আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৭৪৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

ক) বর্তমান বাজারগুলোতে যেসব পারফিউম বা বডি স্প্রে পাওয়া যায় এগুলো ব্যবহার করা ঠিক হবে কি? এবং এগুলো ব্যবহার করে নামায পড়লে নামায সহীহ হবে কি না?


খ) এক লোক জনসম্মুখে তার কিছু উন্মুক্ত জমি মসজিদের জন্য ওয়াকফ করেছে। সে বলেছিল, মসজিদের জন্য এই জমি ওয়াকফ করে দিলাম। আপনারা এতে নামায পড়তে পারেন। কিছুদিন পর ঐ লোক উক্ত জমি মাদরসার জন্য ওয়াকফ করার ইরাদা করেছে। এখন জানার বিষয় হল, মসজিদের জন্য ওয়াকফ করার পর পুনরায় তা মাদরাসার জন্য ওয়াকফ করা কি সহীহ হবে? উল্লেখ্য, মসজিদের জন্য ওয়াকফ করার পর তাতে মসজিদ নির্মাণ হয়নি এবং নামাযও আদায় করা হয়নি।


গ) এক লোকের নিকট পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কারণে খানা বা বস্ত্র দ্বারা কসমের কাফফারা আদায় করতে পারেনি। তাই রোযা রাখা শুরু করেছে। দুদিন রোযা রাখার পর তার হাতে বেশ টাকা আসে। এখন সে ১০ জন মিসকীনকে দু বেলা খাবার খাওয়াতে সক্ষম। এখন তৃতীয় রোযা রাখার দ্বারা লোকটির কাফফারা আদায় হয়ে যাবে নাকি নতুন করে ১০ জন মিসকীনকে খাবার খাওয়াতে হবে?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৭০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের সমাজে সাধারণত ধার্মিক পরিবারগুলোতে পিতা-মাতা তাদের সন্তানকে ৭/৮ বছর বয়স থেকেই নামাযের প্রতি উৎসাহ দিতে শুরু করেন এবং এ ব্যাপারে তাদেরকে খুব সচেতন বলেই মনে হয়। কিন্তু রমযানের রোযার ব্যাপারে কখনো কখনো এর বিপরীত চিত্র পরিলক্ষিত হয়। এমনকি কেউ কেউ তো সন্তানের বয়স ১১/১২ হওয়া সত্ত্বেও তাকে রোযা থেকে বিরত রাখেন। এ ব্যাপারে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন, সন্তানের এখনও রোযার বয়স হয়নি।

এখন মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হল, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালকের রোযার ক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা কী?

নামাযের ক্ষেত্রে যেমন বলা হয়েছে, সাত বছর বয়সে সন্তানকে নামাযের নির্দেশ দাও। আর দশ বছর বয়সে নামায ছেড়ে দিলে শাস্তি দাও। রোযার বিষয়টি কি এমন, নাকি পার্থক্য আছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০