আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২১৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার পিতার উপর হজ্ব ফরয ছিল। তিনি হজ্ব না করেই মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি হজ্ব করার অসিয়ত করে যাননি। তার মৃত্যুর পর আমরা তার সম্পদ ভাগ করে নিয়েছি। আমার পিতা যেহেতু হজ্ব করেননি তাই আমি তার পক্ষ থেকে বদিল হজ্ব করার জন্য টাকা জমা করতে থাকি। চাকরির টাকা ও কিছু জমি বিক্রি করে হজ্ব করার মতো টাকা জমা করেছি। ইতিপূর্বে আমার উপর হজ্ব ফরয ছিল না। একজন আলেম বলেছেন, এই সম্পদ জমা করার কারণে তোমার উপর হজ্ব ফরয হয়ে গেছে। তুমি নিজের হজ আদায় করে নাও। তোমার পিতার বদলি হজ্ব করা তোমার উপর জরুরি নয়। এখন আমি আমার নিজের হজ্ব আদায় করব নাকি পিতার বদলি হজ্ব আদায় করব? দয়া করে জানাবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৪১০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার জন্ম সাল ২৭-১১-১৯৯১। সেই হিসেবে আমার বর্তমান বয়স ২৪ বছর ২ মাস। ১৩ বছর বয়সে আমি বালেগা হয়েছি। (অর্থাৎ ২০০৪-এ) ২২ বছর বয়স অর্থাৎ ২০১৩ সাল থেকে আমি নিয়মিত নামায, রোযা, বোরকা পরা শুরু করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে কত বছরের নামায, রোযা কাযা করতে হবে। কেউ কেউ বলে, বালেগা হওয়ার সময় থেকে কাযার হিসাব শুরু হবে। আবার কেউ কেউ বলে, বালেগা হওয়ার পূর্বেই অনেকে নারী পুরুষের পার্থক্য বুঝতে পারে। এজন্যেই অনেকে ৯ বছর থেকে কাযার হিসাব করতে বলেন। এখন আমি সর্বমোট কয় ওয়াক্ত নামায ও কতগুলো রোযা কাযা আদায় করব? নামায রোযা ব্যতীত অন্য কোনো ইবাদাত আছে কি যা আমাকে এখন কাযা করতে হবে? কাযা নামাযের নিয়ত ও কাযা রোযার নিয়ত কিভাবে করতে হবে?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় কিছু লোক নিম্নোক্ত হাদীসটির ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। তাই জনাবের সমীপে আকুল আবেদন যে, নিম্নোক্ত হাদীসটি তাহকীক করে তা আমলযোগ্য কি না তা জানানোর জন্য সুমর্জি কামনা করছি। হাদীসটি হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী রা.কে বলেছেন, হে আলী! প্রত্যেক রাতে পাঁচ কাজ করে ঘুমাও। যথা : ১. চার হাজার দিনার সদকা করে ঘুমাও ২. এক খতম কুরআন পড়ে ঘুমাও ৩. জান্নাতের মূল্য আদায় করে ঘুমাও। ৪. দুজনের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে ঘুমাও ও ৫. একটি হজ্ব আদায় করে ঘুমাও। আলী রা. বললেন, এটা তো অসম্ভব। কীভাবে আমি তা আদায় করব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, চার বার সূরা ফাতিহা পড়ে ঘুমাও তাহলে চার হাজার দিনার সদকার সওয়াব পাবে। তিন মর্তবা সূরা ইখলাস পড়ে ঘুমাও তাহলে একবার কুরআন খতম করার সওয়াব পাবে। তিন বার দুরূদ পড়ে ঘুমাও তাহলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়ে যাবে। দশবার ইস্তেগফার পড়ে ঘুমাও তাহলে দুজনের বিবাদ মিটানোর সওয়াব পাবে। চারবার কালিমায়ে তামজীদ পড়ে ঘুমাও তাহলে একটি হজ্বের সওয়াব পাবে। হযরত আলী রা. বলেন, আমি প্রত্যহ রাতে এ আমল করে ঘুমাব।

 

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬৪৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের পুরাতন মসজিদটি ভেঙে এখন কয়েক তলাবিশিষ্ট নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম তলার কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। এখন ছাদ ঢালাইয়ের অপেক্ষায়। কিন্তু এর মধ্যেই একটা বিষয় নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে কিছুটা মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। তা হল, মুসল্লিদের বড় একটা অংশ বলছে যে, আমরা আলেমদের মুখে শুনেছি, প্রত্যেক তলার ছাদে খানিকটা ফাঁকা রাখতে হয় নিচ তলার সাথে সংযোগ থাকার জন্য। অপর অংশের বক্তব্য হল, ছাদে এভাবে ফাঁকা রাখলে মসজিদের সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। কাজেই ছাদে ফাঁকা রাখা যাবে না।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমাদের জিজ্ঞাসা হল, এক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা কী? প্রত্যেক তলার ছাদের একাংশ ফাঁকা রাখা কি জরুরি? দয়া করে দ্রুত জানালে কৃতার্থ হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম, আমি সৌদি আরবের পবিত্র মাদীনাতে থাকি। একটি দোকানে কাজ করতাম। গত কয়েক বছর আগে হজে¦র মৌসুমে একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পাই। তাতে কিছু সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশী টাকা ছিল। অনেক দিন সেগুলো আমার কাছে অক্ষত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আমার অত্যন্ত প্রয়োজনের কারণে সেগুলো খরচ করে ফেলি।

এখন আমি অপরের এই হক থেকে কীভাবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি? আশা করছি সম্মানিত মুফতিয়ানে কেরাম সুচিন্তিত উত্তর প্রদান করে চিরকৃতজ্ঞ করবেন।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, উক্ত মানিব্যাগে তার মালিকের সাথে যোগাযোগ করার কোনো মাধ্যম (মোবাইল নম্বর, ইমেইল, ঠিকানা) পাওয়া যায়নি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১২২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমাদের সুযোগ হয়েছিল দশ দিনের জন্য তাবলীগের সফরে বের হওয়ার। আমাদের রোখ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় ছিল। সেখানে গিয়ে আমরা একাকী নামায পড়লে কসর করতাম এবং নামাযের আগে-পরের সুন্নাতগুলোও গুরুত্বের সাথে আদায় করছিলাম। আমাদের জামাতের এক সাথী ফরয নামায কসর পড়লেও নামাযের আগে-পরের সুন্নাতগুলো পড়তেন না এবং অন্যদেরকেও পড়তে নিষেধ করতেন। বলতেন যে, সফরে সুন্নাত পড়তে হয় না। আমরা যারা আগে থেকেই এই ধরনের সফরে সুন্নাত পড়ে আসছি তার এই কথা শুনে বেশ সংশয়ে পড়ে যাই এবং আমাদের অনেক সাথীই সুন্নাত পড়া বন্ধ করে দেয়।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমি বিষয়টির সঠিক সমাধান জানতে চাচ্ছি যে, সফরে নামাযের আগে-পরের সুন্নাত আদায়ের বিধান কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০