আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৪৩৪২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
প্রিয় হুজুর আপনার কাছে থেকে আমি জানতে চাই আমরা জাল হাদীস কে কি ভাবে চিনবো। যেমন ধরেন আমার বন্ধু একটা হাদীস বললো এবং সে আরও বললো এটা হাদীসে আছে এবং এটা সহীহ হাদীস তো এখন আমি কি ভাবে বিশ্বাস করবো যে সেটা আসলে সহীহ হাদীস তাই যদি আপনে আমাকে জাল হাদীস চিনার জন্য কিছু তথ্য দিতেন অনেক উপকার হতো। কারন কোনটা জাল হাদীস আর কোনটা সহীহ হাদীস সেটা আমি বুঝতে বা চিনতে পারি না সে জন্য আপনে যদি কোন তথ্য বা কিছু বইয়ে ন বলতেন যে গুলো পড়লে জাল হাদীস চিনা যাও তো আমার জন্য অনেক ভালো হতো। আশা করি উত্তর টা পাবো
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২ মার্চ, ২০২২
গাবতলী
১৪৪১৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার আশেপাশের অনেক মানুষকে আল্লাহ অনেক ভাল ভাল নিয়ামত দান করেছেন।কিন্তু তাদের তুলনায় ধরতে গেলে আমাকে তিনি পর্যাপ্ত কিছুই দান করেন নি।না দিয়েছেন আমাকে সৌন্দর্য না দিয়েছেন কোনো গুণ। আমি অনেক পরিশ্রম করেও যা করতে পারি না, তারা তা আমার চেয়ে কম পরিশ্রম করেও আমার চেয়ে ভাল ফলাফল করে।সকলের চোখে আল্লাহ আমাকে গুনহীন ও করুণার পাত্রী করে রেখেছে। আমি তো তাদের চেয়ে বেশী আল্লাহর ইবাদত করি তারপরও আমার এমন দশা দেখে আমি প্রায়ই হতাশার সাগরে ডুবে যাই,তখন আমার মনে হয় তারা তো নামাজ রোজা না করেই আমার চেয়ে বেশী সাফল্য অর্জন করছে।তাইলে আমিও ছেড়ে দেই,এখন যেই খারাপ অবস্থায় রেখেছে এর চেয়ে আর খারাপ অবস্থা আর কি বা হতে পারে।এক্ষেত্রে আমার কী করা উচিত আপনিই বলুন?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম
২ মার্চ, ২০২২
হাটহাজারী
১৪৩২৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি একজন জেনারেল লাইনের শিক্ষার্থী। আগে নিজে অনেক গুনাহের কাজের সাথে লিপ্ত ছিলাম। নিয়মিত নামাজ পড়তাম না,ইসলামী নিয়ম কানুন পর্যাপ্ত পরিমানে পালন করতাম না। বেশ কিছুদিন থেকে নিজেকে শোধরানোর অনেক চেস্টা করছি। নিজে নামাজ পড়ার পাশাপাশি ঘরে (আমার আম্মা এনং আমার এক ছোট বোন) নামাজ পড়ার জন্য বলছি। বলে রাখি, আমার আম্মা নামাজ পড়েন নিয়মিত,পাশাপাশি টেলিভিশনে অনেক বিদেশি সিরিয়াল(স্টার জলসা,জি বাংলা) দেখেন। আমার বোন নামাজে নিয়মিত না। আমি তাদেরকে এগুলো ত্যাগ করতে বললে কিংবা নামাজের পাশাপাশি অন্যান্য ইবাদত পালন করতে বললে " নতুন নতুন হুজুর হয়ে গিয়েছিস", "দুই দিন নামাজ পড়ে এত কথা বলতেছিস" ইত্যাদি কথা শুনতে হয়। অনেক সময় আমার পূর্ববর্তী কৃতকর্মের(আগে নামাজ পড়তাম না, গুনাহ করতাম ইত্যাদি) কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক সময় এজাতীয় কথা শুনলে নিজের কাছে খুবই খারাপ লাগে।
এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২ মার্চ, ২০২২
Chattogram
১৪৩৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একজন প্রবাসী আমি যেখানে কাজ করি সেই জায়গায় অনেক সময়ে মিথ্যা কথা বলতে বাধ্যতামুলক ভাবে আরো অনেক রকম কাজের সমস্যা জামাতে নামাজ পড়ার টাইম পাওয়া যায়না একাই পড়তে হয় কিন্তু আমার মন ভরেনা এই নামাজে এখন কাজটা ছেড়ে দিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ কিন্তু এই জন্য আমার সাথে অনেকেই রাগে কাজ ছাড়ার জন্য এখন দেখলাম প্রবাসে কাজ করলে নামাজ জামাতের সহিত পড়া সম্ভব হবে নাহ সব সময় এর জন্যে দেশে চলে যাওয়ার উদ্দেশ্য করেছি এখন যদি এই কারণে আমার বাবা অথবা পরিবারের কেউ আমার সাথে রাগ করে তাহলে আমার গুনাহ হবে?
কারন আমার যাওয়ার কারনটা হচ্ছে যাতে ঠিক মতো নামাজ কালাম করতে এইখানে থাকলে তা কোন দিনই হবে নাহ। আর আগে এইখান থেকে কাজ করে বেতন নিয়েছি সেইটা হালাল হবে?
কস্ট করে প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিলে অনেক উপকার হতো
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
১ মার্চ, ২০২২
Kalnirchor West (Shommanpur)