মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৫৬২ টি

হাদীস নং: ২৪১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪১) আবূ গাতফান বলেন, আমি ইবন আব্বাস (রা)-এর কাছে গেলাম। তখন তাঁকে ওযু করা অবস্থায় দেখতে পেলাম। তখন তিনি কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। তারপর বললেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা নাক পরিষ্কার করো দু'বার। (অপর এক বর্ণনায় আছে দু'বার খুব ভাল করে) অথবা তিনবার।
[আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, বাইহাকী, ও হাকিম কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(241) عن أبي غطفان قال دخلت على ابن عباس رضي الله عنهما فوجدته يتوضأ فتمضمض واستنشق ثم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم استنثروا ثنتين (وفي رواية مرتين بالغتين أو ثلاثًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪২) আবদু খাইর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা ফজরের সালাত পড়ে তাঁর কাছে অর্থাৎ আলী (রা)-এর কাছে আসলাম এবং তাঁর কাছে বসলাম। তখন তিনি ওযূর পানি চাইলেন। তখন তাঁকে একটা পাত্র দেয়া হল তাতে পানি ছিল, আর এক তস্তরী দেয়া হল। তিনি বলেন, তখন তিনি পাত্রটি তাঁর ডান হাতের উপর কাত করলেন। তারপর তাঁর হাত দু'টি ধুইলেন তিনবার। আর কুলি করলেন তিনবার এবং নাকে পানি দিলেন তিনবার, এক হাতের অঞ্জলী (পানি) দ্বারা।
(অপর এক বর্ণনায় আছে, তখন কুলি করলেন তিনবার আর নাকে পানি দিলেন তিনবার একই হাতের পানি দ্বারা।) অতঃপর মুখমণ্ডল ধুইলেন তিনবার। হাত দু'টি (কনুই পর্যন্ত) ধুইলেন তিনবার তিনবার করে। অতঃপর পাত্রে হাত রাখলেন। তারপর তাঁর দু'হাত দ্বারা গোটা মাথা মাসেহ করলেন একবার। অতঃপর পা দু'টি ধুইলেন তিনবার তিনবার করে। অতঃপর বললেন, এই হলো তোমাদের নবীর ওযু। তোমরা এর নিয়ম জেনে রেখো।
[হাদীসটি সুনান গ্রন্থগুলোতে বর্ণিত হয়েছে। বুখারী ও মুসলিমে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।]
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(242) ز عن عبد خيرٍ قال صلينا الغداة فأتيناه (يعني عليًّا رضي الله عنه) فجلسنا إليه فدعا بوضوءٍ فأتى بركوةٍ فيها ماء وطست قال فأفرغ الركوة على يده اليمنى فغسل يديه ثلاثًا وتمضمض ثلاثًا واستنثر ثلاثًا بكف كف
(وفي روايةٍ فتمضمض ثلاثًا واستنشق ثلاثًا من كف واحدٍ) ثم غسل وجهه ثلاثًا وذراعيه ثلاثًا ثلاثًا ثم وضع يده في الركوة فمسح بها رأسه بكفيه جميعًا مرةً واحدةً ثم غسل رجليه ثلاثًا ثلاثًا ثم قال هذا وضوء نبيكم صلى الله عليه وسلم فاعلموه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪৩) রবী’আ বিনতে মুয়াওয়িয (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুল (সা)-এর ওযুর বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, তিনি কুলি করেন এবং নাকে পানি দেন একবার একবার করে।১
১. এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশবিশেষ। হাদীসটি আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, বাইহাকী ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিনি হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেন।
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(243) عن الرُّبيِّع بنت معوِّذٍ رضى الله عنها "تصف وضوء النبي صلى الله عليه وسلم" قالت ومضمض واستنشق مرةً مرةً.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪৪) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) যখন নাকে পানি দিতেন তখন নাকের দু'ছিদ্রের মধ্যে পানি ঢুকাতেন।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীস, এর সনদ নির্ভরযোগ্য। তবে আমি অন্য কোথাও পাই নি।]
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(244) عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان إذا استنشق أدخل الماء منخريه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪৫) তিনি আরও বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন তোমাদের কেউ ওযু করলে সে যেন তার নাকে পানি দেয়। অতঃপর পানিগুলো বের করে নেয়। (তিনি একবার ليستنثر-এর পরিবর্তে لينثر শব্দটি প্রয়োগ করেন।
(বুখারী ও মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(245) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا توضَّأ أحدكم فليجعل في أنفه ماءا ثمَّ ليستنثر (1) وقال مرَّة لينثر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪৬) তিনি আরও বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ ওযু করবে তখন সে যেন নাকে পনি দেয়। কারণ শয়তান তার নাকের অভ্যন্তরে রাত যাপন করে।
(বুখারী, মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(246) وعنه أيضًا أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضَّأ (2) أحدكم فليستنثر فإنَّ الشَّيطان يبيت على خياشيمه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৮) কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও নাক পরিষ্কার করা প্রসঙ্গে
(২৪৭) লাকীত ইবন সাবিরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আপনি আমাকে ওযু সম্বন্ধে বলুন। রাসূল (সা) বললেন, যখন ওযু করবে তখন পুরোপুরি ও ভাল করে করবে। আর যখন নাকে পানি দিবে তখন ভাল করে দিবে। তবে রোযা রাখলে ভিন্ন কথা।
[চার সুনান গ্রন্থে এবং ইবন খুযাইমা ও হাশেম বর্ণনা করেছেন। শেষোক্ত দু'জন ও তিরমিযী সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।]
كتاب الطهارة
(8) باب في المضمضة والاستنشاق والاستثنار
(247) عن لقيط (3) بن صبرة رضي الله عنه قال يا رسول الله أخبرني عن الوضوء قال إذا توضَّأت فأسبغ (4) وخلِّل الأصابع وإذا استنشقت
فأبلغ (1) إلاَّ أن تكون صائمًا.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: মুখমণ্ডল ও হাত দু'টি ধোয়ার পর কুলি ও নাকে পানি দেয়া বৈধ। ওযুতে পরস্পরা রক্ষার হুকুম প্রসঙ্গে
(২৪৮) মিকদাম ইবন মা'দী কারিব আল কিন্দি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা)-এর কাছে ওযুর পানি আনা হল। তখন তিনি ওযু করলেন। (প্রথমে) হাত দুটি কবজি পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন। তারপর মুখ ধুইলেন তিনবার। তারপর হাত দু'টি দুইলেন তিনবার। তারপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। এবং মাথা ও কানের ভিতর বাইর মাসেহ করলেন। তারপর পা দুটি ধুইলেন তিনবার।
[আবু দাউদ, সাঈদ মানসুর, তাহাবী ও ইবন মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য।]
كتاب الطهارة
فصل في جواز تأخيرهما عن غسل الوجه واليدين وفي حكم الترتيب في الوضوء
(248) عن المقدم بن معديكرب الكنديِّ رضى الله عنه قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بوضوء فتوضَّأ فغسل كفَّيه ثلاثًا ثمَّ غسل وجهه ثلاثًا ثمَّ غسل ذراعيه ثلاثًا ثمَّ مضمض واستنشق ثلاثًا ومسح برأسه وأذنيه ظاهرهما وباطنهما وغسل رجليه ثلاثًا.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: মুখমণ্ডল ও হাত দু'টি ধোয়ার পর কুলি ও নাকে পানি দেয়া বৈধ। ওযুতে পরস্পরা রক্ষার হুকুম প্রসঙ্গে
(২৪৯) রুবাইয়্য বিনতে মুয়াওয়ায (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তাঁর (অর্থাৎ রাসূল (সা)-এর) জন্য এ পাত্রে পানি আনতাম। তখন তিনি তাঁর হাতের ওপর তিনবার পানি ঢালতেন। (অপর এক বর্ণনায় আছে তিনি পাত্রে হাত তুলবার আগে নিজের হাত ধুইতেন এবং মুখমণ্ডল তিনবার ধুইতেন। তিনবার কুলি করতেন। তিনবার নাকে পানি দিতেন। ডান হাত ধুইতেন তিনবার। আর বাম হাত ধুইতেন তিনবার।
(এটা একটি দীর্ঘ হাদীসের সংক্ষিপ্ত রূপ। হাদীসটি সম্বন্ধে পঞ্চম অধ্যায়ের তৃতীয় অনুচ্ছেদে পরিপূর্ণভাবে ও সনদ সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।)
كتاب الطهارة
فصل في جواز تأخيرهما عن غسل الوجه واليدين وفي حكم الترتيب في الوضوء
(249) عن الرُّبيِّع بنت معوِّذٍ رضى الله عنها قالت كنت أخرج له (تعني النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم) الماء في هذا فيصب على يديه ثلاثًا (وفي روايةٍ يغسل يديه قبل أن يدخلهما) ويغسل وجهه ثلاثًا ويمضمض ثلاثًا ويستنشق ثلاثًا ويغسل يده اليمنى ثلاثًا واليسرى ثلاثًا "الحديث".
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: মুখমণ্ডল ও হাত দু'টি ধোয়ার পর কুলি ও নাকে পানি দেয়া বৈধ। ওযুতে পরস্পরা রক্ষার হুকুম প্রসঙ্গে
(২৫০) হুমরান ইবন আবান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন উসমান (রা) একবার পানি চাইলেন। তখন তিনি তার আসনে বসাছিলেন। তখন তিনি তার ডান হাতের উপর পানি ঢেলে হাতটি ধুইলেন। (অপর বর্ণনা মতে তিনি নিজের দু'হাতের উপর তিনবার পানি ঢাললেন এবং হাত দু'টি ধুইলেন।) অতঃপর তাঁর ডান হাত পাত্রে ডুবালেন এবং পানি নিয়ে হাত দু'টি দুইলেন তিনবার। অতঃপর মুখমণ্ডল তিনবার ধুইলেন। অতঃপর কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং নাক ঝাড়লেন। এবং হাত দু'টি কনুই পর্যন্ত ধুইলেন তিনবার। তারপর তাঁর মাথা মাসেহ করলেন।
[এ হাদীসটি একটি দীর্ঘ হাদীসের সংক্ষিপ্তরূপ। এ হাদীসটি বুখারী মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। এ গ্রন্থের পঞ্চম অধ্যায়ে পরিপূর্ণভাবে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।]
كتاب الطهارة
فصل في جواز تأخيرهما عن غسل الوجه واليدين وفي حكم الترتيب في الوضوء
(250) عن حمران بن أبانٍ قال دعا عثمان رضى الله عنه بماءٍ وهو على المقاعد فسكب على يمينه فغسلها (وفي روايةٍ فأفرغ على يديه ثلاثًا فغسلها) ثمَّ أدخل يمينه في الإناء فغسل كفَّيه ثلاثًا ثمَّ غسل وجهه ثلاث مرار ومضمض واستنشق واستنثر وغسل ذراعيه إلى المرفقين ثلاث مرَّات ثمَّ مسح برأسه "الحديث"
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ চেহারা ধৌত করা এবং দাঁড়ি খিলাল করা প্রসঙ্গে
(২৫১) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা) যখন ওযু করতেন তখন পানি দ্বারা তাঁর দাড়ি খিলাল করতেন।
(হাফিজ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। হাফিজ ইবন হাজার হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الطهارة
(9) باب في غسل لوجه وتخليل اللحية وتعاهد الماقين
(251) عن عائشة رضي الله عنها أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا توضَّأ خلَّل لحيته بالماء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ চেহারা ধৌত করা এবং দাঁড়ি খিলাল করা প্রসঙ্গে
(২৫২) আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা) যখন ওযু করতেন তখন কুলি করতেন ও তাঁর দাড়ি গুলো নিচ থেকে পানি দ্বারা মাসেহ করতেন।
[ইবন মাজাহ ও তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত। তিরমিযী এর দুর্বণতা উল্লেখ করে বলেন, এর সনদে একজন অজ্ঞাত রাবী আছেন।]
كتاب الطهارة
(9) باب في غسل لوجه وتخليل اللحية وتعاهد الماقين
(252) عن أبي أيُّوب الأنصاريِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا توضَّأ تمضمض ومسح لحيته من تحتها بالماء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ চেহারা ধৌত করা এবং দাঁড়ি খিলাল করা প্রসঙ্গে
(২৫৩) আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (সা) ওযু করলেন (তাতে) তিনবার কুলি করলেন, তিনবার নাকে পানি দিলেন, তিনবার মুখমণ্ডল দুইলেন। তিনি দু'চোখের কোণ প্রান্ত মুছতেন। তিনি আরও বলেন, নবী (সা) তাঁর মাথা মাসেহ করতেন একবার। আর বলতেন, কান দু'টি মাথার অন্তর্ভুক্ত।
[ইবন মাজাহ ও তাবারানী কর্তৃক আল কাবীর গ্রন্থে বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ্।]
كتاب الطهارة
(9) باب في غسل لوجه وتخليل اللحية وتعاهد الماقين
(253) عن أبي أمامة رضى الله عنه أنَّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم توضَّأ فمضمض ثلاثًا واستنشق ثلاثًا وغسل وجه ثلاثًا وكان يمسح الماقين (1) من
العين قال وكان النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يمسح رأسه مرَّةً واحدةً، وكان يقول الأُّذنان من الرَّأس.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৪) আবূ যুর'আ থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রা) ওযুর পানি চাইলেন। তখন ওযু করলেন। হাত দুটি ধুইলেন এবং কনুই অতিক্রম করলেন। আর যখন পা দু'টি ধুইলেন তখন গোড়ালী অতিক্রম করে পায়ের নলা পিণ্ডলী পর্যন্ত পৌঁছলেন। তখন আমি বললাম, এটা কি করলেন। তখন তিনি বললেন, এটা হল অলংকারের স্থান।
[এ বক্তব্য দ্বারা এক হাদীসের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সে হাদীসে আছে "মু'মিনের অঙ্গের যতটুকু পর্যন্ত ওযূর পানি পৌঁছবে ততটুকু পর্যন্ত তার অলংকার (জান্নাতে) পৌঁছবে।]
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(254) عن أبي زرعة أنَّ أبا هريرة رضي الله عنه دعا بوضوءٍ فتوضَّأ وغسل ذراعيه حتى جاوز المرفقين فلمَّا غسل رجليه جاوز الكعبين إلى السَّاقين فقلت ما هذا فقال هذا مبلغ الحلية (1).
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৫) নু'আইম ইবন আবদুল্লাহ আল মুজমির থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ হুরায়রার কাছে গেলেন মসজিদের ছাদের উপর। তখন তিনি ওযু করছিলেন। তখন তিনি ওযুর পানি দুই বাহু পর্যন্ত উঠালেন। তারপর আমার দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি। আমার উম্মাত কিয়ামত দিবসে ওযুর প্রভাবের কারণে ঘোড়ার কপালের উজ্জ্বলতার মত হবে। কাজেই তোমরা যারা পার তারা উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি কর। নু'আইম বলেন, তার উক্তি 'তোমরা যারা পার তারা উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি কর, কথাটি কি রাসূল (সা)-এর কথা, না কি আবু হুরায়রার কথা তা জানি না।
(মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত। তবে তাতে নু'আইমের শেষের জানি না কথাটি নাই।
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(255) عن نعيم بن عبد الله المجمر (1) أنَّه أتى إلى أبي هريرة على ظهر المسجد وهو يتوضَّأ فرفع في عضديه ثم أقبل عليَّ فقال إنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنَّ أمَّتي يوم القيامة هم الغرُّ (2) المحلجون من آثار الوضوء، فمن استطاع منكم أن يطيل غرَّته فليفع، فقال نعيم لا أدري قوله من استطاع أن يطيل غرته فليفع، من قول رسول الله صلى الله عليه وسلم أو من قول أبي هريرة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৬) ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা)-কে বলা হল, আপনার উন্মতের যারা আপনাকে দেখেন নি তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন? তিনি উত্তরে বললেন, তাঁরা শুভ্র ও উজ্জ্বল হবে ওযুর প্রভাবের কারণে।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ ভাষায় আমি এ হাদীস কোথাও পাই নি। তবে ইমাম মুসলিম আবু হুরায়রা ও হুযাইফা ইবনু ইয়ামান থেকে এ জাতীয় হাদীস বর্ণনা করেছেন।]
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(256) عن ابن مسعودٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قيل له كيف تعرف من لم يرك من أمَّتك فقال إنَّهم غر محجَّلون بلق (3) من آثار الوضوء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৭) আবু হাশিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রার পেছনে ছিলাম তখন তিনি ওযু করছিলেন। তিনি ওযুর পানি বগল পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছিলেন। (তা দেখে) আমি বললাম, আবু হুরায়রা এটা কোন্ ধরনের ওযু তিনি বললেন, হে ফাররুখের ছেলে!১ তোমরা এখানে? যদি আমি জানতাম যে, তোমরা এখানে তাহলে এভাবে ওযু করতাম না। আমি আমার বন্ধু নবী (সা)-কে বলতে শুনেছি, মু'মিনের ওযুর পানি শরীরের যতটুকু পৌঁছবে (জান্নাতে) তাদের অলঙ্কারও ততটুকু পর্যন্ত পৌঁছবে।
[মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।]
১ এ বাক্য দ্বারা অনারব বংশ বুঝানো হয়েছে।
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(257) عن أبي حازمٍ قال كنت خلف أبي هريرة وهو يتوضَّأ وهو يمرُّ الوضوء (4) إلى إبطه فقلت يا أبا هريرة ما هذا الوضوء قال يا بني
فرَّوخ (1) أنتم هاهنا لو علمت أنَّكم ها هنا ما توضَّأت هذا الوضوء إنِّي سمعت خليلي صلى الله عليه وسلم يقول تبليغ الحلية (2) من المؤمن إلى حيث يبلغ الوضوء.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৮) আসিম ইবন্ লাকীত ইবন সাবিরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সা)-এর কাছে আসলাম। তখন তিনি বললেন, যখন ওযু করবে তখন আঙুলগুলো খিলাল করবে।
[আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ ও দারিমী কর্তৃক বর্ণিত, তিরমিযী ও বাগাভী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।]
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(258) عن عاصم بن لقيط بن صبرة عن أبيه رضى الله عنه قال أتيت النبيَّ صلى الله عليه وسلم فقال إذا توضَّأت فخلِّل الأصابع.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৫৯) তাবিয়ী আবু সাওরা এবং তাবিয়ী 'আতা মুরসাল হতে তিনি আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন, খিলালকারীরা প্রশংসিত। বলা হল, বিলালকারী কে? তিনি বলেন, যারা ওযূতে ও খাবার যেয়ে খিলাল করে।
(তাবারানী কর্তৃক বর্ণিত। এ হাদীসের সনদে একজন দুর্বল বর্ণনাকারী আছেন।)
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(259) عن أبي سورة عن أبي أيُّوب الأنصاريِّ "رضي الله عنه" وعن عطاءٍ قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حبَّذا المتخلِّلون، قيل وما المتخلِّلون، قال في الوضوء والطَّعام.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৬০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১০) কনুই পর্যন্ত দু' হাত ধোয়া, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকরণ ও আঙুল খিলালকরণ ও ঘষা-মাজা প্রসঙ্গে
(২৬০) হাবিব ইবন ইয়াযিদ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্বাস ইবন তামিম থেকে আর তিনি তাঁর চাচা আবদুল্লাহ, ইয়াযিদ থেকে শুনেছেন যে, নবী (সা) ওযু করেন তখন তিনি এভাবে ডলে ডলে ধুইতে থাকেন।
[আবু ইয়ালা ও ইবন্ হিব্বান ও ইবন খুযাইমা কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
(10) باب في غسل اليدين إلى المرفقين وتطويل الغرة وتخليل الأصابع والدلك
(260) عن حبيب بن زيدٍ سمع عبَّاد بن تميم عن عمِّه عبد الله بن
زيدٍ رضي الله عنه أنَّ النَّبيِّ توضَّأ فجعل يقول هكذا يدلك.
tahqiq

তাহকীক: