মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩০৩ টি

হাদীস নং: ১৪০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪০। আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অজানা সত্ত্বেও কুরআনের কোন ব্যাপারে যে ব্যক্তি কথা বলে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয়।
(তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قال في القرآن بغير علم (2) فليتبوأ مقعده من النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪১। আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঠ করলেন, তিনিই তোমার প্রতি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক আয়াত 'মুহকাম', এগুলি কিতাবের মূল: আর অন্যগুলি 'মুতাশাবিহ' যাদের অন্তরে সত্য-লংঘন প্রবণতা রয়েছে শুধু তারাই ফিতনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহের অনুসরণ করে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জানে সুগভীর তারা বলে আমরা তা বিশ্বাস করি, সমস্তই আমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে আগত এবং বোধশক্তি সম্পন্নরা ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।(১) তাই তোমরা কুরআনের ব্যাপারে কাউকে বিতর্ক করতে দেখলে মনে করবে আল্লাহ তাদের কথাই বুঝিয়েছেন, তাই তাদের ব্যাপারে সাবধান থাকবে।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
টিকা: ১. আল কুরআন, ৩:৭
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
عن عائشة قالت قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم (هو الذي أنزل عليك الكتاب منه آيات محكمات) (4) هن أم الكتاب (5) وأخر متشابهات (6) فأما الذين في قلوبهم زيغ (7) فيتبعون ما تشابه منه ابتغاء الفتنة (8) وابتغاء تأويله (9) وما يعلم تأويله إلا الله والراسخون (10) في العلم يقولون آمنا به كل من عند ربنا وما يذكر (11) إلا أولو الألباب (12) فإذا رأيتم الذين يجادلون فيه فهم الذين عنى الله عز وجل (13) فاحذروهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪২। উকবা ইব্‌ন আমির (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি আমার উম্মতের ব্যাপারে দুটো জিনিসকে ভয় করছি আর তা হল, আল-কিতাব ও দুধ। বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন হে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল কিতাবের সমস্যা কি? তিনি বলেন, তা মুনাফিকরা শিখবে তারপর তা নিয়ে ঈমানদারদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হবে, সাহাবীরা জিজ্ঞসা করলেন, দুধের সমস্যা কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, মানুষেরা দুধকে ভালোবাসবে, (তাই খাঁটি দুধের জন্য তারা শহর ছেড়ে গ্রামাঞ্চলে বসবাস করবে।) ফলে তারা জামাআত (দলবদ্ধতা) থেকে বের হয়ে যাবে ও জুমু'আ পরিত্যাগ করবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم انما أخاف على أمتي الكتاب واللبن قال قيل يا رسول الله ما بال الكتاب؟ قال يتعلمه المنافقون ثم يجادلون به الذين آمنوا فقيل وما بال اللبن؟ قال أناس يحبون اللبن فيخرجون من الجماعات ويتركون الجمعات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪৩। উকবা ইবন 'আমির (রা) হতে আরও বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি আমার উম্মত কিতাব ও দুধের কারণে ধ্বংস হবে। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিতাব ও দুধের কী ব্যাপার? তিনি বললেন, আমার উম্মতগণ কুরআন শিক্ষা করবে তারপর আল্লাহর নাজিলকৃত উদ্দেশ্যের বিপরীতে তার ব্যাখ্যা দিবে। আবার, তারা দুধ ভালবাসবে ফলে তারা জামা'আত ও জুমুআ পরিত্যাগ করে গ্রামাঞ্চলে বসবাস শুরু করবে।
(আবু ইয়ালা, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
وعنه أيضا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هلاك أمتي في الكتاب واللبن قالوا يا رسول الله ما الكتاب واللبن؟ قال يتعلمون القرآن فيتأولونه على غير ما أنزل الله عز وجل ويحبون اللبن فيدعون الجماعات والجمع ويبدون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪৪। উকবা ইবন আমির (রা) হতে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি আমার উম্মতের ব্যাপারে দুটি জিনিসকে ভয় করছি, কুরআন ও দুধ। দুধ এর জন্য তারা গ্রাম সন্ধান করবে, প্রকৃতির অনুসরণ করবে এবং সালাত পরিত্যাগ করবে। আর কুরআনের ব্যাপার এই যে, মুনাফিকগণ তা শিক্ষা করবে অতঃপর তা নিয়ে মুমীনদের সাথে তর্কে লিপ্ত হবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
وعنه أيضا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إني أخاف على أمتي اثنتين القرآن واللبن أما اللبن فيبتغون الريف ويتبعون الشهوات ويتركون الصلوات وأما القرآن فيتعلمه المنافقون فيجادلون به المؤمنين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় অথবা অপব্যাখ্যা করে, অথবা অজানা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করে আর শাস্তির বিবরণ।
১৪৫। আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তিনি তাঁর কোন এক স্ত্রীর ঘর হতে বের হলেন, বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমরা তাঁর সাথে বের হলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জুতা ছিঁড়ে গেল, আলী (রা) তা সেলাই করার জন্য পিছনে রয়ে গেলেন। আমরা রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ততক্ষণে অনেক দূর এগিয়েছি, তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমরাও তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে গেলাম, তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে একজন আছেন, যিনি কুরআন অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবেন যেমনিভাবে আমি সংগ্রাম করেছি (অপর বর্ণনা হতে সংগ্রাম সাধনা করেছেন) আমরা আবু বকর (রা) ও উমর (রা) এর দিকে উকি দিলাম। তখন তারা আমাদের মধ্যে ছিলেন। (আমরা ভাবছিলাম এ দুজনের মধ্যে কেউ হবেন। তিনি বললেন, না বরং তিনি ঐ ব্যক্তি যিনি জুতার সিলাই করছেন। (অর্থাৎ আলী (রা))। অতঃপর আলী (রা) আমাদের মাঝে ফিরে আসলে আমরা তাঁকে এ সুসংবাদটি দিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, মনে হচ্ছিল তিনি এ সংবাদটি ইতোমধ্যে শুনেছেন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في وعيد من جادل بالقرآن أو تأوله أو قال فيه برأيه من غير علم
عن أبي سعيد الخدري قال كنا جلوسا ننتظر رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج علينا من بعض بيوت نسائه قال فقمنا معه فانقطعت نعله فتخلف عليها علي رضي الله عنه يخصفها (6) فمضى رسول الله صلى الله عليه وسلم ومضينا معه ثم قام ينتظره وقمنا معه فقال إن منكم من يقاتل على تأويل هذا القرآن كما قاتلت (وفي رواية كما قاتل) على تنزيله فاستشرفنا (7) وفينا أبو بكر وعمر رضي الله تبارك وتعالى عنهما فقال لا ولكنه خاصف النعل فجئنا نبشره قال وكأنه قد سمعه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : কিরাআতের পূর্বে আউযুবিল্লাহ বলা(১)। মহান আল্লাহ বলেন, "যখন কুরআন পাঠ করবে তখন অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় নিবে।
টিকা: ১. আল-কুরআন, ১৬: ৯৮
১৪৬। আবূ উমামা বাহিলী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাত শুরু করতেন তখন তিনবার আল্লাহু আকবার বলতেন, তারপর তিনবার লাইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতেন, তারপর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী তিনবার বলতেন। অতঃপর বলতেন। আমি অভিশপ্ত শয়তানের প্ররোচনা, প্রতারণা ও কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি।
(বুখারী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الاستعاذة قبل القراءة وقوله تعالى فإذا قرأت القرآن فاستعذ بالله من الشيطان الرجيم
عن أبي أمامة الباهلي قال كان نبي الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة كبر ثلاث مرات ثم قال لا إله إلا الله ثلاث مرات وسبحان الله وبحمده ثلاث مرات ثم قال أعوذ بالله من الشيطان الرجيم من همزة ونفخة ونفثة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : কিরাআতের পূর্বে আউযুবিল্লাহ বলা। মহান আল্লাহ বলেন, "যখন কুরআন পাঠ করবে তখন অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় নিবে।
১৪৭। আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি উপরোক্ত হাদীসের সঙ্গে আরও যুক্ত করেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেন, আমি অভিশপ্ত শয়তানের প্ররোচনা, প্রতারণা ও কুমন্ত্রণা থেকে সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الاستعاذة قبل القراءة وقوله تعالى فإذا قرأت القرآن فاستعذ بالله من الشيطان الرجيم
وعن أبي سعيد الخدري بأطول من هذا وفيه ثم يقول أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم من همزة ونفخة ونفثة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : কিরাআতের পূর্বে আউযুবিল্লাহ বলা। মহান আল্লাহ বলেন, "যখন কুরআন পাঠ করবে তখন অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় নিবে।
১৪৮। সুলায়মান ইব্‌ন সূরাদ (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু'ব্যক্তিকে পরস্পর গালাগালি করতে দেখলেন। তাদের একজন অধিক রাগান্বিত হয়েছে এবং এ অবস্থায় সে বকাঝকা করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি এমন একটি শব্দ জানি, যা সে উচ্চারণ করলে শয়তান তার কাছ থেকে সরে যাবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তার কাছে এক ব্যক্তি(২) এসে বললেন, 'বল! আমি বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় গ্রহণ করছি।" সে বলল, তুমি কি মনে করছ আমার সমস্যা (উন্মাদরোগ) আছে? এর বেশি কিছু সে বলেনি।
(বুখারী, মুসলিম ও আবূ দাউদ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
টিকা: ২. তিনি মুআয ইবন জাবাল (রা)।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الاستعاذة قبل القراءة وقوله تعالى فإذا قرأت القرآن فاستعذ بالله من الشيطان الرجيم
عن سليمان ابن صرد قال سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلين وهما يتقاولان (4) وأحدهما قد غضب واشتد غضبه وهو يقول (5) فقال النبي صلى الله عليه وسلم اني لأعلم كلمة لو قالها ذهب عنه الشيطان (6) قال فأتاه رجل فقال قل أعوذ بالله من الشيطان الرجيم (7) قال هل تر بأسا؟ (8) قال ما زاده على ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কিরাআতের পূর্বে বিসমিল্লাহ পাঠ করা ও এর ফযীলত।
১৪৯। আবু তামীমা হুজায়মী (র) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কোন সহ-আরোহী সূত্রে বর্ণনা করেন অথবা কোন সহ আরোহী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে আরোহী ছিলেন তখন তার বাহনটি হুমড়ি খেয়ে পড়ল, তখন তিনি বললেন, শয়তান ধ্বংস হোক। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি এরূপ বলো না, কেননা এতে শয়তান গর্ববোধ করতে থাকে এমনকি সে ফুলে পাহাড় সমান হয়ে যায় এবং সে বলে, আমি আমার শক্তিতে তাকে হোঁচট খাইয়েছি, বরং তুমি যখন বলবে 'বিসিমিল্লাহ' তখন সে অপমানিত বোধ করবে এমনকি সে মাছির মত হয়ে যাবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في البسملة قبل القراءة وفضلها
عن أبي تميمة الهجيمي عن ردف النبي صلى الله عليه وسلم أو من حدثه عن ردف النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان ردفه (خلفه على ظهر الدابة) فعثرت به دابته فقال تعس الشيطان (1) فقال لا تفعل فإنه يتعاظم اذا قلت ذلك حتى يصير مثل الجبل ويقول بقوتي صرعته واذا قلت باسم الله تصاغر حتى يكون مثل الذباب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কিরাআতের পূর্বে বিসমিল্লাহ পাঠ করা ও এর ফযীলত।
১৫০। উম্মে সালামা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলেন, তখন তিনি (রা) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কিরাআতকে আয়াত-আয়াত হিসেবে পৃথক করে ফেলতেন। যেমন বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আর রাহমানির রাহীম। মালিকি ইয়াও মিদদ্বীন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في البسملة قبل القراءة وفضلها
عن أم سلمة رضي الله عنها أنها سئلت عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يقطع قراءته آية آية بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين الرحمن الرحيم مالك يوم الدين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ শানে নুযুল, ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতের ফযীলত বর্ণনা প্রসঙ্গে

পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা ও তার ফযীলতের বিবরণ।
১৫১। আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উবাঈ ইবন কা'ব (রা) এর নিকট গেলেন, তখন তিনি (রা) সালাত আদায় করছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ডাকলেন, হে উবাঈ। তিনি (রা) তাঁর দিকে তাকালেন, তবে কোন উত্তর দিলেন না। অতঃপর উবাঈ (রা) সালাত সংক্ষিপ্ত করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গিয়ে বললেন, আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ওয়া আলাইকা, তারপর তিনি বললেন, হে উবাঈ আমি যখন তোমাকে ডাক দিলাম তখন উত্তর দিতে তোমাকে কে নিষেধ করেছে? তিনি (রা) উত্তর দিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমি সালাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, তুমি কি জান না আল্লাহ তায়ালা আমার ওপর যা কিছু ওহী নাজিল করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যদি তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে ডাকেন, যা তোমাদের জীবন দান করে তবে তোমরা তাঁদের ডাকে সাড়া দিবে? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (রা) বললেন, হ্যাঁ ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন আর করব না। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি কি পছন্দ কর যে আমি তোমাকে এমন একটি সূরা সম্পর্কে জানাবো যার মত কোন সূরা তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআনের অবতীর্ণ করা হয়নি? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) । তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমি আশা করি তুমি এ বিষয়টি না শেখা পর্যন্ত এ ঘরের দরজা অতিক্রম করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার সাথে অন্য বিষয়ে আলাপ করছিলেন তবে আমি ভীত সন্ত্রস্ত ছিলাম যদি তিনি আমাকে উক্ত বিষয়টি বর্ণনার পূর্বে দরজার নিকট পৌঁছে যান। অতঃপর যখন আমরা দরজার নিকট পৌছলাম, তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সে সূরা কোনটি যার নাম বলার ব্যাপারে আপনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি সালাতে কি তিলাওয়াত কর? বর্ণনাকারী বলেন, আমি উম্মুল কুরআন (অর্থাৎ সূরা ফাতিহা) তাঁকে পড়ে শুনালাম। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন সে সত্ত্বার কসম যার হাতে আমার জীবন, আল্লাহ তা'আলা তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও ফুরকানে সূরা ফাতিহার অনুরূপ কোন সূরা নাজিল করেননি। নিঃসন্দেহে তা হচ্ছে পুনঃপুন পাঠ্য আয়াত বিশিষ্ট। (অপর এক বর্ণনায় বাড়িয়ে বলা হয়েছে) এটা পুনঃ পুনঃ পাঠ্য সাত আয়াত বিশিষ্ট এবং এটাই মহান কুরআন যা আমাকে দান করা হয়েছে।
( তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
أبواب التفسير وأسباب النزول وفضائل السور والآيات مرتبا على ذلك على نظام السور

باب سورة الفاتحة وما ورد في فضلها
عن أبي هريرة قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي بن كعب وهو يصلي فقال يا أبي فالتفت فلم يجبه ثم صلى أبي فخفف ثم انصرف إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال السلام عليك أي (4) رسول الله قال وعليك قال ما منعك أي أبي إذ دعوتك ان تجيبني؟ قال أي رسول الله كنت في الصلاة قال أفلست تجد فيما أوحى الله إلى أن استجيبوا لله وللرسول اذا دعاكم لما يحييكم؟ (5) قال قال بلى أي رسول الله لا أعود قال أتحب أن أعلمك سورة لم تنزل في التوراة ولا في الزبور ولا في الانجيل ولا في الفرقان مثلها؟ قال قلت نعم أي رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اني لأرجو أن لا تخرج من هذا الباب حتى تعلمها قال فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم يحدثني وأنا اتبطأ مخافة أن يبلغ قبل أن يقضي الحديث فلما أن دنونا من الباب قلت أي رسول الله ما السورة التي وعدتني؟ قال فكيف تقرأ في الصلاة؟ قال فقرأت عليه أم القرآن (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم والذي نفسي بيده ما أنزل الله في التوراة ولا في الانجيل ولا في الزبور ولا في الفرقان مثلها وإنها للسبع من (2) المثاني (زاد في رواية) بلفظ (إنها السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أعطيت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা ও তার ফযীলতের বিবরণ।
১৫২। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি উন্মুল কুরআন (অর্থাৎ সূরা ফাতিহা) সম্পর্কে বলেছেন, তা হচ্ছে আল কুরআনের মূল, তা হচ্ছে পুনঃপুনঃ পাঠ্য সাত আয়াত বিশিষ্ট এবং তাই হচ্ছে মহান কুরআনুল আযীম।
আবূ হুরায়রা (রা) হতে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সূরা ফাতিহা হল কুরআনের মূল, কিতাবের মূল ও পুনঃপুনঃ পাঠ্য সাত আয়াত।
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة الفاتحة وما ورد في فضلها
وعنه أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم قال في أم القرآن هي أم القرآن وهي السبع الثاني وهي القرآن العظيم
وعنه من طريق ثان عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الحمد لله أم القرآن وأم الكتاب (7) والسبع المثاني
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা ও তার ফযীলতের বিবরণ।
১৫৩। আবূ সাঈদ ইব্‌ন মুআল্লা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদা সালাত আদায় করছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আমাকে ডাক দিলেন কিন্তু আমার সালাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি তাঁর নিকট যেতে পারিনি। সালাত শেষে আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি আমাকে বললেন, আমার নিকট আসতে তোমাকে কে নিষেধ করেছে? আমি বললাম, আমি সালাত আদায় করছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন মহান, আল্লাহ তা'আলা কি বলেননি হে মুমিনগণ! রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহ্বান করে যা তোমাদের জীবন দান করে, তখন আল্লাহ ও রাসূলের আহ্বানে সাড়া দিবে।(১) অতঃপর তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে আল-কুরআনের মহোত্তর সূরা শিক্ষা দিব না এ মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বে? বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদ থেকে বের হতে চাইলে আমি তাঁকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলাম। তখন তিনি বললেন, সূরা ফাতিহা হচ্ছে পুনঃ পুনঃ পাঠ্য সাত আয়াত ও মহান কুরআন, যা আমাকে দান করা হয়েছে।(২)
টিকা: ১. আল কুরআন, ৮: ২৪
টিকা: ২. বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة الفاتحة وما ورد في فضلها
عن أبي سعيد المعلى قال كنت أصلي فمر بي رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعاني فلم آته حتى صليت ثم أتيته فقال ما منعك أن تأتيني؟ فقلت اني كنت أصلي قال ألم يقل الله تبارك وتعالى (يا أيها الذين آمنوا استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم لما يحييكم) ثم قال ألا أعلمكم أعظم سورة في القرآن (2) قبل أن أخرج من المسجد قال فذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخرجه فذكرته فقال الحمد لله رب العالمين هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা ও তার ফযীলতের বিবরণ।
১৫৪। আব্দুল্লাহ ইবন জাবির (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে আব্দুল্লাহ! আমি কি তোমাকে আল-কুরআনের উত্তম সূরা সম্পর্কে তথ্য দিব না? আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ। তিনি বলেন, তুমি পড় "আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন... আমীন।"
( মুসনাদে আহমাদ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة الفاتحة وما ورد في فضلها
عن عبد الله بن جابر قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم الا اخبرك يا عبد الله بن جابر بخير سورة في القرآن؟ قلت بلى يا رسول الله قال اقرأ الحمد لله رب العالمين حتى تختمها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সূরা ফাতিহা ও তার ফযীলতের বিবরণ।
১৫৫। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি উবাঈ ইব্‌ন কা'ব (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন মহান আল্লাহ তাওরাত ও ইঞ্জিলে উম্মুল কুরআন (অর্থাৎ সূরা ফাতিহা) এর মত কোন মর্যাদা সম্পন্ন সূরা নাজিল করেননি, আর তা হল পুনঃ পুনঃ পাঠ্য সাত আয়াত এবং তা আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বণ্টিত আমার বান্দার জন্য তাই আছে। যা সে আমার নিকট চাবে।
(তিরমিযী নাসাঈ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة الفاتحة وما ورد في فضلها
عن أبي هريرة عن أبي بن كعب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أنزل الله في التوراة ولا في الانجيل مثل أم القرآن وهي السبع المثاني (5) وهي مقسومة بيني وبين عبدي (6) ولعبدي ما سأل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ক্রোধ-নিপতিত ও পথ ভ্রষ্টদের বিবরণ।
১৫৬। আব্দুল্লাহ ইব্‌ন শাকীক (র) হতে বর্ণিত, ওয়াদিল কুরা(১)-তে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট থেকে শুনেছেন এমন ব্যক্তি তার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ছিলেন তার ঘোড়ার পিঠে। বনু কায়স গোত্রের এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওরা কারা? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ক্রোধ-নিপতিত ব্যক্তিরা এবং এই বলে তিনি ইহুদীদের দিকে ইঙ্গিত করলেন। তারপর প্রশ্নকারী বললেন, ওরা কারা? তিনি বললেন, ওরা পথভ্রষ্টরা অর্থাৎ নাসারাগণ। বর্ণনাকারী বলেন, অপর এক ব্যক্তি এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার আযাদকৃত দাস অথবা কৃতদাস অমুক কি শহীদ হয়েছে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না বরং গনীমতের সম্পদ চুরি করার কারণে তাকে জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
টিকা: ১. মদীনা ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী একটি উপত্যকা।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب المغضوب عليهم والضالين
حدثنا عبد الرزاق ثنا معمر عن بديل العقيلي أخبرني عبد الله بن شقيق أنه أخبره من سمع النبي صلى الله عليه وسلم وهو بوادي القرى (2) وهو على فرسه وسأل رجل من بني القين (3) فقال يا رسول الله من هؤلاء (4) قال المغضوب عليهم وأشار إلى اليهود فقال فمن هؤلاء؟ قال هؤلاء الضالون يعني النصارى قال وجاء رجل فقال استشهد مولاك أو قال غلامك فلان (5) قال بل هو يجر إلى النار في عباءة غلها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ক্রোধ-নিপতিত ও পথ ভ্রষ্টদের বিবরণ।
১৫৭। আদী ইবন হাতিম তাঈ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন ক্রোধ নিপতিতরা হল ইয়াহুদী এবং পথভ্রষ্টরা হল নাসারা।
(তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب المغضوب عليهم والضالين
عن عدي بن حاتم الظائي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال (إن المغضوب عليهم اليهود) وإن (الضالين) النصارى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সূরা বাকারা ও এর ফযীলত।
১৫৮। আবু উমামা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি তোমরা কুরআন পড় (অপর এক বর্ণনামতে শিক্ষা গ্রহণ কর), কেননা কুরআন কিয়ামতের দিন তার ধারকের জন্য সুপারিশকারী হবে। তোমরা কুরআনের দুই জ্যোতিষ্ক, সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান তিলাওয়াত করো, কেননা এ দুটো কিয়ামতের দিন তোমাদের জন্য দুটি মেঘ, অথবা, দুটি ছায়া অথবা দুঝাক সারিবদ্ধ পাখীর মত হবে যা তার পাঠকের পক্ষে ঝগড়া করবে। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা সূরা বাকারা তিলাওয়াত কর, কেননা এর অবলম্বন বরকত এবং এর বর্জন পরিতাপ। আর যাদুকর এ সূরা মুখস্থ করতে পারবে না।
(মুসলিম, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة البقرة وما جاء في فضلها
عن أبي أمامة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اقرءوا (وفي رواية تعلموا) القرآن فإنه شافع لأصحابه يوم القيامة اقرءوا الزهراوين (2) البقرة وآل عمران فإنهما يأتيان يوم القيامة كأنهما غمامتان (3) أو كأنهما غيابتان (4) أو كأنهما فرقان (5) من طير صواف يحاجان عن أهلهما (6) ثم قال اقرءوا البقرة فإن أخذها بركة وتركها حسرة ولا يستطيعها البطلة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সূরা বাকারা ও এর ফযীলত।
১৫৯। নাওয়াস ইব্‌ন সামআ'ন কিলাবী (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি কিয়ামতের দিন কুরআনকে তার বিধান মোতাবেক আমলকারীদের সঙ্গে একত্রে উপস্থিত করা হবে। তাদের সর্বাগ্রে থাকবে সূরা বাকারা ও সূরা আলে ইমরান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের ব্যাপারে তিনটি উদাহরণ পেশ করেছেন যা আমি তারপর অদ্যাবধি ভুলিনি। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তার ভাটা মেঘমালা অথবা দুটো ছায়া খণ্ড যা অতি উজ্জল কালো অথবা সারিবদ্ধ দুটো পাখীর ঝাঁকের মত থাকবে যারা তার সঙ্গীর জন্য ঝগড়া করবে।
(মুসলিম, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب سورة البقرة وما جاء في فضلها
عن النواس بن سمعان الكلابي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يؤتي بالقرآن يوم القيامة وأهله الذين كانوا يعملون به وتقدمهم سورة البقرة وآل عمران وضرب لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بثلاثة أمثال ما نسيتهن بعد قال كأنهما غمامتان أو ظلمتان سوداوان (9) بينها شرق أو كأنهما فرقان من طير صواف يحاجان عن صاحبهما
tahqiq

তাহকীক: