মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ৩২১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২১) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাসকে ইরাকে ওযু করার সময় তাঁর মোজা দু'টির উপর মাসেহ করতে দেখলাম। তখন তাঁর এ কর্মে আপত্তি করলাম, তিনি বলেন, যখন আমরা উমর (রা)-এর দরবারে একত্রিত হলাম তিনি আমাকে বললেন, তুমি আমার মোজা মাসেহ করার ব্যাপারে আপত্তি করেছিলে, সে ব্যাপারে তোমার বাবাকেই জিজ্ঞাসা কর। তিনি বলেন, তখন আমি তাঁকে (উমর (রা)-কে) ব্যাপারটি বললাম। জবাবে তিনি বললেন, যখন সা'দ তোমাকে কোন বিষয়ে কোন হাদীস বলে তার প্রতিবাদ করো না। কারণ রাসূল (সা) মোজা দু'টির উপর মাসেহ করতেন।
(বুখারী, ইবন খুযাইমা ও মালিক (রা) কর্তৃক বর্ণিত।)
(বুখারী, ইবন খুযাইমা ও মালিক (রা) কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(321) عن ابن عمر رضى الله عنهما أنَّه قال رأيت سعد بن أبى وقَّاص يمسح على خفَّيه بالعراق حين يتوضَّأ فأنكرت ذلك عليه قال فلمَّا أجتمعنا عند عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه قال بى سل أباك عمَّا أنكرت علىَّ من مسح الخفين قال فذكرت ذلك له فقال إذا حدَّثك سعد بشيئ فلا تردَّ عليه (1) فإنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمسح على الخفَّين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২২) নাফে' বলেন, ইবন উমর সা'দ ইবন মালিককে দেখলেন যে, তিনি তাঁর মোজা দু'টি মাসেহ করছেন, তখন ইবন উমর বলেন আপনারা এরূপ করেন? তখন সা'দ উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর আমরা উমর (রা)-এর কাছে একত্রিত হলাম। তখন সা'দ বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি আমার ভাতিজাকে মোজা মাসেহ সম্বন্ধে ফাতাওয়া দিন, তখন উমর (রা) বললেন, আমরা মহানবী (সা)-এর সাথে আমাদের মোজার উপর মাসেহ করতাম। তখন ইবন উমর (রা) বলেন, এমনকি পায়খানা পেশাব করে এসেও। উমর (রা) বললেন, হ্যাঁ, এমনকি পায়খানা পেশাব করে এসেও। নাফে' বলেন, এ ঘটনার পর ইবন উমর (রা) এতদুভয়ের (মোজার) উপর মাসেহ করতেন না এবং খোলা পর্যন্ত তা চলত, এর জন্য কোন সময়ও নির্ধারণ করতেন না।
[ইবন মাজাহ্ কর্তৃক বর্ণিত, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, অতএব, হাদীসটি সহীহ্।]
[ইবন মাজাহ্ কর্তৃক বর্ণিত, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, অতএব, হাদীসটি সহীহ্।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(322) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا عبد الرَّزَّاق أنبأنا عبيد الله بن عمر عن نافٍع قال رأى أبن عمر سعد بن مالٍك يمسح على خفيه فقال أبن عمر وإنَّكم لتفعلون هذا؟ فقال سعد نعم، فاجتمعنا عند عمر رضى الله عنه فقال سعد يا أمير المؤمنين أفت أبن أخى في المسح على الخفَّين، فقال عمر رضى الله عنه كنَّا ونحن مع نبينا صلى الله عليه وسلم نمسح على خفافنا، فقال أبن عمر رضى الله عنهما وإن جاء من الغائط والبول؟ فقال عمر رضى الله عنه نعم وإن جاء من الغائط والبول، قال نافع فكان أبن عمر بعد ذلك يمسح عليهما ما لم يخلعهما وما
يوقَّت لذلك وقتًا، قال عبد الرَّزَّاق فحدَّثت به معمرًا فقال حدَّثنيه أيوب عن نافٍع مثله
يوقَّت لذلك وقتًا، قال عبد الرَّزَّاق فحدَّثت به معمرًا فقال حدَّثنيه أيوب عن نافٍع مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৩) বেলাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে দু' মোজা ও পাগড়ীর ওপর মাসেহ করতে দেখেছি।
[বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত।]
[বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(323) عن بلاٍل رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح على الموقين والخمار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৪) উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে দেখেছি যে, তিনি ওযু নষ্ট হবার পর ওযু করলেন এবং মোজা দু'টির ওপর মাসেহ করলেন।
[তিরমিযী ও বাইহাকী এ হাদীসের দিকে ইঙ্গিত করেছেন তবে বর্ণনা করেন নি। হাদীসটি সহীহ্ নয়।]
[তিরমিযী ও বাইহাকী এ হাদীসের দিকে ইঙ্গিত করেছেন তবে বর্ণনা করেন নি। হাদীসটি সহীহ্ নয়।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(324) عن عمر رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الحدث توضَّأ ومسح على الخفَّين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৫) তিনি আরও বর্ণনা করে বলেন যে, আমি রাসুল (সা)-কে সফরের সময় মোজা দু'টির ওপর মাসেহ করতে দেখেছি।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, অন্য কোন গ্রন্থে এ হাদীস আমি পাই নি, তবে এর সনদ উত্তম।]
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, অন্য কোন গ্রন্থে এ হাদীস আমি পাই নি, তবে এর সনদ উত্তম।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(325) وعنه أيضًا قال أنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح على خفَّيه في السَّفر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৬) আমর ইবন উমাইয়্যা আদ্দামারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা)-কে মোজা দুটি ও পাগড়ীর ওপর মাসেহ করতে দেখেছি।
[বুখারী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
[বুখারী ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(326) عن عمرو بن أمية الضَّمرى رضى الله عنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح على الخفَّين والخمار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৭) বেলাল (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা) বলেছেন, তোমরা মাসেহ কর। (অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (মাসেহ করেছেন) মোজা ও পাগড়ীর ওপর।
[মুসলিম, বাইহাকী, আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী কর্তৃক বর্ণিত।]
[মুসলিম, বাইহাকী, আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(327) عن بلاٍل رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أمسحوا (وفي روايٍة
مسح على الخفَّين والخمار
مسح على الخفَّين والخمار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৮) আবদুল্লাহ ইবন্ বুরাইদা আল আসলামী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নাজ্জাশী নবী (সা)-এর কাছে এক জোড়া কালো উজ্জ্বল রঙের মোজা উপঢৌকন হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। রাসূল (সা) মোজা দু'টি পরলেন তারপর ওযু করলেন এবং এতদুভয়ের ওপর মাসেহ করলেন। (আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, বাইহাকী, ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, তিনি এ হাদীসটি হাসান ও সহীহ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(328) عن عبد الله بن بريدة "الأسلمىِّ" عن أبيه أن النَّجاشى أهدى إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم خفَّين أسودين ساذجين (1) فلبسهما ثمَّ توضَّأ ومسح عليهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২৯) সা'দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (সা) মোজা মাসেহ সম্বন্ধে বলেছেন যে, তাতে কোন অসুবিধা নেই।
(বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।)
(বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(329) عن سعد بن أبى وقَّاٍص رضى الله عنه أنَّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال في المسح على الخفَّين لا بأس بذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৩০) আলী ইবন্ মুদরাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু আইয়ূব (রা)-কে দেখলাম, তিনি তাঁর মোজা দু'টি খুলে ফেলেছেন, তখন লোকেরা তাঁর দিকে তাকালেন, তখন তিনি বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে এ দু'টোর ওপর মাসেহ করতে দেখেছি। তবে আমার কাছে ওযু করা বা ধোয়া অধিক প্রিয়।
(তাবারানী, বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(তাবারানী, বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(330) عن علىِّ بن مدرك قال رأيت أبا أيُّوب نزع خفيه فنظروا إليه
فقال أما إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح عليهما ولكنِّي حبِّب إلىَّ الوضوء
فقال أما إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح عليهما ولكنِّي حبِّب إلىَّ الوضوء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩৩১) সুলাইমান ইবন বুরাইদা তাঁর বাবা বুরাইদা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, যে দিন মক্কা বিজয় হল সে দিন রাসূল (সা) তাঁর মোজা দু'টির উপর মাসেহ করলেন। তখন তাঁকে উমর (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজকে আপনাকে এমন একটা কাজ করতে দেখলাম যা আপনি আগে কখনো করেন নি। তখন তিনি (রাসূল সা) বললেন, হে উমর! আমি তা স্বেচ্ছায় করেছি।
(মুসলিম, বাইহাকী, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।)
(মুসলিম, বাইহাকী, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(331) عن سليمان بن بريدة عن أبيه رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم لمَّا كان يوم الفتح فتح مكّة توضَّأ ومسح على خفَّيه فقال له عمر
رأيتك يا رسول الله صنعت اليوم شيئًا لم تكن تصنعه، قال عمدًا صنعته يا عمر
رأيتك يا رسول الله صنعت اليوم شيئًا لم تكن تصنعه، قال عمدًا صنعته يا عمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) মোজা পরার আগে পবিত্র হওয়া (ওযু থাকা) শর্ত
(৩৩২) মুগীরা ইবন্ শো'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি এক সফরে রাসূল (সা)-কে ওযু করালাম, তখন তিনি তার মুখ ও হাত দু'টি ধুইলেন এবং তাঁর মাথা মাসেহ করলেন এবং তার মোজা দু'টির উপর মাসেহ করলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার মোজা দুটি কি খুলব না? তিনি বললেন, না। কারণ আমি এ দু'টি পবিত্র অবস্থায় (ওযু অবস্থায়) পরেছি তারপর খোলা পায়ে হাঁটি নাই। অতঃপর ফজরের নামায আদায় করলেন।
كتاب الطهارة
(2) باب فى اشتراط الطهارة قبل لبس الخفين
(332) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه قال وضَّأت النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فى سفر فغسل وجهه وذراعيه ومسح برأسه ومسح على خفَّيه فقلت يا رسول الله ألا أنزع خفَّيك قال لا إنِّى أدخلتهما (1) وهما طاهرتان ثمَّ لم أمش حافيًا بعد، ثمَّ صلَّى صلاة الصُّبح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) মোজা পরার আগে পবিত্র হওয়া (ওযু থাকা) শর্ত
(৩৩৩) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি রাসূল (সা)-এর সাথে সফর করছিলেন, তখন নবী (সা) এক উপত্যকায় প্রবেশ করলেন। তারপর তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন মিটালেন। তারপর বের হয়ে আসলেন। তারপর তাঁর কাছে এসে ওযু করলেন। তখন মোজা দু'টি খুলে ফেললেন, তারপর ওযু করলেন। যখন ওযূ শেষ করলেন অতঃপর একটু দুর্গন্ধ পেলেন। তারপর ফিরে এসে আবার বের হলেন এবং ওযু করলেন। আর মোজা দু'টির ওপর মাসেহ করলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আপনি (সম্ভবত) ভুলে গেছেন, মোজা দু'টি খোলেন নি। তিনি বললেন, কখনো না। বরং তুমিই ভুলে গেছ, আমাকে আমার মহান প্রভু এরূপ নির্দেশই করেছেন।
[বাইহাকী, আবু দাউদ, মানযারী ও হাকিম কর্তৃক বর্ণিত, সহীহ্।]
[বাইহাকী, আবু দাউদ, মানযারী ও হাকিম কর্তৃক বর্ণিত, সহীহ্।]
كتاب الطهارة
(2) باب فى اشتراط الطهارة قبل لبس الخفين
(333) وعنه أيضًا أنَّه سافر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم واديًا فقضي حاجته ثم خرج فأتاه فتوضَّأ فخلع خفَّيه فتوضَّا فلمَّا فرغ وجد ريحًا بعد ذلك فعاد فخرج فتوضَّأ ومسح على خفَّيه، فقلت يا نبىَّ الله نسيت لم تخلع الخفَّين، قال كلاَّ، بل أنت نسيت، بهذا أمرنى ربى عزَّ وجلَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) মোজা পরার আগে পবিত্র হওয়া (ওযু থাকা) শর্ত
(৩৩৪) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, আমার ওযু করার ব্যবস্থা কর। তখন আমি তাঁর ওযুর পানি নিয়ে আসলাম। তারপর তিনি ইস্তিঞ্জা (পায়খানার পর পানি ব্যবহার) করলেন। তারপর তাঁর হাত মাটিতে ঢুকিয়ে দিলেন তারপর তা মাসেহ করলেন, তারপর তা ধুয়ে নিলেন অতঃপর ওযু করলেন এবং তাঁর মোজা দু'টির ওপর মাসেহ করলেন। তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনার পা দু'টি ধোন নি। তিনি বলেন, আমি পা দু'টিকে পবিত্র অবস্থায় মোজার মধ্যে ঢুকিয়েছি।
(আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি আমি অন্য কোন গ্রন্থে পাই নি। এর সনদেও এক অজ্ঞাত লোক আছেন।)
(আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি আমি অন্য কোন গ্রন্থে পাই নি। এর সনদেও এক অজ্ঞাত লোক আছেন।)
كتاب الطهارة
(2) باب فى اشتراط الطهارة قبل لبس الخفين
(334) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وضئني فأتيته بوضوٍء فأستنجى ثمَّ أدخل يده فى التُّراب فمسحها ثمَّ غسلها ثمَّ توضَّأ ومسح على خفَّيه فقلت يا رسول الله رجلاك لم تغسلهما، قال إنِّى أدخلتهما وهما طاهرتان
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) মাসেহের সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে
(৩৩৫) শুরাইহ্ ইবন হানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রা)-কে মোজা মাসেহ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে বলেন, আলী (রা)-কে জিজ্ঞাসা কর। কারণ তিনি এ প্রসঙ্গে আমার চেয়ে বেশী জানেন। তিনি রাসূল (সা)-এর সাথে সফরে যেতেন। তিনি বলেন, তাই আমি এ প্রসঙ্গে আলী (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি উত্তরে বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, মুসাফিরদের জন্য তিন দিন তিন রাত পর্যন্ত আর মুকীমদের জন্য এক দিন এক রাত পর্যন্ত।
[মুসলিম, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, নাসায়ী ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
[মুসলিম, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, নাসায়ী ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب توقيت مدة المسح
(335) عن شريح بن هانئ قال سألت عائشة رضى الله عنها عن المسح على الخفَّين فقالت سل عليًّا فأنَّه أعلم بهذا منِّي، كان يسافر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال فسألت عليًّا فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للمسافر ثلاثة أيَّاٍم ولياليهنَّ وللمقيم يوم وليلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) মাসেহের সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে
(৩৩৬) সাফাওয়ান ইবন্ আচ্ছাল আল মুরাদী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূল (সা) এক বার এক সেনাদলে পাঠালেন। তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহর নামে আল্লাহর পথে জিহাদের উদ্দেশ্যে সফর আরম্ভ করো। আল্লাহর শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করবে কিন্তু সীমা লঙ্ঘন করবে না। আর কোন শিশু হত্যা করবে না। মুসাফিররা তিন দিন তিন রাত পর্যন্ত তাদের মোজার ওপর মাসেহ করবে, যদি পা দুইটি পবিত্র থাকা অবস্থায় মোজার মধ্যে ঢুকিয়ে থাকে। আর মুকীমরা একদিন এক রাত পর্যন্ত মাসেহ করবে।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস আমি অন্য কোথাও পাই নি। তবে এর সনদ সুন্দর।]
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস আমি অন্য কোথাও পাই নি। তবে এর সনদ সুন্দর।]
كتاب الطهارة
(3) باب توقيت مدة المسح
(336) عن صفوان بن عسَّال المرادىِّ رضى الله عنه قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سريَّة فقال سيروا بأسم الله فى سبيل الله تقاتلون أعداء الله ولا تغلوا ةلا تقتلوا وليدًا، وللمسافر ثلاثة أياٍم ولياليهنًّ يمسح على خفيَّه إذا أدخل رجليه على طهور وللمقيم يوم وليلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) মাসেহের সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে
(৩৩৭) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমাদেরকে আদেশ করতেন, অর্থাৎ নবী (সা) যদি আমরা সফরে থাকি অথবা মুসাফির অবস্থায় থাকি তাহলে যেন আমাদের মোজাগুলো তিনদিন তিনরাত পর্যন্ত জানাবত না হওয়া পর্যন্ত পেশাব, পায়খানা ও ঘুমের জন্য না খুলি।
[শাফেয়ী, আবু দাউদ, নাসায়ী, দারুকুতনী, বাইহাকী, তিরমিযী ও ইবন খুযাইমা কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
[শাফেয়ী, আবু দাউদ, নাসায়ী, দারুকুতনী, বাইহাকী, তিরমিযী ও ইবন খুযাইমা কর্তৃক বর্ণিত। শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(3) باب توقيت مدة المسح
(337) وعنه أيضًا قال كان يأمرنا "يعني النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم " إذا كنَّا سفرًا (1) أو مسافرين أن لا ننزع خفافنا ثلاثة أيَّاٍم ولياليهنَّ إلاَّ من جنابٍة ولكن (2)
من غائٍط وبوٍل ونوٍم
من غائٍط وبوٍل ونوٍم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) মাসেহের সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে
(৩৩৮) খুযাইমা ইবন ছাবিত (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) বলতেন, মুসাফিররা তিনরাত পর্যন্ত (অপর এক বর্ণনা মতে তিনদিন তিনরাত পর্যন্ত) মাসেহ করবে আর মুকীমরা এক রাত এক দিন পর্যন্ত মাসেহ করবে।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত, শেষোক্ত দু'জন হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الطهارة
(3) باب توقيت مدة المسح
(338) عن خزيمة بن ثابٍت رضى الله الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يمسح المسافر ثلاث ليال (وفي روايٍة ثلاثة أيَّاٍم ولياليهنَّ) والمقيم يومًا وليلًة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) মাসেহের সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে
(৩৩৯) 'আউফ ইবন মালিক আল আশজায়ী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা) তাবুক যুদ্ধে মুসাফিরদেরকে তিনদিন তিনরাত পর্যন্ত মোজা মাসেহ করার আদেশ করে ছিলেন। আর মুকীমদেরকে একদিন একরাত পর্যন্ত মাসেহ করার আদেশ করেছিলেন।
(বাযযার, তাবারানী, তিরমিযী, ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী বলেন, ইমাম বুখারী হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
(বাযযার, তাবারানী, তিরমিযী, ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী বলেন, ইমাম বুখারী হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الطهارة
(3) باب توقيت مدة المسح
(339) عن عوف بن مالٍك الأشجعىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بالمسح على الخفَّين في غزوة تبوك ثلاثة أيَّاٍم للمسافر ولياليهن
وللمقيم يومًا وليلة
وللمقيم يومًا وليلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) যারা বলেন, মোজা মাসেহ করার সুনির্ধারিত কোন সময় নেই তাদের দলিল-প্রমাণ
(৩৪০) খুযাইমা ইবন ছাবিত আল আনসারী থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) বলেছেন, তোমরা মোজার ওপর তিনদিন পর্যন্ত মাসেহ করতে পার। আমরা যদি আরও বেশী দিন সময় চাইতাম তাহলে আমাদের আরও বেশী সময় দিতেন। (তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায় বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন, নবী (সা) মুসাফিরের জন্য তিনদিন তিন রাত পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আর মুকীমের জন্য এক দিন এক রাত। আল্লাহর কসম! প্রশ্নকারী যদি তাঁর প্রশ্নে আরও বেশী সময় কামনা করত, তাহলে তা পাঁচ দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হত।*
ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, ও ইবন হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত, তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।
*টীকাঃ অধিকাংশ সাহাবী, তাবিয়ী এবং ইমাম আবু হানীফা, শাফিয়ী ও আহমদসহ প্রায় সকল ফকীহ একমত যে, মোজার উপর মাসেহ করার সময় নির্ধারিত। মুসাফির তিনদিন তিনরাত বা ১৫ ওয়াক্ত নামায এবং সুদীর্ঘ ১দিন ১ রাত বা ৫ ওয়াজ মাসেহ করতে পারবেন। এরপর তাকে মোজা খুলে পা ধুয়ে পূর্ব ওযু করতে হবে। পূর্ববর্তী অধ্যায়ের হাদীসগুলোর ওপর তাঁরা নির্ভর করেছেন। ইমাম মালিক ও কোনো কোনো ফকীহ মোজার ওপর মাসেহ করার সময় নির্ধারণ করেন নি। তাঁরা এই দুইটি হাদীসের উপর নির্ভর করেছেন। তাঁদের এই মতটি দুর্বল। এই দুইটি হাদীসের একটি দুর্বল এবং অন্যটি সাহাবীর ধারণা। এর বিপরীতে অনেক সহীহ্ হাদীস ও অন্যান্য সাহাবীর মতামত রয়েছে। এজন্য সেগুলোর ওপর নির্ভর করা প্রয়োজন।
ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, ও ইবন হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত, তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।
*টীকাঃ অধিকাংশ সাহাবী, তাবিয়ী এবং ইমাম আবু হানীফা, শাফিয়ী ও আহমদসহ প্রায় সকল ফকীহ একমত যে, মোজার উপর মাসেহ করার সময় নির্ধারিত। মুসাফির তিনদিন তিনরাত বা ১৫ ওয়াক্ত নামায এবং সুদীর্ঘ ১দিন ১ রাত বা ৫ ওয়াজ মাসেহ করতে পারবেন। এরপর তাকে মোজা খুলে পা ধুয়ে পূর্ব ওযু করতে হবে। পূর্ববর্তী অধ্যায়ের হাদীসগুলোর ওপর তাঁরা নির্ভর করেছেন। ইমাম মালিক ও কোনো কোনো ফকীহ মোজার ওপর মাসেহ করার সময় নির্ধারণ করেন নি। তাঁরা এই দুইটি হাদীসের উপর নির্ভর করেছেন। তাঁদের এই মতটি দুর্বল। এই দুইটি হাদীসের একটি দুর্বল এবং অন্যটি সাহাবীর ধারণা। এর বিপরীতে অনেক সহীহ্ হাদীস ও অন্যান্য সাহাবীর মতামত রয়েছে। এজন্য সেগুলোর ওপর নির্ভর করা প্রয়োজন।
كتاب الطهارة
(4) باب حجة من قال بعدم التوقيت فى المسح على الخفين
(340) عن خزيمة بن ثابٍت الأنصارىِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال امسحوا على الخفاف ثلاثة أياٍم ولو لستزدناه لزادنا (وعنه من طريٍق ثاٍن) (1) قال جعل النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ثلاثة أياٍم للمسافر ويومًا وليلًة للمقيم وأيم الله لو مضى السَّائل فى مسألته لجعلها خمسًا
তাহকীক: