মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩০৩ টি

হাদীস নং: ১০০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা ফুরকান প্রসঙ্গ
১০০। উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর জীবদ্দশায় একদিন হিশাম ইবন হাকিম ইবন হিযাম (রা) এর সালাতে কিরাআত পাঠরত অবস্থায় তার নিকট থেকে হেঁটে যাচ্ছিলাম, তখন তিনি সূরা ফুরকান পাঠ করছিলেন আমি মনযোগ সহকারে তার কিরাআত শুনছিলাম। তখন তিনি বেশ কয়েকটি অক্ষর এমনভাবে উচ্চারণ করছিলেন, যেভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে শেখাননি। আমি সালাতেই তাকে জিজ্ঞাসা করতে চাইলাম অবশেষে তার সালাম ফিরানার পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম, যখন সালাম ফিরালেন আমি তার চাদর টেনে ধরলাম এবং তাকে বললাম, তুমি যেভাবে পাঠ করলে তোমাকে এভাবে কে শিখিয়েছেন? তিনি বললেন, আমাকে এভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শিখিয়েছেন। আমি বললাম, তুমি মিথ্যা বলেছো, আল্লাহর কসম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তুমি যে সূরা পাঠ করেছো সে সূরাটিই শিখিয়েছেন (তবে তুমি যেভাবে পড়লে সেভাবে নয়) অতঃপর আমি তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। আমি এ লোকটিকে সূরা ফুরকান এমনভাবে তিলাওয়াত করতে শুনলাম যেভাবে আপনি আমাকে শিখাননি, আর আপনিই তো আমাকে সূরা ফুরকান শিখিয়েছেন। তখন রাসূল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে উমর! তাকে ছেড়ে দাও। হে হিশাম! তুমি পড়। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে সেভাবেই পাঠ করে শুনালেন যেভাবে আমি শুনেছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এভাবে নাজিল হয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে উমর! তুমি পড়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে যেভাবে শিখিয়েছেন আমি সেভাবেই তিলাওয়াত করলাম। তিনি বললেন, এভাবেই নাজিল হয়েছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, নিশ্চয়ই কুরআন সাতটি উচ্চারণরীতিতে নাজিল হয়েছে, তোমরা তোমাদের সুবিধামত এর যে কোন একটি রীতিতেই তিলাওয়াত করতে পারো।
বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الفرقان
عن عمر رضي الله عنه قال مررت بهشام بن حكيم بن حزام يقرء سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستمعت قراءته فإذا هو يقرء على حروف كثيرة لم يقرئنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فكدت أن أساوره (6) في الصلاة فنظرت (7) حتى سلم فلما سلم لببته (8) بردائه فقلت من أقرأك هذه السورة التي تقرؤها؟ قال أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلت له كذبت فوالله ان النبي صلى الله عليه وسلم لهو أقرأني هذه السورة التي تقرؤها قال فانطلقت أقوده إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله اني سمعت هذا يقرأ سورة الفرقان على حروف لم تقرئنيها وانت اقرأتني سورة الفرقان فقال النبي صلى الله عليه وسلم أرسله (9) يا عمر اقرأ يا هشام فقرأ عليه القراءة التي سمعت فقال النبي صلى الله عليه وسلم هكذا أنزلت ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم اقرأ يا عمر فقرأت القراءة التي اقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال هكذا أنزلت ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان القرآن انزل على سبعة أحرف فاقرءوا منه ما تيسر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা ফুরকান প্রসঙ্গ
১০১। আবু তালহা আনসারী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সে হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, হে উমর। নিশ্চয়ই কুরআন তিলাওয়াত কালে আযাবকে মাগফিরাত এবং মাগফিরাতকে আযাব না বলা হলে সকল তিলাওয়াতই কল্যাণকর।
আবু দাউদ, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الفرقان
وعن أبي طلحة الأنصاري عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه وفيه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يا عمر إن القرآن كله صواب مالم يجعل عذاب مغفرة أو مغفرة عذابا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা রুম প্রসঙ্গ
১০২। 'আতিয়্যা তাওফী (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) এর সামনে সূরা রূম এর (৫৪) اَللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَکُمۡ مِّنۡ ضُؔعۡفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنۡۢ بَعۡدِ ضُؔعۡفٍ قُوَّۃً ثُمَّ جَعَلَ مِنۡۢ بَعۡدِ قُوَّۃٍ ضُؔعۡفًا (এখানে ضُعْف শব্দটি তিনবার এসেছে এবং প্রতিটি স্থানে (ض এর যবর দিয়ে পড়লাম। তখন তিনি তিনটি ض এর প্রতিটিতে পেশ দিয়ে পড়লেন। অতঃপর বললেন, তুমি যেভাবে আমার সামনে পড়লে আমি সেভাবেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সামনে পড়েছিলাম, তারপর আমি তোমাকে যেভাবে শুধরিয়ে দিলাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে সেভাবেই শুধরিয়ে দিয়েছিলেন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الروم
عن عطية العوفي قال قرأت على ابن عمر (الذي خلقكم من ضعف ثم جعل من بعد ضعف قوة ثم جعل من بعد قوة ضعف) (4) فقال (الله الذي خلقكم من ضعف ثم جعل من بعد ضعف قوة ثم جعل من بعد قوة ضعفا) (5) ثم قال قرأت على رسول الله صلى الله عليه وسلم كما قرأت علي فأخذ علي كما أخذت عليك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা যুমার প্রসঙ্গ
১০৩। আসমা বিন্‌ত ইয়াযীদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কে সূরা যুমার এর (৫৩ নং) আয়াত قُلۡ یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اَسۡرَفُوۡا عَلٰۤی اَنۡفُسِہِمۡ لَا تَقۡنَطُوۡا مِنۡ رَّحۡمَۃِ اللّٰہِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یَغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ جَمِیۡعًا এভাবে পড়তে শুনেছি, কিন্তু তিনি إِنَّهُ هُوَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيمُ এ অংশটি পড়তেন না।
আবু দাউদ, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الزمر
عن أسماء بنت يزيد قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ (يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم لا تقنطوا من رحمة الله إن الله يغفر الذنوب جميعا ولا يبالي انه هو الغفور الرحيم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা আহকাফ প্রসঙ্গ
১০৪। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমি এক ব্যক্তিকে ত্রিশযুক্ত(১) হামীম অর্থাৎ সুরা আহকাফ পড়তে শুনলাম, তখন সে একটি উচ্চারণভঙ্গিতে পড়ল। অপর এক ব্যক্তি অন্য একটি উচ্চারণভঙ্গিতে পড়ল যা তার সঙ্গী পড়েনি, তারপর আমি অন্য কয়েকটি উচ্চারণভঙ্গিতে পড়লাম যেভাবে আমার উক্ত দু সঙ্গী পড়েনি। অতঃপর আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গেলাম এবং তাকে এ কথা জানালাম। (অপর এক বর্ণনামতে, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেলো অথবা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মুখাবয়রে বিরক্তির ভাব লক্ষ্য করলাম অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের সবাই সঠিক পড়েছ) তারপর তিনি বললেন, তোমরা মতপার্থক্য করো না, কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহ মত পার্থক্যের কারণেই ধ্বংস হয়েছে, অতঃপর তিনি মন্ত্র বললেন, লক্ষা কর আমি তোমাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে পড়িয়ে দিচ্ছি তোমরা তার কিরাআতকে অনুসরণ করো।
বুখারী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
টিকা: ১. অত্র সূরার ১৫ তম আয়াতে শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সীমা ত্রিশ মাত্র উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও অন্য আয়াতে দুবছর বলা হয়েছে। এবং এ সূরাটি حَمَ বর্ণ দুটি দ্বারা শুরু হয়েছে। তাই অত্র সূরার নাম حَمَ ثلَاثونَ বা ত্রিশযুক্ত হামীম।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الأحقاف
عن عبد الله قال سمعت رجلا (3) يقرأ حم الثلاثين يعني الأحقاف فقرأ خرفا وقرأ رجل آخر حرفا لم يقرأه صاحبه وقرأت أحرفا لم يقرأها صاحبي فانطلقنا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرناه (وفي رواية أخرى فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم أو عرفت في وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم الكراهية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلاكما محسن) فقال لا تختلفوا فإنما هلك من كان قبلكم باختلاف (4) ثم قال انظروا اقرأكم رجلا فخذوا بقراءته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা মুহাম্মদ প্রসঙ্গ
১০৫। শাকীক ইবন সালামা (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন বনী বাজীলা গোত্রের নাহীক ইবন সিনান নামের এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর নিকট এসে বলল, হে আবু আব্দুর রহমান। আপনি সূরা মুহাম্মদ এর (১৫ তম) আয়াত (مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ) এ আয়াতাংশের শেষ শব্দকে ياء দিয়ে (ياسِن) নাকি الف দিয়ে (آسِنٍ) পড়েন? আব্দুল্লাহ (রা) তাকে বললেন, এ অংশটুকু ছাড়া সমগ্র কুরআন তুমি আয়ত্ত করেছ? আগন্তুক বললেন, আমি দু'রাকাআতে অবশ্যই কুরআনের শেষ এক- সপ্তামাংশ পড়ে থাকি, তখন আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বললেন, তুমিতো কবিতা আবৃত্তির মতো দ্রুত পড়ে থাকো। সালাতের উত্তম অংশ হলো রুকু ও সিজদা। একদল লোক এমনভাবে কুরআন তিলাওয়াত করবে যে, তা তাদের কণ্ঠনালী ভেদ করবে না। অন্তরে যাতে বদ্ধমল হয়ে যায় সেভাবে পড়লেই তা উপকার দেয়। আমি নিঃসন্দেহে পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ সেই সূরাসমূহ অবগত আছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাকাআতে যার দু'দুটি তিলাওয়াত করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং ভেতরে চলে গেলেন। তারপর আলকামা (রা) এসে তার নিকট প্রবেশ করলেন, বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমরা তাকে বললাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে এক রাকাআতে দু'টো করে সূরা পাঠ করতেন সে ব্যাপারে তার অভিমত জিজ্ঞাসা করুন। তখন তিনি তার কাছে প্রবেশ করে জিজ্ঞাসা করে আবার আমাদের নিকট ফিরে আসলেন এবং জানালেন আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর বিন্যাস মোতাবেক আল কুরআনের শেষ এক সপ্তমাংশের প্রথম বিশটি সূরার মধ্য হতে। (অপর এক বর্ণনামতে) যিরর (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর নিকট জিজ্ঞাসা করলেন আপনি শব্দটি কি রকম জানেন من غير ياسن নাকি آسِنٍ । তিনি (রা) বললেন তুমি কি সমগ্র কুরআন পড়েছ? যে বলল, আমি নিঃসন্দেহে আল কুরআনের শেষ এক সপ্তমাংস পড়েছি এবং প্রতি রাকাআতে আমি তা একবার পড়ে থাকি। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বললেন, তুমি কি কবিতা আবৃত্তি কর, তুমি পিতৃহীন হও! আমি রাসূল্লাহ (ﷺ) এর তিলাওয়াত সম্পর্কে যা জানি তা হল, তিনি প্রতি দু'রাকআতে আল কুরআনের শেষ এক সপ্তমাংশ থেকে দুটি সূরা পর পর তিলাওয়াত করতেন, আর আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর মতে শেষ এক সপ্তমাংশের সূচনা হল সূরা আর রহমান হতে।
(বুখারী, আবু দাউদ, মুসলিম, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة محمد صلى الله عليه وسلم
عن شقيق بن سلمة قال جاء رجل إلى عبد الله (يعني ابن مسعود رضي الله عنه من بني بجبلة يقال له نهيك بن سنان فقال يا أبا عبد الرحمن كيف تقرأ هذه الآية أياء تجدها أو ألفا (من ماء غير آسن) (6) فقال له عبد الله وكل القرآن أحصيت غير هذه (7) قال اني لأقرأ المفصل في ركعتين فقال عبد الله هذا كهذا الشعر (8) إن من أحسن الصلاة الركوع والسجود وليقرأن القرآن أقوام لا يجاوز تراقبهم ولكنه إذا قرأه فرسخ في القلب نفع (1) إني لأعرف النظائر التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ سورتين في ركعة قال ثم قام فدخل فجاء علقمة فدخل عليه قال فقلنا له سله عن النظائر التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ سورتين في ركعة قال فدخل فسأله ثم خرج إلينا فقال عشرون سورة من أول المفصل في تأليف عبد الله (يعني ابن مسعود) (ومن طريق ثان) (2) عن زر أن رجلا (3) قال لابن مسعود كيف تعرف هذا الحرف ماء غير ياسن أم آسن؟ فقال كل القرآن قد قرأت؟ قال اني لأقرأ المفصل أجمع في ركعة واحدة (4) فقال (يعني ابن مسعود) أهذا الشعر لا أبالك (5) قد علمت قرائن رسول الله صلى الله عليه وسلم التي كان يقرن قرينتين قرينتين من أول المفصل وكان أول مفصل ابن مسعود الرحمن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা যারিয়াত প্রসঙ্গ
১০৬। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে সূরা যারিয়াত এর (৫৮ নম্বর) আয়াত এভাবে শিখিয়েছেন إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ (অর্থাৎ আমি রিযিকদাতা, প্রবল, পরাক্রান্ত)।(১)
টিকা: ১. অধিকাংশ মনীষীর মতে, বিশুদ্ধ তিলাওয়াত হল إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ অর্থাৎ আল্লাহই তো রিযিক দান করেন এবং তিনি প্রবল পরাক্রান্ত।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الذاريات
عن عبد الله بن مسعود قال أقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم (اني انا الرزاق ذو القوة المتين)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা কামার প্রসঙ্গ
১০৭। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে সূরা কামার এর (২২ নং) আয়াত وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ এভাবে লিখিয়েছেন। তখন এক ব্যক্তি বলল হে আবু আব্দুর রহমান।
مُدَّكِرٍ নাকি(২) مذکر তিনি (রা) বলেন, আমাকে রাসুলুল্লাহ (مُدَّكِرٍ(ﷺ শিখিয়েছেন।
বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
টিকা: ২. مُدَّكِرٍ উভয় শব্দের অর্থই উপদেশ গ্রহণকারী। শুধুমাত্র উচ্চারণগত পার্থক্য। তবে مذکر শব্দটি অধিক প্রচলিত ও সমর্থিত।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة القمر
وعنه أيضا قال اقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم (ولقد يسرنا القرآن للذكر فهل من مدكر) (10) فقال رجل يا أبا عبد الرحمن مدكر أو مذكر قال اقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم مدكر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা তালাক প্রসঙ্গ
১০৮। আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সূরা তালাকের ১ম আয়াত
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ
(৩)এরূপ পড়েছেন।
শাফিঈ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
টিকা: ৩. অন্য এক বর্ণনামতে لِعِدَّتِہِنَّ রয়েছে। فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ এর অর্থ ইদ্দত আসার পূর্বে, আর لِعِدَّتِہِنَّ অর্থ ইদ্দতের দিকে লক্ষ্য রেখে لِعِدَّتِہِنَّ বর্ণনাটাই অধিক গ্রহণযোগ্য।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
ما جاء في سورة الطلاق
عن ابن عمر قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم (يا أيها النبي إذا طلقتم النساء فطلقوهن في قبل عدتهن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূরা লাইল প্রসঙ্গ
১০৯। 'আলকামা (র) হতে বর্ণিত, তিনি শাম আগমন করলেন এবং দামেস্ক মসজিদে প্রবেশ করলেন, অতঃপর তথায় দু'রাকাআত সালাত আদায় করলেন এবং দু'আ করলেন, হে আল্লাহ! আমাকে একজন সৎ সঙ্গী দান করুন। বর্ণনাকারী (সনদে বর্ণিত আলকামা (র) এর নিকট থেকে হাদীস বর্ণনাকারী ইবরাহীম (র)) বলেন, অতঃপর তিনি এসে আবু দারদা (রা) এর নিকট বসলেন। তখন আবুদ্দারদা (রা) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি কোথা থেকে এসেছো? তিনি বললেন, কুফা বাসীর পক্ষ থেকে। আবুদ্দারদা (রা) বলেন, তুমি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত সূরা লায়ল এর প্রথম আয়াত وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَى এ আয়াতের কিরাআ’ত সম্পর্কে কি শুনেছো? আলকামা (রা) বলেন والذكر والأنثى আবুদ্দারদা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট থেকে এভাবেই শুনেছি কিন্তু ওই সব লোক আমাকে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত করেছে। (অন্য এক বর্ণনামতে, তারা চায় আমি وَمَا خَلَقَ الذَّكَرِ وَالْأُنْثَى এরূপ পড়ি, কিন্তু আমি তাদের অনুসরণ করিনি।) অতঃপর আবুদ্দারদা (রা) বলেন, তোমাদের মাঝে কি নেই (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর) অন্তপূরে প্রবেশের অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি, গোপনীয়তার অধিকারী ব্যক্তি যিনি এমন অনেক তথ্য জানেন যা অন্য কেউ জানে না এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জবানীতে শয়তান থেকে নিরাপদ ব্যক্তি অন্তপুরে প্রবেশের অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা), গোপনীয়তার অধিকারী ব্যক্তি হলেন হুযায়ফা (রা) এবং শয়তান থেকে নিরাপদ ব্যক্তি হলেন 'আম্মার (রা) (অপর এক ভাষ্যমতে) আবুদ্দারদা (রা) আলকামা (রা) কে বললেন, তোমরা কি ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করো? আলকামা (রা) বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, তখন তিনি (রা) বললেন, وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى সূরাটি পড়, আমি পড়লাম وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى وَالذَّكَرِ وَالْأُنْثَى তিনি (রা) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কে এভাবেই পড়তে শুনেছি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সঠিক পড়েছি, তিনি আরও বলেন, একথা শুনে আবুদ্দারদা (রা) হেসে দিলেন।
বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في سورة الليل
عن علقمة أنه قدم الشام فدخل مسجد دمشق فصلى فيه ركعتين وقال اللهم ارزقني جليسا صالحا قال فجاء فجلس إلى أبي الدرداء فقال له أبو الدرداء ممن أنت؟ قال من أهل الكوفة قال كيف سمعت ابن ام عبد (3) يقرأ (والليل اذا يغشي والنهار اذا تجلى) قال علقمة (والذكر (4) والأنثى) فقال أبو الدرداء لقد سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم فما زال هؤلاء حتى شككوني (وفي رواية وهؤلاء يريدون أن اقرأ) (وما خلق) (5) فلا أتابعهم (6) ثم قال ألم يكن فيكم صاحب السواد (7) وصاحب السر الذي لا يعلمه أحد غيره (1) والذي أجير من الشيطان على لسان النبي صلى الله عليه وسلم (2) صاحب السواد ابن مسعود وصاحب السر حذيفة والذي أجير من الشيطان عمار رضي الله عنهم (وفي لفظ) أن أبا الدرداء قال لعلقمة هل تقرأ على قراءة ابن مسعود؟ قال قلت نعم قال فاقرأ والليل اذا يغشى قلت (والليل اذا يغشى والنهار اذا تجلى والذكر والانثى) قال هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرؤها قال احسب قال فضحك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: কুরআন নাযিলের পদ্ধতি প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: কুরআনসহ অন্যান্য আসমানী কিতাবসমূহ নাযিল হওয়ার সময়কাল এবং সাহাবীদের মাঝে কুরআন নাযিল হওয়ার ব্যাপারে তাদের ভীতি প্রসঙ্গে।
১১০। ওয়াছিলা ইব্‌ন আসকা (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইবরাহীম (আ) এর সাহীফাসমূহ নাযিল হয়েছিল রমজানের প্রথম রাতে, তাওরাত নাযিল হয়েছিল রমজানের ছয়দিন অতিবাহিত হলে, ইন্‌জীল নাযিল হয়েছিল রমজানের তেরদিন হলে, আর কুরআন নাযিল হয়েছে রমজানের চব্বিশ দিন অতিবাহিত হলে।
(ইমাম বায়হাকী (র) মানসম্মত সনদে হাদীস খানা শুয়াবুল ইমানে বর্ণনা করেছেন অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
أبواب كيفية نزول القرآن

باب وقت نزول القرآن وغيره من الكتب السماوية وخوف الصحابة من نزول القرآن فيهم
عن وائلة بن الأسقع أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال انزلت صحف ابراهيم عليه السلام في أول ليلة من رمضان وأنزلت التوراة لست مضين من رمضان والانجيل لثلاث عشرة خلت من رمضان وأنزل الفرقان لأربع وعشرين خلت من رمضان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআনসহ অন্যান্য আসমানী কিতাবসমূহ নাযিল হওয়ার সময়কাল এবং সাহাবীদের মাঝে কুরআন নাযিল হওয়ার ব্যাপারে তাদের ভীতি প্রসঙ্গে।
১১১। আব্দুল্লাহ ইবন 'উমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর জীবদ্দশায় আমরা আমাদের স্ত্রীদের সাথে অনেক কথা বলতে এবং তাদের সংগে ফুর্তি করতে ভয় পেতাম, কেননা, আমাদের ব্যাপারে কুরআন নাযিল হওয়ার আশংকা ছিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মৃত্যুর পর আমরা এসব ব্যাপারে কথা বলা শুরু করলাম।
(বুখারী, ইবন মাজাহ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب وقت نزول القرآن وغيره من الكتب السماوية وخوف الصحابة من نزول القرآن فيهم
عن ابن عمر قال كنا نتقي كثيرا من الكلام والانبساط الى نسائنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم مخافة أن ينزل فينا القرآن فلما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم تكلمنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ অংশ প্রসঙ্গে।
১১২। আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট প্রথম যে পন্থায় ওহী নাজিলের সূত্রপাত হয়েছিল তা হল ঘুমের মধ্যে সত্য সপ্ন। আর তিনি যখনই কোন স্বপ্ন দেখতেন তা প্রভাত রশ্মির মত সত্য হতো, তারপর তিনার নিকট নিঃসঙ্গতাকেই প্রিয় করে তোলা হল। তাই তিনি হেরা গুহায় চলে আসতেন, তথায় তিনি ইবাদতে মগ্ন থাকতেন- যে ইবাদত বেশ কয়েক রাত ধরে চলত আর এ জন্য তিনি প্রয়োজনীয় রসদ সঙ্গে নিতেন, রসদ ফুরিয়ে গেলে) তিনি আবার খাদীজা (রা)-এর নিকট এসে আবার অনুরূপ রসদপত্রাদি নিয়ে যেতেন, এভাবে এক পর্যায়ে তার নিকট সত্য উদ্ভাসিত হল, আর তখন তিনি ছিলেন হেরা গুহাতেই। একজন ফিরিস্তা (জিবরাঈল (আ) তথায় আসলেন এবং তাঁকে বললেন, আপনি পাঠ করুন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমি বললাম, আমি পাঠ করতে পারি না, তিনি তাও বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে তাঁর বুকের সাথে সজোরে চাপ দিলেন যা আমার সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল, তারপর আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললেন, আপনি পাঠ করুন। আমি তাঁকে বললাম আমি পাঠ করতে পারি না। অতঃপর তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে তাঁর বুকের সাথে দ্বিতীয় বার সজোরে চাপ দিলেন যা আমার সহ্যের শেষ সীমায় পৌছে গেল তারপর আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললেন। আপনি পাঠ করুন। আমি বললাম, আমি পাঠ করতে পারি না। অতঃপর তিনি আমাকে তৃতীয় বার সজোরে তাঁর বুকের সাথে চাপ দিলেন যা আমার সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেল। তারপর তিনি আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললেন, পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন..... শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।
'ইতিহাস' অংশের 'সিরাতুন্নবী' অধ্যায়ের 'ওহীর সূচনা পরিচ্ছেদে এ হাদীসখানা পূর্ণাঙ্গরূপে উল্লেখ করা হয়েছে। (বুখারী, মুসলিম অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب أول ما نزل من القرآن
عن عائشة رضي الله عنها قالت أول ما بدئ به رسول الله صلى الله عليه وسلم من الوحي (1) الرؤيا الصادقة (2) في النوم وكان لا يرى رؤيا إلا جاءت مثل (3) فلق الصبح ثم حبب إليه الخلاء (4) فكان يأتي غار حراء (5) فيتحنث فيه وهو التعبد (6) الليالي ذوات العدد ويتزود لذلك ثم يرجع إلى خديجة فتزوده لمثلها (7) حتى فجئه الحق وهو في غار حراء فجاءه (8) الملك فيه فقال اقرأ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت ما أنا بقارئ (9) قال فأخذني فغطني (10) حتى بلغ مني الجهد ثم أرسلني فقال اقرأ فقلت ما أنا بقارئ فأخذني فغطني الثانية حتى بلغ مني الجهد ثم أرسلني فقال اقرأ فقلت ما أنا بقارئ فغطني الثالثة حتى بلغ مني الجهد ثم أرسلني (11) فقال اقرأ باسم ربك الذي خلق حتى بلغ مالم يعلم (يعني علم الإنسان ما لم يعلم (1) الحديث ذكر بتهامه في باب بدء الوحي من كتاب السيرة النبوية في قسم التاريخ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ অংশ প্রসঙ্গে।
১১৩। আবূ সালামা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবির (রা) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কুরআনের কোন অংশ সর্ব প্রথম নাজিল হয়েছে? তিনি বললেন, یٰۤاَیُّہَا الۡمُدَّثِّرُ আমি বললাম, নাকি وَاقْرَأْ জাবির (রা) বললেন, আমি তোমাদের নিকট সে ঘটনা বর্ণনা করব, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি হেরা গুহায় একমাস যাবৎ অবস্থান করলাম। অবস্থান কাল শেষ হলে আমি পাহাড়ের উপত্যাকায় নেমে আসলাম, তখন আমাকে ডাকা হল। আমি আমার সামনে, পেছনে, ডানে ও বামে তাকিয়ে কাউকে দেখলাম না। অতঃপর আমাকে আবার ডাকা হল, আমি তখনও কাউকে দেখলাম না। অতঃপর আমাকে আবার ডাকা হলে আমি আমার মাথা উত্তোলন করে দেখলাম শূন্যে সিংহাসনের ওপর তিনি ফিরিশতা বসা, তখন আমাকে প্রচণ্ড ভয়ে পেয়ে বসল, আমি তখন খাদীজা (রা) এর নিকট এসে তাকে বললাম আমাকে কম্বল আচ্ছাদিত করো, তখন তারা আমাকে কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত করল এবং আমার ওপর পানি ছিটিয়ে দিল। তখন আল্লাহ তাআলা নাজিল করলেন হে বস্ত্রাচ্ছাদিত। উঠ, আর সতর্ক কর, এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। তোমার পরিচ্ছদ পবিত্র রাখ"। আবূ সালামা (রা) হতে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে তিনি বলেন জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেছেন, আমার নিকট কিছুদিন ওহী আসা বন্ধ ছিল, তখন আমি একবার হেটে যেতেই আসমান থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলাম, আমি আসমানের দিকে মাথা তুলতেই সেই ফিরিস্তাকে দেখতে পেলাম যিনি আমার নিকট হেরা গুহায় এসেছিলেন তিনি তখন আসমান ও জমীনের মাঝে স্থাপিত একটি আসনে বসা ছিলেন। আমি তাকে দেখে ভয় পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লাম। পরে আমি আমার পরিবারের নিকট ফিরে এসে তাদেরকে বললাম, তোমরা আমাকে কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত কর। তোমরা আমাকে কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত কর। তোমরা আমাকে কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত কর। অতঃপর তারা আমাকে কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত করল। তখন মহান আল্লাহ নাজিল করলেন, হে বস্ত্রাচ্ছাদিত উঠ! আর সর্তক কর। তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। তোমার পরিচ্ছদ পবিত্র রাখ। পৌত্তলিকতা পরিহার করে চল।" আবু সালামা (রা) বলেন, اَلرُّجْزُ অর্থ মূর্তি, পৌত্তলিকতা। তারপর ওহী চালু হল এবং অব্যাহত থাকল।
(বুখারী ও মুসলিম, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب أول ما نزل من القرآن
عن أبي سلمة قال سألت جابرا أي القرآن أنزل قبل؟ فقال يا أيها المدثر (3) فقلت أو اقرأ؟ فقال جابر أحدثكم ما حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جاورت بحراء (4) شهرا فلما قضيت جواري نزلت فاستبطنت بطن الوادي (5) فنوديت فنظرت أمامي وخلفي وعن يميني وعن شمالي فلم أر أحدا ثم نوديت فظرت فلم أر أحدا ثم نوديت فرفعت رأسي فإذا هو على العرش في الهواء (6) فأخذتني رجفة (7) شديدة فأتيت خديجة فقلت دثروني (1) فدثروني وصبوا علي ماءا فأنزل الله عز وجل (يا أيها المدثر قم فأنذر (2) وربك فكبر وثيابك فطهر) (وعنه من طريق ثان) (3) قال اخبرني جابر بن عبد الله أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ثم فتر الوحي عني فترة (4) فبينا أنا أمشي سمعت صوتا من السماء فرفعت بصري قبل السماء فإذا الملك (5) الذي جاءني بحراء الآن قاعد على كرسي بين السماء والأرض فجششت (6) منه فرقا حتى هويت إلى الأرض فجئت أهلي فقلت زملوني زملوني زملوني فزملوني فأنزل الله عز وجل (يا أيها المدثر قم فأنذر وربك فكبر وثيابك فطهر والرجز فاهجر) قال أبو سلمة الرجز الأوثان ثم حمى الوحي (7) بعد وتتابع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৪। আবূ বাকরা (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, জিবরাঈল (আ) বলেছেন, হে মুহাম্মদ! আপনি আল কুরআন এক রীতিতে পাঠ করুন। (অপর এক বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমার নিকট জিবরাঈল ও মিকাঈল (আ) আসলেন, তারপর জিবরাঈল (আ) বললেন, আপনি আল কুরআন এক রীতিতে পাঠ করুন। মিকাঈল (আ) বললেন, তাঁকে একটু বাড়িয়ে দিন, তখন তিনি (জিবরাঈল (আ) বাড়িয়ে দিলেন এবং বললেন, আপনি দুই রীতিতে পাঠ করুন, মিকাঈল (আ) বলেন, তাঁকে আর ও বাড়িয়ে দিন, তখন তিনি সাতরীতি পর্যন্ত বাড়িয়ে দিলেন এবং বললেন এ রীতিগুলোর সবই প্রশান্তি দায়ক ও যথেষ্ট, যতক্ষণ না আযাবের আয়াত রহমতের অর্থের অথবা রহমতের আয়াত আযাবের অর্থের নির্দেশ না করে। যেমন: আস এ অর্থ বুঝানোর জন্য আপনি أَقْبِلْ تَعَالْ ও هَلُمَّ ব্যবহার করতে পারেন। আবার যা বুঝানোর জন্য وَاذْهَبْ وَأَسْرِعْ وَأَعْجِلْ সবই ব্যবহার করতে পারেন।
(তাবারানী, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن أبي بكرة أن جبريل عليه السلام قال يا محمد اقرأ القرآن على حرف (وفي لفظ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل وميكائيل عليهما السلام فقال جبريل اقرأ القرآن على حرف) قال ميكائيل عليه السلام استزده فاستزاده قال اقرأه على حرفين قال ميكائيل استزده فاستزاده حتى بلغ سبعة أحرف (2) قال كل شاف (3) كاف ما لم تختم (4) آية عذاب برحمة أو آية رحمة بعذاب نحو قولك تعالى (5) وأقبل وهلم واذهب واسرع وأعجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৫। আমর ইবন 'আ'স (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কুরআন সাতটি রীতিতে নাজিল হয়েছে, তোমরা যে কোন রীতিতে তা পাঠ কর না কেন তোমাদের পাঠ সঠিক হবে। তাই তোমরা এ ব্যাপারে
মতবিরোধ কর না কেননা, এ ব্যাপারে মত বিরোধ করা কুফরী।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم قال نزل القرآن على سبعة أحرف على اي حرف قرأتم فقد أصبتم فلا تماروا فيه فإن المراء فيه كفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৬। উবাঈ ইব্‌ন কা'ব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একটি আয়াত তিলাওয়াত করলাম, আর 'আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) ঐ আয়াতটি ভিন্নবাবে তিলাওয়াত করলেন। (অন্য এক বর্ণনামতে, এক ব্যক্তি ঐ আয়াতটি ভিন্নভাবে তিলাওয়াত করলেন।) তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গিয়ে তাঁকে বললাম, আপনি আমাকে আয়াতখানা এভাবে এভাবে পড়ে শোনাননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ (রা) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আপনি কি আমাকে আয়াত খানা এভাবে পড়ে শোনান নি? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, তোমরা দু'জনই ভাল ও সুন্দর পড়েছ। বর্ণনাকারী উবাই ইব্‌ন কা'ব (রা) বলেন, অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে কিছু বলতেই তিনি আমার বুকে হাত মারলেন এবং বললেন, হে উবাঈ ইব্‌ন কা'ব। আমাকে কুরআন পাঠ করে শুনানো হল এবং জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এক রীতি নাকি দুই রীতিতে? তখন আমার সঙ্গে থাকা ফিরিস্তা বললেন, দুই রীতিতে, তখন আমি বললাম দুই রীতিতে। তখন তিনি বললেন, দুই রীতি নাকি তিন রীতিতে? তখন আমার সঙ্গে থাকা ফিরিস্তা বললেন, তিন রীতিতে। তখন আমি বললাম তিনরীতিতে এভাবে সাতরীতি পর্যন্ত পৌঁছল। তবে তা প্রশান্তি দায়ক ও পর্যাপ্ত হতে হবে। তুমি চাইলে غفورًا رَحِيمًا অথবা سَمِيعًا عَلِيمًا বলতে পারো। আবার عَلِيمًا سَمِيعًا বলতে পারো। এভাবে আল্লাহ তোমাদের অনুমতি দিয়েছে যদি না আযাবের আয়াত রহমত অর্থে অথবা রহমতের আয়াত আযাব অর্থে ব্যবহৃত হয়। (অপর এক বর্ণনা আছে তিনি আমার বুকে হাত মারলেন, অতঃপর) তিনি (ﷺ) বললেন, হে আল্লাহ, আপনি উবাঈ এর সন্দেহ দূর করে দিন। তখন আমি ঘর্মাক্ত হয়ে গেলাম। ভয়ে আমার পেট ফুলে উঠল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন হে উবাই! আমার নিকট দু'জন'(১) ফিরিস্তা আসলেন। তাদের একজন বললেন, আপনি একরীতিতে তিলাওয়াত করুন, অপরজন বললেন, তাঁকে বাড়িয়ে দিন। আমি তখন বললাম বাড়িয়ে দিন। তখন প্রথম জন বললেন আপনি দু'রীতিতে তিলাওয়াত করুন। দ্বিতীয়জন বললেন তাঁকে আরও বাড়িয়ে দিন, আমি বললাম, আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তখন প্রথম জন বললেন, আপনি তিন রীতিতে তিলাওয়াত করুন। দ্বিতীয় জন বললেন, তাঁকে আরও বাড়িয়ে দিন, আমি বললাম, আমাকে বাড়িয়ে দিন, তখন প্রথম জন বললেন, আপনি চার রীতিতে তিলাওয়াত করুন। দ্বিতীয় জন বললেন, তাঁকে আরও বাড়িয়ে দিন, আমি বললাম, আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তখন প্রথম জন বললেন, আপনি পাঁচ রীতিতে তিলাওয়াত করুন। দ্বিতীয় জন বললেন, তাঁকে আরও বাড়িয়ে দিন, আমি বললাম, আমাকে আরও বাড়িয়ে দিন। তখন প্রথম জন বললেন, আপনি ছয়রীতিতে তিলাওয়াত করুন।
দ্বিতীয় জন বললেন, তাঁকে আর ও বাড়িয়ে দিন। তখন প্রথম জন বললেন, আপনি সাত রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করুন।
(মুসলিম আবু দাউদ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
টিকা: ১. ফিরিস্তা দু'জন হলেন: জিবরাঈল ও মিকাঈল (আ)।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن أبي بن كعب قال قرأت آية وقرأ ابن مسعود خلافها (جاء في رواية وقرأ رجل خلافها) فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ألم تقرئني آية كذا وكذا؟ قال بلى فقال ابن مسعود ألم تقرئنيها كذا وكذا؟ فقال بلى كلاكما محسن مجمل قال فقلت له (2) فضرب في صدري فقال يا أبي بن كعب اني اقرئت القرآن فقيل لي على حرف (3) أو على حرفين؟ فقال الملك الذي معى على حرفين فقلت على حرفين فقال على حرفين أو ثلاثة؟ فقال الملك الذي معي على ثلاثة فقلت على ثلاثة حتى بلغ سبعة أحرف (4) ليس منها إلا شاف كاف إن قلت غفورا رحيما أو سميعا عليما أو قلت عليما سميعا فالله كذلك مالم تختم آية عذاب برحمة أو آية رحمة بعذاب (زاد في رواية بعد قوله فضرب في صدري) قال اللهم اذهب عن أبي الشك ففضت عرقا (5) وامتلأ جوفي فرقا (6) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا أبي ان ملكين أتياني (7) فقال أحدهما اقرأ على حرف فقال الآخر زده فقلت زدني قال اقرأ على حرفين فقال الآخر زده فقلت زدني فقال اقرأ على ثلاثة فقال الآخر زده فقلت زدني فقال اقرأ على أربعة قال الآخر زده قلت زدني قال اقرأ على خمسة أحرف قال الآخر زده قلت زدني قال اقرأ على ستة قال الآخر زده (8) قال اقرأ على سبعة أحرف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৭। হুজায়ফা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জিবরাঈল (আ)-এর সাথে কোবার প্রস্তরময় ভূমিতে আমার সাক্ষাৎ হল। আমি তাঁকে বললাম, হে জিবরাঈল (আ)। আমি অশিক্ষিত নারী পুরুষ, কৃতদাস কৃতদাসী ও অতিশয় বৃদ্ধদের সমষ্টিতে গঠিত একটি উম্মী জাতির নিকট প্রেরিত হয়েছি, যারা একটি কিতাবও পড়তে পারে না। তখন জিবরাঈল (আ) বললেন, নিঃসন্দেহে কুরআন সাতটি রীতিতে নাজিল হয়েছে। হুজায়ফা (রা) হতে অপর এক সনদে বর্ণিত আছে তিনি বলেন, কুবার প্রস্তরময় এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তখন জিবরাঈল (আ)-এর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হল। জিবরাঈল (আ) বললেন, আপনার উম্মতগণ সাত রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করবে, তাদের মধ্যে কেউ কোন রীতিতে তিলাওয়াত শিখলে, সে যেরূপ শিখেছে সেরূপ তিলওয়াত করবে, তা ছেড়ে দেয়ার কোন প্রয়োজন নাই। (হাদীস সংকলনকারী আব্দুল্লাহ ইবন আহমদ (র) বলেন) আমার পিতা আহমদ (র) ও আব্দুর রহমান ইবন মাহদী (র) বলেন, জিবরাঈল (আ)-এর ভাষ্য) আপনার উম্মতের মধ্যে দূর্বল লোক রয়েছে। তাই তাদের মধ্যে কেউ কোন রীতিতে তিলাওয়াত করলে সে অন্য কোন রীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তা পরিত্যাগ করবে না।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن حذيفة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لقيت جبريل عند أحجار المراء (10) فقلت يا جبريل اني ارسلت إلى أمة أمية الرجل والمرأة والغلام والجارية والشيخ الفاني الذي لا يقرأ كتابا قط (1) قال في القرآن نزل على سبعة أحرف (2) (وعنه من طريق ثان) (3) قال لقى النبي صلى الله عليه وسلم جبريل وهو عند أحجار المراء فقال ان امتك يقرءون القرآن على سبعة أحرف فمن قرأ منهم على حرف فليقرأ كما علم ولا يرجع عنه قال أبي (4) وقال ابن مهدي ان من امتك الضعيف فمن قرأ منهم على حرف فلا يتحول منه إلى غيره رغبة عنه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৮। উবাই ইবন কা'ব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুবার প্রস্তরময় ভূমিতে জিবরাঈল (আ) এর সাথে সাক্ষাত করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরাঈল (আ) কে বললেন, আমি এমন এক অশিক্ষিত জাতির কাছে প্রেরিত হয়েছি যাদের মধ্যে অতি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাও কৃতদাস রয়েছে। তখন জিবরাঈল (আ) তাঁকে বললেন, আপনি তাদেরকে নির্দেশ দিন তারা যেন সাতরীতির কোন এক রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن أبي بن كعب قال لقى رسول الله صلى الله عليه وسلم جبريل عند أحجار المراء (6) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل اني بعثت إلى أمة أميين فيهم الشيخ الفاني والعجوز الكبيرة والغلام قال فمرهم فليقرءوا القرآن على سبعة أحرف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আল-কুরআন সাত রীতিতে নাজিল হয়েছে।
১১৯। সামুরা ইবন জুনদুর (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন কুরআন সাতটি উচ্চারণ রীতিতে নাজিল হয়েছে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول القرآن على سبعة أحرف
عن سمرة بن جندب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نزل القرآن على سبعة أحرف
tahqiq

তাহকীক: