আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৬৬৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

একদিন ফজরের সময় আমাদের মসজিদে ইমাম ছাহেব উপস্থিত না থাকায় আমাকে ইমামতি করতে দেওয়া হয়। উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে কোনো আলেম বা হাফেয না থাকায় বাধ্য হয়ে আমি ইমামতি করতে যাই। কুরআন মাজীদের শেষের কয়েকটি সূরা ছাড়া অন্য বড় কোনো সূরা আমার মুখস্থ নেই। আর আমি জানতাম, ফজর নামাযে কেরাত একটু লম্বা পড়া সুন্নত। তাই আমার মুখস্থ সূরাগুলো থেকে এক রাকাতে আমি ধারাবাহিকভাবে চার-পাঁচটি করে সূরা তিলাওয়াত করি। নামায শেষে কয়েকজন মুসল্লি এ নিয়ে আপত্তি করেন। তারা বলেন, এক রাকাতে একাধিক সূরা পড়তে কাউকে তো দেখিনি। তুমি এটি ঠিক করনি।

আমি জানতে চাই, ফরয নামাযে এভাবে এক রাকাতে একাধিক সূরা পড়ার হুকুম কী? এ কারণে কি নামাযের কোনো অসুবিধা হয়েছে?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৮৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

বিভিন্ন মসজিদে দেখা যায়, ইমাম সাহেব জুমার খুতবা দেওয়ার সময় মুসল্লিরা বসে বসে গল্প করে। আবার অনেককে দেখা যায়, যখন ইমাম সাহেব খুতবায়

إن اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا 

  আয়াতটি পড়েন তখন তারা উচ্চস্বরে দরূদ পাঠ করে। আর আমাদের মসজিদে ছোটকাল থেকেই লক্ষ্য করছি যে, ঈদের নামাযের খুতবায় ইমাম সাহেব যখন তাকবীরে তাশরীক বলেন তখন সকল মুসলিস্ন একসঙ্গে উচ্চস্বরে ইমাম সাহেবের সাথে সাথে তাকবীর বলতে থাকেন। তাই এ বিষয়গুলো সম্পর্কে শরীয়তের বিধান জানালে কৃতজ্ঞ হব। 


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৩৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার একটি বদঅভ্যাস আছে। আমি জানি তা বড় গুনাহের কাজ। কিন্তু ইচ্ছা-অনিচ্ছায় তা করে ফেলি। অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি, যেন তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি। বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রতিজ্ঞাই করেছি। একবার ঐ মন্দ কাজটি করার কারণে রাগে এ বলে প্রতিজ্ঞা করি যে, যদি সামনে কখনো এ কাজ করি তবে আমার উপর আল্লাহর গযব! আল্লাহর লানত!

আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে এ কথা নিয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন, এমন কথা বললে তা কসম হয়। তাই তোমাকে এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে নতুবা কাফফারা আবশ্যক হবে। কিন্তু আমি কিছুদিন পরই তা করে ফেলি। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি যে, আসলেই কি এ কাজ করার কারণে আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০