মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ৩৬১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদ: বসাবস্থায় ঘুমানো প্রসঙ্গে
(৩৬১) ছাবিত থেকে তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, ইশার নামাযের একামত দেয়া হল, আফফান বলেন, অথবা একরাত্রে বিলম্ব করা হলো। তখন এক লোক এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনার কাছে আমার কিছু প্রয়োজন আছে। তখন রাসূল (সা) তাঁর সাথে উঠে গিয়ে আস্তে আস্তে কথা বলতে থাকলেন, ফলে লোকেরা ঘুমাতে আরম্ভ করলেন। অথবা বললেন, কেউ কেউ ঘুমাতে আরম্ভ করলেন। অতঃপর নামায পড়লেন, তাঁরা ওযু করেছেন সে কথা তিনি উল্লেখ করেন নি।
[বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى الوضوء من النوم، وفيه فصول


(الفصل الأول فى لوم القاعد)
(361) عن ثابٍت عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال أقيمت صلاة العشاء، قال عفَّان أو أخّرت ذات ليلة فقام رجل فقال يا رسول الله إنَّ لى إليك حاجة فقام معه يناجيه حتى نعس القوم، أو قال بعض القوم، ثمَّ صلَّى ولم يذكر وضوءًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদ: বসাবস্থায় ঘুমানো প্রসঙ্গে
(৩৬২) কাতাদাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছি রাসূল (সা)-এর সাহাবীরা ঘুমাতেন কিন্তু তাঁরা ওযু করতেন না।
[মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى الوضوء من النوم، وفيه فصول


(الفصل الأول فى لوم القاعد)
(362) عن قتادة قال سمعت أنس بن مالك قال كان أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ينامون ولا يتوضؤون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদ: বসাবস্থায় ঘুমানো প্রসঙ্গে
(৩৬৩) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক ঘুমকাতর লোক ছিলাম। আমি যখন মাগরিবের নামায পড়তাম আর আমার পরণে (নামাযের) কাপড় থাকত ঘুমিয়ে পড়তাম। (রাবী ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ বলেন, অতঃপর আমি ইশার পূর্বেই ঘুমিয়ে পড়তাম) এ প্রসঙ্গে আমি রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, হাদীসটি আমি অন্য কোথাও পাই নি।]
كتاب الطهارة
(3) باب فى الوضوء من النوم، وفيه فصول


(الفصل الأول فى لوم القاعد)
(363) عن علٍىِّ رضى الله عنه قال كنت رجلًا نؤومًا وكنت إذا
صلَّيت المغرب وعلَّى ثيابى نمت، ثمَّ قال يحيى بن سعيٍد فانام قبل العشاء، فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فرخَّص لى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নবী (সা)-এর ঘুম ওযুভঙ্গকারী নয় এমনকি শুয়ে ঘুমালেও
(৩৬৪) ইবন্ আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, নবী (সা) ঘুমালেন, এমনকি নাক ডাকলেন। তারপর উঠে নামায় পড়লেন কিন্তু ওযু করলেন না।
[বুখারী, মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى ان نوم النبى صلى الله عليه وسلم لا ينقض وضوءه ولو مضطجعا
(364) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم نام حتّى نفخ ثمَّ قام فصلَّى ولم يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নবী (সা)-এর ঘুম ওযুভঙ্গকারী নয় এমনকি শুয়ে ঘুমালেও
(৩৬৫) আয়িশা (রা)ও নবী (সা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে তা জানতে পারি নি তবে হাদীসটির সনদ সুন্দর।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى ان نوم النبى صلى الله عليه وسلم لا ينقض وضوءه ولو مضطجعا
(365) عن عائشة رضى الله عنها عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নবী (সা)-এর ঘুম ওযুভঙ্গকারী নয় এমনকি শুয়ে ঘুমালেও
(৩৬৬) আমাদেরকে আবদুল্লাহ বলেছেন, তিনি বলেন, আমাকে আমার বাবা বলেছেন, তিনি বলেন, আমাকে সুফিয়ান আমর থেকে আর তিনি কুরাইব থেকে আর তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমি আমার খালা মাইমূনার কাছে রাতে ঘুমিয়েছিলাম, তখন নবী (সা) রাত্রে উঠলেন, তিনি বলেন, তারপর হালকা ওযু করেন। তারপর (নামাযে) দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন ইবন্ আব্বাসও তাই করলেন যা রাসূল (সা) করেছেন। তারপর এসে দাঁড়িয়ে গেলেন নামাযে, তখন তাঁকে সরিয়ে দিলেন অর্থাৎ ডান দিকে নিয়ে গেলেন। তারপর নবী (সা)-এর সাথে নামায পড়লেন, তারপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন এমনকি নাক ডাকলেন। তখন তাঁর কাছে মুয়াযযিন আসলেন। তারপর নামাযের জন্য চলে গেলেন আর ওযু করলেন না। আবদুল্লাহ আমাদেরকে বলেছেন যে, আমার বাবা আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে সুফিয়ান আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমাকে কুরাইব সংবাদ দিয়েছেন, ইবন আব্বাস (রা) থেকে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) ফজরের দু' রাকাত (সুন্নাত) পড়ে ঘুমালেন এমনকি নাক ডাকলেন। আমরা আমরকে বলতে থাকলাম, রাসূল (সা) বলেছেন, 'আমার চোখ ঘুমায় কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না।'
[বুখারী, মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى ان نوم النبى صلى الله عليه وسلم لا ينقض وضوءه ولو مضطجعا
(366) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا سفيان عن عمٍر وعن كريٍب عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما بتُّ عند خالتى ميمونة فقام النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم من الَّليل قال فتوضَّأ وضوًء خفيفًا فقام فصنع ابن عبَّاٍس كما صنع ثمَّ جاء فقام فصلَّى فحوَّله فجعله عن يمينه ثمَّ صلَّى مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ثمَّ اضطجع حتَّى نفخ فأتاه المؤذّن ثمَّ قام إلى الصَّلاة ولم يتوضَّأ حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا سفيان عن عمر وقال أخبرنى كريب عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال لمَّا صلَّى ركعتى الفجر اضطجع حتَّى نفخ فكنَّا نقول لعمرٍو إنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تنام عيناى ولا ينام قلبي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নবী (সা)-এর ঘুম ওযুভঙ্গকারী নয় এমনকি শুয়ে ঘুমালেও
(৩৬৭) ইকরামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (সা) এমনভাবে ঘুমালেন যে, তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনা গেল। তারপর উঠে নামায পড়লেন, ওযু করলেন না। ইকরামা বলেন, নবী করীম (সা) ছিলেন নিরাপদ বা ত্রুটিমুক্ত।
[বুখারী, মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى ان نوم النبى صلى الله عليه وسلم لا ينقض وضوءه ولو مضطجعا
(367) عن حمَّاد بن سلمة عن حميد وأيوب عن عكرمة عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نام حتَّى سمع له غطيط فقام فصلَّى ولم يتوضَّأ فقال عكرمة كان النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم محفوظًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে পড়া লোকের ওযূ প্রসঙ্গে
(৩৬৮) আবুল 'আলিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি সিজদায় ঘুমিয়ে পড়ে, শুয়ে ঘুমিয়ে না পড়া পর্যন্ত তাকে ওযু করতে হবে না। কারণ শুয়ে ঘুমালে তার পায়ুপথের বন্ধন ঢিলা হয়ে পড়ে।
[আবূ দাউদ, তিরমিযী ও দারু কুতনী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি দলিল উপযোগী।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث فى وضوء من نام مضطجعا
(368) عن أبى العالية عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما أنَّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
قال ليس على من نام ساجدًا وضوء حتَّى يضطجع، فإنَّه إذا اضطجع استرخت مفاصله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে পড়া লোকের ওযূ প্রসঙ্গে
(৩৬৯) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) বলেছেন, চোখ পায়ুপথের রক্ষক। সুতরাং, যে ঘুমিয়ে পড়ে সে যেন ওযু করে।
[আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ও দারু কুতনী কর্তৃক বর্ণিত। কারো মতে হাদীসটি দুর্বল আবার কারো মতে হাসান।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث فى وضوء من نام مضطجعا
(369) عن علي رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال إنَّ العين واكاء السَّه فمن نام فليتوضأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে পড়া লোকের ওযূ প্রসঙ্গে
(৩৭০) "খত"১ মু'আবিয়া ইবন্ আবু সুফিয়ান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, চোখ দু'টি পায়ুপথের রক্ষক। যখন চোখ দু'টি ঘুমিয়ে পড়ে তখন রক্ষা কর্ম শিথিল হয়ে পড়ে।১
[দারুকুতনী, বাইহাকী, আবু ইয়ালা, তাবারানী কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি দুর্বল।]
১. ['খত' বলতে বুঝানো হয়, যে হাদীসটি আবদুল্লাহ তাঁর বাবা ইমাম আহমদের কাছে পড়েন নি বা শুনেন নি, বরং তিনি তার বাবার হাতের লিখিত পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছেন।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث فى وضوء من نام مضطجعا
(370) "خط" عن معاوية بن أبى سفيان رضى الله عنهما قال قال رسول الله
صلى الله عليه وسلم إنَّ العينين وكاء السَّه فإذا نامت العينان استطلق الوكاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়ঃ যৌনাঙ্গ স্পর্শের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭১) যায়েদ ইবন খালিদ আল জুহানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নিজের যৌনাঙ্গ স্পর্শ করলো সে যেন ওযু করে নেয়।
(বাযযার ও তাবারানী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الطهارة
(4) باب فى الوضوء من مس الفرج
(371) عن زيد بن خالد الجهنيِّ رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم
يقول من مسَّ فرجه فليتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়ঃ যৌনাঙ্গ স্পর্শের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭২) আমর ইবন্ শো'আইব নিজের বাবার সূত্রে দাদা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করল সে যেন ওযু করে, আর যে নারী তার যৌনি স্পর্শ করল সেও যেন ওযু করে।
[বাইহাকী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। বুখারী হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন।]
كتاب الطهارة
(4) باب فى الوضوء من مس الفرج
(372) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من مسَّ ذكره فليتوضَّأ، وأيَّما امرأة مسَّت فرجها فلتتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়ঃ যৌনাঙ্গ স্পর্শের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭৩) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার হাত দ্বারা তার পুরুষাঙ্গ পর্দা বিহীনাবস্থায় স্পর্শ করে তার উপর ওযু ওয়াজিব হয়ে যায়।
[তাবারানী, শাফেয়ী, বাইহাকী, বাযযার ও দারু কুতনী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(4) باب فى الوضوء من مس الفرج
(373) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال من أفضى
بيده إلى ذكره ليس دونه ستر فقد وجب عليه الوضوء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু ভঙ্গ হওয়া প্রসঙ্গে বুসরা বিনতে সাফাওয়ান-এর হাদীস প্রসঙ্গে
(৩৭৪) বুসরা বিনতে সাফাওয়ান বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, যে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন ওযু না করা পর্যন্ত নামায না পড়ে (দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) উরওয়া ইবন্ যুবাইর থেকে তিনি বলেন, মারওয়ান মদীনায় তাঁর শাসনকালে উল্লেখ করেন যে, পুরুষ তার হাত দ্বারা তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে তাকে ওযু করতে হবে। (একথা শুনে) আমি তাঁর এ কথার আপত্তি করলাম এবং বললাম, যে তা স্পর্শ করবে তাকে ওযু করতে হবে না। তখন মারওয়ান বলেন, আমাকে বুসরা বিনত সাফাওয়ান সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি কোন কোন কারণে ওযু করতে হয় তা আলোচনা করতে রাসূল (সা)-কে শুনেছেন, তখন সে প্রসঙ্গে রাসূল (সা) বলেন, আর পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলেও ওযু করবে।
উরওয়া বলেন, আমি মারওয়ানের কাছে বারংবার আপত্তি করতে থাকলে তিনি তার একজন পাহারাদারকে ডেকে তাকে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে বুসরার কাছে পাঠালেন, এ প্রসঙ্গে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতে। তখন বুশরা যেরূপ মারওয়ান আমাকে বলেছিলেন ঠিক সেরূপ খবর পাঠালেন তার কাছে, (তৃতীয় এক বর্ণনায় আছে।) বার্তাবাহক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি (বুসরা) হাদীস বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে সে যেন ওযু করে (চতুর্থ এক বর্ণনায় আছে।) উরওয়া বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা বিতে সাফাওয়ানের সূত্রে বলেছেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন ওযু করে। তিনি বলেন, তখন মারওয়ান বুসরার কাছে একজন দূত প্রেরণ করলেন, সে সময় আমি তার কাছেই উপস্থিত ছিলাম। বুসরা উত্তরে বলেন, হ্যাঁ। এ সংবাদ নিয়ে বার্তাবাহক বুসরার কাছ থেকে ফিরে আসলেন।
[মালিক, শাফেয়ী, চার সুনান গ্রন্থ ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান, হাকিম, ইবন জারুদ প্রমুখ কর্তৃক বর্ণিত।]
তিরমিযী হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন। বুখারী বলেন, এ হাদীসটি এ জাতীয় হাদীসের মধ্যে সর্বাধিক সহীহ। আবু দাউদ বলেন, আমি ইমাম আহমদকে বললাম, বুসরার হাদীসটি কি সহীহ্ নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই সহীহ।
كتاب الطهارة
فصل فى حديث بسرة بنت صفوان فى نقض الوضوء بمس الذكر
(374) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يحيى بن سعيد عن هشام قال حدَّثنى بى أنَّ بسرة بنت صفوان رضى الله عنها أخبرته أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ ذكره فلا يصلِّ حتَّى يتوضَّأ (ومن طريق ثان) "خط" قال عبد الله وجدت فى كتاب أبى بخطِّ يده ثنا أبو اليمان قال أنا شعيب عن الزُّهرىِّ قال أخبرنى عبد الله بن أبى بكر بن حزم الأنصارىُّ أنَّه سمع عروة بن الزُّبير يقول ذكر مروان فى إمارته على المدينة أنَّه يتوضَّأ من مسِّ الذَّكر إذا أفضى
الرجل بيده فأنكرت ذلك عليه فقلت لا وضوء على من مسَّه، فقال مروان أخبرتنى بسرة بنت صفوان أنَّها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر ما يتوضَّأ منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ويتوضَّأ من مسِّ الذَّكر، قال عروة فلم أزل أمارى مروان حتَّى دعا رجلًا من حرسه فأرسله إلى بسرة يسألها عمَّا حدَّثت من ذلك، فأرسلت إليه بسرة يمثل الَّذى حدَّثنى عنها مروان (ومن طريق ثالث)
حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا إسماعيل بن عليَّة ثنا عبد الله بن أبى بكر ابن حزم بمثله وفيه فذكر الرَّسول أنَّها تحدِّث أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ ذكره فليتوضَّأ (ومن طريق رابع) حدَّثنى أبى ثنا سفيان عن
محمَّد بن عمرو بن حزم أنَّه سمعه من عروة بن الزُّبير وهو مع أبيه يحدِّث أنَّ مروان أخبره عن بسرة بنت صفوان أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ فرجه فليتوضَّأ، قال فأرسل إليها رسولًا وأنا حاضر فقالت نعم، فجاء من عندها بذاك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ: যারা পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু নষ্ট হয় না বলে মনে করেন তাদের দলিল
(৩৭৫) কাইস ইবন্ তালক থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, এক লোক রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমাদের কেউ কি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওযু করবে? তিনি উত্তরে বললেন, তা তো তোমারই অংশ বা তোমার শরীরেরই অংশবিশেষ।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত আছে) তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি নবী (সা)-এর কাছে বসা ছিলাম তখন এক লোক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি আমার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করেছি অথবা বললেন, কোন লোক যদি নামাযে থাকাবস্থায় তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে তাকে কি ওযু করতে হবে? উত্তরে বললেন, না। কারণ তাতো তোমারই অঙ্গ
(তৃতীয় এক সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত আছে।) তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমাদের কেউ যদি নামাযে থাকাবস্থায় তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে তাহলে তাকে কি ওযু করতে হবে? তিনি বললেন, তাতো তোমারই অংশবিশেষ। অথবা তোমারই অঙ্গবিশেষ।১
১. অনেকগুলো হাদীস গ্রন্থে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। মুহাদ্দিসদের মধ্যে অনেকেই হাদীসটি সহীহ বলে দাবী করেন আবার অনেকেই দুর্বল বলে মনে করেন, কেউ কেউ হাদীসটি মানসুখ বলেও মন্তব্য করেছেন।
كتاب الطهارة
(5) باب حجة من رأى عدم نقض الوضوء بمس الذكر
(375) عن قيس بن طلق عن أبيه قال سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم أيتوضَّأ أحدنا إذا مسَّ ذكره قال إنَّما هو بضعة منك، أو جسدك

(وعنه من طريق ثان) عن أبيه قال كنت جالسًا عند النَّبيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فسأله رجل فقال مسست ذكرى، أو الرَّجل يمسُّ ذكره فى الصَّلاة عليه الوضوء؟ قال لا، إنَّما هو منك
(وعنه من طريق ثالث) عن أبيه قال قال رجل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أيتوضَّأ أحدنا إذا مسَّ ذكره في الصَّلاة قال هل هو إلاَّ منك. أو بضعة منك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) স্ত্রীকে স্পর্শ করার ও স্ত্রীকে চুমু দেয়ার কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭৬) উরওয়া ইবন্ যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) তাঁর জনৈক স্ত্রীকে চুমু দিলেন, অতঃপর ওযু না করেই নামায পড়তে বের হয়ে গেলেন। উরওয়া বলেন, আমি তাঁকে বললাম, সে তো আপনি ছাড়া আর কেউ নয়, তাই না? তখন তিনি হাসলেন।
[আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, দারু কুতনী, বাইহাকী, বাযযার ও শাফেয়ী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি কেউ কেউ দুর্বল বলে মন্তব্য করলেও আবদুর রহমান আল বান্না সহ অনেকেই সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(6) باب فى الوضوء منم لمس المرأة وتقبيلها
(376) عن عروة بن الزُّبير عن عائشة رضى الله عنها أنَّ رسول الله
صلى الله عليه وسلم قبَّل بعض نسائه ثمَّ خرج إلى الصَّلاة ولم يتوضَّأ، قال عروة قلت لها من هى إلاَّ أنت؟ فضحكت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) স্ত্রীকে স্পর্শ করার ও স্ত্রীকে চুমু দেয়ার কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭৭) আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) ওযু করে তারপর নামায পড়তেন, অতঃপর (স্ত্রীকে) চুমু দিতেন তারপর নামায পড়তেন কিন্তু ওযু করতেন না।
[ইবন মাজাহ্ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ্ নয়।]
كتاب الطهارة
(6) باب فى الوضوء منم لمس المرأة وتقبيلها
(377) عن عائشة أيضًا رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضَّأ ثمَّ يصلِّى ثمَّ يقبِّل ويصلِّى ولا يتوضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) স্ত্রীকে স্পর্শ করার ও স্ত্রীকে চুমু দেয়ার কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭৮) আবূ সালামা ইবন্ আবদুর রহমান নবী (সা)-এর স্ত্রী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূল (সা)-এর সামনে ঘুমাতাম, তখন আমার পা দু'টি তাঁর কিবলার দিকেই থাকত। তিনি যখন সিজদা দিতেন তখন আমাকে ধাক্কা দিতেন, তখন আমি আমার পা দু'টি গুটিয়ে নিতাম। আর যখন দাঁড়াতেন তখন আবার এতদুভয়কে সম্প্রসারিত করতাম। তখনকার সময় বাড়িতে আলো থাকতো না।
[বুখারী, মুসলিম প্রমুখ কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(6) باب فى الوضوء منم لمس المرأة وتقبيلها
(378) عن أبي سلمة بن عبد الرَّحمن عن عائشة رضى الله عنها زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّها قالت كنت أنام بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجلىِّ في قبلته فإذا سجد غمزنى فقبضت رجلىَّ وإذا قام بسطتهما، والبيوت ليس يومئذ فيها مصابيح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) অধ্যায়: বমি পেট থেকে উতরানো খাদ্য ও নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৭৯) মা'দান ইবন আবু তালহা থেকে বর্ণিত, আবুদ দারদা (রা) তাঁকে বললেন যে, রাসুল (সা) বমি করেছিলেন, তাই ইফতার করেন অর্থাৎ রোযা ভাঙ্গেন। তিনি বলেন, এরপর আমি রাসুল (সা)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবানের সাক্ষাৎ পেলাম দামেশকের মসজিদে। তখন তাঁকে বললাম আবুদ দারদা আমাকে বলেছেন যে, রাসূল (সা) বমি করে নাকি ইফতার করেছিলেন, তিনি উত্তরে বলেন, তিনি সত্য কথা বলেছেন। তখন আমিই তাকে ওযুর পানি ঢেলে দিয়েছিলাম। (তাঁর থেকে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) বমি করলেন তারপর ইফতার করলেন, তারপর তাঁর জন্য পানি নিয়ে আসা হল তখন তিনি ওযু করলেন।
[তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন্ জারুদ, ইবন্ হিব্বান, দারু কুতনী, বাইহাকী, তাবারানী ইবন মন্দা হাকিম কর্তৃক বর্ণিত, তিরমিযী ও ইবন মন্দা হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(7) باب في الوضوء من القيئ والقلس والرعاف
(379) عن معدان بن أبى طلحة أنَّ أبا الدَّرداء رضى الله عنه أخبره أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قاء فأفطر. قال فلقيت ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم فى مسجد دمشق فقلت إنَّ أبا الدَّرداء أخبرنى أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قاء فأفطر، قال صدق. أنا صببت له وضوءه
(وعنه من طريق آخر) عن أبي الدَّرداء
رضي الله عنه قال استقاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فأفطر فأتي بماء فتوضأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৮০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) অধ্যায়ঃ উটের গোস্ত খাওয়ার কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৮০) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-এর সাথে বসাছিলাম তখন তাঁর কাছে এক লোক এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমরা কি ছাগলের গোশত খেয়ে ওযু করব? তিনি উত্তরে বললেন, তোমার ইচ্ছা হয় ওযু কর আর ইচ্ছা না হয় ওযু করো না।
লোকটি আবার প্রশ্ন করলেন, আমরা কি উটের গোশত খেলে ওযু করব? তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ, উটের গোশত খেয়ে ওযু কর। লোকটি আবার প্রশ্ন করলেন, আমরা কি উটের আস্তাবলে নামায পড়তে পারি? উত্তরে বললেন, না। তারপর প্রশ্ন করলেন, তাহলে কি ছাগলের ঘরে নামায পড়তে পারি? তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ ছাগলের ঘরে নামায পড়তে পার।
[মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(8) باب الوضوء من أكل لحوم الابل
(380) عن جابر بن سمرة رضى الله عنه قال كنت قاعدًا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فأتاه رجل فقال يا رسول الله أنتوضَّأ من لحوم الغنم؟ قال إن شئت توضَّأ منه وإن شئت لا توضَّأ منه. قال أفأتوضَّأ من لحوم الإبل؟ قال نعم فتوضَّأ من لحوم الإبل، قال فنصلَّى في مبارك الإبل قال لا، قال أنصلِّى فى مرابض الغنت؟ قال نعم صلِّ فى مرابض الغنم
tahqiq

তাহকীক: