আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১৫৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক ব্যক্তি ১০ যিলহজ্ব সকালে মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়ার সময় পায়ে আঘাত পায়। এক জায়গায় হোঁচট খেয়ে পা মচকে যায়। যার কারণে ঐ দিন মিনায় গিয়ে কংকর মারা তার জন্য সম্ভব ছিল না। তাই সে ঐ দিন তার এক সঙ্গীকে দিয়ে রমি করায়। সেদিন ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পরের দিন এগারো তারিখ বিকেলে সে অনেকটা সুস্থ হয়ে যায় এবং ঐ দিনের রমি রাতের বেলা সে নিজেই গিয়ে আদায় করে।

প্রশ্ন হল, প্রথম দিন সে যে আরেকজনকে দিয়ে রমি করিয়েছে তা কি সহীহ হয়েছে? আর পরের দিন তো সে সুস্থ হয়ে গেছে। তাহলে কি ঐ দিনের রমি পরের দিন তাকে আবার করে নিতে হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৫৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আলহামদুলিল্লাহ, এ বছর আমি হজ্ব করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। কিন্তু অনাকাংক্ষিতভাবে তাওয়াফে যিয়ারাতের সময় হায়েয এসে যায়। বুঝতে না পারার কারণে ঐ অবস্থাতেই আমি পূর্ণ তাওয়াফ সম্পন্ন করি। অবশ্য পরবর্তীতে ১৫ যিলহজ্ব পবিত্র হওয়ার পর তা পুনরায় আদায় করি।

হুযুরের নিকট আবেদন এই যে, এক্ষেত্রে আমার উপর কোনো জরিমানা ওয়াজিব হয়েছে কি না? মক্কায় আমাদের কাফেলার একজনকে জিজ্ঞাসা করার পর তিনি বলেছিলেন, একটি দুম্বা জবাই করলেই চলবে। তার কথামতো হারামে একটি দুম্বা জবাই করেছি। কিন্তু দেশে ফিরে আসার পর আরেকজন বললেন, একটি উট জবাই করা ওয়াজিব ছিল। সঠিক সমাধান ও এখন আমার করণীয় কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আল্লাহ তাআলার রহমতে গত বছর হজ্বে গিয়েছিলাম। আগামীতেও যাওয়ার ইচ্ছা আছে। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা।  তো হজ্বে গিয়ে দেখলাম, অনেক মানুষ তাওয়াফের সময় জোরে জোরে বিভিন্ন দুআ-দরূদ পড়ে। এতে অন্যের তাওয়াফে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। একবার তো তাওয়াফের সংখ্যাই ভুলে গিয়েছিলাম। পাশে এক আলেমের কাছ থেকে মাসআলা জেনে নিয়ে আমল করেছি। এ সময় আরো কিছু লোককে দেখলাম সারি বেঁধে তাওয়াফ করছে। তাদের মধ্যে একজন ছোট মাইকে দুআ পড়ছে আর অন্যরা তার অনুসরণ করেছে।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল, তাওয়াফের সময় এভাবে উচ্চস্বরে দুআ-দরূদ পড়ার বিধান কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯২২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এ বছর হজে¦র সময় ফরজ তাওয়াফের পূর্বে আমার পা অনেকটা কেটে যায়। ফরজ তাওয়াফ করার সময় ক্ষত স্থান থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ে। তখন তাওয়াফ ছেড়ে দিয়ে ক্ষত স্থান ভালোভাবে ব্যান্ডেজ করে নতুন করে অযু করে তাওয়াফ করি। তাওয়াফের পর মীনায় চলে যাই। মীনায় যাওয়ার পর দেখি জামার পেছনে প্রায় এক বিঘত পরিমাণ জায়গায় রক্ত লেগে আছে। জামায় রক্ত কোন্ সময় লেগেছে তা নিশ্চিতভাবে জানা নেই। তবে আমার প্রবল ধারণা হল, তাওয়াফের সময় যখন রক্ত গড়িয়ে পড়েছিল তখন লেগেছে অথবা ব্যান্ডেজ করার সময় লেগেছে। কারণ ব্যান্ডেজ করার পর আর রক্ত বের হয়নি।

মুফতী সাহেবের কাছে প্রশ্ন হল, কাপড়ে রক্ত লেগে থাকলে ঐ কাপড় পরে তাওয়াফ করা সহীহ কি না? এবং ঐ কাপড় পরে তাওয়াফ করলে কোনো জরিমানা দিতে হবে কি না? আর উপরে বর্ণিত ঘটনায় আমার ঐ তাওয়াফ সহীহ হয়েছে কি না? এবং আমার উপর কোনো জরিমানা ওয়াজিব হয়েছে কি না? দ্রুত উত্তর জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩০৬৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনাব ইসহাক সাহেব এ বছর পবিত্র হজ্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে মক্কা মুকাররমায় গমন করেন। তিনি আল্লাহর মেহেরবানিতে হজ্বের সকল কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেন। কিন্তু সর্বশেষ তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। যার দরুণ নির্দিষ্ট সময়ে তার পক্ষে তাওয়াফ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে তিনি সৌদিতে এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। কয়েক দিন পর তার দেশে ফিরতি ফ্লাইট। কিন্তু তিনি এখনও পূর্ণ সুস্থ হননি। তাকে তাওয়াফে যিয়ারত করতে হবে কি? তাওয়াফ না করে দম দেওয়া কি যথেষ্ট? বিলম্বের কারণে তার উপর দম ওয়াজিব হবে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০