দুনিয়ায় বড় হয়ে দাওয়াতের কাজ? — ভুল ধারণা
দুনিয়ায় বড় হয়ে দাওয়াতের কাজ? — ভুল ধারণা
[ছাত্র/অফিসার হলে এক নাম্বার হও, দীনের কাজে মডেল হবে" — এই কথা ডাহা মিথ্যা। কুরআন-হাদিস, ইতিহাস কোথাও এর সমর্থন নেই।
মাওলানা যাকারিয়া রহ. ১৫ টাকা বেতনে থাকলেন, ১২০০ টাকার চাকরিতে গেলেন না। মাওলানা থানভী রহ. বাপের সম্পত্তি নিলেন না। কিন্তু আমরা বলি "ওনারা দাঈ ছিলেন না, আমরা দাঈ!" — এই একটি শব্দের ভুল প্রয়োগ করে তাবলিগকে দীনের সম্পূর্ণ ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছি। এটা ঈমান হারানোর আশঙ্কা।
ইবরাহিম আ.-কে 'মন্ত্রীর ছেলে' হিসেবে নয়, 'পিতার শত্রু' বানিয়ে দাঈ বানানো হয়েছে। রাসূল সা.-কে কুরাইশদের প্রিয় থাকা অবস্থায় নয়, সবাইকে বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দাওয়াত দেওয়ানো হয়েছে। মূসা আ.-কে ফেরাউনের রাজপ্রত্যাশা ছিনিয়ে নিয়ে দাঈ বানানো হয়েছে। হারুনুর রশিদের ছেলে রাজমহল ছেড়ে দিয়ে দাওয়াত দিয়েছেন, রাজমহলে থেকে নয়।
ভারতবর্ষে দীনের প্রসার ফকিরদের দ্বারা হয়েছে, রাজা-বাদশাহদের দ্বারা নয়। শামসুদ্দিন আলতামাস, আওরঙ্গজেব — বড় আল্লাহওয়ালা ছিলেন, তবুও তাঁদের দ্বারা তেমন কাজ হয়নি। কারণ: আল্লাহওয়ালার সিফাত প্রকাশের জন্য তাজাররুদ (বৈরাগ্য) দরকার। ধনী হলে 'ধনী'র পরিচয় উপরে উঠে, 'আল্লাহওয়ালা'র পরিচয় চাপা পড়ে।
আল্লাহ যাদের দিয়ে দীনের কাজ করান, তাদের সব আবরণ ছিনিয়ে নেন — একেবারে খালি করেন, যাতে সিফাত দেখা যায়।]
একটা কথা আমাদের সামনে আসে বিভিন্ন সময়। তোমাদের সামনে আসে কিনা জানি না।
"ছাত্র যদি হও — এক নাম্বার হও। অফিসার যদি হও — এক নাম্বার হও। কারণ দীনের কাজ করতে গিয়ে, তোমাকে দেখে দুনিয়াতে সবাই যেন একটা মডেল মনে করে।"
এই কথা শুনেছ নাকি? কথাটা ঠিক না বেঠিক?
(কিছু সাথি বললেন 'বেঠিক', কয়েকজন বললেন 'ঠিক')
বেঠিক যারা বলছ, কোন যুক্তিতে? ঠিক যারা বলছ, কোন যুক্তিতে?
(মজলিসে উপস্থিত বিভিন্নজন, বিভিন্ন কথা উপস্থাপন করেন)
কথা ঠিক না। মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা কথা। এর সমর্থনে কোরআন শরীফে, হাদীস শরীফে, আল্লাহওয়ালাদের জীবনে, আল্লাহওয়ালাদের কথায় কোনো দলিল পাওয়া যায় না। এটা হলো নীতিগতভাবে কথার দিক থেকে, যার দলিল কোথাও পাওয়া যাবে না। ইতিহাসে, বাস্তবতায় এর কোনো সমর্থন বা দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না।
দুই মানদণ্ডেই প্রমাণহীন
মানুষ দুই জিনিস দেখে চলে। এক হলো যে 'কিতাবের মধ্যে আছে'। আরেক হলো 'আমি দেখেছি' বা অভিজ্ঞতা। দুটাতেই এর কোনো সমর্থন নেই। কিতাবের মধ্যে এর কোনো সমর্থন নেই, অভিজ্ঞতার মধ্যেও কোনো সমর্থন নেই। কিতাবের সমর্থন নেই, কুরআন-হাদিসে কোথাও পাওয়া যাবে না যে 'তুমি খুব দুনিয়াদার হও, রাজা-বাদশাহ হও, তোমার দ্বারা দীনের কাজ হবে।' বরং যত কথা আছে কোরআন-হাদিস ইত্যাদির মধ্যে, সব কথাগুলো তার বিপরীত। কিছু কিছু দৃষ্টান্ত আছে বড় ধনী লোক আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু, সুলাইমান আলাইহি ওয়াসাল্লাম; কিন্তু ওই এক দৃষ্টান্তের মোকাবেলায় অন্য দৃষ্টান্ত বহু বেশি। আর সেই দৃষ্টান্তও পরস্পর বিরোধী নয়, ওখানে কিছু ব্যাখ্যার দরকার আছে।
ফাযায়েলে সাদাকাতের সাক্ষ্য
তাবলিগের রেফারেন্স যারা দেয়, তো ফাযায়েলে সাদাকাত তো তাবলিগের নিসাবের মধ্যেই আছে। আর ফাযায়েলে সাদাকাত অন্য কেউ এনে (তাবলিগের) মাঝখান দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়নি। তাবলিগওয়ালারাই লিখেছেন; মাওলানা জাকারিয়া সাহেবই লিখেছেন। ফাযায়েলে সাদাকাতের মধ্যে কী বলা হচ্ছে? সব ওই (দৃষ্টান্ত)গুলোই যে 'নাই, নাই'। 'আছে-আছে' তো কোনো ঘটনাই নাই।
মাওলানা যাকারিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহির নিজের জীবনও তাই ছিল। মাওলানা যাকারিয়া সাহেব ১৫ টাকার বেতনে (সাহারানপুর মাদ্রাসায়) থাকলেন, (১২০০ টাকা বেতনের চাকরির প্রস্তাবে গেলেন না)।
দীনের কাজ করবার জন্য তাঁর একটু ভালো পজিশনে দরকার ছিল না? তাবলিগওয়ালারা বলবে যে, 'উনি তো দাঈ ছিলেন না, আমরা তো দাঈ'।
'দাওয়াত' শব্দের ভুল প্রয়োগ — বিপদজনক বিচ্ছিন্নতা
তো সে আরেক বিরাট প্যাচ যে 'আমরা তো দাঈ(!) সেই হিসেবে দাঈর পরিপেক্ষিতে চিন্তা করতে হবে।' উনি যেহেতু দাওয়াত 'বুঝেননি', তাই এই কথাটাই বুঝেননি, সেজন্য যাননি। ওই ১৫ টাকা বেতনেই রয়েছেন। হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর বাবার সম্পত্তি নেননি। আবার যদি ওই কথাই বলি যে, 'উনিও তো দাঈ ছিলেন না। উনারা শুধু আলিম। মাদ্রাসায় পড়েছেন, পড়িয়েছেন। দাওয়াত তো বুঝেননি। চিল্লাও দেননি'!
এই 'দাওয়াত' একটা শব্দকে ভুল প্রয়োগ করে গোটা তাবলিগের এই প্রচলিত মেহনতকে, সম্পূর্ণ দীনের ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। দীনের ইতিহাস থেকে এবং দীনের সম্পূর্ণ literature (শিক্ষা) থেকে। আর বিচ্ছিন্ন যদি হয়ে যায়, (তাহলে) তার তো কোনো শিকড়ই থাকে না! আর দীনের বুনিয়াদই হলো — সম্পর্ক। 'এই কথা আমি কোথায় পেয়েছি' — ওটাই হলো শুদ্ধতার প্রমাণ। যদি একেবারে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে আল্লাহ পর্যন্ত সম্পৃক্ত থাকে, তাহলে তো কথা শুদ্ধ। আর আমি যদি মাঝখান থেকে কথাটাকে কেটে দেই, তো সব সম্পর্ক কেটে দিলাম। ওটার কোনো অর্থই থাকে না, একেবারেই অর্থহীন কথা হয়ে গেল!
এই 'দাওয়াত' শব্দকে ভুল প্রয়োগ করে আমরা সম্পূর্ণ দাওয়াতের মেহনতকে দীনের সব কথা, কোরআন, হাদিস, তাফসির সবকিছু, এবং সব নবী, সাহাবি, আল্লাহওয়ালা সবার জীবন এবং দৃষ্টান্ত এবং সবার কথা থেকে এই তাবলিগের কাজকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছি। ওই একটা কথা দিয়ে যে 'আমরা তো দাঈ, আর তাঁরা তো দাঈ ছিলেন না'।
তো ভাই, এরকম ভুল কথা থেকে আল্লাহ যেন আমাদেরকে হেফাজত করেন। যদি কখনো বলে থাকি, চিন্তা করে থাকি তাহলে তওবা করি, ইস্তিগফার করি। বরং নতুন করে কালিমা পড়ে মুসলমান হই। কথা এতই সিরিয়াস যে ঈমান হারাবার আশঙ্কা আছে!
দলিল: কুরআন-হাদীস ও ইতিহাস
সেই হিসাবে আবার বলছি যে, 'দুনিয়ার বড় পদ-মর্যাদা ইত্যাদির মাধ্যমে দীন প্রসার হবে' — এটার সমর্থনে কোনো কথা পাওয়া যায় না। কোরআন শরীফে, হাদীস শরীফে সব জায়গায় ধন-দৌলত ছাড়ার ব্যাপারেই (কথা) আছে, ধরার ব্যাপারে নয়। দৃষ্টান্তও তাই।
ইবরাহিম আ. — মন্ত্রীর ছেলে ছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ওই 'মন্ত্রীর ছেলে' হিসেবে দাঈ বানাননি, বরং 'পিতার শত্রু' বানিয়ে দাঈ বানিয়েছেন।
রাসূল সা. — কুরাইশদের মধ্যে বড় প্রিয় ছিলেন। ওই হিসেবে আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দাওয়াতের কাজে লাগাননি, গোটা কুরাইশকে তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে তারপর দাওয়াতের কাজে লাগিয়েছেন।
মূসা আ. — ফেরাউনের বাড়িতে বড় হয়েছেন। আর ফেরাউনের এটা সিদ্ধান্ত যে তাঁকে (মূসা) পরবর্তীতে রাজা বানাবে। সেই হিসেবে prospect (প্রত্যাশা) খুব ভালো ছিল। এই সম্পূর্ণ prospect কে একেবারে উল্টিয়ে দিয়ে, তারপর আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দিয়ে দাওয়াতের কাজ করিয়েছেন। আর সব জায়গাতেই তাই।
হারুনুর রশিদ রহ.-এর ছেলে — এমনকি ওই যে হারুনুর রশীদ (রহ.)-এর ছেলের কথা আমরা ফাযায়েলে সাদাকাতের মধ্যে পাই; সে তো রাজমহল ছেড়ে চলে গেল। ওখানে তো আমাদের 'স্ট্যান্ডার্ড প্যাচ' তো আছেই যে 'সে তো দাঈ ছিল না!' অথচ দাওয়াত তো সে এখনো দিয়ে যাচ্ছে! এখনো তার কথা বলা হয়, পড়া হয় আর কত লোক চিল্লায় চলে যায়! এমনই দাঈ ছিল যে, হায়াতে তো দাওয়াতের কাজ করেছেই এবং তাঁর নাম দিয়ে দাওয়াতের কাজ এখনো হচ্ছে। আর ওটা হয়েছে রাজমহল ছেড়ে দিয়ে, রাজমহলের মধ্যে থেকে নয়।
বাস্তব দৃষ্টান্ত — সম্পূর্ণ ইতিহাস
বাস্তব দৃষ্টান্ত হলো সম্পূর্ণ ইতিহাস। দীনের যত কাজ হয়েছে, ফকিরদের দ্বারা হয়েছে। এই ভারতবর্ষে দীনের প্রসার ফকিরদের দ্বারা। রাজা-বাদশাহদের মধ্যে ভালো দীনদারও ছিল, কিন্তু তাদের দ্বারা উল্লেখযোগ্য তেমন কাজ হয়নি। 'উল্লেখযোগ্য' এই অর্থে যে ফকিরদের দ্বারা যে কাজ হয়েছে, তার সাথে যদি তুলনা করা হয় তো রাজা-বাদশাহদের দ্বারা তেমন কাজ হয়নি!
শামসুদ্দিন আলতামাস রহ. — সম্ভবত শামসুদ্দিন আলতামাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি এমনই বড় আল্লাহওয়ালা ছিলেন যে তাঁর শেখ যখন ইন্তেকাল করলেন, তখন ওসিয়ত করে গেলেন যে 'আমার জানাযার নামাজ যেন ওই ব্যক্তিই পড়ায় যার ৪০ বছর আসরের সুন্নত ছুটে নি।' আর আমরা জানি যে হানাফি মাজহাবে আসরের সুন্নত গায়রে মুআক্কাদা। নফল হওয়ার কারণে (অনেকসময়) দীনদার লোকও ছেড়ে দেয়। তো এমন এক প্যাচ লাগিয়ে গেলেন! ওই শর্তের অধীনে কে জানাজার নামাজ পড়াবে? তখন দিল্লির বাদশাহ নিজেই (শামসুদ্দিন আলতামাস) জানাজার নামাজ পড়ালেন। কারণ তাঁর এই শর্ত আদায় হয়েছে। তারপরেও এনাদের দ্বারা ভারতের দীনের প্রসারের তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা নেই।
আওরঙ্গজেব রহ. — ফতোয়ায়ে আলমগিরি লেখার দায়িত্ব (পালন করেছেন) আওরঙ্গজেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি। কিন্তু তারপরেও ফকিরদের দ্বারা যত কাজ হয়েছে, তার সাথে যদি তুলনা করা যায়, তবে কিছুই না। আর আসলে ব্যাপার তাই-ই।
কারণ: সিফাত প্রকাশের জন্য তাজাররুদ
কারণ একজন আল্লাহওয়ালা যদি আল্লাহওয়ালা হয়ও, বা ধনী হয় বা আরও কিছু হয় তো মানুষের কাছে তাঁর 'আল্লাহওয়ালা' পরিচয় চাপা পড়ে যাবে, তাঁর 'ধনী'র পরিচয় উপরে উঠে যায়। এইজন্য তাঁর আল্লাহওয়ালা পরিচয় মানুষের কাছে প্রকাশ পায় না। তার সিফাতকে প্রকাশ করতে হলে, তাকে খালি করতে হয়, তাজাররুদ। আল্লাহ তায়ালা যাদেরকে দিয়ে দীনের কাজ করান, তাদের কাছ থেকে বাকি সব আবরণ উঠিয়ে/ছিনিয়ে নেন। একেবারে খালি করেন, যাতে তার সিফাত দেখা যায়। তা না হলে দেখা যাবে না।
খলিফা মামুনুর রশিদের ঘটনা
(খলিফা) মামুনুর রশিদের কাছে একজন লোক টাকা চাইতে এসেছে যে 'আমি হজ্বে যাবো, আমাকে টাকা দেন।' মামুনুর রশীদ বললেন যে তোমার কাছে যদি টাকা না থাকে, তোমার উপর হজ্ব ফরজ নয়, তোমার যাওয়ার দরকার নেই। সে বলল যে 'আমি আপনার কাছে মুফতি হিসেবে আসিনি, বাদশাহ হিসেবে এসেছি। মুফতির ফতোয়াই যদি চাইতাম তো আপনার চেয়ে ভালো আরও মুফতি আছে। টাকা দিলে দেবেন, না দিলে না দেবেন। ফতোয়ার কি দরকার?' তো (খলীফা তাকে) টাকা দিয়ে দিলেন। অথচ (খলীফা) শুদ্ধ ফতোয়া দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি তো ফতোয়ার জন্য আসেইনি। এর মোকাবেলায় কেউ যদি মুফতি সাহেবের কাছে যায়, আর মুফতি সাহেব তাকে টাকা দেন তো সম্ভবত এই কথা বলবে যে হুজুর আমি তো ফতোয়ার জন্য এসেছি, টাকার জন্য নই।
সমাপ্ত।
মূল বার্তা: দুনিয়ায় বড় হয়ে দাওয়াতের কাজ — এটা একটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা। কুরআন-হাদীস, নবী-রাসূলদের জীবন, এবং ইতিহাস — সবই ফকিরি ও তাজাররুদের (বৈরাগ্যের) পথই দেখায়। 'আমরা দাঈ' বলে দীনের সম্পূর্ণ ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া ঈমান হারানোর আশঙ্কা।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
ত্যাগের বিনিময়ে সম্পর্ক: উম্মতের মহব্বতের বুনিয়াদ
[প্রদত্ত বয়ান থেকে সংগৃহীত] স্থান: গাউসনগর জামে মসজিদ, ইস্কাটন রোড, ঢাকা তারিখ: ৯ জুন ২০০৬,বেলা:৩.৩...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১২ জানুয়ারী, ২০২৬
২৬০২
বাহ্যিক উন্নতি নাকি আত্মিক সমৃদ্ধি?
আল্লাহ তাআলা নেক আমলের আদেশ দিয়েছেন এবং এর বিনিময়ে সুন্দর জীবন দান করার ওয়াদা করেছেন। সুন্দর জীবন...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
২০ জানুয়ারী, ২০২৬
৪৪১৪
ফ্রান্সে তাবলীগের কাজের সুচনা
৮ ই ফেব্রুয়ারি ২০১৫, বাদ ঈশা মোজাকারা, মানিকদি বাজার মসজিদ, ঢাকা আল্লাহ তাআলার বড় মেহেরবানি যে, আল...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
৩৬৯২
দাওয়াতের প্রাণ মুহাব্বত
আল্লাহ তাআ’লা আমাদেরকে ইখলাসের হুকুম দিয়েছেন। ইবাদতের মধ্যে যেমন ইখলাস দিয়েই তার মূল্য। পরিমাণে খুবই...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
৪০৯৪
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন