মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩৪৪ টি

হাদীস নং: ১২২
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিসাস এবং হদ্দ মক্কার হারামে এবং মসজিদে গ্রহণ করা যাবে কি না?
১২২। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা বিজয়ের বছর তাঁর মাথায় লৌহ বর্ম পরিহিত অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। যখন তিনি তা খুললেন তখন জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, ইবন খাতাল কা'বার পর্দার সাথে জড়িত হয়ে আছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর।
(বুখারী, আবূ দাউদ তায়ালিসী, শাফিয়ী)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب هل يستوفى القصاص والحدود فى الرحم والمساجد أم لا؟
عن أنس بن مالك (1) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر (2) فلما نزعه جاء رجل وقال ابن خطل (3) متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কাসামা (নিহতের অভিভাবকদের থেকে কসম গ্রহণ) প্রসংগ
১২৩। সাহল ইবন আবু হাসমা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হারিসা বংশের আব্দুল্লাহ ইবন সাহল (রা) তাঁর বংশের কিছু লোকের সাথে খাইবারে খেজুর সংগ্রহ করার জন্য গেলেন। সেখানে আব্দুল্লাহ ইবন সাহল (রা)-কে অত্যাচার করা হল এবং তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে ফেলা হল। অতঃপর তাঁকে খাইবারের কোন ঝর্ণার নালায় নিক্ষেপ করা হল। তাঁর সাথীরা তাকে না পেয়ে খুঁজতে লাগল। শেষ পর্যন্ত (সেই নালায়) তাকে পেল। তারা তাঁকে সেখানে দাফন করল। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আগমন করল। আব্দুল্লাহ ইবন সাহল (রা)-এর ভাই আব্দুর রহমান ইবন সাহল (রা) এবং তার দু' চাচাত ভাই হুয়ায়্যিসা (রা) ও মুহায়্যিসা (রা) তাঁর সামনে আসলেন। তাঁরা দু'জন আব্দুর রহমান (রা)-এর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন। আর আব্দুর রহমান (রা) তাঁদের থেকে সাহসী এবং রক্তের হকদার ছিলেন। তাই তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে তাঁর দু' চাচাত ভাই হুয়ায়্যিসা ও মুহায়্যিসা (রা)-এর আগে কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি তোমার আগে বড়দেরকে কথা বলার সুযোগ দাও। আব্দুর রহমান (রা) পিছনে সরে গেলেন। আর প্রথমে হুয়ায়্যিসা (রা) তারপর মুহায়্যিসা (রা) কথা বললেন, সবশেষে কথা বললেন, আব্দুর রহমান (রা) তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ভাইকে অত্যাচার করা হয়েছে এবং তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর খাইবারের ইহুদীরা ছাড়া আমাদের অন্য কোন শত্রু নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা কি এতে রাজি আছ যে, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের রক্তের দায় থেকে মুক্ত হয়ে থাক? তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা ইয়াহুদীদের শপথ গ্রহণ করতে পারিনা। কেননা তারা এ মিথ্যা শপথ অপেক্ষা গুরুতর পাপ কুফরীতে লিপ্ত আছে। তিনি বলেন, শেষে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র নিজের থেকে তাঁদেরকে তাঁর রক্তপণ হিসেবে একশত উটনী দিলেন। তিনি বলেন, সাহল (রা) বলতেন, আল্লাহর শপথ! আমি তা থেকে একটি লাল বর্ণের তরুণ উটনীকে ভুলিনি, যেটি আমাকে লাথি মেরেছিল- যখন আমি তাদেরকে একত্রিত করে হাঁকাচ্ছিলাম।
(বুখারী, মুসলিম, মালিক, শাফিয়ী, আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ এবং অন্যরা)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى القسامة
عن بشير بن يسار(6) عن سهل بن أبى حثمة قال خرج عبد الله بن سهل أخو بنى حارثة يعنى فى نفر من بنى حارثة (7) إلى خيبر يمتارون (8) منها تمراً قال فعدى (9) على عبد الله ابن سهل فكسرت عنقه ثم طرح فى منهر (10) من مناهر عيون خيبر وفقده أصحابه فالتمسوه حتى وجدوه فغيبوه (11) قال ثم قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأقبل أخو عبد الرحمن بن سهل وابنا عمه حويصة ومحيصة (12) وهما كانا أسن من عبد الرحمن وكان عبد الرحمن إذا أقدم (13) القوم وصاحب الدم فتقدم لذلك، فكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل ابنى عمه حويصة ومحيصة قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الكبر الكبر (1) فاستأخر عبد الرحمن وتكلم حويصة (2) ثم تكلم محيصة ثم تكلم عبد الرحمن فقالوا يا رسول الله عدى على صاحبنا فقتل وليس بخيبر عدو إلا يهود (3) قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تسمون قاتلكم تحلفون عليه خمسين يميناً ثم نسلمه؟ (4) قال فقالوا يا رسول الله ما كنا لنحلف على مالم نشهد، قال فيحلفون لك خمسين يميناً ويبرءون من دم صاحبكم؟ قالوا يا رسول الله ما كنا لنقبل أيمان يهود، ما هم فيه من الكفر أعظم من أن يحلفوا على إثم، قال فودأه (5) رسول الله صلى الله تبارك وتعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلم من عنده مائة ناقة، قال يقول سهل فوالله. ما أنسى بكرة منها حمراء ركضتنى (6) وأنا أحوزها (7)
হাদীস নং: ১২৪
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কাসামা (নিহতের অভিভাবকদের থেকে কসম গ্রহণ) প্রসংগ
১২৪। জনৈক আনসারী সাহাবী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহিলিয়াতের যুগে নিহতের অভিভাবক বর্গের থেকে হত্যা সম্পর্কে শপথ গ্রহণের রীতি ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা বহাল রাখেন। আর তিনি হারিসা বংশের কতিপয় আনসার সাহাবী (রা)-এর মাঝে এর দ্বারা ফয়সালা করেন। যারা ইহুদীদের বিরুদ্ধে দাবী করেছিল যে, তারা তাদের জনৈক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে।
(মুসলিম, নাসাঈ, বায়হাকী)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى القسامة
عن أبي سلمة بن عبد الرحمن (1) وسليمان بن يسار عن أنسان من الأنصار من أصحاب النبي صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم أن القسامة كانت فى الجاهلية قسامة الدم فأقرها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ما كانت عليه فى الجاهلية وقضى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم بين أناس من الأنصار من بنى حارثة في قتيل ادعوه على اليهود (2).
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কাসামা (নিহতের অভিভাবকদের থেকে কসম গ্রহণ) প্রসংগ
১২৫। আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু'টি গ্রামের মাঝে জনৈক নিহতকে পেলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবীগণ (রা)-কে অবস্থানস্থল থেকে দু'টি গ্রামের মাঝে মাপতে আদেশ করলেন। তারা তা মেপে নিহতের অবস্থানস্থল থেকে একটি গ্রামকে সামান্য নিকটবর্তী পেলেন। নবী (ﷺ) তাঁর বিঘত দিয়ে তা মাপলেন, আর তা এক বিঘত হল। আবু সাঈত খুদরী (রা) বলেন, এখনও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সেই বিঘত দিয়ে মাপার বিষয়টা আমার এরূপ ভাবে স্মরণ আছে যেন আমি তা দেখতে পাচ্ছি। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিহতের হত্যা কাণ্ডের অভিযোগ নিকটবর্তী গ্রাম বাসীর উপর আরোপ করেন।
(আবূ দাউদ তায়ালিসী। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ বাযযার হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। এর সনদে আতীয়া আওফী আছেন। তিনি দূর্বল বর্ণনাকারী।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى القسامة
عن أبى سعيد الخدرى (3) قال وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم قتيلاً بين قريتين فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فذرع (4) ما بينهما، قال وكأنى أنظر إلى شبر رسول الله صلى الله عليه وسلم (5) فألقاه على أقربهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ দিয়াত (রক্তপণ) প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: কোন মানুষের হত্যার, তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাটার এবং তার উপকারিতা নষ্ট করার। আর ভুল বশত হত্যার, ইচ্ছাকৃত হত্যার এবং ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ সম্পর্কিত বর্ণনা।
১২৬। আমর ইবন শুআইব (রা) তাঁর পিতা থেকে এবং শুআইব তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি কোন মু'মিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে তাহলে তাকে নিহতদের অভিভাবকদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে। আর চাইলে রক্তপণ গ্রহণ করবে। আর তা হল: ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট ত্রিশটি পাঁচ বছর বয়সের উট এবং চল্লিশটি গর্ভবর্তী উট। আর এটা ইচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণ। আর যদি তারা কোন কিছুর বিনিময়ে আপোসরফা করে, সে অধিকার তাদের থাকবে। আর (ইচ্ছাকৃত হত্যার এ) রক্তপণ কঠোরতর আর ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ ইচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণের ন্যায় কঠোর, এরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করা যাবে না। এর ব্যাখ্যা এই যে, শয়তান মানুষকে কুমন্ত্রণা দেয়, ফলে তাদের মধ্যে রক্তপাতের ঘটনা ঘটে এবং সেটা তাদের পারস্পরিক বিদ্বেষ এবং একে অন্যের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ ছাড়াই। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "যদি কেউ আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়", এমনিভাবে তা ঘটে একে অন্যের প্রতি আক্রমণের লক্ষে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ছাড়াই। এরূপ কোন অবস্থা ছাড়াই হত্যা করে তাহলে তা ইচ্ছাকৃত হত্যার সাদৃশ্য হত্যা, হিসেবে গণ্য। এর রক্তপণও কঠোর, তবে এরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করা যাবে না, সে পবিত্র মাস ও মসজিদে হারামের মর্যাদা এবং তার প্রতিবেশীর কারণে। আর যদি কেউ ভুল বশত কাউকে হত্যা করে তার রক্তপণ একশত উট, ত্রিশটি দু' বছর বয়সের মাদী উট, ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট এবং দশটি সদ্য বয়ঃপ্রাপ্ত উট। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর জামানায় গ্রামবাসীদের উপর রক্তপণের মূল্য চার হাজার দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) বা তার সমতুল্য দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা) নির্ধারণ নির্ধারণ করতেন। আর তিনি তার মূল্য ঐ সময়ের উটের মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণ করতেন। যদি উটের মূল্য বৃদ্ধি পেত তাহলে তিনি তার মূল্য বৃদ্ধি করতেন। আর উটের মূল্য কমে গেলে তার মূল্য কমাতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জামানায় তার মূল্য চারশত দীনার থেকে আটশত দীনার বা তার সমমূল্য আট হাজার দিরহাম রৌপ্যমুদ্রা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেত। আর তিনি ফয়সালা দেন যে, যদি তার রক্তপণ গরুর মালিকদের উপর আরোপিত হয় তবে তা হবে দু'শত গাভী। আর তিনি ফয়সালা দেন যে, যদি তার রক্তপণ বকরীর মালিকদের উপর আরোপিত হয় তবে তা হবে দু'হাজার বকরী। আর তিনি নাক কাটার ক্ষেত্রে ফয়সালা দেন যে, যদি তা সম্পূর্ণ কাটা হয় তাহলে পূর্ণ রক্তপণ আর যদি তার প্রান্ত কাটা হয় তাহলে অর্ধেক রক্তপণ হবে। আর তিনি ফয়সালা দেন যে, চক্ষু নষ্ট করলে অর্ধেক রক্তপণ, পঞ্চাশটি উট, বা তার সমতুল্য স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা, বা একশত গাভী, বা এক হাজার বকরী দিতে হবে। আর পা কাটলে অর্ধেক রক্তপণ, হাত কাটলে অর্ধেক রক্তপণ দিতে হবে, মস্তিষ্কের মজ্জার আঘাতে এক- তৃতীয়াংশ রক্তপণ তথা ত্রিশটি উট বা তার সমমূল্য পরিমাণ স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা কিংবা গরু বা বকরী দিতে হবে। যে আঘাত পেটের ভিতরে পৌছে যায় তাতেও এক-তৃতীয়াংশ রক্তপণ দিতে হবে। আর যে আঘাতে হাড়ের উপরস্থ আবরণ মরে যায় তার রক্তপণ হবে পনেরটি উট। আর যে আঘাতে হাড় প্রকাশ পায় তার রক্তপণ পাঁচটি উট, আর দাঁত ভাঙ্গায় পাঁচটি উট।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, আমি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কারো নিকট হাদীসটির এরূপ দীর্ঘ বর্ণনা অবগত হইনি। আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী এবং ইবন মাজাহ এর অংশগুলি বিভিন্ন অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ছাড়া ইমাম আহমদের হাদীসের অন্য বর্ণনা কারীগণ নির্ভরযোগ্য। তিনি মুদাল্লিস বর্ণনাকারী। তাঁর উস্তাদ তাঁকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন এরূপ কথা তিনি স্পষ্ট করেননি।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب الدية

باب جامع دية النفس وأعضائها ومنافعها وما جاء فى الخطأ والعمد وشبه العمد
حدثنا يعقوب ثنا أبى عن محمد بن إسحاق فذكر حديثاً (6)، قال ابن إسحاق وذكر عمرو بن شعيب بن محمد بن عبد الله بن عمرو بن العاص عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قتل مؤمناُ متعمداُ فإنه يدفع إلى أولياء القتيل فإن شاءوا قتلوا، وإن شاءوا أخذوا الدية، وهى ثلاثون حقه (7) وثلاثون جذعة (8) وأربعون خلفة (9) فذلك عقل العمد (10) ما صالحوا عليه من شيء فهو لهم (11) وذلك شديد العقل، وعقل شبه العمد (12) مغلظة مثل عقل والعمد ولا يقتل صاحبه (1)، وذلك أن ينزغ (2) الشيطان بين الناس فتكون دماء فى غير ضغينة (3) ولا حمل سلاح فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعنى من حمل علينا السلاح فليس منا، ولا رصد (4) بطريق فمن قتل على غير ذلك فهو شبه العمد وعقله مغلظة ولا يقتل صاحبه وهو بالشهر الحرام وللحرمة وللجار، ومن قتل خطأ (5) فديته مائة من الإبل ثلاثون ابنة مخاض (6) وثلاثون ابنة لبون (7) وثلاثون حقة: وعشر بكارة (8) بنى لبون ذكور؛ قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقيمها (9) على أهل القرى أربعمائة دينار (10) أو عدلها من الورق، وكان يقيمها على أثمان الإبل فإذا غلت (11) رفع فى قيمتها وإذا هانت (12) نقص من قيمتها على عهد الزمان ما كان فبلغت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم مابين أربعمائة دينار إلى ثمانمائة دينار أو عدلها من الورق ثمانية آلاف درهم (13) وقضى أن من كان عقله على أهل البقر فى البقر مأتى بقرة، وقضى أن من كان عقله على أهل الشام (14) فألفى شاة، وقضى في الأنف إذا جدع كله (1) بالعقل كاملاً، وإذا جدعت أرنبته فنصف العقل، وقضى فى العين نصف العقل خمسين من الإبل أو عدلها ذهباً أو ورقاً أو مائة بقرة أو ألف شاة، والرجل نصف العقل، واليد نصف العقل والمأمومة (2) ثلث العقل ثلاث وثلاثون من الإبل أو قيمتها من الذهب أو الورق أو البقر أو الشاة أو الجائفة (3) ثلث العقل؛ والمنقلة (4) خمس عشرة من الإبل والموضحة (*) خمس من الإبل والأسنان (6) خمس من الإبل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৭
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ দিয়াত (রক্তপণ) প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: কোন মানুষের হত্যার, তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাটার এবং তার উপকারিতা নষ্ট করার। আর ভুল বশত হত্যার, ইচ্ছাকৃত হত্যার এবং ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ সম্পর্কিত বর্ণনা।
১২৭। উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণ ধার্য করেন। ত্রিশটি তিন বছর বয়সের মাদী উট, ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট, এবং চল্লিশটি গর্ভবতী উট। আর তিনি ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ ধার্য করেন ত্রিশটি তিন বছর বয়সের মাদী উট, ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট, বিশটি দু' বছরের মাদী উট এবং বিশটি দু' বছরের পুরুষ উট। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মৃত্যুর পর উটের মূল্য বৃদ্ধি পেল এবং দিরহামের মূল্য কমে গেল। তাই উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) মদীনার রক্তপণের একশত উটের প্রত্যেকটির মূল্য দেড় আউন্স অনুযায়ী ছয় হাজার দিরহাম নির্ধারণ করেন। তারপর উটের মূল্য আরও বৃদ্ধি পেল এবং রৌপ্য মুদ্রার মূল্য কমে গেল। তাই উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) একশত উটের প্রত্যেকটির মূল্য দু' আউন্স অনুযায়ী দু' হাজার বাড়ালেন। তারপর উটের মূল্য আরও বৃদ্ধি পেল এবং দিরহামের মূল্য কমে গেল। তখন উমর (রা) প্রত্যেকটির মূল্য তিন আউন্স অনুযায়ী বার হাজারে পূর্ণ করেন। তিনি বলেন, তিনি যিলকদ, যিলহজ, মুহাররম এবং রজব মাসের রক্তপণ এক তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি করেন, তিনি বলেন, মক্কা ও মদীনার রক্তপণ বিশ হাজারে পূর্ণ হল। তিনি বলেন, বলা হত মরুবাসীদের রক্তপণ তাদের গবাদি পশু থেকে গ্রহণ করা হবে। তাদেরকে রৌপ্য এবং স্বর্ণ মুদ্রার জন্য চাপ দেয়া হবে না। আর গবাদি পশুর মালিক ছাড়া অন্যদের থেকে তাদের রক্তপণ তাদের মাল থেকে সমমূল্য পরিমাণ গ্রহণ করা হবে।
(ইমাম আহমদের ছেলে আব্দুল্লাহ তাঁর পিতার মুসনাদে কিছু হাদীস সংযোজন করেছেন। এই হাদীসটি তার অন্তর্ভুক্ত। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন। উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে হাদীসটির বর্ণনাকারী ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া উবাদা (রা)-কে পাননি।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب الدية

باب جامع دية النفس وأعضائها ومنافعها وما جاء فى الخطأ والعمد وشبه العمد
عن عبادة بن الصامت (7) قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم فى دية الكبرى المغلظة (8) ثلاثين ابنة لبون وثلاثين حقة وأربعين خلفة، وقضى فى دية الصغرى ثلاثين ابنة لبون وثلاثين حقة وعشرين ابنة مخاض وعشرين بنى مخاض ذكور ثم غلت الإبل بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وهانت الدراهم فقوم عمر بن الخطاب إبل المدينة ستة آلاف درهم حساب أوقية (9) لكل بعير ثم غلت الإبل وهان الورق فزاد عمر بن الخطاب ألفين حساب أوقيتين لكل بعير، ثم غلت الإبل وهانت الدراهم فأتمها اثنى عشر ألفاً حساب ثلاث أواق بكل بعير، قال فزاد ثلث الدية فى الشهر الحرام (1) وثلث آخر فى البلد الحرام قال فتمت دية الحرمين عشرين ألفاً، قال فكان يقال يؤخذ من أهل البادية من ماشيتهم لا يكلفون الورق ولا الذهب، ويؤخذ من كل قوم مالهم قيمة العدل (2) من أموالهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৮
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ দিয়াত (রক্তপণ) প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: কোন মানুষের হত্যার, তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাটার এবং তার উপকারিতা নষ্ট করার। আর ভুল বশত হত্যার, ইচ্ছাকৃত হত্যার এবং ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ সম্পর্কিত বর্ণনা।
১২৮। মুহাম্মদ ইবন জা'ফর ইবন যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যিয়াদ ইবন দমরা ইবন সা'দ সুলামীকে উরওয়া ইবন যুবাইর (র)-এর কাছে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আমার কাছে আমার পিতা এবং দাদা বর্ণনা করেন যে, তাঁরা হুনাইনের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে নিয়ে যোহরের নামায পড়লেন। অতঃপর তিনি একটি গাছের ছায়াতলে বসলেন। আকরা ইবন হাবিস (রা) তাঁর নিকট দাঁড়ালেন। আর কাইস গোত্রের সর্দার উয়াইনা ইবন হিসন ইবন বদর (রা) আমির ইবন আযবাত আশজায়ী (রা)-এর হত্যার বিচারের আবেদন করল। আর আকরা' ইবন হাবিস (রা) মুহাল্লিস ইবন জাছছামা (রা)-এর পক্ষ সমর্থন করলেন। যেহেতু তারা উভয়েই খিনদাফ বংশের লোক ছিলেন। তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে ঝগড়ায় লিপ্ত হলেন। আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনলাম, তোমরা আমাদের এ সফরে পঞ্চাশটি উট রক্তপণ রূপে গ্রহণ করবে, আর আমরা যখন প্রত্যাবর্তন করব তখন অন্য পঞ্চাশটি উট গ্রহণ করবে। উয়াইনা (রা) বলল, আল্লাহর শপথ। হে আল্লাহর রাসূল! আমি তা ত্যাগ করব না যতক্ষণ না তার মহিলাদেরকে শোকে ভোগাব, যেমনটা ভোগ করেছে আমার মহিলারা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, বরং তোমরা রক্তপণ গ্রহণ করবে। উয়াইনা (রা) তা অস্বীকার করল। তখন লাইস বংশের মুকাইতিল (রা) নামক জনৈক খর্বকায় ব্যক্তি দাঁড়াল যাকে যুদ্ধের ময়দানে হারানো যায়না। সে বলল, হে আল্লাহর নবী (ﷺ)! আমি ইসলামের শুরুতে এই নিহত লোকটাকে এমন মেষ পালের মত পেয়েছি, যারা কোন জলাশয়ে পানি পান করতে এসেছিল, তারপর তাদের সামনেরটিকে তীর নিক্ষেপ করা হল। ফলে অন্য গুলো পালিয়ে গেল। আজ আপনি আপনার সুন্নাত অনুযায়ী কিসাস গ্রহণ করুন এবং পরবর্তীতে তা প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করবেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর হাত উঁচু করলেন এবং বললেন, বরং তোমরা আমার এ সফরে পঞ্চাশটি উট রক্তপণরূপে গ্রহণ করবে, আর আমরা যখন প্রত্যাবর্তন করব তখন অন্য পঞ্চাশটি উট গ্রহণ করবে। তিনি তাঁদেরকে একথা বারবার বললেন, যতক্ষণ না তারা রক্তপণ গ্রহণ করলেন। শেষ পর্যন্ত তারা রক্তপণ গ্রহণে সম্মত হলে উপস্থিত সাহাবীগণ (রা) বললেন, তোমাদের হত্যাকারী কোথায়? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। তখন গৌর বর্ণের লম্বা একহারা গঠনের জনৈক ব্যক্তি দাঁড়ালো, তার গায়ে এক প্রস্থ পোশাক ছিল। মনে হচ্ছিল যেন সে হত্যা করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে গিয়ে বসল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, তোমার নাম কি? সে বলল: আমি মুহাল্লিম ইবন জাছছামা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তিনবার বললেন, হে আল্লাহ! আপনি মুহাল্লিমকে ক্ষমা করবেন না। সে তাঁর সম্মুখ থেকে উঠে গেল এবং তার চোখের পানি তার চাদরের প্রান্ত দিয়ে মুছতে লাগল। আমরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতাম, আসলে তিনি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন, আর তিনি প্রকাশ্যে যা বলেছেন তার উদ্দেশ্য, মানুষকে সাবধান করা যাতে তারা একে অপরকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকে।
(আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ। হাফিয ইবন হাজর আল-ইসাবায় হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب الدية

باب جامع دية النفس وأعضائها ومنافعها وما جاء فى الخطأ والعمد وشبه العمد
عن محمد بن جعفر بن الزبير(3) قال سمعت زياد بن ضميرة (4) بن سعد السلبى يحدث عن عروة ابن الزبير قال حدثنى أبى وجدى وكانا قد شهدا حنيناً مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قالا صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر ثم جلس إلى ظل شجرة (5) فقام إليه الأقرع بن جابس: وعيينة بن حصن (6) ابن بدر يطلب بدم الأشجعى عامر بن الأضبط وهو يومئذ سيد قيس (7) والأقرع بن حابس يدفع عن محلم بن جثامة (8) لخندف (وفى لفظ بمكانه من خندف) فاختصما بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تأخذون الدية خمسين فى سفرنا هذا وخمسين إذا رجعنا (1) قال يقول علية والله يا رسول الله لا أدعه حتى أذيق نساءه من الحزن (2) ما ذاق نسائى، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بل تأخذون الدية: فأبى عيينة فقام رجل من ليث يقال له مكيتل (3) رجل قصير مجموع فقال يا نبى الله ما وجدت لهذا القتيل شبيها فى غرة الإسلام (4) إلا كغنم وردت (5) فرمى أولها فنفر آخرها، أسنن اليوم وغير غداً (6) قال فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده ثم قال بل تقبلون الدية فى سفرنا هذا خمسين، وخمسين إذا رجعنا، فلم يزل بالقوم حتى قبلوا الدية، فلما قبلوا الدية قال قالوا أين صاحبكم يستغفر له رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم، فقام رجل آدم (7) طويل ضرب عليه حلة كأن (8) تهيأ للقتل حتى جلس بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم (9) فلما جلس قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك؟ قال أنا محلم بن جثامة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم لا تغفر لمحلم ثلاث مرات فقام من بين يديه وهو يتلقى دمعه بفضل ردائه، فأما نحن بيننا فنقول قد استغفر له ولكنه أظهر ما أظهر ليدع الناس بعضهم من بعض (10)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৯
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১২৯। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন মানুষদেরকে নসিহত করলেন। তিনি বললেন, কোড়া বা লাঠি দিয়ে ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ভুলবশত হত্যার রক্তপণ একশত উট এর চল্লিশটি গর্ভবতী উট। জাহেলী যুগের গৌরবাত্মক সব কিছু আমার পায়ের নিচে। তবে আমি হাজিদেরকে পানি পান করানোর কাজ এবং পবিত্র কাবা ঘরের রক্ষনাবেক্ষণকে তার দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য বহাল রাখলাম।
(শাফিয়ী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির সনদে আলী ইবন যাইদ ইবন জুদ'আন আছেন। তিনি দূর্বল বর্ণনাকারী। তবে আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা)-এর সূত্রে এ হাদীসটির সমর্থক হাদীছ বর্ণিত আছে, যাকে ইবন হিব্বান এবং ইবন কাত্তান সহীহ বলেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
عن ابن عمر(1) أن رسول الله صلى الله علي وسلم خطب الناس يوم الفتح فقال ألا أن دية الخطأ العمد (2) بالسوط أو العصا مغلظة (3) مائة، منها أربعون خلفة (4) فى بطونها أولادها ألا أن كل دم ومال ومأثرة (5) كانت فى الجاهلية تحت قدمى إلا ما كان من سقاية الحاج وسدانة الببت (6) فإنى قد أمضيتها لأهلها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩০
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩০। আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ভুলবশত হত্যা হল কোড়া বা লাঠির আঘাতে হত্যা করা। নিহতের রক্তপণ একশত উট এর চল্লিশটি গর্ভবতী উট।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
عن عبد الله بن عمرو (7) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أن قتيل الخطأ شبه العمد قتيل السوط والعصافية مائة منها أربعون فى بطونها أولادها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩১। উকবা ইবন আউস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-এর জনৈক সাহাবী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন মানুষদেরকে নসিহত করেন (তিনি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন, তাতে আছে), ইচ্ছাকৃত হত্যা-সদৃশ ভুলবশত হত্যা হল কোড়া, লাঠি ও পাথর দ্বারা হত্যা করা। এরূপ নিহতের রক্তপণ ইচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণের মত একশত উট এর চল্লিশিটি গর্ভবতী উট। অন্য এক বর্ণনায় আছে চল্লিশটি ছয় বছর থেকে দশ বছর বয়সের গর্ভবতী উট।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, দারাকুতনী, বায়হাকী, বুখারী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
عن عقبة بن أوس (8) عن رجل من أصحاب النبى صلى الله عليه وسلم (9) أن النبى صلى الله عليه وسلم خطب يوم فتح مكة (فذكر حديثاً (10) وفيه) ألا وإن قتيل خطأ العمد بالسوط والعصا والحجر دية مغلظة مائة من الإبل منها أربعون فى بطونها أولادها (وفى لفظ) أربعون من ثنية إلى بازل (11) عامها كلهن خلفة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩২। কাসিম ইবন রবীআ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উকবা ইবন আউসের জনৈক সাহাবী (রা) থেকে বর্ণনা করা হাদীসে বলেছেন, কোড়া, লাঠি এবং পাথর দিয়ে হত্যা করা হলে সেটা ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ভুলবশত হত্যারূপে গণ্য হবে। এরূপ নিহতের রক্তপণ একশত উট, এর চল্লিশটি গর্ভবতী উট। যে ব্যক্তি এর থেকে বেশি দাবী করবে সে জাহেলিয়াতের লোক।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, আমি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কারোর নিকট হাদীসটির অতিরিক্ত বর্ণনা অবগত হইনি। হাদীসটির সনদে সাহাবী এবং তাবিয়ীর নাম উল্লেখ না হওয়ায় হাদীসটি দূর্বল।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
عن القاسم بن ربيعة (1) أنه قال فى هذا الحديث (2) وإن قتيل خطأ العمد بالسوط والعصا والحجر مائة من الإبل، منها أربعون فى بطونها أولادها فمن ازداد بعيراً (3) فهو من أهل الجاهلية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৩
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩৩। একই সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে উপরোক্ত হাদীসের কাছাকাছি বর্ণিত আছে, তবে তিনি এ হাদীসে বলেছেন, একশত উট, ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট, ত্রিশটি পাঁচ বছর বয়সের উট এবং চল্লিশটি ছয় বছর থেকে দশ বছর বয়সের গর্ভবতী উট।
আহমদ আব্দুর রহমান বান্না বলেছেন, আমি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কারোর নিকট হাদীসটি এ শব্দে অবগত হইনি। এর সনদে সাহাবী এবং তাবিয়ীর নামের উল্লেখ হয়নি। তাই এটি দুর্বল হাদীস।
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
وعنه أيضاً (4) عن النبى صلى الله عليه وسلم بقريب من ذلك إلا أنه قال مائة من الإبل ثلاثون حقة وثلاثون جذعة وثلاثون بنات لبون (5) وأربعون ثنية خلفة الى بازل عامه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৪
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩৪। আমর তাঁর পিতা শুআইব থেকে, শুআইব তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইচ্ছাকৃত হত্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হত্যার রক্তপণ ইচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণের ন্যায় কঠোর। তবে হত্যাকারীকে হত্যা করা যাবে না। এর ব্যাখ্যা এই যে শয়তান মানুষকে একে অপরের বিরুদ্ধে প্ররোচিত করে। এ হাদীসের এক বর্ণনাকারী আবূ নদর বলেন পরস্পরে হানাহানি এবং অস্ত্র বহন করা ছাড়া একদল লোকের মধ্যে নিহতকে পাওয়া যাবে। তারা এনে অপরের দিকে পাথর ছুড়ছিল আর তার আঘাতে সে ব্যক্তি মারা গেছে, কিন্তু তার হত্যাকারী কে তা জানা যায় না।
(আবূ দাউদ। হাদীসটির সনদ শক্তিশালী।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية قتيل شبه العمد
عن عمرو بن شعيب (6) عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عقل شبه العمد مغلظ مثل عقل العمد ولا يقتل صاحبه، وذلك أن ينزو (7) الشيطان بين الناس قال أبو النضر (8) فيكون رمياً (9) فى عمياً فى غير فتنة ولا حمل سلاح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৫
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: নিছক ভুলবশত হত্যার রক্তপণ সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩৫। নু'মান ইবন বশীর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তলোয়ার এবং মানুষকে হত্যা করা যায় এরূপ অস্ত্র ছাড়া অন্য কোন বস্তু দিয়ে হত্যা ভুলবশত হত্যারূপে গণ্য। আর প্রত্যেক ভুলবশত হত্যার শাস্তি রক্তপণ।
(আল মু'জামুল কাবীর; বায়হাকী; দারাকুতনী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের হাদীসের সনদে জাবির জু'ফী আছেন। হাফিয ইবন হাজার "তাক্বরীবে” বলেছেন, তিনি দূর্বল বর্ণনাকারী।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية الخطأ المحض
عن النعمان بن بشير (10) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لكل شئ خطأ إلا السيف (1) ولكل خطإ ارش
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৬
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: নিছক ভুলবশত হত্যার রক্তপণ সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩৬। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভুলবশত হত্যার রক্তপণ পাঁচ প্রকার উট নির্ধারণ করেছেন।
(বাযযার, বায়হাকী, দারাকুতনী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী বলেছেন, আমরা আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর হাদীসটি এ বর্ণনা সূত্র ছাড়া অন্য কোন বর্ণনা সূত্রে মারফু রূপে অবগত নই। হাদীসটি তাঁর উক্তি (মওকুফ) রূপেও বর্ণিত হয়েছে।)
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র ভুলবশত হত্যার রক্তপণের ফয়সালা দেন, বিশটি দু'বছর বয়সের মাদী উট, বিশটি দু'বছর বয়সের নর উট, বিশটি তিন বছর বয়সের মাদী উট, বিশটি চার বছর বয়সের উট, এবং বিশটি পাঁচ বছর বয়সের উট।
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية الخطأ المحض
عن ابن مسعود (2) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جعل الدية فى الخطإ أخماساً (3) (وعنه من طريق ثان) (4) قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم فى دية الخطأ عشرين بنت مخاض، وعشرين ابن مخاض (5) وعشرين ابنة لبون وعشرين حقه، وعشرين جذعة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৭
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: নিছক ভুলবশত হত্যার রক্তপণ সম্পর্কে যা বর্ণিত আছে।
১৩৭। আমর তাঁর পিতা শুআইব থেকে, শুআইব তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) ফয়সালা দেন যে, ভুলবশত হত্যার রক্তপণ একশত উট, ত্রিশটি দু'বছরের বয়সে মাদী উট, ত্রিশটি তিন বছর বয়সের মাদী উট, ত্রিশটি চার বছর বয়সের উট এবং দশটি তিন বছর বয়সের নর উট।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ শক্তিশালী। খাত্তাবী বলেছেন, আমি এ হাদীস অনুযায়ী কোন ফকীহ ফতুয়া দিয়েছেন বলে জানি না।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء فى دية الخطأ المحض
عن عمرو بن شعيب (6) عن أبيه عن جده أن النبى صلى الله عليه وسلم قضى أن من قتل خطأ فديته مائة من الإبل ثلاثون بنت مخاض، وثلاثون بنت لبون، وثلاثون، حقه وعشرة بنو لبون ذكور
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৮
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শরীরে কোন অংশ কাটা, যখম করা এবং অন্য কোন ক্ষতি করার রক্তপণ।
১৩৮। আমর তাঁর পিতা শুআয়ব থেকে, শুআয়ব তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফয়সালা দিয়েছেন, নাক সম্পূর্ণ কাটলে পূর্ণ রক্তপণ, প্রান্ত কাটলে অর্ধেক রক্তপণ, চক্ষু নষ্ট করলে অর্ধেক রক্তপণ, হাত কাটলে অর্ধেক রক্তপণ, পা কাটলে অর্ধেক রক্তপণ। তিনি আরও ফয়সালা দেন যে, কোন মহিলার উপর রক্তপণ অপরিহার্য হলে তার "আসাবা” অর্থাৎ উত্তরাধিকার সম্পত্তি হতে যাবিল-ফুরুযের অংশ দানের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি যে সকল আত্মীয় লাভ করে, তাকে তা পরিশোধ করবে। যদি কোন মহিলা নিহত হয় তাহলে তার রক্তপণকে তার উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। আর তারা তার হত্যা কারীকে হত্যা করবে। তিনি আরও ফয়সালা করেছেন যে, ইয়াহুদী এবং খৃষ্টানদের রক্তপণ মুসলমানদের রক্তপণের অর্ধেক।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ শক্তিশালী।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب جامع لدية مادون النفس من الأعضاء والجراح وغير ذلك
عن عمر بن عيب (7) عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى فى الأنف إذا جدع كله (8) الدية كاملة، وإذا جدعت أرنبته فنصف الدية وفى العين نصف الدية، وفي اليد نصف الدية وفى الرجل نصف الدية وقضى أن يعقل (9) عن المرأة عصبتها من كانوا: ولا يرثون منها إلا ما فضل عن ورثتها (1)، وإن قتلت فعقلها بين ورثتها (2) وهم يقتلون قاتلها (3)، وقضى أن عقل أهل الكتاب نصف عقل المسلمين وهم اليهود والنصارى (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩৯
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শরীরে কোন অংশ কাটা, যখম করা এবং অন্য কোন ক্ষতি করার রক্তপণ।
১৩৯। আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক আঙ্গুলের দিয়াত পাঁচটি উট এবং প্রত্যেক দাঁতের পাঁচটি উট। সকল আঙ্গুল সমান এবং সকল দাঁতও সমান।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب جامع لدية مادون النفس من الأعضاء والجراح وغير ذلك
عن عبد الله بن عمرو(5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فى كل إصبع عشر من الإبل، وفى كل سن خمس من الإبل (6) والأصابع سواء، والأسنان سواء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪০
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শরীরে কোন অংশ কাটা, যখম করা এবং অন্য কোন ক্ষতি করার রক্তপণ।
১৪০। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র দাঁত এবং আঙ্গুলের রক্তপণ সমপরিমাণ নির্ধারণ করেছেন।
(আহমদ। আব্দুর রহমান বান্না বলেছেন, আমি ইমাম আহমদ ছাড়া অন্য কারো নিকট হাদীসটি এ শব্দে অবগত হইনি। বুখারী এবং অন্যরা এর সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেছেন। আহমদের হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب جامع لدية مادون النفس من الأعضاء والجراح وغير ذلك
عن ابن عباس (7) أن رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم سوى بين الأسنان والأصابع فى الدية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শরীরে কোন অংশ কাটা, যখম করা এবং অন্য কোন ক্ষতি করার রক্তপণ।
১৪১। হযরত ইব্‌ন "আব্বাস (রা) থেকেই বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, এটি ও এটি অর্থাৎ কনিষ্ঠা ও বৃদ্ধাঙ্গুলির রক্তপণ সমপরিমাণ।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب جامع لدية مادون النفس من الأعضاء والجراح وغير ذلك
وعنه أيضاً (9) عن النبى صلى الله عليه وسلم قال هذه وهذه سواء (1) الخنصر والإبهام
tahqiq

তাহকীক: