ উপরের হাদীসের আলোকে পেশাব থেকে সাবধানতার উদ্দেশ্যে পেশাব শেষে উঠে চলে যাওয়ার আগে পুরুষাঙ্গ তিনবার টান দেওয়া মুস্তাহাব বলে গণ্য করেছেন ফকীহগণ। ইমাম নববী প্রমুখ মুহাদ্দিস উল্লেখ করেছেন, পেশাব শেষ হলে বসা অবস্থায় গলা খাকরী দেওয়া বা পুরুষাঙ্গ তিনবার টান দেওয়া উত্তম। এরপর পানি ঢেলে পরিষ্কার হবে। তবে যদি কেউ এগুলি কিছুই না করে, পেশাব শেষ হলেই পানি দিয়ে ধুয়ে নেয় এবং এরপর ওযু করে তাহলে তার ইসতিনজা বিশুদ্ধ ও ওযু পরিপূর্ণ বলে গণ্য হবে। কারণ পেশাব শেষে আর কিছু বের হবে না বলেই মনে করতে হবে।
كتاب الطهارة
(9) باب ما جاء في الاستبراء من البول
(153) عن عيسى بن يزداد 2 بن فساءة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بال أحدكم فلينثر ذكره ثلاث مرات (ومن طريق آخر بنحوه) 3 وزاد فإن ذلك يجزئ عنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ পেশাব থেকে সতর্ক হওয়া বিষয়ে
(১৫৪) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) বলেছেন, পেশাব-পায়খানার কষ্ট (বেগ) নিয়ে তোমাদের কেউ যেন নামাযে কখনো না দাঁড়ায়।
(আহমদ, আবু দাউদ)
(আহমদ, আবু দাউদ)
كتاب الطهارة
(9) باب ما جاء في الاستبراء من البول
(154) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقومن أحدكم إلى الصلاة وبه أذى من غائط أو بول
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: ইসতিনজার পর গুপ্তাঙ্গের উপর পানি ছিটানো প্রসঙ্গে
(১৫৫) মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, তিনি হাকাম ইবন সুফিয়ান বা সুফিয়ান ইবন হাকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবদুর রহমান তাঁর হাদীসে বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখলাম যে, তিনি পেশাব করে ওযু করলেন এবং নিজের গুপ্তাঙ্গের ওপর পানি ছিটিয়ে দিলেন। (অন্য বর্ণনায় আছে) তিনি পেশাব করেন এবং তাঁর গুপ্তাঙ্গে পানি ছিটিয়ে দেন।
(তৃতীয় বর্ণনায়) আছে, মুজাহিদ বলেন, আমাকে সাকীফ গোত্রের একব্যক্তি তাঁর পিতার সূত্রে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাব করেন এবং তাঁর গুপ্তাঙ্গের ওপর পানি চিটিয়ে দেন।* [নাসাঈ, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, তিরমিযী।]
*টীকা: উপরের হাদীস ও এই অর্থের অন্যান্য হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাবের পরে বা পেশাব পরবর্তী ওযুর পরে গুপ্তাঙ্গের ওপরে বা কাপড়ের ওপরে কিছু পানি ছিটিয়ে দিতেন। এতে পেশাব বের হওয়া বা পেশাব লেগে যাওয়ার ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহ দূরীভূত হয়। কোনো আদ্রতার সন্দেহ হলে বুঝা যাবে যে, তা ছিটানো পানির আদ্রতা। এভাবে পানি ছিটিয়ে দেওয়া মুস্তাহাব বলে উল্লেখ করেছেন ফকীহগণ।
(তৃতীয় বর্ণনায়) আছে, মুজাহিদ বলেন, আমাকে সাকীফ গোত্রের একব্যক্তি তাঁর পিতার সূত্রে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাব করেন এবং তাঁর গুপ্তাঙ্গের ওপর পানি চিটিয়ে দেন।* [নাসাঈ, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, তিরমিযী।]
*টীকা: উপরের হাদীস ও এই অর্থের অন্যান্য হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাবের পরে বা পেশাব পরবর্তী ওযুর পরে গুপ্তাঙ্গের ওপরে বা কাপড়ের ওপরে কিছু পানি ছিটিয়ে দিতেন। এতে পেশাব বের হওয়া বা পেশাব লেগে যাওয়ার ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহ দূরীভূত হয়। কোনো আদ্রতার সন্দেহ হলে বুঝা যাবে যে, তা ছিটানো পানির আদ্রতা। এভাবে পানি ছিটিয়ে দেওয়া মুস্তাহাব বলে উল্লেখ করেছেন ফকীহগণ।
كتاب الطهارة
فصل في نضح الفرج بالماء بعد الاستنجاء
(155) حدثنا عبد الله حدثني أبي حدثني يحيى بن سعيد ثنا سفيان وعبد الرحمن بن مهديؤ أنا سفيان وزائدة عن منصور عن مجاهد عن الحكم 1 بن سفيان أو سفيان بن الحكم قال عبد الرحمن في حديثه رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بال وتوضأ ونضح 2 فرجه بالماء، وقال يحيى في
حديثه إن النبي صلى الله عليه وسلم بال ونضح فرجه (وفي لفظ بال ثم نضح فرجه) (ومن طريق آخر) 1 عن مجاهد عن رجل من ثقيف عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم بال ونضح فرجه
{أبواب السواك} {الباب الأول فيما جاء في فضله}
حديثه إن النبي صلى الله عليه وسلم بال ونضح فرجه (وفي لفظ بال ثم نضح فرجه) (ومن طريق آخر) 1 عن مجاهد عن رجل من ثقيف عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم بال ونضح فرجه
{أبواب السواك} {الباب الأول فيما جاء في فضله}
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ 'মিসওয়াক' সম্পর্কিত পরিচ্ছেদসমূহ
প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৫৬) আবু বকর সিদ্দীক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মিসওয়াক দাঁত পরিষ্কার করে, মুখের পবিত্রতা আনয়ন করে এবং প্রচুর সন্তুষ্টি আনয়ন করে।
[আবু ইয়ালা। হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে।]
[আবু ইয়ালা। হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে।]
كتاب الطهارة
أبواب السواك
الباب الأول فيما جاء في فضله
الباب الأول فيما جاء في فضله
(156) عن أبي بكر الصديق رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم السواك 2 مطهرة للفم مرضاة للرب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৫৭) আয়িশা (রা) ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস (দাঁত পরিষ্কার করা মুখের পবিত্রতা আনয়ন করে এবং প্রভুর সন্তুষ্টি আনয়ন করে) বর্ণনা করেছেন।
(শাফিয়ী, নাসাঈ, ইবন হিব্বান, ইবন খুযাইমাহ, বাইহাকী। বুখারী তা'লীক হিসাবে। ইমাম নববী হাদীসটিকে সহীহ্ বলে উল্লেখ করেছেন।)
(শাফিয়ী, নাসাঈ, ইবন হিব্বান, ইবন খুযাইমাহ, বাইহাকী। বুখারী তা'লীক হিসাবে। ইমাম নববী হাদীসটিকে সহীহ্ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(157) عن عائشة رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৫৮) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা অবশ্যই দাঁত পরিষ্কার করবে; কারণ তা মুখের পবিত্রতা আনয়নকারী এবং প্রচুর সন্তুষ্টি আনয়নকারী। [তাবারানী। সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(158) عن ابن عمر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالسواك فإنه مطيبة للفم ومرضاة للرب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৫৯) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমাকে দাঁত-মুখ পরিষ্কার করার এত বেশি নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে যে, আমি ধারণা করে নিয়েছিলাম যে, এ বিষয়ে কুরআন অবতীর্ণ হবে।
(আবু ইয়ালা। সনদ সহীহ্।)
(আবু ইয়ালা। সনদ সহীহ্।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(159) عن ابن عباس رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرت بالسواك حتى ظننت أو حسبت أن سينزل فيه قرآن
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ প্রথম পরিচ্ছেদ: মিসওয়াক করার ফযীলত বা মর্যাদা সম্পর্কে
(১৬০) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশি বেশি দাঁত-মুখ পরিষ্কার করতেন, ফলে আমরা ধারণা করেছিলাম যে, এ বিষয়ে তার ওপর কুরআন অবতীর্ণ হবে।
(আবূ ইয়ালা। সনদ শক্তিশালী।)
(আবূ ইয়ালা। সনদ শক্তিশালী।)
كتاب الطهارة
الباب الأول فيما جاء في فضله
(160) وعنه أيضا رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكثر السواك حتى ظننا أو رأينا أنه سينزل عليه 1
তাহকীক: