আখলাকুন্নবী (ﷺ)

أخلاق النبي وآدابه لأبي الشيخ الأصبهاني

কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৮৬৭ টি

হাদীস নং: ১৯৩
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৩। হযরত আবু রাজা হোসাইন ইব্‌ন ইয়াযীদ কালবী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) -কে কখনো (মুখ খুলে) হাসতে দেখিনি। তাঁর হাসার পদ্ধতি মুচকি হাসির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
193 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، نَا أَبُو حَاتِمٍ، نَا رِضْوَانُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقُرَشِيُّ، نَا جُبَيْرُ بْنُ الْعَلَاءِ أَبُو الْعَلَاءِ، مَوْلَى حُصَيْنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ حُصَيْنِ بْنِ يَزِيدَ الْكَلْبِيِّ، قَالَ: مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَاحِكًا، مَا كَانَ إِلَّا التَّبَسُّمِ
হাদীস নং: ১৯৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৪। হযরত আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন কোন অপছন্দনীয় জিনিস দেখতেন তখন নিম্নোক্ত দুআ পাঠ করতেনঃ الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ অর্থাৎ সর্বাবস্থায় সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌ জন্য। আর তিনি যখন কোন পছন্দনীয় আনন্দদায়ক জিনিস দেখতেন তখন নিম্নোক্ত দুআ বলতেনঃ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ অর্থাৎ সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্‌ জন্য যার অনুগ্রহ ও দয়ার দৌলতেই যাবতীয় কল্যাণকর কাজ সুসম্পন্ন হয়।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
194 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ الْخَالِقِ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْبَغْدَادِيُّ، نَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، نَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمِّهِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ، وَإِذَا رَأَى مَا يَسُرُّهُ قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ
হাদীস নং: ১৯৫
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৫। হযরত সুহাইব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এভাবে মুখ খুলে হাসেন যে, তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
195 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو، نَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نَا عَاصِمُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُجَمِّعٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ: ضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৯৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৬। হযরত আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এভাবে হাসতে থাকেন যে, তাঁর তীক্ষ্ণ দাঁতগুলি পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
196 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، نَا أَبُو كُرَيْبٍ، نَا بُهْلُولُ بْنُ حَكِيمٍ الْقُرَشِيُّ، عَنِ الْأَوْزَاعُيِّ، عَنْ الزُهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: ضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ
হাদীস নং: ১৯৭
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৭। হযরত হাসান ইব্‌ন আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার মামা হযরত হিন্দা (রাযিঃ)-কে নবী (ﷺ)-এর গুণাবলি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, নবী (ﷺ) যখন কারোর প্রতি অসন্তুষ্ট হতেন তখন তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন এবং সে ব্যাপারে অমনোযোগী থাকতেন। আর যখন আনন্দিত হতেন তখন (লজ্জাশীলতার কারণে) দৃষ্টি অবনমিত করে রাখতেন। তাঁর যাবতীয় হাসির নিয়ম ছিল মুচকি হাসি। কিন্তু এ হাসির সময়ে (তাঁর দাঁতগুলি) বরফের মত শুভ্র ও উজ্জ্বল দেখাত।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
197 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ، نَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ. وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ جَمِيلٍ، نَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، نَا جُمَيْعُ بْنُ عُمَيْرٍو، حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ مِنْ وُلْدِ أَبِي هَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: سَأَلْتُ خَالِي هِنْدًا عَنْ صِفَةِ النَّبِيِّ، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: كَانَ إِذَا غَضِبَ أَعْرَضَ وَأَشَاحَ، وَإِذَا فَرِحَ غَضَّ طَرْفَهُ، جُلُّ ضَحِكِهِ التَّبَسُّمُ يَفْتَرُّ عَنْ مِثْلِ حَبَّةِ الْغَمَامِ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৯৮
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৮। হযরত আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ আমাকে যখন ইয়ামেনে (কাযী নিযুক্ত করে) পাঠিয়েছিলেন, তখন আমার কাছে তিনজন লোক এসে একটি মামলা দায়ের করলো। এ লোকেরা এমন একটি মহিলার গর্ভজাত শিশুর অভিভাবকত্ব নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়েছিলো যে তাদের সকলেরই ক্রীতদাসী ছিলো। এর সঙ্গেই তারা একই ‘তুহর’ চলাকালে শয্যাগ্রহণ করেছিলো। তিনজনের প্রত্যেকেরই দাবি ছিলো যে শিশুটি তার। হযরত আলী (রাযিঃ) বলেন, আমি তাদের নামে লটারি করলাম। লটারিতে যার নাম উঠেছিলো শিশুটি তাকেই প্রদান করলাম। আর অবশিষ্ট দু’জনের দাবির বিনিময়ে আমি তার কাছ থেকে একজন আযাদ মানুষের যতটুকু দিয়্যাত (রক্তপণ) দিতে হয় তার দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে দু’জনকে দিয়ে দিলাম। তারপর আমি নবী (ﷺ)-এর দরবারে উপস্থিত হলে এ ঘটনা বর্ণনা করি। নবী (ﷺ) ঘটনা শুনে খুব হাসলেন। এমন কি হাসির আতিশয্যে তিনি আপন পদযুগল যমীনের উপর মারতে থাকেন। তারপর বললেন, হে আলী! তুমি তাদের বিষয়টি আল্লাহ্‌ হুকুম মোতাবেক ফয়সালা করেছো। কিংবা নবী (ﷺ) বলেছেন, তাদের ব্যাপারে তোমার এ সিদ্ধান্তে মহান আল্লাহ্ খুবই সন্তুষ্ট।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
198 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى الْأَنْصَارِيُّ، نَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادِيُّ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ يَعْنِي ابْنَ عُمَارَةَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمنِ، فأَتَانِي ثَلَاثَةُ نَفَرٍ يَخْتَصِمُونَ فِي غُلَامٍ مِنَ امْرَأَةٍ، وَقَعُوا عَلَيْهَا جَمِيعًا فِي طُهْرٍ وَاحِدٍ، وَكُلُّهُمْ يَدَّعِي أَنَّهُ ابْنَهُ، فَأَقْرَعْتُ بَيْنَهُمْ: فَأَلْحَقْتُهُ بِالَّذِي أَصَابَتْهُ الْقُرْعَةُ، وَبِنَصِيبِهِ لِصَاحِبَيْهِ، ثُلُثَيْ دِيَةِ الْحَرِّ، فَلَمَّا قَدِمْتُ عَلَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَضَحِكَ حَتَّى ضَرَبَ بِرِجْلَيْهِ الْأَرْضَ، ثُمَّ قَالَ: حَكَمْتَ فِيهِمْ بِحُكْمِ اللَّهِ، أَوْ قَالَ: لَقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ حُكْمَكَ فِيهِمْ
হাদীস নং: ১৯৯
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
১৯৯। হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -কে এমন ভাবে হাসতে দেখেছি যে, তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
199 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، نَا مُحَمَّدُ بْنُ مِسْكِينِ بْنِ نُمَيْلَةَ، نَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ عَمِّهِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَبَسَّمَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২০০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা এবং ক্রোধ সংবরণ বিষয়ক রিওয়ায়াতসমূহ
২০০। হযরত বারাআ ইব্‌ন আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন রাগান্বিত হতেন তখন তাঁর চেহারা মুবারকে রাগের ছায়ার প্রতিফলন ফুটে উঠত।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي كَظْمِهِ الْغَيْظَ وَحِلْمِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
200 حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي يَحْيَى، نَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ، نَا عَمِّي يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا غَضِبَ رِيئَ لِوَجْهِهِ ظِلَالٌ
হাদীস নং: ২০১
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ক্রন্দন করা ও দুঃখিত হওয়ার বর্ণনা
২০১। আনাস ইব্‌ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর পুত্র ইবরাহীম (রাযিঃ)-কে (তাঁর মৃত্যুর সময়ে) দেখতে গেলাম। (তখন দেখলাম নবী (ﷺ) তাঁকে এতই ভালবাসতেন যে, সে মুহূর্তে তিনি ছুটে আসেন এবং) তাঁকে একটি ডাক দিয়ে নিজের বুকের সঙ্গে জড়িয়ে নেন। হযরত আনাস (রাযিঃ) বলেন, তারপর আমি ইবরাহীমকে নবী (ﷺ) -এর কোলে এমতাবস্থায় দেখলাম যখন তিনি জীবনের অন্তিম মুহূর্তগুলি অতিক্রম করছিলেন। এ সময় প্রিয় নবী (ﷺ) -এর চক্ষুদ্বয় অশ্রুপাত করতে থাকে আর তিনি বলতে থাকেন, চক্ষু অশ্রুপাত করছে, হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু মুখ দ্বারা আমরা কেবল এতটুকু কথাই বলতে পারি যতটুকু পর্যন্ত আমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট থাকেন। হে ইবরাহীম! আমরা তোমার বিদায়ে খুবই ভারাক্রান্ত ও ব্যথিত।
أبواب الكتاب
صِفَةُ بُكَائِهِ وَحُزْنِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
201 أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، نَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، نَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: رَأَيْتُ إِبْرَاهِيمَ ابْنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَدَعَاهُ فَضَمَّهُ إِلَيْهِ، فرَأَيْتُهُ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَكِيدُ بِنَفْسِهِ، فَدَمَعَتْ عَيْنَاهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: تَدْمَعُ الْعَيْنُ وَيَحْزَنُ الْقَلْبُ، وَلَا نَقُولُ إِلَّا مَا يُرْضِي رَبَّنَا، وَإِنَّا بِكَ يَا إِبْرَاهِيمُ لَمَحْزُونُونَ
হাদীস নং: ২০২
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর ক্রন্দন করা ও দুঃখিত হওয়ার বর্ণনা
২০২। হযরত খালিদ ইব্‌ন সালামা মাখযূমী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত যায়দ ইব্‌ন হারিসা (রাযিঃ) যখন (মাসতার যুদ্ধে) শাহাদত বরণ করেন তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর গৃহে যান। হযরত হারিসের কন্যা নবী (ﷺ)-কে দেখেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। নবী (ﷺ) নিজেও তাঁর সাথে কাঁদতে শুরু করেন। তখন জনৈক সাহাবী আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এ কি ব্যাপার! (আপনি নিজেও কাঁদছেন?) নবী (ﷺ) ইরশাদ করলেনঃ এটি হলো এক বন্ধুর প্রতি অপর বন্ধুর ভালবাসার আন্তরিক বহিঃপ্রকাশ।
أبواب الكتاب
صِفَةُ بُكَائِهِ وَحُزْنِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
202 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ الْعَبْدِيُّ، نَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، نَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، نَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيِّ، قَالَ: لَمَّا أُصِيبَ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ انْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى مَنْزِلِهِ، فَلَمَّا رَأَتْهُ ابْنَتُهُ جَهَشَتْ فِي وَجْهِهِ، فَانْتَحَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ بَعْضُ أَصْحَابِهِ: مَا هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: هَذَا شَوْقُ الْحَبِيبِ إِلَى حَبِيبِهِ
হাদীস নং: ২০৩
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৩। হযরত হাসান ইব্‌ন আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার মামা হযরত হিন্দা ইব্‌ন আবু হালা (রাযিঃ)-কে নবী (ﷺ) -এর কথাবার্তা বলার নীতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম । তখন তিনি বললেন, নবী (ﷺ) তাঁর নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য মহান আল্লাহ্ পাকের সন্তুষ্টি মোতাবেক পালন করার চিন্তায় চির আত্মনিমগ্ন এবং উম্মতের সফলতা ও কল্যাণ চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকতেন। সামান্য পরিমাণের অস্থিরতাও তাঁর ছিলো না। কাজেই অধিকাংশ সময় তিনি চুপ থাকতেন, প্রয়োজন ব্যতিরেকে কোন কথা বলতেন না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কথা বলতেন খুবই স্পষ্টভাবে। তাঁর কথাগুলি ছিলো উপযুক্ত শব্দমালার দ্বারা গঠিত সৌষ্ঠবতাপূর্ণ বাক্য। এক বাক্য অন্য বাক্য থেকে পৃথক থাকতো। কথাগুলির মধ্যে না কোন অতিরিক্ত শব্দ থাকতো, আর না মর্ম প্রকাশে অক্ষম কোন শব্দ পাওয়া যেত। তিনি ছিলেন মিষ্টভাষী। কদর্যতা কিংবা রূঢ়তা তাঁর ভাষায় ছিলো না। আল্লাহ্ পাকের কোন নিয়ামত তা যতই ছোট হোক, তিনি এর খুবই কদর করতেন। কখনো তা হেয় কিংবা তুচ্ছ মনে করতেন না। জাগতিক কোন কাজ তাকে ক্রোধান্বিত করতো না, (কেননা তাঁর দৃষ্টিতে জাগতিক বিষয়াদির তেমন কোন গুরুত্ব ছিল না) আর জাগতিক কাজকর্ম ক্রোধ নিপাতের বন্ধুও নয়। তবে সত্য ও ন্যায়ের উপর হস্তক্ষেপ করা হলে তার চেহারা এত পরিবর্তন হয়ে যেতো যে, কেউ তাঁকে তখন চেনা কঠিন হতো। আর সে মুহূর্তে তাঁর ক্রোধের সামনে দাঁড়িয়ে কোন বিষয় টিকতে সক্ষম হতো না; যতক্ষণ না তিনি অন্যায়ের প্রতিকার করতেন। তিনি যখন কারোর দিকে ইশারা করতেন তখন সম্পূর্ণ হাত দ্বারা ইশারা করতেন। (কেননা শুধু অঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করা ভালো নয়।) তিনি কখনো কোন কাজে বিস্ময় প্রকাশ করলে হাত মুবারক ঘুরিয়ে নিতেন। কথা বলার সময় কখনো কখনো হাতও নাড়াচাড়া করতেন। এভাবে কখনো তিনি ডান হাতের তালু বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের পেটের উপর মারতেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
203 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ أَيُّوبَ، نَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ. وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ جَمِيلٍ، نَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا جُمَيْعُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ مِنْ وُلْدِ أَبِي هَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: سَأَلْتُ خَالِي هِنْدًا، قُلْتُ: صِفْ لِي مَنْطِقهُ، فَقَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَوَاصِلَ الْأَحْزَانِ دَائِمَ الْفِكْرِ، لَيْسَتْ لَهُ رَاحَةٌ، لَا يَتَكَلَّمُ فِي غَيْرِ حَاجَةٍ، طَوِيلَ السَّكْتِ، يَفْتَتِحُ الْكَلَامَ وَيَخْتِمُهُ بِأَشْدَاقِهِ، وَيَتَكَلَّمُ بِجَوَامِعِ الْكَلِمِ، فَصْلًا لَا فُضُولَ فِيهِ، وَلَا تُقْصِيرَ، دَمِثٌ لَيْسَ بِالْجَافِي، وَلَا بِالْمَهِينِ، يُعَظِّمُ النِّعْمَةَ وَإِنْ دَقَّتْ، وَلَا يَذُمُّ مِنْهَا شَيْئًا، لَا تُغْضِبُهُ الدُّنْيَا وَمَا كَانَ لَهَا، فَإِذَا تُعُوطِيَ الْحَقَّ لَمْ يَعْرِفُهْ أَحَدٌ وَلَمْ يَقُمْ لِغَضَبِهِ شَيْءٌ، حَتَّى يَنْتَصِرَ لَهُ، إِذَا أَشَارَ أَشَارَ بِكَفِّهِ كُلِّهَا، وَإِذَا تَعَجَّبَ قَلَبَهَا، وَإِذَا تَحَدَّثَ اتَّصَلَ بِهَا، يَضْرِبُ بِرَاحَتِهِ الْيُمْنَى بَاطِنَ إِبْهَامِهَا الْيُسْرَى
হাদীস নং: ২০৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৪। হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন (গুরুত্বপূর্ণ) কোন কথা বলতেন, তখন কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করতেন । আর যখন কোন সম্প্রদায়ের কাছে যেতেন তখন তাদেরকে তিনবার সালাম দিতেন (যেন প্রত্যেকে শুনতে পায়)।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
204 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، نَا ثُمَامَةُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ رَدَّدَهَا ثَلَاثًا، وَإِذَا أَتَى قَوْمًا سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثَلَاثًا
হাদীস নং: ২০৫
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৫। যুহরী (রাহঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তোমাদের দ্রুত কথা বলার মত দ্রুতগতিতে কথা বলতেন না। তিনি কথাবার্তা বলতেন ধীরে ধীরে থেমে থেমে। তাঁর কথাগুলি এতো স্পষ্ট হতো যে, যে কোন ব্যক্তিই তা একবার শোনার দ্বারা মুখস্থ করে ফেলতো।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
205 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَاصِمٍ، نَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عِصَامٍ، نَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، نَا الزُهْرِيُّ، أَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَسْرُدُ سَرْدَكُمْ هَذَا، وَلَكِنْ يَتَكَلَّمُ بِكَلَامٍ فَصْلٍ، يَحْفَظُهُ مَنْ سَمِعَهُ مِنْهُ
হাদীস নং: ২০৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৬। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
206 [ص:16] حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا، نَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، نَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، نَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الزُهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২০৭
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৭। হযরত আবু দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন কোনো কথা বলতেন তখন (মমত্ববোধের কারণে) কথা বলার মুহূর্তে তার ওষ্ঠাধারে স্মিত হাসির রেখা ফুটে থাকতো।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
207 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْوَلِيدِ الثَّقَفِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَافِيَةَ، حَدَّثَنِي جَدِّي عَافِيَةُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَيْسَرَةَ الْحَضْرَمِيُّ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا حَدَّثَ بِحَدِيثٍ تَبَسَّمَ فِي حَدِيثِهِ
হাদীস নং: ২০৮
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ)-এর কথাবার্তা বলার নীতি
২০৮। হযরত জাবির ইব্‌ন সামুরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) অধিকাংশ সময় চুপ থাকতেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَنْطِقِهِ وَأَلْفَاظِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
208 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، نَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، نَا قَيْسٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَوِيلَ الصَّمْتِ
হাদীস নং: ২০৯
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর পথচলা এবং চলাপথে এদিক সেদিক দৃষ্টিপাত করার নীতি
২০৯। হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন পথ চলতেন তখন মনে হতো তিনি যেন (লাঠি কিংবা অন্য কোন জিনিসের উপর) ভর দিয়ে পথ চলছেন । (অর্থাৎ তিনি সম্মুখের দিকে ঝুঁকে পথ চলতেন।)
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَشْيِهِ وَالْتِفَاتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
209 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، ونا أَبُو يَعْلَى، قَالَا: نَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، نَا خَالِدٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَشَى كَأَنَّهُ يَتَوَكَّأُ
হাদীস নং: ২১০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর পথচলা এবং চলাপথে এদিক সেদিক দৃষ্টিপাত করার নীতি
২১০। হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হ্যাঁটার সময়ে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) সম্মুখের দিকে ঝুঁকে পথ চলতেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَشْيِهِ وَالْتِفَاتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
210 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا هُدْبَةُ، نَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَشَى تَكَفَّأَ
হাদীস নং: ২১১
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর পথচলা এবং চলাপথে এদিক সেদিক দৃষ্টিপাত করার নীতি
২১১। হযরত আসিম ইব্‌ন লাকীত ইব্‌ন সাবুরা (রাযিঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (হযরত আসিমের পিতা) হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি ও তাঁর এক সাথী উভয়ে নবী (ﷺ)কে খুঁজছিলেন। কিন্তু তারা নবী (ﷺ) -কে উপস্থিত পাননি। তার কিছুক্ষণ পরেই নবী (ﷺ) এমন অবস্থায় আগমন করলেন যেন তিনি (মাটিতে পা টেনে চলার পরিবর্তে) মাটি থেকে পা তুলে তুলে সম্মুখের দিকে ঈষৎ ঝুঁকে হ্যাঁটছেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَشْيِهِ وَالْتِفَاتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
211 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا أَبُو مُوسَى، نَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ أَتَى عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا هُوَ وَصَاحِبٌ لَهُ، يَطْلُبَانِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمْ يَجِدَاهُ، فَلَمْ يَنْشَبْ أَنْ جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَقَلَّعُ يَتَكَفَّأُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২১২
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পরিচ্ছেদঃ নবী (ﷺ) -এর পথচলা এবং চলাপথে এদিক সেদিক দৃষ্টিপাত করার নীতি
২১২। হযরত আবু ইনাবা খাওলানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন হ্যাঁটতেন তখন মাটি থেকে সবলে পা তুলে তুলে হ্যাঁটতেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ مَشْيِهِ وَالْتِفَاتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
212 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، نَا الْوَلِيدُ، نَا سَعِيدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، عَنْ أَبِي عِنَبَةَ الْخَوْلَانِيِّ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَشَى أَقْلَعَ
tahqiq

তাহকীক: