মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩৫৪ টি

হাদীস নং: ২৪১
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বদর যুদ্ধের তারিখ, মুহাজির ও আনসার যোদ্ধাদের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়
২৪১. আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমরা বদর দিবসে সারিবদ্ধ হলাম, হঠাৎ একব্যক্তি আমাদের সারি ছেড়ে সম্মুখে এগিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওদের দিকে তাকালেন এবং বললেন এগিয়ে নয় বরং আমার সাথে থাক, আমার সাথে থাক।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى تاريخ غزوة بدر وعدد رجالها من المهاجرين والأنصار رضى الله عنهم وأمور متفرقة تتعلق بها
عن أبى أيوب الآنصارى (1) قال صففنا يوم بدر فندرت منا ناد ة (2) (وفى رواية فبدرت منا باردة) (3) أمام الصف فنظر رسول الله - صلى الله عليه وسلم - اليهم فقال معى معى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বদর যুদ্ধের তারিখ, মুহাজির ও আনসার যোদ্ধাদের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়
২৪২. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। হযরত আবূ তালহা (রা) বলেছেন, বদর দিবসে আমরা আমাদের সারিতে থাকা অবস্থায় তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। যারা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়েছিল আমি ছিলাম তাদের একজন। তখন আমার হাত থেকে তরবারি পড়ে যাচ্ছিল আর আমি উঠাচ্ছিলাম আবার পড়ে যাচ্ছিল আর আমি উঠাচ্ছিলাম।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى تاريخ غزوة بدر وعدد رجالها من المهاجرين والأنصار رضى الله عنهم وأمور متفرقة تتعلق بها
عن أنس بن مالك (5) أن أبا طلحة قال غشينا النعاس ونحن فى مصافنا يوم بدر (6) قال أبو طلحة فكنت فيمن غشية النعاس يومئذ فجعل سيفى يسقط من يدى وآخذه ويسقط وآخذه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৩
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বদর যুদ্ধের তারিখ, মুহাজির ও আনসার যোদ্ধাদের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়
২৪৩. বারা ইব্‌ন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বদর দিবসে আমি আর ইবন উমার (রা) দুজনে যুদ্ধে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বলে ফিরিয়ে দেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى تاريخ غزوة بدر وعدد رجالها من المهاجرين والأنصار رضى الله عنهم وأمور متفرقة تتعلق بها
عن البراء بن عازب (7) قال استصغرنى رسول الله - صلى الله عليه وسلم - أنا وابن عمر (8) فرددنا يوم بدر (9)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বদর যুদ্ধের তারিখ, মুহাজির ও আনসার যোদ্ধাদের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়
২৪৪. আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন ছা'লাবাহ ইবন সুআঈর (রা) থেকে বর্ণিত যে, বদর দিবসে দু'পক্ষ মুখোমুখি হবার পর আবু জাহল বলেছিল হে আল্লাহ্! সে তো আমাদের সাথে আত্মীয়তা ছিন্ন করেছে এবং আমাদের নিকট এমন একটি বিষয় নিয়ে এসেছে যা আমরা চিনি না। সুতরাং প্রত্যুষে আপনি তাকে পরাজিত করে দিবেন। এভাবে সে আল্লাহর নিকট বিজয় প্রার্থনা করেছিল।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى تاريخ غزوة بدر وعدد رجالها من المهاجرين والأنصار رضى الله عنهم وأمور متفرقة تتعلق بها
عن عبد الله بن ثعلبة (1) بن صعير أن أبا جهل قال حين التقى القوم (2) اللهم أقطعنا الرحم وأتانا بما لا نعرفه فأحنه الغداة (3) فكان المستفتح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৫
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হযরত আলী (রা)-এর সাথে হযরত ফাতিমা যাহরা (রা)-এর বিবাহ
২৪৫. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট তাঁর কন্যা ফাতিমা (রা) কে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়ার মনস্থ করেছিলাম। পরে মনে মনে বললাম, আমার তো কোন সহায়-সম্পদ নেই কিভাবে প্রস্তাব দিব? শেষ পর্যন্ত চিন্তা করলাম যে, তাঁর সাথে তো আমার আত্মীয়তা ও সুসম্পর্ক আছে। এ প্রেক্ষিতে আমি বিয়ের প্রস্তাব দিই। তিনি আমাকে বললেন, তোমার নিকট কি কোন সহায় সম্পদ আছে? আমি বললাম, না, নেই। তিনি বললেন ওইদিন আমি তোমাকে যে খুরতুমী যুদ্ধ বর্মটি দিয়েছিলাম সেটি কোথায়? আমি বললাম, সেটি আমার নিকট আছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন সেটিই তুমি (মোহর রূপে) ফাতিমাকে দিয়ে দিবে।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى زوراج على بفاطمة الزهراء رضى الله عنهما
عن على رضى الله عنه (5) قال أردت أن أخطب الى رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ابنته فاطمة رضى الله عنها فقلت مالى من شئ فكيف، ثم ذكرت صلته وعائدته فخطبتها اليه، فقال هل لك من شئ؟ قلت لا، فقال فأين درعك * التى أعطيتك يوم كذا كذا؟ قال هى عندى، قال فأعطها اياها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৬
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হযরত আলী (রা)-এর সাথে হযরত ফাতিমা যাহরা (রা)-এর বিবাহ
২৪৬. আতা ইবন সাইব তাঁর পিতা থেকে, তিনি হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাঁর নিকট ফাতিমা (রা) কে বিয়ে দেন তখন একটি চাঁদর, একটি বালিশ যার খোল ছিল চামড়ার আর ভেতরে ছিল খেজুরের আঁশ, দুটো যাঁতা, একটি মশক এবং দুটো কলসী সাথে দিয়েছিলেন। একদিন হযরত আলী (রা) এসে ফাতিমা (রা) কে বললেন, আল্লাহর কসম পানি বহন করে করে আমার বুকে ব্যথা হয়ে গেল, ইতিমধ্যে আল্লাহ্ তোমার পিতাকে কতগুলো ক্রীতদাস দিয়েছেন, তুমি তোমার পিতার নিকট গিয়ে সেবক-সেবিকা চেয়ে নাও। হযরত ফাতিমা (রা) বললেন, আল্লাহর কসম আমিও তো আটা পিষতে পিষতে আমার হাতে ফোঁসকা পড়ার উপক্রম হয়েছে। হযরত ফাতিমা (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, বৎস, কোন প্রয়োজনে এসেছ কি? ফাতিমা (রা) বললেন, এসেছি সালাম জানাতে এবং কুশলাদি জানতে। মূলকথা উত্থাপনে তিনি লজ্জাবোধ করলেন এবং ফিরে গেলেন। হযরত আলী (রা) কি হল তা জানতে চাইলেন। ফাতিমা (রা) বললেন মূলকথা উত্থাপনে আমি লজ্জাবোধ করেছি। সেবকের আবেদন আমি করিনি। এরপর আলী (রা) ও ফাতিমা (রা) দুজনই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গমন করলেন। আলী (রা) বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ), পানি তুলে তুলে আমার বুকে ব্যথা সৃষ্টি হয়েছে। ফাতিমা (রা) বললেন, আটা পিষতে পিষতে আমার হাত খসখসে হয়ে গিয়েছে। হাতে ফোঁসকা সৃষ্টি হয়ে গেছে। মহান আল্লাহ তো আপনাকে কতক বন্দী দাসী ও অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন। আপনি তা থেকে আমাদেরকে একটি সেবিকা ও দাসী প্রদান করুন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না, আমি তোমাকে সেবিকা দিতে পারব না। আমি বরং সুফফা-ওয়ালাদেরকে ডেকে আনব, ওরা ক্ষুধায় পেটে পাথর বেঁধে আছে ওদের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারছি না। আমি এসব বন্দী দাস-দাসী বিক্রি করে ওদের খাবারের ব্যবস্থা করব। হযরত আলী (রা) ও ফাতিমা (রা) ফিরে এলেন। রাতে তাঁরা এমন একটি চাঁদর গায়ে শুয়ে পড়লেন যা দিয়ে মাথা ঢাকলে পায়ের অংশ খোলা থাকে আর পা ঢাকলে মাথার অংশ খোলা থাকে। এসময়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁদের ঘরে প্রবেশ করলেন। তাঁরা তাড়াতাড়ি শোয়া থেকে উঠে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, ওঠার দরকার নেই। যেমন আছ তেমন থাক। এরপর তিনি বললেন তোমরা আমার নিকট যা চেয়েছিলে তার চাইতে উত্তম কিছু সম্পর্কে কি আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দিব? তাঁরা বললেন, হাঁ-অবশ্যই তা জানাবেন। তিনি বললেন, সেগুলো হল কতক কালিমাহ ও বাক্য যেগুলো হযরত জিবরাঈল (আ) আমাকে শিখিয়ে গিয়েছেন। এরপর তিনি বললেন তোমরা প্রত্যেক নামাযের পর ১০ বার সুবহানাল্লাহ্ পাঠ করবে, ১০ বার আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করবে এবং ১০ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করবে আর যখন বিছানায় শয়ন করতে যাবে তখন ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ্, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করবে। হযরত আলী (রা) বললেন- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে এটি শিখিয়ে দেয়ার পর থেকে আমি কোন দিন সেগুলো পাঠ না করে ছাড়িনি। ইবন কাওয়া বললেন, আপনি কি সিম্ফীনের যুদ্ধের রাতেও তা পাঠ না করে ছাড়েননি? তিনি বললেন, ওহে ইরাকবাসী! তোমাদের প্রতি আল্লাহর ধ্বংস আসুক সিফফীনের যুদ্ধের রাতেও আমি সেগুলো পাঠ না করে ছাড়িনি।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى زوراج على بفاطمة الزهراء رضى الله عنهما
عن عطاء بن السائب (6) عن أبيه عن على رضى الله عنه أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - لما زوجه فاطمة بعث معه بخميلة ووسادة من أدم حشوها ليف (وفى لفظ ليف الاءذخر) ورحيين وسقاء وجرتين (7) فقال على لفاطمة ذات يوم والله لقد سنوت (8) حتى لقد اشتكيت صدري، قال وقد جاء الله أباك بسبي فاذهبي فاستخدميه (1) فقالت وأنا والله قد طحنت حتي مجلت (2) يدي، فأتت النبي - صلى الله عليه وسلم - فقال ما جاء بك أي بنية؟ قالت جئت لأسلم عليك وأستحيت أن تسأله ورجعت، فقال ما فعلت؟ قالت استحييت أن أسأله، فأتيناه جميعاً فقال علي يا رسول الله والله سنوت حتي اشتكيت صدري، وقالت فاطمة قد طحنت حتي مجلت يداي وقد جاءك الله بسبي وسعة فأخدمنا، فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - والله لا أعطيكما وأدع أهل الصفة تطوي (3) بطونهم لا أجد ما أنفق عليهم، ولكني أبيعهم وأنفق عليهم أثملنهم، فرجعا فأتاهما النبي - صلى الله عليه وسلم - وقد دخلا في قطيفتهما اذا غطت رءوسهما تكشفت أقدامهما، واذا غطيا أقدامهما تكشفت روءسهما فثارا، فقال مكانكما، ثم قال ألا أخبركما بخير مما سألتماني؟ قالا بلي، فقال كلمات علمنيهن جبريل عليه السلام: فقال تسبحان في دبر كل صلاة عشرا، وتحمدان عشرا، وتكبران عشرا، واذا أويتما الي فراشكما فسبحا ثلاثا وثلاثين واحمدا ثلاثا وثلاثين وكبرا أربعا وثلاثين: قال فو الله ما تركتهن منذ علمنيهن رسول الله صلي الله عليه وسلم: قال فقال له ابن الكواء (4) ولا ليلة صفين (5) فقال قاتلكم الله يا أهل العراق نعم ولا ليلة صفين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৭
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হযরত আলী (রা)-এর সাথে হযরত ফাতিমা যাহরা (রা)-এর বিবাহ
২৪৭. আবদুর রায্যাক-হুসায়ন ইবন আলী, হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছিলেন যে, বদর যুদ্ধের প্রাপ্ত সম্পদ থেকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে যৌথভাবে আমি একটি উট পেয়েছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেটির সাথে আরো একটি উট আমাকে দিয়েছিলেন। একদিন জনেক আনসারীর বাড়ীর দরজায় সেগুলোকে বেঁধে রাখি। আমার ইচ্ছা ছিল যে, আমি কিছু ইযখির ঘাস সংগ্রহ করে উটের পিঠে করে নিয়ে সেগুলো বিক্রি করব। আমার সাথে বনু কায়নুকা গোত্রের এক কারিগর ছিল। আমি সেগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফাতিমা (রা) এর সাথে আমার বিয়ের ওলিমার আয়োজন করার ইচ্ছা করেছিলাম। এদিকে হযরত হামযা ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব ওই আনসারীর গৃহে মদ পান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি তরবারি নিয়ে উট দুটোর উপর হামলা করলেন। তিনি সেগুলোর কুঁজ কেটে ফেললেন এবং কোমর ফাঁক করে কলিজা দুটো বের করে আনলেন। বর্ণনাকারী বলেন আমি ইব্‌ন শিহাবকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, কুঁজও কি কেটে ফেলেছিল? তিনি বললেন, হাঁ তা কেটে নিয়ে গিয়েছিল। হযরত আলী (রা) বলেন আমি এই দৃশ্য দেখলাম। তাতে আমি আতংকিত হয়ে পড়লাম। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দরবারে উপস্থিত হলাম। সেখানে হযরত যায়েদ ইবন হারিছা ছিলেন। আমি আদ্যোপান্ত ঘটনা তাঁকে জানালাম। তিনি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তাঁর সাথে যায়েদ ইব্‌ন হারিছা ছিলেন। তিনি এসে হামযার নিকট গেলেন এবং তাঁর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। হামযা বড় বড় চোখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বারবার দেখছিল এবং বলছিল, “তোমরা আমার পিতার দাস ছাড়া অন্য কিছু কি”? অবস্থা বেগতিক দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখান থেকে পেছনের দিকে সরে এলেন এবং ওদেরকে ছেড়ে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করলেন। এটি ছিল মদপান হারাম হবার পূর্বের ঘটনা।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء فى زوراج على بفاطمة الزهراء رضى الله عنهما
حدثنا عبد الرازق (7) أنبأنا ابن جريح حدثني ابن شهاب عن علي بن حسين ابن علي عن أبيه حسين بن علي عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال قال علي أصبت شارفا مع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - في المغنم يوم بدر وأعطاني رسول الله - صلى الله عليه وسلم - شارفا أخري فأنختهما يوما عند باب رجل من الأنصار وأنا أريد أن أحمل عليهما إذخرا لأبيعه ومعي صائغ من بني قينقاع لأستعين به علي وليمة فاطمة، وحمزة بن عبد المطلب يشرب في ذلك البيت (1) فثار (2) اليهما حمزة بالسيف فجب اسنمتها وبقر خواصرهما ثم أخذ من أكبادهما، قلت لابن شهاب ومن السنام؟ قال جب اسنمتها فذهب بها (3)، قال فنظرت الي منظر أفظعني (4) فأتيت نبي الله - صلى الله عليه وسلم - وعنده زيد بن حارثة فأخبرته الخبر: فخرج ومعه زيد فانطلق معه فدخل علي حمزة فتغيط عليه (5) فرجع حمزة بصره (6) فقال هل أنتم الا عبيد لأبي فرجع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقهقر حتي خرج عنهم وذلك قبل تحريم الخمر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৮
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কা'ব ইব্‌ন আশরাফ-এর হত্যাকাণ্ড
২৪৮. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কা'ব হত্যায় প্রেরিত সেনাদলের সাথে বাকী আল গারকাদ পর্যন্ত পায়ে হেঁটে এলেন। এরপর ওদেরকে অভিযানে প্রেরণ করলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ্ নামে তোমরা এগিয়ে যাও। তাদের জন্যে দুআ করে তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আপনি ওদেরকে সাহায্য করুন। অর্থাৎ কা'ব ইব্‌ন আশরাফ হত্যায় প্রেরিত সেনাদলকে সাহায্য করুন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في قتل كعب بن الأشرف
عن ابن عباس (1) قال مشي رسول الله صلي الله عليه وسلم الي بقيع الغرقد ثم وجههم وقال انطلقوا علي اسم الله وقال اللهم أعنهم يعني النفر الذين وجههم الي كعب بن الأشرف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪৯
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ উহুদ যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের পূর্বক্ষণে দেখা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বপ্ন
২৪৯. হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বদর যুদ্ধের দিবসে যুলফিকার তরবারিটির মালিকানা প্রাপ্ত হন। সেটিকে কেন্দ্র করেই তিনি উহুদ দিবসের স্বপ্নটি দেখেন। তিনি বললেন, আমি স্বপ্নের মধ্যে আমার যুলফিকার তরবারিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাঙ্গন চিহ্ন দেখতে পেলাম। অতঃপর আমি তার ব্যাখ্যা করলাম যে, এটি দ্বারা তোমাদের পরাজয় বুঝানো হয়েছে। আমি দেখলাম যে, আমি একটি মেষকে পেছন দিক থেকে তাড়া করছি। আমি ব্যাখ্যা করলাম যে, সেটি শত্রুপক্ষের মেষ। আমি দেখলাম যে, আমি মজবুত ও সুদৃঢ় বর্ম পরিধান করে আছি। আমি ব্যাখ্যা করলাম যে, সুরক্ষিত বর্ম হল মদীনা নগরী। আমি দেখলাম যে, একটি গাভী জবাই করা হচ্ছে। আল্লাহর কসম গাভী তো ভাল-আল্লাহর কসম গাভী তো ভাল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা যা বলেছেন তা তা ঘটেছে।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
أبواب ما جاء في غزوة احد

باب ما رآه النبي صلي الله عليه وعلي آله وصحبه وسلم قبل وقعة أحد
عن أبن عباس (1) قال تنفل رسول الله - صلى الله عليه وسلم - سيفه ذا الفقار يوم بدر وهو الذي رأى فيه الرؤيا يوم أحد، فقال رأيت في سيفي ذي الفقار فلافأولته فلا (بفتح الفاء وتشديد اللام منونة) يكون فيكم (أي انهزاما) ورأيت أني مردف كبشا فأولته كبش الكتيبة، ورأيت أني في درع حصينة فأولتها المدينة ورأيت بقرا تذبح فبقر والله خير فبقر والله خير، فكان الذي قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ উহুদ যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের পূর্বক্ষণে দেখা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বপ্ন
২৫০. জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি যেন একটি সুরক্ষিত বর্মের মধ্যে আছি এবং দেখলাম একটি জবাই করা গাভী। অতঃপর আমি তার ব্যাখ্যা করলাম যে, সুরক্ষিত বর্ম হল মদীনা নগরী আর গাভী হল আল্লাহর কসম কল্যাণ ও ভাল। এরপর তিনি সাহাবীদেরকে বললেন আমরা যদি মদীনা নগরীতে অবস্থান করি তাহলে ওরা আমাদের নগরীতে প্রবেশ করলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারব। সাহাবীগণ বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আল্লাহর কসম ওই শত্রুপক্ষ জাহেলী যুগে আমাদের এই মদীনা নগরীতে প্রবেশ করতে পারেনি। তাহলে ইসলামী যুগে তারা কেমন করে আমাদের নগরীতে প্রবেশ করবে? বর্ণনাকারী আফফান তাঁর বর্ণনায় বলেছেন যে, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, "তোমরা যা চাচ্ছ তা-ই হবে”। এরপর তিনি যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত হলেন। আনসারীগণ নিজেদের মধ্যে বলাবলি করল যে, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি হায়। তারা তাঁর নিকট এসে বলল হে আল্লাহর নবী! আপনি যা চাচ্ছেন তা-ই করুন। তিনি বলেন যুদ্ধাস্ত্র পরিধান করার পর যুদ্ধ না করে তা খুলে ফেলা কোন নবীর জন্যে সমীচীন নয়।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
أبواب ما جاء في غزوة احد

باب ما رآه النبي صلي الله عليه وعلي آله وصحبه وسلم قبل وقعة أحد
عن جابر بن عبد الله (2) أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال رأيت كأني في درع حصينة ورأيت بقرا منحرة (3) فأولت أن الدرع الحصينة المدينة وأن البقر هو والله خير (4)، قال فقال لأصحابه لو انا أقمنا بالمدينة فان دخلوا علينا فيها قاتلناهم؟ فقالوا يا رسول الله والله ما دخل علينا فيها في الجاهلية فكيف يدخل علينا فيها في الاسلام؟ قال عفان في حديثه فقال شأنكم اذاً (1) قال فلبس لامته قال فقالت الأنصار رددنا علي رسول الله - صلى الله عليه وسلم - رأيه فجاءوا فقالوا يا نبي الله شأنك اذا، فقال إنه ليس لنبي إذا لبس لامته أن يضعها حتي يقاتل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫১
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ উহুদ যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদসমূহ

পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের পূর্বক্ষণে দেখা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বপ্ন
২৫১. হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেন, আমি স্বপ্নে দেখেছি আমি যেন একটি মেষকে তাড়া করছি এবং আমার তরবারির ধারালো অংশ যেন ভেঙ্গে গিয়েছে। আমি তার ব্যাখ্যা করেছি যে, আমি শত্রুপক্ষের পতাকাবাহীকে হত্যা করব আর আমার পরিবারের কোন একজন নিহত হবে।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
أبواب ما جاء في غزوة احد

باب ما رآه النبي صلي الله عليه وعلي آله وصحبه وسلم قبل وقعة أحد
عن أنس بن مالك (2) أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال رأيت فيما يري النائم كأني مردف كبشا وكأن ظبة (3) سيفي انكسرت فأولت أني أقتل صاحب الكتيبة (4) وأن رجلا من أهل بيتي يقتل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫২
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, সৈন্যদের সারিবদ্ধতা, নেতৃত্ব, নেতার আনুগত্য এবং তার বিরোধিতার কুফল
২৫২. আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, বারা ইব্‌ন আযিব (রা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উহুদ দিবসে গিরিপথের গোলন্দাজ বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন আবদুল্লাহ্ ইবন জুবায়র (রা) কে। গোলন্দাজ সেনাদের সংখ্যা ছিল ৫০ জন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওদেরকে যথোপযুক্ত স্থানে নিয়োজিত করে দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা যদি দেখতে পাও যে, আমরা পরাজিত হয়েছি, কাকপক্ষী আমাদের গোশত খাচ্ছে তবুও পুনঃনির্দেশ না পাঠানো পর্যন্ত তোমরা তোমাদের স্থান ত্যাগ করবে না। অন্যদিকে তোমরা যদি দেখতে পাও যে, আমরা শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ী হয়ে ওদের পদতলে পিষ্ট করে দিচ্ছি তবুও পুনঃ নির্দেশ না পাঠানো পর্যন্ত তোমরা তোমাদের এই স্থান ত্যাগ করবে না। যুদ্ধ হবার পর মুসলমানগণ শত্রুপক্ষকে পরাজিত করে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহর কসম আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম যে, শত্রুপক্ষের মহিলাগণ কাপড় গুটিয়ে জীবন বাঁচানোর জন্যে দৌড়ে পাহাড়ের ওপর উঠছিল। তাদের পায়ের গোছা ও নুপুরগুলো প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছিল। এসময়ে হযরত আবদুল্লাহ্-এর অধীন গোলন্দাজ সেনাগণ বলল, ওহে লোকজন চল নেমে যাই গনীমত সংগ্রহ করি। তোমাদের সাথিগণ তো জয়ী হয়েছে তাহলে আর কিসের অপেক্ষা? হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জুবায়র বললেন, সৈনিকগণ! তোমরা কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নির্দেশ ভুলে গিয়েছ? তারা বলল, আল্লাহর কসম আমরা শত্রুপক্ষের পরাজিত লোকদের নিকট যাব এবং গনীমতের মাল সংগ্রহ করব। ওরা যখন নেমে এল তখন যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া হল তারা পরাজয় বরণ করল। এটাই কুরআনের ঘোষণা যে, "রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওদেরকে পেছন থেকে ডাকছিলেন।” তখন মাত্র ১২ জন পুরুষ ছাড়া অন্য কেউ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পাশে ছিল না। এসময়ে ওরা আমাদের ৭০ জন লোককে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবিগণ (রা) বদর দিবসে ৭০ জন কাফিরকে হত্যা এবং ৭০ জন কাফিরকে বন্দী করেছিলেন।

উহুদ দিবসের এ পর্যায়ে এসে আবু সুফিয়ান ডেকে ডেকে বলছিল, তোমাদের মধ্যে কি মুহাম্মাদ আছে? তোমাদের মধ্যে কি মুহাম্মাদ আছে? তোমাদের মধ্যে কি মুহাম্মাদ আছে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উত্তর দিতে নিষেধ করলেন। এরপর আবু সুফিয়ান বলল তোমাদের মধ্যে আবূ কুহাফার পুত্র (আবূ বকর ছিদ্দিক) আছে? তোমাদের মধ্যে কি আবু কুহাফার পুত্র আছে? তোমাদের মধ্যে কি খাত্তাবের পুত্র (উমার রা.) আছে? তোমাদের মধ্যে কি খাত্তাবের পুত্র আছে? এরপর সে তার নিজ সৈনিকদেরকে লক্ষ্য করে বলল, ওদের সকলেই নিহত হয়েছে। তোমরা ওদেরকে শেষ করে দিয়েছ। এবার হযরত উমার (রা) নিজেকে সংযত রাখতে পারেননি। তিনি বলে উঠলেন আল্লাহর কসম ওহে আল্লাহর দুশমন। তোমার ঘোষণা মিথ্যা। তুমি যাদের কথা উল্লেখ করেছ তাদের সকলেই জীবিত আছেন, তোমার জন্যে অবশিষ্ট রয়েছে যা তোমাকে দুঃখ দিবে। আবু সুফিয়ান বলল, আজকের দিন বদর দিনের প্রতিশোধ। যুদ্ধে একবার একপক্ষ আরেকবার অন্যপক্ষ জয়ী হয়। তোমাদের লোকদের মধ্যে তোমরা অঙ্গহানি করা-নাক, কান কাটা লাশ পাবে আমরা এরূপ করার নির্দেশ দেইনি এবং তাতে আমরা অখুশীও নই। এরপর সে ছন্দে ছন্দে বলে যাচ্ছিল, হুবল প্রতিমার জয় হোক-হোবল প্রতিমার জয় হোক। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা কি তার জবাব দিবে না? সাহাবীগণ বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ)! কি বলে জবাব দিব? তিনি বললেন, তোমরা বল, আল্লাহ্ সর্বোচ্চ, আল্লাহ্ সুমহান। আবু সুফিয়ান বলল, আমাদের উয্যা প্রতিমা আছে তোমাদের উয্যা প্রতিমা নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন তোমরা কি জবাব দিবে না? তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি বলে জবাব দিব? তিনি বললেন তোমরা বল, আল্লাহ্ আমাদের প্রভূ, তোমাদের কোন প্রভু নেই।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب خبر موقعة أحد وتنظيم الصفوف والقيادة ووجوب طاعة الامام وسوء مخالفته
عن أبي أسحق (6) أن البراء بن عازب قال جعل رسول الله - صلى الله عليه وسلم - علي الرماة (7) يوم أحد وكانوا خمسين رجلا عبد الله بن جبير (8) قال ووضعهم موضعاً وقال إن رأيتمونا تخطفنا الطير فلا تبرحوا حتي أرسل اليكم (9) ان رأيتمونا ظهرنا على العدو وأوطأناهم فلا تبرحوا حتي أرسل اليكم، قال فهزموهم قال فانا والله رأيت النساء يشتددن (1) علي الجبل وقد بدت سوقهن (2) وخلا خلهن رافعات ثيابهن؛ فقال أصحاب عبد الله بن جبير الغنيمة أي قوم الغنيمة (3) ظهر أصحابكم فما تنظرون؟ قال عبد الله بن جبير أنسيتم ما قال لكم رسول الله (4) - صلى الله عليه وسلم - قالوا انا والله لنأتين الناس فلنصيبن من الغنيمة (5) فلما أتوهم صرفت وجوهم (6) فأقبلوا منهزمين فذلك الذي يدعوهم الرسول - صلى الله عليه وسلم - في أخراهم (7) فلم يبق مع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - غير اثني عشر رجلا (8) فأصابوا منا سبعين رجلا وكان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - وأصحابه أصاب من المشركين يوم بدر أربعين ومائة، سبعين أسيرا وسبعين قتيلا، فقال أبو سفيان أفي القوم محمد؟ أفي القوم محمد؟ أفي القوم محمد؟ ثلاثا فنهاهم رسول الله - صلى الله عليه وسلم - أن يجيبوه، ثم قال أفي القوم ابن أبي قحافة؟ أفي القوم ابن أبي قحافة؟ أفي القوم ابن الخطاب؟ أفي القوم ابن الخطاب؟ ثم أقبل علي أصحابه فقال أما هؤلاء فقد قتلوا وقد كفيتموهم، فما ملك عمر نفسه ان قال كذبت والله يا عدو الله ان الذين عددت لأحياء كلهم وقد بقي لك ما يسوءك، فقال يوم بيوم بدر (9) والحرب سجال، انكم ستجدون في القوم مثلة (10) لم آمر بها ولم تسؤني (11) ثم أخذ يرتجز أعل هبل أعل هبل (12) فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ألا تجيبونه؟ قالوا يا رسول الله ما نقول؟ قال قولوا الله أعلي وأجل، قال إن العزي (1) لنا ولا عزي لكم، فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ألا تجيبونه؟ قالوا يا رسول الله وما نقول؟ قال قولوا الله مولانا (2) ولا مولي لكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৩
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, সৈন্যদের সারিবদ্ধতা, নেতৃত্ব, নেতার আনুগত্য এবং তার বিরোধিতার কুফল
২৫৩. উবায়দুল্লাহ্ ইব্‌ন উতবা বর্ণনা করেছেন, হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে যে, তিনি বলেছেন, মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে উহুদ দিবসে যত বড় ধরনের সাহায্য করেছেন অন্য কোন স্থানে তেমন করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রা) এর এ বক্তব্য অগ্রাহ্য করলাম। তখন ইবন আব্বাস (রা) বললেন আমার মাঝে এবং বক্তব্য অগ্রাহ্যকারীর মাঝে মহান আল্লাহর কিতাব-ই ফায়সালাকারী। উহুদ দিবস সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেন
وَلَقَدْ صَدَقَكُمُ اللهُ وَعْدَهُ إِذْ تَحُشُوْنَهُمْ بِإِذْنِهِ
আল্লাহ্ তোমাদের সাথে তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছিলেন যখন তোমরা তাঁর অনুমতিক্রমে তাদেরকে হত্যা করছিলে।
ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেন, حَسٌ শব্দের অর্থ হত্যা করা।
حَتَّى إِذَا فَشِلْتُمْ وَتَنَازَعْتُمْ فِي الْأَمْرِ وَعَصَيْتُمْ مِنْ بَعْدِ مَا أَرَاكُمْ مَا تُحِبُّوْنَ مِنْكُمْ مَنْ يُرِيدُ الدُّنْيَا وَمِنْكُمْ مَنْ يُرِيدُ الْآخِرَةَ ثُمَّ صَرَفَكُمْ عَنْهُمْ لِيَبْتَلِيَكُمْ وَلَقَدْ عَفَا عَنْكُمْ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ .
যে পর্যন্ত না তোমরা সাহস হারালে এবং নির্দেশ সম্বন্ধে মতভেদ সৃষ্টি করলে এবং যা তোমরা ভালবাস তা দেখাবার পর তোমরা অবাধ্য হলে। তোমাদের কতক ইহকাল চাচ্ছিলে এবং কতক পরকাল চাচ্ছিলে। অতঃপর তিনি পরীক্ষা করার জন্যে তোমাদেরকে তাদের থেকে ফিরিয়ে দিলেন। অবশ্য তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ্ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল (সূরা আল ইমরান: ১৫২)।
এখানে মুমিনগণ দ্বারা উক্ত গোলন্দাজ সেনাদের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। বিষয়টি এরূপ যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গোলন্দাজ বাহিনীকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তোমরা আমাদের পেছনের দিকটা পাহারা দিবে। তোমরা যদি দেখতে পাও যে, আমরা নিহত হচ্ছি তবুও তোমরা ওই জায়গা ছেড়ে আমাদের সাহায্যে নেমে আসবে না। আর যদি দেখতে পাও যে আমরা যুদ্ধে জয়ী হয়ে গনীমত ও যুদ্ধসম্পদ সংগ্রহ করছি তবুও তোমরা সম্পদ সংগ্রহে আমাদের সাথে যোগ দিবে না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন যুদ্ধে জয়ী হয়ে গনীমত সংগ্রহ করতে লাগলেন এবং মুসলিম যোদ্ধাগণ মুশরিক সেনাদেরকে যেখানে পাওয়া যায় সেখানে হত্যা করার মিশন শুরু করল, তখন গোলন্দাজ বাহিনীর লোকজন দ্রুত যুদ্ধ ময়দানে নেমে এসে যুদ্ধসম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত হল। ইতিমধ্যে সাহাবীগণ সারি ভেঙ্গে পরস্পর এলোমেলো অবস্থায় পড়ে গেলেন। নিজেরা নিজেদের মধ্যে গোলমেলে পরিবেশ সৃষ্টি করে ফেললেন। গোলন্দাজ দল যখন পাহাড়ী পথ উন্মুক্ত রেখে চলে এল, তখন শত্রুপক্ষের অশ্ববাহিনী সেপথে প্রবেশ করে সাহাবীগণের ওপর আক্রমণ চালাল। অতঃপর এলোমেলো অবস্থায় একে অন্যের ওপর হামলা শুরু করল। এতে বহু মুসলমান শহীদ হয়ে গেলেন। দিনের প্রথম ভাগে যুদ্ধ ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাথীগণের নিয়ন্ত্রণে। এ সময়ে মুশরিকদের পতাকাবাহী সেনাদলের সাত থেকে নয় জন সৈন্য নিহত হয়। কিন্তু শেষপর্যায়ে মুশরিকদের অতর্কিত হামলায় মুসলমানগণ দিশেহারা হয়ে ওঠে এবং পাহাড়ী পথ বন্ধ করার জন্যে চিৎকার করে সেদিকে দৌড়াতে থাকে। কিন্তু তারা সেখানে পৌছতে পারেনি। তারা তখন পাহাড়ের পাদদেশে ছিল। ইতিমধ্যে ইবলিস শয়তান চিৎকার দিয়ে ঘোষণা করল যে, মুহাম্মাদ নিহত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কেউ এই ঘোষণার সত্যতায় সন্দেহ করেনি। আমরা এই বিশৃংখল অবস্থায় ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিহত হয়েছেন তাতে আমাদের কোন সন্দেহ ছিল না। হঠাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দেখা গেল দুই সা'দের মাঝখানে। তাঁর ঝুঁকে হাঁটার ভঙ্গি দেখে আমরা তাঁকে চিনতে পারি। তাঁকে দেখে আমরা এত আনন্দিত হই যে, দুঃখ আমাদের ওপর যা আঘাত ও আক্রমণ এসেছে তাতে যেন আমাদের কিছুই হয়নি। এরপর তিনি আমাদের দিকে উঠে আসছিলেন আর বলছিলেন
اِشْتَدَّ غَضَبُ اللهِ عَلَى قَوْمٍ دَمَوْا وَجْهَ رَسُولِهِ
সেই সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ কত ভয়াবহ হবে যারা আল্লাহর রাসূলের মুখমণ্ডল রক্তরঞ্জিত করেছে।
সাথে সাথে বলছিলেন যে, হে আল্লাহ্! ওরা তো আমাদের উপর জয়ী হতে পারে না। একপর্যায়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট এসে পৌছলেন। তিনি কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর শুনতে পেলেন যে, আবু সুফিয়ান পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে চিৎকার দিয়ে বলছে হুবল প্রতিমার জয় হোক, হুবল প্রতিমার জয় হোক, আবূ কাবাশার পুত্র (মুহাম্মাদ সা.) কোথায়? আবু কুহাফার পুত্র (আবূ বকর রা.) কোথায়? খাত্তাবের পুত্র (উমার রা.) কোথায়? উমার (রা) বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আমি কি তার জবাব দেব? তিনি বললেন, হাঁ জবাব দাও। এরপর যখন আবু সুফিয়ান বলল, হুবলের জয় হোক তখন হযরত উমার (রা) বললেন আল্লাহ্ সর্বোচ্চ ও সুমহান। আবু সুফয়ান বলল, ওহে খাত্তাব পুত্র! এখন হুবলের নয়ন জুড়িয়েছে তার এখন খুবই স্বস্তি। সুতরাং তাকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করো না। আবু সুফিয়ান বলল, আবু কাবাশার পুত্র, আবু কুহাফার পুত্র এবং খাত্তাবের পুত্র কোথায়? উমার (রা) বললেন, এই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ), এই যে আবূ বকর (রা) এবং এই যে, আমি উমার। আবু সুফিয়ান বলল, আজকের দিন বদর দিনের প্রতিশোধ। দিন পরিবর্তনশীল এবং যুদ্ধে জয়পরাজয়ে আমরা সমান সমান। উমার (রা) বললেন, না-সমান সমান নয়, আমাদের মধ্যে যারা নিহত হয়েছেন তাঁরা জান্নাতে থাকবেন আর তোমাদের মধ্যে যারা নিহত হয়েছে তারা জাহান্নামে থাকবে। আবু সুফিয়ান বলল, তোমরা কি তা-ই মনে কর? তাহলে তো আমরা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত বটে। এরপর আবু সুফিয়ান বলল, অবিলম্বে তোমাদের নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কারো কারো অঙ্গ কর্তিত ও নাক কান কাটা পাবে, এটি আমাদের নেতৃবৃন্দের নির্দেশে হয়নি। এরপর জাহেলী যুগের অহংবোধ তার মধ্যে জেগে উঠল এবং বলল, এমনটি তো ঘটেছে তবে আমরা তাতে অখুশিও হইনি।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب خبر موقعة أحد وتنظيم الصفوف والقيادة ووجوب طاعة الامام وسوء مخالفته
عن عبيد الله (يعني ابن عتبة) عن (ابن عباس) (3) أنه قال ما نصر الله تبارك وتعالي في موطن كما نصر في يوم أحد قال فأنكرنا ذلك: فقال ابن عباس بيني وبين من أنكر ذلك كتاب الله تبارك وتعالي ان الله عز وجل يقول في يوم أحد (ولقد صدقكم الله وعده (4) إذ تحسونهم باذنه) يقول ابن عباس والحس القتل (حتي اذا فشلتم _ الي قوله _ ولقد عفا عنكم والله ذو فضل علي المؤمنين) عني بهذا الرماة، وذلك أن النبي - صلى الله عليه وسلم - اقامهم في موضع ثم قال احموا ظهورنا فان رأيتمونا نقتل فلا تنصرونا وان رأيتمونا قد غنمنا فلا تشركونا، فلما غنم النبي - صلى الله عليه وسلم - وأباحوا عسكر المشركين اكب الرماة جميعا فدخلوا العسكر ينهبون وقد التفت صفوف أصحاب رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فهم كذا وشبك أصابع يديه والتبسوا (5) فلما أخل الرماة تلك الخلة (6) التي كانوا فيها دخلت الخيل من ذلك الموضع علي أصحاب النبي - صلى الله عليه وسلم - فضرب بعضهم بعضا والتبسوا، وقتل من المسلمين ناس كثير، وقد كان لرسول الله - صلى الله عليه وسلم - وأصحابه أول النهار حتي قتل من أصحاب لواء المشركين سبعة أو تسعة: وجال المسلمون جولة نحو الجبل ولم يبلغوا حيث يقول الناس الغاث وانما كانوا تحت المهراس (7) وصاح الشيطان قتل محمد فلم يشك فيه أنه حق فما زلنا كذلك ما نشك أنه قد قتل حتي طلع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - بين السعدين (8) نعرفه بتكفئه (9) اذا مشي، قالوا ففرحنا حتي كأنه لم يصبنا ما أصابنا، قال فرقي نحونا وهو يقول اشتد غضب الله علي قوم دموا (10) وجه رسوله، قال ويقول مرة أخري اللهم إنه ليس لهم أن يعلونا حتي أنتهي الينا فمكث ساعة فإذا أبو سفيان يصيح في أسفل الجبل أعل هبل مرتين يعني آلهته أين ابن أبي كبشة (1) أين ابن أبي قحافة؟ أين ابن الخطاب؟ فقال عمر يا رسول الله ألا أجيبه؟ قال بلي، قال فلما قال أعل هبل قال عمر الله أعلي وأجل، قال فقال أبو سفيان يا ابن الخطاب إنه قد أنعمت عينها (2) فعاد عنها أو فعال عنها، فقال أين ابن أبي كبشه؟ أين ابن أبي قحافة؟ أين ابن الخطاب؟ فقال عمر هذا رسول الله - صلى الله عليه وسلم - وهذا أبو بكر وهذا أنا ذا عمر، قال فقال أبو سفيان يوم بيوم بدر، الأيام دول وإن الحرب سجال (3) قال فقال عمر لا سواء، قتلانا في الجنة وقتلاكم في النار، قال انكم لتزعمون ذلك لقد خبنا اذا وخسرنا، ثم قال أبو سفيان أما إنكم سوف تجدون في قتلاكم مثلا (4) ولم يكن ذاك عن رأي سراتنا (5) قال ثم أدركته حمية الجاهلية قال فقال أما إنه قد كان ذاك ولم نكرهه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৪
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধের ঘটনা, সৈন্যদের সারিবদ্ধতা, নেতৃত্ব, নেতার আনুগত্য এবং তার বিরোধিতার কুফল
২৫৪. ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, উহুদ দিবসে মুসলিম মহিলাগণ মুসলিম যোদ্ধাদের পেছনে অবস্থান করছিল। তারা আহত মুসলিম সৈন্যদের সেবা শুশ্রূষা ও চিকিৎসা করছিল। সেদিন আমি যদি কসম করে বলতাম আমাদের কেউই দুনিয়ার লোভে লোভী নই তাহলে আমার আশা যে, আমি কসমে সঠিকই থাকতাম। কিন্তু এক পর্যায়ে মহান আল্লাহ্ নাযিল করলেন
مِنْكُمْ مَنْ يُرِيدُ الدُّنْيَا وَمِنْكُمْ مَنْ يُرِيدُ الْآخِرَةَ ثُمَّ صَرَفَكُمْ عَنْهُمْ لِيَبْتَلِيَكُمْ .
তোমাদের কতক ইহকাল প্রত্যাশী ছিল এবং কতক পরকাল প্রত্যাশী। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্যে তাদের থেকে তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিলেন (সূরা আলে ইমরান: ১৫২)।
অতঃপর সাহাবিগণ যখন পরস্পর মতভেদ করলেন এবং নির্দেশ অমান্য করলেন, তখন তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লেন আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একাকী থেকে গেলেন নয়জন সাহাবীর মধ্যে। তাঁদের মধ্যে সাতজন আনসারী এবং দুইজন কুরায়শী সাহাবী আর দশম হলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। একপর্যায়ে কাফিরগণ যখন তাঁকে ঘিরে ফেলল তখন তিনি বলতে লাগলেন মহান আল্লাহ্ সেই ব্যক্তিকে দয়া করুন যে ওদেরকে আমাদের থেকে সরিয়ে দিবে। তিনি এটি বলে যাচ্ছিলেন, আর তাঁর সাথিগণ যুদ্ধ করতে করতে নয়জনের মধ্যে একে একে সাতজন শহীদ হয়ে গেলেন। অবশিষ্ট দুজনকে তিনি বললেন হায়! আমাদের সাথিগণ আমাদের প্রতি ইনসাফ করেনি। এ পর্যায়ে আবু সুফিয়ান এল এবং বলল, হুবল প্রতিমার জয় হোক। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা বল, আল্লাহ্ সর্বোচ্চ, সর্বোর্ধ্ব ও সুমহান। তাঁরা বললেন, আল্লাহ্ সর্বোচ্চ, সর্বোর্ধ্ব সুমহান। আবু সুফিয়ান বলল, আমাদের উয্যা প্রতিমা আছে তোমাদের উয্যা প্রতিমা নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা বল আমাদের প্রভু ও সাহায্যকারী আল্লাহ্ তোমাদের কোন প্রভু নেই। আবূ সুফিয়ান বলল, আজকের দিন বদর দিনের প্রতিশোধ, একদিন আমাদের পক্ষে একদিন আমাদের বিপক্ষে, একদিন মহিলাদের একদিন শকুনদের, এই হানযালার মৃত্যু ওই হানযালার প্রতিশোধ, অমুকের মৃত্যু অমুকের মৃত্যুর প্রতিশোধ। অমুক অমুকের প্রতিশোধ, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন উভয় পক্ষ সমান নয়। আমাদের নিহত ব্যক্তিগণ জীবিত, রিযক ভোগ করছে। আর তোমাদের নিহত ব্যক্তিগণ আগুনে শাস্তি ভোগ করছে। আবূ সুফিয়ান বলল, লোকজনের মধ্যে কতক নাক-কান কাটা রয়েছে, সেটি আমাদের নেতৃবর্গের পরামর্শে হয়নি। আমি নিজে তা করার নির্দেশ দেইনি আবার নিষেধও করিনি। আমি তা পছন্দও করিনি অপছন্দও করিনি। সেটি আমাকে আনন্দিতও করেনি-অখুশিও করেনি। সাহাবা-ই-কিরাম সম্মুখে তাকালেন। তাঁরা দেখতে পেলেন যে, হযরত হামযার (রা) পেট চিরে ফাঁক করে ফেলা হয়েছে। হিনদা তাঁর কলিজা নিয়ে দাঁতে চিবুচ্ছে। কিন্তু সে তা গিলতে পারেনি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন হিনদা কি কলিজা খেতে পেরেছে? সাহাবাগণ (রা) বললেন, না খেতে পারেনি। তিনি বললেন মহান আল্লাহ্ হযরত হামযার (রা) দেহের সামান্য অংশও আগুনে দিতে চান না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত হামযার (রা) লাশ তাঁর সম্মুখে রেখে জানাযা আদায় করলেন। এরপর অন্য এক শহীদের লাশ হামযার (রা) পাশে রেখে জানাযা আদায় করলেন। এরপর হামযার (রা) লাশ রেখে অন্য লাশটি সরিয়ে তদস্থলে অন্য এক শহীদের লাশ রেখে জানাযা আদায় করলেন। এভাবে হযরত হামযার (রা) লাশ যথাস্থানে রেখে একে একে অন্যান্য লাশ তাঁর পাশে এনে জানাযা আদায় করলেন। এভাবে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ৭০ বার হযরত হামযা (রা) এর জানাযা আদায় করেছেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب خبر موقعة أحد وتنظيم الصفوف والقيادة ووجوب طاعة الامام وسوء مخالفته
عن ابن مسعود (6) أن النساء كن يوم أحد خلف المسلمين يجهزن علي جرحي المشركين فلو حلفت يومئذ رجوت أن أبر إنه ليس أحد منا يريد الدنيا حتي أنزل الله عز وجل (منكم من يريد الدنيا ومنكم من يريد الآخرة: ثم صرفكم عنهم ليبتليكم) فلما خالف أصحاب النبي - صلى الله عليه وسلم - وعصوا ما أمروا به أفر د رسول الله - صلى الله عليه وسلم - في تسعة: سبعة من الأنصار ورجلين من قريش وهو عاشرهم فلما رهقوه (7) أيضا قال رحم الله رجلا ردهم عنا، فلم يزل يقول ذا حتى قتل السبعة، فقال النبي - صلى الله عليه وسلم - لصاحبيه ما أنصفنا أصحابنا (1) فجاء أبو سفيان فقال أعل هبل فقال رسول الله صلي الله عليه وسلم قولوا الله أعلي وأجل، فقالوا الله أعلي وأجل، فقال أبو سفيان لنا عزي ولا عزي لكم، فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قولوا الله مولانا والكافرون لا مولي لهم، ثم قال أبو سفيان يوم بيوم بدر، يوم لنا ويوم علينا ويوم نساء ويوم نسر، حنظلة بحنظلة وفلان بفلان وفلان بفلان فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - لا سواءا أما قتلانا فاحياء يرزقون، وقتلاكم في النار يعذبون، قال أبو سفيان قد كانت في القوم مثله وإن كانت لعن غير ملاء (2) منا، ما أمرت ولا نهيت ولا أحببت ولا كرهت ولا ساءني ولا سرني، قال فنظر وا فاذا حمزة قد بقر بطنه (3): فاخذت هند (4) كبده فلا كتها فلم تستطع أن تأكلها، فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - أكلت منه شيئا؟ قالوا لا، قال ما كان الله ليدخل شيئا من حمزة النار، فوضع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - حمزة فصلي عليه وجئ برجل من الأنصار فوضع الي جنبه فصلي عليه، فرفع الأنصاري وترك حمزة، ثم جئ بآخر فوضع الي جنب حمزة فصلي عليه ثم رفع وترك حمزة، حتي صلي عليه يومئذ سبعين صلاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৫
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : উহুদ দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখের দাঁত শহীদ হওয়া, মুখমণ্ডল রক্তাক্ত হওয়া, মহান আল্লাহ্ কর্তৃক ফেরেশতা দ্বারা তাঁকে রক্ষা করা এবং যারা তাঁকে আহত করেছে তাদের প্রতি মহান আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ নাযিল হওয়া
২৫৫ - আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, উহুদ দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর একটি রুবাঈ দাঁত (সম্মুখের বড় দু' দাঁতের পার্শ্বস্থ দাঁত) ভেঙ্গে গিয়েছিল। এবং তাঁর কপাল রক্তাক্ত হয়ে গিয়েছিল। কপাল থেকে মুখমণ্ডলে রক্ত বেয়ে পড়ছিল। তিনি তখন বলেছিলেন সেই সম্প্রদায় কীভাবে সফল হবে যারা তাদের নবীর সাথে এ জঘন্য আচরণ করে যখন নবী তাদেরকে প্রতিপালকের প্রতি আসার আহ্বান জানান? এ পর্যায়ে নাযিল হল-
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ .
তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন কিংবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই, কারণ তারা জালিম (সূরা আল ইমরান : ১২৮)।
হযরত আনাসের অন্য এক বর্ণনায় অতিরিক্ত এটুকু এসেছে যে, তাঁর ঘাড়ে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল তাতে তাঁর মুখমণ্ডলে রক্ত বেয়ে পড়েছিল। আর তিনি তখন বলছিলেন, যে সম্প্রদায় তাদের নবীর এ অবস্থা করে তারা কীভাবে সফল হবে?
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما أصاب النبي - صلى الله عليه وسلم - يوم أحد من كسر رباعيته وشج وجهه ووقاية الله عز وجل له بالملائكة وشدة غضبه علي من فعل به ذلك
عن أنس بن مالك (5) أن النبي - صلى الله عليه وسلم - كسرت رباعيته (6) يوم أحد وشج في جبهته حتي سال الدم علي وجهه، فقال كيف يفلح قوم فعلوا هذا بنبيهم وهو يدعوهم إلي ربهم فنزلت الآية (ليس لك من الآمر شئ أو يتوب عليهم أو يعذبهم فإنهم ظالمون) (7) (وعنه من طريق ثان بنحوه وفيه) (1) ورمي رمية علي كتفه فجعل الدم يسيل علي وجهه وهو يقول كيف تفلح أمة فعلوا هذا بنبيهم الحديث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৬
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : উহুদ দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখের দাঁত শহীদ হওয়া, মুখমণ্ডল রক্তাক্ত হওয়া, মহান আল্লাহ্ কর্তৃক ফেরেশতা দ্বারা তাঁকে রক্ষা করা এবং যারা তাঁকে আহত করেছে তাদের প্রতি মহান আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ নাযিল হওয়া
২৫৬. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর দাঁতের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ পতিত হয় সেই সম্প্রদায়ের প্রতি যারা আল্লাহর রাসূলের এ অবস্থা করে এবং আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ পতিত হয় সে ব্যক্তির উপর যাকে আল্লাহর পথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজে হত্যা করেছেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما أصاب النبي - صلى الله عليه وسلم - يوم أحد من كسر رباعيته وشج وجهه ووقاية الله عز وجل له بالملائكة وشدة غضبه علي من فعل به ذلك
عن أبي هريرة (3) قال قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - اشتد غضب الله علي قوم فعلوا برسول الله - صلى الله عليه وسلم - وهو حيئذ يشير الي رباعيته (4) وقال اشتد غضب الله عز وجل علي رجل يقتله رسول الله - صلى الله عليه وسلم - في سبيل الله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৭
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : উহুদ দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখের দাঁত শহীদ হওয়া, মুখমণ্ডল রক্তাক্ত হওয়া, মহান আল্লাহ্ কর্তৃক ফেরেশতা দ্বারা তাঁকে রক্ষা করা এবং যারা তাঁকে আহত করেছে তাদের প্রতি মহান আল্লাহর কঠোর গযব ও অসন্তোষ নাযিল হওয়া
২৫৭. সা'দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, উহুদের দিবসে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ডানে এবং বামে দুজন লোক দেখেছি। তাঁরা ছিলেন সাদা পোশাক পরিহিত। তাঁরা দুজনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে প্রবল যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁদের দুজনকে আমি এর পূর্বেও দেখিনি পরেও দেখিনি।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما أصاب النبي - صلى الله عليه وسلم - يوم أحد من كسر رباعيته وشج وجهه ووقاية الله عز وجل له بالملائكة وشدة غضبه علي من فعل به ذلك
عن سعد بن أبي وقاص (6) قال لقد رأيت عن يمين رسول الله - صلى الله عليه وسلم - وعن يساره يوم أحد رجلين عليهما ثياب بيض يقاتلان عنه كأشد القتال، ما رأيتهما قبل ولا بعد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫৮
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধ, যোদ্ধাগণ এবং তাতে শহীদ হওয়া ব্যক্তিগণ প্রসঙ্গে
২৫৮. আনাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, উহুদ দিবসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি তরবারি হাতে নিয়ে বললেন এটি কে নিবে? কয়েকজন সাহাবী তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে দেখতে লাগল। এবার তিনি বললেন যথাযথ দায়িত্ব সহকারে এই তরবারি কে নিবে? এবার লোকজন সেটি গ্রহণে পিছপা হতে লাগল। আবু দুজানাহ্ (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ), আমি সেটি দায়িত্ব সহকারে গ্রহণ করব। অতঃপর তিনি সেটি দিয়ে বহু মুশরিকের মাথার খুলি উড়িয়ে দিলেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في أمور شتي تتعلق بالقتال والمقاتلين وشهداء أحد
عن أنس (2) أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - أخذ سيفا يوم أحد فقال من يأخذ هذا السيف؟ فأخذه قوم فجعلوا ينظرون اليه، فقال من يأخذه بحقه؟ فأحجم القوم، فقال أبو دجانه (3) سماك أنا آخذه بحقه ففلق هام المشركين
হাদীস নং: ২৫৯
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধ, যোদ্ধাগণ এবং তাতে শহীদ হওয়া ব্যক্তিগণ প্রসঙ্গে
২৫৯. সাইব ইবন ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উহুদ দিবসে দুটো যুদ্ধ পোশাক পরিধান করে বের হয়েছিলেন।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في أمور شتي تتعلق بالقتال والمقاتلين وشهداء أحد
عن السائب بن يزيد (4) أن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ظاهر بين درعين (5) يوم أحد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৬০
সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনচরিত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: উহুদ যুদ্ধ, যোদ্ধাগণ এবং তাতে শহীদ হওয়া ব্যক্তিগণ প্রসঙ্গে
২৬০. জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে শুনেছি উহুদ যুদ্ধের শহীদদের আলোচনা এলে তিনি বলতেন হায়, আমি যদি আমার ওই সাহাবীদের সাথে শহীদ হয়ে পাহাড়ের তলদেশে থেকে যেতাম তাহলে ভালো হতো।
كتاب سيرة أول النبيين وخاتم المرسلين نبينا محمد بن عبد الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء في أمور شتي تتعلق بالقتال والمقاتلين وشهداء أحد
عن جابر ابن عبد الله (6) قال سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول اذا ذكر أصحاب أحد اما والله لوددت أني غودرت مع أصحابي نخص (7) الجبل يعني صفح الجبل
tahqiq

তাহকীক: