আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার বিয়ের সময় আত্মীয়স্বজন ও বান্ধবীগণ আমাকে বিভিন্ন জিনিস গিফট করেন। যার মধ্যে বেশ কিছু সোনার গয়নাও ছিল। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। এবং বিয়ের সময় আমার মহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লক্ষ  ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার টাকা বিয়ের সময় নগদ আদায় করা হয়। আর বাকি ১ লক্ষ ১০ হাজার পরে আদায় করার কথা রয়েছে। কিছুদিন আগে আমার বিয়ের ১ বছর পূর্ণ হয়েছে। এখন আমি আমার গয়নার যাকাত দিতে চাচ্ছি।

মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল আমি যখন গয়নার যাকাত আদায় করব তখন কি আমাকে এই ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনাদায়ি মহরেরও যাকাত আদায় করতে হবে? মুহতারামের কাছে মাসআলার সঠিক সমাধানের আবেদন করছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গোপালগঞ্জ শহরে আমার একটি মটরসাইকেলের শো-রুম রয়েছে। আমার দোকানে প্রায়ই বিভিন্ন লোক সাহায্য চাওয়ার জন্য আসতে থাকে। আমি তাদেরকে টাকা দেওয়ার সময় যাকাতের নিয়ত করে দেই। এবং তার হিসাব নির্ধারিত খাতায় লিখে রাখি। বছরের শেষে যখন আমার মোট সম্পদের যাকাত হিসাব করা হয় তখন তা পূর্বের দেয়া টাকার পরিমাণের সাথে মিলিয়ে দেখি। পূর্বের দেয়া টাকা যাকাতের নির্ধারিত পরিমাণের কম হলে (সাধারণত তাই হয়ে থাকে) বাকি টাকা আদায় করে দেই।

হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আমার এইভাবে যাকাত আদায় করা কি শরীয়তসম্মত হচ্ছে? বছর শেষ হওয়ার আগের বিভিন্নজনকে দেয়া টাকা আমার জন্য যাকাত হিসাবে গণ্য করা কি বৈধ হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
৪৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি বে-সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। প্রতিষ্ঠানটি বাসা থেকে দূরে হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাকে একটি গাড়ি গিফ্ট করা হয়। কোনো এক কারণে গাড়িটি এক ভদ্র লোকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিই। গাড়িটির মূল্য নগদ দেওয়ার কথা থাকলেও সে বিলম্ব করে ৫ বছর পর পরিশোধ করে। হুযুরের কাছে যে বিষয়টি জানতে চাচ্ছি তা হচ্ছে, মসজিদের ইমাম সাহেব বিষয়টি আগ থেকেই জানতেন। গত রাতে তার সাথে দেখা হলে তিনি আমাকে বললেন, আপনাকে ৫ বছরের যাকাত দিতে হবে। তাই সত্যি কি আমাকে ৫ বছরের যাকাত দিতে হবে? জানালে উপকৃত হবো।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
২৯৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) আমি শৈশবে গ্রামের বাড়িতে কাচারি ঘরের হুজুরের কাছে কুরআন তিলাওয়াত শিখেছিলাম। অতঃপর গত চার-পাঁচ বছর ঢাকায় সহীহ নূরানী পদ্ধতির সাথে পরিচিত হয়ে উক্ত পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে শিখি। এরপর হতে নামাযে ও নামাযের বাইরে নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন তিলাওয়াত করি। আমি বুঝতে পারছি যে, পূর্বের পদ্ধতি অশুদ্ধ ছিল। এখন আমার প্রশ্ন এই যে, পূর্বের পদ্ধতিতে আমি যে তেলাওয়াত করেছি সে বিষয়ে আমার কী করণীয়? সেভাবে পড়ার কারণে আমার নামায কি নষ্ট হয়েছে? জানালে উপকৃত হব। খ) আলহামদুলিল্লাহ, আমি যথাসাধ্য পর্দার বিধান মেনে চলতে চেষ্টা করি। কিন্তু গ্রামে গেলে চাচাতো বা মামাতে ভাইরা (বিশেষত যারা বয়সে ছোট) খোঁজ খবর নিতে আসে এবং কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে। আবার কখনো কখনো (বছরে হয়তো ২/১বার) তাদের কেউ কেউ ঢাকায় বেড়াতে আসে। তখনও একই অবস্থার উদ্ভব হয়। এ সকল অবস্থায় তাদের সাথে দেখা না করলে হয়তো আত্মীয়তার সম্পর্কই ছিন্ন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে ঘরে নামাযের সময় যেভাবে সতর ঢাকি সেভাবে কাপড় পরা অবস্থায় তাদের সাথে দেখা করা জায়েয কি না জানালে কৃতজ্ঞ হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
২০৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক মেযের সাথে আমার গোপনে পরিচয় হয়। স্থায়ী সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে আমার কয়েকজন বন্ধুবান্ধবসহ একটি রেস্টুরেন্টে একত্রিত হই। আমার এক বন্ধু কাজী অফিসের পিয়ন হিসেবে একজনকে নিয়ে আসে। সে কাজী অফিস থেকে বিবাহ রেজিস্ট্রি করার কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে আসে। এছাড়াও সরকারি দলিল-স্ট্যাম্পে একটি বিবাহ হলফনামা নিয়ে আসে। সেখানে আমরা উভয়ে স্বেচ্ছায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার নিমিত্তে স্বাক্ষর করি এবং নিকাহনামা রেজিস্টারেও উভয়ে স্বাক্ষর করি। সেখানে চারজন পুরুষও উপস্থিত ছিল। এছাড়া বিবাহ পড়ানোর উপযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা কাজী অফিসের কেউ উপস্থিত ছিল না। উক্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১,০০,০০১ টাকা দেনমোহরের শর্তে আমরা বিবাহ সম্পন্ন করি। কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা কেউই ইজাব-কবুল বলিনি। পিয়ন আমাদের বললেন, আপনারা দুজন স্বামী স্ত্রী। এরপর আমরা যার যার মতো চলে আসি।

বিয়ের ২-৩ মাসের পর থেকে আমাদের মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। ৩-৪ মাস পর এক পুরুষ শিক্ষক নিয়ে পর্দার ব্যাপারে আমার সাথে ওর ঝগড়া হয়। আমি রাগ করে একপর্যায়ে বলেছিলাম, তুমি যদি কালকে, পরশু এবং এর পরের দিন তার কাছে পড় তাহলে তুমি যথাক্রমে এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক। পরে জানতে পারি, সে তিন দিনই পড়েছিল। এখন প্রশ্ন হল, ক) আমাদের বিবাহ কি সঠিক হয়েছিল? খ) আমাদের মধ্যে তালাক হয়েছিল কি? গ) এখন আমি পারিবারিকভাবে ওকে ঘরে তুলতে বা বিয়ে করতে চাই। এজন্য আমার কী করা উচিত বা আদৌ কি তা সম্ভব?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
১৮২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কোনো মহিলার জন্য তার দেবর বা ভাসুর কিংবা তার স্বামীর ভগ্নিপতি এবং অন্যান্য গাইরে মাহরাম আত্মীয়স্বজন যেমন স্বামীর মামা, খালু, ফুফা ইত্যাদি এদের সাথে পর্দার অন্তরালে থেকে বা ফোনের মাধ্যমে কথাবার্তা বলা কিংবা খোঁজখবর নেওয়া জায়েয হবে কি?

বা ঐ সকল লোকেরা ঐ মহিলার সাথে কথাবার্তা বলতে গেলে জায়েয হবে কি না? এমনিভাবে স্বামীর জন্য তার স্ত্রীর ঐ সকল আত্মীয়স্বজন যাদের সাথে পর্দা করা ফরয তাদের সাথে পর্দা করে বা ফোনের মাধ্যমে কথাবার্তা বলা বা খোঁজ-খবর নেওয়া জায়েয হবে কি? বা ঐ সকল মহিলারা ঐ পুরুষের সাথে কথা বলতে চাইলে তা জায়েয হবে কি?

 

 

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
১৭৫৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনৈক ব্যক্তি সার্বিকভাবে দ্বীনদার ও সম্ভ্রান্ত। পরিবারের সবাই দ্বীন-ধর্ম বিশেষত পর্দা-পুশিদার ব্যাপারে খুবই সচেতন। বর্তমানে উক্ত ব্যক্তির স্ত্রীর উপর হজ্ব ফরয হয়েছে। হজ্বে যেতে হলে আইডি কার্ড ও পাসপোর্ট করতে হবে। এগুলোতে ছবি অত্যাবশ্যকীয়। ছবি যদিও কোনো মহিলার মাধ্যমে তোলা সম্ভব হবে কিন্তু পাসপোর্টের ছবি অনেক পরপুরুষের নজরে পড়বে। বিশেষ করে জেদ্দায় পাসপোর্টের ছবি দেখিয়ে তার বাহককে তালাশ করা হয়। মুফতী ছাহেবের খেদমতে আরজ এই যে, এসব বিবেচনায় উক্ত ব্যক্তির স্ত্রীর জন্য নিজে হজ্বে না গিয়ে বদলি হজ্ব করানোর সুযোগ আছে কি?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
৯৫৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন সাবালক, হাফেজে কুরআন। গত রমযান মাসে আমার বোনের বাড়িতে বোনের উপস্থিতিতে মহিলাদেরকে নিয়ে আমি তারাবির নামায পড়াই। আমি দাঁড়াতাম বাহিরে। মহিলারা থাকত পর্দার ভেতরে। উল্লেখ্য যে, বোনের বাড়িতে জামাতের আয়োজন থাকায় এমন কিছু মহিলা তারাবীর নামাযে অংশগ্রহণ করেছে যারা একাকী ফরয নামাযও পড়ে না। অন্যান্য ক্ষেত্রে পর্দার বিষয়ে যেভাবেই থাকুক না কেন নামাযে আসা-যাওয়ার সময় মহিলারা যথাসাধ্য পর্দার প্রতি গুরুত্বারোপ করত। এভাবে দূর দূরান্ত থেকেও কিছু মহিলা জামাতে হাজির হত। পরবর্তীতে এলাকার আলেমদের মাঝে এ নিয়ে মতানৈক্য শুরু হয়। কেউ বলেন, মহিলাদের জন্য জামাতের আয়োজন করা মাকরূহ। কেউ বলেন, মাকরূহ নয়; জায়েয। আমার জানার বিষয় হল, উক্ত বিষয়ে শরীয়তের সঠিক সমাধান কী? দলীল-প্রমাণসহ জানালে চিরকৃতজ্ঞ হব।
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০