ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ/ হিন্দু ছেলে বা মেয়ে কর্তৃক প্রতারণা মূলক কালিমা পাঠ
প্রশ্নঃ ১৬৪৬১৭. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কোনো হিন্দু ছেলে যদি কোনো মেয়ের সামনে কালেমায়ে শাহাদাত পড়ে সে কি মুসলমান হবে? তার সাথে বিবাহ জায়েজ?
১৩ আগস্ট, ২০২৬
Mymensingh
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় বোন! বর্তমানে মুসলিম মেয়েদের প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলা, প্রতারণা করা এবং বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে সামনে এসেছে। যা ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ নামে পরিচিত। প্রেমের নামে প্রতারণা, যৌন শোষণ, ব্ল্যাকমেইল, পাচার ও নারীদের বিভিন্নভাবে নিপীড়নের ঘটনা যে বাস্তব, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাই একজন মুসলিম নারীর জন্য এমন পরিস্থিতিতে আবেগের পরিবর্তে ঈমান, শরিয়ত ও সতর্কতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য।
১. কোনো হিন্দু যুবক মুসলিম মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করার পর হঠাৎ তার সামনেই কালেমায়ে শাহাদাত পড়ে বলল, “আমি মুসলমান হয়ে গেছি, এখন তোমাকে বিয়ে করব” তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবে। ইসলাম গ্রহণ কোনো মেয়েকে পাওয়ার কৌশল নয়; ইসলাম হলো, আল্লাহ তা‘আলার প্রতি ঈমান, শিরক ও কুফর পরিত্যাগ এবং তাঁর কাছে আত্মসমর্পণের নাম।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ
“নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য দ্বীন হলো ইসলাম।”
সূরা আলে ইমরান, ৩:১৯
কোনো মুসলিম মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর শুধু তাকে বিয়ে করার জন্য কালেমা পড়া অত্যন্ত সন্দেহজনক পরিস্থিতি। তাই মেয়েটির উচিত নয়, শুধু কালেমা উচ্চারণ শুনেই আবেগের বশে তাকে বিশ্বাস করা এবং সঙ্গে সঙ্গে বিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া।
বরং দেখতে হবে, সে সত্যিই ইসলাম সম্পর্কে জানতে ও ইসলামের বিধান মেনে চলতে প্রস্তুত কি না, শিরক ও পূর্বের ধর্মীয় বিশ্বাস পরিত্যাগ করেছে কি না এবং হারাম প্রেমের সম্পর্ক থেকে বের হয়ে শরিয়তসম্মত পথে আসতে প্রস্তুত কি না? আর এই বিষয় যাচাই-বাছাই করাও দায়িত্বশীল অভিভাবক ছাড়া কোন নারীর দ্বারা আদতে সম্ভব নয়।
২. শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো অমুসলিম পুরুষ মুসলিম নারীর স্বামী হতে পারে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَا تُنكِحُوا الْمُشْرِكِينَ حَتَّىٰ يُؤْمِنُوا
“তারা ঈমান না আনা পর্যন্ত মুশরিক পুরুষদের সঙ্গে তোমাদের নারীদের বিবাহ দিও না।”
সূরা আল-বাকারা, ২:২২১
অতএব সে ইসলাম গ্রহণের আগে মুসলিম মেয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই বিবাহ করতে পারবে না। আর কালেমা পড়ার পর তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি দায়িত্বশীলভাবে যাচাই করে তারপর বিবাহের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ
“তুমি এমন কোনো সম্প্রদায় পাবে না, যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে অথচ যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে তাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব রাখে।”
সূরা আল-মুজাদালাহ, ৫৮:২২
তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রত্যেক অমুসলিমের সঙ্গে অন্যায়, জুলুম বা অসদাচরণ করা যাবে। ইসলাম অমুসলিমদের সঙ্গেও ন্যায় ও সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু ঈমানের বিপরীত আকীদায় থাকা কোনো ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত প্রেম, গোপন সম্পর্ক, অন্তরঙ্গতা ও হৃদয়ের বন্ধন তৈরি করাতো আরও গুরুতর বিষয়।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ
“হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের ছাড়া অন্যদের অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।”
সূরা আলে ইমরান, ৩:১১৮
তাই, একজন মুসলিম নারী কোনো অমুসলিম যুবকের সঙ্গে গোপন প্রেম, নিয়মিত ব্যক্তিগত চ্যাট, একান্ত সাক্ষাৎ ও আবেগঘন সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন না। এমন সম্পর্ক যতই সুন্দর কথা দিয়ে শুরু হোক, তা একজন মুসলিম নারীর ঈমান, ইজ্জত ও নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষ করে কোনো যুবক যদি প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে, নিজের পরিচয় গোপন করে, মিথ্যা পরিচয় দেয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়, মেয়েটিকে পরিবার থেকে দূরে সরিয়ে নেয় এবং পরে কালেমা পড়ে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
কারণ প্রতারণার মাধ্যমে একজন নারীকে এমন অবস্থায় নেওয়া সম্ভব, যেখানে সে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও নিরাপদ পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ব্ল্যাকমেইল, শারীরিক নির্যাতন, যৌন শোষণ, পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধের শিকার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
৩. কোনো মুসলিম ধোঁকা দেয় না এবং ধোঁকা দেওয়াকে ইসলাম কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا
যে আমাদের ধোঁকা দেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।-সহীহ মুসলিম, আন্তর্জাতিক নং: ১০১
অতএব মিথ্যা পরিচয়, মিথ্যা প্রেম, মিথ্যা বিয়ের প্রতিশ্রুতি কিংবা ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে প্রতারণা করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ।
একই সঙ্গে মুসলিম নারীরও উচিত নয় সরলতার নামে নিজের নিরাপত্তা ও সম্মানকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। মুমিন বুদ্ধিমান, সতর্ক ও দূরদর্শী হবে।
৪. বিবাহবহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক ইসলামে হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَىٰ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا
তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল এবং নিকৃষ্ট পথ।-সূরা আল-ইসরা, ১৭:৩২
খেয়াল করুন, আল্লাহ শুধু ব্যভিচার করতে নিষেধ করেননি; বরং ব্যভিচারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। কারণ ব্যভিচার হঠাৎ করে ঘটে না। তার আগে থাকে দৃষ্টি, কথা, চ্যাট, বন্ধুত্ব, প্রেম, একান্ত সাক্ষাৎ, স্পর্শ এবং ধীরে ধীরে হারামের দিকে অগ্রসর হওয়া।
তাছাড়া হারাম প্রেমের ক্ষতি শুধু গুনাহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এর কারণে নারীর ইজ্জত নষ্ট হতে পারে, পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে, প্রতারণার শিকার হতে পারে, ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হতে পারে, অবৈধ সম্পর্ক ও গর্ভধারণের মতো বিপদ আসতে পারে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাচার ও যৌন শোষণের মতো ভয়াবহ পরিণতিও ঘটতে পারে।
তাই শুরুতেই হারাম সম্পর্কের দরজা বন্ধ করা একজন মুসলিম নারীর জন্য নিরাপদ পথ।
৫. কোনো যুবক যদি সত্যিই ইসলাম গ্রহণ করতে চায়, তাহলে তার ইসলাম গ্রহণকে প্রেমের সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। সে বিশ্বস্ত আলেমের কাছে যাবে, ইসলাম সম্পর্কে জানবে, কালেমা পড়বে, নামাজ শিখবে, ইসলামের মৌলিক আকীদা গ্রহণ করবে এবং হারাম সম্পর্ক ত্যাগ করবে। এরপর মেয়েটির অভিভাবকের কাছে শরিয়তসম্মতভাবে বিবাহের প্রস্তাব দেবে।
যে ব্যক্তি সত্যিই ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার জন্য গোপন প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
৬. কোনো যুবক কোনো মুসলিম মেয়ের সামনে কালেমায়ে শাহাদাত পড়লে মেয়েটি বিষয়টি নিজের মধ্যে গোপন করবে না। সঙ্গে সঙ্গে তার বাবা-মা, অভিভাবক, পরিবারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিশ্বস্ত আলেমকে জানাবে।
তারপর তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি যাচাই করা হবে। তার পরিচয়, পরিবার, পূর্বের ধর্মীয় অবস্থান, ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান, চরিত্র ও বিবাহের উদ্দেশ্য সম্পর্কে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা খোঁজখবর নেবেন।
৭. কোনো মুসলিম মেয়ের উচিত নয় এমন পরিস্থিতিতে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া। “সে তো আমার জন্য মুসলমান হয়ে গেছে”, “সে আমাকে খুব ভালোবাসে”, “সে কালেমা পড়েছে, তাই সে আর আমাকে ধোঁকা দেবে না” এ ধরনের আবেগনির্ভর চিন্তা বিপজ্জনক হতে পারে।
বরং বিষয়টি পরিবারের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। সত্যিকার ইসলাম গ্রহণ হলে শরিয়তসম্মত বিবাহের দরজা খোলা থাকবে; কিন্তু যাচাই ছাড়া আবেগের বশে সম্পর্ক আরও গভীর করা যাবে না।
৮. চলার পথে কোনো যুবক এ ধরনের আচরণ করলে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করলে তার সঙ্গে একান্তে কথা বলবেন না। তার সঙ্গে নির্জন স্থানে যাবেন না। নিজের মোবাইল নম্বর, ছবি, ঠিকানা, ব্যক্তিগত তথ্য বা পারিবারিক তথ্য দেবেন না।
পরিস্থিতি সন্দেহজনক হলে আশপাশের মানুষকে ডাকবেন, পরিবারের অভিভাবককে জানাবেন এবং বিষয়টি এলাকার দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে অবহিত করবেন।
৯. কেউ যদি পিছু নেয়, ভয় দেখায়, হুমকি দেয়, জোরপূর্বক যোগাযোগ করতে চায়, অপহরণের চেষ্টা করে, ব্ল্যাকমেইল করে কিংবা কোনো ধরনের অপরাধমূলক আচরণ করে, তাহলে বিষয়টি লুকিয়ে রাখবেন না। পরিবারের সদস্যদের জানানোর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী থানা-পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেবেন।
অনলাইনের ক্ষেত্রে মেসেজ, কলের তথ্য, প্রোফাইল, ছবি ও অন্যান্য প্রমাণ সংরক্ষণ করে রাখবেন।
১০. প্রিয় মুসলিম বোন! আপনার ঈমান, ইজ্জত, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ কোনো অপরিচিত যুবকের প্রেমের পরীক্ষার বিষয় নয়। একজন মানুষ আপনার জন্য কালেমা পড়েছে শুনেই তার হাতে নিজের জীবন তুলে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
যদি সে সত্যিই ইসলাম গ্রহণ করে থাকে, তাহলে তাকে শরিয়তের পথে আসতে বলুন। হারাম সম্পর্ক বন্ধ করতে বলুন। ইসলাম শিখতে বলুন। আপনার অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলুন। তারপর যাচাই-বাছাই শেষে শরিয়তসম্মত বিবাহের মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপিত হবে।
মনে রাখবেন, শয়তান মানুষকে সাধারণত এক লাফে বড় গুনাহে নিয়ে যায় না; ধাপে ধাপে নিয়ে যায়। তাই প্রথম ধাপেই সতর্ক হওয়া জরুরি।
আপনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো, গোপন প্রেম নয়, পরিবারের জ্ঞাতসারে বিবাহ; অপরিচিতের মিষ্টি কথা নয়, যাচাই-বাছাই; আবেগ নয়, শরিয়তের নির্দেশনা; আর একাকী সিদ্ধান্ত নয়, অভিভাবক ও বিশ্বস্ত আলেমের পরামর্শ।
আপনার ঈমান ও ইজ্জত আল্লাহর দেওয়া আমানত। কোনো প্রেমের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে সেই আমানত ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের ঈমানকে হেফাজত করুক। সীরাতে মুস্তাকিমের উপর অটল থাকার তাওফিক দান করুক। আমীন।
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
শাহাদাত হুসাইন ফরায়েজী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
লেখক ও গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মুফতী, ফাতাওয়া বিভাগ, মুসলিম বাংলা
লেখক ও গবেষক, হাদীস বিভাগ, মুসলিম বাংলা
খতীব, রৌশন আলী মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদ, ফেনী
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১