আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

মাসায়েল অনুসন্ধানের ফলাফল

উমরা” শব্দ দিয়ে ১০০ টি মাসায়েল পাওয়া গেছে

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৮৩০

ক) আমার স্বামী ২০০৭ সালে হজ্বে গিয়েছিলেন। তখন আমার নেসাব পরিমাণ সম্পদ ছিল। আমার স্বামী একজন মুফতী সাহেবের কাছে শুনে এসে বলেছেন যে, মহিলাদের মাহরামকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার মতো টাকা না থাকলে হজ্ব ফরয হয় না। কিন্তু মাহরাম এমনিতেই পেয়ে গেলে যে হজ্ব ফরয হবে সেটা তিনি বলেননি। এজন্য ২০০৭ সালে তিনি হজ্বে যাওয়ার সময় আমি বুঝিনি যে, আমার উপর হজ্ব ফরয এবং আমার স্বামীও তা খেয়াল করেননি। আমি হজ্ব ফরয না জেনেই তার সাথে হজ্বে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাচ্চা ছোট বলে আমাকে হজ্বে নিতে রাজি হননি। আমার বাচ্চার বয়স তখন ২ বছর পুরা হয়নি। তবে বুকের দুধ স্বামী হজ্বে যাওয়ার ১ মাস আগেই ছাড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাচ্চা আমাদের দুজন ছাড়া আর কারো কাছে থাকত না। আমি ওকে রেখে হজ্বে যাওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারিনি। তাই আমি ওকে নিয়েই হজ্বে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মুরববীরা এবং আমার স্বামী কেউ বাচ্চা নিয়ে যেতে রাজি হননি। আর বাচ্চা রেখে যাওয়ার কোনো উপায়ও ছিল না। কারণ শুধু ওর আববু হজ্বে যাওয়ার কারণেই ওর অবস্থা এমন হয়েছিল যে, আমি হাম্মামে (বাথরুমে) গেলেও সে কাঁদতে কাঁদতে বমি করে দিত। এখন এই (দুগ্ধপোষ্য) শিশু কি আমি  হজ্বে না যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ওজর হিসেবে গণ্য হবে?

উল্লেখ্য, আমি আমার উপর হজ্ব ফরয সেটা না জানার কারণে গত এক বছর আগে উমরা করে এসেছি। এই জন্য আমার কাছে এখন হজ্বে যাওয়ার মতো নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই। এখন আমি হজ্ব না করার কারণে কি আমার গুনাহ হচ্ছে? হয়ে থাকলে আমার কী করণীয়?

খ) আমার শ্বশুর প্রতি বছর হজ্বে যান। আমার যদি একা হজ্বে যাওয়ার মতো টাকা হয় তাহলে আমার উপর হজ্ব ফরয হবে কি? হজ্বের মতো কঠিন সফরে শ্বশুরের সাথে যাওয়া কি ঠিক হবে?

গ) কোনো মহিলা যদি বাচ্চা রেখে যাওয়ার মতো উপযুক্ত পরিবেশ না পায় আর তাকে হজ্বে নেওয়ার মতো সামর্থ্যও না থাকে তাহলে সে কী করবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১১২৭০
আসসালামু আলাইকুম। এই হাদিসের ব্যাখ্যা, সাহাবীদের আমল, সালাফদের মতামত সহ লাগবে। তাহকীক লাগবে। একটু ইমপর্টেন্ট আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে থেকে বর্ণিতঃ: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একা ভ্রমণকারী এক শাইতান, দুইজন ভ্রমণকারী দুই শাইতান এবং তিনজন ভ্রমণকারী একটি জামা’আত। হাসান, সহীহা (৬৪), মিশকাত (৩৯১০), সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (২৩৪৬) ফুটনোটঃ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্‌ বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আসিমের রিওয়ায়াত হিসাবে জেনেছি। আসিমের বাবা মুহাম্মাদ, দাদা যাইদ, পরদাদা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আসিম নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী। আর আসিম ইবনু উমার আল-উমারী হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল। আমি তার সূত্রে কোন হাদীস বর্ণনা করি না। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১৬৭৪ হাদিসের মান: হাসান হাদিস Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD জাযাকাল্লাহ খাইরান
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
ফেনী