আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একটি পুকুরে কয়েকজন অংশীদার। সবাই অংশ হিসেবে এতে খরচ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলো। কিন্তু বর্তমান পরস্পর সম্পর্কের অবনতির কারণে কিছু অংশীদার এতে মাছ চাষ করতে সম্মত নয়। আর কয়েকজন এতে মাছ চাষ করে। আর যারা মাছ চাষ করতে সম্মত নয় তাদেরকে মাছের অংশ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা উক্ত মাছ গ্রহণ করে না। ফিরিয়ে দেয়। তারা ফেরৎ দেওয়া মাছ এলাকার গরীব-মিসকীনকে দিয়ে দেয়।

জানার বিষয় হল, শরীকি পুকুরে এভাবে মাছ চাষ করা এবং ফেরৎ দেওয়া মাছ গরীব-মিসকীনকে দেওয়া জায়েয আছে কি না? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯০৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কোনো মসজিদ কমিটির নিকট মসজিদের কিছু টাকা আছে। এখন কমিটির লোকজন চাচ্ছে, সেগুলো কোনো কাজে খাটিয়ে মুনাফা অর্জন করতে। তাই তারা একটি দোকান/ঘর এভাবে বন্ধক নিল যে, এক লক্ষ টাকা দোকান মালিককে দিয়ে তার থেকে দোকান বুঝে নিবে। অতপর সে দোকানটিকে দোকানের মালিক বা অন্য কারো নিকট ভাড়া দিয়ে দোকানের মাসিক ভাড়া মসজিদের ক্যাশে রাখবে। অতপর যখন মালিক এক লক্ষ টাকা দিয়ে দিবে তখন কমিটি তার দোকান তাকে বুঝিয়ে দিবে।

এখন প্রশ্ন হল, ১. মসজিদের টাকা মুনাফার আশায় খাটানো অথবা কাউকেও ঋণ দেওয়া যাবে কি না?

২. উপরোক্ত সুরতকে বন্ধক বলা যাবে কি না?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৯৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

অনেক সময় দেখা যায়, যে সমস্ত দোকানে পণ্যের মূল্য ফিক্সড নয় সে সকল দোকানে ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে পণ্যের দাম নিয়ে দরকষাকষি হয়। পণ্যের দাম মনপুত হলে ক্রেতা পণ্য ক্রয় করে। মনপুত না হলে দোকান থেকে চলে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, ক্রেতা যখন দোকান থেকে বের হয়ে কিছু দূর চলে আসে তখন বিক্রেতা ক্রেতাকে পণ্য নেওয়ার জন্য ডাকতে থাকে। ক্রেতা ফিরে না আসলে তাকে তিরস্কারমূলক কথাও বলে থাকে। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে, বিক্রেতা অনেক সময় ধরে ক্রেতাকে পণ্য দেখানোর পর ক্রেতার পছন্দ না হলে সে যখন দোকান থেকে চলে আসে তখন তাকেও তিরস্কারমূলক কথা বলা হয়। এখন আমার জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ক্রেতা ঐ পণ্যটি ক্রয় করতে বাধ্য কি না এবং উভয়ক্ষেত্রে সে ভর্ৎসনার যোগ্য হবে কি না। জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৯৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার এক আত্মীয় মারা যায়। ইন্তেকালের একমাস আগ থেকে তিনি ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় তার ছেলেদের উপর অসন্তুষ্ট ছিলেন। মারা যাওয়ার সপ্তাহখানেক আগে তার শহরের জমিটি জনৈক ব্যক্তির নিকট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেন। এজন্য তিনি বায়না দেন এবং আংশিক মূল্যও গ্রহণ করেন। তবে এখনো সাব কবলা রেজিস্ট্রি হয়নি। ওয়ারিশগণ তার ইন্তেকালের পর বিষয়টি জানতে পেরে মনক্ষুণ্ণ হয় এবং তারা এ বিক্রয় কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এখন তারা ঐ বিক্রয় বাতিল করতে পারবে কি না? এক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কী? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯৪৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হুযুর! আমার একটি টেইলার্স আছে। এবং দর্জি হিসেবে মানুষের মাঝে আমার বেশ সুনাম-সুখ্যাতি রয়েছে। তাই মানুষ জামা-কাপড় বানানোর জন্য আমার টেইলার্সে ভীড় করে। ইদানিং আমার আশপাশে নতুন কিছু টেইলার্স হয়েছে। সেগুলোতে জামার মজুুরি কম হওয়া সত্ত্বেও মানুষ শখ করে আমার টেইলার্সে অর্ডার দেয়। ঈদের সময় আমার টেইলার্সে অনেক চাপ পড়ে যায়। প্রচুর পরিমাণে অর্ডার থাকে। কিন্তু আমি কাজ করে শেষ করতে পারি না। তাই কিছু কিছু অর্ডার কাস্টমারদের অগোচরে অন্য দর্জিদেরকে কিছু কম মজুরিতে দিয়ে দেই। যেমন, আমি কাস্টমার থেকে ৫০০ টাকা নিলে তাদেরকে দেই ৪০০ টাকা। এক্ষেত্রে কোনো কোনো অর্ডারের কাপড় আমি নিজে কেটে তাদেরকে শুধু সেলাই করতে দেই। আবার কোনো কোনো অর্ডার পুরোটাই তাদের হাতে সোপর্দ করি। তারা অপরিপক্ক হওয়ায় বাহ্যতই সে জামাগুলো একটু নি¤œমানের হয়। যা কাস্টমার সাধারণত ধরতে পারে না।

জানার বিষয় হল, আমার জন্য এমনটি করা কি জায়েয? অন্যথায় এ পরিস্থিতিতে আমি কী করতে পারি? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৭৯৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ছেলের অপারেশনের জন্য চার লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তাই আমি এক ব্যক্তির নিকট চার লক্ষ টাকার পরিবর্তে আমার একটি জমি বিক্রি করেছি। সে  পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেছে। তার সাথে কথা হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করলে তাকে জমির রেজিস্ট্রি দিয়ে দিব। সে এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা দেয়নি। এদিকে একদিন পর আমার ছেলের অপারেশনের তারিখ। তাকে বাকি টাকা পরিশোধ করতে বললে  সে বলে, জমির প্রকৃত মূল্য তিন লক্ষ টাকা। চার লক্ষ টাকা দিয়ে আমি জমি নিব না। ইচ্ছা হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়ে জমি বিক্রি করতে পারেন। তখন আমি আরেকজনের নিকট নগদ চার লক্ষ টাকায় জমিটি বিক্রি করে জমির রেজিস্ট্রি দিয়ে দিয়েছি। প্রথম ক্রেতাকে তার টাকা দেওয়ার জন্য গেলে সে আমার সাথে অত্যন্তরাগারাগি করে। তার কথা, আমাকে না জানিয়ে অন্যের কাছে কেন জমি বিক্রি করেছেন? আমার কাছে বিক্রি করার পর অন্য কারো কাছে বিক্রি করা ঠিক হয়নি ইত্যাদি।

তাই হুযুরের কাছে জানতে চাই, উক্ত অবস্থায় অন্য ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রি করা কি সহীহ হয়েছে? জানালে উপকৃত হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০