আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ৬০

তাফসীর
اِنَّمَا الصَّدَقٰتُ لِلۡفُقَرَآءِ وَالۡمَسٰکِیۡنِ وَالۡعٰمِلِیۡنَ عَلَیۡہَا وَالۡمُؤَلَّفَۃِ قُلُوۡبُہُمۡ وَفِی الرِّقَابِ وَالۡغٰرِمِیۡنَ وَفِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَابۡنِ السَّبِیۡلِ ؕ فَرِیۡضَۃً مِّنَ اللّٰہِ ؕ وَاللّٰہُ عَلِیۡمٌ حَکِیۡمٌ

উচ্চারণ

ইন্নামাসসাদাকা-তুলিলফুকারাই ওয়ালা মাছা-কীনি ওয়াল ‘আ-মিলীনা ‘আলাইহা-ওয়াল মুআল্লাফাতি কুলূবুহুম ওয়া ফিররিকা-বি ওয়াল গা-রিমীনা ওয়া ফী ছাবীলিল্লা-হি ওয়াবনিছ ছাবীলি ফারীদাতাম মিনাল্লা-হি; ওয়াল্লা-হু ‘আলীমুন হাকীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

প্রকৃতপক্ষে সদকা ফকীর ও মিসকীনদের হক ৪৯ এবং সেই সকল কর্মচারীদের, যারা সদকা উসূলের কাজে নিয়োজিত ৫০ এবং যাদের মনোরঞ্জন করা উদ্দেশ্য তাদের। ৫১ তাছাড়া দাসমুক্তিতে, ৫২ ঋণগ্রস্তের ঋণ পরিশোধে ৫৩ এবং আল্লাহর পথে ৫৪ ও মুসাফিরদের সাহায্যেও ৫৫ (তা ব্যয় করা হবে)। এটা আল্লাহর পক্ষ হতে প্রদত্ত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৯. ফকীর ও মিসকীন কাছাকাছি অর্থের শব্দ। আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কেউ কেউ এর মধ্যে পার্থক্য করেছেন যে, মিসকীন সেই ব্যক্তি, যার কিছুই নেই; সম্পূর্ণ নিঃস্ব। আর ফকীর বলে সেই ব্যক্তিকে, যার কাছে কিছু থাকে, কিন্তু তা প্রয়োজন অপেক্ষা কম। আবার কেউ কেউ পার্থক্যটা এর বিপরীতভাবে করেছেন। তবে যাকাতের বিধানে উভয়ই সমান। অর্থাৎ যার কাছে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা তার সমমূল্যের মাল-সামগ্রী, যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত, না থাকে, তার জন্য যাকাত গ্রহণ জায়েয। বিস্তারিত জানার জন্য ফিকহী গ্রন্থাবলী দ্রষ্টব্য।