মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৪৪ টি
হাদীস নং: ১৮১
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮১। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, যিনাকারী যখন যিনা করে তখন সে মু'মিন অবস্থায় যিনা করে না। চোর যখন চুরি করে তখন সে মু'মিন অবস্থায় চুরি করে না। মদপানকারী যখন মদ পান করে তখন সে মু'মিন অবস্থায় মদ পান করে না। অতঃপর তার জন্য তওবার সুযোগ রয়েছে।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর (অতঃপর তার জন্য তওবার সুযোগ রয়েছে) ছাড়া হাদীসটির অবশিষ্ট অংশ বর্ণনা করেছেন)
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর (অতঃপর তার জন্য তওবার সুযোগ রয়েছে) ছাড়া হাদীসটির অবশিষ্ট অংশ বর্ণনা করেছেন)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن أبى هريرة (4) عن النبى صلى الله عليه وسلم أنه قال لا يزنى الزانى حين يزنى وهو مؤمن (5) ولا يسرق حين يسرق (6) وهو مؤمن، ولا يشرب الخمر (7) حين يشربها وهو مؤمن، والتوبة معروضة بعد (8)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮২
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮২। হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকেই বর্ণিত হয়েছে যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তিন ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না, (১) মিথ্যাবাদী রাষ্ট্র প্রধান, (২) যিনাকারী বৃদ্ধ এবং (৩) অহংকারী দরিদ্র।
(মুসলিম, নাসাঈ)
(মুসলিম, নাসাঈ)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
وعنه أيضاً (1) عن النبى صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا ينظر الله يعنى إليهم يوم القيامة (2)، الإمام الكذاب، والشيخ الزانى (3)، والعائل المزهو
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৩
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৩। হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মানুষ কোন কারণে বেশী জাহান্নামে যাবে তা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, দু'টি ফাপা বস্তুর কারণে: মুখ ও লজ্জাস্থান। আর কোন্ কারণে মানুষ বেশী জান্নাতে যাবে তা জিজ্ঞেস করা হলে? তিনি বললেন, উত্তম চরিত্র।
(তিরমিযী, ইবন হিব্বান, বায়হাকী। তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব)
(তিরমিযী, ইবন হিব্বান, বায়হাকী। তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
وعنه أيضاً (5) قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكثر ما يلج الناس به النار، قال الأجوفان، الفم والفرج (6)، وسئل عن أكثر ما يلج به الناس الجنة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم حسن الخلق
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৪
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৪। আবূ মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কেউ তার মুখ ও লজ্জাস্থান হেফাযত করে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(ইমাম আহমদের সনদে একজন বর্ণনা কারীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে এ হাদীসটিকে মুসনাদে আহমদের শব্দে উল্লেখ করে বলেছেন, আবূ ইয়ালা এবং তাবারানী হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(ইমাম আহমদের সনদে একজন বর্ণনা কারীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে এ হাদীসটিকে মুসনাদে আহমদের শব্দে উল্লেখ করে বলেছেন, আবূ ইয়ালা এবং তাবারানী হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن أبى موسى الأشعرى (8) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حفظ ما بين فقميه (9) وفرجه دخل الجنة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৫
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৫। আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক আনসারী যুবক নবী (ﷺ) র-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল। আপনি আমাকে যিনা করার অনুমতি দিন। মানুষেরা তার সামনে এসে তাকে তিরস্কার করে বলল, তুমি চুপ কর, তুমি চুপ কর। তিনি বললেন, তুমি আমার কাছে আস। সে তাঁর কাছে এসে বসল। তিনি বললেন, তুমি কি তোমার মায়ের জন্য তা পছন্দ কর? সে বলল, না আল্লাহর শপথ, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গিত করুন। তিনি বললেন, লোকেও তাদের মায়ের জন্য এটা অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তুমি কি তোমার মেয়ের জন্য তা পছন্দ কর? সে বলল, না, আল্লাহর শপথ। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গিত করুন। তিনি বললেন, লোকেও তাদের মেয়েদের জন্য তা অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তুমি কি তোমার বোনের জন্য তা পছন্দ কর? সে বলল, না, আল্লাহর শপথ। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গিত করুন। তিনি বললেন, লোকেও তাদের বোনদের জন্য তা অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তুমি কি তোমার ফুফুর জন্য তা পছন্দ কর? সে বলল, না আল্লাহর শপথ। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গিত করুন। তিনি বললেন, লোকেও তাদের ফুফুদের জন্য তা অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তুমি কি তোমার খালার জন্য তা পছন্দ কর? সে বলল, আল্লাহর শপথ। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গিত করুন। তিনি বললেন, লোকেও তাদের খালাদের জন্য তা অপছন্দ করে। তিনি বললেন, তিনি তাঁর হাত তার শরীরে উপর রেখে বললেন, হে আল্লাহ! আপনি তার গুনাহ ক্ষমা করুন, তার অন্তরকে পবিত্র করুন এবং তার লজ্জাস্থানকে হেফাযত করুন, অতঃপর যুবকটি (তাঁর এ দু'আর বরকতে ব্যভিচার জাতীয়) কোন কিছুর প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনি।
(ইবন জারীর "তাফসীরে" হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাতে যুবকটির জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দোয়ার উল্লেখ নেই। তাতে হাদীসটির শেষে আছে, নবী (ﷺ) যুবকটিকে বলেছেন, "অতএব তুমি অপছন্দ কর যা আল্লাহ অপছন্দ করেন। আর তুমি তোমার ভাইয়ের জন্য পছন্দ কর যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর।" আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, ইমাম আহমদের হাদীসের সনদ উত্তম।)
(ইবন জারীর "তাফসীরে" হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাতে যুবকটির জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দোয়ার উল্লেখ নেই। তাতে হাদীসটির শেষে আছে, নবী (ﷺ) যুবকটিকে বলেছেন, "অতএব তুমি অপছন্দ কর যা আল্লাহ অপছন্দ করেন। আর তুমি তোমার ভাইয়ের জন্য পছন্দ কর যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর।" আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, ইমাম আহমদের হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن أبى أمانة (10) قال إن فتى من الأنصار أتى النبى صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أئذن لى بالزنا فأقبل القوم عليه فزجروه وقالوا مه مه (11) فقال أدنه، فدنا منه قريباً قال فجلس، قال أتحبه لأمك (12) قال لا والله جعلنى الله فداك، وقال ولا الناس يحبونه لأمهاتهم (13)، قال أفتحبه لابنتك؟ قال لا والله يا رسول الله جعلنى الله فداك، قال ولا الناس يحبونه لبناتهم، قال أفتحبه لأختك؟ قال لا والله جعلنى الله فداك، قال ولا الناس يحبونه لأخواتهم، قال أفتحبه لعمتك؟ قال لا والله جعلنى الله فداك، قال ولا الناس يحبونه لعماتهم، قال أتحبه لخالتك؟ قال لا والله جعلنى الله فداك، قال ولا الناس يحبونه لخالاتهم، قال فوضع يده عليه وقال اللهم أغفر ذنبه وطهر قلبه وحصن فرجه فلم يكن بعد ذلك الفتى يلتفت إلى شئ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৬
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৬। নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী মাইমুনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতে শুনেছি, আমার উম্মাত কল্যাণে থাকবে যতক্ষণ না তাদের মধ্যে জারজ সন্তানের বৃদ্ধি পাবে। আর যদি তাদের মধ্যে জারজ সন্তান বৃদ্ধি পায়, তবে আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে সার্বজনীন শাস্তি দিবেন।
(আবূ ইয়ালা। মুনযিরী “আত তারগীব আত তারহীবে" বলেছেন, আহমদের হাদীসের সনদ হাসান।)
(আবূ ইয়ালা। মুনযিরী “আত তারগীব আত তারহীবে" বলেছেন, আহমদের হাদীসের সনদ হাসান।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن ميمونة (2) زوج النبى صلى الله عليه وسلم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تزال أمتى بخير ما لم يفش (3) فيهم ولد الزنا فإذا فشا فيهم ولد الزنا فيوشك أن يعمَّهم الله عز وجل بعقاب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৭
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৭। মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণ (রা)-কে বললেন, যিনা সম্পর্কে তোমাদের কি অভিমত? তাঁরা বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল তা হারাম করেছেন। অতএব তা কিয়ামত পর্যন্ত হারাম। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণ (রা)-কে বললেন, কোন লোক যদি দশজন মহিলার সাথেও যিনা করে, সেটা প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যিনা করা অপেক্ষা লঘুতর। তিনি বললেন, চুরি সম্পর্কে তোমাদের কি অভিমত? তাঁরা বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল তা হারাম করেছেন। অতএব তা হারাম, তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি যদি দশ ঘরে চুরি করে তাও প্রতিবেশীর ঘরে চুরি করা অপেক্ষা লঘুতর।
(মুনযিরী "আত তারগীব আত তারহীবে" হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ, তাবারানী আল মু'জামুল কাবীরে এবং আল মু'জামুল আউসাতে। আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(মুনযিরী "আত তারগীব আত তারহীবে" হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ, তাবারানী আল মু'জামুল কাবীরে এবং আল মু'জামুল আউসাতে। আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن المقداد بن الأسود (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه ما تقولون في الزنا؟ قالوا حرمه الله ورسوله فهو حرام إلى يوم القيامة، قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه لأن يزنى الرجل بعشر نسوة أيسر عليه من أنى يزنى بامرأة جاره، (6) قال فما تقولون في السرقة؟ قالوا حرمها الله ورسوله فهى حرام، قال لأن يسرق الرجل من عشرة أبيات أيسر عليه من أن يسرق من جاره
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৮
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৮। আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কেউ অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর বিছানায় বসে তাহলে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে শাস্তি দেয়ার জন্য অজগর সাপ নিয়োজিত করবেন।
(হাদীসটির উৎস "সফরের সালাত অধ্যায়ে' বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর স্ত্রীর নিকটে প্রবেশ করা হারাম' শীর্ষক পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটির উৎস "সফরের সালাত অধ্যায়ে' বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর স্ত্রীর নিকটে প্রবেশ করা হারাম' শীর্ষক পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن أبى قتادة (1) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قعد على فراش مغيبة قيض الله له يوم القيامة ثعباناً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৮৯
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ ব্যভিচারের হদ্দ সংক্রান্ত
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদ: ব্যভিচার থেকে সতর্ক করা এবং ব্যভিচারীকে ভীতি প্রদর্শন করা, বিশেষত, প্রতিবেশীর স্ত্রী এবং অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে যিনা করার বিষয়ে যা বর্ণিত আছে।
১৮৯। জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা অনুপস্থিত ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট আশ্রয় গ্রহণ করবে না। কেননা শয়তান তোমাদের রক্ত চলাচলের স্থানে চলে। আমরা বললাম, আপনার রক্ত চলাচলের স্থানেও কি শয়তান চলে হে আল্লাহর রাসূল, তিনি বললেন, আমার রক্ত চলাচলের স্থানেও শয়তান চলে। তবে আল্লাহ আমাকে তার বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন। ফলে সে আনুগত্য স্বীকার করেছে।
(এ হাদীসটির উৎস 'সফরের সালাত' অধ্যায়ে বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করা হারাম শীর্ষক পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।)
(এ হাদীসটির উৎস 'সফরের সালাত' অধ্যায়ে বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করা হারাম শীর্ষক পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
أبواب حد الزنا
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
باب ما جاء في التنفير من الزنا ووعيد فاعله لاسيما بحليلة الجار والمغيبة
عن جابر بن عبد الله (2) قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلجوا على المغيبات فإن لشيطان يجرى من أحدكم مجرى الدم، قلنا ومنك يا رسول الله؟ قال ومنى ولكن الله أعاننى عليه فأسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯০
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জারজ সন্তান সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
১৯০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, (ব্যভিচারী, ব্যভিচারিনী ও জারজ সন্তান-এ) তিনের মধ্যে অধিকতর নিকৃষ্ট হল জারজ সন্তান (যদি সে তার জনক-জননীর মত কাজ করে)।
(আবূ দাউদ, হাকিম, বায়হাকী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁর কথা সমর্থন করেছেন। হাকিম এবং আবু দাউদ হাদীসটির শেষে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন, ”আবু হুরায়রা (রা) বলেছেন, আমার কাছে আল্লাহর রাস্তায় আমার একটি লাঠি দান করা আমার একজন যিনার সন্তান আযাদ করা অপেক্ষা বেশী পসন্দ”।)
(আবূ দাউদ, হাকিম, বায়হাকী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁর কথা সমর্থন করেছেন। হাকিম এবং আবু দাউদ হাদীসটির শেষে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন, ”আবু হুরায়রা (রা) বলেছেন, আমার কাছে আল্লাহর রাস্তায় আমার একটি লাঠি দান করা আমার একজন যিনার সন্তান আযাদ করা অপেক্ষা বেশী পসন্দ”।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء في ولد الزنا
عن أبى هريرة (3) عن النبى صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم ولد الزنا أشر (4) الثلاثة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯১
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জারজ সন্তান সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
১৯১। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জারজ সন্তান তিন ব্যক্তির মধ্যে অধিক নিকৃষ্ট যদি সে তার পিতা মাতার ন্যায় যিনা করে।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর সনদে ইব্রাহীম ইবন ইসহাক আছেন। আমি তাঁর সম্পর্কে অবগত নই। এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহর বর্ণনাকারী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, তাবারানী "আল মু'জামুল কাবীরে" এবং বায়হাকী সুনানুল কুবরা ইবন আব্বাস (রা) থেকে এর মত হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর সনদে ইব্রাহীম ইবন ইসহাক আছেন। আমি তাঁর সম্পর্কে অবগত নই। এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহর বর্ণনাকারী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেছেন, তাবারানী "আল মু'জামুল কাবীরে" এবং বায়হাকী সুনানুল কুবরা ইবন আব্বাস (রা) থেকে এর মত হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء في ولد الزنا
عن عائشة رضى الله عنها (5) قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو أشر الثلاثة إذا عمل بعمل أبويه (6) يعنى ولد الزنا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯২
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: জারজ সন্তান সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
১৯২। আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, মদ পানে অভ্যস্ত ব্যক্তি, দান করে খোটা দানকারী এবং পাপাচারী জারজ সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ এবং তাবারানী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন এর সনদে জাবান আছেন। ইবন হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী বলেছেন। এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহর বর্ণনাকারী।)
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ এবং তাবারানী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন এর সনদে জাবান আছেন। ইবন হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী বলেছেন। এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহর বর্ণনাকারী।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب ما جاء في ولد الزنا
عن عبد الله بن عمرو (7) عن النبى صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم قال لا يدخل الجنة (8) عاق ولا مدمن خمر (9) ولا منان ولا ولد زنية
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৩
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৩। আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাতের পর ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত করবে না। কেননা প্রথম বারেরটা (অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি) তোমার জন্য বৈধ ছিল আর দ্বিতীয় বারেরটা (ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত) তোমার জন্য বৈধ নয়। তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী (ﷺ) তাঁকে বলেছেন, হে আলী! জান্নাতে তোমার জন্য সওয়াব গচ্ছিত রাখা হয়েছে যেরূপ সঞ্চিত ঋণ গচ্ছিত রাখা হয়। অতএব পরনারীর উপর অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টির পর ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত করবে না। প্রথম বারেরটা তোমার জন্য বৈধ ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়বারেরটা তোমার জন্য বৈধ নয়।
(হাকিম। তিনি বলেছেন, হাদীসটির সনদ সহীহ, অথচ বুখারী এবং মুসলিম হাদীসটিকে বর্ণনা করেননি। যাহাবী তাঁর কথা সমর্থন করেছেন।)
(হাকিম। তিনি বলেছেন, হাদীসটির সনদ সহীহ, অথচ বুখারী এবং মুসলিম হাদীসটিকে বর্ণনা করেননি। যাহাবী তাঁর কথা সমর্থন করেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن على رضى الله عنه (1) قال قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تتبع النظر النظر (2) فإن الأولى لك وليست لك الأخيرة (وعنه من طريق ثان) (3) أن النبى صلى الله عليه وسلم قال له يا على إن لك كنزاً (4) من الجنة وإنك ذو قرنيها (5) فلا تتبع النظرة النظرة فإنما لك الأولى وليست لك الآخرة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৪
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৪। আবূ মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) আলী (রা)-কে বলেছেন, (পর নারীর প্রতি) অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টির পর ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত করবে না। কেননা তোমার জন্য প্রথমবারেরটা বৈধ ছিল, কিন্তু দ্বিতীয় বারেরটা বৈধ নয়।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, হাকিম। তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান গরীব। আমরা শরীক ছাড়া অন্য কারো থেকে হাদীসটি অবহিত হইনি। )
(আবু দাউদ, তিরমিযী, হাকিম। তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান গরীব। আমরা শরীক ছাড়া অন্য কারো থেকে হাদীসটি অবহিত হইনি। )
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن ابن بريدة عن أبيه (6) عن النبى صلى الله عليه وسلم قال لعلى رضى الله عنه لا تتبع النظرة النظرة فإن لك الأولى وليست لك الآخرة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৫
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৫। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আদম সন্তানের জন্য যিনার থেকে তার অংশ লিখিত রয়েছে, যা সে অবধারিতরূপে পাবে। চোখের যিনা তাকান, দ্বিতীয়বার না তাকালে ঘুচে যায়। মুখের যিনা (যিনার করার) কথা বলা, অন্তরের যিনা আকাঙ্খা করা, আর লজ্জা স্থান তাকে সত্য এবং মিথ্যা প্রমাণিত করে।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن أبى هريرة (7) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب على ابن آدم نصيبه من الزنا أدرك لا محالة (8)، فالعين زنيتها النظر ويصدقها الإعراض (9) واللسان زنيته النطق (10) والقلب التمنى (11) والفرج يصدق ما ثم (12) ويكذب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৬
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৬। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, চোখ, হাত, পা এবং লজ্জাস্থান যিনা করে।
(মুনযিরী "আত তারগীব ওয়াত তারহীবে" হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ, আবু ইয়ালা, বাযযার হাদীসটিকে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।)
(মুনযিরী "আত তারগীব ওয়াত তারহীবে" হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, আহমদ, আবু ইয়ালা, বাযযার হাদীসটিকে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن ابن مسعود (13) عن النبى صلى الله عليه وسلم قال العينان تزنيان (1)، واليدان تزنيان (2)، والرجلان تزنيان (3)، والفرج يزنى
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৭
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৭। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক আদম সন্তানের জন্য যিনার থেকে তার অংশ নির্ধারিত রয়েছে। চোখের যিনা তাকান, হাতের যিনা স্পর্শ করা, পায়ের যিনা যিনা করার জন্য হেটে যাওয়া, মুখের যিনা চুম্বন করা, অন্তর আসক্ত হয় ও আকাঙ্খা করে আর তা সত্য বা মিথ্যা প্রমাণিত করে লজ্জাস্থান। এই বলে তিনি (আবূ হুরায়রা (রা)) বৃদ্ধাঙ্গুলির মধ্যবর্তী স্থানে তর্জনী রেখে বৃত্ত বানালেন। অতঃপর তিনি অন্য হাতের তর্জনী তাতে ঢুকিয়ে দেখালেন। আবূ হুরায়রা (রা)-এর গোস্ত ও রক্ত এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়।
(বুখারী এবং মুসলিম হাদীসটিকে “বা লজ্জাস্থান তাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী এবং মুসলিম হাদীসটিকে “বা লজ্জাস্থান তাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن سهيل عن أبيه (4) عن أبى هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كل ابن آدم له حظه (5) من الزنا، فزنا العينين النظر، وزنا اليدين البطش، وزنا الرجلين المشى، وزنا الفم القبل والقلب يهوى ويتمنى ويصدق ذلك أو يكذبه الفرج وحلق عشرة (6) ثم أدخل أصبعه السبابة فيها يشهد على ذلك (7) لحمه ودمه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৮
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পরনারীর দিকে তাকান হারাম, কেননা তা যিনার প্রথম স্তর।
১৯৮। আবু মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, (যে মহিলাকে বিবাহ করা জায়েয তার দিকে তাকায় এমন) প্রত্যেক চক্ষু যিনাকারী।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, বাযযার এবং তাবারানী হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়াইদে হাদীসটিকে উল্লেখ করে বলেছেন, বাযযার এবং তাবারানী হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب تحريم النظر إلى المرأة الأجنبية لأنه من مقدمات الزنا
عن أبى موسى الأشعرى (9) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل عين زانية
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৯৯
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : কোন মহিলার প্রতি অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি পড়ার অপরাধ ক্ষমা হওয়া। আর দ্বিতীয়বার তার থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখার সওয়াব এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র-এর বাণী, যদি তোমাদের কেউ কোন মহিলাকে দেখে মুগ্ধ হয় তাহলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে।
১৯৯। জারীর ইবন আব্দুল্লাহ বাজালী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আকস্মিক ভাবে কোন মহিলার প্রতি দৃষ্টি পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে চক্ষু ফিরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেন।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب العفو عن نظرة الفجأة وثواب الغض عن النظر بعدها وقوله صلى الله عليه وسلم إذا رأى أحدكم امرأة فأعجبته فليأت أهلها
عن جرير بن عبد الله البجلى (11) قال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظرة الفجأة (12) فأمرنى أن أصرف بصرى
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০০
হত্যা, অপরাধ ও রক্তপাতের বিধান
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : কোন মহিলার প্রতি অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি পড়ার অপরাধ ক্ষমা হওয়া। আর দ্বিতীয়বার তার থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখার সওয়াব এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র-এর বাণী, যদি তোমাদের কেউ কোন মহিলাকে দেখে মুগ্ধ হয় তাহলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে।
২০০। আবু উসামা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, যদি কোন মুসলমান প্রথমবার কোন মহিলার সৌন্দর্যের প্রতি তাকায়, অতঃপর তার দৃষ্টিকে অবনত করে তাহলে আল্লাহ তার জন্য এরূপ এক ইবাদত সৃষ্টি করেন যার স্বাদ সে লাভ করে।
(তাবারানী আল মু'জামুল কাবীরে, বায়হাকী। হাদীসটির সনদে আলী ইবন ইয়াযীদ আলহানী আছেন। হাফিয ইবন হাজর "তাকরীবে" তাকে দুর্বল বর্ণনাকারী বলেছেন।)
(তাবারানী আল মু'জামুল কাবীরে, বায়হাকী। হাদীসটির সনদে আলী ইবন ইয়াযীদ আলহানী আছেন। হাফিয ইবন হাজর "তাকরীবে" তাকে দুর্বল বর্ণনাকারী বলেছেন।)
كتاب القتل والجنايات وأحكام الدماء
باب العفو عن نظرة الفجأة وثواب الغض عن النظر بعدها وقوله صلى الله عليه وسلم إذا رأى أحدكم امرأة فأعجبته فليأت أهلها
عن أبى أمامة (13) عن النبى صلى الله عليه وسلم قال ما من مسلم ينظر إلى محاسن امرأة أول مرة ثم يغض بصره (14) إلا أحدث الله له عبادة يجد حلاوتها
তাহকীক: