মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ২৮১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮১) সালিম সাবালান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আয়িশা (রা)-এর সাথে মক্কায় গিয়েছিলাম। তিনি আবু ইয়াহ্ইয়া আত তাইমীকে সাথে নিয়ে বের হতেন এবং তাঁকে দিয়ে নামায আদায় করাতেন। তিনি (সালিম) বলেন, আমরা আবদুর রহমান ইবন্ আবূ বকর সিদ্দীককে পেলাম। তখন আবদুর রহমান ওযু করতে গিয়ে ভুল করলেন। তখন আয়িশা (রা) বললেন, হে আবদুর রহমান! ভাল করে ওযু কর। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ (সা)-কে বলতে শুনেছি, পায়ের গোড়ালীসমূহ কিয়ামত দিবসে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।
(অপর এক বর্ণনায় আছে।) আবু সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুর রহমান আয়িশার কাছে ওযু করলেন। তখন আয়িশা (রা) বললেন, হে আবদুর রহমান! ওযু ভাল করে কর। কারণ আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি যে, গোড়ালীর উপরের অংশ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। (অর্থাৎ ওযুর সময় তা ভাল করে না ধোয়া হলে কিংবা তাতে পানি না পৌছানো হলে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
[মুসলিম ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(281) عن سالم سبلان قال خرجنا مع عائشة رضى الله عنها إلى مكة قال وكانت تخرج بأبي يحيى التيميِّ يصلى بها فأدركنا عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق فأساء عبد الرحمن الوضوء فقالت عائشة يا عبد الرحمن أسبغ
الوضوء فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويل (1) للأعقاب يوم القيامة من النار
(ومن طريق آخر) (2) عن أبي سلمة قال توضأ عبد الرحمن عند عائشة رضى الله عنها فقالت يا عبد الرحمن أسبغ الوضوء فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويلٌ للعراقيب من النار (3).
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮২) জাবির ইবন্ আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) একদল লোককে দেখলেন যে, তারা ওযু করছেন। কিন্তু তাদের পায়ের গোড়ালীতে পানি স্পর্শ করে নি। তখন রাসূল (সা) বলেন, পায়ের গোড়ালীগুলো ধ্বংস হোক, (অপর বর্ণনায় আছে) পায়ের গোড়ালীর ওপরের অংশ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।
[ইবনে মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত। এ হাদীসের সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(282) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم قومًا يتوضَّؤون فلم يمسَّ أعقابهم الماء، فقال ويلٌ للأعقاب (وفي روايةٍ للعراقيب) من النَّار.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮৩) আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) একদল লোককে দেখলেন যে, তারা ওযু করছেন কিন্তু তাদের পায়ের গোড়ালীগুলো শুকনো দেখা যাচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। তোমরা ওযু ভাল করে কর।
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(283) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم قومًا يتوضَّؤون وأعقابهم تلوح (4) فقال ويلٌ للأعقاب
من النَّار، أسبغوا الوضوء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮৪) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনিও নবী (সা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
[মুসলিম প্রমুখ কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(284) عن أبي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮৫) আবদুল্লাহ ইবন্ আল হারিছ ইবন্ জায (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি। পায়ের গোড়ালী ও পায়ের তালুসমূহ জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে।
[তাবারানী ও ইবন্ খুযাইমা কর্তৃক বর্ণিত। এর সনদে ইবন লুহাইয়া আছেন। তবে ইমাম আহমদ অপর এক সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যাতে ইবন লুহাইয়া নেই।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(285) عن عبد الله بن الحارث بن جزء رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويلٌ للأعقاب وبطون الأقدام من النَّار.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ভাল করে ওযু করা প্রসঙ্গে এবং রাসুল (সা)-এর উক্তি-পায়ের গোড়ালীগুলো জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
(২৮৬) সাঈদ ইবন্ হুসাইন আল হেলালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে আমার দাদী রাবিয়া বিনতে ইয়াদ আল কেলাবিয়া তাঁর দাদা উবায়দা ইবন্ আমর আল কেলাবী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি রাসূল (সা)-কে ওযু করতে দেখলাম যে, তিনি ভাল করে পবিত্র হলেন। আর তার দাদী যখন ওযু করতেন ভালভাবেই পবিত্র হতেন। এমনকি মাথার কাপড় তুলে মাথা মাসেহ করতেন।
[হাইসুমী এ হাদীসটি মাজমা'উয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেন, এটা আহমদ (আবদুল্লাহ ইবন্ আহমদ) বাযযার ও তাবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في إسباغ الوضوء وقوله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار
(286) ز عن سعيد بن خثم الهلاليِّ قال حدثني جدتي ربعيَّة بنت عياضٍ الكلابيَّة عن جدَّها عبيدة بن عمرو الكلابِّي رضى الله عنه قال
رأيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يتوضَّأ فأسبغ الطهور، وكانت هي إذا توضأت أسبغت الطهور حتى ترفع الخمار فتمسح رأسها.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: দু'পায়ের আঙুল খিলাল করা প্রসঙ্গে
(২৮৭) মুস্তাওরিদ ইবন্ শাদ্দাদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসুল (সা)-কে দেখলাম, তিনি যখন ওযূ করতেন তখন হাতের কনিষ্ঠা আঙুল দ্বারা পায়ের আঙুলগুলো খিলাল করতেন।
[চার সুনানে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তাছাড়া বাইহাকী দাওলাবী ও দারুকুতনীও বর্ণনা করেছেন। ইবন্ কাত্তান হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث في تخليل أصابع الرجلين
(287) عن المستورد بن شدَّادٍ رضى الله عنه صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا توضأ خلل أصابع رجليه بخنصره.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: দু'পায়ের আঙুল খিলাল করা প্রসঙ্গে
(২৮৮) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক রাসূল (সা)-কে নামাযের কোন এক বিষয় সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। রাসূল (সা) তাকে বললেন, তোমার হাতের ও পায়ের আঙুলগুলো খিলাল কর। অর্থাৎ পূর্ণভাবে ধৌত কর। তাকে যা বলেছিলেন তাতে আরও ছিল, যখন রুকু করবে তখন তোমার হাত দু'টি তোমার দু' হাঁটুতে রাখবে আর পরিপূর্ণ প্রশান্ত হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করবে। (অপর এক বর্ণনায় আছে হাঁটু দু'টি পরিপূর্ণ প্রশান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।) আর যখন সিজদা করবে তখন তোমার কপাল এমনভাবে মাটিতে রাখবে যাতে ভূমি ভালভাবে স্পর্শ করে।
[ইবন মাজাহ, তিরমিযী ও হাশম কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীয়মান হয়।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث في تخليل أصابع الرجلين
(288) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم عن شيء من أمر الصلاة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم خلِّل أصابع يديك ورجليك
يعني إسباغ الوضوء، وكان فيما قال له إذا ركعت فضع كفَّيك على ركبتيك حتى تطمئنَّ (وفي رواية حتى تطمئنَّا) وإذا سجدت فأمكن جهتك من الأرض حتى تجد حجم الأرض.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৪) ওযুর স্থান শুষ্ক থাকা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ও উত্তমভাবে ওযু করা প্রসঙ্গে অধ্যায়
(২৮৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, এক লোক রাসূল (সা)-এর কাছে আসলেন। লোকটি ওযু করেছিলেন এবং তাঁর গায়ের ওপর নখ পরিমাণ স্থান অধৌত ছিল। তখন রাসূল (সা) তাঁকে বললেন, যাও ভাল করে ওযু করে আস।
[আবু দাউদ, দারু কুতনী, ইবন মাজাহ ও ইবন খুযাইমা কর্তৃক বর্ণিত এবং সহীহ।]
كتاب الطهارة
(14) باب في اللمعة والموالاة والحث على إحسان الوضوء
(289) عن أنس بن مالك رضى الله عنه أن رجلًا جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم قد توضأ وترك على قدمه مثل موضع الظُّفر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ارجع فأحسن وضوءك.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৪) ওযুর স্থান শুষ্ক থাকা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ও উত্তমভাবে ওযু করা প্রসঙ্গে অধ্যায়
(২৯০) জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রা) তাঁকে বলেছেন যে, তিনি এক লোককে ওযু করতে দেখলেন। লোকটি নখ পরিমাণ স্থান তাঁর পায়ের ওপর ছেড়ে গেছেন। নবী (সা) লোকটিকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, ফিরে যাও ভাল করে ওযু করে আস। লোকটি চলে গেলেন। তারপর ওযু করে নামায পড়লেন।
[মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত। তবে মুসলিমের বর্ণনায় 'তারপর ওযু করে নামায পড়লেন' কথাটি নেই।]
كتاب الطهارة
(14) باب في اللمعة والموالاة والحث على إحسان الوضوء
(290) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أن عمر بن الخطاب رضى الله عنه أخبره أنه رأى رجلًا توضأ فترك موضع (1) ظفرٍ على ظهر قدمه فأبصره النبي صلى الله عليه وسلم فقال ارجع فأحسن وضوءك فرجع فتوضَّأ ثم صلى.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৪) ওযুর স্থান শুষ্ক থাকা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ও উত্তমভাবে ওযু করা প্রসঙ্গে অধ্যায়
(২৯১) খালিদ ইবন্ মা'দান নবী (সা)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) এক লোককে নামায পড়তে দেখলেন তখন তার পায়ের ওপর এক দিরহাম পরিমাণ স্থান উজ্জ্বল রয়ে গেছে যাতে পানি পৌঁছে নি। তখন রাসূল (সা) তাঁকে আবার পুনরায় ওযু করার নির্দেশ দিলেন।
[আবু দাউদ কর্তৃক বর্ণিত। আসলাম বলেন, আমি ইমাম আহমদ ইবন হাম্বলকে বললাম, এ হাদীসের সনদ কি তিনি বললেন, সুন্দর।]
كتاب الطهارة
(14) باب في اللمعة والموالاة والحث على إحسان الوضوء
(291) عن خالد بن معدان عن بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلًا يصلي وفي ظهر قدمه لمعة (1) قدر الدِّرهم لم يصبها الماء فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يعيد الوضوء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৪) ওযুর স্থান শুষ্ক থাকা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ও উত্তমভাবে ওযু করা প্রসঙ্গে অধ্যায়
(২৯২) আবু রাওহা আল কালায়ী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা) আমাদের নিয়ে সকালের (ফজরের) নামায পড়লেন। তখন তিনি সূরা রূম পাঠ করছিলেন। এক আয়াত তিনি বার বার পড়লেন। যখন নামায শেষ করলেন তখন বললেন, আমার কাছে আল কুরআন সংমিশ্রণ হয়। কিছু লোক আমাদের সাথে নামায পড়ে তারা ভাল করে ওযু করে না। যারা আমাদের সাথে নামাযে উপস্থিত হবে তারা যেন ভাল করে ওযু করে।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।) তাতে আরও আছে যে, শয়তান আমাদের কিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন কিছু লোকের জন্য যারা বিনা ওযুতে নামাযে আসে। তোমরা যখন নামাযে আসবে তখন ভাল করে ওযু করবে।
[হাইসুমী হাদীসটি উল্লেখ করেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ। হাদীসটি নাসাঈও বর্ণনা করেছেন।]
كتاب الطهارة
(14) باب في اللمعة والموالاة والحث على إحسان الوضوء
(292) عن أبي روحٍ الكلاميِّ رضى الله عنه قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح فقرأ بالرُّوم فتردَّد في آيةٍ فلما انصرف قال إنه يلبِّس علينا القرآن أن أقوامًا يصلون معنا لا يحسنون الوضوء، فمن شهد الصلاة معنا فليحسن الوضوء
(وعنه من طريق ثان بنحوه) (2) وفيه إنما لبس علينا
الشَّيطان القراءة من أجل أقوامٍ يأتون الصلاة بغير وضوء فإذا أتيتم الصلاة فأحسنوا الوضوء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৩) 'আতা ইবন্ ইয়াসার ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ওযু করলেন এতে প্রত্যেক অঙ্গ একবার করে ধুইলেন। তারপর উল্লেখ করলেন, রাসূল (সা)-ও এরূপ করেছিলেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি অন্য কোথাও পাইনি। এর সনদ খুবই সুন্দর ও সহীহ। বর্ণনাকারীগণ বুখারী মুসলিমের বর্ণনাকারী।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(293) عن عطاء بن يسار عن ابن عباس رضى الله عنهما أنه توضأ فغسل كلَّ عضوٍ منه غسلةً واحدةً ثم ذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم فعله.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৪) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সা) একবার একবার করে ওযু করেছিলেন।
(বুখারী ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(294) عن ابن عباس رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ مرةً مرةً.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৫) উমর ইবন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনিও নবী (সা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(295) عن عمر بن الخطاب رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৬) মুত্তালিব ইবন আবদুল্লাহ ইবন হানতাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন উমর (রা) তিনবার করে ওযু করতেন। তিনি নবী (সা)-এর সাথে সম্পৃক্ত করতেন। আর ইবন আব্বাস (রা) একবার করে ওযু করতেন এবং তিনিও তা নবী (সা)-এর সাথে সম্পৃক্ত করতেন।
(আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি আমি অন্য কোন গ্রন্থে পাইনি। এর একজন রাবী সম্বন্ধে আপত্তি রয়েছে।)
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(296) عن المطَّلب بن عبد الله بن حنطب قال كان ابن عمر يتوضأ
ثلاثًا يرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وكان ابن عباس يتوضأ مرة يرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৭) উমারা ইবন উসমান ইবন হুনাইফ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে কাইসী বলেছেন যে, তিনি এক সফরে রাসূল (সা)-এর সাথে ছিলেন। তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর (তাঁর জন্য) পানি আনা হলো, তখন তিনি পাত্র থেকে নিয়ে নিজের হাতের উপর ঢাললেন। তারপর তা একবার ধুইলেন। মুখমণ্ডলের উপর একবার ঢাললেন। হাত দু'টির ওপর (কনুই পর্যন্ত) ঢাললেন এবং পা দু'টি দুইলেন একবার। তিনি তাঁর (কাইসী) হাদীসে আরও বললেন, তিনি তাঁর ছোট আঙ্গুলী তাঁর (পায়ের) বড় আঙ্গুলে ঘুরালেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, আমি এ হাদীস অন্য কোথাও পাইনি। তবে এর সনদ সুন্দর। মুহাদ্দিসদের বক্তব্য থেকে হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীয়মান হয়।
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(297) عن عمارة بن عثمان بن حنيفٍ حدثني القيسىُّ أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فبال فأتى بماءٍ فهال على يده من الإناء فغسلها مرَّة وعلى وجهه مرة وعلى ذراعيه مرَّة وغسل رجليه مرَّة بيديه كلتيهما، وقال في حديثه التف إصبعه الإبهام.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৮) আবদুল্লাহ ইবন্ যাইদ আল আনসারী আল মাযিনী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (সা) দু'বার দু'বার করে ওযু করলেন।
[বুখারী কর্তৃক বর্ণিত।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(298) عن عبد لله بن زيد الأنصاريِّ ثم المازنيِّ رضى الله عنه أنَّ النبي صلى الله عليه وسلم توضأ مرتين مرتين.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(২৯৯) আবূ হুরায়রা (রা) থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।*
*[আবূ দাউদ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, এটা হাসান ও গরীব।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(299) عن أبي هريرة رضى الله عنه مثله.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১৫) একবার দু'বার তিনবার ওযু করা প্রসঙ্গে এবং তার চেয়ে বেশী করা মাকরূহ অধ্যায়
(৩০০) উসমান ইবন আফফান (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা) তিনবার তিনবার করে ওযু করেছেন।
[আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। এ প্রসঙ্গে এ হাদীসটি সর্বোত্তম।]
كتاب الطهارة
(15) باب في الوضوء مرة ومرتين وثلاثًا وكراهة الزيادة
(300) عن عثمان بن عفَّان رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم توضَّأ ثلاثًا ثلاثًا.
tahqiq

তাহকীক: