আখলাকুন্নবী (ﷺ)

أخلاق النبي وآدابه لأبي الشيخ الأصبهاني

কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৮৬৭ টি

হাদীস নং: ৮৪৯
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৪৯। হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ জিবরাঈল (আ) একটি সাদা-কালো ঘোড়া নিয়ে এসে পৃথিবীর ধন-ভাণ্ডারের চাবিসমূহ আমাকে প্রদান করেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
849 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شَقِيقٍ، نَا أَبِي، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الدُّنْيَا، عَلَى فَرَسٍ أَبْلَقَ جَاءَنِي بِهِ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ
হাদীস নং: ৮৫০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫০। জাবির ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার সকাল বেলায় রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ক্ষুধার্ত ছিলেন অথচ ঘরে খাবার মতো কোন কিছুই পান নাই। ওদিকে আবূ বক্‌রও সে দিন ক্ষুধার্ত অবস্থায় পরিবারের লোকদের জিজ্ঞেস করলেন। খাবার মতো ঘরে কিছু আছে কি? তারা বললো নেই। অতপর নবী করীম (ﷺ)-এর কাছে কিছু পাওয়া যায় কিনা তিনি সে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। তিনি যখন নবীজী (ﷺ)-এর কাছে উপস্থিত হন, নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ বক্‌র! আপনি সকাল থেকে ক্ষুধার্ত, ঘরে খাবার জন্য কিছুই পাননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবীজী (ﷺ) তাঁকে বসতে বললেন। সে দিন উমরও ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘরে খাবার না পেয়ে নবীজী (ﷺ)-এর কাছে উপস্থিত হন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে উমর! আপনি সকাল থেকে ক্ষুধার্ত, ঘরে কোন খাবার পাননি, তাই না? উমর (রা) উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, বসুন। এমনি করে দশজন পূর্ণ হলো। নবী (ﷺ) তাদের বললেন, চলো অমুক আনসারীর বাড়িতে যাই। তাঁরা তখন সে বাড়ি গিয়ে বাগানের পাশেই তাকে পেলেন এবং সালাম দিয়ে বাড়িতে বসলেন। লোকটি তাঁর খেজুর বাগানে গেল এবং গাছে চড়ে এমন একটি গুচ্ছ খেজুর পেড়ে আনলো যাতে পাকা, আধা-পাকা ও অল্প পাকা খেজুর ছিল। সে গুচ্ছটি এনে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সামনে রাখলো। নবী (ﷺ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, একই ধরনের খেজুর আনলে না কেন? লোকটি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আপনার কাছে অল্প পাকা, আধা-পাকা ও পাকা খেজুর হাযির করতে পছন্দ করলাম । সুতরাং আপনার যেখান থেকে পছন্দ খেতে পারেন। তিনি বললেন, তাহলে ঠিক আছে। তারপর লোকটি তার স্ত্রীর কাছে গিয়ে বললো, নবী (ﷺ) আবূ বক্‌র, উমর ও অন্যান্য সাহাবী ক্ষুধার্ত অবস্থায় এসেছেন, তোমার কাছে কি আছে দেখো আর খাবার তৈরী করে ফেলো। তার স্ত্রী বললো, আমার কাছে যা আছে আমি তাই প্রস্তুত করছি আর আপনার কাছে যা আছে (ছাগল যবাই করে) তৈরী করে নিয়ে আসুন। তারপর স্ত্রীলোকটি আটা তৈরী করে রুটি বানাতে বসে গেল। আর আনসারী ব্যক্তি তার একটি ছাগল যবাই করে গোশ্‌ত তৈরী করলো এবং ভেজে আনলো। এরপর খাদ্য প্রস্তুত হয়ে গেলে নবী (ﷺ)-এর সামনে উপস্থিত করলো। নবীজী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ পেটভরে খেলেন। তারপর নবী (ﷺ) কে বললেন, এ খাবারও সে সব নিয়ামতের অন্তর্ভুক্ত যে সম্পর্কে কিয়ামতের দিন তোমাদের জিজ্ঞেস করা হবে। তারপর নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ উঠে রওয়ানা দিলেন। তখন স্ত্রীলোকটি তার স্বামীকে বললো, আমি তো আপনার চেয়ে ভীরু লোক আর দেখি নাই। লোকটি জিজ্ঞেস করলো, কেন কি হয়েছে? সে বললো, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের বাড়িতে এসে চলে গেলেন অথচ খায়র বরকতের জন্য দু'আ করিয়ে নিতে পারলেন না? লোকটি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে অনুসরণ করলো। তিনি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার? লোকটি বললো, আমার স্ত্রী এরূপ মন্তব্য করেছে। নবীজী (ﷺ) বললেন, তোমার স্ত্রীকে তো দেখাছি খুবই বুদ্ধিমতি। অতপর নবীজী (ﷺ) ফিরে এসে তাদের জন্য দু'আ খায়ের করে গেলেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
850 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ نَصْرٍ الْجَمَّالُ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الدَّشْتَكِيُّ، نَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ جَائِعًا، فَلَمْ يَجِدْ فِي أَهْلِهِ شَيْئًا يَأْكُلُهُ، وَأَصْبَحَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ جَائِعًا، فَقَالَ لِأَهْلِهِ: عِنْدَكُمْ شَيْءٌ؟ قَالُوا: لَا، فَقَالَ: آتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَعَلِّي أَجِدُ عِنْدَهُ شَيْئًا آكُلُهُ، فَأَتَاهُ فَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا أَبَا بَكْرٍ، أَصْبَحْتَ جَائِعًا، فَلَمْ تَجِدْ شَيْئًا تَأْكُلُهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: اقْعُدْ قَالَ: وَأَصْبَحَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مِثْلَ ذَلِكَ، فَلَمْ يَجِدْ عِنْدَ أَهْلِهِ شَيْئًا يَأْكُلُهُ، فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ: يَا عُمَرُ، أَصْبَحْتَ جَائِعًا فَلَمْ تَجِدْ عِنْدَ أَهْلِكَ شَيْئًا تَأْكُلُهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: اقْعُدْ، حَتَّى وَافَوْا عَشَرَةً، فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: انْطَلِقُوا بِنَا إِلَى دَارِ فُلَانٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، فَأَتَوْهُ، فَوَجَدُوهُ فِي حَائِطٍ، فَسَلَّمُوا، وَقَعَدُوا، وَانْطَلَقَ الرَّجُلُ إِلَى نَخْلَةٍ لَهُ فَصَعَدَهَا فَقَطَعَ مِنْهَا عَذَقًا فِيهِ رُطَبٌ، وَتَذْنُوبٌ وَبُسْرٌ، فَجَاءَ بِهِ حَتَّى وَضَعَهُ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَهَلَّا كَانَ مِنْ نَوْعٍ وَاحِدٍ؟ فَقَالَ: أَحْبَبْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ آتِيَكَ بِهِ بُسْرًا، وَتَذْنُوبًا، وَرُطَبًا، فَتَضَعُ يَدَكَ حَيْثُ أَحْبَبْتَ، قَالَ: فَنَعَمْ إِذًا. قَالَ: ثُمَّ أَتَى الرَّجُلُ أَهْلَهُ، فَقَالَ لَهَا: إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَأَصْحَابَهُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ قَدْ جَاءُوا جِيَاعًا، فَانْظُرِي مَا عِنْدَكَ، فَأَصْلِحِي، فَقَالَتْ: أَمَّا مَا عِنْدِي فَأَنَا أُصْلِحُهُ، فَانْظُرْ مَا عِنْدَكَ فَاكْفِنِي، فَقَامَتْ إِلَى دَقِيقٍ لَهَا فَعَجَنَتْ، وَعَمَدَ الرَّجُلُ إِلَى عَنَاقٍ كَانَتْ عِنْدَهُ، فَذَبَحَهَا، وَأَصْلَحَهَا، وَشَوَاهَا، فَلَمَّا أَدْرَكَ طَعَامَهَا، أَتَى بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَضَعَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ: فَأَكَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَصْحَابُهُ حَتَّى شَبِعُوا، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: هَذِهِ الْأَكْلَةُ مِنَ النَّعِيمِ، لَتُسْأَلُنَّ عَنْهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، ثُمَّ قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَامُوا مَعَهُ، فَقَالَتِ الْمَرْأَةُ لِلرَّجُلِ: مَا أَعْلَمُ أَحَدًا أَجْبَنَ مِنْكَ، قَالَ: لِمَ؟ قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيْكَ [ص:179] رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلَكَ، ثُمَّ خَرَجَ، لَمْ يَدْعُ لَكَ بِخَيْرٍ؟ فَتَبِعَهُ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ: مَا شَأْنُكَ؟ قَالَ: قَالَتْ لِيَ الْمَرْأَةُ كَذَا، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَلَا أُرَاهَا أَكْيَسَ مِنْكَ؟ قَالَ: فَرَجَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَدَعَا لَهُمْ بِخَيْرٍ
হাদীস নং: ৮৫১
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫১। হজরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবী (ﷺ) একটি স্থানে এসে উপস্থিত হলে আবূ বক্‌র (রা) তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এখানে কি কারণে তাশরীফ আনলেন? তিনি বললেন, ক্ষুধার কারণে। আবূ বক্‌র (রা) তখন বললেন, সেই মহান সত্তার কসম! যিনি আপনাকে নবী বানিয়ে পাঠিয়েছেন, আমিও ক্ষুধার কারণে এখানে এসেছি। তারপর সেখানে উমর (রা) এসে অনুরূপ কথা বললেন। রাবী বলেন, তারপর জনৈক আনসারী একগুচ্ছ খেজুর নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলেন। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো দিয়ে আমরা কি করবো? আনসারী বললেন, আপনাদের ইচ্ছে অনুযায়ী আধাপাকা ও পাকা খেজুর গ্রহণ করুন। রাবী বলেন, তারপর তারা সে খেজুর খেয়ে পানি পান করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, “সেদিন তোমাদের নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে,” এ খেজুরগুলোও নিয়ামতের অন্তর্ভুক্ত।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
851 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى الْحَاسِبُ، نَا جُبَارَةُ، نَا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: رِئَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَوْضِعٍ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَخْرَجَكَ؟ قَالَ: الْجُوعُ، قَالَ: وَأَنَا وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ أَخْرَجَنِي الْجُوعُ، قَالَ: ثُمَّ جَاءَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ قَالَ: فَأَتَاهُمْ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ بِعذَقٍ، فَقَالَ لَهُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا كُنَّا نَصْنَعُ بِهَذَا كُلِّهِ؟ قَالَ: تَأْكُلُونَ مِنْ بُسْرِهِ وَرُطَبِهِ قَالَ: فَأَكَلُوا، وَشَرِبُوا عَلَيْهِ مِنَ الْمَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: {لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ} [التكاثر: 8] هَذَا مِنَ النَّعِيمِ
হাদীস নং: ৮৫২
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫২। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে আয়েশা! মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের জন্য দুনিয়াদারী শোভনীয় নয়। হে আয়েশা! মহান আল্লাহ্ স্থিরপ্রতিজ্ঞ নবী রাসূলদের কাছ থেকে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা ছাড়া আর কিছুতেই সন্তুষ্ট হন না। কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হোক কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত সর্বাবস্থায় তাঁদের ধৈর্য ধরতে হয় আর সে সব ব্যাপারে তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আমাকেও সেসব দায়িত্ব পালন করা ছাড়া আল্লাহ্ সন্তুষ্ট নন। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ নবী-রাসূলদের মধ্যে যারা দৃঢ়চিত্ত ও স্থির প্রতিজ্ঞ, তারা যেরূপ ধৈর্য ধরেছেন, আপনিও অনুরূপ ধৈর্যধারণ করুন। আল্লাহ্‌র শপথ! আমার পক্ষে এ আদেশ পালন ছাড়া কোন গত্যন্তর নেই। আল্লাহ্‌র শপথ! আমার পক্ষে এ আদেশ পালন ছাড়া কোন গত্যন্তর নেই। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই তাদের মত ধৈর্যধারণ করবো এবং নিঃসন্দেহে এ ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। আর আল্লাহ্ সাহায্য ছাড়া কোন শক্তিই কার্যকর নয়।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
852 - قَالَ أَبُو مُحَمَّدِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حَاتِمٍ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَجَّاجِ، نَا السَّرِيُّ بْنُ حَبَّانَ، نَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، نَا مُجَالِدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: قَالَتْ لِي عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا عَائِشَةُ، إِنَّ الدُّنْيَا لَا تَنْبَغِي لِمُحَمَّدٍ، وَلَا لِآلِ مُحَمَّدٍ، يَا عَائِشَةُ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَمْ يَرْضَ مِنْ أُولِي الْعَزْمِ إِلَّا الصَّبْرَ عَلَى مَكْرُوهِهَا، وَالصَّبْرَ عَنْ مَحْبُوبِهَا، وَلَمْ يَرْضَ إِلَّا أَنْ كَلَّفَنِيَ مَا كَلَّفَهُمْ، وَقَالَ عَزَّ وَجَلَّ: {فَاصْبِرْ كَمَا صَبَرَ أُولُو الْعَزْمِ مِنَ الرُّسُلِ} وَإِنِّي وَاللَّهِ مَا بُدَّ لِي مِنْ طَاعَتِهِ، وَإِنِّي وَاللَّهِ مَا بُدَّ لِي مِنْ طَاعَتِهِ، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَأَصْبِرَنَّ كَمَا صَبَرُوا، وَأَجْهَدَنَّ، وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
হাদীস নং: ৮৫৩
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৩। হযরত জুবায়র ইব্‌ন নুফায়র (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ ধন-সম্পদ সঞ্চয় করতে ও ব্যবসায়ী হতে আমার কাছে ওহী পাঠানো হয় নাই বরং আমার কাছে ওহী পাঠানো হয়েছে এই বলে যে, তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ্ পাঠ করো এবং সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও আর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ইবাদত করতে থাকো।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
853 - حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّوَّافُ الْبَصْرِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْأَزْدِيُّ، نَا أَبِي، وَالْهَيْثَمُ بْنُ خَارِجَةَ، قَالَا: نَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا أُوحِيَ إِلَيَّ أَنْ أَجْمَعَ الْمَالَ، وَأَكُونَ مِنَ التَّاجِرِينَ، وَلَكِنْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنْ {فسَبَّحِ بِحَمْدِ رَبِّكَ، وَكُنْ مِنَ السَّاجِدِينَ، وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ} [الحجر: 99]
হাদীস নং: ৮৫৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৪। হযরত (আব্দুল্লাহ্) ইব্‌ন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর গোসলখানার মত একটি কক্ষে প্রবেশ করে দেখলাম যে, তিনি চাটাইয়ের উপর ঘুমিয়ে আছেন। তাঁর (শরীর মুবারকের) দু'পাশে চাটাইয়ের দাগ সুস্পষ্ট। এ অবস্থা দেখে আমি কেঁদে ফেললাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আব্দুল্লাহ্! তুমি কাঁদছো কেন? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! পারস্য ও রোম সম্রাট কিস্‌রা ও কায়সার রেশমী ও সোনালি গালিচায় আরামে দিন কাটাচ্ছে। (আর আপনার এই অবস্থা) তিনি বললেন, হে আব্দুল্লাহ্! কেঁদো না। দুনিয়া তো তাদের জন্যেই আর আমাদের জন্যে রয়েছে পরকাল। দুনিয়া ও আমার উদাহরণ তো ঐ ব্যক্তির মতই যে ব্যক্তি কোন গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম করতে নামল তারপর তা ছেড়ে চলে গেল।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
854 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، نَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ الْجُعْفِيُّ، نَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنِي عَمِّي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُسْلِمٍ أَبُو مُسْلِمٍ صَاحِبُ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غُرْفَةٍ لَهُ، كَأَنَّهَا بَيْتُ حَمَامٍ، وَهُوَ نَائِمُ عَلَى حَصِيرٍ، قَدْ أَثَّرَ بِجَنْبَيْهِ، فَبَكَيْتُ، فَقَالَ لِي: مَا يُبْكِيكَ يَا عَبْدَ اللَّهِ؟ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كِسْرَى وَقَيْصَرُ فِي الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ، فَقَالَ لِي: لَا تَبْكِ يَا عَبْدَ اللَّهِ فَإِنْ لَهُمُ الدُّنْيَا، وَلَنَا الْآخِرَةُ، وَمَا أَنَا وَالدُّنْيَا، وَمَا مَثَلِي وَمَثَلُ الدُّنْيَا، إِلَّا كَرَاكِبٍ نَزَلَ تَحْتَ شَجَرَةٍ، ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا
হাদীস নং: ৮৫৫
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৫। হযরত আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার ও দুনিয়ার মাঝে যে সম্পর্ক সেটা ঐ ব্যক্তির মতই যে (খর দুপুরের রৌদ্রের সময়) কোন গাছের ছায়াতলে আরাম করল তারপর তা ছেড়ে চলে গেল।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
855 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، نَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّمَا مَثَلِي وَمَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ رَاكِبٍ قَالَ فِي ظِلِّ شَجَرَةٍ فِي يَوْمٍ حَارٍّ، ثُمَّ رَاحَ وَتَرْكَهَا
হাদীস নং: ৮৫৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৬। হযরত আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্ আমাদের আহলে বাইতের জন্য দুনিয়ার স্থলে আখিরাতকে পছন্দ করেছেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
856 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّا أَهْلَ بَيْتٍ اخْتَارَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَنَا الْآخِرَةَ عَلَى الدُّنْيَا
হাদীস নং: ৮৫৭
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৭। হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ পৃথিবীর সমুদয় ধন-ভাণ্ডারের চাবিসমূহ আমার হাতে দিয়ে বলা হয়, মহান আল্লাহ্‌র কাছে আপনার যা বিনিময় (সাওয়াব পাওনা আছে সেগুলোর সাথে এ সম্পদগুলোও দেয়া হলো! আর তাতে আপনার সাওয়াব এতটুকুন কমানো হবে না। রাবী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন এবং জনগণকে এমন একটি অবস্থায় রেখে গেলেন যে, তারা হলুদ, সবুজ ও লাল রংের (হরেক রকমের) খাবার খেতে লাগলো । খাদ্যবস্তু একই কিন্তু তোমাদের প্রকৃতির চাহিদা অনুযায়ী রংগুলোকে পরিবর্তন করেছো।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
857 - حَدَّثَنَا قَاسِمٌ الْمُطَرِّزُ، نَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَاهَانَ، حَدَّثَنِي أَبِي، نَا سُلَيْمَانُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الْأَرْضِ، فَوُضِعَتْ فِي كَفِّي، فَقِيلَ لِي: هَذَا لَكَ مَعَ مَا لَكَ عِنْدَ اللَّهِ لَا يُنْقِصُكَ اللَّهُ مِنْهُ شَيْئًا، فَذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حِينَ ذَهَبَ وَتَرَكَهُمْ فِي هَذِهِ الدُّنْيَا، يَأْكُلُونَ مِنْ خَبِيصِهَا: مِنْ أَصْفَرِهِ، وَأَخْضَرِهِ، وَأَحْمَرِهِ، وَإِنَّمَا هُوَ شَيْءٌ وَاحِدٌ، وَلَكِنْ غَيَّرْتُمْ أَلْوَانَهَا الْتِمَاسَ الشَّهَوَاتِ
হাদীস নং: ৮৫৮
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৮। হযরত উরওয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন, আমাদের উপর দিয়ে মাসকে মাস এমন অতিবাহিত হতো যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর ঘরে কোন আগুন জ্বলতো না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, খালাআম্মা! আপনারা কিভাবে জীবন ধারণ করতেন? তিনি বলেন, দু'টি কালো জিনিসের মাধ্যমে অর্থাৎ খেজুর খেয়ে ও পানি পান করে জীবন ধারণ করতাম।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
858 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُكْرَمٍ الْبَزَّازُ، نَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، نَا أَبُو غَسَّانَ مُحَمَّدُ بْنُ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ: كَانَ يَمُرُّ بِنَا هِلَالٌ وَهِلَالٌ وَهِلَالٌ، وَمَا يُوقَدُ فِي مَنْزِلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَارٌ، قُلْتُ: أَيْ خَالَةُ، عَلَى أَيِّ شَيْءٍ كُنْتُمْ تَعِيشُونَ؟ قَالَتْ: عَلَى الْأَسْوَدَيْنِ التَّمْرِ وَالْمَاءِ.
হাদীস নং: ৮৫৯
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৫৯। হযরত আয়েশা (রা) থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
859 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَزَّارُ، نَا بِشْرُ بْنُ آدَمَ، نَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، نَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، مِثْلَهُ
হাদীস নং: ৮৬০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬০। হযরত উরওয়া (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর পরিবারে একাধারে পনের দিন এমন অতিবাহিত হয়েছে; যখন কোন আগুন জ্বালানো হয়নি। আমি জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আহার করতেন কোত্থেকে? তিনি বলেন, আমাদের কতিপয় আনসারী প্রতিবেশী ছিলেন। আল্লাহ্ তাদের উত্তম বিনিময় দান করুন, তাঁদের অনেক ছাগল ছিল, তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর জন্য ছাগলের দুধ হাদিয়া পাঠাতেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
860 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ، نَا حَمْدَانُ بْنُ عُمَرَ، نَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، نَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: كَانَ يَأْتِي عَلَى آلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمْسَ عَشْرَةَ لَيْلَةً مَا تُوقَدُ فِيهَا بِنَارٍ، قُلْتُ: فَمِنْ أَيْنَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ؟ قَالَتْ: كَانَ لَنَا جِيرَانٌ مِنَ الْأَنْصَارِ جَزَاهُمُ اللَّهُ خَيْرًا، لَهُمْ رَبَائِبُ، يُهْدُونَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ لَبَنِهَا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৮৬১
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬১। আবূ হুরায়রা (রা)-এর বরাতে হযরত আয়েশা (রা) থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
861 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، نَا الْحَسَنُ بْنُ دَاوُدَ الْمُنْكَدِرِيُّ، نَا بَكْرُ بْنُ صَدَقَةَ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، مِثْلَهُ
হাদীস নং: ৮৬২
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬২। হযরত সিমাক ইব্‌ন হারব (র) নু'মান ইব্‌ন বাশীর (রা) থেকে বর্ণনা করেন, আমি তাঁকে (নু'মান) মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেট ভরার মত নষ্ট খেজুরও পেতেন না।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
862 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ، نَا رَوْحُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ. ح. وَأَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، نَا إِبْرَاهِيمُ الشَّامِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ: سَمِعْتُهُ عَلَى الْمِنْبَرِ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَجِدُ مَا يَمْلَأُ بَطْنَهُ مِنَ الدَّقَلِ وَهُوَ جَائِعٌ
হাদীস নং: ৮৬৩
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৩। হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার ফাতিমা (রা) টুক্‌রা রুটি নিয়ে নবী (ﷺ)-এর কাছে এলেন। নবীজী (ﷺ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ টুক্‌রাটি তুমি কোথায় পেলে? তিনি বললেন, আমিই রুটি তৈরী করেছি; কিন্তু আপনাকে এ টুক্‌রাটি না দেয়া পর্যন্ত খেতে মন চাইল না। তখন নবী (ﷺ) বললেন, গত তিন দিনের মধ্যে এটাই প্রথম খাবার যা তোমার আব্বার মুখে প্রবেশ করছে।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
863 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي أَبِي زُرْعَةَ، نَا أَبُو زَرْعَةَ، نَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، نَا أَبُو هَاشِمٍ عَمَّارُ بْنُ عُمَارَةَ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: جَاءَتْ فَاطِمَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكِسْرَةِ خُبْزٍ، فَقَالَ لَهَا: مِنْ أَيْنَ لَكِ هَذِهِ الْكِسْرَةُ؟ قَالَتْ: قُرْصًا خَبَزْتُ، فَلَمْ تَطِبْ نَفْسِي حَتَّى آتِيَكَ بِهَذِهِ الْكِسْرَةِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَمَا إِنَّ هَذَا أَوَّلُ شَيْءٍ دَخَلَ فَمَ أَبِيكِ مُنْذُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ
হাদীস নং: ৮৬৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৪। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আহা! আমার বাবা তাঁর জন্য কুরবান। তিনি এ দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছেন অথচ তিনি কখনই গমের রুটি পেটভরে খেতে পাননি।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
864 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّازِيُّ، نَا أَبُو زُرْعَةَ، نَا بِشْرُ بْنُ سَيْحَانَ، نَا حَرْبُ بْنُ مَيْمُونٍ، نَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: وَا بِأَبِي، خَرَجَ مِنَ الدُّنْيَا وَلَمْ يَشْبَعْ مِنْ خُبْزِ الْبُرِّ
হাদীস নং: ৮৬৫
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৫। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার কখনোই একাধারে দু'দিন যবের রুটি পেট ভরে খেতে পাননি। তিনি এ অবস্থায় ইন্তিকাল করেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
865 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِسِيُّ، نَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، نَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خُبْزِ الشَّعِيرِ يَوْمَيْنِ حَتَّى قُبِضَ تِبَاعًا
হাদীস নং: ৮৬৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৬। আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মুহাম্মাদ (ﷺ) –এর পরিবারবর্গ রাসূলুল্লাহ্ –এর ওফাতকাল অবধি একাধারে দুই দিন পেট পুরে যবের রুটি আহার করেননি।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
866 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، نَا أَبُو مُوسَى، وَبُنْدَارٌ، قَالَا: نَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، نَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ، يُحَدِّثُ عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خُبْزِ الشَّعِيرِ يَوْمَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ، حَتَّى قُبِضَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীস নং: ৮৬৭
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৭। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার কখনোই একাধারে দু'দিন যবের রুটি পেট ভরে খেতে পাননি। তিনি এ অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে, “মদীনায় তাশরীফ আনার পর থেকে গমের রুটি পেট ভরে খেতে পাননি।”
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
867 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، نَا يَحْيَى بْنُ طَلْحَةَ الْيَرْبُوعِيُّ، نَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خُبْزِ بُرٍّ مُذْ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ
হাদীস নং: ৮৬৮
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) পার্থিব বস্তুর প্রতি অনাসক্ত, ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে নিজের তুলনায় অপরকে প্রাধান্য দিতেন, দুর্বলদের মাঝে সম্পদ বণ্টন করে দিতেন। দানশীলতা আর অল্পে তুষ্ট থাকা ছিলো তাঁর স্বভাবজাত গুণ। তিনি পার্থিব বস্তুর চাইতে পরকালীন বিষয়কে অধিক ভালবাসতেন। এ ছাড়া তিনি কোন যাঞ্চাকারীকে কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না, কোন আবেদনকারীকেই নিষেধ করতেন না। আল্লাহ্ তাঁর উপর, তাঁর বংশধরদের উপর ও তাঁর মহীয়সী স্ত্রীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
৮৬৮। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার কখনোই একাধারে তিন দিন পেটভরে গমের রুটি খেতে পাননি। অতপর মহান আল্লাহ্ তাঁকে নিজের কাছে উঠিয়ে নিলেন। আল্লাহ্ তাঁকে উঠিয়ে নেবার পর দুনিয়ার ভাণ্ডার আমাদের উপর ঢেলে দিলেন।
أبواب الكتاب
بَابٌ: ذِكْرُ زُهْدِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِيثَارِهِ الْأَمْوَالَ عَلَى نَفْسِهِ، وَتَفْرِيقِهَا عَلَى الْمُخْفِينِ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذِ الْكَرَمُ طَبْعُهُ، وَالْبُلْغَةُ مِنْ شَأْنِهِ، وَالْقَنَاعَةُ سَجِيَّتُهُ، وَاخْتِيَارِهِ الْبَاقِي عَلَى الْفَانِي، وَأَنَّهُ مِنْ عَادَتِهِ أَلَا يَرُدَّ سَائِلًا، وَلَا يَمْنَعَ طَالِبًا، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ.
868 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ سَعِيدٍ الْأَشْعَرِيُّ، نَا بَكَّارُ بْنُ الْحَسَنِ، نَا أَبِي، نَا رَوْحُ بْنُ مُسَافِرٍ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: وَاللَّهِ مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خُبْزِ بُرٍّ ثَلَاثَ لَيَالٍ وَلَاءً، حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَيْهِ، فَلَمَّا قَبَضَهُ اللَّهُ إِلَيْهِ، صَبَّ الدُّنْيَا عَلَيْنَا صَبًّا