আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৫৭৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

পাঁচ বছর আগে আমি একটি ব্যবসা শুরু করেছিলাম। তখন একজনের কাছ থেকে দুই লক্ষ টাকা এ চুক্তিতে নেই যে, সে পাঁচ বছর ব্যবসায় শরীক থাকবে। এ সময় প্রতি বছর তাকে লভ্যাংশের ২৫% দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পর তাকে তার সব টাকা বুঝিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে। সে তখন আর ব্যবসায় কোনো অংশীদার থাকবে না। কিন্তু এখন ব্যবসার লাভ ও মুনাফা দেখে সে তার টাকা নিয়ে চলে যেতে নারাজ। এক্ষেত্রে সে এক ব্যক্তির সাথে কথা বলেছে যে, তিনি বলেছেন, এ ধরনের শর্তারোপ করা শরীয়তসম্মত হয়নি। যৌথ ব্যবসায় এভাবে তার অংশীদারিত্ব বাতিল করা ঠিক হবে না। জানার বিষয় হল, তার এ কথাটি কি ঠিক? এখন আমার করণীয় কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৫৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি পৈত্রিকসূত্রে বাজারে একটি দোকান পেয়েছি। ব্যবসা করার মত বর্তমানে আমার কাছে তেমন কোন পুঁজি নেই। আমার এক বন্ধু কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে। এতদিন সে অন্যের অধীনে বাইরে কাজ করত। এখন স্বতন্ত্রভাবে একটা দোকান নিতে চাচ্ছে। সে আমাকে প্রস্তাব দিয়েছে যে, সে তার সকল সাজ-সরঞ্জাম নিয়ে আমার দোকানে কাজ শুরু করবে। দোকানের প্রয়োজনীয় ডেকোরেশনও সে নিজ খরচে করবে। আমাকেও তার সাথে কাজে নিবে এবং প্রয়োজনীয় কাজ শিখিয়ে নিবে। মাসে যা উপার্জন হবে খরচ বাদ দিয়ে তা দুজনের মাঝে অর্ধা অর্ধি বণ্টন করা হবে।

প্রশ্ন হল, এভাবে চুক্তি করা কি জায়েয?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৫৭৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন পূর্বে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছি। কিন্তু টাকার সল্পতার কারণে গেট বানাতে পারছিলাম না। তখন আমার এক বন্ধুর সাথে এভাবে চুক্তি হয় যে, সে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে গেট বানিয়ে আমার কাছে তা ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করবে। আর আমি তা ৫ মাসের মধ্যে পরিশোধ করে দিব। সে মর্মে আমরা একটি ওয়ার্কশপে গিয়ে গেটের সাইজ, স্টীল ও লোহার মান ইত্যাদি বিবরণ স্পষ্ট করে অর্ডার দেই। তারপর আমার বন্ধু দোকানদারকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে নিজের নামে দোকানের মেমো লিখিয়ে গেট বানানোর পর আমাকে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলে আসে। নির্দিষ্ট সময়ে গেট তৈরি হওয়ার পর আমি তা নিয়ে এসে বাসায় ফিট করি। এখন জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত চুক্তিটি বৈধ হয়েছে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮৬৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন অটো চালক। গ্রামে ভাড়ায় অটো চালাই। ভাড়া বাবদ মালিককে ৩০০ টাকা করে দৈনিক দিতে হয়। গরমের মৌসুমে আমাদের এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যায়। যার কারণে অটোতে ভালভাবে চার্জ হয় না। তাই গ্রামের অটোচালকরা সকলে মিলে জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। এতে মালিকের ভাড়ার টাকা ও চার্জ-বিল পরিশোধের পর কামাই বলতে তেমন কিছু থাকে না।

তাই আমি আমার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, জেনারেটরের চার্জ-বিল বাদ দিয়ে সারাদিনের কামাইয়ের যা অবশিষ্ট থাকবে তা আমরা সমান দুই ভাগে বণ্টন করে নিব। আমার প্রতি মালিকের আস্থা থাকায় তিনি এতে সম্মত হয়েছেন।

হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি উক্ত পদ্ধতিটি কি বৈধ হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯০২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের ওয়ালটনের শো-রুম আছে। আমরা বিভিন্ন মেয়াদে কিস্তিতে পণ্য বিক্রি করি। কিস্তির মেয়াদের হিসাবে পণ্যের দাম বিভিন্ন রকম হয়। যেমন : কেউ ৩ মাসের কিস্তিতে ফ্রিজ কিনলে মূল্য ৩০০০০ টাকা। আবার ঐ পণ্যটিই ১২ মাসের কিস্তিতে কিনলে এর দাম ৩২,৫০০ টাকা। আরেকটি নিয়ম হল, কেউ পণ্য কেনার সময় ৬ মাসের  কিস্তির চুক্তি করার পর মাঝে যদি কোনো কিস্তি ফেল করে, তাহলে আমরা তাকে ডেকে বাধ্য করি, যাতে সে এরচে’ বেশি সময়ের কিস্তি গ্রহণ করে। তখন সে বাধ্য হয়েই ১২ মাসের কিস্তি গ্রহণ করে, ফলে সে ৩০,০০০ টাকার স্থলে ৩২৫০০ টাকা পরিশোধ করে। অতীতে ২-৩ জনের সাথে এমনটি হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন আগে এক হুযুর বললেন, উক্ত পদ্ধতি নাজায়েয। এখন মাননীয় মুফতী সাহেবের নিকট আমার প্রশ্ন হল :

ক. এভাবে কিস্তির মেয়াদের কম-বেশির ভিত্তিতে একটি পণ্য ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করা বৈধ কি না?

খ. উল্লেখিত কিস্তি ফেইলের ক্ষেত্রে আমাদের বাস্তবায়িত পদ্ধতিটি শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ কি না?

গ. যদি বৈধ না হয়, তাহলে উক্ত পদ্ধতিতে আমরা যেই দুই-তিনজন থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছি, তার কী হুকুম?

বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব। আল্লাহ তাআলা আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুনÑ আমীন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৮৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক আত্মীয়ের একটি রাইসমিল আছে। তাতে নতুন কিছু মেশিনারিজ কেনার জন্য ১,৩০,০০০/- টাকার প্রয়োজন। সে আমার সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছে যে, আমি তাকে ঐ টাকা দিলে সে প্রতি মাসে আমাকে ১৭০০/- টাকা লাভ দিবে। এর পর বাকি লাভ যা থাকবে ছয়মাস পর পর হিসাব করে বণ্টন হবে। তখন লাভের পরিমাণ দেখে ইনসাফের ভিত্তিতে শতকরা হারে একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে বাকি লাভ নেওয়া হবে।

একজন বললেন, এভাবে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আকারে লাভ নেওয়া হলে বাকি বিনিয়োগটি জায়েয হবে না। কিন্তু আমার আত্মীয়ের কথা হল প্রতি মাসে একটি অংক নিলেও ৬ মাস পর বাকি লাভ যেহেতু শতকরা হারে বণ্টিত হচ্ছে তাই কোনো সমস্যা নেই।

মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উপরে বর্ণিত নিয়মে কি আমি  বিনিয়োগটি করতে পারব?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৫৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের দুই ভাইয়ের একটি আমবাগান আছে। আমি ঢাকায় থাকি বিধায় সেটি দেখাশোনা করা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই আমি আমার ভাইয়ের সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছি যে, সে এটি দেখাশোনা করবে। যা খরচ হবে তা আমাদের সম্মিলিত বলে গণ্য হবে। আর মোট লাভ থেকে তাকে নিচের দুই পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে লাভ দেওয়া হবে।

১. ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত লাভ থেকে ২০% তাকে দিয়ে বাকিটা আমরা দুই ভাগে ভাগ করে নেব।

২. সারা বছরের জন্য তাকে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হবে। ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ থেকে তার পারিশ্রমিক প্রথমে প্রদান করা হবে। এরপর খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা দু’জন ভাগ করে নেব।

শরীয়তের দৃষ্টিতে উভয় পদ্ধতির বিধান কী? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯৮৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ছ’মাস আগে আমি একজন কৃষক থেকে ৬০০/- টাকা দরে ১০ মণ ইরি ধান ক্রয় করি। চুক্তিটি এমন ছিল, আমি তাকে নগদ ৬০০০/- টাকা দিবো। ছ’মাস পর সে দশ মণ ধান দিবে। কিন্তু এখন ধান দেওয়ার সময় সে আমাকে আট মণ ধান দিয়ে বাকি দু’মণের টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছে। এবং বলছে, এবার ধান কম হয়েছে। আমি তাকে বললাম, দু’মণ ধান কম এ শর্তে নিতে পারি, যদি সে বাকি  ধানগুলো সেদ্ধ করে শুকিয়ে দেয়। এবং এর বিনিময় হিসেবে বাকি দু’মণের টাকা সে রেখে দিবে। আমাকে ফেরত দিতে হবে না। সে এতে সম্মত হয়।

প্রশ্ন হল, ধান সেদ্ধ করে দেওয়ার এই চুক্তিটা বৈধ হয়েছে কি? হুযুরের কাছে জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০