আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ৩০

তাফসীর
وَقَالَتِ الۡیَہُوۡدُ عُزَیۡرُۨ ابۡنُ اللّٰہِ وَقَالَتِ النَّصٰرَی الۡمَسِیۡحُ ابۡنُ اللّٰہِ ؕ ذٰلِکَ قَوۡلُہُمۡ بِاَفۡوَاہِہِمۡ ۚ یُضَاہِـُٔوۡنَ قَوۡلَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ قَبۡلُ ؕ قٰتَلَہُمُ اللّٰہُ ۚ۫ اَنّٰی یُؤۡفَکُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়া কা-লাতিল ইয়াহূদু‘ঊঝাইরুনিবনুল্লা-হি ওয়াকা-লাতিন নাসা-রাল মাছীহুবনুল্লা-হি যা-লিকা কাওলুহুম বিআফওয়া-হিহিম ইউদা-হিঊনা কাওলাল্লাযীনা কাফারূ মিন কাবলু কা-তালাহুমুল্লা-হু; আন্না-ইউ’ফাকূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

ইয়াহুদীরা বলে, উযায়র আল্লাহর পুত্র ২৯ আর নাসারাগণ বলে, মাসীহ আল্লাহর পুত্র। এসবই তাদের মুখের তৈরি কথা। এরা তাদের পূর্বে যারা কাফের হয়ে গিয়েছিল, ৩০ তাদেরই মত কথা বলে। তাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস করুন! তারা বিভ্রান্ত হয়ে কোন দিকে উল্টে যাচ্ছে?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২৯. হযরত উযায়ের আলাইহিস সালাম ছিলেন একজন মহান নবী। বাইবেলে তাকে ‘আযরা’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাইবেলের একটি পূর্ণ অধ্যায় তাঁর নামের সাথেই যুক্ত। ‘বুখত নাসসার’-এর আক্রমণে তাওরাতের কপি বিলুপ্ত হয়ে গেলে তিনি নিজ স্মৃতিপট থেকে তা পুনরায় লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন। সম্ভবত এ কারণেই একদল ইয়াহুদী তাকে আল্লাহর পুত্র সাব্যস্ত করেছিল। প্রকাশ থাকে যে, হযরত উযায়ের আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তাআলার পুত্র সাব্যস্ত করার আকীদা সমগ্র ইয়াহুদী জাতির নয়; বরং এটা তাদের একটি উপদলের বিশ্বাস, যাদের একটা অংশ আরবেও বাস করত।