মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ৩৪১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) যারা বলেন, মোজা মাসেহ করার সুনির্ধারিত কোন সময় নেই তাদের দলিল-প্রমাণ
(৩৪১) আমর ইবন ইসহাক ইবন্ ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আতা ইবন্ ইয়াসারের এক কিতাবে পড়েছি যে, তিনি বলেন, আমি রাসুলের স্ত্রী মাইমুনা (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম মোজা মাসেহ প্রসঙ্গে। তিনি উত্তরে বললেন, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ। মানুষ কি সব সময় মোজা না খুলে তার ওপর মাসেহ করে যাবে। তিনি (রাসূল (সা)) বললেন, হ্যাঁ।
[দারুকুতনী, ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, এর সনদের আমর ইবন ইসহাককে কেউ নির্ভরযোগ্য আর কেউ নির্ভরযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
[দারুকুতনী, ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, এর সনদের আমর ইবন ইসহাককে কেউ নির্ভরযোগ্য আর কেউ নির্ভরযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
كتاب الطهارة
(4) باب حجة من قال بعدم التوقيت فى المسح على الخفين
(341) عن عمر بن إسحاق بن يساٍر قال قرأت فى كتاٍب لعطاء بن يسار مع عطاء بن يساٍر قال فسألت ميمونة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم عن المسح على
الخفَّين قالت قالت يا رسول الله أكلَّ ساعٍة يمسح الإنسان على الخفَّين ولا ينزعهما؟ قال نعم
الخفَّين قالت قالت يا رسول الله أكلَّ ساعٍة يمسح الإنسان على الخفَّين ولا ينزعهما؟ قال نعم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: মোজার পৃষ্ঠে মাসেহ করা প্রসঙ্গে
(৩৪২) মুগীরা ইবন্ শো'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে মোজার পৃষ্ঠদেশে মাসেহ করতে দেখেছি।
[আবু দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তাঁরা এবং বুখারী তারীখে হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
[আবু দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তাঁরা এবং বুখারী তারীখে হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(5) باب فى المسح على ظهر الخف
(342) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم
يمسح على ظهور الخفَّين، قال عبد الله قال أبى حدَّثناه سريج والهاشمى أيضًا
يمسح على ظهور الخفَّين، قال عبد الله قال أبى حدَّثناه سريج والهاشمى أيضًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: মোজার পৃষ্ঠে মাসেহ করা প্রসঙ্গে
(৩৪৩) আলী ইবন্ আবু তালিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মনে করতাম মোজার নিচের দিকে মাসেহ করা ওপরের দিকের মাসেহ করার চেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু আমি দেখলাম রাসূল (সা) এতদুভয়ের ওপরের দিকে মাসেহ করেছেন।
(আবূ দাউদ, দারুকুতনী, বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত। ইবন হাজার বলেন, হাদীসটি সহীহ।)
(আবূ দাউদ, দারুকুতনী, বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত। ইবন হাজার বলেন, হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الطهارة
(5) باب فى المسح على ظهر الخف
(343) عن علىَّ بن أبى طالب رضى الله عنه قال كنت أرى باطن القدمين أحقُّ بالمسح من ظاهرهما حتى رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح ظاهرهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: মোজার পৃষ্ঠে মাসেহ করা প্রসঙ্গে
(৩৪৪) আবদু খাইর থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রা)-কে দেখলাম যে, তিনি ওযু করলেন, তখন তাঁর দু' পায়ের উপরে ধুইলেন এবং বললেন, আমি যদি রাসূল (সা)-কে তার পায়ের উপরে ধুতে না দেখতাম তাহলে মনে করতাম তার নিচের অংশ ধোয়া উত্তম।
[শাফেয়ী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত এবং বর্ণনাকারীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য।]
[শাফেয়ী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত এবং বর্ণনাকারীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(5) باب فى المسح على ظهر الخف
(344) ز عن عبد خيٍر قال رأيت عليًّا رضى الله عنه توضَّأ فغسل ظهر قدميه وقال لولا أنّى رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل ظهور قدميه لظننت
أنَّ بطونهما أحقُّ بالغسل
أنَّ بطونهما أحقُّ بالغسل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ মোজার নীচে ও উপরে মাসেহ করা প্রসঙ্গে আগত হাদীসসমূহ
(৩৪৫) মুগীরার লেখক থেকে বর্ণিত, তিনি মুগীরা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) ওযু করলেন, তখন মোজার নীচ ও উপর উভয় দিকে মাসেহ করলেন।
[দারু কুতনী, বাইহাকী, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্তজন হাদীসটি ত্রুটিযুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন।]
[দারু কুতনী, বাইহাকী, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্তজন হাদীসটি ত্রুটিযুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(6) باب ما جاء فى مسح أسفل الخف وأعلاه
(345) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا الوليد بن مسلٍم ثنا ثور عن رجاء أبن حيوة عن كاتب المغيرة عن المغيرة أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ فمسح
أسفل الخف وأعلاه
أسفل الخف وأعلاه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) অধ্যায়ঃ জাওরাব তথা কাপড়ের মোজা ও জুতার ওপর মাসেহ করা প্রসঙ্গে
(৩৪৬) মুগীরা ইবন্ শো'বা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) ওযু করলেন এবং (কাপড়ের) মোজা ও জুতার ওপর মাসেহ করলেন।
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্তজন হাদীসটি হাসান, সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।]
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্তজন হাদীসটি হাসান, সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(7) باب فى المسح على الجوربين والنعلين
(346) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ ومسح على الجوربين (1) والنَّعلين (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৭) অধ্যায়ঃ জাওরাব তথা কাপড়ের মোজা ও জুতার ওপর মাসেহ করা প্রসঙ্গে
أبواب نواقض الوضوء
أبواب نواقض الوضوء
(৩৪৭) ইয়ালা ইবন উমাইয়্যা আউস ইবন আবূ আউস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে দেখলাম ওযু করছেন এবং তাঁর জুতা দু'টির ওপর মাসেহ করছেন। অতঃপর নামায পড়তে দাঁড়ালেন। (দ্বিতীয় এক বর্ণনায় আছে।) ইয়ালা ইবন 'আতা আউস ইবন আবূ আউস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) ওযু করলেন এবং তাঁর জুতার ওপর মাসেহ করলেন। (তৃতীয় এক বর্ণনায় আছে।) ইয়ালী ইবন্ 'আতা তাঁর বাবা থেকে তিনি আউস ইবন আবু আউস আস্ সাকাকী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে দেখলাম, তিনি এক গোত্রের পুকুরে আসলেন তারপর ওযু করলেন।
[আবু দাউদ, তাহাবী ও ইবন আবু শাইবা কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সনদ ও মতন উভয় দিক থেকে দুর্বল।]
[আবু দাউদ, তাহাবী ও ইবন আবু শাইবা কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সনদ ও মতন উভয় দিক থেকে দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(7) باب فى المسح على الجوربين والنعلين
(347) عن يعلى بن أميَّة عن أوس بن أبى أوس رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ ومسح على نعليه ثمَّ قام إلى الصَّلاة
(ومن طريٍق ثاٍن) (1) عن يغلى بن عطاء عن أوس بن أبى أوٍس رضى الله عنه أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم توضَّأ ومسح على نعليه
(ومن طريٍق ثالٍث) (2) عن يعلى بن عطاء عن أبيه عن أوس بن أبى أوس الثقفى رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى كظامة قوٍم فتوضَّأ
(ومن طريٍق ثاٍن) (1) عن يغلى بن عطاء عن أوس بن أبى أوٍس رضى الله عنه أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم توضَّأ ومسح على نعليه
(ومن طريٍق ثالٍث) (2) عن يعلى بن عطاء عن أبيه عن أوس بن أبى أوس الثقفى رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى كظامة قوٍم فتوضَّأ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ ওযু ভঙ্গের কারণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(১) বায়ু পথ ও পেশাবের পথ থেকে যা বের হয় তার দ্বারা ওযু ভঙ্গ হওয়া প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
প্রথম অনুচ্ছেদঃ পেশাব পায়খানা করার পর অজু করা প্রসঙ্গে
(১) বায়ু পথ ও পেশাবের পথ থেকে যা বের হয় তার দ্বারা ওযু ভঙ্গ হওয়া প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
প্রথম অনুচ্ছেদঃ পেশাব পায়খানা করার পর অজু করা প্রসঙ্গে
(৩৪৮) যির ইবন হুবাইশ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাফাওয়ান ইবন আসসাল আল মুরাদীর (রা) কাছে গেলাম। তাঁকে মোজা মাসেহ করা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলাম তিনি বললেন, আমরা রাসুল (সা)-এর সায়ে থাকতাম। তখন তিনি আমাদেরকে জানাবত ছাড়া পেশাব পায়খানা ও ঘুমের জন্য তিন দিন পর্যন্ত মোজা না খেলার নির্দেশ দিতেন। একবার উচ্চ কণ্ঠস্বর সম্পন্ন এক বেদুঈন আসলো, এসেই লোকটি বলল, হে মুহাম্মদ। এক দোষ এক কাওমকে ভালবাসে, কিন্তু তিনি এখনও তাদের সাথে মিলিত হন নি। রাসুল (সা) তখন বললেন, মানুষ যাদেরকে ভালবাসে তাদের সাথেই থাকে।
[নাসায়ী, ইবন্ খুযাইমা ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন। ইমাম বুখারীও হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।
[নাসায়ী, ইবন্ খুযাইমা ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন। ইমাম বুখারীও হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।
كتاب الطهارة
أبواب نواقض الوضوء
(1) باب فى نقض الوضوء بما خرج من السبيلين. وفيه فصول
(الفصل الأول فى الوضوء من البول والغائط)
(1) باب فى نقض الوضوء بما خرج من السبيلين. وفيه فصول
(الفصل الأول فى الوضوء من البول والغائط)
(348) عن زرَّ بن حبيٍش قال أتيت صفوان بن عسَّال المرادىَّ رضى الله عنه فسألته عن المسح على الخفَّين فقال كنَّا نكون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيأمرنا أن لا ننزع خفافنا ثلاثة أيام إلَّا من جنابة ولكن من غائط وبوٍل
ونوٍم، وجاء أعرابىُّ جهوريُّ الصَّوت فقال يا محمَّد، الرَّجل يحب القوم ولمَّا يلحق بهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم المرء مع من أحبَّ
ونوٍم، وجاء أعرابىُّ جهوريُّ الصَّوت فقال يا محمَّد، الرَّجل يحب القوم ولمَّا يلحق بهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم المرء مع من أحبَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বায়ু নিঃসরণের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৪৯) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) এক বেদুঈন আসলেন মহানবী (সা)-এর কাছে। তারপর বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা মরুভূমিতে থাকি। তখন আমাদের কারো কারো বাতাস বের হয়। (এমতাবস্থায় কি করতে হবে?) রাসূল (সা) জবাবে বললেন, আল্লাহ তা'আলা সত্য প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। তোমাদের কারো তা বের হলে ওযু করবে। আর নারীদের সাথে বায়ু পথে সঙ্গম করবে না। একবার বললেন, গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করবে না।
(হাইসুমী কর্তৃক মাজমাউয যাওয়ায়েদে সংকলিত, তিনি বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাইসুমী কর্তৃক মাজমাউয যাওয়ায়েদে সংকলিত, তিনি বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى الوضوء من الريح
(349) عن علٍىّ رضى الله عنه قال جاء أعرابى إلى النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنَّا نكون بالبادية فتخرج من أحدنا الويحة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ الله عزَّ وجلَّ لا يستحيي من الحقِّ. إذا فعل أحدكم فليتوضأ، ولا تأتوا النِّساء فى أعجازهنَّ، وقال مرًة فى أدبارهنَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বায়ু নিঃসরণের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫০) মুহাম্মদ ইবন্ আমর ইবন 'আতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সায়িব ইবন হাব্বাব (রা)-কে দেখলাম, তিনি তার কাপড়ে গন্ধ শুকছেন। আমি বললাম, কেন এমন করেছেন? তিনি বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, গন্ধ না পাওয়া গেলে অথবা শব্দ শুনা না গেলে ওযু করতে হবে না।
[তাবারানী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি দুর্বল।]
[তাবারানী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি দুর্বল।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى الوضوء من الريح
(350) عن محمَّد بن عمرو بن عطاء قال رأيت للسَّائب بن خبَّاٍب رضي الله عنه
يشم ثوبه فقلت له ممَّ ذلك؟ فقال إنِّى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا وضوء إلَّا من ريٍح أو سماع
يشم ثوبه فقلت له ممَّ ذلك؟ فقال إنِّى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا وضوء إلَّا من ريٍح أو سماع
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বায়ু নিঃসরণের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, হাদস (পায়খানা পেশাব) ও বাতাস বের হওয়া ছাড়া ওযু করতে হয় না।
[ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্ত জন হাদীসটি হাসান, সহীহ বলে মন্তব্য করেন।]
[ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্ত জন হাদীসটি হাসান, সহীহ বলে মন্তব্য করেন।]
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى الوضوء من الريح
(351) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال لا وضوء إلَّا من حدٍث أو ريٍح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বায়ু নিঃসরণের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫২) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, যার হাদস হয় ওযু না করা পর্যন্ত তার নামায কবুল হবে না। তিনি বলেন, তখন হাদারামাওতের এক লোক তাঁকে বললেন, আবু হুরায়রা! হাদস বলতে কি বুঝাচ্ছেন? তিনি বললেন, শব্দহীন বা সশব্দে বায়ু নির্গমন।
(বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।)
(বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى الوضوء من الريح
(352) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقبل صلاة من أحدث حتَّى يتوضَّأ، قال فقال له رجل من أهل حضرموت ما الحدث يا أبا هريرة؟ قال فساء أو صراط
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বায়ু নিঃসরণের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫৩) রাসূল (সা)-এর স্ত্রী আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা)-এর আযাদকৃত ক্রীতদাস সালামা বা রাসূল (সা)-এর আযাদকৃতদাস আবূ রাফি'র স্ত্রী এসে রাসূলুল্লাহর কাছে অনুমতি চাইলো, আবু রাফে' তাকে মারার কারণে অভিযোগ করার জন্য। (আয়িশা) বললেন, রাসূল (সা) আবু রাফে'কে বলেন, আবু রাফে, তোমারও তার মধ্যে কি ঘটেছে? তিনি বলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে আমাকে কষ্ট দেয়। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন, সালামা তুমি তাকে কেন কষ্ট দিলে? সে বললো ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাঁকে কোন কষ্ট দিই নি কিন্তু তিনি নামায পড়া অবস্থায় তাঁর বায়ু নির্গত হয়। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবু রাফে'! রাসূল (সা) মুসলমানদেরকে নির্দেশ করেছেন, তাদের কারও বায়ু নির্গত হলে সে যেন ওযু করে নেয়। তখন তিনি উঠে আমাকে মারলেন। একথা শুনে রাসূল (সা) হাসতে হাসতে বলতে লাগলেন। হে আবু রাফে'! সেতো তোমাকে ভাল কথাই বলেছে।
(বাযযার, তাবারানী। হাদীসটি সহীহ।)
(বাযযার, তাবারানী। হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الطهارة
الفصل الثانى فى الوضوء من الريح
(353) عن عائشة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قالت أتت سلمى مولاة رسول الله صلى الله عليه وسلم أو امرأة أبى رافع مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم تستأذنه على أبى رافع قد ضربها، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبى رافع مالك ولها يا أبا رافع، قال تؤذيني يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بم آذيتيه يا سلمى؟ قالت يا رسول الله
ما آذيته بشيء ولكنه أحدث وهو يصلّى فقلت له يا أبا رافع إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر المسلمين إذا خرج من أحدهم الرِّيح أن يتوضَّأ، فقام فضربني، فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك ويقول يا أبا رافع إنَّها لم تأمرك إلَّا بخيٍر
ما آذيته بشيء ولكنه أحدث وهو يصلّى فقلت له يا أبا رافع إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر المسلمين إذا خرج من أحدهم الرِّيح أن يتوضَّأ، فقام فضربني، فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك ويقول يا أبا رافع إنَّها لم تأمرك إلَّا بخيٍر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: যৌন-উত্তেজনা জনিত রস, সাদা রস ও অসুস্থতা জনিত রক্তস্রাবের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫৪) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার খুব যৌন উত্তেজনা জনিত রস বা মযী নির্গত হতো। এ প্রসঙ্গে আমি রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি উত্তরে বললেন, বীর্যপাত হলে গোসল করতে হবে, আর মযী হলে ওযু করলেই চলবে।
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত জন বলেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ্।)
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত জন বলেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ্।)
كتاب الطهارة
الفصل الثالث فى الوضوء من المذى والودى ودم الاستحاضة
(354) عن علٍىّ رضى الله عنه قال كنت رجلًا مذَّاٍء فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أمَّا المنىُّ ففيه الغسل، وأمَّا المذى ففيه الوضوء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: যৌন-উত্তেজনা জনিত রস, সাদা রস ও অসুস্থতা জনিত রক্তস্রাবের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে
(৩৫৫) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফাতিমা বিনতে আবু হোবাইশ নবী (সা)-এর কাছে আসলেন। এসে বললেন, আমি ইস্তিহাযা সম্পন্ন হই (সর্বদা রক্তস্রাব হয়)। তখন রাসূল (সা) বললেন, তোমার মাসিক ঋতুস্রাবের (নির্ধারিত) দিনগুলোতে তুমি নামায পড়বে না। অতঃপর গোসল করে প্রতি নামাযের জন্য ওযু করে নামায পড়বে এমনকি চাটাইয়ে রক্তের ফোঁটা পড়লেও।
[নাসায়ী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্তজন বলেন, আয়িশা (রা) হাদীসটি হাসান, সহীহ।]
[নাসায়ী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্তজন বলেন, আয়িশা (রা) হাদীসটি হাসান, সহীহ।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث فى الوضوء من المذى والودى ودم الاستحاضة
(355) عن عائشة رضى الله عنها قالت أتت فاطمة بنت أبى حبيٍش النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فقالت إنّى استحضت، فقال دعى الصَّلاة أيَّام حيضتك ثمَّ اغتسلى وتوضَّئى عند كلِّ صلاٍة وإن قطر على الحصير
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ হাস হবার ব্যাপারে সন্দেহ হলে করণীয়
(৩৫৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা কেউ তার নামাযে রত অবস্থায় যদি তার গুহ্যদ্বারে নড়াচড়া অনুভব করে তারপর তার সন্দেহ হয় তার হাদস হয়েছে কিনা, সে তার নামায ছেড়ে দিবে না কোন শব্দ শুনা কিংবা কোন দুর্গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত।
[মুসলিম, আবূ দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।]
[মুসলিম, আবূ দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى الشك فى الحدث
(356) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا وجد أحدكم في صلاته حركًة فى دبره فأشكل عليه أحدث أو لم يحدث فلا ينصرف حتَّى يسمع صوتًا أو يجد ريحًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ হাস হবার ব্যাপারে সন্দেহ হলে করণীয়
(৩৫৭) তিনি আরও বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা কেউ যখন নামাযে থাক তখন শয়তান এসে তাকে ওয়াস্ওয়াসা দিয়ে তার প্রতি মায়া সুলভ শব্দ করতে থাকে। যেন কেউ তার পশুর দুধ দোহনের সময় তার প্রতি মায়া সুলভ শব্দ করতে থাকে। যখন তার প্রতি নরম হয় তখন তার গুহ্যদ্বারের মধ্যে শব্দহীন বায়ু নির্গমণ করে থাকে তখন তার নামাযে সে ফিৎনায় পড়ে। তোমরা কেউ অনরূপ অনুভব করলে সে নামায ছেড়ে দিয়ে চলে যাবে না। যতক্ষণ না কোন শব্দ শুনে অথবা দুর্গন্ধ পায় সন্দেহাতীতভাবে।
[হাইছুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, এটা আবূ দাউদও সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন, তার
বর্ণনাকারীগণ সহীহ্ গ্রন্থেরই বর্ণনাকারী।]
[হাইছুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, এটা আবূ দাউদও সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন, তার
বর্ণনাকারীগণ সহীহ্ গ্রন্থেরই বর্ণনাকারী।]
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى الشك فى الحدث
(357) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ أحدكم إذا كان في الصَّلاة جاءه الشَّيطان فأبسَّ به كما يبس الرَّجل بدابّته فإذا سكن له أضرط بين أليتيه ليفتنه عن صلاته، فإذا وجد أحدكم شيئًا من ذلك فلا ينصرف حتَّى يسمع صوتًا أو يجد ريحًا لا يشك فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ হাস হবার ব্যাপারে সন্দেহ হলে করণীয়
(৩৫৮) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমাদের কেউ নামাযে থাকাবস্থায় শয়তান তার কাছে আসে, তারপর গুহ্যদ্বারের একটা লোম নিয়ে তা লম্বা করে। তখন সে মনে করতে থাকে তার হাদস হয়েছে। এমতাবস্থায় সে নামায ছেড়ে দিয়ে চলে যাবে না, যতক্ষণ না কোন শব্দ শুনতে পায় অথবা দুর্গন্ধ পায়।
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى الشك فى الحدث
(358) عن أبى سعيٍد الخدرىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنَّ الشَّيطان يأتى أحدكم وهو فى الصَّلاة فيأخذ شعرًة من دبره فيمدُّها فيرى أنَّه قد أحدث، فلا ينصرف حتَّى يسمع صوتًا أو يجد ريحًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ হাস হবার ব্যাপারে সন্দেহ হলে করণীয়
(৩৫৯) আবুবাদ ইবন্ তামীম তাঁর চাচা আবদুল্লাহ ইবন যাইদ (রা)-এর সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূল (সা)-এর কাছে অভিযোগ করলেন যে, তিনি নামাযে এমন কিছু অনুভব করেন যাতে তার মনে হয় তার পেট হতে (বাতাস) বের হয়েছে। তখন রাসুল (সা) বলেন, সে নামায ছেড়ে দিবে না যতক্ষণ না কোন দুর্গন্ধ পাবে অথবা শব্দ মেতে পাবে।
(হাইসুমী, আবু ইয়ালা ও ইবন মাজাহ কর্তৃক সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত। এতে একজন বিতর্কিত বর্ণনাকারী রয়েছেন।)
(হাইসুমী, আবু ইয়ালা ও ইবন মাজাহ কর্তৃক সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত। এতে একজন বিতর্কিত বর্ণনাকারী রয়েছেন।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى الشك فى الحدث
(359) عن عبَّاد بن تميم عن عمه "عبد الله بن زيٍد" رضى الله عنه أنَّه شكا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يجد الشيئ فى الصَّلاة يخَّيل إليه أنَّه قد كان منه فقال لا ينفتل حتى يجد ريحًا أو يسمع صوتًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ ঘুমের কারণে ওযু করা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে
প্রথম অনুচ্ছেদ: বসাবস্থায় ঘুমানো প্রসঙ্গে
প্রথম অনুচ্ছেদ: বসাবস্থায় ঘুমানো প্রসঙ্গে
(৩৬০) ইবন আব্বাস (রা) হতে, তিনি বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) এক রাতে ইশার নামায বিলম্ব করলেন। ফলে লোকজন ঘুমিয়ে পড়লেন তারপর জাগ্রত হলেন, অতঃপর আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। অতঃপর আবার জাগ্রত হলেন। তখন উমর ইবন খাত্তাব (রা) এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ। নামায। তখন রাসূল (সা) বের হয়ে তাঁদের নিয়ে নামায পড়লেন। তিনি উল্লেখ করেন নি যে, তাঁরা ওযু করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম উভয়ে হাদীসটি বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্ত রূপে বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী, মুসলিম উভয়ে হাদীসটি বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্ত রূপে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الطهارة
(3) باب فى الوضوء من النوم، وفيه فصول
(الفصل الأول فى لوم القاعد)
(الفصل الأول فى لوم القاعد)
(360) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يونس وعفَّان قالا ثنا حمَّاد بن سلمة عن أيُّوب. قال عفَّان قال حمَّاد أنا أيُّوب وقيس عن عطاء بن أبى رباح
عن ابن عبَّاٍس رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أخَّر العشاء ذات ليلة حتى نام القوم ثمَّ استيقظوا ثمَّ ناموا ثمَّ استيقظوا، قال قيس فجاء عمر بن الخطَّاب فقال الصَّلاة يا رسول الله فخرج فصَّلى بهم، ولم يذكر أنَّهم توضَّؤوا
عن ابن عبَّاٍس رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أخَّر العشاء ذات ليلة حتى نام القوم ثمَّ استيقظوا ثمَّ ناموا ثمَّ استيقظوا، قال قيس فجاء عمر بن الخطَّاب فقال الصَّلاة يا رسول الله فخرج فصَّلى بهم، ولم يذكر أنَّهم توضَّؤوا
তাহকীক: