আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৬৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে চাই।

ক) খুতবার জন্য একটি মিম্বর এবং বয়ানের জন্য আরেকটি মিম্বর এভাবে দুটি মিম্বর স্থায়ীভাবে স্থাপন করার শরয়ী হুকুম কী? এটা সুন্নাহসম্মত কি না? আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তির পরামর্শে বড় একটি মসজিদে এভাবে দুটি মিম্বর স্থাপন করা হয়েছে। যদি দুটি মিম্বর বানানো ঠিক না হয় তাহলে সাধারণ সময়ের বয়ানের জন্য চেয়ার ব্যবহার করার হুকুম কী?

খ) মসজিদে খুতবার মিম্বর তিন সিঁড়ির চেয়ে বেশি করার কী হুকুম?

গ) জুমআর দিন খুতবার পূর্বে যে বয়ান হয় তার ক্ষেত্রে

إذا دخل أحدكم والإمام على المنبر فلا صلاة ولا كلام .

হাদীসটি প্রযোজ্য হবে কি না? জনৈক আলেম বলেছেন প্রযোজ্য হবে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৮৮৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

মসজিদের দেয়ালে অনেক সময় নিচের বাক্যগুলো হাদীস হিসেবে লেখা থাকে-

ক) যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যাবে। 

খ) যে ব্যক্তি যোহরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার রুজির বরকত কমে যাবে। 

গ) যে ব্যক্তি আসরের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার শরীরের শক্তি কমে যাবে।

ঘ) যে ব্যক্তি মাগরিবের নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার সন্তানাদি তার উপকারে আসবে না।

ঙ) যে ব্যক্তি ইশার নামায পড়বে না বা ছেড়ে দিবে তার নিদ্রার পরিতৃপ্তি নষ্ট হয়ে যাবে। (বাবুস সালাত, মেশকাত আলমাসাবীহ)

এ ধরনের উদ্ধৃতিসহ বা উদ্ধৃতি ছাড়াও দেয়ালে লেখা হয়ে থাকে। জানার বিষয় হল, বাক্যগুলো হাদীস কি না? হাদীস হলে এর মান কী? হাদীস না হলে কথাগুলো অন্যকোনোভাবে প্রমাণিত কি না? বা এর অর্থ ও বিষয়বস্তু সঠিক কি না, আর তা বর্ণনাযোগ্য কী না? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৩২২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে নামাযের ইমামতি করি। কিছুদিন আগে একটি ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত সাময়িকীতে দেখলাম ‘সুন্নাহসম্মত নামায’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন এক নিবন্ধকার। সেখানে বলা হয়েছে, নামাযের শেষে যে সালাম ফেরানো হয় তার একটি সুন্নত হল, সালামের শব্দগুলো ‘মদ’ না করে (দীর্ঘক্ষণ না টেনে) সংক্ষেপে স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করা। সালাম বিষয়ে এ কথাটি এর আগে কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। তাই আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, এ নিবন্ধে যা লেখা হয়েছে তা কি ঠিক? নামাযের শেষে সালামের শব্দ উচ্চারণের সুন্নাহসম্মত তরীকা কি এটাই? জানালে অনেক উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০