আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৪৬- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৭৩ টি
হাদীস নং: ২৭৫১
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৫৬ - ২৯৫৭
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫০. ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধ করা ও তাঁর মাধ্যমে নিরাপত্তা অর্জন করা
২৭৫১। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- কে বলতে শুনেছি, আমরা সর্বশেষে আগমনকারী (পৃথিবীতে) সর্বাগ্রে প্রবেশকারী (জান্নাতে)। আর এ সনদেই বর্ণিত হয়েছে যে, (রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,) যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমার নফরমানী করল, সে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলারই নাফরমানী করল আর যে ব্যক্তি (শরীয়ত স্বীকৃত) আমীরের আনুগত্য করল, সে ব্যক্তি আমারই আনুগত্য করল আর যে ব্যক্তি আমীরের নাফরমানী করল সে ব্যক্তি আমারই নাফরমানী করল। ইমাম তো ঢাল স্বরূপ। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ এবং তাঁরই মাধ্যমে নিরাপত্তা অর্জন করা হয়। অনন্তর যদি সে আল্লাহর তাকওয়ার নির্দেশ দেয় এবং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, তবে তার জন্য এর প্রতিদান রয়েছে আর যদি সে এর বিপরীত করে তবে এর মন্দ পরিণতি তার উপরই বর্তাবে।
كتاب الجهاد والسير
باب يُقَاتَلُ مِنْ وَرَاءِ الإِمَامِ وَيُتَّقَى بِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، أَنَّ الأَعْرَجَ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " نَحْنُ الآخِرُونَ السَّابِقُونَ ". وَبِهَذَا الإِسْنَادِ " مَنْ أَطَاعَنِي فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ، وَمَنْ عَصَانِي فَقَدْ عَصَى اللَّهَ، وَمَنْ يُطِعِ الأَمِيرَ فَقَدْ أَطَاعَنِي، وَمَنْ يَعْصِ الأَمِيرَ فَقَدْ عَصَانِي، وَإِنَّمَا الإِمَامُ جُنَّةٌ يُقَاتَلُ مِنْ وَرَائِهِ وَيُتَّقَى بِهِ، فَإِنْ أَمَرَ بِتَقْوَى اللَّهِ وَعَدَلَ، فَإِنَّ لَهُ بِذَلِكَ أَجْرًا، وَإِنْ قَالَ بِغَيْرِهِ، فَإِنَّ عَلَيْهِ مِنْهُ ".
হাদীস নং: ২৭৫২
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৫৮
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫১. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার উপর বায়আত করা। আর কেউ বলেছেন মৃত্যুর উপর বায়আত করা। যেহেতু আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা মু’মিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন যখন তারা আপনার নিকট বৃক্ষতলে বায়আত গ্রহণ করেছিলেন (৪৮ঃ ১৮)
২৭৫২। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা যখন হুদায়বিয়া সন্ধির পরবর্তী বছর প্রত্যাবর্তন করলাম, তখন আমাদের মধ্য হতে দু’জন লোকও যে বৃক্ষের নীচে আমরা বায়আত করেছিলাম সেটি চিহ্নিত করার ব্যাপারে একমত হতে সক্ষম হয় নি। তা ছিল আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত স্বরূপ’। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আমি নাফি (রাহঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তাঁদের নিকট হতে কিসের বায়আত গ্রহণ করা হয়েছিল? তা কি মৃত্যুর উপর?’ তিনি বললেন, ‘না, বরং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁদের নিকট হতে অটল থাকার উপর বায়আত গ্রহণ করেছিলেন।’
كتاب الجهاد والسير
باب الْبَيْعَةِ فِي الْحَرْبِ أَنْ لاَ يَفِرُّوا وَقَالَ بَعْضُهُمْ عَلَى الْمَوْتِ لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {لَقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَنِ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ}
2958 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: «رَجَعْنَا مِنَ العَامِ المُقْبِلِ فَمَا اجْتَمَعَ مِنَّا اثْنَانِ عَلَى الشَّجَرَةِ الَّتِي بَايَعْنَا تَحْتَهَا، كَانَتْ رَحْمَةً مِنَ اللَّهِ» ، فَسَأَلْتُ نَافِعًا: عَلَى أَيِّ شَيْءٍ بَايَعَهُمْ، عَلَى المَوْتِ؟ قَالَ: «لاَ، بَلْ بَايَعَهُمْ عَلَى الصَّبْرِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৫৯
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫১. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার উপর বায়আত করা। আর কেউ বলেছেন মৃত্যুর উপর বায়আত করা।
২৭৫৩। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাররা নামক যুদ্ধের সময়ে তাঁর নিকট জনৈক ব্যক্তি এসে বললো, ‘ইবনে হানযালা (রাযিঃ) মানুষের নিকট থেকে মৃত্যুর উপর বায়আত গ্রহণ করছেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর পর আমি তো কারো নিকট এরূপ বায়আত করব না।
كتاب الجهاد والسير
باب الْبَيْعَةِ فِي الْحَرْبِ أَنْ لاَ يَفِرُّوا وَقَالَ بَعْضُهُمْ عَلَى الْمَوْتِ
2959 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: " لَمَّا كَانَ زَمَنُ الحَرَّةِ أَتَاهُ آتٍ فَقَالَ لَهُ: إِنَّ ابْنَ حَنْظَلَةَ يُبَايِعُ النَّاسَ عَلَى المَوْتِ، فَقَالَ: لاَ أُبَايِعُ عَلَى هَذَا أَحَدًا بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬০
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫১. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার উপর বায়আত করা। আর কেউ বলেছেন মৃত্যুর উপর বায়আত করা।
২৭৫৪। মক্কী ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি নবী (ﷺ)- এর নিকট বায়আত করলাম। তারপর আমি একটি বৃক্ষের ছায়াতলে গেলাম। মানুষের ভীড় কমে গেলে, (তাঁর নিকট উপস্থিত হলে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, ‘ইবনে আকওয়া! তুমি কি বায়আত করবে না?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো বায়আত করেছি’। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আরেকবার হোক না’। তখন আমি দ্বিতীয়বার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট বায়আত করলাম। (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হে আবু মুসিলম! সেদিন তোমরা কোন্ বিষয়ের উপর বায়আত করেছিলে?’ তিনি বললেন, ‘মৃত্যুর উপর’।
كتاب الجهاد والسير
باب الْبَيْعَةِ فِي الْحَرْبِ أَنْ لاَ يَفِرُّوا وَقَالَ بَعْضُهُمْ عَلَى الْمَوْتِ
2960 - حَدَّثَنَا المَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: بَايَعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ عَدَلْتُ إِلَى ظِلِّ الشَّجَرَةِ، فَلَمَّا خَفَّ النَّاسُ قَالَ: «يَا ابْنَ الأَكْوَعِ أَلاَ تُبَايِعُ؟» قَالَ: قُلْتُ: قَدْ بَايَعْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «وَأَيْضًا» فَبَايَعْتُهُ الثَّانِيَةَ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا مُسْلِمٍ عَلَى أَيِّ شَيْءٍ كُنْتُمْ تُبَايِعُونَ يَوْمَئِذٍ؟ قَالَ: عَلَى المَوْتِ
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৭৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬১
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫১. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার উপর বায়আত করা। আর কেউ বলেছেন মৃত্যুর উপর বায়আত করা।
২৭৫৫। হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারগণ খন্দকের যুদ্ধের দিন আবৃত্তি করছিলেনঃ “আমরাই হচ্ছি সে সকল লোক, যারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর হস্তে জিহাদ করার উপর বায়আত গ্রহণ করেছি, যতদিন আমরা বেঁচে থাকব”। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তদুত্তরে ইরশাদ করেনঃ হে আল্লাহ্! আখিরাতের সুখ-স্বাচ্ছন্দ হচ্ছে প্রকৃত সুখ; সুতরাং আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সম্মানিত করুন।
كتاب الجهاد والسير
باب الْبَيْعَةِ فِي الْحَرْبِ أَنْ لاَ يَفِرُّوا وَقَالَ بَعْضُهُمْ عَلَى الْمَوْتِ
2961 - حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: كَانَتِ الأَنْصَارُ يَوْمَ الخَنْدَقِ تَقُولُ:
[البحر]
نَحْنُ الَّذِينَ بَايَعُوا مُحَمَّدَا ... عَلَى الجِهَادِ مَا حَيِينَا أَبَدَا
، فَأَجَابَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ:
«اللَّهُمَّ لاَ عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الآخِرَهْ ... فَأَكْرِمِ الأَنْصَارَ، وَالمُهَاجِرَهْ»
[البحر]
نَحْنُ الَّذِينَ بَايَعُوا مُحَمَّدَا ... عَلَى الجِهَادِ مَا حَيِينَا أَبَدَا
، فَأَجَابَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ:
«اللَّهُمَّ لاَ عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الآخِرَهْ ... فَأَكْرِمِ الأَنْصَارَ، وَالمُهَاجِرَهْ»
হাদীস নং: ২৭৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬২
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫১. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার উপর বায়আত করা। আর কেউ বলেছেন মৃত্যুর উপর বায়আত করা।
২৭৫৬। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... মুজাশি‘ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি আমার ভাতিজাকে নিয়ে নবী (ﷺ)- এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তারপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল আমাদেরকে হিজরতের উপর বায়আত নিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করলেন, ‘হিজরত তো হিজরতকারীগণের জন্য অতীত হয়ে গেছে।’ আমি বললাম, ‘তাহলে আপনি আমাদের কিসের উপর বায়আত নিবেন?’ তদুত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করলেন, ‘ইসলাম ও জিহাদের উপর।’
كتاب الجهاد والسير
باب الْبَيْعَةِ فِي الْحَرْبِ أَنْ لاَ يَفِرُّوا وَقَالَ بَعْضُهُمْ عَلَى الْمَوْتِ
2962 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ فُضَيْلٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ مُجَاشِعٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: أَتَيْتُ [ص:51] النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا وَأَخِي، فَقُلْتُ: بَايِعْنَا عَلَى الهِجْرَةِ، فَقَالَ: «مَضَتِ الهِجْرَةُ لِأَهْلِهَا» ، فَقُلْتُ: عَلاَمَ تُبَايِعُنَا؟ قَالَ: «عَلَى الإِسْلاَمِ وَالجِهَادِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬৪
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫২. জনসাধারণের জন্য যথাসাধ্য ইমামের নির্দেশ পালন
২৭৫৭। উসমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আজ আমার নিকট জনৈক ব্যক্তি আগমন করে। সে আমাকে একটি বিষয়ে প্রশ্ন করে, যার উত্তর কি দিব, তা আমার বুঝে আসছিল না।’ লোকটি বললো, ‘বলুন তো, এক ব্যক্তি সশস্ত্র অবস্থায় সন্তুষ্টচিত্তে আমাদের আমীরের সঙ্গে যুদ্ধে বের হল। কিন্তু সেই আমীর এমন সব নির্দেশ দেন যা পালন করা সম্ভব নয়। আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! আমি বুঝতে পারছি না যে, তোমাদের এ প্রশ্নের কি উত্তর দিব? হ্যাঁ, তবে এতটুকু বলতে পারি যে, আমরা নবী (ﷺ)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি সাধারণত আমাদেরকে কোন বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিতেন না। কিন্তু একবার মাত্র এরূপ নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমরা তা পালন করেছিলাম। আর তোমাদের যে কেউ ততক্ষণ ভাল থাকবে, যতক্ষণ সে আল্লাহ্ তাআলাকে ভয় করতে থাকবে। আর যখন সে কোন বিষয়ে সন্দিহান হয়ে পড়বে, তখন সে এমন ব্যক্তির নিকট প্রশ্ন করে নিবে, যে তাকে সন্দেহ মুক্ত করে দিবে। আর সে যুগ অত্যাসন্ন যে, তোমরা এমন লোক পাবে না। শপথ সেই সত্তার যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। দুনিয়ায় যা অবশিষ্ট রয়েছে, তার উদাহরণ এরূপ যেমন একটি পুকুরের মধ্যে পানি সঞ্চিত হয়েছে। এর স্বচ্ছ পানি তো পান করা হয়েছে, আর নীচের ঘোলা পানি অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছে।
كتاب الجهاد والسير
باب عَزْمِ الإِمَامِ عَلَى النَّاسِ فِيمَا يُطِيقُونَ
2964 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: لَقَدْ أَتَانِي اليَوْمَ رَجُلٌ، فَسَأَلَنِي عَنْ أَمْرٍ مَا دَرَيْتُ مَا أَرُدُّ عَلَيْهِ، فَقَالَ: أَرَأَيْتَ رَجُلًا مُؤْدِيًا نَشِيطًا، يَخْرُجُ مَعَ أُمَرَائِنَا فِي المَغَازِي، فَيَعْزِمُ عَلَيْنَا فِي أَشْيَاءَ لاَ نُحْصِيهَا؟ فَقُلْتُ لَهُ: وَاللَّهِ مَا أَدْرِي مَا أَقُولُ لَكَ، إِلَّا أَنَّا «كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَعَسَى أَنْ لاَ يَعْزِمَ عَلَيْنَا فِي أَمْرٍ إِلَّا مَرَّةً حَتَّى نَفْعَلَهُ، وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَنْ يَزَالَ بِخَيْرٍ مَا اتَّقَى اللَّهَ، وَإِذَا شَكَّ فِي نَفْسِهِ شَيْءٌ سَأَلَ رَجُلًا، فَشَفَاهُ مِنْهُ، وَأَوْشَكَ أَنْ لاَ تَجِدُوهُ، وَالَّذِي لاَ إِلَهَ إِلَّا هُوَ مَا أَذْكُرُ مَا غَبَرَ مِنَ الدُّنْيَا إِلَّا كَالثَّغْبِ شُرِبَ، صَفْوُهُ وَبَقِيَ كَدَرُهُ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬৫ - ২৯৬৬
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৩. নবী (ﷺ) যদি দিনের শুরুতে যুদ্ধ আরম্ভ না করতেন, তবে সূর্য ঢলে যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ আরম্ভ বিলম্ব করতেন।
২৭৫৮। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... উমর ইবনে উবাইদুল্লাহর আযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব সালিম আবু নযর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ) তার মনিবের নিকট পত্র লিখেন যা আমি পাঠ করলাম, তাতে ছিল যে, শত্রুদের সাথে কোন এক মুখোমুখি যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূর্য ঢলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন।
এরপর তিনি তাঁর সাহাবীদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেনঃ হে লোক সকল! শত্রুর সাথে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হওয়ার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তাআলার নিকট নিরাপত্তার দু‘আ করবে। তারপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে। জেনে রাখবে, জান্নাত তরবারীর ছায়াতলে অবস্থিত। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! কুরআন অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, সৈন্যদলকে পরাজয় দানকারী, আপনি কাফির সম্প্রদায়কে পরাজিত করুন এবং আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করুন।
এরপর তিনি তাঁর সাহাবীদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেনঃ হে লোক সকল! শত্রুর সাথে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হওয়ার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তাআলার নিকট নিরাপত্তার দু‘আ করবে। তারপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে। জেনে রাখবে, জান্নাত তরবারীর ছায়াতলে অবস্থিত। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! কুরআন অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, সৈন্যদলকে পরাজয় দানকারী, আপনি কাফির সম্প্রদায়কে পরাজিত করুন এবং আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করুন।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا لَمْ يُقَاتِلْ أَوَّلَ النَّهَارِ أَخَّرَ الْقِتَالَ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ وَكَانَ كَاتِبًا لَهُ قَالَ كَتَبَ إِلَيْهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أَوْفَى ـ رضى الله عنهما ـ فَقَرَأْتُهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَيَّامِهِ الَّتِي لَقِيَ فِيهَا انْتَظَرَ حَتَّى مَالَتِ الشَّمْسُ.
ثُمَّ قَامَ فِي النَّاسِ قَالَ " أَيُّهَا النَّاسُ، لاَ تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلاَلِ السُّيُوفِ، ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَمُجْرِيَ السَّحَابِ وَهَازِمَ الأَحْزَابِ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ ".
ثُمَّ قَامَ فِي النَّاسِ قَالَ " أَيُّهَا النَّاسُ، لاَ تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا، وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلاَلِ السُّيُوفِ، ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَمُجْرِيَ السَّحَابِ وَهَازِمَ الأَحْزَابِ، اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ ".
হাদীস নং: ২৭৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬৭
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৪. কোন ব্যক্তির ইমামের অনুমতি গ্রহণ। আল্লাহ তাআলার বাণীঃ তারাই প্রকৃত মুমিন যারা আল্লাহ তাআলা ও তার রাসুল (ﷺ)- এর উপর ঈমান এনেছে, আর যখন তারা তার সঙ্গে কোন সমষ্টিগত বিষয়ে একত্রিত হয়, তখন তারা তার অনুমতি ব্যতিরেকে চলে যায় না (২৪ঃ ৬২)
২৭৫৯। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর সঙ্গে এক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিছুক্ষণ পরে এসে আমার সঙ্গে মিলিত হন; আমি তখন আমার পানি-সেচের উটনীর উপর আরোহী ছিলাম। উটনী ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল; এটি মোটেই চলতে পারছিল না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার উটের কি হয়েছে? আমি বললাম, ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উটনীটির পেছন দিক থেকে গিয়ে উটনী-টিকে হাঁকালেন এবং এটির জন্য দু‘আ করলেন। এরপর এটি সবক’টি উটের আগে আগে চলতে থাকে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এখন তোমার উটনীটির কিরূপ মনে হচ্ছে? আমি বললাম, ভালই। এটি আপনার বরকত লাভ করেছে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি কি এটি আমার নিকট বিক্রয় করবে? তিনি বলেন, আমি মনে মনে লজ্জাবোধ করলাম। (কারণ) আমার নিকট এ উটটি ব্যতীত পানি বহনকারী অন্য কোন উটনী ছিল না। আমি বললাম, হ্যাঁ (বিক্রয় করব)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাহলে আমার নিকট বিক্রয় কর। অনন্তর আমি উটনীটি তাঁর নিকট এ শর্তে বিক্রয় করলাম যে, মদীনায় পৌছা পর্যন্ত এর উপর আরোহণ করব। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি সদ্য বিবাহিত একজন পুরুষ। তারপর আমি তাঁর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। আমি লোকদের আগে আগে চললাম এবং মদীনায় পৌছে গেলাম। তখন আমার মামা আমার সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। তিনি আমাকে উটনী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাকে সে বিষয়ে অবহিত করলাম যা আমি করেছিলাম। তিনি আমাকে তিরস্কার করলেন।
তিনি (রাবী) বলেন, আর যখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলাম, তখন তিনি আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, তুমি কি কুমারী বিবাহ করেছ, না এমন মহিলাকে বিবাহ করেছ যার পূর্বে বিবাহ হয়েছিল? আমি বললাম, এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি যার পূর্বে বিবাহ হয়েছে। তিনি বললেন, তুমি কুমারী বিবাহ করলে না কেন? তুমি তার সঙ্গে খেলাধূলা করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে খেলাধূলা করত। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন। আমার কয়েকজন ছোট ছোট বোন রয়েছে। তাই আমি তাদের সমবয়সের কোন মেয়ে বিবাহ করা পছন্দ করিনি; যে তাদেরকে আদব-আখলাক শিক্ষা দিতে পারবে না এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে না।
তাই আমি একজন পূর্ব বিবাহ হয়েছে এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি; যাতে সে তাদের দেখাশোনা করতে পারে এবং তাদেরকে আদব-কায়দা শিক্ষা দিতে পারে। তিনি বলেন, যখন রাসূল (ﷺ) মদীনায় আসেন, পরদিন আমি তাঁর নিকট উটনীটি নিয়ে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে এর মূল্য দিলেন এবং উটটিও ফেরত দিলেন। মুগীরা (রাযিঃ) বলেন, আমাদের বিবেচনায় এটি উত্তম। আমরা এতে কোন দোষ মনে করি না।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি কি এটি আমার নিকট বিক্রয় করবে? তিনি বলেন, আমি মনে মনে লজ্জাবোধ করলাম। (কারণ) আমার নিকট এ উটটি ব্যতীত পানি বহনকারী অন্য কোন উটনী ছিল না। আমি বললাম, হ্যাঁ (বিক্রয় করব)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাহলে আমার নিকট বিক্রয় কর। অনন্তর আমি উটনীটি তাঁর নিকট এ শর্তে বিক্রয় করলাম যে, মদীনায় পৌছা পর্যন্ত এর উপর আরোহণ করব। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি সদ্য বিবাহিত একজন পুরুষ। তারপর আমি তাঁর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। আমি লোকদের আগে আগে চললাম এবং মদীনায় পৌছে গেলাম। তখন আমার মামা আমার সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। তিনি আমাকে উটনী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাকে সে বিষয়ে অবহিত করলাম যা আমি করেছিলাম। তিনি আমাকে তিরস্কার করলেন।
তিনি (রাবী) বলেন, আর যখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলাম, তখন তিনি আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, তুমি কি কুমারী বিবাহ করেছ, না এমন মহিলাকে বিবাহ করেছ যার পূর্বে বিবাহ হয়েছিল? আমি বললাম, এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি যার পূর্বে বিবাহ হয়েছে। তিনি বললেন, তুমি কুমারী বিবাহ করলে না কেন? তুমি তার সঙ্গে খেলাধূলা করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে খেলাধূলা করত। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন। আমার কয়েকজন ছোট ছোট বোন রয়েছে। তাই আমি তাদের সমবয়সের কোন মেয়ে বিবাহ করা পছন্দ করিনি; যে তাদেরকে আদব-আখলাক শিক্ষা দিতে পারবে না এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে না।
তাই আমি একজন পূর্ব বিবাহ হয়েছে এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি; যাতে সে তাদের দেখাশোনা করতে পারে এবং তাদেরকে আদব-কায়দা শিক্ষা দিতে পারে। তিনি বলেন, যখন রাসূল (ﷺ) মদীনায় আসেন, পরদিন আমি তাঁর নিকট উটনীটি নিয়ে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে এর মূল্য দিলেন এবং উটটিও ফেরত দিলেন। মুগীরা (রাযিঃ) বলেন, আমাদের বিবেচনায় এটি উত্তম। আমরা এতে কোন দোষ মনে করি না।
كتاب الجهاد والسير
باب اسْتِئْذَانِ الرَّجُلِ الإِمَامَ لِقَوْلِهِ: {إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِذَا كَانُوا مَعَهُ عَلَى أَمْرٍ جَامِعٍ لَمْ يَذْهَبُوا حَتَّى يَسْتَأْذِنُوهُ}
2967 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنِ المُغِيرَةِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَتَلاَحَقَ بِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَا عَلَى نَاضِحٍ لَنَا، قَدْ أَعْيَا فَلاَ يَكَادُ يَسِيرُ، فَقَالَ لِي: «مَا لِبَعِيرِكَ؟» ، قَالَ: قُلْتُ: عَيِيَ، قَالَ: فَتَخَلَّفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَزَجَرَهُ، وَدَعَا لَهُ، فَمَا زَالَ بَيْنَ يَدَيِ الإِبِلِ قُدَّامَهَا يَسِيرُ، فَقَالَ لِي: «كَيْفَ تَرَى بَعِيرَكَ؟» ، قَالَ: قُلْتُ: بِخَيْرٍ، قَدْ أَصَابَتْهُ بَرَكَتُكَ، قَالَ: «أَفَتَبِيعُنِيهِ؟» قَالَ: فَاسْتَحْيَيْتُ وَلَمْ يَكُنْ لَنَا نَاضِحٌ غَيْرُهُ، قَالَ: فَقُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَبِعْنِيهِ، فَبِعْتُهُ إِيَّاهُ عَلَى أَنَّ لِي فَقَارَ ظَهْرهِ، حَتَّى أَبْلُغَ المَدِينَةَ قَالَ [ص:52]: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي عَرُوسٌ، فَاسْتَأْذَنْتُهُ، فَأَذِنَ لِي، فَتَقَدَّمْتُ النَّاسَ إِلَى المَدِينَةِ حَتَّى أَتَيْتُ المَدِينَةَ، فَلَقِيَنِي خَالِي، فَسَأَلَنِي عَنِ البَعِيرِ، فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا صَنَعْتُ فِيهِ، فَلاَمَنِي قَالَ: وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ لِي حِينَ اسْتَأْذَنْتُهُ: «هَلْ تَزَوَّجْتَ بِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا؟» ، فَقُلْتُ: تَزَوَّجْتُ ثَيِّبًا، فَقَالَ: «هَلَّا تَزَوَّجْتَ بِكْرًا تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ» ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تُوُفِّيَ وَالِدِي أَوِ اسْتُشْهِدَ وَلِي أَخَوَاتٌ صِغَارٌ فَكَرِهْتُ أَنْ أَتَزَوَّجَ مِثْلَهُنَّ، فَلاَ تُؤَدِّبُهُنَّ، وَلاَ تَقُومُ عَلَيْهِنَّ، فَتَزَوَّجْتُ ثَيِّبًا لِتَقُومَ عَلَيْهِنَّ وَتُؤَدِّبَهُنَّ، قَالَ: فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المَدِينَةَ غَدَوْتُ عَلَيْهِ بِالْبَعِيرِ، فَأَعْطَانِي ثَمَنَهُ وَرَدَّهُ عَلَيَّ قَالَ المُغِيرَةُ هَذَا فِي قَضَائِنَا حَسَنٌ لاَ نَرَى بِهِ بَأْسًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬০
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬৮
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৫. সদ্য বিবাহিত অবস্থায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা। এ প্রসঙ্গে জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
১৮৫৬. পরিচ্ছেদঃ নববিবাহিত ব্যক্তি স্ত্রীর সঙ্গে প্রথম মিলনের পর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) কর্তৃক নবী (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৭. ভয়-ভীতির সময় ইমামের (সকলের আগে) অগ্রসর হওয়া
১৮৫৬. পরিচ্ছেদঃ নববিবাহিত ব্যক্তি স্ত্রীর সঙ্গে প্রথম মিলনের পর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) কর্তৃক নবী (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৭. ভয়-ভীতির সময় ইমামের (সকলের আগে) অগ্রসর হওয়া
২৭৬০। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার মদীনায় ভীতির সঞ্চার হল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু তালহা (রাযিঃ)- এর ঘোড়ায় আরোহণ করেন এবং বলেন যে, আমি তো ভয়ের কিছু দেখতে পেলাম না। তবে আমি এ ঘোড়াটিকে দ্রুতগামী পেয়েছি।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ مَنْ غَزَا وَهُوَ حَدِيثُ عَهْدٍ بِعُرْسِهِ فِيهِ جَابِرٌ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
بَابُ مَنِ اخْتَارَ الغَزْوَ بَعْدَ البِنَاءِ فِيهِ أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
بَابُ مُبَادَرَةِ الإِمَامِ عِنْدَ الفَزَعِ
بَابُ مَنِ اخْتَارَ الغَزْوَ بَعْدَ البِنَاءِ فِيهِ أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
بَابُ مُبَادَرَةِ الإِمَامِ عِنْدَ الفَزَعِ
2968 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنِي قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَ بِالْمَدِينَةِ فَزَعٌ، فَرَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَسًا لِأَبِي طَلْحَةَ، فَقَالَ: «مَا رَأَيْنَا مِنْ شَيْءٍ، وَإِنْ وَجَدْنَاهُ لَبَحْرًا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬১
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬৯
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৮. ভয়-ভীতির সময় তাড়াতাড়ি করা ও দ্রুত ঘোড়া চালনা করা
২৭৬১। ফায্ল ইবনে সাহল (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সময় লোকেরা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু তালহা (রাযিঃ)- এর মন্থরগতি সম্পন্ন একটি ঘোড়ার উপর আরোহণ করলেন এবং একাকী ঘোড়াটিকে হাঁকিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। লোকেরা তখন তাঁর পিছু পিছু ঘোড়ায় চড়ে ছুটে চলল। (ফিরে এসে) রাসূল (ﷺ) বললেন, কিছুই না, তোমরা ভয় করো না। এ ঘোড়াটি তো দ্রুতগামী। বর্ণনাকারী বলেন, সেদিন হতে আর কখনো সে ঘোড়াটি কারো পেছনে পড়েনি।
كتاب الجهاد والسير
باب السُّرْعَةِ وَالرَّكْضِ فِي الْفَزَعِ
2969 - حَدَّثَنَا الفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: فَزِعَ النَّاسُ، فَرَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَسًا لِأَبِي طَلْحَةَ بَطِيئًا، ثُمَّ خَرَجَ يَرْكُضُ وَحْدَهُ، فَرَكِبَ النَّاسُ يَرْكُضُونَ خَلْفَهُ، فَقَالَ: «لَمْ تُرَاعُوا، إِنَّهُ لَبَحْرٌ» فَمَا سُبِقَ بَعْدَ ذَلِكَ اليَوْمِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬২
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭০
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদঃ ১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা। মুজাহিদ (রাহঃ) বলেন, আমি ইবনে উমর (রাযিঃ)- কে বললাম, আমি জিহাদে যেতে চাই। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চাই। আমি বললাম, আল্লাহ তাআলা আমাকে আর্থিক স্বচ্ছলতা দান করেছেন। তিনি (ইবনে উমর রাযিঃ) বললেন, তোমার স্বচ্ছলতা তোমার জন্য। আমি চাই, আমার কিছু সম্পদ এ পথে ব্যয় হোক। উমর (রাযিঃ) বলেন, এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা জিহাদ করার জন্য (বায়তুল মাল হতে) অর্থ গ্রহণ করে, পরে জিহাদ করে না। যারা এরূপ করে, আমরা তার সম্পদে অধিক হকদার এবং আমরা তা ফেরত নিয়ে নিব, যা সে গ্রহণ করেছে। তাউস ও মুজাহিদ (রাহঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহর রাহে বের হওয়ার জন্য তোমাকে কিছু দান করা হয়, তা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার আর তোমার পরিবার-পরিজনের কাছেও রেখে দিতে পার।
২৭৬২। হুমায়দী (রাহঃ) .... উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাহে একটি অশ্ব আরোহণের জন্য দান করেছিলাম। তারপর আমি তা বিক্রয় হতে দেখতে পাই। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আমি কি তা ক্রয় করে নিব?’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ‘না, তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার (প্রদত্ত) সাদ্কা ফেরত নিও না।’
كتاب الجهاد والسير
بَابُ الجَعَائِلِ وَالحُمْلاَنِ فِي السَّبِيلِ وَقَالَ مُجَاهِدٌ: قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ: الغَزْوَ، قَالَ: «إِنِّي أُحِبُّ أَنْ أُعِينَكَ بِطَائِفَةٍ مِنْ مَالِي»، قُلْتُ: أَوْسَعَ اللَّهُ عَلَيَّ، قَالَ: «إِنَّ غِنَاكَ لَكَ، وَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ يَكُونَ مِنْ مَالِي فِي هَذَا الوَجْهِ» وَقَالَ عُمَرُ: «إِنَّ نَاسًا يَأْخُذُونَ مِنْ هَذَا المَالِ لِيُجَاهِدُوا، ثُمَّ لاَ يُجَاهِدُونَ، فَمَنْ فَعَلَهُ، فَنَحْنُ أَحَقُّ بِمَالِهِ حَتَّى نَأْخُذَ مِنْهُ مَا أَخَذَ» وَقَالَ طَاوُسٌ، وَمُجَاهِدٌ: «إِذَا دُفِعَ إِلَيْكَ شَيْءٌ تَخْرُجُ بِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، فَاصْنَعْ بِهِ مَا شِئْتَ، وَضَعْهُ عِنْدَ أَهْلِكَ»
2970 - حَدَّثَنَا الحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، سَأَلَ زَيْدَ بْنَ أَسْلَمَ، فَقَالَ زَيْدٌ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: حَمَلْتُ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، فَرَأَيْتُهُ يُبَاعُ، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آشْتَرِيهِ؟ فَقَالَ: «لاَ تَشْتَرِهِ، وَلاَ تَعُدْ [ص:53] فِي صَدَقَتِكَ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭১
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৯. ভয়-ভীতির সময় একা বের হওয়া।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা।
২৭৬৩। ইসমাঈল (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) জনৈক অশ্বারোহীকে আল্লাহর রাহে একটি অশ্ব দান করেন। এরপর তিনি দেখতে পান যে, তা বিক্রয় করা হচ্ছে। তখন তিনি তা ক্রয় করার ইচ্ছা করলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) বললেন, ‘তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার প্রদত্ত সাদ্কা ফেরত নিও না’
كتاب الجهاد والسير
بَابُ الخُرُوجِ فِي الفَزَعِ وَحْدَهُ
بَابُ الجَعَائِلِ وَالحُمْلاَنِ فِي السَّبِيلِ
بَابُ الجَعَائِلِ وَالحُمْلاَنِ فِي السَّبِيلِ
2971 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ حَمَلَ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، فَوَجَدَهُ يُبَاعُ، فَأَرَادَ أَنْ يَبْتَاعَهُ، فَسَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «لاَ تَبْتَعْهُ، وَلاَ تَعُدْ فِي صَدَقَتِكَ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭২
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৫৯. ভয়-ভীতির সময় একা বের হওয়া।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা।
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা।
২৭৬৪। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে মনে না করতাম, তবে আমি কোন সেনা অভিযান থেকে পিছিয়ে থাকতাম না। কিন্তু আমি তো (সকলের জন্য) সাওয়ারী সংগ্রহ করতে পারছি না এবং আমি এতগুলো সাওয়ারী পাচ্ছি না যার উপর আমি তাদের আরোহণ করাতে পারি। আর আমার জন্য এটা কষ্টদায়ক হবে যে, তারা আমার থেকে পেছনে পড়ে থাকবে। আমি তো এটাই কামনা করি যে, আমি আল্লাহর রাহে জিহাদ করব এবং শহীদ হয়ে যাবো, এরপর আমাকে পুনরায় জীবিত করা হবে এবং আমি পুনরায় শহীদ হবো। এরপর আমাকে পুনরায় জীবিত করা হবে।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ الخُرُوجِ فِي الفَزَعِ وَحْدَهُ
بَابُ الجَعَائِلِ وَالحُمْلاَنِ فِي السَّبِيلِ
بَابُ الجَعَائِلِ وَالحُمْلاَنِ فِي السَّبِيلِ
2972 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو صَالِحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي مَا تَخَلَّفْتُ عَنْ سَرِيَّةٍ، وَلَكِنْ لاَ أَجِدُ حَمُولَةً، وَلاَ أَجِدُ مَا أَحْمِلُهُمْ عَلَيْهِ، وَيَشُقُّ عَلَيَّ أَنْ يَتَخَلَّفُوا عَنِّي، وَلَوَدِدْتُ أَنِّي قَاتَلْتُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، فَقُتِلْتُ، ثُمَّ أُحْيِيتُ ثُمَّ قُتِلْتُ، ثُمَّ أُحْيِيتُ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৩
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬১. মজুরী গ্রহণ করে জিহাদে অংশ গ্রহণ করা। হাসান বসরী ও ইবনে সীরীন (রাহঃ) বলেন, মজদুরকেও গনীমত লব্ধ সম্পদের অংশ দান করা হবে। আতিয়্যা ইবনে কায়েস (রাযিঃ) জনৈক ব্যক্তি থেকে একটি অশ্ব এ শর্তে গ্রহণ করেন যে, গনীমত লব্ধ সম্পদে প্রাপ্ত অংশ অর্ধেক করে বন্টিত হবে। তিনি অশ্বটির অংশে চারশ’ দীনার লাভ করেছিলেন। তখন তিনি দু’শ দীনার গ্রহণ করেন এবং দু’শ দীনার অশ্বের মালিককে দিয়ে দেন।
২৭৬৫। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... ইয়ালা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর সঙ্গে জিহাদে অংশগ্রহণ করি। আমি একটি জওয়ান উট (জিহাদে) আরোহণের জন্য (জনৈক ব্যক্তিকে) দেই। আমার সঙ্গে এটাই ছিল আমার অধিক নির্ভরযোগ্য কাজ। আমি এক ব্যক্তিকে মজুরীর বিনিময়ে নিয়োগ করলাম। তখন সে এক ব্যক্তির সহিত ঝগড়ায় লিপ্ত হয়, একজন অপরজনের হাত কামড়িয়ে ধরে সে তার হাত কামড়দাতার মুখ হতে সজোরে বের করে আনে। ফলে তার সামনের দাত উপড়ে আসে। উক্ত ব্যক্তি নবী (ﷺ)- এর নিকট উপস্থিত হল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার দাঁতের কোন প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যবস্থা করেন নি। আর তিনি বললেন, সে কি তার হাতটিকে তোমার মুখে রেখে দিবে, আর তুমি তাকে উটের ন্যায় কামড়াতে থাকবে।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ الأَجِيرِ وَقَالَ الحَسَنُ، وَابْنُ سِيرِينَ: «يُقْسَمُ لِلْأَجِيرِ مِنَ المَغْنَمِ» وَأَخَذَ عَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ فَرَسًا عَلَى النِّصْفِ، فَبَلَغَ سَهْمُ الفَرَسِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِينَارٍ، فَأَخَذَ مِائَتَيْنِ، وَأَعْطَى صَاحِبَهُ مِائَتَيْنِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ يَعْلَى، عَنْ أَبِيهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزْوَةَ تَبُوكَ، فَحَمَلْتُ عَلَى بَكْرٍ، فَهْوَ أَوْثَقُ أَعْمَالِي فِي نَفْسِي، فَاسْتَأْجَرْتُ أَجِيرًا، فَقَاتَلَ رَجُلاً، فَعَضَّ أَحَدُهُمَا الآخَرَ فَانْتَزَعَ يَدَهُ مِنْ فِيهِ، وَنَزَعَ ثَنِيَّتَهُ، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَهْدَرَهَا فَقَالَ " أَيَدْفَعُ يَدَهُ إِلَيْكَ فَتَقْضَمُهَا كَمَا يَقْضَمُ الْفَحْلُ ".
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৭৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৪
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬২. নবী (ﷺ)- এর পতাকা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে
২৭৬৬। সাঈদ ইবনে আবু মারয়াম (রাহঃ) .... কায়েস ইবনে সা‘দ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, আর তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর পতাকা বহনকারী, তিনি হজ্জের সংকল্প করেন, তখন তিনি মাথার চুল আচঁড়িয়ে নিলেন।
كتاب الجهاد والسير
باب مَا قِيلَ فِي لِوَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
2974 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ثَعْلَبَةُ بْنُ أَبِي مَالِكٍ القُرَظِيُّ، أَنَّ قَيْسَ بْنَ سَعْدٍ الأَنْصَارِيَّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَكَانَ صَاحِبَ لِوَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَرَادَ الحَجَّ، فَرَجَّلَ "
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৭৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৫
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬২. নবী (ﷺ)- এর পতাকা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে
২৭৬৭। কুতাইবা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) .... সালামা ইবনে আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে আলী (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে পেছনে থেকে যান, (কারণ) তাঁর চোখে অসুখ হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, আমি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে পিছিয়ে থাকব? এরপর আলী (রাযিঃ) বেরিয়ে পড়লেন এবং নবী (ﷺ)- এর সঙ্গে এসে মিলিত হলেন। যখন সে রাত এল, যে রাত শেষে সকালে আলী (রাযিঃ) খায়বার জয় করেছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আগামীকাল আমি এমন এক ব্যক্তিকে পতাকা অর্পণ করব, কিংবা (বলেন) আগামীকাল এমন এক ব্যক্তি পতাকা গ্রহণ করবে যাকে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ভালবাসেন। অথবা তিনি বলেছিলেন, যে আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসূল-কে ভালবাসে। আল্লাহ্ তাআলা তারই হাতে খায়বার বিজয় দান করবেন। হঠাৎ আমরা দেখতে পেলাম যে, আলী (রাঃ এসে উপস্থিত, অথচ আমরা তাঁর আগমন প্রত্যাশা করিনি। তারা বললেন, এই যে আলী (রাযিঃ) এসে গিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে পতাকা অর্পণ করলেন। আর আল্লাহ্ তাআলা তাঁরই হাতে খায়বারের বিজয় দান করলেন।
كتاب الجهاد والسير
باب مَا قِيلَ فِي لِوَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
2975 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تَخَلَّفَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي خَيْبَرَ، وَكَانَ بِهِ رَمَدٌ، فَقَالَ: أَنَا أَتَخَلَّفُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَخَرَجَ عَلِيٌّ فَلَحِقَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا كَانَ مَسَاءُ اللَّيْلَةِ الَّتِي فَتَحَهَا فِي صَبَاحِهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " لَأُعْطِيَنَّ الرَّايَةَ - أَوْ قَالَ: لَيَأْخُذَنَّ - غَدًا رَجُلٌ يُحِبُّهُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ، أَوْ قَالَ: يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، يَفْتَحُ اللَّهُ عَلَيْهِ "، فَإِذَا نَحْنُ بِعَلِيٍّ وَمَا نَرْجُوهُ، فَقَالُوا: هَذَا عَلِيٌّ، فَأَعْطَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَفَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৭৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৬
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬২. নবী (ﷺ)- এর পতাকা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে
২৭৬৮। মুহাম্মাদ ইবনে আলা (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি যুবাইর (রাযিঃ) কে বলেছিলেন, এখানেই কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আপনাকে পতাকা পুঁতে রাখতে আদেশ করেছিলেন?
كتاب الجهاد والسير
باب مَا قِيلَ فِي لِوَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ الْعَبَّاسَ، يَقُولُ لِلزُّبَيْرِ رضى الله عنهما هَا هُنَا أَمَرَكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَرْكُزَ الرَّايَةَ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৭
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬৩. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উক্তিঃ এক মাসের পথের দুরত্ব থেকে (শত্রুর মনে) ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলার বাণীঃ আমি কাফিরদের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করব। যেহেতু তারা আল্লাহর শরীক করেছে। (৩ঃ ১৫১) (এ প্রসঙ্গে) জাবির (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে হাদীস উদ্ধৃত করেছেন
২৭৬৯। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, এমতাবস্থায় পৃথিবীর ধনভাণ্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে অর্পণ করা হয়। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তো চলে গেছেন আর তোমরা তা বের করছ।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ» وَقَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ: {سَنُلْقِي فِي قُلُوبِ الَّذِينَ كَفَرُوا الرُّعْبَ بِمَا أَشْرَكُوا بِاللَّهِ} [آل عمران: 151] قَالَهُ جَابِرٌ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
2977 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ المُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بُعِثْتُ بِجَوَامِعِ الكَلِمِ، وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ، فَبَيْنَا أَنَا نَائِمٌ أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الأَرْضِ، فَوُضِعَتْ فِي يَدِي» قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَقَدْ ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنْتُمْ تَنْتَثِلُونَهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭৭০
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৮
- জিহাদের বিধানাবলী অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮৬৩. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উক্তিঃ এক মাসের পথের দুরত্ব থেকে (শত্রুর মনে) ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।
২৭৭০। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁকে আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, (রোম সম্রাট) হিরাকল (হিরাক্লিয়াস) আমাকে ডেকে পাঠান। তখন তিনি ইলিয়া (বর্তমান ফিলিস্তিন) নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। তারপর সম্রাট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর পত্রখানি আনতে আদেশ করেন, যখন পত্র পাঠ সমাপ্ত হল, তখন বেশ হৈ চৈ ও শোরগোল পড়ে গেল। এরপর আমাদেরকে (দরবার হতে) বাইরে নিয়ে আসা হল। তখন আমি আমার সঙ্গীদের উদ্দেশ্য করে বললাম, যখন আমরা বহিষ্কৃত হচ্ছিলাম, আবু কাবশার পুত্রের* বিষয়ের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেল। রোমের বাদশাহও তাঁকে ভয় করে।
* আবু কাবশা রাসূল (ﷺ)- এর দুধ মা হালীমা (রাযিঃ)- এর স্বামী ছিলেন। আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বেকার ঘটনা হিসাবে তাচ্ছিল্য করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- কে আবু কাবশার পুত্র বলেছিলেন।
* আবু কাবশা রাসূল (ﷺ)- এর দুধ মা হালীমা (রাযিঃ)- এর স্বামী ছিলেন। আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বেকার ঘটনা হিসাবে তাচ্ছিল্য করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- কে আবু কাবশার পুত্র বলেছিলেন।
كتاب الجهاد والسير
بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ»
2978 - حَدَّثَنَا أَبُو اليَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا سُفْيَانَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ هِرَقْلَ أَرْسَلَ إِلَيْهِ وَهُمْ بِإِيلِيَاءَ، ثُمَّ دَعَا بِكِتَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ قِرَاءَةِ الكِتَابِ كَثُرَ عِنْدَهُ الصَّخَبُ، فَارْتَفَعَتِ الأَصْوَاتُ، وَأُخْرِجْنَا فَقُلْتُ لِأَصْحَابِي حِينَ أُخْرِجْنَا: «لَقَدْ أَمِرَ أَمْرُ ابْنِ أَبِي كَبْشَةَ إِنَّهُ يَخَافُهُ مَلِكُ بَنِي الأَصْفَرِ»