মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ৩০১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০১) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা) ওযু করলেন। তাতে তিনবার হাত দু'টি (কব্‌জী পর্যন্ত) ধুইলেন। কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন তিনবার তিনবার করে। আর ওযু করলেন তিনবার তিনবার করে।
[হাইসুমী বলেন, এ হাদীসটি তাবারানী আল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। এর সনদ হাসান।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(301) عن أبي أمامة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ فغسل يديه ثلاثًا ثلاثًا وتمضمض واستنشق ثلاثًا ثلاثًا وتوضَّأ ثلاثًا ثلاثًا.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০২) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি একবার করে ওযু করলো সে ওযুর কর্তব্য পালন করল যা পালন করা আবশ্যক। আর যে দু'বার করে ওযু করল সে দ্বিগুণ সওয়াব পাবে। আর যে তিনবার করে ওযু করে সে আমার মত এবং আমার পূর্বের নবীদের মত ওযু করলো।
(ইবন হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত। তাছাড়া হাইসুমী ও মাজমাউয যাওয়ায়েদ থেকে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন এবং তাতে একজন বর্ণনাকারী আছেন, যাকে কেউ দুর্বল আবার কেউ নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(302) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال من توضَّأ واحدةً فتلك وظيفة الوضوء الَّتي لابدَّ منها، ومن توضَّأ اثنتين فله كفلان، ومن توضَّأ ثلاثًا فذلك وضوئي ووضوء الأنبياء قبلي.
হাদীস নং: ৩০৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০৩) আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, উসমান (রা) মাকায়েদ নামক বৈঠকখানায় তিনবার তিনবার করে ওযু করেন। তখন তাঁর কাছে রাসূল (সা)-এর কতিপয় সাহাবী উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, আপনারা কি রাসুল সা)-কে এভাবে অযু করতে দেখেন নি? তারা বললেন, হ্যাঁ।
[মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(303) عن أنس رضي الله عنه أنَّ عثمان رضى الله عنه توضَّأ بالمقاعد ثلاثًا ثلاثًا وعنده رجالٌ من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أليس هكذا رأيتم رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضَّأ، قالوا نعم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০৪) আবদু খাইর আলী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, এটা রাসূল (সা)-এর ওযু। তিনি তিনবার তিনবার করে ওযু করেছিলেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী।)
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(304) ز عن عبد خيرٍ عن عليٍ رضي الله عنه قال هذا وضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ ثلاثًا ثلاثًا.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০৫) আমর ইবন শু'আইব তাঁর বাবার সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, জনৈক বেদুঈন নবী (সা)-এর কাছে ওযু প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করার জন্য আসলেন। রাসূল (সা) তাকে তিনবার তিনবার করে ওযু করে দেখালেন। তারপর বললেন, এই হল ওযু। যে এর চেয়ে বেশী করবে সে ভুল করবে, সীমালঙ্ঘন করবে ও জুলুম করবে।
(আবু দাউদ। নাসাঈ ইবন মাজাহ ও ইবন খুযাইমা। তিনি ও আরও কিছু মুহাদ্দিস হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(305) عن عمرو بن شعيبٍ عن أبيه عن جدَّه قال جاء أعرابي إلى النَّبِّي صلى الله عليه وسلم يسأله عن الوضوء فأراه ثلاثًا ثلاثًا قال هذا الوضوء فمن زاد على هذا فقد أساء وتعدَّى وظلم
হাদীস নং: ৩০৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৬) ওযুর পর কী বলবে?
(৩০৬) উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তমভাবে ওযু করবে অতঃপর أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খোলা হয়। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা করে প্রবেশ করতে পারবে।
[মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবনে হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(16) باب ما يقول بعد الوضوء
(306) عن عمر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من توضَّأ فأحسن الوضوء ثمَّ رفع نظره إلى السَّماء فقال أشهد أن لا إله إلاَّ الله وحده
لا شريك له وأشهد أنَّ محمَّدًا عبده ورسوله فتحت له ثمانية أبواب الجنَّة يدخل من أيها شاء.
হাদীস নং: ৩০৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৬) ওযুর পর কী বলবে?
(৩০৭) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি উত্তম ভাবে ওযু করে অতঃপর তিনবার বলে, أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ তার জন্য জান্নাতের তিনটি দরজা খোলা হবে। তার যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে। [ইবনু মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত। এ হাদীসের সনদ দুর্বল। তবে প্রথমোক্ত হাদীসটি এ হাদীসকে শক্তিশালী করে।
كتاب الطهارة
(16) باب ما يقول بعد الوضوء
(307) عن أنس بن مالك رضي الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال من توضأ فأحسن الوضوء ثمَّ قال ثلاث مراتٍ أشهد أن لا إله إلاَّ الله وحده لا شريك له وأن محمَّدًا عبده ورسوله فتحت له من الجنَّة ثلاثة أبواب من أيِّها شاء دخل
হাদীস নং: ৩০৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৭) ওযুর পর মোছা প্রসঙ্গে
(৩০৮) যায়েদ ইবন হারিছা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর কাছে প্রথম যখন ওহী অবতীর্ণ হয় তখন জিব্রাঈল তাঁর কাছে আসলেন। তাঁকে ওযু ও নামায পড়ার নিয়ম শেখালেন। যখন ওযু করা শেষ করলেন তখন এক আঁজলা পানি নিয়ে তা তাঁর লজ্জাস্থানের ওপর ছিটিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) ওযুর পরে পানি ছিটাতেন।*
(ইবনে মাজাহ ও দারু কুতনী কর্তৃক বর্ণিত। এর সনদ দুর্বল।)
*[পেশাব করার পর ওযু করলে তখনই রাসূল (সা) মন থেকে শয়তানের ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহ দূর করার জন্য এরূপ করতেন।]
كتاب الطهارة
(17) باب فى النضح بعد الوضوء
(308) عن زيد بن حارثة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّ جبريل عليه السَّلام أتاه في أوَّل ما أوحى إليه فعلًّمه الوضوء والصَّلاة فلمَّا فرغ من الوضوء أخذ غرفة من ماء فنضح بها فرجه (1).
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৭) ওযুর পর মোছা প্রসঙ্গে
(৩০৯) উসামা ইবন যায়েদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, জিব্রাঈল (আ) যখন নবী (সা)-এর কাছে আসলেন তখন তাঁকে ওযু করার নিয়ম কানুন শিখিয়ে দিলেন। যখন তাঁর ওযূ শেষ করলেন তখন এক আঁজলা পানি নিয়ে তা লজ্জাস্থানের দিকে ছিটিয়ে দিলেন। নবী (সা)-ও তাঁর ওযুর পর (এভাবে) পানি ছিটিয়ে দিতেন।
[হাদীসটির সনদের একজন রাবীর ব্যাপারে মতভেদ আছে।]
كتاب الطهارة
(17) باب فى النضح بعد الوضوء
(309) عن أسامة بن زيد رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أن جبريل عليه السلام لمَّا نزل على النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فعلمه الوضوء فلما فرغ من وضوئه أخذ حفنة من ماء فرشَّ بها نحو الفرج، قال فكان النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يرشُّ بعد وضوئه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১০) মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি উবাইদিল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি দেখেছেন? প্রতি নামাযের জন্য পবিত্র থাক বা না থাক আবদুল্লাহ ইবন উমর ওযু করতেন? এর কারণ কি? তিনি উত্তরে বলেন, তাঁকে আসমা বিনতে যায়েদ ইবন্ খাত্তাব বলেছেন, তাঁকে আবদুল্লাহ ইবন্ হানযালা ইবন্ আবু আমির অর্থাৎ ফিরিশতাদের দ্বারা গোসলপ্রাপ্ত (হানযালার পুত্র আবদুল্লাহ) বলেছেন যে, রাসূল (সা)-কে প্রতি নামাযের জন্য ওযু করার আদেশ দেওয়া হয়। পবিত্র থাক বা না থাক। যখন তা রাসূল (সা)-এর জন্য কষ্টকর হয়ে পড়লো, তখন তাঁকে প্রতি নামাযের জন্য মিসওয়াক করার আদেশ দেয়া হল এবং ওযুর আদেশ রহিত করে নেয়া হল। তবে হাদস হলে ওযু করার আদেশ বলবৎ রইল। তিনি বলেন, (এ কারণেই) আবদুল্লাহ (ইবন উমর) মনে করতেন যে, তাঁর ওযু করার ক্ষমতা আছে। তাই তিনি ওযু (অর্থাৎ প্রতি নামাযের জন্য ওযু) করতেন, মৃত্যু পর্যন্ত।
[আবু দাউদ কর্তৃক শক্তিশালী সনদে বর্ণিত এবং ইবনু খুযাইমা কর্তৃক সহীহ বলে মন্তব্যকৃত।]
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(310) عن محمَّد بن يحيي بن حبَّان الأنصاريِّ ثمَّ المازنِّى مازن بني النَّجَّار عن عبيد الله بن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال قلت له أرأيت وضوء عبد الله بن عمر لكلِّ صلاٍة طاهرًا كان أو غير طاهر عمَّ هو، فقال حدَّثته أسماء بنت زيد بن الخطَّاب أنَّ عبد الله بن حنظلة بن أبى عامر بن الغسيل حدَّثها أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أمر بالوضوء لكلِّ صلاٍة (1) طاهرًا كان أو غير طاهر فامَّا شقَّ ذلك على رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بالسِّواك عند كلِّ صلاٍة ووضع عنه الوضوء إلاَّ من حدٍث، قال فكان عبد الله يرى أنَّ به قوَّةً على ذلك كان يفعله حتَّى مات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১১) আমর ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূল (সা) প্রতি নামাযের জন্য ওযু করতেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, আপনারা কি করতেন। তিনি বলেন, আমরা একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায পড়তাম। হাদস (ওযু নষ্ট) না হওয়া পর্যন্ত।
[আবূ দাউদ, ইবন্ খুযাইমা সহীহ সনদ।] [বুখারী ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(311) عن عمرو بن عامر قال سمعت أنسًا يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضَّأ عند كل صلاٍة (2) قال قلت (3) وأنتم كيف كنتم تصنعون قال كنَّا نصلَّى الصَّلوات بوضوٍء واحٍد ما لم تحدث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১২) সুলাইমান ইবন্ বুরাইদা তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) মক্কা বিজয়ের দিন একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায পড়েছিলেন, তখন উমর (রা) বললেন, আপনি আজকে এমন একটা কাজ করলেন যা আগে কখনো করেন নি। তিনি উত্তরে বললেন, তা আমি ইচ্ছাকৃতভাবে করেছি।
[মুসলিম, নাসায়ী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(312) عن سليمان بن بريدة عن أبيه أنَّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم صلَّى الصَّلوات بوضوٍء واحٍد يوم الفتح، فقال له عمر إنَّك صنعت شيئًا لم تكن تصنعه (1) قال عمدًا صنعته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১৩) উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) পেশাব করলেন। তখন উমর (রা) তাঁর পেছনে একটি (পানির) পাত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন। তখন রাসুল (সা) বললেন, উমর। এটা কি? তিনি বললেন, এ হচ্ছে আপনার ওযু করার পানি, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তিনি বললেন, প্রত্যেক পেশাবের পর ওযু করার জন্য আমি আদেশ প্রাপ্ত হইনি। আর আমি যদি তা করতে থাকি তা হলে তা (একটা) সুন্নাত কাজে পরিণত হবে।
[ইবন মাজাহ, আবূ দাউদ কর্তৃক বর্ণিত, সুয়ূতী জামি উস সাগীরে হাদীসটি উল্লেখ করে তা হাসান হবার প্রতীক ব্যবহার করেছেন।]
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(313) عن عائشة أمِّ المؤمنين رضى الله عنها أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم بال فقام عمر خلفه بكوٍز فقال ما هذا يا عمر؟ قال ماء توضأ به (2) يا رسول الله قال ما أمرت كلَّما بلت أن أتوضَّأ، ولو فعلت ذلك كانت سنَّةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১৪) তিনি অপর এক বর্ণনায় আরও বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন ওযু করতেন।
(হাইসুমী বলেন, এর সনদ একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(314) وعنها أيضًا فى رواية أخرى أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج من الخلاء توضَّأ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৮) প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করা এবং একই ওযু দ্বারা একাধিক নামায আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে।
(৩১৫) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করলে আমি প্রতি নামাযের সময় তাদেরকে ওযু করতে বলতাম, আর প্রতি ওযুর সময় মিসওয়াক করতে আদেশ করতাম। আর শেষ এশার (অর্থাৎ এশার) নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতাম।
[আল মুনতাকা গ্রন্থে বলা হয়েছে, এ হাদীসটি ইমাম আহমদ সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন।]
كتاب الطهارة
(18) باب فى الوضوء لكل صلاة وجواز الصلوات بوضوء واحد
(315) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا أن أشقَّ على أمتى لأمرتهم عند كلِّ صلاة بوضوء ومع كلِّ وضوٍء بسواك ولأخَّرت عشاء الآخرة إلى ثلث اللَّيل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৯) মসজিদে ওযু করা বৈধ, আর ঘুমাবার আগে ওযু করা মুস্তাহাব
(৩১৬) আবুল 'আলীয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (সা)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি তোমাকে জানাচ্ছি যে, রাসূল (সা) মসজিদে ওযু করেছিলেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস আমি অন্য কোথাও দেখিনি। তবে হাদীসটি সহীহ্ বলে প্রতীয়মান হয়।]
كتاب الطهارة
(19) باب فى جواز الوضوء فى المسجد واستحبابه لمن أراد النوم
(316) عن أبى العالية عن رجل من أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال حفظت لك أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ في المسجد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৯) মসজিদে ওযু করা বৈধ, আর ঘুমাবার আগে ওযু করা মুস্তাহাব
(৩১৭) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) যখন ঘুমাতে চাইতেন (অপর এক বর্ণনায় আছে জানাবত অবস্থায়।) নামাযের ওযুর মত ওযু করতেন। (অপর এক বর্ণনায় তাঁর থেকে আরও বর্ণিত আছে যে.) রাসূল (সা) যখন ঘুমাতে চাইতেন তখন নামাযের জন্য যেরূপ ওযু করতেন সেরূপ ওযু করে নিতেন, তারপর ঘুমিয়ে পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত। আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, দ্বিতীয় সূত্রের হাদীসটি আমি কোথাও পাই নি, তবে এর সনদ উত্তম।)
كتاب الطهارة
(19) باب فى جواز الوضوء فى المسجد واستحبابه لمن أراد النوم
(317) عن عائشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام (وفي رواية زيادة وهو جنب) توضَّأ وضوءه للصَّلاة (وعنها من طريق آخر) (1) أنَّ رسول الله صبى الله عليه وسلم كان إذا أراد أن يرقد توضَّأ وضوءه للصَّلاة ثمَّ يرقد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৯) মসজিদে ওযু করা বৈধ, আর ঘুমাবার আগে ওযু করা মুস্তাহাব
(৩১৮) বারা ইবন আযিব থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে তখন ওযু করবে তার পর ডান পাশে কাত হয়ে শুয়ে পড়বে এবং বলবে اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ (হে আল্লাহ! আমার মুখমণ্ডল তোমার দিকে সমর্পিত করছি)
[বুখারী, মুসলিম আবূ দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(19) باب فى جواز الوضوء فى المسجد واستحبابه لمن أراد النوم
(318) عن البراء بن عازب رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال إذا أويت إلى فراشك فتوضَّأ ونم على شقِّك الأيمن وقل اللَّهمَّ أسلمت وجهى إليك "الحديث"
হাদীস নং: ৩১৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ চামড়ার মোজার মাসেহ-এর পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩১৯) আ'মাশ ইব্রাহীম থেকে তিনি হাম্মাম থেকে বর্ণনা করে বলেন, জারীর ইবন আবদুল্লাহ (রা) পেশাব করলেন, তারপর ওযু করলেন এবং তাঁর চামড়ার মোজা দু'টির উপর মাসেহ করলেন। তখন তাঁকে বলা হল, আপনি এরূপ করলেন অথচ (ইতিপূর্বে) আপনি পেশাব করেছেন। তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ করেছি। আমি রাসূল (সা)-কে দেখেছি যে, তিনি পেশাব করলেন তারপর ওযু করলেন এবং তাঁর মোজা দু'টির উপর মাসেহ করলেন। ইব্রাহীম বলেন, মুহাদ্দিসগণের কাছে এ হাদীসটি পছন্দনীয় ছিল। কারণ, জারীর সূরা মায়িদা অবতীর্ণ হবার পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
[বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত। জারীরের হাদীস থেকে নিশ্চিত জানা যায় যে, সূরা মায়িদায় ওযূ গোসল ও তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হওয়ার পরেও মোজার উপর মাসেহ করার বিধান বলবৎ ছিল।]
كتاب الطهارة
أبواب المسح على الخفين

(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(319) عن الأعمش عن إبراهيم عن همَّاٍم قال بال جرير بن عبد الله رضى الله عنه ثمَّ توضَّأ ومسح على خفَّيه فقيل له تفَّعل هذا وقد بلت؟ قال نعم، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بال ثم توضَّأ ومسح على خفَّيه، قال إبراهيم فكان يعجبهم هذا الحديث، لأنَّ إسلام جرير كان بعد نزول المائدة (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩২০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ মাসেহ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(৩২০) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) মোজার উপর মাসেহ করেছিলেন। ওদের জিজ্ঞাসা করুন, যারা মনে করেন যে, নবী (সা) সূরা মায়িদা অবতীর্ণ হবার পূর্বে মোজার উপর মাসেহ করেছিলেন। অথবা সূরা মায়িদা অবতীর্ণ হবার পর করেছিলেন। আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি! তিনি সূরা মায়িদা অবতীর্ণ হবার পর মাসেহ করেন নি।১ মরুভূমি অতিক্রমকারী পৃষ্ঠের উপর মাসেহ করা আমার কাছে মোজার উপর মাসেহ করার চেয়ে বেশী প্রিয়।
১এ হাদীস থেকে প্রতীয়মান হয়, সূরা মায়িদার ওযুর বিধান অবতীর্ণ হবার পর মোজার উপর মাসেহ করা ইবন আব্বাস (রা) বৈধ মনে করতেন না। তবে অপর বর্ণনায় তিনি তাঁর এ অভিমত প্রত্যাখ্যান করে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাহাবীর অভিমত গ্রহণ করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস আমি অন্য কোথাও পাই নি। অবশ্য এর সনদ উত্তম।]
كتاب الطهارة
(1) باب ما جاء فى مشروعية ذلك
(320) عن ابن عبَّاٍس رضى الله عنهما قال قد مسح رسول الله صلى الله عليه وسلم على الخفين فاسألوا هؤلاء الذين يزعمون أنَّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مسح قبل نزول المائدة أو بعد نزول المائدة، والله ما مسح بعد المائدة، ولأن أمسح على ظهر عابٍر بالفلاة أحب إلىَّ من أن أمسح عليهما
tahqiq

তাহকীক: