আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০৩৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার দশ ভরি স্বর্ণের গহনা আছে কিন্তু এগুলো শাশুড়ির হাতে আমি গহনা পরিনা।আমার কুরবানী ওয়াজিব হয়েছে ঠিক কিন্তু আমি একজন গৃহীনি কোন টাকা উপার্জন করি না।তাই আমার স্বামীকে বলেছি আমার কুরবানী দিয়ে দিতে কিন্তু সে রাজি হয় না তারপর বলেছি আমার গহনা গুলো দেন আমি বিক্রী করে কুরবানী দিব তাও রাজি হয় না আমার সাথে রাগারাগি করে।আমি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কুরবানী দিতে পরিনি স্বামীর জন্য এতে কি আমার পাপ হবে। আমার স্বামী জমির ব্যবসা করে ।জমি কিনলে সেই জমির যাকাত কিভাবে দিবে? কারণ জমি বিক্রি না করার পর্যন্ত তো জানা যায় না সেই জমি কত টাকা হবে।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২২ নভেম্বর, ২০২১
রুপগঞ্জ
১০৩৩৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
গতকাল রাতে এমনেই ইস্তেখারা দোয়া পরে ঘুমাই।কয়েকদিন যাবত অসুস্থ তাই।
স্বপ্নে দেখলাম আমার দাদির বোনের হাসবেন্ড অর্থাৎ আমার দাদা লাগে সম্পর্কে। উনি মারা গেছে আর উনার কুলখানির অনুষ্ঠান করা হচ্ছে।আমি বসে আছি।খাবার বিতরন করছি।
হঠাৎ কি হলো বাইরে গিয়ে দেখি কার জানি বাড়ি নির্মানের সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।মানে বিল্ডিং তৈরির জিনিস।
আমি দৌড়ে গেলাম একটা বাড়ির গেইট এ।বাড়িটি অপরিচিত। সেই বাসার গেইট এর পাথে অজস্র কুকুর লুকিয়ে আছে।আর রাস্তায় অনেক কুকুর।
এছাড়া একদল মানুষ রাস্তা দৌড়ে যাচ্ছে। তখন কেউ একজন বাসার সাথে ড্রেনে লুকিয়ে থাকা কুকুরদের ধরে বের করতে চায় কিন্তু তারা এতোটাই ক্ষিপ্ত হয়ে যায় চেচামেচি শুরু করে।
কিন্তু অদ্ভুত বিষয় আমি সেই গেইট এ দাঁড়ানো। কুকুর ভয় পাচ্ছিনা তেমন আর কুকুর গুলো এত্ত ক্ষিপ্ত হওয়া শর্তেও আমার কোন ক্ষতি করছে না।

আমি সারাদিন ভাবছি কি দেখলাম,কি ব্যাখ্যা। দয়া করে আমাকে এর ব্যাখ্যা দান করুন শায়েখ।
জাযাকাল্লাহ খাইরান
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২২ নভেম্বর, ২০২১
শমশেরনগর
১০৩১৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু,
আমার বাবা একজন চাল ব্যাবসায়ি। আমি চাকুরী করি। বাবার নিজের কোনো পুঁজি নেই তাই অন্যের টাকা দিয়ে ব্যাবসা করেন অর্থাৎ অন্যের টাকা আর বাবার শ্রম মিলে মাস শেষে যা লাভ লস হয় তা অর্ধেক করে ভাগ করে নেন। কিন্তু এইভাবে বাবা ব্যাবসা করতে গিয়ে প্রাই ২৪,০০,০০০ টাকা মূলধন ঘাটতি হয় কারণ বাবার মুনাফা থেকে সংসার খরচ বেশি। বাবা এখনো ব্যবসা করে যাচ্ছেন অন্যদের কাছ থেকে পুঁজি নিয়ে। ব্যবসায় যা মুনাফা হয় তাকে ঘাটতি পুঁজি এবং নতুন পুঁজি দিয়ে ভাগ করে প্রতি লাখে যা আসে তার অর্ধেক বাবা নেন বাকি অর্ধেক পুঁজি দেনে ওয়ালা দের কে দেন। পুঁজি ঘাটতি থাকার কারণে ব্যবসায় মুনাফা কম হচ্ছে তাই পুঁজি দেনে ওয়ালারা পুঁজি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চাপের কারণে এখন বাবা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে চাচ্ছে।

আমি আমার বেতন থেকে প্রতি মাসে বাবাকে 20000 টাকা দেই ঘাটতি পুঁজি পূরণ করার জন্য। আমার ফ্যামিলি বাবার সাথেই থাকে। আমি ঢাকায় থাকি। প্রতি সপ্তাহে একদিনের জন্য আসা-যাওয়া করি। আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি থেকে আমার ফ্যামিলি ঢাকায় নিয়ে যাব। তখনও আমি বাবাকে প্রতি মাসে 20000 টাকা দিব আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে। আমি চাচ্ছি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাবাকে দেওয়ার জন্য আর বাবাকে যে টাকা প্রতিমাসে দিব সেটা দিয়ে ব্যাংকের কিস্তি দিবো।

এই অবস্থায় বাবার এবং আমার ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া কি ইসলামী শরীয়া মোতাবেক ঠিক হবে?

আমি ব্যাংক থেকে ঋণ না নেয়ার জন্য চেষ্টা করছি কিন্তু কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২২ নভেম্বর, ২০২১
টাঙ্গাইল